চলে এলো বিশ্বকাপের থিম সং

চন্দ্রদ্বীপ স্পোর্টসি ডেস্ক: সদরজায় কড়া নাড়ছে ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ। ভারতের মাটিতে এ আসর শুরু হতে বাকি আর মাত্র দুই সপ্তাহের মতো। ব্যাপক উৎসাহ নিয়ে অপেক্ষায় ক্রিকেটপ্রেমীরা। অবশেষে প্রকাশ্যে চলে এলো বিশ্বকাপের অফিসিয়াল থিম সংও। শিরোনাম-‘দিল জশন বোলে’।

ভারতীয় মিউজিক কম্পোজার প্রীতমের সুরে তৈরি হয়েছে এই গান। অ্যান্থেমের ভিডিওতে দেখা গেছে রণভির সিংয়ের মতো বলিউড তারকাকে। বিশেষ এই গানে গলা মিলিয়েছেন এক ঝাঁক ভারতীয় গায়ক-গায়িকা। বুধবার এই থিম সং প্রকাশ করেছে আইসিসি।

আইসিসির ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হয়েছে নতুন এই গান। প্রীতমের পাশাপাশি গানটি কম্পোজের দায়িত্ব পালন করেছেন র্যাপার চরণও। ভারতীয় সংগীতের সুরের পাশাপাশি গানটিতে রয়েছে পশ্চিমি দুনিয়ার র্যাপের ছোঁয়া। তাদের সুরে গলা মিলিয়েছেন নাকাশ আজিজ, অমিত মিশ্র, জোনিতা গান্ধীর মতো গায়করা। গানটির দুই কম্পোজার প্রীতম ও চরণও গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। মোট সাত জন মিলে গেয়েছেন বিশ্বকাপের অফিশিয়াল থিম সং।

এই গানের ভিডিওতে পারফর্ম করতে পেরে উচ্ছ্বসিত বলিউড তারকা রণভির সিং। তিনি বলেন, ‘২০২৩ সালের বিশ্বকাপের অ্যান্থেমের একটি অংশ হতে পেরে আমি খুবই সম্মানিত বোধ করছি। আমরা সকলেই এই খেলা খুব ভালোবাসি।’




নাসিরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আইসিসির

টুর্নামেন্ট শেষ হওয়ার পর থেকেই সম্ভাব্য বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে আইসিসির অ্যান্টি করাপশন ইউনিট। শেষ পর্যন্ত ক্রিকেটার ও কর্মকর্তাসহ মোট ৮ জনের বিরুদ্ধে তারা কিছু দুর্নীতির অভিযোগ গঠন করতে পেরেছে। যে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত বাংলাদেশের একমাত্র ক্রিকেটার নাসির হোসেন।

আজ বিকেলে আইসিসি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়েছে এসব তথ্য। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিটিতে আইসিসি লিখেছে, আমিরাত ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) পক্ষ থেকে এ অভিযোগ গঠন করেছে তারা। নাসিরের বিরুদ্ধে দুর্নীতিবিরোধী কোডের মোট তিনটি ধারা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে।

যে আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে, তারা হলেন- কৃষাণ কুমার চৌধুরী (অন্যতম মালিক), পরাগ সাংভি (অন্যতম মালিক), আজহার জাইদি (ব্যাটিং কোচ), সানি দিলন (সহকারী কোচ), শাদাব আহমেদ (টিম ম্যানেজার), আরব আমিরাতের স্থানী ক্রিকেটার রিজওয়ান জাভেদ, সালিয়া সামান এবং নাসির হোসেন (বাংলাদেশের ক্রিকেটার)।

তবে এই আট অভিযুক্তের মধ্যে ৬ জনকে (কৃষাণ কুমার চৌধুরী, পরাগ সাংভি, আজহার জাইদি, রিজওয়ান জাভেদ, সালিয়া সামান এবং সানি দিলনকে প্রাথমিকভাবে বহিস্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে অভিযুক্ত সবাইকে ১৯ সেপ্টেম্বরের পর ১৪ দিনের মধ্যে অভিযোগের জবাব দিতে বলা হয়েছে আইসিসির পক্ষ থেকে।

২০২১ টি-টেন লিগের ম্যাচে দুর্নীতির চেষ্টা করা হয়েছিলো বলে অভিযোগ আইসিসির। যদিও সেই চেষ্টা নস্যাৎ করা হয়েছে। দুর্নীতি সফল করার সুযোগ পায়নি।

