জানা গেলো সাকিবের রহস্যময় স্ট্যাটাসের কারণ

স্পোর্টস ডেস্ক: ‘আমি আর খেলবো না, খেলবে কে জানাচ্ছি…।’ বৃহস্পতিবার সাকিব আল হাসান নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে এমন স্ট্যাটাস দিলে শোরগোল পড়ে যায়।

বাংলাদেশের ক্রিকেটে ফেসবুক পোস্ট দিয়ে অবসর নেওয়ার নজির আছে। সাকিবও কি হুটহাট এমন সিদ্ধান্ত নিলেন? সরল মনে এমন ভাবনার উদয় হতেই পারে।

তবে সাকিবকে যারা নিয়মিত ফলো করেন, তারা বুঝতে পারছিলেন, এটা সম্ভবত কোনো বিজ্ঞাপনের প্রচার। কারণ সাকিব সাধারণত তার পেজে ব্যক্তিগত স্ট্যাটাস দেন না। স্ক্রল করলে তার পেজে দেখা যায় প্রায় সবই বিজ্ঞাপন।

অবশেষে সেটাই জানা গেলো। আজ (শুক্রবার) সাকিব তার পেজ থেকে পরিষ্কার করেছেন, ‘আমি খেলব না। খেলবে এবার বাংলাদেশ’-এই স্লোগনা আসলে বিজ্ঞাপনী প্রচারের অংশ।

অর্থ আদান-প্রদানে বাংলাদেশ ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ ডাক বিভাগের মোবাইল ফোন ভিত্তিক ডিজিটাল আর্থিক সেবার প্রতিষ্ঠান ‘নগদ’-এর বিজ্ঞাপনী প্রচারের জন্যই এমন স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন সাকিব।




সেঞ্চুরি ইনিংসে বাবরের বিশ্ব রেকর্ড

স্পোর্টস ডেস্ক : আফগানিস্তানের বিপক্ষে শ্বাসরুদ্ধকর লড়াই শেষে পাওয়া নাটকীয় জয়ের ম্যাচে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম। ওয়ানডে ক্রিকেটে এটি ছিল তার শততম ইনিংস। একশ ইনিংসে সর্বোচ্চ রান করার তালিকায় তিনি টপকে গেছেন সময়ের অন্যতম সেরা ব্যাটার বিরাট কোহলিকে। এমনকি কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান ভিভ রিচার্ডস ও হাশিম আমলাকেও পেছনে ফেলেছেন বাবর।

আন্তর্জাতিক ওয়ানডে ক্রিকেটে বাবরই একমাত্র ব্যাটার যিতি ৫ হাজারের বেশি রান করেছেন। শ্রীলঙ্কার হাম্বানতোতায় মাহেন্দ্র রাজাপাক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার আফগানদের দেওয়া ৩০১ রানের লক্ষ্য পাকিস্তান টপকে যায় ১ বল আর ১ উইকেট হাতে রেখে। ম্যাচে ৬৬ বলে ৫৩ রানের দারুণ কার্যকরী এক ইনিংস খেলেন বাবর। এই রানের হাত ধরেই তিনি পৌঁছে যান ৫০৮৯ রানে। যেটা ওয়ানডে ক্রিকেটে ১০০ ইনিংস খেলা কোনও ব্যাটারের সর্বোচ্চ রান।

এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান আমলা। তার সংগ্রহ ৪৯৪৬ রান। ভিভ রিচার্ডস রয়েছেন তিনে। ক্যারিবীয় গ্রেট ১০০ ইনিংসে ৪৬০৭ রান করেছিলেন। কোহলি অবশ্য এই তালিকায় সপ্তম। ১০০ ইনিংসে তার স্কোর ছিল ৪২৩০।

এই মাইলফলকের পথে ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ ব্যাটার বাবর ১৮টি সেঞ্চুরি ও ২৭টি হাফসেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন।




আমি আর খেলব না, ফেসবুক পোস্টে সাকিব

চন্দ্রদ্বীপ স্পোর্টস ডেক্স: ফেসবুক পোস্ট দিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার নজির আছে বেশ আগে থেকেই। মুশফিকুর রহিম, তামিম ইকবালরা এর আগে ভিন্ন ভিন্ন ফরম্যাটে ফেসবুক স্ট্যাটাসের মাধ্যমেই নিজের বিদায়ের কথা জানিয়েছেন।

