পটুয়াখালীতে গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা উদ্বোধন

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী: ‘ক্রীড়াই শক্তি, ক্রীড়াই বল’, এই স্লোগান নিয়ে পটুয়াখালীতে ৫০তম জাতীয় স্কুল, মাদরাসা ও কারিগরি ক্রীড়া শিক্ষা সমিতির জেলা পর্যায়ের গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় ডিসি স্কয়ার মাঠে জেলা স্কুল, মাদরাসা ও কারিগরি ক্রীড়া শিক্ষা সমিতির পটুয়াখালীর আয়োজনে দুই দিনব্যাপী গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা বেলুন ফেস্টুন ,জাতীয় পতাকা এবং শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে শুভ উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি সংসদীয় আসন- ৩২৯ এর সংসদ সদস্য অধ্যাপিকা কাজী কানিজ সুলতানা হেলেন।
জেলা প্রশাসক নূর কুতুবুল আলমের সভাপতিত্বে এবং সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আকমল হোসেন খানের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন- পুলিশ সুপার সাইদুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা কাজী আলমগীর, সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা ভিপি আব্দুল মান্নান, জেলা শিক্ষা অফিসার মুজিবুর রহমান, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফুর রহমান।

৫০তম জাতীয় স্কুল, মাদরাসা ও কারিগরি ক্রীড়া শিক্ষা সমিতির জেলা পর্যায়ের গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় ফুটবল ছাত্র ও ছাত্রী, কাবাডি, ছাত্র ও ছাত্রী, হ্যান্ডবল ছাত্র ও ছাত্রী এবং সাঁতার ও দাবা প্রতিযোগিতায় জেলার আটটি উপজেলার ছাত্র ও ছাত্রীরা অংশ গ্রহণ করেন।

খেলা পরিচালনা করেন বিভিন্ন স্কুল-মাদরাসা ও কারিগরি ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্বাস্থ্য ও সুরক্ষা শিক্ষক এবং শিক্ষিকাবৃন্দ।




টস জিতে ব্যাটিংয়ে পাকিস্তান, দেখে নিন দুই দলের একাদশ

দেরিতে শুরু হতে যাওয়া ম্যাচে টসভাগ্য সহায় হয়েছে পাকিস্তানের। টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দলটির অধিনায়ক বাবর আজম।

পাকিস্তান একাদশ
মোহাম্মদ হারিস, ফাখর জামান, বাবর আজম (অধিনায়ক), মোহাম্মদ রিজওয়ান (উইকেটরক্ষক), আবদুল্লাহ শফিক, ইফতিখার আহমেদ, শাদাব খান, মোহাম্মদ নওয়াজ, মোহাম্মদ ওয়াসিম, শাহিন শাহ আফ্রিদি এবং জামান খান।

শ্রীলঙ্কা একাদশ
পাথুম নিশাঙ্কা, কুশল পেরেরা, কুশল মেন্ডিস, সাদিরা সামারাবিক্রমা, চারিথ আসালাঙ্কা, ধনঞ্জয়া ডি সিলভা, দাসুন শানাকা (অধিনায়ক), দুনিথ ওয়াল্লালাগে, মাহিশ থিকসানা, প্রমোধ মধুশান, মাথিসা পাথিরানা।




শ্রীলঙ্কা-পাকিস্তান অঘোষিত সেমিফাইনাল আজ

শ্রীলঙ্কা এবং পাকিস্তান দু’দলই এবার এশিয়া কাপের আয়োজক। দুই আয়োজকের নকআউট ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে আজ কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে। শুরু হবে বিকাল সাড়ে ৩টায়।

এশিয়া কাপের অনেকগুলো ম্যাচে এরই মধ্যে বৃষ্টি হানা দিয়েছে। পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কা ম্যাচেও যদি বৃষ্টি হানা দেয় এবং শেষ পর্যন্ত বৃষ্টির কারণে ম্যাচটি বাতিল হয়ে গেলে, রান রেটে এগিয়ে থাকার কারণে ফাইনালে উঠে যাবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কা’ই। লঙ্কানদের নেট রানরেট -০.২০০ ও পাকিস্তানের নেট রানরেট -১.৮৯২।

সুপার ফোরে দুই ম্যাচ দুই জয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে এরই মধ্যে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে ভারত। দুই খেলায় একটি করে জয় এবং হারে ২ করে পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের পরের দুটি স্থানে আছে যথাক্রমে শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান। মূলত ভারতের কাছে ২২৮ রানের বিশাল ব্যবধানে পরাজয়ের কারণেই পাকিস্তানের রান রেট এতটা তলানীতে।

