লড়েও জেতা হলো না, এশিয়ান কাপের স্বপ্ন প্রায় শেষ জামাল-হামজাদের

বাংলাদেশ ফুটবল দল এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে হংকংয়ের মাঠে হারের ব্যর্থতায় হতাশ। মঙ্গলবার কাই তাক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে বাংলাদেশ ১-১ গোলে ড্র করেছে। তবে এই সমতা বাংলাদেশ দলের জন্য তৃপ্তিদায়ক হয়নি।

ফিরতি লেগে ঢাকায় হংকংয়ের কাছে ৩-৪ গোলে হারের পর, এই ড্র বাংলাদেশকে বাছাইপর্বে টিকে থাকার সম্ভাবনা থেকে প্রায় দূরে ঠেলে দিয়েছে।

ম্যাচে শুরুতে রক্ষণাত্মক কৌশল নিয়েছে বাংলাদেশ। জায়ান আহমেদ, শমিত সোম ও তপু বর্মনকে নিয়ে সাজানো ডিফেন্স দৃঢ় ছিল। প্রথমার্ধের ৩৬তম মিনিটে হংকংয়ের ফের্নান্দো পেরেইরার পেনাল্টি গোলের ফলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় হোস্টরা।

দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশ আক্রমণে বেশ সক্রিয় হয়ে ওঠে। ৭৫তম মিনিটে হংকং ডিফেন্ডার অলিভার গারবিগ দ্বিতীয় হলুদ কার্ড পাওয়ায় মাঠ ছাড়েন, সংখ্যা সংখ্যায় এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। ৮৩তম মিনিটে ফয়সাল ফাহিমের ক্রসে ফাহামিদুল ইসলাম হেড পাস দেন রাকিব হোসেনের পায়ে, রাকিব নিখুঁত শটে বল জালে পাঠিয়ে সমতা ফিরিয়ে আনেন — ১-১।

শেষ মুহূর্তেও বাংলাদেশ কিছু সুযোগ পায়, কিন্তু গোল করতে ব্যর্থ হয়। এই ড্রয়ের ফলে ‘সি’ গ্রুপে বাংলাদেশের পয়েন্ট দাঁড়িয়েছে মাত্র ২। ৮ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে হংকং। হামজা চৌধুরা ও জামাল ভূঁইয়ারা আর্থিকভাবে বাছাইপর্ব পার হওয়ার সম্ভাবনা এখন খুবই সীমিত।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫




তামিম ফিরছেন বিপিএলে, বরিশালের জার্সিতেই মাঠে নামার সম্ভাবনা

আগামী ডিসেম্বরেই মাঠে গড়াতে যাচ্ছে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টুর্নামেন্ট বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)। এবারের আসরকে ঘিরে শুরু হয়েছে দল গঠন ও প্রস্তুতি কার্যক্রম। তবে ফরচুন বরিশালের অংশগ্রহণ নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, তা এবার কাটতে শুরু করেছে।

দলটির মালিক মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, বরিশাল বিপিএলে অংশ নিলে তামিম ইকবালই মাঠে নামবেন তাদের হয়ে। তিনি বলেন, “আমি মনে করি না তামিম বিপিএলে খেলবেন না। তিনি যে ক্রিকেট বয়কটের কথা বলেছেন, সেটা সম্ভবত সাধারণ ম্যাচের প্রসঙ্গে। বিপিএল হলে আমি ব্যক্তিগতভাবে তাকে খেলতে অনুরোধ করব। আমার বিশ্বাস, বরিশাল অংশ নিলে তামিম অবশ্যই খেলবেন।”

উল্লেখ্য, সম্প্রতি সব ধরনের ক্রিকেট থেকে সাময়িক বিরতি নেওয়ার ঘোষণা দেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল। এরপর থেকেই গুঞ্জন ওঠে তিনি হয়তো বিপিএলেও অংশ নেবেন না। তবে মালিকপক্ষের মন্তব্যে ভক্তদের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।

অন্যদিকে, ফরচুন বরিশাল জানিয়েছে, সময়ের স্বল্পতার কারণে দল গঠন ও প্রস্তুতি নিতে কিছুটা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে তারা। এজন্য বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের কাছে টুর্নামেন্টের সময়সূচি পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করেছে দলটি।

