সিরিজ বাঁচানোর মিশনে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ভারতের কাছে পাত্তাই পায়নি বাংলাদেশ। এবার টাইগারদের সামনে সিরিজ বাঁচানোর লড়াই। আর সেই লড়াইয়ে টস জিতে ফিল্ডিং নিয়েছে বাংলাদেশ।




বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচসহ টিভিতে খেলার সূচি




টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে পছন্দের ও হতাশার মুহূর্ত জানালেন মাহমদুউল্লাহ

বরিশাল অফিস :: টেস্ট থেকে বিদায় নিয়েছেন সেই ২০২১ সালে। এরপর শুধু সাদা বলের ক্রিকেটেই মনোযোগী হয়েছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। বেশ কিছুদিন ধরে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটেও সময়টা ভালো যাচ্ছিল না মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের। সবশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে হতাশ করেছেন বাংলাদেশি দর্শকদের। তখনই উঠেছিল তার অবসরের গুঞ্জন।

তবে চমক দেখিয়ে চলমান ভারত সিরিজেও দলে জায়গা করে নিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ। প্রতিবেশী দেশটির বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে আবারও ব্যর্থ তিনি। ২ বল খেলে ১ রান করে বিদায় নেন এই অলরাউন্ডার। আগামীকাল সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে লড়বে বাংলাদেশ। সেই ম্যাচের আগে আজ দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে সংবাদ সম্মেলনে মাহমুদউল্লাহ জানিয়ে দিলেন, চলমান ভারত সিরিজই হতে যাচ্ছে এই সংস্করণে তার শেষ পথচলা।

যদিও বিদায়ের চিন্তা আগেই করেছিলেন মাহমুদউল্লাহ। অবসরের ঘোষণা দেওয়ার সময় পঞ্চপাণ্ডবের (সাকিব আল হাসান, মাশরাফি বিন মুর্তজা, তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে এই নামে ডাকা হয়) এই সদস্য বলেন, ‘এই সিরিজের শেষ ম্যাচের পরেই আমি টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নেব। আসলে এটা আমি এই সফরে আসার আগেই ঠিক করে রেখেছিলাম। আমি আমার পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছি। আমার কোচ, অধিনায়ক, নির্বাচক এবং বোর্ড সভাপতিকেও সিদ্ধান্ত জানিয়েছি। আমি মনে করি, এটাই সঠিক সময় এই সংস্করণ থেকে সরে গিয়ে সামনে ওয়ানডে যা আছে, সেদিকে মনোযোগ দেওয়ার। আমার জন্য এবং পরের (টি-টোয়েন্টি) বিশ্বকাপের কথা যদি ভাবি, দলের জন্যও এটাই সঠিক সময়।’

টি-টোয়েন্টিতে ৪৩ ম্যাচে অধিনায়কত্ব করেছেন রিয়াদ। এই সংস্করণে সবচেয়ে পছন্দের ও সবচেয়ে হতাশার দুইটি মুহূর্তের কথা উল্লেখ করতে গিয়ে এই তারকা বলেন, ‘সবচেয়ে হতাশার মুহূর্ত ছিল ২০১৬ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে হার। সেটি ছিল আমার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার মুহূর্ত, সেখান থেকে আমি অনেক কিছু শিখেছি। আর সবচেয়ে সেরা মুহূর্ত পেয়েছি (শ্রীলঙ্কায়) নিদহাস ট্রফিতে।’

প্রসঙ্গত, ২০১৬ বিশ্বকাপের গ্রুপপর্বে ভারতের বিপক্ষে বেঙ্গালুরুতে ম্যাচের শেষের দিকে ৩ বলে ২ রান দরকার ছিল বাংলাদেশের। স্বাভাবিকভাবে রান নেওয়ার তাড়না থাকলেই জিতে যাওয়ার কথা বাংলাদেশের। তবে বাউন্ডারি মারতে যান মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও মুশফিকুর রহিম। দুজনই আউট হয়ে যান তাতে। বাংলাদেশ হারে ১ রানে। যাতে ক্ষুব্ধ হন বাংলাদেশি সমর্থকরাও।