সুপার ফোরের দুই ম্যাচে জয়হীন বাংলাদেশ রয়েছে তালিকার একেবারে তলানিতে। শেষ ম্যাচে তারা মুখোমুখি হবে ভারতের। ভারতীয়রা ফাইনাল নিশ্চিত করায় এবং বাংলাদেশ আসর থেকে বিদায় নেওয়ায়, দুই দলের শেষ ম্যাচটি নিয়মরক্ষায় পরিণত হয়েছে।




শ্রীলংকাকে হারিয়ে বাংলাদেশকে বিদায় করে ফাইনালে ভারত

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : প্রথম দল হিসেবে এশিয়া কাপের ১৬তম আসরের ফাইনালে উঠলো রেকর্ড ছয়বারের চ্যাম্পিয়ন ভারত। মঙ্গলবার সুপার ফোর পর্বে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে বোলারদের দারুন নৈপুন্যে শ্রীলংকাকে ৪১ রানে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করে ভারত।

নিজেদের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানকে ২২৮ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছিলো টিম ইন্ডিয়া। ২ খেলায় ৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে থেকে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে ভারত।

এই হারে শ্রীলংকার টানা ১৩ ম্যাচ জয়ের রেকর্ড এখানেই থামলো। এ ম্যাচে ভারতের জয়ে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেলে বাংলাদেশ।

কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং বেছে নিয়ে ওপেনার শুভমান গিলের সাথে দারুন সূচনা করেন ভারত অধিনায়ক রোহিত। ১১ ওভারে ৮০ রান তুলে রোহিত-গিল। ১২তম ওভারে প্রথমবারের মত আক্রমনে এসে দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে গিলের উইকেট উপড়ে ফেলেন ওয়েলালাগে। আউট হওয়ার আগে ২৫ বল খেলে ১৯ রান করেন গিল।

গিল ফেরার পর ক্রিজে আসেন গতকালই পাকিস্তানের বিপক্ষে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি করা বিরাট কোহলি। ওয়েলালাগের দ্বিতীয় ওভারে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন ৩ রান করা কোহলি।

পরপর দুই ওভারে গিল-কোহলিকে শিকারের পর নিজের তৃতীয় ওভারে উইকেটে সেট ব্যাটার রোহিতকেও শিকার করেন ওয়েলালাগে। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৫১তম হাফ-সেঞ্চুরির ইনিংসে ৭টি চার ও ২টি ছক্কায় ৪৮ বলে ৫৩ রান করেন রোহিত। এই ইনিংস খেলার পথে বিশে^র ১৫তম ও ভারতের ষষ্ঠ ব্যাটার হিসেবে ওয়ানডেতে ১০ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন রোহিত।