এবার টাইগারদের তিন ফরম্যাটের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজের এক স্ট্যাটাস জন্ম দিয়েছে তেমন এক আলোচনার। বৃহস্পতিবার (২৪ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টায় তিনি লেখেন ‘আমি আর খেলব না। খেলবে কে জানাচ্ছি…।’ তবে কেন এমন স্ট্যাটাস তা এখনো পরিষ্কার করেননি তিনি।
আমি আর খেলবোনা। খেলবে কে জানাচ্ছি…

অবশ্য এমন স্ট্যাটাসের সাকিব যে অবসরের ইঙ্গিত দিচ্ছেন না, সে কথাই বলছেন বেশিরভাগ ক্রিকেটভক্ত। তাদের ধারণা বিশেষ কোনো প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের সূত্র ধরেই এমন স্ট্যাটাস বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের।

তামিম ইকবালের সরে যাওয়ার পর সাকিব আল হাসানই যে এখন বাংলাদেশ ওয়ানডে দলের অধিনায়ক। সামনে এশিয়া কাপ আর বিশ্বকাপের বড় আসরে ব্যাট-বলের পাশাপাশি অধিনায়ক সাকিবের দিকেও অনেকখানি নির্ভর করবে বাংলাদেশ। এমন অবস্থায় তাই সাকিবের এই স্ট্যাটাসকে বিজ্ঞাপনের অংশ বলেই ধরে নিচ্ছেন সমর্থকরা।




চুমুর ঘটনায় ফুটবল প্রধানের ‘দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি’ চাইলেন সেই ফুটবলার, ক্ষমা চেয়েও পার পাচ্ছেন না লুইস

স্পোর্টস ডেস্ক : চুমু-কাণ্ডে লুইস রুবিয়ালেস ক্ষমা চাইলেও থামছে না আলোচনা-সমালোচনার ঝড়। বরং স্রেফ ক্ষমা চেয়েই যেন তিনি পার না পান, সেই দাবি জোরাল হচ্ছে আরও। এবার আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানালেন চুমুর শিকার জেনিফার এরমোসো। নিজ দেশের ফুটবল প্রধানের কড়া শাস্তি দাবি করলেন স্পেনের অভিজ্ঞ এই ফুটবলার।

সম্প্রতি বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে ওই ঘটনায় স্পেনের ভেতরে-বাইরে অনেক আলোচনা চললেও এরমোসোর প্রকাশ্য প্রতিক্রিয়া জানা গেল এই প্রথম। পেশাদার নারী ফুটবলারদের সংগঠন ফুটপ্রো ইউনিয়ন ও নিজের এজেন্সির মাধ্যমে যৌথ বিবৃতিতে নিজের দাবি জানান ৩৩ বছর বয়সী ফুটবলার।

“আমার এজেন্সি টিএমজে-এর সঙ্গে মিলে আমার ইউনিয়ন ফুটপ্রো দেখভাল করছে আমার ব্যাপারটি এবং এই ঘটনায় তারাই আমার মুখপাত্র হিসেবে কাজ করবে।”

আমরা একসঙ্গে এটা নিশ্চিত করতে কাজ করছি যেন, এই ধরনের ঘটনায় কেউ যেন কখনোই শাস্তি না পেয়ে পার পায় এবং এই ধরনের অগ্রহণযোগ্য আচরণ থেকে নারী ফুটবলারদের রক্ষা করতে যেন তাদের শাস্তি দেওয়া হয় ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।”

রুবিয়ালেসের ‘উপযুক্ত শাস্তি’ নিশ্চিত করতে আগামী সোমবার স্পেনের সেকেন্ড ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী জোলান্দা দিয়াসের সঙ্গে দেখা করবে ফুটপ্রো ইউনিয়ন।

স্পেনের নারী ফুটবল লিগ ‘লিগা এফ’ কর্তৃপক্ষ এর মধ্যেই রুবিয়ালেসকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি তুলেছে এবং জাতীয় স্পোর্টস কাউন্সিলের সভাপতির কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেছে। তাদের মতে, “কোনো সংস্থার প্রধান কোনোভাবেই তার কর্মীকে এভাবে মাথায় আঁকড়ে ধরে মুখে চুমু দিতে পারেন না এবং এটা মেনে নেওয়া যায় না।”