এমিরেটস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) মাধ্যমে আইসিসি ডেজিগনেটেড অ্যান্টি করাপশন অফিসিয়াল (ডাকো) নিয়োগ দিয়েছিলো টুর্নামেন্টটিতে ইসিবির অ্যান্টি করাপশন কোডের বাস্তবায়ন করার জন্য। সেই কর্মকর্তাই উপরোক্ত আটজনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আনয়ন করেন।

 

দ্বিতীয় অভিযোগ হচ্ছে- নিয়ম অনুযায়ী ডাকো’র কাছে যে কোনো ধরনের দুর্নীতির প্রস্তাব, এ সম্পর্কে কারও চেষ্টা সম্পর্কিত তথ্য না দিতে পারার ব্যর্থতা। তৃতীয় অভিযোগ হচ্ছে- অভিযোগ অস্বীকার, আইসিসি কর্তৃক পরিচালিত তদন্তে কোনো সহযোগিতা না করা।

বাকি সবার মধ্যে যে ৬জনকে প্রাথমিকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে- তাদের সবার বিরুদ্ধে ম্যাচ পাতানোর চেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে। মালিক এবং কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত অভিযোগ হলো, তারা কিছু কিছু ক্রিকেটারকেও ম্যাচ পাতানোর প্রস্তাব দিয়েছিলো।




আজ থেকে মিলবে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড ওয়ানডে সিরিজে টিকিট : সর্বনিম্ন মূল্য ২শ টাকা

স্পোর্টস ডেস্ক : বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড মধ্যকার তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের টিকিটের মূল্য ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

টিকিটের সর্বনিম্ন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২শ টাকা। সর্বোচ্চ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫শ টাকা।
ইস্টার্ন গ্যালারির টিকিটের মূল্য ২শ টাকা, গ্র্যান্ড স্ট্যান্ডের টিকিটের মূল্য নির্ধারণ করা হয়ে সর্বোচ্চ ১৫শ টাকা।
ঐ দু’টি গ্যালারি ছাড়াও ভিআইপি স্ট্যান্ডের টিকিটের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার টাকা। এছাড়া ক্লাব হাউস (শহীদ মোশতাক ও শহীদ জুয়ে স্ট্যান্ড) টিকিটের মূল্য নির্ধারণ হয়েছে ৫শ টাকা। নর্থ ও সাউথ স্ট্যান্ডের টিকিট মূল্য নির্ধারণ হয়েছে ৩শ টাকা।
মিরপুর শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে টিকিট পাওয়া যাবে। আজ সকাল ৯টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত টিকিট বিক্রি চলবে।

আগামী ২১, ২৩ এবং ২৬ সেপ্টেম্বর মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ওয়ানডে সিরিজের তিনটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। দিবারাত্রির সবগুলো ম্যাচ শুরু হবে দুপুর ২টায়।
এদিকে অনলাইনেও ওয়ানডে সিরিজের টিকিট এখন পাওয়া যাবে। রেজিস্ট্রেশন সম্পূর্ণ করতে https://ticket.tigercricket.com.bd/-তে ভিজিট করে ওয়ানডে ম্যাচের জন্য একদিন আগে টিকিট বুক করতে হবে।
প্রথম ওয়ানডের অনলাইন টিকিট বিসিবির অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে (www.tigercricket.com.bd) সকাল ৯টা (মঙ্গলবার) থেকে সকাল ৯টা (বুধবার) পর্যন্ত পাওয়া যাবে।
টিকিট মূল্য :
গ্র্যান্ড স্ট্যান্ড : ১৫০০ টাকা
ভিআইপি স্ট্যান্ড : ১০০০ টাকা
ক্লাব হাউস : ৫০০ টাকা।
উত্তর ও দক্ষিণ স্ট্যান্ড : ৩০০ টাকা
ইস্টার্ন স্ট্যান্ড : ২০০ টাকা




অষ্টমবারের মতো এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন ভারত

৫১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৬.১ ওভারেই ১০ উইকেটের বিশাল জয় তুলে নিয়েছে ভারত। দুই ওপেনার ইশান কিশান ২৩ আর শুভমান গিল ২৭ রানে অপরাজিত থাকেন।

এর আগে এক মোহাম্মদ সিরাজই শেষ করে দেন শ্রীলঙ্কাকে। একাই নেন ৬ উইকেট। ১৫.২ ওভারে মাত্র ৫০ রানেই গুটিয়ে যায় লঙ্কানদের ইনিংস।

ওয়ানডে ইতিহাসে এটি কোনো দলের নবম সর্বনিম্ন সংগ্রহের রেকর্ড, শ্রীলঙ্কার ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন। এর আগে ২০১২ সালে পার্লে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৪৩ রানে অলআউট হয়েছিল লঙ্কানরা।

কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে আজ টস জিতেছিলেন শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক দাসুন শানাকা। কে জানতো, প্রথমে ব্যাট করতে নেমে এমন হাল হবে!