৮০ রানের সূচনার পর ৯১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে ভারত। এ অবস্থায় উইকেট পতন ঠেকাতে লড়াই প্রতিরোধ গড়ে তুলেন ইশান কিশান পাকিস্তানের বিপক্ষে শতরান করা লোকেশ রাহুল। সাবধানে খেলে ৩০তম ওভারে দলের রান দেড়শ স্পর্শ করেন তারা।
৩০তম ওভারেই কিশান-রাহুলের জুটি ভাঙ্গেন ওয়েলালাগে। নিজের সপ্তম ওভারে চতুর্থ শিকার হিসেবে রাহুলকে বিদায় দেন তিনি। ৪৪ বলে ৩৯ রান করেন রাহুল। চতুর্থ উইকেটে ৮৯ বলে ৬৩ রান যোগ করেন কিশান-রাহুল।
দলীয় ১৫৪ রানে চতুর্থ ব্যাটার হিসেবে রাহুলের আউটের পর ভারত ইনিংসে ব্যাটিং ধস নামান অকেশনাল স্পিনার চারিথ আসালঙ্কা। তার ঘূর্ণিতে ১৮৬ রানে নবম উইকেট হারায় ভারত। এসময় কিশান ৩৩, রবীন্দ্র জাদেজা ৪, জসপ্রিত বুমরাহ ৫ ও কুলদীপ যাদবকে শূণ্যতে বিদায় দেন এ ম্যাচের আগে ক্যারিয়ারে মাত্র ১৪ ওভার বোলিং করা আসালঙ্কা।
হার্ডিক পান্ডিয়াকে ৫ রানে শিকার করে ১৩ ম্যাচের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মত ইনিংসে ৫ উইকেট নেন ওয়েলালাগে।
ওয়েলালাগে-আসালঙ্কার ঘূর্ণিতে ২শর নীচে গুটিয়ে যাবার শঙ্কায় পড়া ভারতকে লজ্জার হাত থেকে রক্ষা করেন অক্ষর প্যাটেল ও মোহাম্মদ সিরাজ। শেষ উইকেটে ৪১ বল খেলে ২৭ রান তুলেন তারা। শেষ ব্যাটার হিসেবে প্যাটেলকে ২৬ রানে তুলে নিয়ে ভারতের ইনিংস ২১৩ রানে শেষ করেন স্পিনার মহেশ থিকশানা। ৫ রানে অপরাজিত থাকেন সিরাজ।
১০ ওভার বল করে ৪০ রানে ৫ উইকেট নেন ওয়েলালাগে। শ্রীলংকার পক্ষে সবচেয়ে কম বয়সী হিসেবে ওয়ানডেতে ৫ উইকেট নেয়ার নয়া রেকর্ডও গড়েছেন ওয়েলালাগে। ৯ ওভারে ১৮ রানে ৪ উইকেট নেন গেল বছরের জুনের পর বোলিং করতে আসা আসালঙ্কা। এর আগে আগে ৩৮ ম্যাচের ওয়ানডেতে ক্যারিয়ারে ১ উইকেট নিয়েছিলেন আসালঙ্কা।
২১৪ রানের টার্গেটে ভালো শুরু পায়নি শ্রীলংকা। ভারতের দুই ওপেনার জসপ্রিত বুমরাহ ও মোহাম্মদ সিরাজের তোপে অষ্টম ওভারে ২৫ রানে ৩ উইকেট হারায় তারা। পাথুম নিশাঙ্কাকে ৬ ও তিন নম্বরে নামা কুশল মেন্ডিসকে ১৫ রানে ফিরিয়ে দেন বুমরাহ। আরেক ওপেনার দিমুথ করুনারতœকে (২) শিকার করেন সিরাজ।
শুরুর ধাক্কা সামাল দিতে জুটি গড়ার চেষ্টা করে সফল হন সাদিরা সামারাবিক্রমা ও আসালঙ্কা। চতুর্থ উইকেটে ৬২ বলে ৪৩ রান যোগ করেন তারা। সামারাবিক্রমাকে ১৭ রানে আটকে দিয়ে ভারতকে ব্রেক থ্রু এনে দেন স্পিনার কুলদীপ যাদব। কিছুক্ষণ বাদে আসালঙ্কাকেও ২২ রানে তুলে নেন কুলদীপ। এতে ৭৩ রানে পঞ্চম উইকেট হারিয়ে আবারও চাপে পড়ে শ্রীলংকা।
এ অবস্থায় ধনাঞ্জয়া ডি সিলভার সাথে জুটি গড়ার চেষ্টা করেন অধিনায়ক দাসুন শানাকা। জুটিতে ২৬ রান আসার পর জাদেজার শিকার হয়ে ৯ রান নিয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরেন শানাকা।
৯৯ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারিয়ে এক পর্যায়ে খাদের কিনারায় চলে যায় শ্রীলংকা। উইকেট পতন ঠেকিয়ে দলকে লড়াইয়ে ফেরানোর দায়িত্ব পান ধনাঞ্জয়া ও ওয়েলালাগে। ভারতকে চাপে ফেলতে দ্রুত রান তুলেন বল হাতে প্রতিপক্ষকে ধসিয়ে দেয়া ওয়েলালাগে। এই জুটিতেই দেড়শ রান পেরিয়ে যায় লংকানরা।
জমে যাওয়া ধনাঞ্জয়া-ওয়েলালাগে জুটি ভাঙতে মরিয়া হয়ে উঠে ভারত। ৩৮তম ওভারে ভারতের মুখে হাসি ফোটান জাদেজা। ৫টি চারে ৬৬ বলে ৪১ রান করা ধনাঞ্জয়াকে শিকার করেন জাদেজা। ওয়েলালাগের সাথে ৭৫ বলে ৬৩ রানের জুটি গড়েন ধনাঞ্জয়া।
সপ্তম ব্যাটার হিসেবে ধনাঞ্জয়ার বিদায়ের পর ১০ রানে শেষ ৩ উইকেট হারিয়ে হার বরণ করে শ্রীলংকা। শেষ পর্যন্ত ৪১ দশমিক ৩ ওভারে ১৭২ রানে গুটিয়ে যায় লংকানরা। ৩টি চার ও ১টি ছক্কায় ৪৬ বলে ৪২ রানে অপরাজিত থাকেন ওয়েলালাগে। ভারতের কুলদীপ ৪৩ রানে ৪ উইকেট নেন। বুমরাহ-জাদেজা ২টি করে উইকেট নেন।
আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর সুপার ফোরে নিজেদের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে মুখোমুখি শ্রীলংকা ও পাকিস্তান। এ ম্যাচের বিজয়ী দল দ্বিতীয় দল হিসেবে ফাইনালে উঠবে। ২ খেলায় ২ করে পয়েন্ট আছে শ্রীলংকা ও পাকিস্তানের।
পরের দিন সুপার ফোর পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলতে নামবে ভারত।