সিডনিতে গত রোববার ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয় স্পেন। ম্যাচের পর পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে মেডেল নেওয়ার সময় উচ্ছ্বসিত রুবিয়ালেস দলের সব ফুটবলারকেই আলিঙ্গনে জড়ান, গালে ও কপালে চুমু এঁকে দেন অনেকের, জড়িয়ে উঁচুতে তুলে ধরেন কাউকে কাউকে। তবে এরমোসোর ক্ষেত্রে মাত্রা ছিল আরেকটু তীব্র। স্পেনের হয়ে একশর বেশি ম্যাচ খেলা এই ফুটবলারকে বেশ কিছুটা সময় আলিঙ্গনে জড়িয়ে রেখে পরে দুহাত দিয়ে মাথায় ধরে আচমকা ঠোঁটে চুমু দেন তিনি।

সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে এটা নিয়ে সমালোচনা শুরু হলে শুরুতে সমালোচনাকারীকে ‘ইডিয়ট’ বলেন রুবিয়ালেস।




অবসরের বিষয়ে যা বললেন মেসি

স্পোর্টস ডেস্ক : লিওনেল মেসি মেজর লিগ সকারের ক্লাব ইন্টার মায়ামির হয়ে শুরু করেছেন ক্যারিয়ারের নতুন অধ্যায়। উয়েফার এবারের বর্ষসেরা নির্বাচিত হওয়ার দৌড়ে শীষ তিনেও আছেন তিনি। এদিকে এ পুরস্কার ছাড়াও এবারের ব্যালন ডি’অর জয়ের দৌড়েও খুব ভালোভাবেই আছেন মেসি।

তাই লিওনেল মেসি এখন বলতেই পারেন ক্যারিয়ারের সব চাওয়া পূরণ হয়ে গেছে তার।তবে সব চাওয়া পূরণ হলেও এখনই বিদায় বলছেন না তিনি।

অ্যাপল টিভি প্লাসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মেসি বলেছেন, ‘সত্যি করে যদি বলি আমি এখনও অবসর নিয়ে কিছু ভাবছি না। আমি খেলতে ভালোবাসি, মাঠে বলের সঙ্গে থাকতে, অনুশীলন ও লড়াই করতে উপভোগ করি।’

তিনি বলেন, ‘আমি জানি না এভাবে কতদিন খেলব। তবে যতদিন পারবো তার সুবিধাটা অবশ্যই নিতে চাইব। আর সেটা সম্ভব হবে যতদিন সুস্থ থাকব। তার পর দেখা যাবে। কারণ, পরে এসব নিয়ে বিশ্লেষণ এবং বেছে নেওয়ার সময় পাওয়া যাবে।’

তার কথা, ‘এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টা হলো যতটুকু বাকি আছে উপভোগ করে যাওয়া। সেটা যাই হোক; কম কিংবা বেশি। উপভোগ করতে হবে প্রতিটি মুহূর্ত। কারণ এটা আর কখনও ফিরে আসবে না এবং পরে আমি কোনো কিছু নিয়ে আক্ষেপও করতে চাই না।’




চিকিৎসার জন্য বিদেশ পাঠানো হবে এবাদতকে

চন্দ্রদীপ স্পোর্টস ডেস্ক: হাঁটুর ইনজুরির কারণে এশিয়া কাপ থেকে ছিটকে যাওয়া পেসার এবাদত হোসেনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর চেষ্টা চলছে। বিসিবির একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এবাদতকে দ্রুত, তথা বিশ্বকাপের আগে জাতীয় দলে ফিরে পেতেই বিসিবির এ উদ্যোগ। তাই তাকে বিদেশে পাঠিয়ে নামি ও বড় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অধীনে চিকিৎসা করানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তবে চিকিৎসার জন্য কবে, কখন কোন দেশে যাবেন এবাদত? তা এখনো নিশ্চিত হয়নি।