গভর্নিং কাউন্সিলের ঘোষণায় বলা হয়েছে, এবারের বিপিএলে মোট পাঁচটি দল অংশ নেবে এবং টুর্নামেন্টটি শুরু হবে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে। বরিশালের দাবি, টুর্নামেন্টের তারিখ কিছুটা পিছিয়ে দিলে দলগুলো পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে অংশ নিতে পারবে, যা বিপিএলের মান ও প্রতিযোগিতা উভয়কেই আরও সমৃদ্ধ করবে।

এদিকে ক্রিকেটপ্রেমীরা অপেক্ষায় রয়েছেন—তামিম কি সত্যিই বিপিএলে মাঠে নামবেন, নাকি এবারও তাকে দেখা যাবে না বরিশালের রঙে!

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




আফগানিস্তানের কাছে ধস, ১০৯ রানে অলআউট বাংলাদেশ

টি-টোয়েন্টি সিরিজে দাপুটে হোয়াইটওয়াশের পর ওয়ানডে ফরম্যাটে যেন সম্পূর্ণ ভিন্ন এক বাংলাদেশ। ফরম্যাট বদলেই বদলে গেছে পারফরম্যান্স—প্রথম ম্যাচে ব্যাটিং ব্যর্থতার পর দ্বিতীয় ওয়ানডেতেও একই চিত্র। ১৯১ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ২৮.৩ ওভারে মাত্র ১০৯ রানে গুটিয়ে গেছে টাইগাররা। ফলে এক ম্যাচ হাতে রেখেই ৮১ রানের জয় তুলে নিয়ে সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে আফগানিস্তান।

আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে আফগানিস্তান করে ১৯০ রান। বাংলাদেশের বোলাররা ম্যাচের শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখেন। তানজিম হাসান সাকিবের দারুণ ওপেনিং স্পেল, মেহেদি হাসান মিরাজ ও রিশাদ হোসেনের ঘূর্ণি—সব মিলিয়ে দারুণ বোলিং পারফরম্যান্স উপহার দেয় টাইগাররা। আফগান ব্যাটারদের মধ্যে একমাত্র ইব্রাহিম জাদরান লড়াই চালিয়ে যান, করেন ৯৫ রান। কিন্তু তার সঙ্গী ব্যাটাররা নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানোয় ৪৪.৫ ওভারে অলআউট হয় আফগানিস্তান।

কিন্তু ১৯১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। ইনিংসের প্রথম ওভারেই তানজিদ হাসান তামিম শূন্য রানে বিদায় নেন। এরপর নাজমুল হোসেন শান্ত রান আউট হয়ে ফিরলে দল পড়ে আরও চাপে। সাইফ হাসান ২২ রান করে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও বেশি দূর এগোতে পারেননি।

তাওহীদ হৃদয়ও ফিরে যান ২৪ রানে, এরপরের ব্যাটাররাও একে একে সাজঘরে ফেরেন। জাকের আলি অনিক, নুরুল হাসান সোহান, রিশাদ হোসেন—কেউই বড় ইনিংস গড়তে পারেননি। রশিদ খানের ঘূর্ণির জালে একে একে ধরা পড়েন সব ব্যাটার। ৫ উইকেট তুলে নিয়ে আফগান স্পিনার আবারও হয়ে ওঠেন বাংলাদেশের জন্য দুঃস্বপ্ন।

শেষ পর্যন্ত ১০৯ রানে থেমে যায় বাংলাদেশের ইনিংস। এতে ৮১ রানের বড় ব্যবধানে হেরে সিরিজ হার নিশ্চিত হয়।

এই পরাজয়ের ফলে ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের সরাসরি যোগ্যতা অর্জনের পথও কঠিন হয়ে পড়ল বাংলাদেশের জন্য। একসময় সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলা ব্যাটারদের অনিয়ন্ত্রিত শট বাছাই ও দায়িত্বজ্ঞানহীনতা যেন আবারও মুখ থুবড়ে ফেলল পুরো দলকে।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




কোরিয়ার জালে ব্রাজিলের গোল বন্যা

দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে যেন ব্রাজিল ফুটবলের এক উৎসবই হয়ে গেল। বহুদিন পর সেই পুরনো নান্দনিক ফুটবলে ফিরেছে সেলেসাওরা। শুক্রবার (১০ অক্টোবর) সিউলের ওয়ার্ল্ড কাপ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ব্রাজিল ৫-০ গোলের বড় জয় পেয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে।