ভারতের বিপক্ষে ২২৮ রানের বিশাল ব্যবধানে হারল পাকিস্তান

চন্দ্রদীপ স্পোর্টস ডেস্ক :নএশিয়া কাপের এবারের আসরে গ্রুপ পর্বের ভারত-পাকিস্তান ম্যাচটি ভেসে যায় বৃষ্টিতে। এরপর সুপার ফোরের ম্যাচটিতেও বাগড়া দেয় বৃষ্টি, খেলা গড়ায় রিজার্ভ ডে তে। সোমবার বিরাট কোহলি-লোকেশ রাহুলের শতকে প্রথম ইনিংসে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ৩৫৬ রান সংগ্রহ করে রোহিত শর্মার দল। জবাবে ব্যাট করতে নেমে বাজে সূচনার পর ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে পাকিস্তান। বৃষ্টি বিঘ্নিত দ্বিতীয় ইনিংসে শেষ পর্যন্ত বাবর আজমের দল থেমেছে ১২৮ রানেই। ফলে ২২৮ রানের লজ্জার রেকর্ড গড়ে হারল পাকিস্তান।

ভারতের দেয়া ৩৫৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি পাকিস্তানের। পঞ্চম ওভারে দলীয় মাত্র ১৭ রানেই জসপ্রীত বুমরাহর বলে শুবমান গিলের হাতে ক্যাচ হয়ে সাজঘরে ফেরেন ইমাম উল হক। এরপর মাঠে নামেন অধিনায়ক বাবর আজম।

পাহাড়সম রানের লক্ষ্যে পৌছাতে আরেক ওপেনার ফখর জামানের সঙ্গে জুটি গড়ার চেষ্টায় ছিলেন তিনি। তবে সফল হতে পারেননি পাক দলনেতা। একাদশ ওভারে ২৪ বল খেলে ব্যক্তিগত ১০ রানেই হার্দিক পান্ডিয়ার বলে বোল্ড হয়ে ফিরতে হয় তাকে।

এদিকে বাবরের ফেরার পরই আবার ম্যাচে হানা দেয় বৃষ্টি। ফলে বেশ কিছুক্ষণের জন্য বিঘ্নিত হয় পাকিস্তানের ম্যাচে ফেরার লড়াই। ভারী বর্ষণে আজ আর খেলা মাঠে গড়াবে কিনা তা নিয়ে সংশয় থাকলেও এক পর্যায়ে কমে আসে বৃষ্টি, আবার মাঠে নামে দুই দল।

দলীয় ৪৩ রানে দুই উইকেট হারানো দলকে পথ দেখাতে এরপর ক্রিজে ফখরের সঙ্গী হন মোহাম্মদ রিজওয়ান। তবে বৃষ্টি যেন আজ দুর্ভাগ্য সঙ্গে বয়ে এনেছিল পাক টপ অর্ডারে। স্কোরবোর্ডে মাত্র ৪ রান যোগ না হতেই দলকে বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিয়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন পাকিস্তানি উইকেটরক্ষক এ ব্যাটার। ৫ বলে ২ রান করে শার্দুল ঠাকুরের বলে লোকেশ রাহুলের ক্যাচ হয়ে ফেরেন তিনি।

রিজওয়ানের পর এবার মাঠে নামেন আগা সালমান। ফখরের সঙ্গে ভালো একটি জুটি গড়ার আভাসও দিয়েছিলেন তিনি। দুজনে মিলে স্কোরবোর্ডে তুলেছিলেন ৩০ রান। তবে আবারও পথ হারায় পাকিস্তান। বিশতম ওভারে কুলদীপ যাদবের বলে বোল্ড হন ফখর। সাজঘরে ফেরার আগে ৫০ বল খেলে ২ চারে ২৭ রান করেন তিনি।

এদিকে ফখরের পর দলকে আরও বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিয়ে কুলদীপের বলেই লেগ বিফোর উইকেটের ফাদে পড়ে আউট হন সালমানও। ৩২ বলে ২৭ রান করে তিনি ফিরলে ক্রিজে ইফতিখার আহমেদের সঙ্গী হন শাদাব খান। কিন্তু মাত্র ৬ রান করতেই তিনিও পরিণত হন কুলদীপের শিকারে। ফলে মাত্র ১১০ রানেই ৬ উইকেট হারানো পাকিস্তান দলে তখন জাগে লজ্জাজনক পরাজয়ের শঙ্কা।

সেই আশঙ্কাকে সত্যি করতেই যেন দলীয় ১১৯ রানে কুলদীপেরই চতুর্থ শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন ইফতিখারও। শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানের ইনিংস থামে ৮ উইকেটে ১২৮ রানে। দুই পেসার নাসিম শাহ ও হারিস রউফ চোটের জন্য ব্যাটিং করেননি। ফলে কোহলি- রাহুলের দুর্দান্ত শতকের পর কুলদীপের জাদুকরি ঘূর্ণিতে ২২৮ রানের বিশাল জয় পায় ভারত।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে আগ্রাসী ব্যাটিং করতে থাকেন দুই ভারতীয় ওপেনার রোহিত শর্মা ও শিবমন গিল। প্রথম ওভারে শাহিন আফ্রিদিকে ছয় দিয়ে স্কোর বোর্ডে রান যোগ করেন রোহিত শর্মা। শুরু থেকে পাকিস্তান বোলাদের ওপর চড়াও হন এই দুই ওপেনাররা।