প্রথম ওভারে আঘাত হানেন ভারতীয় পেসার জাসপ্রিত বুমরাহ। ইনিংসের তৃতীয় বলে তাকে ড্রাইভ করতে গিয়ে উইকেটরক্ষককে ক্যাচ দেন কুশল পেরেরা (২ বলে ০)।

ওভারের প্রথম বলে পাথুম নিশাঙ্কাকে (৪ বলে ২) রবীন্দ্র জাদেজার ক্যাচ বানান সিরাজ। তৃতীয় বলে তিনি এলবিডব্লিউ করেন সাদিরা সামারাবিক্রমাকে (০)। পরের বলে চারিথ আসালাঙ্কাকে (০) কভারে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন।

হ্যাটট্রিক ডেলিভারিটি অবশ্য বাউন্ডারি হাঁকিয়েছিলেন ধনঞ্জয়া ডি সিলভা। কিন্তু পরিস্থিতি বুঝতে না পেরে যেন বড় ভুল হয়ে গেলো তার। পরের বলে শরীরের বাইরে খেলতে গিয়ে উইকেটরক্ষককে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ধনঞ্জয়া (২ বলে ৪)। ওই ওভারে ৪ উইকেট নেন সিরাজ।

নিজের পরের ওভারে (লঙ্কান ইনিংসের ষষ্ঠ) চতুর্থ বলে আরও এক শিকার সিরাজের। উড়িয়ে দিলেন লঙ্কান অধিনায়ক দাসুন শানাকার অফস্টাম্প। সিরাজ ৪ রানেই পূরণ করে নেন ফাইফার।

বলের হিসেবে এটি চামিন্দা ভাসের সঙ্গে যৌথভাবে দ্রুততম পাঁচ উইকেট নেওয়ার রেকর্ড। ২০০৩ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের বিপক্ষে তার সমান ১৬ বলে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন সাবেক লঙ্কান পেসার।

শেষ পর্যন্ত ৭ ওভারে এক মেইডেনসহ মাত্র ২১ রানে ৬টি উইকেট নেন সিরাজ। হার্দিক পান্ডিয়া ৩ রানে নেন ৩ উইকেট।




ভারত না শ্রীলঙ্কা? এশিয়া কাপের জমজমাট ফাইনাল আজ

এ কারণে, এবারও এশিয়া কাপের ফাইনালে উঠে এসেছে লঙ্কানরা। আফগানিস্তান, বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানকে হারিয়েছে তারা। এবার ফাইনালে তারা আরেক শক্তিশালী দল ভারতকে হারাতে চায়। রোহিত শর্মা-বিরাট কোহলিদের হারিয়েই শিরোপা নিজেদের ক্যাবিনেটে রেখে দিতে চায় দাসুন শানাকার দল।

শ্রীলঙ্কার তুলনায় ভারতীয় দলটি তারকায় ঠাসা। বিশ্ব ক্রিকেটকে আকর্ষণ করার মত তারকার যেন অভাব নেই দলটিতে। দারুণ শক্তিশালী দল। পাকিস্তানের বিপক্ষে যেভাবে ব্যাটিং করেছে এবং বল হাতে বোলাররা যে ক্যারিশমা দেখিয়েছে, তাতে নিঃসন্দেহে বিশ্বের অন্যতম সেরা দলের তকমা তাদের দেয়াই যায়।

সে হিসেবে আজকের এশিয়া কাপের একচ্ছত্র ফেবারিট হিসেবে ভারতের নামই বলে দেয়া যেতো; কিন্তু দেয়া যাচ্ছে না- সুপার ফোরের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের কাছে ৬ রানের পরাজয়ের কারণে।

ফাইনাল নিশ্চিত হয়ে যাওয়ায় সুপার ফোরের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের বিপক্ষে বেশ কিছু পরিবর্তন এনে একাদশ সাজিয়েছিলো ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। তবুও তাদেরকে কোনো অংশেই কম শক্তিশালী বলার সুযোগ ছিল না। শুভমান গিল ১২১ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলা সত্ত্বেও ২৬৬ রান করতে পারেনি ভারত।