অন্যদিকে, ২০১৮ সালের নিদাহাস ট্রফিতে মাহমুদউল্লাহর বীরত্বে দারুণ এক জয় দেখে বাংলাদেশ। মাহমুদউল্লাহর ১৮ বলে ৪৩ রানের ঝোড়ো ইনিংসে কলম্বোর স্বাগতিক শ্রীলংকার বিপক্ষে জয় পেয়েছিল টাইগাররা। ম্যাচের শেষের দিকে ৪ বলে ১২ রান দরকার ছিল বাংলাদেশের। ইসুরু উদানার করা ইনিংসের শেষ ওভারের তৃতীয় বলে চার, চতুর্থ বলে দুই রান ও শেষ বলে দর্শনীয় ছক্কা মেরে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন মাহমুদউল্লাহ।




টি-টোয়েন্টিকে বিদায় জানাচ্ছেন রিয়াদ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের ইতি টানার ঘোষণা দিতে পারেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। ভারতের বিপক্ষে চলতি সিরিজই হতে পারে তার শেষ টি-টোয়েন্টি সিরিজ।

দিল্লির দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিকে সামনে রেখে আজকের সংবাদ সম্মেলনে টি-টোয়েন্টি থেকে অবসরের ঘোষণা দেয়ার গুঞ্জন রয়েছে সাইলেন্ট কিলারের।

ভারত সিরিজে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর সিদ্ধান্ত মাহমুদউল্লাহর নেয়া ছিল আরও আগেই। এ ব্যাপারে নিজের সিদ্ধান্তের কথা চূড়ান্তভাবে বিসিবির শীর্ষ পর্যায়কে জানালে তারাও স্বাগত জানিয়েছে সিদ্ধান্তকে।

২০০৭ সালের সেপ্টেম্বরে নাইরোবিতে কেনিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি অভিষেক হয়েছিল মাহমুদউল্লাহর। সেই থেকে বাংলাদেশের হয়ে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ১৩৯টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন রিয়াদ। ১১৭ দশমিক ৭৪ স্ট্রাইক রেটে প্রায় ২৩ গড়ে রান করেছেন ২ হাজার ৩৯৫। বল হাতে রয়েছে ৪০ উইকেট।

২০১৮ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে ৪৩টি টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্বও দিয়েছেন তিনি। তার নেতৃত্বে ১৬ ম্যাচে জয় পায় বাংলাদেশ। এরমধ্যে একবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নেতৃত্ব দিয়েছেন রিয়াদ।




পাকিস্তান-ইংল্যান্ড ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলার সূচি




দেশের মাটিতে অবসর নেয়ার সম্ভাবনা বেশি সাকিবের: বিসিবি সভাপতি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: দেশের মাটিতে সাকিব আল হাসানের খেলা, না খেলা নিয়ে সংশয়ের মাঝে সুখবর দিলো বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ঘরের মাটিতেই টাইগার অলরাউন্ডারের শেষ টেস্ট খেলার সম্ভাবনা বেশি দেখছেন বোর্ড সভাপতি ফারুক আহমেদ।

টি-টোয়েন্টিকে বিদায় বলে দিয়েছেন। আসন্ন দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে ইতি টানতে চান টেস্ট ক্রিকেটের। কিন্তু ঘরের মাঠে হওয়া এ সিরিজে খেলা নিয়ে সংশয়ে আছেন সাকিব। কারণটা রাজনৈতিক। দেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর পরিস্থিতি অনেকটা বদলে গেছে। আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে গত জাতীয় নির্বাচনে সংসদ সদস্য হওয়ায় জনতার রোষানলে পড়েছেন তিনিও।

তাই নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকলে এ সিরিজে খেলা হবে না সাকিবের। সেক্ষেত্রে ভারতের বিপক্ষে খেলা সবশেষ টেস্ট ম্যাচটিই তার সাদা পোশাকের ক্যারিয়ারে শেষ ম্যাচ হয়ে থাকবে। তবে ঘরের মাটিতে সাকিব যেন শেষ টেস্ট খেলতে পারেন সে ব্যবস্থা করার চেষ্টা করে যাচ্ছে বোর্ড ও ক্রীড়া উপদেষ্টা।

এর আগে ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছিলেন, ‘একজন খেলোয়াড়কে আমরা সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেব। আইনি অভিযোগ থাকলে সেটা আইন মন্ত্রণালয়ের বিষয়। তবে সাকিব আল হাসানের নিরাপত্তা নিয়ে আমরা ইতোমধ্যে কথা বলেছি। তার নিরাপত্তা আমরা নিশ্চিত করব। এরকম একজন ক্রিকেটার যার দেশের ক্রিকেটের জন্য এত অর্জন তার বিদায়টা দেশেই সুন্দরভাবে হোক। যেহেতু তিনি দেশে বিদায় নিতে চাচ্ছেন।’