কোচ কার্লো আনচেলত্তির অধীনে খেলতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিল ব্রাজিল। ১৩ মিনিটেই এগিয়ে যায় দল। ব্রুনো গুইমারেসের নিখুঁত পাস থেকে গোল করেন তরুণ প্রতিভা এস্তেভাও উইলিয়ান। ৪০ মিনিটে রদ্রিগোর অসাধারণ দূরপাল্লার শটে ব্যবধান বাড়ায় ব্রাজিল। ক্যাসেমিরো ও ভিনিসিউসের সঙ্গে চমৎকার সমন্বয়ে তৈরি হয় গোলটি।

বিরতির পর আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠে ব্রাজিল। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই মাত্র দুই মিনিটের ব্যবধানে দুটি গোল পায় সেলেসাওরা। ৪৭ মিনিটে এস্তেভাও নিজের দ্বিতীয় গোল করেন কোরিয়ান ডিফেন্ডারের ভুলে পাওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে। আর ৪৯ মিনিটে ভিনিসিউসের দারুণ পাস থেকে রদ্রিগো পান তার দ্বিতীয় গোলের দেখা।

শেষ দিকে ৭৭ মিনিটে দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাকে ব্রাজিলের হয়ে পঞ্চম গোলটি করেন ভিনিসিউস জুনিয়র। ম্যাথুস কুনহার লম্বা পাসে ছুটে গিয়ে কোরিয়ান গোলরক্ষককে পরাস্ত করে তিনি এই গোলটি করেন।

এই ৫-০ ব্যবধানের জয় দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ব্রাজিলের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জয়ের রেকর্ড। আগের রেকর্ড ছিল ২০২২ সালে ৫-১ ব্যবধানে।

বিশ্বকাপের আগে নিজেদের প্রস্তুতি ঝালিয়ে নিতে এই জয় নিঃসন্দেহে ব্রাজিলের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দেবে। এশিয়া সফরে ব্রাজিলের এটি ছিল প্রথম ম্যাচ। সামনে ১৪ অক্টোবর টোকিওতে জাপানের বিপক্ষে আরেকটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে তারা।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫




শেষ মুহূর্তে ভেঙে গেলো বাংলাদেশের স্বপ্ন, সাত গোলের রোমাঞ্চে হংকংয়ের জয়

ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে শুক্রবার রাতে অনুষ্ঠিত ম্যাচটি যেন এক নাটকীয় ফুটবল থ্রিলার। সাত গোলের লড়াইয়ে এগিয়ে থেকেও শেষ মুহূর্তে হংকংয়ের কাছে ৪-৩ ব্যবধানে হেরে গেলো বাংলাদেশ। এই হারেই এএফসি এশিয়ান কাপে খেলার স্বপ্ন শেষ হয়ে গেলো হামজা চৌধুরী ও জামাল ভূঁইয়াদের নেতৃত্বাধীন দলের।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল বাংলাদেশ। গ্যালারিভর্তি দর্শকদের সামনে ১৩ মিনিটেই দুর্দান্ত এক গোল করেন দলের সেরা তারকা হামজা দেওয়ান চৌধুরী। স্টেডিয়াম তখন উল্লাসে মুখর। কিন্তু সেই আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। রক্ষণভাগের বিশৃঙ্খলা আর দুর্বল ডিফেন্সের কারণে ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ।

হংকংয়ের ব্রাজিলিয়ান বংশোদ্ভূত ফুটবলার এভারটনরাফায়েল শুরু থেকেই বাংলাদেশ রক্ষণভাগে চাপ সৃষ্টি করেন। বিশেষ করে সাদ উদ্দিনের দিক দিয়ে একের পর এক আক্রমণ গড়ে ওঠে। ম্যাচের ৪৫ মিনিটে এভারটনের গোলে সমতায় ফেরে হংকং। বিরতির পর মাত্র পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে রাফায়েলের গোলে প্রথমবার এগিয়ে যায় অতিথিরা।

৭৪ মিনিটে আবারও গোল করেন রাফায়েল। স্কোরলাইন তখন ৩-১, মনে হচ্ছিল ম্যাচ শেষ। কিন্তু বাংলাদেশ তখনও হার মানেনি। বদলি হিসেবে মাঠে নেমে দারুণ পারফরম্যান্স দেখান শামিত সোম, জামাল ভূঁইয়া, জায়ান আহমেদফাহামিদুল। ৮৪ মিনিটে মোরসালিনের গোলে ব্যবধান কমে ৩-২ হয়। ইনজুরি সময়ে শামিতের দারুণ এক গোল ম্যাচে ফেরায় বাংলাদেশকে, স্কোর ৩-৩!