এই এক পরাজয়ই যেন সমস্ত মনোবল ভেঙে দিয়েছে ভারতীয়দের। যতই বাংলাদেশের কাছে পরাজয় ভুলে আজ ফাইনালে শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হতে চাইবে, ততই পরাজয়ের ধাক্কাটা ভেতর থেকে দুর্বল করে দিতে পারে রোহিত শর্মাদের। এই পরাজয়ের ক্ষত তারা কতটা কাটিয়ে উঠতে পারে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

আবার সুপার ফোরে শ্রীলঙ্কাকে হারানোর সুখস্মৃতিকেও সঙ্গ করে নিতে পারে ভারতীয়রা। ২১৩ রান করেও ওই ম্যাচে ১৭২ রানে লঙ্কানদের অলআউট করে দিয়ে ৪১ রানের ব্যবধানে ম্যাচ জয় করে নিয়েছিলো রোহিত শর্মার দল।

র‌্যাংকিংয়ে ৮ নম্বর দল এখন শ্রীলঙ্কা। বিশ্বকাপের জন্য তাদেরকে বাছাই পর্বও খেলতে হয়েছিলো। কিন্তু বাছাই পর্ব থেকে যে ধারাবাহিকতা দেখাচ্ছে লঙ্কানরা, তা অবিশ্বাস্য। ভারতের বিপক্ষে সুপার ফোরের ম্যাচে লঙ্কান স্পিনাররা দুর্দান্ত বোলিং করেছিলো। ১০ উইকেটের সবগুলোই নিয়েছিলো লঙ্কান স্পিনাররা। তবে, ভারতীয় পেস ব্যাটারির সামনে লঙ্কান টপ অর্ডার ব্যর্থতার পরিচয় দিলে হারতে হয় তাদের। না হয়, ওইদিনও জয় নিয়ে ঘরে ফিরতে পারতো।

আজকের ফাইনালের আগে নিশ্চয়ই লঙ্কানরা কাজ করবে- উইকেটে টপ অর্ডার ব্যাটারদের পা কিভাবে আরও শক্ত করা যায়। অন্যদিকে ভারতীয়রা কাজ করবে কিভাবে আরও কার্যকরভাবে লঙ্কান স্পিনারদের মোকাবেলা করা যায়।

যদিও ফাইনালের আগে দুই দলেরই দুই গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় ছিটকে গেছেন। ভারত হারিয়েছে তাদের স্পিন অলরাউন্ডার অক্ষর প্যাটেলকে। শ্রীলঙ্কা হারিয়েছে তাদের গুরুত্বপূর্ণ স্পিনার মহেশ থিকসানাকে। এই দুই খেলোয়াড়কে ছাড়া নেমে ভারত এবং শ্রীলঙ্কা কী করতে পারে, সেটাই দেখার বিষয়।




আন্তঃস্কুল খেলায় চ্যাম্পিয়ন দুমকী উপজেলা বালিকা দল

 

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী: ৫০তম গ্রীষ্ম কালীন আন্তঃস্কুল ও মাদ্রাসা ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৩ এর ফুটবল খেলায় পটুয়াখালী জেলায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে দুমকী উপজেলার বালিকা ফুটবল দল।

শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় সময় পটুয়াখালী ডিসি কোর্টের সামনের মাঠে অনুষ্ঠিত ফাইনাল খেলায় জেলার সদর উপজেলাকে ১-০ গোলে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয় দুমকী উপজেলার বালিকা দল।

এ উপজেলাকে প্রতিনিধিত্ব করে দুমকী আপতুন নেসা খাতুন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বালিকা দল ।

এর আগে (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আল ইমরানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ৫০তম গ্রীষ্মকালীন আন্তঃস্কুল ও মাদ্রাসা ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৩ এর উদ্বোধন করেন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বদরুন নাহার ইয়াসমিন জানান, উক্ত প্রতিযোগীতার দুমকীতে ৬টি বালিকা দল অংশ গ্রহন করেন ।




রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে ভারতকে হারিয়ে এশিয়া কাপ শেষ বাংলাদেশের

