পাকিস্তানকে সাত উইকেটে হারালো ভারত

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : শুরুটা ভালো করলেও ওপেনিং জুটি আউট হওয়ার পরেই তাসের ঘরের মতো ভেংগে পরে ব্যাটিং লাইনআপ। শেষ পর্যন্ত ১৯২ রান তুলতে সক্ষম হয় পাকিস্তান।

স্বল্প পুঁজি নিয়ে আর কতোদূর যাওয়া যায় তাও আবার ভারতের মতো বিশ্বের অন্যতম সেরা ব্যাটিং লাইন আপের কাছে। ফলে যা হবার তাই হলো মাত্র ৩০ ওভারেই তিন উইকেট হারিয়ে জয়ে বন্দরে পৌঁছে যায় ভারত।




পাকিস্তানকে ১৯১ রানেই গুটিয়ে দিলো ভারত

চন্দ্রদীপ: বাবর আজম আর মোহাম্মদ রিজওয়ান দারুণ একটি জুটি গড়েছিলেন। কিন্তু এই জুটি ভাঙতেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়লো পাকিস্তানের ইনিংস। ভারতীয় বোলারদের তোপে ৪২.৫ ওভারেই ১৯১ রানে গুটিয়ে গেলো পাকিস্তান।

অথচ একটা সময় ২ উইকেটে ১৫৫ রান ছিল পাকিস্তানের। অর্থাৎ মাত্র ৩৬ রানে শেষ ৮ উইকেট হারিয়েছে বাবর আজমের দল। জিততে হলে ভারতকে করতে হবে ১৯২।

আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে মর্যাদার লড়াইয়ে টস জিতে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ভারতীয় অধিনায়ক রোহিত শর্মা।

তৃতীয় উইকেটে জুটি গড়েন পাকিস্তান দলের দুই ব্যাটিং স্তম্ভ বাবর আজম আর মোহাম্মদ রিজওয়ান। ১০৩ বলে তাদের ৮২ রানের জুটিটি অবশেষে ভাঙেন মোহাম্মদ সিরাজ। বাবর আজম কাঁটায় কাঁটায় ৫০ করে হন বোল্ড।

এরপর সৌদ শাকিল (৬) বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ৩৩তম ওভারে কুলদ্বীপ যাদবের এলবিডব্লিউয়ের শিকার হন তিনি। ওই ওভারেই কুলদ্বীপ বোল্ড করে সাজঘরে ফেরান ইফতিখার আহমেদকেও (৪)।

একটা প্রান্ত ধরে ছিলেন রিজওয়ান। হাফসেঞ্চুরির দোরগোড়ায় ছিলেন তিনি। কিন্তু ৪৯ রানে তাকে দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে বোল্ড করে দেন জাসপ্রিত বুমরাহ। এরপর আর দাঁড়াতে পারেনি পাকিস্তান।

ভারতের জাসপ্রিত বুমরাহ, মোহাম্মদ সিরাজ, হার্দিক পান্ডিয়া, কুলদ্বীপ যাদব আর রবীন্দ্র জাদেজা প্রত্যেকেই নেন দুটি করে উইকেট।




আশা দিয়ে শুরু করেও টাইগারদের হার: হেসেখেলে জিতল নিউজিল্যান্ড

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : চেন্নাইয়ের চিদাম্বারাম স্টেডিয়ামে শুক্রবার (১৩ অক্টোবর) শুরু থেকেই কিউই ব্যাটারদের কঠিন পরীক্ষা নিতে শুরু করেন মুস্তাফিজুর রহমান ও শরিফুল ইসলাম। দলীয় তৃতীয় ওভারে দুটি বাউন্ডারি হজম করে উইকেট তুলে নেন ফিজ। তার হালকা বাউন্সি বলে খোঁচা মেরে আউট হন রাচিন রবীন্দ্র। একের পর এক ডট আদায় করে এরপর কিউইদের আরও চাপে ফেলেন ফিজ-শরিফুল।

ফিজের চতুর্থ ওভারে উইকেট পেতে পারত বাংলাদেশ। একটুর জন্য ডেভন কনওয়ের ক্যাচ মিস করেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তা সত্ত্বেও পাওয়ার-প্লেটা ভালোভাবে শেষ করে সাকিব বাহিনী। প্রথম ১০ ওভারে কিউইরা করে ৩৭ রান।

পাওয়ার-প্লে শেষে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেন কনওয়ে-উইলিয়ামসনরা। সাকিবের বলে প্রথমজন আউট হওয়ার আগে তাদের জুটি হয় ৮০ রানের। সাকিব ২১তম ওভারের প্রথম বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন কনওয়েকে। রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি কিউই ব্যাটার। ৫৯ বলে ৩ চারের মারে ৪৫ রানে থামে তার ইনিংস।