পুরো স্টেডিয়াম তখন উত্তেজনায় ফেটে পড়ে। খেলোয়াড়দের সঙ্গে উল্লাসে মেতে ওঠে দর্শকরা। কিন্তু ভাগ্য যেন অন্য কিছু লিখে রেখেছিল। শেষ মুহূর্তে আবারও বাংলাদেশ রক্ষণের ভুলে রাফায়েল গোল করে হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন এবং ৪-৩ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেন হংকংয়ের জন্য।

ম্যাচ শেষে ক্ষোভে ফেটে পড়েন দর্শকরা। সমর্থকদের অভিযোগ, কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরার সিদ্ধান্ত ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। শুরু থেকেই রক্ষণভাগ দুর্বল থাকলেও সাদ উদ্দিনকে পুরো ম্যাচ খেলানোয় হতাশা প্রকাশ করেন সবাই। অনেকে মনে করছেন, সময়মতো পরিবর্তন আনলে ফল অন্যরকম হতে পারতো।

বদলি হিসেবে নামা জামাল ভূঁইয়া দ্বিতীয় গোলের অন্যতম যোগানদাতা ছিলেন। জায়ান ও শামিতও নিজেদের সেরাটা দিয়েছেন। কিন্তু ডিফেন্সের বিশৃঙ্খলায় সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।

তিন ম্যাচে মাত্র এক পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের তলানিতে নেমে গেছে বাংলাদেশ। ফলে এএফসি এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্বে ওঠার আশা এখন নিভে গেছে লাল-সবুজের জন্য।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




আবারও বিসিবি সভাপতি বুলবুল, সহ-সভাপতি ফারুক

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক অধিনায়ক আমিনুল ইসলাম বুলবুল। সোমবার (৬ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ২৫ পরিচালক সর্বসম্মতিক্রমে তাকে সভাপতি নির্বাচিত করেন। সহ-সভাপতি হয়েছেন সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদ ও বরিশাল বিভাগের সাখাওয়াত হোসেন।

এবারের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি নির্বাচিত হন বুলবুল। এর আগে এনএসসি মনোনীত সভাপতি হিসেবে অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি। এবার পূর্ণ মেয়াদে চার বছরের জন্য দায়িত্ব পেলেন সাবেক এই ক্রিকেটার।

নির্বাচনে ১৫৬ জন ভোটারের মধ্যে ১১৫ জন ভোট দেন, যা মোট ভোটের ৭৩.৭১ শতাংশ।

পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন যারা :
চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে আহসান ইকবাল চৌধুরী ও আসিফ আকবর, খুলনা বিভাগ থেকে আব্দুর রাজ্জাক রাজ ও জুলফিকার আলী খান, ঢাকা বিভাগ থেকে নাজমুল আবেদীন ফাহিম ও আমিনুল ইসলাম বুলবুল, বরিশাল বিভাগ থেকে সাখাওয়াত হোসেন, সিলেট থেকে রাহাত শামস, রাজশাহী থেকে মোখলেসুর রহমান এবং রংপুর থেকে হাসানুজ্জামান নির্বাচিত হয়েছেন।

ক্লাব ক্যাটাগরিতে ১২ জন পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন—ইশতিয়াক সাদেক, আদনান রহমান দিপন, আবুল বাশার, আমজাদ হোসেন, শাহনিয়ান তানিন, মকসেদুল কামাল, ফয়াজুর রহমান, এম নাজমুল ইসলাম, ফারুক আহমেদ, মঞ্জুর আলম, মেহরাব আলম চৌধুরী ও ইফতেখার রহমান মিঠু।

এছাড়া ক্যাটাগরি ‘সি’ থেকে নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাসুদ পাইলট। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ থেকে পরিচালক হয়েছেন ইশফাক আহসান ও ইয়াসির মোহাম্মদ ফয়য়াল আশিক।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