এই দিন পাকিস্তানের বোলাররা ছিল একদম ছন্ন ছাড়া। মারমুখী ব্যাটিংয়ে অর্ধশতক পূরণ করেন গিল ও রোহিত। তবে ইনিংসের ১৭তম ওভারে প্রথম সাফল্য পায় পাকিস্তান। শাদাব খানের বলে ক্যাচ তুলে দেন রোহিত। দলীয় ১২১ রানে ৪৯ বলে ৫৬ রানে আউট হন রোহিত। এরপর ক্রিজে আসেন বিরাট কোহলি। কোহলিকে নিয়ে ব্যাট করতে থাকেন গিল।

তবে দলীয় ১২৩ রানে ৫২ বলে ৫৮ রান করে আউট হন গিল। তাকে সাজঘরে ফেরান শাহিন আফ্রিদি। এরপর ক্রিজে আসা রাহুলকে সঙ্গে নিয়ে ব্যাট করতে থাকেন কোহলি। ২৪.১ ওভারে ভারত ২ উইকেটে ১৪৭ রান করার পর নামে বৃষ্টি।

সেখান থেকে রিজার্ভ ডেতে শুরু হয় খেলা। রিজার্ভ ডের শুরু থেকেই মারমুখী ব্যাটিং করতে থাকেন আগের দিনের দুই অপরাজিত ব্যাটার রাহুল ও কোহলি। পাকিস্তানি বোলারদের কোন রকম সুযোগ না দিয়ে অর্ধশত রান তুলে নেন রাহুল ও কোহলি।

এই দুই ব্যাটারের অর্ধশতরানের পর আরও আগ্রাসী হয়ে পাকিস্তান বোলারদের ওপর চড়া হতে থাকেন। ১০০ বলে শতক পূর্ণ করেন রাহুল। তার শতকের পরেই ৮৪ বলে ক্যারিয়ারের ৪৭তম শতক পূর্ণ করেন কোহলি। সেইসঙ্গে ওয়ানডেতে ১৩ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন এই কিং কোহলি।

শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৫০ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ৩৫৬ রান সংগ্রহ করে রোহিত শর্মার দল। রাহুল ১১১ ও কোহলি ১২২ রানে অপরাজিত থাকেন। পাকিস্তানের হয়ে বল হাতে শাহীন আফ্রিদি ও শাদব খান নেন ১টি করে উইকেট।




দ্বিতীয়বারের মত সন্তানের বাবা হলেন মুশফিক 


চন্দ্রদ্বীপ স্পোর্টস ডেক্স: এশিয়া কাপের সুপার ফোরের ম্যাচ এখনো শেষ হয়নি। ভারতের সঙ্গে ম্যাচ বাকি এখনো। তবে এর আগেই দেশে ফিরে এসেছেন দলের বড় ভরসা মুশফিকুর রহিম। সন্তানসম্ভবা স্ত্রীর পাশে থাকতে লঙ্কা থেকে দেশে এসেছিলেন তিনি। মুশফিকের আসা বৃথা যায়নি। যে প্রত্যাশা নিয়ে বাংলাদেশ এসেছেন তা পূর্ণতা পেয়েছে। সোমবার সকালেই দ্বিতীয়বারের মত পিতৃত্বের স্বাদ পেলেন জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক।

সোমবার সকাল থেকেই বিভিন্ন গণমাধ্যম মুশফিকুর রহিমের বাবা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে। এক পুত্রের পিতা মুশফিক এবার দেখলেন কন্যা সন্তানের মুখ। এর আগে ২০১৮ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি প্রথম সন্তানের বাবা হয়েছিলেন মুশফিক।




এশিয়া কাপের স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

চন্দ্রদীপ স্পোর্টস ডেস্ক : ৪২ বলে যখন আর ৬৮ রান দরকার, তখনও জয়ের আশা দেখছিল বাংলাদেশ। ক্রিজে ‘শেষ ভরসা’ ছিলেন তাওহীদ হৃদয়, খানিক পর তিনি বিদায় নিতেই নিভু-নিভু প্রদীপটি দপ করে অন্ধকার নিয়ে আসে। তখন কেবল তলানিতে একটুখানি তেল নিয়ে ‍যতটা সম্ভব বাকি পথ এগোনোর পালা। শেষ পর্যন্ত সেটাই ঘটেছে। আরও একটি ব্যাটিং বিপর্যয়ের ইনিংসে বাংলাদেশের পক্ষে আর কোনো নাটকীয়তা মঞ্চস্থ হয়নি। শ্রীলঙ্কার দেওয়া টার্গেট থেকে ২১ রান দূরত্বে থেমেছে বাংলাদেশ। ফলে চলতি এশিয়া কাপের ফাইনাল খেলা হচ্ছে না সাকিব আল হাসানদের।