বিসিবি সিনিয়র পরিচালক ও ক্রিকেট অপারেশন্স চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস আজ জানান, ‘আমরা বিসিবির পক্ষ থেকে এবাদতের উন্নত চিকিৎসার উদ্যোগ নিয়েছি এবং তাকে বিদেশে পাঠানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।’ তবে কবে কোথায় যাবেন এবাদত, তা জানাতে পারেননি জালাল।




হিথ স্ট্রিকের মৃত্যুর খবর গুজব, বেঁচে আছেন

স্পোর্টস ডেস্ক :  ক্রিকেট বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল হিথ স্ট্রিকের মৃত্যুর খবর। জিম্বাবুয়ের বর্তমান-সাবেক ক্রিকেটাররা শোক প্রকাশ করেছিলেন সামাজিক মাধ্যমে। রয়টার্স ও বিভিন্ন এজেন্সিসহ আন্তর্জাতিক অনেক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল খবর। কিন্তু শেষ পর্যন্ত জানা গেল, এখনও বেঁচে আছেন সাবেক এই অলরাউন্ডার।

জিম্বাবুয়ের সাবেক পেসার হেনরি ওলেঙ্গা সামাজিক মাধ্যমে জানান, মৃত্যুর খবরটি গুজব। স্ট্রিকের সাবেক এই সতীর্থ নিজেও আগে মৃত্যুর খবর জানিয়ে শোক জানিয়েছিলেন। পরে মুছে দেন সেসব লেখা। ইংল্যান্ডের দা গার্ডিয়ানসহ অনেক সংবাদমাধ্যমই সরিয়ে নেয় খবর।

ওলোঙ্গা পরে গণমাধ্যমকে জানান, সকালেই তার সঙ্গে দেখা করেছে রেমন্ড প্রাইস (জিম্বাবুয়ের সাবেক স্পিনার)। যদিও বেঁচে থাকলেও তার শারীরিক অবস্থা খুব ভালো নয়। এখন তাকে অনেকটা চেনাই কঠিন।”

প্রাইস নিজেও ফেইসবুকে জানান যে মৃত্যুর খবরটি গুজব, “ফেইসবুকে ও অন্যান্য জায়গায় লোকে যেমনটি বলছেন, আসলে হিথ স্ট্রিক কিন্তু বিদায় নেননি। সত্যি বলতে, আমরা এখন একসঙ্গে তার বারান্দায় বসেই চা পান করছি ও সূর্যোদয় দেখছি।”

সাবেক বাঁহাতি স্পিনার প্রাইস পরে স্ট্রিকের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করেন ফেইসবুকে।

তার মৃত্যুর খবর বিশ্বাসযোগ্য হয়ে ওঠার কারণ ছিল অবশ্য যথেষ্টই। গত মে মাসে জানা যায়, কোলন ও লিভারের ক্যান্সারে আক্রান্ত স্ট্রিক। তার চিকিৎসা চলছিল দক্ষিণ আফ্রিকায়। জিম্বাবুয়ের ক্রীড়া মন্ত্রী তখন জানিয়েছিলেন, ‘জীবনের শেষ পর্যায়ে’ আছেন সাবেক এই অলরাউন্ডার।

জিম্বাবুয়ের এখনকার দলের অলরাউন্ডার শন উইলিয়ামস সেই সময় বলেছিলেন, স্ট্রিকের ক্যান্সার চতুর্থ পর্যায়ে আছে। বুধবার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর উইলিয়ামস নিজেও সামাজিক মাধ্যমে শোক প্রকাশ করেছিলেন। স্ট্রিকের পরিবারের বেশ ঘনিষ্ঠ তিনি।




‘স্পর্শকাতর’ স্থানে হাত স্পেনের কোচের

স্পোর্টস ডেস্ক : সদ্য সমাপ্ত হওয়া নারী বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচের একটি ভিডিও জন্ম দিয়েছে সমালোচনার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, বিশ্বকাপজয়ী স্পেন দল তাদের একমাত্র গোলটি করার পর দলের সবার সঙ্গে উল্লাসে মাতেন কোচ জর্জ বিলধা। তবে ওই সময় এক নারী স্টাফের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন তিনি। এমনকি তিনি হাতটি কিছুটা সময় সেভাবেই রাখেন।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, স্পেনের ওলগা কারমোনা ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দলের একমাত্র জয়সূচক গোলটি করার পর দলের কোচিং স্টাফের সবাইকে জড়িয়ে ধরেন কোচ জর্জ বিলধা। এ সময় সেখানে ওই নারী স্টাফও ছিলেন।

