আজ টিভিতে যেসব খেলা দেখবেন




বৃষ্টি নেই, তবুও যে কারণে বন্ধ ভারত-বাংলাদেশ টেস্ট




সাকিবের নিরাপত্তা বিষয়ে যা বললেন ক্রীড়া উপদেষ্টা

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ::সাকিব আল হাসান তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে আছেন। টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের ইতি টেনে দিয়েছেন। জানিয়েছেন টেস্ট ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচটা মিরপুরে খেলতে চাওয়ার কথা। তবে অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, সেটা আর সম্ভব নয়। 

প্রথমে বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদ, এরপর এবার ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াও জানিয়ে দিলেন, খেলোয়াড় সাকিবের নিরাপত্তা থাকলেও এর বাইরে জনরোষে পড়ার বিষয়ে নিরাপত্তা দেওয়া সম্ভব নয়।

তিনি আজ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, ‘খেলোয়াড় সাকিবের যথাযথ নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আছে। তবে, ফ্যাসিস্ট সরকারের সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানের বিপক্ষে জনমনে তৈরী হওয়া ক্রোধের বিপরীতে নিরাপত্তা দেওয়ার নিশ্চয়তা চাওয়া অবান্তর।’

তিনি আরও জানান, সাকিবকে তার রাজনৈতিক অবস্থানটা পরিষ্কার করতে হবে। ক্রীড়া উপদেষ্টার ভাষ্য, ’এখানে সাকিব আল হাসানের পরিচয় দুইটা। এটা আমাদের মনে রাখতে হবে। খেলোয়াড় হিসেবে একটা পরিচয়, আরেকটা হচ্ছে রাজনৈতিক পরিচয়। উনি আওয়ামী লীগের প্যানেল থেকে এমপি ইলেকশন করেছেন। মানুষের মধ্যে তো দুটো নিয়েই মিশ্র প্রতিক্রিয়া আছে।’

এ বিষয়ে মাশরাফি বিন মুর্তজার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় উনাকে (সাকিব আল হাসান) উনার জায়গাটা পরিষ্কার করা প্রয়োজন, রাজনৈতিক জায়গা থেকে। উনার যে রাজনৈতিক অবস্থান সেটা নিয়ে কথা বলা প্রয়োজন। অলরেডি মাশরাফি বিন মর্তুজা কথা বলেছেন।’

নিরাপত্তার বিষয়ে তিনি খোলাসা করে জানান, খেলোয়াড় হিসেবে নিরাপত্তা তার থাকবেই। কিন্তু জনরোষের বিষয়টিও শেষে মনে করিয়ে দেন তিনি। তার কথা, ‘এখন খেলোয়াড় হিসেবে, একজন খেলোয়াড়কে যতটুকু নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব সেটা অবশ্যই আমরা দেবো। দেশে এলে আমরা সেটা দেবো। তার নামে যে হত্যা মামলাটা হয়েছে, এটার বিষয়ে আমরা বলেছি, আইন মন্ত্রণালয়ও বলেছে, সংশ্লিষ্টতা না থাকলে প্রাথমিকভাবেই বাদ দেওয়া যায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘কিন্তু উনার রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে জনগণের মধ্যে যদি ক্ষোভ থাকে, তাহলে…। মনে করেন আমার নিরাপত্তার জন্য পাঁচজন পুলিশ কনস্টেবল এবং একজন গানম্যান থাকে। আমার উপরে যদি দেশের ১৬ কোটি জনগণের, ১০ কোটি জনগণের যদি ক্ষোভ থাকে তাহলে এই ৫-৬ জন আমাকে কী নিরাপত্তা দেবে? সেক্ষেত্রে জনগণের যদি কোথাও ক্ষোভ থাকে তাহলে সেটাও আমাকে রিডিউস (কমাতে) করতে হবে আমার কথা দিয়ে।’

এর আগে গত বৃহস্পতিবার বিসিবি সভা শেষে সভাপতি ফারুক আহমেদ কথা বলেছিলেন বিষয়টিতে। তিনি বলটা ঠেলে দিয়েছিলেন সরকারের কোর্টে। তিনি এই বিষয়ে বলেছিলেন, ‘নিরাপত্তার বিষয়টি বিসিবির হাতে নেই। তাকেই (সাকিবকে) এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। বোর্ড থেকে এ ব্যাপারে কিছু করতে পারব না। নির্দিষ্ট একজনকে ব্যক্তিগতভাবে নিরাপত্তা দেওয়ার সামর্থ্য বিসিবির নেই। সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে নিরাপত্তার বিষয়টি আসতে হবে। বিসিবি কোনো এজেন্সি না, পুলিশ না, র‍্যাবও না। সরকারের তরফ থেকে নিরাপত্তার ব্যাপারটি আসতে হবে।’