বাংলাওয়াশের উল্লাসে টাইগাররা! আফগানদের দুর্গে দাপুটে জয়

সিরিজের শুরু থেকে শেষ—একই ছন্দ, একই দাপট! তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে আফগানিস্তানকে একটিবারও সুযোগ না দিয়ে শারজাহতে হোয়াইটওয়াশ করল জাকের আলী অনিকের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল। রবিবার অনুষ্ঠিত সিরিজের শেষ ম্যাচে ৬ উইকেট ও ২ ওভার হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় টাইগাররা।

এই জয়ে ২০১৮ সালের ভারতের দেরাদুনে আফগানদের বিপক্ষে হোয়াইটওয়াশের পুরনো ক্ষত মুছে দিল বাংলাদেশ। সেই সময় আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানে হেরে ছিল টাইগাররা, এবার সেই একই ব্যবধানে প্রতিপক্ষকে উড়িয়ে পাল্টা হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ দল।

শারজাহ, যে মাঠটিকে আফগানিস্তান নিজেদের দুর্গ হিসেবে মনে করে—সেই মাঠেই তিন ম্যাচে তিন জয় তুলে নিল বাংলাদেশ। এর আগে টানা ছয় ম্যাচে প্রথম ব্যাট করে জয় পেয়েছিল আফগানরা, কিন্তু এবার টাইগারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিং ও সুনিয়ন্ত্রিত ব্যাটিংয়ে হার মানতে হলো তাদের।

শেষ ম্যাচে টসে হেরে ব্যাট করতে নামে আফগানিস্তান। শুরু থেকেই শরিফুল, সাইফউদ্দিন, নাসুম আহমেদ ও তানজিম হাসান সাকিবদের আগুনে বোলিংয়ে চাপে পড়ে যায় স্বাগতিকরা। পাওয়ারপ্লেতে মাত্র ৩৯ রানে হারায় ৩ উইকেট। সেদিকউল্লাহ আতাল (২৮), রাসুলি (৩২) ও মুজিব উর রহমান (২৩*) কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে থামে আফগানিস্তানের ইনিংস।

বাংলাদেশের হয়ে সাইফউদ্দিন নিয়েছেন ৩ উইকেট, নাসুম ও সাকিব পেয়েছেন ২টি করে, শরিফুল ও রিশাদ নিয়েছেন ১টি করে উইকেট।

১৪৪ রানের লক্ষ্য তাড়ায় সতর্ক সূচনা করেন পারভেজ হোসেন ও তানজিদ হাসান। কিন্তু সত্যিকারের রূপ বদল আসে সাইফ হাসানের ব্যাটে। ৩৮ বলে ৭ ছক্কা ও ২ চারে গড়া ৬৪ রানের ইনিংসে জয় এনে দেন তিনি। শেষে নুরুল হাসান সোহানের ৯ বলে ১০ রানের ক্যামিওতে ছক্কা মেরে ম্যাচের ইতি টানেন টাইগাররা।

১৮ ওভারে ১৪৪ রান তুলে ৬ উইকেট হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ। তিন ম্যাচের সিরিজে একচেটিয়া আধিপত্য বজায় রেখে ৩–০ ব্যবধানে সিরিজ জিতে নেয় তারা।

বাংলাদেশের এই জয় শুধু একটি সিরিজ জয়ের প্রতীক নয়, বরং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নতুন আত্মবিশ্বাসের বার্তা। আফগানদের দুর্গ শারজাহ এখন টাইগারদের জয়ের গর্বিত সাক্ষী।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:
আফগানিস্তান: ১৪৩/৯ (২০ ওভার)
বাংলাদেশ: ১৪৪/৪ (১৮ ওভার)

ফল: বাংলাদেশ ৬ উইকেটে জয়ী।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




নাটকীয় জয় পেল টাইগাররা আফগানিস্তানের বিপক্ষে

শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে ম্যাচে বাংলাদেশ নারী দলের মতোই পূর্ণাঙ্গ নাটকীয়তায় জিতল বাংলাদেশ জাতীয় দল। শেষ ১২ বলে জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল মাত্র ১৬ রান। পরিস্থিতি সহজ মনে হলেও ম্যাচের শেষ অংশে টাইগাররা রীতিমতো সংগ্রামে পড়েছিল।