যখন বিলধা তাকে প্রথম স্পর্শ করেন তখন তার হাত ওই স্টাফের কাঁধে ছিল। যখন তিনি মুখ ফেরান, তখন তিনি তার হাতটি নামিয়েই ওই নারীর বুকের কাছে নিয়ে আসেন। কয়েক মুহূর্ত হাতটি সেভাবে রাখার পর তিনি সরে যান।

এ বিষয়ে জানতে কোচ বিলধা, স্প্যানিশ ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আরএফইএফ এবং ওই নারীর মন্তব্য জানতে যোগাযোগ করেছিল সিএনএন।

স্পেন বিশ্বকাপ জিতলেও ২০১৫ সাল থেকে কোচের দায়িত্ব থাকা বিলধার আমলটি বিভিন্ন সমালোচনায় জর্জরিত।

এদিকে স্পেন যে দল নিয়ে এবার বিশ্বকাপ জিতেছে সেই দলে ছিলেন না দেশটির জনপ্রিয় ও বড় ১২ তারকা ফুটবলার। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে মোট ১৫ খেলোয়ার আরএফইএফের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছিলেন। এতে তারা বলেছিলেন, বিলধার নেতৃত্বাধীন কোচিং স্টাফে পরিবর্তন না আনলে তারা জাতীয় দলে আর খেলবেন না। সেই ১৫ জনের মধ্যে পরবর্তীতে মাত্র ৩ জন জাতীয় দলে ফিরে আসেন




শেষের ঝড়ে রোনালদোর আল-নাসরের দুর্দান্ত জয়!

স্পোর্টস ডেস্ক : ইউরোপিয়ান ক্লাব ফুটবলের বড় আসর উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সবচেয়ে বড় নাম সম্ভবত ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। সবচেয়ে বেশি গোল, অ্যাসিস্ট, পাঁচবারের শিরোপা, এমন আরও বেশকিছু রেকর্ডেই জড়িয়ে আছে তার নাম। আর সেই রোনালদো কিনা আল-নাসরের জার্সিতে মিস করতে বসেছিলেন এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স লিগ।

শেষ পর্যন্ত অবশ্য দুর্ঘটনা হয়নি। শেষদিকের অবিশ্বাস্য এক প্রত্যাবর্তনে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের জন্য কোয়ালিফাই করেছে সৌদি ক্লাব আল-নাসর। পিছিয়ে পড়া ম্যাচের শেষ ৯ মিনিটে ৩ গোল করে প্লে-অফের বাধা টপকেছে রোনালদো-সাদিও মানেরা। আমিরাতের ক্লাব শাবাব আল-আহলির বিপক্ষে তাদের জয় এসেছে ৪-২ গোলে।

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরুতে অবশ্য এগিয়ে ছিল রোনালদোরাই। ম্যাচের শুরু থেকেই এদিন ছন্দে ছিলেন ৩৮ বছরের রোনালদো। ১০ মিনিটের মাথায় স্কোরশিটে নাম লেখাতে পারতেন। তবে সেটা আর হয়নি। তবে পর্তুগিজ তারকা না পারলেও তার দল ঠিকই এগিয়ে যায় পরের মিনিটে। গোল করেন দলের ব্রাজিলিয়ান তারকা অ্যান্ডারসন তালিসকা। ব্রজোভিচের কর্নার থেকে হেডে লক্ষ্যভেদ করেন এই ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার।

তবে লিড তারা ধরে রেখেছিল কেবল ৭ মিনিট। ম্যাচের ১৮ মিনিটের মাথায় ম্যাচে সমতা ফেরে শাবাব আল-আহলি। দলের হয়ে গোল করেন ইয়াহিয়া আল-ঘাসানি। প্রথমার্ধের বাকি সময়ে অবশ্য দুই দলই চেষ্টা করেছে ম্যাচে এগিয়ে যাওয়ার। তবে বল পায়ে আধিপত্য ছিল আল-নাসরের। একসময় পেনাল্টির সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছিল, তবে তাতে সাড়া দেননি রেফারি।