আইপিএলের যেসব নিয়মে পরিবর্তন এসেছে




বাংলাদেশ-ভারত টেস্টসহ টিভিতে খেলার সূচি




রোমাঞ্চ ছড়িয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ::একেই বলে ফিরে আসা। একেই বলেই জেতার জেদ। দারুণ লড়াই করলো বাংলাদেশ। দেখিয়ে দিলো পিছিয়ে থেকেও লড়া যায়। ফিরে আসা যায়। জেতাও যায়। সাফ অনুর্ধ্ব-১৭ ফুটবলে সেই বীরত্ব দেখিয়ে ফাইনালে পৌছে গেল বাংলাদেশ। সেমিতে হারাল পাকিস্তানকে। ট্রাইব্রেকারে জিতলো ৮-৭ গোল ব্যবধানে। গোলের হিসেব দেখেই বুঝতে পারছেন টাইব্রেকারেও তুমুল লড়াই হয়েছে! পুরো ম্যাচেও তাই!

শুরুর ৯০ মিনিট খেলা ২-২ গোলে ড্র ছিল। টুর্নামেন্টের নিয়ম অনুযায়ী অতিরিক্ত সময়ের খেলা নেই। ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। সেই পর্বে জয়ের হাসি নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ। একটু শুনে মনে হতে পারে সহজেই জিতেছি বাংলাদেশ এই ম্যাচ। আদতে কিন্তু তা নয়। ২-০ গোলে পিছিয়ে থেকে এই ম্যাচে সমতা আনে বাংলাদেশ। তারপর টাইব্রেকারে সংগ্রামী লড়াই করে জয় তুলে নেয়।

 

ম্যাচের ৩২ মিনিটের সময় পাকিস্তান কর্ণার থেকে পাওয়া গোলে এগিয়ে যায়। পিছিয়ে পড়ে ম্যাচের ফেরার চেষ্টা চালায় বাংলাদেশ। কিন্তু এই অর্ধে সফল হয়নি। মাঝ বিরতিতে দলকে চাঙ্গা রেখে কোচ বলে আক্রমণাত্মক মেজাজের খেলা বজায় রাখতে। ম্যাচের ৬২ মিনিটের সময় দ্বিতীয় ধাক্কা খায় দল। ৬১ মিনিটের সময় ডি বক্সে বাংলাদেশের এক ডিফেন্ডারের হাতে বল লাগলে রেফারি হ্যান্ডবলের বাঁশি বাজিয়ে স্পটকিকের নির্দেশ দেন। পেনাল্টি থেকে পাওয়া গোলে ম্যাচের পাকিস্তানের লিড ২-০ গোলের।

বড় ব্যবধানে পিছিয়েও হতাশ হয়নি বাংলাদেশ। অপেক্ষায় থাকে সুযোগ তৈরির। ৭৫ মিনিটের সময় মিঠু চৌধুরীর গোলে ম্যাচে ফেরার রসদ পায় বাংলাদেশ। কর্ণার থেকে আসা বলে গোল করে মিঠু দলকে ম্যাচে রাখেন। ম্যাচে সমতা আনার জন্য বাংলাদেশ তখন মরিয়া হয়ে উঠে। কিন্তু গোলের দেখা যে মিলছে না! ডাগআউটে দাড়ানো বাংলাদেশ কোচ বারবার ঘড়ির দিকে তাকান। সহকারি রেফারি জানিয়ে দেন ইনজুরি টাইম মিলেছে ৭ মিনিটের। এই বাড়তি সময় বাংলাদেশ যেন আরো প্রাণশক্তি এনে দিল। টানা আক্রমণের সুফল তুলে নিল দল। ইনজুরি টাইমের চতুর্থ মিনিটেই কাজের কাজটা করলেন বদলি খেলোয়াড় মানিক। তার শটেই গো..ও..ল! ম্যাচে নাটকীয় সমতা ২-২ গোলের।

নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা শেষ হয় ২-২ গোলের ড্রয়ে। শেষের দিকে লড়াইয়ে ফিরে আসার এই উদ্যমতা নিয়ে বাংলাদেশ টাইব্রেকারে নামে। সেখানেও দু’দলের গোলের পর গোল হয়! সেই লড়াই শেষ পর্যন্ত থামলো বাংলাদেশের ৮-৭ গোলের জয়ে।