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : শেষ ২ ওভারে ভারতের দরকার ১৭। শুভমান গিলের সেঞ্চুরির পর অক্ষর প্যাটেল ম্যাচ অনেকটাই হাতে নিয়ে এসেছিলেন। টাইগার সমর্থকদের তখন বুক ধুঁকপুক। ৪৯তম ওভারটি করতে আসেন মোস্তাফিজুর রহমান। প্রথম স্পেলে ভালো না করলেও ডেথে দুর্দান্ত কাটার মাস্টার।

৪৯তম ওভারে মাত্র ৫ রান দিয়ে ২টি উইকেট তুলে নেন ফিজ। আউট করেন ৩৪ বলে ৪২ করে বাংলাদেশের হাত থেকে ম্যাচ ছুটিয়ে নিতে চাওয়া অক্ষরকেও।

শেষ ওভারে জিততে ১২ দরকার ভারতের। অভিষিক্ত পেসার তানজিম তামিমের হাতে বল তুলে দেন সাকিব। তানজিদ প্রথম তিন বলে রান আটকে রাখেন। চতুর্থ বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ম্যাচ জমিয়ে তুলেন মোহাম্মদ শামি। পঞ্চম বল ফাইন লেগে ঠেলে দুই নিতে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তানজিদ তামিমের দুর্দান্ত থ্রোতে উইকেট ভেঙে দেন লিটন দাস। বাংলাদেশ শিবিরে উচ্ছ্বাস।

ভারতের বিপক্ষে ৬ রানের দুর্দান্ত এক জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে সাকিব আল হাসানের দল। এতে করে এশিয়া কাপ মিশন শেষ হলো জয় দিয়ে, সেটাও আবার টুর্নামেন্টের সেরা দলকে হারিয়ে।

কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে ভারতের সামনে বাংলাদেশ ছুড়ে দিয়েছিল ২৬৬ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য। মাঝারি পুঁজি নিয়ে দারুণ বোলিং করে টাইগাররা।

তানজিম সাকিবের আজই অভিষেক হয়েছে আন্তর্জাতিক আঙিনায়। নিজের দ্বিতীয় বলে উইকেট নিলেন রোহিত শর্মার মতো ব্যাটারের। এরপর তিলক ভার্মা পরাস্ত হলেন দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে। বল ছেড়ে দিয়ে বোল্ড হলেন তিলক। তানজিম সাকিবের জন্য এর চেয়ে সুন্দর শুরু আর কী হতে পারতো!

প্রথম ওভারের দ্বিতীয় রোহিত শর্মা (০) ড্রাইভ খেলতে গিয়ে ধরা পড়েন কভার পয়েন্টে। এরপর তানজিম সাকিব নিজের পরের ওভারে বোল্ড করেন তিলককে (৫)। যে বলটি বেরিয়ে যাবে ভেবে ছেড়ে দিয়েছিলেন ভারতীয় ব্যাটার, কিন্তু সাকিবের সুইংয়ে ভেঙে যায় স্টাম্প। ১৭ রানে ২ উইকেট হারিয়ে বসে ভারত।

সেখান থেকে জুটি গড়েন লোকেশ রাহুল আর শুভমান গিল। গিল বেশ স্বচ্ছন্দ্যে ব্যাট করলেও রাহুলকে হাত খুলে খেলতে দেননি বাংলাদেশি বোলাররা। অবশেষে ধীরগতির রাহুলকে ফেরান শেখ মেহেদি। ৩৯ বলে ১৯ রান করে মিডউইকেটে শামীম হোসেন পাটোয়ারীর হাতে ধরা পড়েন রাহুল।

ইশান কিশানও বেশিদূর এগোতে পারেননি। ৫ রান করা এই ব্যাটারকে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলেন মেহেদি হাসান মিরাজ। এরপর থিতু হওয়ার চেষ্টা করা সূর্যকুমারকে (৩৪ বলে ২৬) বোল্ড করেন সাকিব। মোস্তাফিজ বোল্ড করেন জাদেজাকে (৭)।

কিন্তু শুভমান গিল একপ্রান্ত ধরে সেঞ্চুরি তুলে নেন। দলীয় ২০৯ রানের মাথায় ভারতের সপ্তম ব্যাটার হিসেবে তাকে আউট করেন শেখ মেহেদি। ১৩৩ বলে ১২১ রানের চোখ ধাঁধানো ইনিংসে ৮টি চারের সঙ্গে ৫টি ছক্কা হাঁকান ভারতীয় ওপেনার।

মোস্তাফিজ ৫০ রানে নেন ৩টি উইকেট। তানজিম সাকিব ৩২ রানে ২টি আর শেখ মেহেদি ৫০ রানে নেন ২টি উইকেট।