বিরতির পরেই যেন ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় আল-নাসর। দারুণ ফিনিশিংয়ে নিজের দ্বিতীয় গোল করে আমিরাতের ক্লাবটিকে এগিয়ে দেন আল ঘাসানি। একটু পরেই অবশ্য ম্যাচে ফেরার সুযোগ ছিল আল-নাসরের। এবার গোলমিসের খাতায় নাম লেখালেন তালিসকা।

তবে ৬২ মিনিটে গিসলাইন কোনানের নেওয়া শট পোস্টে লেগে ফিরে আসলে চাপে পড়ে যায় সৌদি ক্লাবটি। তবে চাপের মুখেই যেন আরও বেশি উজ্জ্বল হলো আল-নাসর। শেষ পর্যন্ত দলটি আলোর মুখ দেখে ম্যাচে ম্যাচের ৮৮ মিনিটে। সুলতান আল ঘানামের গোলে ম্যাচে সমতায় ফেরে আল নাসর।

এরপর যোগ করা সময়ে আবারও চমক আল নাসরের। আরও একবার হেডে গোল করে রিয়াদের ক্লাবটিকে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তালিসকা। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে নিজেদের চতুর্থটিও পেয়ে যায় আল নাসর। এবার রোনালদোর সহায়তায় গোল করেন ব্রজোভিচ। শেষ পর্যন্ত ৪-২ ব্যবধানের জয়েই এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মূল পর্ব নিশ্চিত করে আল নাসর।




রউফের আগুন ঝড়া বোলিংয়ে বড় জয় পাকিস্তানের

স্পোর্টস ডেস্ক : পুঁজিটা বড় ছিল না, মাত্র ২০১ রানের। কিন্তু এই পুঁজি নিয়েই ১৪২ রানের বড় জয় তুলে নিলো পাকিস্তান। হারিস রউফের আগুন ঝড়া বোলিংয়ে ১৯.২ ওভারে ৫৯ রানেই গুটিয়ে গেছে আফগানিস্তানের ইনিংস।

এর মধ্য দিয়ে হাম্বানটোটায় তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেলো পাকিস্তান। একই ভেন্যুতে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে ২৪ আগস্ট।

পাকিস্তানি বোলারদের তোপে দাঁড়াতেই পারেননি আফগান ব্যাটাররা। ওপেনার রহমানুল্লাহ গুরবাজ ১৮ আর সাত নম্বরে নামা আজমতউল্লাহ ওমরজাই করেন ১৬ রান। আফগান ব্যাটারদের মধ্যে এই দুজনই কেবল দুই অংক ছুঁতে পেরেছেন। চারজন আউট হয়েছেন শূন্য রানে।

হারিস রউফ ১৮ রানেই নিয়েছেন ৫ উইকেট। ৯ রানে ২ উইকেট শিকার শাহিন শাহ আফ্রিদির।

এর আগে মুজিব উর রহমান, রশিদ খানদের তোপের মুখে পড়ে পাকিস্তানও বড় সংগ্রহ দাঁড় করাতে পারেনি। ৪৭.১ ওভারে ২০১ রানেই গুটিয়ে গিয়েছিল বাবর আজমের দল।

টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে ছিল পাকিস্তান। ৭ রানের মধ্যে সাজঘরে ফেরেন ফাখর জামান (২) আর বাবর আজম (০)। ওপেনার ইমাম উল হক একটা প্রান্ত ধরে রাখলেও, অপরপ্রান্তে ব্যাটারদের আসা যাওয়ার মিছিল থামেনি।

১১২ রানে ৫ উইকেট হারায় পাকিস্তান। মাঝে মোহাম্মদ রিজওয়ান ২১ আর ইফতিখার আহমেদ করেন ৩০ রান। এরপর ইমাম উল হকও ৬১ করে ফিরলে লড়াকু পুঁজি পাওয়ার সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায় পাকিস্তানের।

তারপরও যে পাকিস্তান ২০০ পার করেছে, তার পেছনে বড় অবদান শাদাব খানের। ৩৯ করে রানআউট হন এই অলরাউন্ডার।

আফগানিস্তানের মুজিব ৩৩ রানে ৩টি, মোহাম্মদ নবি আর রশিদ খান নেন দুটি করে উইকেট।