লঙ্কানদের বিপক্ষে ম্যাচটিতে একজন ব্যাটার কম নিয়ে নেমেছিল চন্ডিকা হাথুরুসিংহের শিষ্যরা। আফিফ হোসেনকে বসিয়ে একাদশে যোগ করা হয় স্পিনার নাসুম আহমেদকে। সেই নাসুম নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেছিলেন ঠিকই, কিন্তু ছিলেন উইকেটশূন্য। তবে শ্রীলঙ্কার রান তাড়ায় শেষদিকে ব্যাটিংয়ে নাটকীয় কিছুর ইঙ্গিতই দিচ্ছিলেন তিনি। তবে বাউন্ডারিজুড়ে লঙ্কান ফিল্ডারদের ফাঁকি দেওয়ার জন্য সেটি যথেষ্ট ছিল না। শেষমেষ নাসুমের চেষ্টা থামে ‘জুনিয়র মালিঙ্গা’খ্যাত মাথিশা পাথিরানার ইয়র্কারে বোল্ড হয়ে।

বাংলাদেশের ইনিংস থেমেছে ২৩৬ রানে। টাইগারদের হয়ে সর্বোচ্চ ৮২ রানের (৯৭ বল) ইনিংস খেলেছেন তাওহীদ হৃদয়। তিনি ৭টি চার ও একটি ছ্ক্কা দিয়ে ইনিংসটি সাজিয়েছিলেন। এছাড়া মুশফিকুর রহিম ২৯, মেহেদী মিরাজ ২৮ ও নাঈম শেখ করেছেন ২৫ রান। শেষদিকে আউট হওয়ার আগে নাসুম আহমেদ করেছেন ১৫ বলে ১৫ রান। এছাড়া হাসান মাহমুদের ব্যাট থেকে আসে ১০ রান। লঙ্কানদের হয়ে তিনটি করে উইকেট পেয়েছেন মহেশ থিকশানা, পাথিরানা ও দাসুন শানাকা।

এর কিছুক্ষণ আগেও বাংলাদেশের আশার প্রদ্বীপ হয়ে এক প্রান্তে জ্বলছিলেন হৃদয়। লাল-সবুজের সেই আশার প্রদ্বীপ-টুকুও নিভিয়ে দিলেন মাহিশ থিকশানা। তার সঙ্গে শামীম পাটোয়ারীও ছিলেন কিছুক্ষণ। বড় শট খেলার সামর্থ্য আছে, যার জন্য বরাবরই তিনি প্রশংসা কুড়িয়েছেন। কিন্তু আজ প্রয়োজনীয় মুহূর্তে পারলেন না। রানের গতি বাড়ানোর প্রয়োজন ছিল যখন, তখন উইকেটে এসে ১০ বলে ৫ রান করে উল্টো দলের বিপদ বাড়িয়েছেন।

এর আগে শ্রীলঙ্কার দেওয়া ২৫৮ রানের লক্ষ্য তাড়ায় শুরুটা ভালোই করেছিলেন দুই ওপেনার মিরাজ ও নাঈম। বিশেষ করে মিরাজ দ্রুতই নিজেকে উইকেটের সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছেন। পাওয়ার প্লের সুবিধা নিয়ে ফাঁকা জায়গা দিয়ে দারুণ কিছু শট খেলেছেন। প্রথম পাওয়ার প্লেতে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৪৭ রান তোলে বাংলাদেশ। এর পরের ওভারেও পাথিরানাকে দারুণ এক ফ্লিকে বাউন্ডারি হাঁকিয়েছিলেন মিরাজ। এমন শুরু পেয়েও ইনিংস বড় করতে পারলেন না তিনি। ১২তম ওভারের প্রথম বলটি খাটো লেন্থে করেছিলেন শানাকা। নিচু হয়ে আসা সেই বলে পুল করেই যেন ভুল করেন মিরাজ। মিডউইকেটে সফট ডিসমাল হওয়ার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ২৯ বলে ২৮ রান।

এরপর অল্প সময়ের ব্যবধানে ফিরেছেন নাঈম, সাকিব ও লিটন। শুরু থেকেই অস্বস্তিতে ভুগছিলেন নাঈম। পাওয়ার প্লেতে মিরাজ এক প্রান্তে রানের চাকা সচল রাখার কারণে খুব একটা চাপে ছিল না দল। তবে মিরাজ ফেরার পর সেই চাপের ভার আর বইতে পারলেন না এই ওপেনার। ১৪তম ওভারে শানাকার বাউন্সারে অযথা শট খেলতে গিয়ে ২১ রানে উইকেটটা বিলিয়ে দিলেন। সেই চাপ সামলাতে এসে বিপদ বাড়িয়ে সাজঘরে ফিরেছেন ৩ রান করা সাকিবও। ২৪ বলে ১৫ রানে শেষ লিটনের ইনিংস। ব্যাট হাতে সাম্প্রতিক সময়ে সংগ্রাম করা এই ব্যাটার এদিনও ভিন্ন কিছু করতে পারলেন না। দুনিথ ভেল্লালাগের অফ স্টাম্পের বাইরে ঝুলিয়ে দেওয়া বলে তিনি কিপারের তালুবন্দী হন।