এর আগে ৫৯ রানে বাংলাদেশের ছিল না ৪ উইকেট। আরও একবার ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে অল্পতেই গুটিয়ে যাবে টাইগাররা, শঙ্কা ছিল তেমন। কিন্তু সাকিব আল হাসান আর তাওহিদ হৃদয় দলকে বাঁচালেন বড় বিপদ থেকে।

তাদের শতরানের জুটি আর শেষদিকে লোয়ার অর্ডার ব্যাটারদের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ৮ উইকেটে ২৬৫ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পায় বাংলাদেশ।

কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে সুপারফোরপর্বের নিয়মরক্ষার এই ম্যাচে টসভাগ্য সহায় হয়নি বাংলাদেশের। টস জিতে সাকিবদের ব্যাটিংয়ে পাঠান ভারতীয় অধিনায়ক রোহিত শর্মা। যাচ্ছেতাই ব্যাটিংয়ে শুরু হয় টাইগারদের। ২৮ রান তুলতে তারা হারিয়ে বসে ৩ উইকেট।

আরও একবার ব্যাট হাতে ব্যর্থ লিটন দাস। এবার রানের খাতাই খুলতে পারেননি। ২ বলে ০ করে মোহাম্মদ শামির দারুণ এক ডেলিভারিতে বোল্ড হন লিটন।

পরের ওভারে শার্দুল ঠাকুরের বলে বোল্ড হন দারুণ শুরু করা তানজিদ হাসান তামিমও। তার ব্যাটে বল লেগে ভেঙে গেছে স্টাম্প। ১২ বলে ৩ বাউন্ডারিতে ১৩ রান করেন তরুণ এই ওপেনার।

এনামুল হক বিজয় দীর্ঘদিন পর সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু এমনই দৃষ্টিকটু শট খেলে ফিরলেন, আবারও তার জন্য দলে জায়গা পাওয়া কঠিনই হবে।

ভারতীয় পেসার শার্দুল ঠাকুরকে চার্জ করতে গিয়ে বল সোজা আকাশে তুলে দেন বিজয়, ক্যাচটি সহজেই গ্লাভসবন্দী করেন উইকেটরক্ষক। ১১ বলে ৪ রানে থামে বিজয়ের প্রত্যাবর্তন ইনিংস।

একের পর এক উইকেট পড়ছে। ধস থামাতে প্রমোশন দিয়ে পাঁচ নম্বরে পাঠানো হয় মেহেদী হাসান মিরাজকে। মিরাজ দুইবার জীবন পান। তারপরও ইনিংস বড় করতে পারেননি। ২৮ বলে ১৩ করে অক্ষর প্যাটেলের বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন এই অলরাউন্ডার। ৫৯ রানে ৪ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

সেখান থেকে সাকিব আল হাসান আর তাওহিদ হৃদয়ের দুর্দান্ত প্রতিরোধ। দুজন মিলে গড়লেন শতরানের জুটি।

চার বছর পর সাকিবকে হাতছানি দিচ্ছিল সেঞ্চুরি। তার ইনিংসটা বলতে গেলে ছিল একদম নিখুঁত। কিন্তু ৩৩ ওভারের পর পানিপানের বিরতি যেন অভিশাপ হয়ে এলো। বিরতির পর মনোসংযোগে চিড় ধরলো, প্রথম বলেই আউট হয়ে গেলেন সাকিব।

শার্দুল ঠাকুরের ক্রসসিম ডেলিভারি ব্যাটে লেগে ভেঙে দিলো স্টাম্প। সাকিবের লড়াকু ইনিংসের সমাপ্তি হলো একরাশ হতাশা নিয়ে। ৮৫ বলে ৮০ রানের ইনিংসে ৬টি চার আর ৩টি ছক্কা হাঁকান বাংলাদেশ অধিনায়ক। তাওহিদ হৃদয়ের সঙ্গে তার জুটিটি ছিল ১১৫ বলে ১০১ রানের।

হৃদয় আগের ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে চাপের মুখে খেলেছিলেন ৮২ রানের ইনিংস। আরও একবার দলের বিপদে জ্বলে উঠলো তার ব্যাট। তুলে নিলেন নিজের ক্যারিয়ারের পঞ্চম আর টানা দ্বিতীয় হাফসেঞ্চুরি।