এদিকে সোমবার (৭ অক্টোবর) ঘরের মাটিতে সাকিবের খেলার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দিয়েছে বিসিবি। বোর্ড সভাপতি ফারুক আহমেদ জানিয়েছেন, ‘ঘরের মাটিতে সাকিবের অবসর নেয়ার সম্ভাবনা বেশি।’

আগামী ২১ অক্টোবর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মিরপুরে সিরিজের প্রথম টেস্টে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় টেস্ট মাঠে গড়াবে ২৯ অক্টোবর চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ স্টেডিয়ামে। সবকিছু ঠিক থাকলে এ সিরিজ খেলে দেশের মাটিতে টেস্ট ক্রিকেটের ইতি টানবেন সাকিব। আপাতত তিনি অবস্থান করছেন যুক্তরাষ্ট্রে।




আর্জেন্টিনাকে কাঁদিয়ে হেক্সা মিশন সম্পন্ন করল ব্রাজিল

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: কাতার বিশ্বকাপের পর থেকে সবচেয়ে আলোচিত কয়েকটির বিষয়ের মধ্যে অন্যতম ছিল ব্রাজিলের হেক্সা মিশন। কিন্তু কোয়ার্টার ফাইনাল ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে হারের হেক্সা মিশনে ব্যর্থ হন সেলেসাওরা। যার নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার শিকার হন ব্রাজিলিয়ান সমর্থকরা। ফুটবলে না পারলেও ফুটসাল বিশ্বকাপের হেক্সা মিশনে সফল হয়েছে ব্রাজিল।

রোববার (৬ অক্টোবর) উজবেকিস্তানের তাসখন্দে ফিফা ফুটসাল বিশ্বকাপের ফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনাকে ২-১ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ব্রাজিল। সেই সঙ্গে হেক্সা মিশনে এবার পুরোপুরি সফল হয়েছে সেলেসাওরা। ব্রাজিলের হয়ে গোল করেন ফেরাও এবং সান্তোস। আর আর্জেন্টিনার হয়ে একটি গোল করেন মাটিয়াস রোসা।

এদিন ম্যাচের শুরু থেকে দাপট দেখাতে থাকে সেলেসাওরা। দুর্দান্ত আক্রমণে ম্যাচে পঞ্চম মিনিটে মার্সেনিও বাড়ানো বল থেকে আর্জেন্টিনার জালে বল পাঠান ফেরাও। এর খেলায় ফিরতে আক্রমণ চালাতে থাকে আলবিসেলেস্তারা। কিন্তু ১২তম মিনিটে রাফা সান্তোসের গোলে ব্যবধান দ্বিগুন করে ব্রাজিল। এরপর গোল শোধ করতে মরিয়া হয়ে উঠলেও সাফল্য আনতে ব্যর্থ হয় আর্জেন্টাইনরা। যার ফলে ২-০ তে এগিয়ে থেকে বিরতে যায় ব্রাজিল।

দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নেমেও আর্জেন্টিনাকে সুযোগ দেয়নি ব্রাজিল। একের পর এক আক্রমণ করে প্রতিপক্ষকে চাপে মুখে রাখে তারা। কিন্তু ভালো সুযোগ তৈরি করেও ফিনিশিংয়ের অভাবে গোল পাচ্ছিল না সেলেসাওরা।বিপরীতে ৩৮তম মিনিটে মাটিয়াস রোসার গোলে ব্যবধান কমায় আলবিসেলেস্তারা। শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ব্রাজিল।

এতে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ ছয় বারের চ্যাম্পিয়ন হয় সেলেসাওরা। অন্যদিকে দ্বিতীয় শিরোপা ছুঁয়ে দেখা হলো না আর্জেন্টিনার।




প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশকে উড়িয়ে দিল ভারত

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: শরিফুলের প্রথম ওভারে ১০ রান। তাসকিনের প্রথম ওভারে ১৫ রান। মুস্তাফিজের প্রথম ওভারে খরচ ১২ রান। পাঁচ ওভারের আগেই ভারতের স্কোরবোর্ডে রান ৫০। ব্যস ওখানেই ঝটপট ম্যাচ জেতার পথ পেয়ে গেল ভারত।