আসালাঙ্কা দ্রুত ফেরার পর ধানাঞ্জয়া ডি সিলভার কাঁধে অনেক দায়িত্ব ছিল। তবে তিনিও সামাবিক্রমাকে সঙ্গ দিতে পারেননি। ৩৭তম ওভারের প্রথম বলটি অফ স্টাম্পের বাইরে গুড লেন্থে করেছিলেন হাসান। সেখানে কাট করতে গিয়ে উইকেটের পেছনে ধরা পড়েন এই মিডল অর্ডার ব্যাটার। সাজঘরে ফেরার আগে তার ব্যাট থেকে এসেছে ১৬ বলে ৬ রান।

এরপর দাসুন শানাকাকে সঙ্গে নিয়ে ভালোই লড়াই করেছেন সামাবিক্রমা। ষষ্ঠ উইকেটে তাদের জুটিতে বড় সংগ্রহের দিকেই এগোচ্ছিল শ্রীলঙ্কা। ২৪ রান করা শানাকাকে বোল্ড করে ৬০ রানের সেই জুটি ভাঙেন হাসান। তাতে আরও একবার ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় টাইগাররা।

বাংলাদেশের সঙ্গে আগের ম্যাচেও হাফ সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন সামাবিক্রমা। হয়েছিলেন দলের সেরা স্কোরার। এবার আরও একবার বাংলাদেশকে পেয়ে জ্বলে ওঠলেন তিনি। খানিকটা চাপ নিয়েই উইকেটে এসেছিলেন। সেখানে দাঁড়িয়েও খেলেছেন দারুণ কিছু শট। হাফ সেঞ্চুরি ছুঁতে খরচ করেছেন মাত্র ৪৫ বল। সেঞ্চুরিটাও পেতে পারতেন। তার কপালে ছিল না বলেই হয়নি! ইনিংসের শেষ বলে আউট হওয়ার আগে তিনি নামের পাশে যোগ করেছেন ৭২ বলে ৯৩ রান।

বাংলাদেশের হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেছেন হাসান-তাসকিন। এই দুই পেসারই ৩টি করে উইকেট পেয়েছেন। তাছাড়া সাকিব-নাসুম উইকেট শূন্য থাকলেও মিতব্যায়ী বোলিং করেছেন।

 




মেসি-ডি ব্রুইনাকে পেছনে ফেলে উয়েফার বর্ষসেরা হালান্ড

নরওয়ের প্রথম ফুটবলার হিসাবে এই সম্মাননা পেয়েছেন ২২ বছরের হালান্ড। বৃহস্পতিবার রাতে মোনাকোর গ্রিমালদি ফোরামে হয়েছে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের গ্রুপ পর্বের ড্র। এরপর সেখানেই হয় উয়েফা বর্ষসেরা পুরস্কারের অনুষ্ঠান। হালান্ডের হাতে সেরা ফুটবলারের ট্রফি তুলে দেন উয়েফা সভাপতি আলেক্সান্দার সেফেরিন।

ম্যানচেস্টার সিটি সতীর্থ ডি ব্রুইনা এবং আর্জেন্টিনার হয়ে ২০২২ বিশ্বকাপজয়ী মেসিকে পেছনে ফেলে হালান্ড উয়েফার বর্ষসেরার পুরস্কার জিততে পারেন, সেটা অনুমান করা যাচ্ছিল আগেই।

২০২২-২৩ মৌসুমটা যে রীতিমত স্বপ্নময় ছিল হালান্ডের। ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে অভিষেক মৌসুমেই ট্রেবল জয়ের কীর্তি গড়েছেন। গত মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৫৩ ম্যাচে ৫২ গোল করেছেন নরওয়ের এই ফরোয়ার্ড।

মোনাকোতে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে হালান্ড বলেন, ‘আমি ২২ বছর বয়সে ট্রেবল জিতেছি। আমার মনে হচ্ছে আমি স্বপ্নের মধ্যে বাস করছি।’

এদিকে বর্ষসেরা কোচের পুরস্কার জিতেছেন ম্যানচেস্টার সিটির কোচ পেপ গার্দিওলা। সংক্ষিপ্ত তালিকায় তার সঙ্গী ছিলেন ইন্টার মিলানকে চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে তোলা কোচ সিমোনে ইনজাঘি ও নাপোলিকে ৩৩ বছর পর সিরি’আ জেতানো কোচ লুসিয়ানো স্পালেত্তি।