তবে ফিফটির পর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি তরুণ এই ব্যাটার। মোহাম্মদ শামিকে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে ডিপ স্কয়ার লিগে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন হৃদয়। ৮১ বলে ৫৪ রানের ইনিংসে তিনি ৫টি চারের সঙ্গে মারেন ২টি ছক্কা।

শেষদিকে নাসুম আহমেদের ৪৫ বলে ৬ চার আর এক ছক্কায় ৪৪ আর শেখ মেহেদির ২৩ বলে ৩ বাউন্ডারিতে ২৯ রানে ভর করে চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পায় বাংলাদেশ। অভিষিক্ত তানজিম সাকিবও ৮ বলে একটি করে চার-ছক্কায় করেন হার না মানা ১৪।

ভারতের শার্দুল ঠাকুর ৬৫ রানে নেন ৩টি উইকেট। ৩২ রানে ২ উইকেট নেন মোহাম্মদ শামি।




ভারতের বিপক্ষে টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

চন্দ্রদ্বীপ স্পোর্টস ডেস্ক:  ভারত আগেই চলে গেছে ফাইনালে। বাংলাদেশের বিদায়ও নিশ্চিত হয়ে গেছে এই ম্যাচের আগেই। তাই বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার সুপার ফোরের শেষ ম্যাচটি কেবল নিয়মরক্ষার।

নিয়মরক্ষার এই লড়াইয়ে টসভাগ্য সহায় হয়নি টাইগারদের। টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ভারতীয় অধিনায়ক রোহিত শর্মা। অর্থাৎ বাংলাদেশ প্রথমে ব্যাট করবে।

এশিয়া কাপের প্রথম দুই ম্যাচে পাকিস্তান এবং শ্রীলঙ্কার কাছে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেছে সাকিব আল হাসানের দলের।

অন্যদিকে প্রথম দুই ম্যাচে পাকিস্তান এবং শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে ভারত।




পাকিস্তানকে বিদায় করে ফাইনালে শ্রীলঙ্কা

চন্দ্রদীপ ডেস্ক: ঋণের বোঝায় শ্রীলঙ্কা তখন দেউলিয়া। রাস্তায় বিক্ষুব্ধ জনগণ। মনে রোষ-ক্ষোভ। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দল তখন এশিয়া কাপ জিতে জনমুখে হাসি ফুঁটিয়েছিল। সেখান থেকেই যেন বিশ্বকাপ জয়ী দলটির ঘুরে দাঁড়ানো। যার ধারাবাহিকতায় আরও একটি এশিয়া কাপের ফাইনালে উঠেছে সিংহলিজরা।

বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের বিপক্ষে এশিয়া কাপের সুপার ফোরে বাঁচা-মরার লড়াইয়ে নেমেছিল দাশুন শানাকার দল। দু’দলের জন্যই জিতলে ভারতের সঙ্গে ফাইনাল। হারলে বিদায়। শেষে জমে যাওয়া ওই লড়াইয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে ইনিংসের শেষ বলে বৃষ্টি আইনে ২ উইকেটে জিতেছে শ্রীলঙ্কা।

কলম্বোয় বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে টস জিতে ব্যাট করতে নামে পাকিস্তান। প্রথমে ম্যাচ ৪৫ ওভারে, পরে নেমে আসে ৪২ ওভারে। শুরুতে দ্রুত উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় পাকিস্তান। ২৭.৪ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৩০ রান তোলে বাবর আজমের দল।

ব্যর্থ হয়ে ফিরে যান ওপেনার ফখর জামান (৪)। রান বড় করে পারেননি তিনে নামা বাবর আজম (২৯)। তবে অন্য ওপেনার আব্দুল্লাহ শফিক সাবধানী ৫২ রানের ইনিংস খেলেন। এরপর আউট হন মোহাম্মদ হ্যারিস (৩) ও মোহাম্মদ নওয়াজ (১২)।

সেখান থেকে দলকে ৭ উইকেটে ২৫২ রানের সংগ্রহ এনে দেন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও ইফতিখার আহমেদ। তারা ১০৮ রানের জুটি দেন। ইফতিখার খেলেন ৪০ বলে ৪৭ রানের কার্যকরী ইনিংস। চারটি চার ও দুটি ছক্কা তোলেন তিনি। রিজওয়ান ৭৩ বলে ৮৬ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলেন। ছয়টি চার ও দুটি ছক্কা তোলেন এই উইকেটরক্ষক।