ভুটানে চলতি এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের সেমিফাইনালে খেলার সুযোগটাই এসেছে নাটকীয় ভঙ্গিতে। টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্বে একটি হার এবং একটি ড্র নিয়ে বিদায়ের প্রহর গুনছিল বাংলাদেশ দল। শেষে গোলগড়ে এগিয়ে থাকার সুবাদে কোনো মতে খুঁড়িয়ে সেমিফাইনালের টিকেট মিললো।

আর সেই সেমিফাইনালে দারুণ উজ্জ্বীবিত ফুটবল খেলে পাকিস্তানকে হারিয়ে বাংলাদেশ এখন টুর্নামেন্টের ফাইনালে। বয়সভিত্তিক এই টুর্নামেন্টে এবারই বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো ফাইনালে খেলছে।




দ্বিতীয় দিনেও পেছালো খেলা, বাড়ছে অপেক্ষা




বাংলাদেশের ম্যাচসহ টিভিতে আজকের যত খেলা 




বাংলাদেশ-ভারত টেস্ট ৩৫ ওভারে শেষ প্রথমদিন, কাল আবহাওয়া কেমন থাকবে




কানপুর টেস্ট : শান্ত-মুমিনুলের জুটিতে স্বস্তির প্রথম সেশন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : ২৯ রানের মধ্যে দুই ওপেনার সাজঘরে। কানপুর টেস্টের প্রথম দিনে বাংলাদেশ বেশ চাপে পড়ে গিয়েছিল। তবে নাজমুল হোসেন শান্ত আর মুমিনুল হক মিলে ৪৫ রানের জুটিতে স্বস্তির সেশন এনে দিয়েছেন টাইগারদের।

২৬ ওভারে ২ উইকেটে ৭৪ রান নিয়ে প্রথম দিনের লাঞ্চ বিরতিতে গেছে বাংলাদেশ। শান্ত ২৮ আর মুমিনুল ১৭ রানে অপরাজিত আছেন।

কানপুর টেস্ট শুরুর আগের দিন বৃষ্টি হয়েছে। ভেজা আউটফিল্ডের কারণে টসও হয় দেরিতে। পেসাররা সহায়তা পাবেন, এমনটা ভেবেই বোধ হয় টস জিতে প্রথমে বোলিং বেছে নেন ভারতের অধিনায়ক রোহিত শর্মা।

প্রথম কয়েক ওভার পেসাররা বিপদে ফেলতে পারেন, জানাই ছিল। তবে দুই ওপেনার সাদমান ইসলাম এবং জাকির হাসান বেশ দেখেশুনে শুরু করেন।

অনায়াসেই কাটিয়ে দেন প্রথম ৮ ওভার। তবে নবম ওভারের তিন নম্বর বলে এসে জাকির হাসান স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। ভারতীয় পেসার আকাশ দীপ নিজের প্রথম ওভারে এসেই সুইংয়ে পরাস্ত করেন জাকিরকে।

স্লিপে জয়সওয়াল দারুণ ক্যাচ নিলেও ক্যাচটি নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ ছিল। রিপ্লে বেশ ঘোলা দেখা যায়, কোনো অ্যাঙ্গেল থেকেই নিশ্চিত হওয়া যায়নি বল মাটিতে স্পর্শ করেছে কিনা। আম্পায়ার আউট দেন। ২৪ বল খেলে ০ রান করে ফেরেন টাইগার ওপেনার।

এরপর সাদমান ইসলামও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। আম্পায়ার আউট দেননি। কিন্তু বোলার আকাশ দীপ বেশ আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। বোলারের সঙ্গে কথা বলে রিভিউ নিয়ে নেন ভারতের অধিনায়ক রোহিত শর্মা।

রিভিউতে দেখা যায়, সাদমান ইসলামের প্যাডে লাগা বল লেগস্টাম্প আঘাত করতো। সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে হয় আম্পায়ারের। বড় স্ক্রিনে এই আউট দেখে অবাক হতে দেখা যায় রোহিতকেও। অনেকটা অপ্রত্যাশিত উইকেট পেয়ে বিরাট কোহলিসহ অন্য ক্রিকেটাররাও উল্লাসে ফেটে পড়েন।

সাদমান বেশ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গেই খেলছিলেন। কিন্তু ৩৬ বলে ৪ বাউন্ডারিতে ২৪ করে সাজঘরে ফিরতে হয় বাংলাদেশ ওপেনারকে। ২৯ রানে দ্বিতীয় উইকেটের পতন ঘটে টাইগারদের।