মেয়েদের ফুটবলে বর্ষসেরা হয়েছেন বার্সেলোনার স্প্যানিশ তারকা আইতানা বোনমাতি। ২৫ বছর বয়সী বোনমাতি এ বছর উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ ও বিশ্বকাপ জিতেছেন।

নারী ফুটবলের বর্ষসেরা কোচ নির্বাচিত হয়েছেন ইংল্যান্ডের ডাচ ম্যানেজার সারিনা ওয়েগম্যান।

এ ছাড়া আজীবন সম্মাননাসূচক উয়েফা প্রেসিডেন্টস অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসা




পাকিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ

চন্দ্রদ্বীপ স্পোর্টস ডেক্স:  সাফ অনূর্ধ্ব-১৬ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। আজ (শুক্রবার) ভুটানে থিম্পুর চাংলিমিথাং সেটডিয়ামে দ্বিতীয় সেমিফাইনালে বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়ে ২-১ গোলে হারিয়েছে পকিস্তানকে।

৬ মিনিটে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। ডান দিক দিয়ে ঢুকে কোনাকুনি শটে বাংলাদেশ গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন পাকিস্তানের আবদুল ঘানি।

বাংলাদেশ ম্যাচে ফেরে ১৪ মিনিটে। ডান দিক থেকে আসা ক্রসে দুই ডিফেন্ডারের মাঝদিয়ে হেডে গোল করেন মুর্শেদ আলী। প্রথমার্ধেই বাংলাদেশ লিড নেয় আবু সাইদের গোলে। ৩০ মিনিটে ডান দিক থেকে অধিনায়ক নাজমুল হুদা ফয়সালের নিখুঁত ক্রসে দ্বিতীয় পোস্ট দিয়ে প্লেসিংয়ে পাকিস্তানের জালে বল পাঠন আবু সাইদ।

ইনজুরি সময়ে বাংলাদেশ ব্যবধান বাড়ানোর সহজ সুযোগ হারায়। সালাউদ্দিন শাহেদ গোলরক্ষককে একা পেয়েও গোল করতে পারেননি।

আগামী ১০ সেপ্টেম্বর ফাইনালে বাংলাদেশ খেলবে ভারতের বিপক্ষে। প্রথম সেমিফাইনালে ভারত ৮-০ গোলে হারিয়েছে মালদ্বীপকে। ২০১৫ সালে সিলেটে ফাইনালে ভারতকে টাইব্রেকারে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ।

আরআই/এএসএম




প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে বিশ্বকাপে সৈকত

চন্দ্রদ্বীপ স্পোর্ট  : ভারতে অনুষ্ঠিতব্য ওয়ানডে বিশ্বকাপের জন্য ম্যাচ অফিশিয়ালদের তালিকা প্রকাশ করেছে আইসিসি। ২০ জনের এই তালিকায় একমাত্র বাংলাদেশি আম্পায়ার হিসেবে জায়গা করে নিয়েছেন শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত।

প্রথমবারের মতো আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপে ম্যাচ পরিচালনা করবেন বাংলাদেশি কোনো আম্পায়ার।

যে ম্যাচ অফিশিয়ালদের তালিকা প্রকাশ করেছে আইসিসি, তারা শুধু লিগপর্বের দায়িত্ব পালন করবেন। আইসিসি এলিট প্যানেল থেকে আছেন নিউজিল্যান্ডের ক্রিস্টোফার গ্যাফানি, শ্রীলঙ্কার কুমার ধর্মসেনা, দক্ষিণ আফ্রিকার মারাইস ইরাসমাস, ইংল্যান্ডের মাইকেল গুহ, ভারতের নিতিন মেনন, অস্ট্রেলিয়ার পল রাইফেল, ইংল্যান্ডের রিচার্ড ইলিংওর্থ ও রিচার্ড কেটেলবোরো, অস্ট্রেলিয়ার রোড টাকার, ওয়েস্ট ইন্ডিজের জোয়েল উইলসন, পাকিস্তানের আহসান রাজা ও দক্ষিণ আফ্রিকার আদ্রিয়ান হোল্ডস্টক।

এলিট প্যানেলের বাইরে থেকেও আছেন ৪ আম্পায়ার। তারা হলেন- বাংলাদেশের শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত, অস্ট্রেলিয়ার পল উইলসন, ইংল্যান্ডের অ্যালেক্স হোয়ার্ফ ও নিউজিল্যান্ডের ক্রিস ব্রাউন।

এছাড়া ম্যাচ রেফারি হিসেবে থাকবেন নিউজিল্যান্ডের জেফ ক্রো, জিম্বাবুয়ের অ্যান্ডি পাইক্রফট, ওয়েস্ট ইন্ডিজের রিচি রিচার্ডসন ও ভারতের জাভাগাল শ্রীনাথ।