জবাব দিতে নেমে ৮ বলে ১৭ রান করে ফিরে যান বাঁচা মরার ম্যাচে একাদশে সুযোগ পাওয়া ওপেনার কুশল পেরেরা। ২০ রানে ওপেনিং জুটি ভাঙলে জুটি গড়েন পাথুন নিশাঙ্কা ও কুশল মেন্ডিস। ওই চাপ সামাল দিয়ে নিশাঙ্কা দলের ৭৭ রানে আউট হন। তিনি খেলেন ২৯ রানের ইনিংস।

পরে কুশল মেন্ডিস ও সাদিরা সামারাবিক্রমা জুটি গড়ে ম্যাচ সহজ করে ফেলেন। চারে নামা উইকেটরক্ষক সাদিরা খেলেন ৫১ বলে ৪৮ রানের ইনিংস। মেন্ডিস ৮৭ বলে ৯১ রান করে আউট হন। তিনি আটটি চার ও একটি ছক্কা মারেন। এশিয়া কাপে দ্বিতীয়বারের মতো সেঞ্চুরি বঞ্চিত হন। এরপরই ক্রিজে এসে দাশুন শানাকা আউট হলে চাপ বাড়ে শ্রীলঙ্কার।

শেষ দুই ওভারে মাত্র ১৩ রান দরকার ছিল স্বাগতিক লঙ্কানদের। হাতে ছিল ৫ উইকেট। ৪১তম ওভারে শাহিন আফ্রিদি এসে মাত্র ৪ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়ে ম্যাচ জমিয়ে দেন। শেষ ওভারে জিততে ৯ রান দরকার ছিল লঙ্কানদের। শেষ ২ বলে ৬! হারের শঙ্কা উড়িয়ে দলকে শেষ বলে জেতান চারিথা আশালঙ্কা। তিনি ৪৭ বলে ৪৯ রানের ইনিংস খেলেন।




রিজওয়ানের ব্যাটে বড় সংগ্রহ পাকিস্তানের

চন্দ্রদ্বীপ স্পোর্টস ডেক্স: আগে থেকেই শঙ্কা ছিল ম্যাচ চলাকালে বৃষ্টি হানা দিতে পারে। সেই শঙ্কা সত্যি হয়েছে কলম্বোতে। সঙ্গত কারণে শুরুতেই টসে বিলম্ব হয়েছে। এরপর দুই দফায় খেলার মাঝেও হানা দিয়েছে বেরসিক বৃষ্টি। তাতে কমে এসেছে ম্যাচের দৈর্ঘ্য। ৪২ ওভারের ম্যাচে রিজওয়ানের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে বড় সংগ্রহ গড়েছে পাকিস্তান।

টস জিতে আগে ব্যাটিং করতে নেমে নির্ধারিত (ডিএল মেথড) ৪২ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৫২ রান সংগ্রহ করেছে পাকিস্তান। দলের হয়ে সর্বোচ্চ অপরাজিত ৮৬ রান করেছেন মোহাম্মদ রিজওয়ান।

১৩০ রান তুলতেই টপ অর্ডারের ৫ ব্যাটারকে হারিয়েছিল পাকিস্তান। এরপর সেখান থেকে দলকে টেনে তুলেন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও ইফতিখার আহমেদ। ষষ্ঠ উইকেটে দুজনে গড়েন ১০৮ রানের জুটি।

৪০ বলে ২ ছক্কা ও ৪ চারে ৪৭ রানে সাজঘরে ফিরেন ইফতিখার। তবে রিজওয়ান খেলেন শেষ বল পর্যন্ত। ৭৩ বলে ৮৬ রানের হার না মানা ইনিংস খেলেন তিনি। তার ইনিংসে ছিল ২টি ছক্কা ও ৬টি চার।

এর আগে ওপেনিংয়ে নেমে ৬৯ বলে ৫২ রান করেন আব্দুল্লাহ শফিক। সেট হয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি অধিনায়ক বাবর। ৩৫ বলে ২৯ করেছেন তিনি।

শ্রীলঙ্কার হয়ে তিন উইকেট শিকার করেছেন মাথিশা পাথিরানা। তবে ৮ ওভারে ৬৫ রান খরচ করেছেন তিনি। প্রমোদ মাদুশানও ছিলেন খরুচে, ৭ ওভারে ৫৮ রান দিয়ে নিয়েছেন দুটি উইকেট।
৪২ ওভার শেষে পাকিস্তানের স্কোর দাঁড়ায় ৭ উইকেটে ২৫২। তবে বৃষ্টি আইনে শ্রীলঙ্কার লক্ষ্যও ২৫২।