এরপর ড্যারেল মিচেলকে সঙ্গে নিয়ে জয়ের দিকে এগোতে থাকেন কেন উইলিয়ামসন। অনেকটা ঠাণ্ডা মাথায়ই খেলছেন কিউই অধিনায়ক, মিচেল কিছুটা আক্রমণাত্মক। ৮১ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করেন উইলিয়ামসন। ড্যারেল অর্ধশতক করেন ৪৩ বলে। হাফসেঞ্চুরি করে বাংলাদেশের ওপর চাপ বাড়িয়ে উইলিয়ামসন ছিলেন সেঞ্চুরির পথে। কিন্তু ৭৮ রান করার পর রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। তার ১০৭ বলের ইনিংসে ছিল ৮টি চার ও একটি ছয়ের মার।

মিচেল শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ৮৯ রানে। তার ৬৭ বলের ইনিংসে আছে ৬টি চার ও ৪টি ছয়ের মার। গ্লেন ফিলিপস অপরাজিত থাকেন ১৬ রান করে।

এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে কেন উইলিয়ামসন বাহিনীকে ২৪৬ রানের লক্ষ্য দেয় বাংলাদেশ। বাংলাদেশের হয়ে মুশফিকুর রহিম ফিফটি ও সাকিব-মাহমুদউল্লাহ ফিফটির কাছাকাছি গেলেও তারা ইনিংস বড় করতে পারেননি। ২ ছক্কা ও ৬ চারে ৬৬ রান করেন মুশফিক। চাপের মুখে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ব্যাট থেকে আসে ৪৯ বলে ৪১ রান। তৃতীয় সর্বোচ্চ রান সাকিবের, ৫১ বলে ৪০ রান করেন তিনি।




চেন্নাইয়ে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টসে হেরে ব্যাট করছে বাংলাদেশ : শেখ মেহেদীর পরিবর্তে ফিরেছেন মাহমুদউল্লাহ্

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : চেন্নাইয়ের চিদামবরাম স্টেডিয়ামে টসে হেরে ব্যাট নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ব্যাট করছে বাংলাদেশ।

বিশ্বকাপ মিশনে নিজেদের এই তৃতীয় ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে উইকেট আর কন্ডিশন বিবেচনায় শেখ মেহেদীর পরিবর্তে ফিরিছেন মাহমুদউল্লাহ।




এবার দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে উড়ে গেল অস্ট্রেলিয়া

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : ভারত আর ইংল্যান্ডের মতো ট্রফির জোরালো দাবিদার হিসেবে হয়তো উচ্চারিত হয়নি, তবে সম্ভাব্য সেমিফাইনালিস্ট হিসেবে বেশির ভাগ বিশ্লেষকেরই ‘সমর্থন’ পেয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। লিগ পর্ব ৯ ম্যাচের লম্বা পথ বলে হয়তো আশাবাদী এখনো অনেকেই। তবে আজ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্যাট কামিন্সের দল যে পর্যায়ের ক্রিকেট খেলেছে, তাতে অস্ট্রেলিয়ার সেমিফাইনাল খেলা নিয়ে সংশয়বাদীর সংখ্যা বাড়তেই পারে। ফিল্ডিংয়ে একের পর এক ক্যাচ মিস, ব্যাটিংয়ে তিন শর বেশি রান তাড়ায় রক্ষণাত্মক শুরু আর মিডল অর্ডারের ভঙ্গুরতা মিলিয়ে শেষটা হয়েছে বড় হারে। প্রোটিয়াদের ৩১১ রান তাড়া করতে নেমে ১৭৭ রানে অলআউট হয়েছে অস্ট্রেলিয়া। হার ১৩৪ রানের বড় ব্যবধানে।

এবারের বিশ্বকাপে এটি অস্ট্রেলিয়ার টানা দ্বিতীয় হার। এর আগে ভারতের কাছে ৬ উইকেটে হেরেছিল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। আর টানা দুই ম্যাচ জিতে রান রেটে এগিয়ে পয়েন্ট তালিকায় শীর্ষে উঠে গেছে দক্ষিণ আফ্রিকা।




রোহিতদের কাছে পাত্তাই পায়নি আফগানিস্তান

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : বলতে গেলে এক রোহিত শর্মার কাছেই হেরে গেছে আফগানিস্তান। বিশ্বকাপের কয়েকটি রেকর্ড ভাঙার ম্যাচে শুরু থেকে আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলা ভারতীয় অধিনায়ক রশিদ-মুজিবদের মনোবল আগেই ভেঙে দিয়েছিলেন। মাত্র ৬৩ বলে সেঞ্চুরি করার পর তিনি থেমেছেন ১৩১ রানে। এরপর বিরাট কোহলির অর্ধশতক ও ইশান কিষাণের প্রায় ফিফটি ছোঁয়া ইনিংসে ভারতের জয় পাওয়াটা কেবল কিছু সময়ের-ই ব্যাপার ছিল। শেষ পর্যন্ত ৯০ বল ও ৮ উইকেট হাতে রেখেই বিশাল ব্যবধানে টানা দ্বিতীয় জয় পেল ভারত।

বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে উড়িয়ে দিয়ে দারুণ কিছুর ইঙ্গিত দিয়েছিল আফগানিস্তান। কিন্তু বিশ্বকাপের শুরুতেই তারা বাংলাদেশের কাছে শোচনীয় পরাজয় দেখে। দ্বিতীয় ম্যাচে আজ টপ ফেভারিট ভারতের বিপক্ষে হাশমতউল্লাহ শহিদীর দল দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয়। যেখানে আগে ব্যাট করে শহিদীর ৮০ এবং আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের ৬২ রানে ভর করে আফগানিস্তান ২৭৩ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দেয়। জবাবে অনেকটা হেসে-খেলে জিতেছে রোহিতের দল।




রিজওয়ান-শফিকের সেঞ্চুরিতে দাপুটে জয় পাকিস্তানের

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কাকে ৬ উইকেটে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে পাকিস্তান। মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) হায়দারাবাদের রাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন লঙ্কান অধিনায়ক দাসুন শানাকা।

কুসল মেন্ডিস ও সাদিরা সামারাবিক্রমার জোড়া শতকে ভর করে ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ৩৪৪ রান সংগ্রহ করে শ্রীলঙ্কা। মেন্ডিস ৭৭ বলে ১২২ ও সামারাবিক্রমা ৮৯ বলে ১০৮ রান করেন।

৩৪৫ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় পাকিস্তান। দলীয় ৩৭ রানে দুই ব্যাটারকে হারায় তারা।

এরপর ওপেনার আব্দুল্লাহ শফিককে সঙ্গে নিয়ে শুরুর ধাক্কা সামাল দেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। দু’জন মিলে ১৭৬ রানের জুটি গড়েন। এরই মাঝে শতক পূর্ণ করেন শফিক।

তবে দলীয় ২১৩ রানে ১০৩ বলে ১১৩ রান করে সাজঘরে ফিরে যান শফিক। এরপর ক্রিজে আসা সৌদ শাকিলকে সঙ্গে নিয়ে রানের চাকা সচল রাখেন রিজওয়ান।

দলীয় ৩০৮ রানে ৩০ বলে ৩১ রান করে আউট হন শাকিল। অন্যদিকে সাবলীল ব্যাটিংয়ে নিজের শতক পূর্ণ করেন রিজওয়ান।

এরপর ইফতিখার আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে ১০ বল বাকী থাকতে দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন রিজওয়ান। লঙ্কানদের পক্ষে দিলশান মাদুশাঙ্কা নেন ২টি উইকেট।




১৩৭ রানে হারের পর সাকিব বললেন, ‘ভেঙে পড়লে চলবে না’

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১৩৭ রানে হারের পর অধিনায়ক সাকিব আল হাসান বললেন, ‘আমাদের ভেঙে পড়লে চলবে না।’

মঙ্গলবার ভারতের ধর্মশালায় টস হেরে ৩৬৪ রানের পাহাড় গড়ে ইংল্যান্ড। টাগের্ট তাড়ায় ৪৯ রানের ৪ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে কার্যত ছিটকে যায় বাংলাদেশ।

ওপেনার লিটন কুমার দাস ৭৬ ও সাবেক অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম ৫১ আর তাওহিদ হৃদয় ৩৯ রান করে করায় শেষ পর্যন্ত ৪৮.২ ওভারে ২২৭ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ।

১৩৭ রানে হারের পর অধিনায়ক সাকিব বলেন, ‘টসে জিতেছিলাম। আজকের আবহাওয়া কিছুটা ঠান্ডা ছিল। আগের রাতে বৃষ্টির কারণেই হয়তো। আমাদের বোলিংয়ের শুরুটা ভালো হয়নি। ইংল্যান্ড এমন একটা দল, যাদের একটু সুযোগ দিলেই আপনার ওপর চেপে বসবে। যদিও আমরা ঘুরে দাঁড়িয়েছিলাম। কিন্তু ততক্ষণে বেশ দেরি হয়ে গেছে।’

সাকিব আরও বলেন, ‘শুরুতে ৪ উইকেট পড়ে গেলে ৩৫০ রান তাড়া করা সম্ভব নয়। আমরা দশ ওভারের মধ্যেই ৪ উইকেট হারিয়ে বসেছিলাম।’

বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক আরও বলেন, ‘আমাদের ভালো একটা পরিকল্পনা তো ছিলই। কিন্তু সেটি বাস্তবায়ন করতে পারিনি। আমাদের ব্যাটিংটা হয়েছে খাপছাড়া। শুরুতে যখন বোলিং করছিলাম, প্রথম ৬ ওভার বল সুইং করছিল, এর পরপরই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ চলে যায় ইংল্যান্ডের হাতে। রানটা যদি ৩২০-৩৩০ হতো, তাও একটা সুযোগ ছিল।’

সাকিব বলেন, ‘বিশ্বকাপ লম্বা একটা টুর্নামেন্ট। আমাদের সামনে আরও ৭টি ম্যাচ আছে। আজকের এই হারের পর আমাদের ভেঙে পড়লে চলবে না। আজকের ম্যাচের ইতিবাচক বিষয়গুলো খুঁজে নিয়ে সামনের ম্যাচগুলোতে ঝাঁপাতে হবে।’




বাংলাদেশের ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা 




ইংল্যান্ডের পর ডাচদেরও গুঁড়িয়ে দিল নিউজিল্যান্ড

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : বিশ্বকাপের চলমান ১৩তম আসরে টানা দুই ম্যাচে জয় পেয়েছে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল।

আসরের উদ্বোধনীম্যাচে কিউইরা হারায় বিশ্বকাপের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডকে। সেই ম্যাচে ইংরেজদের ২৮২ রানে আটকিয়ে ৮২ বল হাতে রেখে ৯ উইকেটের দাপুটে জয় পায় নিউজিল্যান্ড।

সোমবার ভারতের হায়দরাবাদের রাজিব গান্ধী স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ৩২২ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়ে নিউজিল্যান্ড। টার্গেট তাড়া করতে নেমে ৪৬.৩ ওভারে ২২৩ রানে অলআউট হয় নেদারল্যান্ড।

৯৯ রানের জয়ে দারুণ বোলিং করেন ড্যারেল মিচেল। তিনি ব্যাট হাতে ৪৮ রান করার পর বল হাতে ১০ ওভারে ৫৯ রান খরচায় ৫ উইকেট শিকার করেন। তার অলরাউন্ড নৈপুণ্যে হেসে খেলে জায় পায় নিউজিল্যান্ড। এছাড়া ৩ উইকেট নেন ম্যাট হেনরি।

সোমবার ভারতের হায়দরাবাদের রাজিব গান্ধী স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে আইসিসির সহযোগী সদস্য নেদারল্যান্ডসের ক্রিকেটারদের সমীহ করে গত আসরের ফাইনালে খেলা নিউজিল্যান্ড। ইনিংসের প্রথম ৩ ওভারে কোনো রান নেননি নিউজিল্যান্ডের দুই তারকা ওপেনার ডেভন কনওয়ে ও উইল ইয়াং।

৫ ওভারে নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ ছিল ১৯ রান। ১০ ওভারে স্কোর বোর্ডে ৬৩ রান জমা করেন কনওয়ে ও উইল ইয়াং। ৬৭ রানে প্রথম উইকেট হারায় কিউইরা। ৪০ বলে ৩২ রান করে ফেরেন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আগের ম্যাচে ১২১ বলে ১৫২ রান করা ডেভন কনওয়ে।

এরপর আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান রাচিন রবিন্দ্রর সঙ্গে ৮৪ বলে ৭৭ রানের জুটি গড়ে ফেরেন ওপেনার উইল ইয়াং। ২৬.১ ওভারে দলীয় ১৪৪ রানে সাজঘরে ফেরার আগে ৮০ বলে ৭টি চার আর ২টি ছক্কার সাহায্যে ৭০ রান করে ফেরেন ইয়াং।

এরপর তৃতীয় উইকেটে ড্যারেল মিচেলকে সঙ্গে নিয়ে ৩৮ বলে ৪১ রানের জুটি গড়ে ফেরেন আগের ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১২৩ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলা রাচিন রবিন্দ্র। এদিন তিনি ৫১ বলে তিন চার আর এক ছক্কায় ৫১ রান করে ফেরেন।

চতুর্থ উইকেটে অধিনায়ক টম ল্যাথামের সঙ্গে ৪৭ বলে ৫৩ রানের জুটি গড়ে ফেরেন ড্যারেল মিচেল। তার আগে ৪৭ বলে ৫টি চার আর দুটি ছক্কায় ৪৮ রান করে ফেরেন মিচেল।

এরপর ৪ ও ৫ রানে ফেরেন গ্লেন ফিলিপস ও মার্ক চাপম্যান। ৪৬ বলে ৬টি চার আর এক ছক্কায় ৫৩ রান করে ফেরেন টম ল্যাথাম।

ইনিংসের শেষ দিকে মিচেল স্যান্টনারের ১৭ বলের ৩৬ রানের ঝড়ো ইনিংসের সুবাদে ৭ উইকেটে ৩২২ রানের পাহাড় গড়ে নিউজিল্যান্ড।