নাকি আরো আগে? বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের সময়? তাও ঠিক, জয়ের জন্য ১২৮ রান এই ভারতীয় দলের জন্য তো মামুলি টার্গেটই। গোয়ালিওরের যে উইকেটে বাংলাদেশ খানিক আগে রানের জন্য সংগ্রাম করছিল সেখানেই ভারতীয় ব্যাটাররা হেসেখেলে খুনে মেজাজে রান তুলে গেলেন।

দু’দলের ব্যাটিংয়ের এই ভিন্ন চিত্রই এই ম্যাচের আসল ব্যবধান গড়ে দিল। সিরিজের প্রথম টি- টোয়েন্টি জিতল ভারত অনায়াসে, ৭ উইকেটে।

বাজে ব্যাটিংয়ের পর বাজে বোলিং। সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচের আগে দ্রুতই এই ম্যাচটা ভুলে যেতে চাইবে বাংলাদেশ। ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ১৪ বলে ২৯ রান তুলে আউট হওয়ার আগে ব্যাট হাতে যা করলেন তাকে বলে ছেলেখেলা। বাংলাদেশের বোলিং তার ব্যাটের কাছে মনে হচ্ছিল হাতের মোয়া! ২৯ রানের এই ইনিংস খেলতে সূর্যকুমার তিনটি ছক্কা ও দুটি বাউন্ডারি হাঁকান। লেগসাইডের ওপর দিকে হাঁকানো তার গ্ল্যান্স শটের ছক্কা দেখে ধারাভাষ্যকক্ষে বসা তামিম ইকবাল বিস্মিত গলায় বলেন-‘ ওকে আটকাকে কে, ও তো সেরা বলেও ছক্কা মারে!’।

সূর্যকুমারের গড়ে দেওয়া মারকাটারি ইনিংসের ওপর দাড়িয়ে ওপেনার স্যাঞ্জু স্যামসন ভারতের জয়ের পথ আরো সহজ করে দেন। আর হার্দিক পান্ডিয়ার ব্যাটিং দেখে মনে হচ্ছিল বলের সুতো খুলে ফেলতে নেমেছেন তিনি! করলেনও তাই। ১৬ বলে অপরাজিত ৩৯ রান করেন ভারতীয় অলরাউন্ডার।

টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নামা বাংলাদেশ দল প্রথম ওভারেই লিটন দাসকে হারায়। আরশদীপের বলে স্টিয়ার শটে বাউন্ডারি মারার পরের বলেই লিটন দাসের মনে হলো এবার উড়িয়ে মারি! আর যেই ভাবা সেই কাজ করতে গিয়ে তিনি যে ভঙ্গিতেই সেই শট খেললেন তার রিপ্লে দেখলে নিজেই লজ্জা পাবেন। বল ব্যাটের কানায় লেগে আকাশে উঠে। রিঙ্কু সিং সহজ ক্যাচ ধরেন। ২ রানে ৪ রান করে লিটন ড্রেসিংরুমের দিকে হাঁটা ধরেন।

শান্ত লম্বা সময় ধরে ব্যাটিং করলেও সেটা কখনোই টি-টোয়েন্টি মেজাজের কিছু ছিল না। আরেক ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন, মিডলঅর্ডারে তাওহীদ হৃদয় ও মাহমুদউল্লাহ, জাকের আলী অনিক-প্রত্যেকেই দৃষ্টিকটু ভঙ্গিতে আউট হন।

শেষের দিকে মেহেদি হাসান মিরাজ ব্যাট হাতে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ায় বাংলাদেশের স্কোর একশ’র ওপর যায়। কিন্তু ১২৭ রানের এই সামান্য সঞ্চয় নিয়ে ভারতীয় দলকে চ্যালেঞ্জ জানানো যায় না। গোয়ালিওরে ৭ উইকেটের হারে সেই শিক্ষা নিয়েই ফিরলো বাংলাদেশ।

সংক্ষিপ্ত স্কোর-
বাংলাদেশ: ১২৭/১০, ১৯.৫ ওভার (ইমন ৮, লিটন ৪, শান্ত ২৭, হৃদয় ১২, মাহমুদউল্লাহ ১, জাকের ৮, মিরাজ ৩৫*, রিশাদ ১১, তাসকিন ১২, শরিফুল ০, মুস্তাফিজ ১; আরশদীপ ৩/১৪, হার্দিক ১/২৬ বরুণ ১/৩১, মায়াঙ্ক ১/২১, সুন্দর ১/১২)।
ভারত: ১৩২/৩ ১১.৫ ওভার (স্যামসন ২৯, সূর্যকুমার ২৯, পান্ডিয়া ৩৯*)।
ফল: ভারত ৭ উইকেটে জয়ী।




১২৭ রানে অলআউট বাংলাদেশ

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: টেস্ট সিরিজ জয়ের পর এবার রঙিন পোশাকে বাংলাদেশের বিপক্ষে মাঠে নেমেছে ভারত। তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে গোয়ালিয়রে মাঠে নেমেছে দুই দল। ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ভারতের বিপক্ষে এই সিরিজ দিয়ে নতুন উদ্যমে শুরুর প্রত্যয় টাইগারদের। কিন্তু আগে ব্যাট করতে নেমে ফের ব্যাটিং ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে ১২৭ রানে অলআউট হয় নাজমুল হোসেন শান্তর দল।

রবিবার (৬ অক্টোবর) গোয়ালিয়রের শ্রীমান্ত মাধবরাও সিন্ধিয়া ক্রিকেট স্টেডিয়াম টস জিতে বল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ভারতের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের প্রথম ওভারেই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ২ বলে ৪ রান করে সাজঘরে ফিরে যান লিটন দাস। তার বিদায়ের পরই আউট হন আরেক ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন।

দলীয় ১৪ রানে ৯ বলে ৮ রান করে ফিরে যান ইমন। এরপর তাওহিদ হৃদয়কে সঙ্গে নিয়ে শুরুর ধাক্কা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে দলীয় ৪০ রানে ফেরন উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ১৮ বলে ১২ রান করে আউট হন হৃদয়। এরপর দ্রুতই আরও দুই উইকেট হারায় টাইগাররা। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ২ বলে ১ ও জাকের আলি ৬ বলে ৮ রান করে আউট হন।

মেহেদী হাসান মিরাজকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস মেরামতের চেষ্টা করেন শান্ত। তবে দলীয় ৭৫ রানে ২৫ বলে ২৭ রান করে আউট হন তিনি। শান্তর বিদায়ের পর ক্রিজে এসে এক ছক্কা ও এক চারে ৫ বলে ১১ রান করে ফিরে যান রিশাদ হোসেন।

এরপর তাসকিন আহমেদ ও মিরাজের ব্যাটে একশো পেরোয় বাংলাদেশ। তবে দলীয় ১১৬ রানে ১৩ বলে ১২ রান করে আউট হন তাসকিন। শেষ ব্যাটার হিসেবে মোস্তাফিজুর রহমান আউট হলে পর্যন্ত ১৯ ওভার ৫ বলে ১২৭ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। ৩২ বলে ৩৫ রানে অপরাজিত থাকেন মিরাজ। ভারতের পক্ষে বরুণ চক্রবর্তী ও আর্শদীপ সিং নেন ৩টি উইকেট।




দুমকিতে ৫১তম গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: ‘ক্রীড়াই শক্তি-ক্রীড়াই বল’ প্রতিপাদ্যে পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলা মাধ্যমিক স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা ক্রীড়া পরিচালনা কমিটি কর্তৃক আয়োজিত দুই দিনব্যাপী ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়েছে।

রবিবার (৬ অক্টোবর) সকাল ১০টায় দুমকি উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়।

মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বদরুন নাহার ইয়াছমিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দুই দিনব্যাপী ৫১তম বাংলাদেশ স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহীন মাহমুদ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- প্রধান শিক্ষক মো. আ. জব্বার হাওলাদার, মো. রফিকুল ইসলাম খান, বাবুল লস্কর, মো. জহিরুল ইসলাম ও আহ্বায়ক মো আসলাম হাওলাদার প্রমুখ।

আরো উপস্থিত ছিলেন- ক্রীড়া পরিচালনা কমিটির সদস্য, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীবৃন্দ।

উল্লেখ্য, এ বছর গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বালক, বালিকাদের একক সাঁতারে ১১টি ও দলগত বালিকাদের কাবাডি ও দাবায় ৪৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বালক-বালিকারা অংশগ্রহণ করে।