ম্যাচের ১৯তম ওভারে আফগানিস্তানের বোলিংয়ে এসেছিলেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই। এই ওভারে নুরুল হাসান সোহান ব্যাট হাতে টানা দুইটি ছক্কা মেরে বাংলাদেশের জয়ের পথ উন্মুক্ত করেন। তৃতীয় বলে আসে একটি সিঙ্গেল, চতুর্থ বলে রিশাদের শট উইকেটকিপারের মাথার ওপর দিয়ে বাউন্ডারিতে পরিণত হয়। অবশেষে ৮ বল বাকি থাকতেই বাংলাদেশ পৌঁছে যায় ১৫৩ রানে, ৬ উইকেটে আফগানিস্তানকে হারিয়ে।

দলীয় জয়ের পথ শুরু হয় উদ্বোধনী জুটিতে তানজিদ তামিম ও পারভেজ হোসেন ইমনের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে। দুই ওপেনারই আফগান বোলারদের কঠিন প্রতিরোধের মধ্যে দিয়ে অর্ধশতক পূর্ণ করেন। তানজিদ ৫১ রান করে ফিরে যান, আর পারভেজ ৫৪ রান করে সাজঘরে। এরপর দলের বাকি ব্যাটাররা তুলনামূলকভাবে নির্ধারিত রানের দিকে এগোতে পারেননি।

শেষ দিকে জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৫১ বলে ৪৩ রান, হাতে সবকটি উইকেট। আফগান স্পিনার রশিদ খানের বল যেন টাইগারদের জন্য দুঃস্বপ্ন হয়ে দাঁড়ায়। এই স্পিনারের শিকার হয়েছেন বাংলাদেশের ৪ জন ব্যাটার, আর দলের রান ১১৮ এ এসে দাঁড়ায়। তবে নুরুল হাসান সোহান ও রিশাদ হোসান ঠান্ডা মাথায় ব্যাট চালিয়ে বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করেন। সোহান ১৩ বলে ২৩ রান করে অপরাজিত থাকেন, রিশাদ ৯ বলে ১৪ রান করে অপরাজিত থাকেন।

আগে ব্যাট করে আফগানিস্তান নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করে ১৫১ রান। সর্বোচ্চ ৪০ রান করেন রহমানুল্লাহ গুরবাজ। বাংলাদেশের বোলিংয়ে নাসুম আহমেদ প্রথমে গুরুত্বপূর্ণ ব্রেক-থ্রু এনে দেন। ইব্রাহিম জাদরানকে বোল্ড করেন তিনি। এরপর দারউইস রাসুলি ও মোহাম্মদ ইশাক দুইজনই দুই অঙ্কের রান করতে না পারায় আফগানিস্তান দল বিপাকে পড়ে।

শেষ দিকে মোহাম্মদ নবি ঝড়ো ব্যাটিং প্রদর্শন করেন। ১৮তম ওভারে তিনটি ছক্কার সাহায্যে দলের রান বৃদ্ধি করেন, শেষ পর্যন্ত ২৫ বলে ৩৮ রান করেন। অপরাজিত থাকেন শরাফুদ্দিন আশরাফ ১২ বলে ১৭ রান করে।

বাংলাদেশের ব্যাটিং ক্রম এবং শেষ পর্যন্ত জয়ের নাটকীয়তা দেখালো দলের মানসিক দৃঢ়তা এবং সংযম। টাইগারদের এই জয় তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে এবং ভবিষ্যৎ ম্যাচগুলোর জন্য আশাব্যঞ্জক বার্তা দিয়েছে।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই দাপট দেখাল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল

কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে পাকিস্তানকে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। আইসিসি নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বাধীন টাইগ্রেসরা ৭ উইকেটের দারুণ জয় দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করেছে।

টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই ধস নামে পাকিস্তানের ইনিংসে। তরুণ পেসার মারুফা আক্তার প্রথম ওভারেই দুই ওপেনারকে সাজঘরে পাঠান। এরপর নাহিদা আক্তার ও স্বর্ণা আক্তারের ঘূর্ণি আক্রমণে একের পর এক ব্যাটার বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। মুনিবা আলি ও রামিন শামীম কিছুটা লড়াই করলেও খুব বেশি এগোতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ৩৮.৩ ওভারে ১২৯ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান।

বাংলাদেশের হয়ে স্বর্ণা আক্তার নেন ৩ উইকেট মাত্র ৫ রানে। মারুফা ও নাহিদা আক্তার দু’জন করে উইকেট শিকার করেন। নিশিতা আক্তার নিশি, ফাহিমা খাতুন ও রাবেয়া খান একটি করে উইকেট নেন।

ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে কিছুটা চাপের মুখে পড়ে বাংলাদেশ। ফারজানা হক দ্রুত আউট হলেও অভিষেক ম্যাচ খেলতে নামা রুবাইয়া হায়দার ঝিলিক দেখান তার মেধার ঝলক। ৭৭ বলে অপরাজিত ৫৪ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলে তিনি দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নেন। অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি যোগ করেন ২৩ রান এবং সোবহানা মোস্তারী মাত্র ১৯ বলে ২৪ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে জয় নিশ্চিত করেন।

৩১.১ ওভারে মাত্র ৩ উইকেট হারিয়ে ১৩১ রান তুলে টাইগ্রেসরা পায় দাপুটে জয়। পাকিস্তানের হয়ে একটি করে উইকেট নেন রামিন শামীম, ফাতিমা সানা ও ডায়ানা বাইগ।

এই জয় শুধু গ্রুপ পর্বে সাফল্যের শুরু নয়, বরং টাইগ্রেসদের আত্মবিশ্বাস আরও উঁচুতে তুলে নিল। বোলারদের দুর্দান্ত নিয়ন্ত্রণ, ফিল্ডারদের সতর্কতা আর রুবাইয়ার অভিষেক ফিফটি যেন ইঙ্গিত দিচ্ছে—এই বিশ্বকাপে বাংলাদেশ নারীরা চমক দেখাতে প্রস্তুত।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




বিসিবি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন তামিম ইকবাল

শেষ পর্যন্ত গুঞ্জনই সত্য হলো। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আসন্ন নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না দেশের তারকা ব্যাটার ও সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল। আজ বুধবার সকালে শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিসিবির অফিসে গিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন তিনি। দুপুর ১২টা পর্যন্ত প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময়সীমা থাকলেও তামিম সকাল ১০টার দিকেই কাগজপত্র জমা দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।

ওল্ড ডিওএইচএস স্পোর্টস ক্লাবের কাউন্সিলর হিসেবে ভোটের অধিকার পেলেও শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। জানা গেছে, বিসিবির কিছু সিদ্ধান্ত ও ক্লাব কাউন্সিলরশিপ নিয়ে অসন্তোষ থেকেই তামিম এ পদক্ষেপ নেন। সাম্প্রতিক সময়ে সংবাদ সম্মেলন করেও তিনি নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। তার মতে, অনেক ক্লাবকে অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে বিতর্কিত করে তুলেছে।

আগামী ৬ অক্টোবর বিসিবি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে তিনটি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে। জেলা ও বিভাগ থেকে ১০ জন পরিচালক, ক্লাব ক্যাটাগরি থেকে ১২ জন এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও সংস্থাভিত্তিক ভোটারদের মাধ্যমে একজন পরিচালক নির্বাচিত হবেন। এরপর মোট ২৫ জন পরিচালক মিলেই নির্ধারণ করবেন নতুন সভাপতি। তবে ইতিমধ্যেই এই নির্বাচন নিয়ে তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, অন্তত ১৫টি ক্লাব ম্যাচ না খেলেই তৃতীয় বিভাগ অতিক্রম করে ভোটার তালিকায় ঢুকে পড়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্তেও অনিয়মের প্রমাণ মিললেও শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক সমঝোতার ভিত্তিতে ওই ক্লাবগুলোকে ভোট দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।

এমন বিতর্কিত পরিস্থিতিতে তামিমের সরে দাঁড়ানো নির্বাচনের সমীকরণ পুরোপুরি বদলে দিয়েছে। শুধু তাই নয়, ক্লাব ক্যাটাগরির অনেকেই মনোনয়ন প্রত্যাহার করায় নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন আরও বেড়েছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, এই সিদ্ধান্তের ফলে বিসিবি নির্বাচনে নতুন ভারসাম্য তৈরি হবে, যা ভবিষ্যতে বোর্ড পরিচালনায় বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

তামিম ইকবালকে কেন্দ্র করে যে আলোচনার জন্ম হয়েছিল, তা এখন নতুন মোড় নিয়েছে। অনেকের মতে, তার মতো প্রভাবশালী সাবেক অধিনায়কের নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো বিসিবির গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য বড় ধাক্কা। এখন দেখার বিষয়, এই অচলাবস্থা কাটিয়ে বিসিবি কতটা স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন আয়োজন করতে পারে।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম