ম্যাক্সওয়েলের ‘রেকর্ডে’ আফগানদের স্বপ্নভংগ

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : মার্কোস স্টইনিস ফিরতেই জয়োৎসব করে ফেলেছিল আফগানিস্তান। ৮৭ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারানোর পর ৯১ রানে ৭ উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। জিতলে অজিদের সেমিফাইনাল নিশ্চিত। হারলে সমীকরণের মারপ্যাচ, আফগানদের শেষ চারের স্বপ্নেও লাগবে হাওয়া। এমন ম্যাচে ব্যাট হাতে রীতিমতো মাস্তানি করেছেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। খেলেছেন ক্যারিয়ার সেরা ২০১ রানের বিধ্বংসী ইনিংস। তার ব্যাটে ৩ উইকেটে জিতেছে অজিরা। স্বপ্ন ছিনতাই করেছে আফগানদের।

মঙ্গলবার মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৯১ রান তোলে আফগানিস্তান। দলটির হয়ে তরুণ ওপেনার ইব্রাহিম জাদরান ১৪৩ বলে ১২৯ রানের ইনিংস খেলেন। আফগানদের হয়ে বিশ্বকাপে প্রথম সেঞ্চুরির কীর্তি গড়েন। তার ব্যাট থেকে আসে আটটি চার ও তিনটি ছক্কার শট। রহমত শাহর ৩০, রশিদ খানের ৩৫ রানে ভর করে তিনশ’ ছোঁয়া পুঁজি পায় দলটি।

জবাব দিতে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। ট্রাভিড হেড ফিরে যান শূন্য করে। ৪৯ রানে ৪ উইকেট হারায় অজিরা। ব্যর্থ হন ডেভিড ওয়ার্নার (১৮), মিশেল মার্শ (২৪) ও জস ইংগলিস (০)। ঘুরে দাঁড়ানোর আশা দিতে পারেননি মার্নাস লাবুশানে (১৪), মার্কোস স্টইনিসরা (৬)। একশ’ রানের আগে ৭ উইকেট হারানো দলের হাল ধরেন ম্যাক্সওয়েল ও অধিনায়ক প্যাট কামিন্স।

ডানহাতি পেসার কামিন্স এক পাশ আগলে রাখেন। ৬৮ বল খেলে তিনি মাত্র ১২ রান করেন। অন্য প্রান্তে ঝড় তোলা ম্যাক্সওয়েল বুঝিয়েছেন একটি জীবনের মূল্য কত! ২৬ রানে তার ক্যাচ ফেলেছিল আফগানিস্তান। পরেই লেগ বিফোর আউট হলেও রিভিউ নিয়ে বেঁচে যান তিনি।

এরপর খেলেন ১২৮ বলে ২০১ রানের বিধ্বংসী, জাদুকরী, মনকাড়া ইনিংস। তার ব্যাট থেকে ২১টি চার ও ১০টি ছক্কার শট এসেছে। সেঞ্চুরি করার পরই ম্যাক্সওয়েল পিঠের ইনজুরিতে পড়েন। পরে রান নিতে গিয়ে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে উঠে যেতে হয় এমন অবস্থাও হয়েছিল। কিন্তু দাঁতে দাঁত চেয়ে ডাবল তো দূরে যাক সিঙ্গেল রানও না নিয়ে শুধু চার-ছয় মেরে দলকে জয় এনে দিয়েছেন তিনি।

ওয়ানডে ক্যারিয়ারের আগে ১৮৬ রানের ইনিংস তো ছাড়িয়ে গেছেনই। অষ্টম উইকেট জুটিতে ওয়ানডে ইতিহাসের সর্বোচ্চ ২০২ রানের জুটিও গড়েছেন। অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ব্যাটার হিসেবে ওয়ানডে ক্রিকেটে ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন তিনি। রান তাড়ায় সর্বোচ্চ রানের ইনিংস খেলেছেন। বিশ্বকাপে তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে ডাবল সেঞ্চুরির কীর্তি গড়েছেন। সঙ্গে দলকে তুলে নিয়েছেন বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে।




শ্রীলঙ্কাকে গুঁড়িয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আশা বাঁচিয়ে রাখল বাংলাদেশ

চন্দ্রদীপ নিউজ: আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে জয়ের পর টানা ছয় ম্যাচে হারায় সবার আগে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছে টাইগাররা। এমন ভরাডুবিতে ২০২৫ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে লাল-সবুজ দল খেলতে পারবে কিনা তা নিয়েও আছে অনিশ্চয়তা। সেই শঙ্কা মাথায় নিয়েই আজ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মাঠে নামে বাংলাদেশ। আগে ব্যাট করতে নেমে চারিথ আসালঙ্কার শতকে ৪৯.৩ ওভারে ২৭৯ রান তুলে গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কা। ২৮০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নাজমুল হোসেন শান্ত ও সাকিবের রেকর্ড ১৬৯ রানের জুটিতে ভর করে ৫৩ বল হাতে রেখে ৩ উইকেটের জয় তুলে নেয় টাইগাররা। ফলে দীর্ঘ ৬ ম্যাচ পর জয়ের ধারায় ফিরে এখনো চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আশা বেঁচে রয়েছে টাইগারদের।

আজকের ম্যাচ জিতলেই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে এক পা দিয়ে রাখবে বাংলাদেশ। এমন সমীকরণের দিনে লঙ্কানদের দেওয়া ২৮০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রথম দুই ওভারে আগ্রাসী সূচনা করে টাইগাররা। বিনা উইকেটে ১৭ রান তুলে ঝড়ো শুরুর আভাস দেন লিটন দাস ও তানজিদ তামিম।

কিন্তু ইনিংসের তৃতীয় ওভারে দিলশান মাদুশাঙ্কার বলে মাত্র ৯ রান করে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন তরুণ ওপেনার তামিম। দলীয় ১৭ রানের টাইগার শিবিরে প্রথম আঘাত হানলেও দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে দলের হাল ধরেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন দাস। তামিম ফিরে গেলেও দলের রানের চাকা সচল রাখেন লিটন দাস। এই ডানহাতি ব্যাটারের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ৬ ওভারেই স্কোরবোর্ডে ৪১ রান তুলে টাইগাররা। তবে ইনিংসের সপ্তম ওভারে নিজের এবং দলের দ্বিতীয় উইকেট এনে দেন বাঁহাতি পেসার মাদুসাঙ্কা। লেগ বি ফোরের ফাঁদে পড়ে ব্যক্তিগত ২২ বলে ২৩ রান করে সাজঘরে ফিরেন লিটন।

তবে তৃতীয় উইকেট জুটিতে দলের হাল ধরেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও সাকিব আল হাসান। এই দুই বাঁহাতি ব্যাটার মিলে লঙ্কান বোলারদের দেখেশুনে খেলতে থাকেন। ব্যাটিং পাওয়ার প্লে শেষে ২ উইকেট হারিয়ে ৫৭ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ।

এরপর মিডেল অভারেও দুজন খেলে যাচ্ছেন রানের গতি সচল রেখে। ১৮তম ওভারে দলীয় শতরান পূরণ করেন সাকিব-শান্ত। বিশ্বকাপে টাইগারদের টপ অর্ডারদের ব্যর্থতায় যখন চারিদিকে সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে। ঠিক তখনই আজ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আশা বাঁচিয়ে রাখার ম্যাচে সব সমালোচনার জবাব দিয়েছেন শান্ত-সাকিব।

দলীয় শতরান পূরণের পর লঙ্কান বোলারদের উপর চড়াও হন দুজন। তাদের বিধ্বংসী জুটি ২৩তম ওভারেই শতরানের পার্টনারশিপ পূরণ করেন। দুজনেই তুলে নেন তাদের অর্ধশতক। সাকিব তার এবারের বিশ্বকাপের প্রথম অর্ধশতকের দেখা পান। ৩০তম ওভারে দলীয় ২০০ রান পূরণ করে বাংলাদেশের জয়ের ভীত গড়ে দেন এই দুই ব্যাটার।

৩২তম ওভারে ১৬৯ রানের বিশাল জুটি ভাঙেন অ্যাঞ্জেলা ম্যাথিউস। ৬৫ বলে ৮২ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে জয়ের ভীত গড়ে দিয়ে সাজঘরে ফিরেন সাকিব। নিশ্চিত শতকের দ্বারপ্রান্তে থাকা শান্ত ব্যক্তিগত ৯০ রান করে আক্ষেপকে সঙ্গী করে ম্যাথিউসের বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফিরেন। শেষ দিকে অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ২২ রান  ও তাওহীদ হৃদয়ের ১৫ রানে দলের জয় নিশ্চিত করে।  ৪২তম ওভারে ৫৩ বল হাতে রেখে ৩ উইকেটের জয়ে ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আশা বাঁচিয়ে রাখল বাংলাদেশ।

এর আগে ব্যাট করতে নেমে শ্রীলঙ্কার হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন পাথুম নিশাঙ্কা ও কুশল পেরেরা। তবে শুরুটা ভালো করতে পারেননি লঙ্কানরা। ইনিংসের প্রথম ওভারেই টাইগারদের আনন্দে ভাসান শরিফুল ইসলাম। ওভারের শেষ বলে মুশফিকুর রহিমের তালুবন্দী হয়ে সাজঘরে ফেরেন কুশল পেরেরা। আউট হবার আগে মাত্র ৪ রান করেন এই ব্যাটার।

তবে দ্বিতীয় উইকেটে শুরুর ধাক্কা সামলে দলকে এগিয়ে নিতে থাকেন নিশাঙ্কা ও কুশল মেন্ডিস। পাওয়ার প্লের বাকিটা সময় নির্বিঘ্নে কাটান দুজন, গড়েন পঞ্চাশোর্ধ রানের জুটি। ক্রমেই ভয়ংকর হয়ে উঠতে থাকা এই জুটি ভাঙেন টাইগার অধিনায়ক। দলীয় ৬৬ রানে লঙ্কান অধিনায়ক ফেরেন ১৯ রানে।

সঙ্গীর বিদায়ের পর দ্রুত সাজঘরে ফেরেন নিশাঙ্কাও। দলীয় ৭২ রানে বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া তানজিম সাকিবের বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরার আগে করেন ৪১ রান। এরপর চতুর্থ উইকেট জুটিতে দলের হাল ধরেন সাদিরা সামারাবিক্রমা ও চারিথ আসালঙ্কা।

দুই মিডেল অর্ডার ব্যাটার মিলে বাংলাদেশের বোলারদের উপর চড়াও হন। ক্রমেই বিধ্বংসী হয়ে উঠা জুটি ২৫তম ওভারে ভাঙেন টাইগার অধিনায়ক সাকিব। দলীয় ১৩৫ রানে চতুর্থ উইকেটের পতন ঘটে সাদিরা সাজঘরে ফিরে গেলে ম্যাচে ফিরে বাংলাদেশ। তবে সেই ওভারেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ১৪৬ বছরের ইতিহাসে ভিন্ন রকম এক ঘটনা ঘটে।

বাংলাদেশের বিপক্ষে ২৫তম ওভারে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম ব্যাটার হিসেবে টাইমড আউট হয়েছেন ম্যাথিউস। কোনো বল খেলার আগেই টাইমড আউট হয়ে গেছেন তিনি। যে হেলমেট নিয়ে নেমেছিলেন, তাতে পুরো নিরাপদ বোধ করেননি তিনি। ফলে আরেকটি হেলমেট আনা হয়, কিন্তু সেটিও উপযুক্ত মনে করেননি এই ব্যাটার। এসবের মাঝে সময় গড়াতে থাকে, ফলে টাইগার অধিনায়ক সাকিব আবেদন করলে আম্পায়াররা আউট ঘোষণা দেন।

ফলে কোন বল না খেলেই সাজঘরে ফিরেন ম্যাথিউস। দলীয় ১৩৫ রানে পঞ্চম উইকেটের পতন ঘটলেও দলের রানের চাকা সচল রাখেন চারিথ আসালঙ্কা।

শেষ দিকে ধনঞ্জয়া ডি সিলভা ও মাহিথ থিকসানাকে সঙ্গে নিয়ে শ্রীলঙ্কার বড় রানের পুঁজি নিশ্চিত করেন আসালঙ্কা। সেই সঙ্গে এক প্রান্তে দাঁড়িয়ে তুলে নেন তার ক্যারিয়ারের প্রথম বিশ্বকাপ শতক। এই বাঁহাতি ব্যাটারের শতকে ভর করে ৪৯.৩ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ২৭৯ রানের সংগ্রহ পায় লঙ্কানরা। শ্রীলঙ্কার হয়ে সর্বোচ্চ ১০৮ রান করেন আসালঙ্কা। টাইগারদের হয়ে ৩টি উইকেট নেন  তানজিম সাকিব। ২টি করে উইকেট নেন সাকিব আল হাসান ও শরিফুল ইসলাম।




আশালঙ্কার সেঞ্চুরি :বাংলাদেশকে ২৮০ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিলো শ্রীলঙ্কা

দিল্লির অরুন জেটলি স্টেডিয়ামে টস জিতে ফিল্ডিং নেয়ার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান শ্রীলঙ্কাকে। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে চারিথ আশালঙ্কার অনবদ্য ১০৮ রানের ওপর ভর করে ৪৯.৩ ওভারে ২৭৯ রান তুলতে অলআউট হয়ে যায় লঙ্কানরা।

বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট নেন তানজিম হাসান সাকিব। ২টি করে উইকেট নেন শরিফুল ইসলাম এবং সাকিব আল হাসান। ১ উইকেট নেন মেহেদী হাসান মিরাজ।

টস হেরে ব্যাট করতে নামার পর শুরুতেই কুশল পেরেরার উইকেট নিয়ে শুভ সূচনা করেন শরিফুল ইসলাম। ৫ বলে ৪ রান করে আউট হন কুশল পেরেরা। এরপর কুশল মেন্ডিসকে নিয়ে জুটি বাধার চেষ্টা করেন আরেক ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কা। কিন্তু ৩০ বল খেলে ১৯ রান করে আউট হয়ে যান কুশল মেন্ডিস

সাদিরা সামারাবিক্রমাকে নিয়ে শ্রীলঙ্কার রান বাংলাদেশের ধরা-ছোঁয়ার বাইরে নেয়ার চেষ্টা করেন চারিথ আশালঙ্কা। কিন্তু ২৫তমওভারের দ্বিতীয় বলে সামারাবিক্রমা আউট হয়ে যান মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের হাতে ক্যাচ দিয়ে। তিনি করেন ৪১ রান।

অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউজ টাইমড আউট হয়ে যান। তবে চারিথ আশালঙ্কা ১০৫ বলে ১০৮ রান করে আউট হন তানজিম সাকিবের বলে। ৩৬ বলে ৩৪ রান করেন ধনঞ্জয়া ডি সিলভা। ৩১ বলে ২২ রান করেন মহেশ থিকসানা। দুষ্মন্তে চামিরা আউট হন ৪ রান করে।




দুই সাকিবে ভর করে স্বস্তিতে বাংলাদেশ

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুই সাকিবে ভর করে স্বস্তিতে রয়েছে বাংলাদেশ। তানজিম সাকিবের অভিষেক উইকেটে ম্যাচে ফিরেছে টাইগাররা।

ভয়ংকর হয়ে উঠা পাথুম নিশাঙ্কাকে ফিরিয়েছেন তানজিম সাকিব। ৩৬ বলে ৪১ করে আউট হয়েছেন এই ওপেনার। ১২.৪ ওভারে তৃতীয় উইকেট পতন হয় লঙ্কানদের।

অধিনায়ক সাকিব আল হাসানও ভেঙেছেন বিপজ্জনক হয়ে ওঠা জুটি। লঙ্কান অধিনায়ক কুশল মেন্ডিসকে ফিরিয়েছেন তিনি। ৩০ বলে ১৯ রান আসে তার ব্যাটে।

এর আগে দিল্লির এ ম্যাচে প্রথম ওভারেই উইকেটের দেখা পায় বাংলাদেশ। টসে হেরে ব্যাট করতে নামা শ্রীলঙ্কার উদ্বোধনী জুটি ভাঙে মাত্র ৫ রানে। কুশল পেরারাকে ফেরান শরিফুল ইসলাম। তবে সেই চাপ ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। ঘুরে দাঁড়ায় লঙ্কানরা।

শুরুর ধাক্কা কাটিয়ে ওঠে নিশাঙ্কা-মেন্ডিস জুটি। আউট হওয়ার আগে নিশাঙ্কাকে নিয়ে ৬৫ বলে ৬১ রান যোগ করেন মেন্ডিস। ভয় জাগিয়ে দেন বাংলাদেশী সমর্থকদের মনে। এরপর স্বস্তি ফেরান দুই সাকিব।

এই মুহূর্তে ১৮ ওভার শেষে শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১০৫ রান। সাদিরা সামারাবিক্রমা ১৯ ও আসালঙ্কা মাঠে আছেন ১৯ রানে।




প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা: প্রস্তুতি ম্যাচের সেই পারফরমেন্সটাই চায় আজ বাংলাদেশ

চন্দ্রদ্বীপ স্পোর্টস ডেস্ক: পুরো বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ভালো খেলতে পারেনি। সুতরাং, আজ (সোমবার) দিল্লির অরুন জেটলি স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কার সাথে জিততে পারবে তো সাকিব আল হাসানের দল?

ব্যাটিং, বোলিং এবং ফিল্ডিং কোন বিভাগই জ্বলে ওঠেনি। পুরো দল ফ্লপ। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ছাড়া ব্যর্থতার ঘানি টেনেছেন প্রায় সবাই।

শুধু দলই খারাপ খেলেনি। ব্যক্তিগতভাবে রিয়াদ রান করলেও তা দলকে টেনে নেয়ার মতো যথেষ্ঠ ছিল না। অন্যদের ন্যুনতম সাপোর্টও তিনি পাননি। যে ম্যাচটিতে সেঞ্চুরি করেছেন, সেটাতে বলতে গেলে একাই খেলেছেন। তাই টিম বাংলাদেশ তলানিতেই পড়ে আছে।

এমন এক ছন্নছাড়া ও অনুজ্জ্বল দল নিয়ে কি আজ শ্রীলঙ্কাকে হারানো সম্ভব? এ প্রশ্ন অনেক বাংলাদেশ ভক্ত ও সমর্থকের মুখেই শোনা যাচ্ছে।

তাদের জন্য বলা, যে দল পুরো আসরে আগের ৭ ম্যাচে একবারের জন্যও ৩০০’র ঘরে পৌঁছাতে পারেনি, যে দলের ওপেনার ও প্রতিষ্ঠিত ব্যাটারদের প্রায় সবাই  রান খরায় ভুগছেন, ৬ নম্বর ব্যাটার একমাত্র সেঞ্চুরি করেছেন, সেই দলের ব্যাটিং রাতারাতি ভালো হয়ে যাবে, ব্যাটারররা ব্যর্থতার বৃত্ত থেকে বেরিয়ে রান পাহাড় গড়ে বসবেন- এমন ভাবাও যে আকাশ-কুসুম কল্পনা!

তাহলে কি বাংলাদেশের কোনই আশা নেই? আছে। বেশি কিছু করার দরকার নেই। বিশ্বকাপের আগে গা গরমের ম্যাচের পারফরমেন্সটাই হতে পারে আজ দিল্লিতে লঙ্কানদেরকে হারানোর কার্যকর দাওয়াই বা রসদ।

গত ২৯ সেপ্টেম্বর গুয়াহাটিতে হওয়া বিশ্বকাপের সেই প্রস্ততি ম্যাচে লঙ্কানদের হেসে খেলে, অতি সহজে ৭ উইকেটে হারিয়েছিল বাংলাদেশ দল। সবচেয়ে বড় কথা নিয়মিত অধিনায়ক সাকিব আল হাসান ওই ম্যাচ খেলেননি। সহ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও সে ম্যাচে ছিলেন না। অধিনায়কত্ব করেন মেহেদি হাসান মিরাজ। বল ও ব্যাট হাতে দারুন চৌকশ নৈপুণ্য দেখিয়ে ম্যাচ সেরাও হন তিনি।

প্রথমে দুই অফস্পিনার শেখ মাহদি এবং মেহেদি হাসান মিরাজ দারুন বোলিং করে লঙ্কানদের ২৬০-এর ঘরে বেঁধে ফেলেন। শেখ মাহদি ৩ উইকেট দখল করেন ৩৬ রানে। অফস্পিনার মিরাজের ঝুলিতে একটি মাত্র উইকেট জমা পড়লেও তার দারুন মাপা ও সমীহ জাগানো বোলিংয়ের বিপক্ষে ১০ ওভারে ৩২ রানের বেশি তুলতে পারেনি লঙ্কানরা।

২৬৪ রানের মাঝারি লক্ষ্য ছুঁতে গিয়ে দারুন আস্থা, আত্মবিশ্বাস নিয়ে শুরু করেন দুই ওপেনার তানজিদ তামিম ও লিটন দাস।

তিন লঙ্কান পেসার কাসুন রাজিথা, দিলশান মধুশাঙ্কা আর লাহিরু কুমারা এবং স্পিনার মহেশ থিকসানা, দুসান হেমন্ত এবং ধনঞ্জয়া ডি সিলভাকে একদম স্বচ্ছন্দে খেলে প্রথম উইকেটে ১৩১ রান তুলে দেন তানজিদ তামিম ও লিটন দাস। দুই ওপেনারই ফিফটি হাঁকান। তানজিদ তামিম উপহার দেন ৮৮ বলে ৮৪ রানের সাহসী ইনিংস। লিটন দাস করেন ৫৬ বলে ৬১।

শুরুতে ২ ওপেনার ভাল খেলে রান করলে পরের দিককার ব্যাটারদের স্বচ্ছন্দে ও স্বাভাবিক ছন্দে খেলা সহজ হয়। তার প্রমাণ, ওয়ান ডাউনে নেমে সে ম্যাচের ক্যাপ্টেন মিরাজের (৬৪ বলে ৬৭) দারুন খেলে হার না মানা ফিফটি করা। সাথে মিডল অর্ডার মুশফিকুর রহিমও (৪৩ বলে ৩৫) বেশ আস্থার সাথে খেলে দল জিতিয়ে সাজঘরে ফেরেন। ৪৮ বল আগে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ।

তেমন না হলেও পুরো বিশ্বকাপে শুধু ভারতের বিপক্ষে লিটন ও তনজিদ তামিম প্রথম উইকেটে ৯৩ রান তুলে দিয়েছিলেন। তাই স্কোর গিয়ে ঠেকেছিল

শূন্য রানে ওপেনিং জুটি ভেঙ্গেছে ২ ম্যাচে। আর কোনো ম্যাচে প্রথম উইকেটে ৩০ রানও ওঠেনি। তাই টপ ও মিডল অর্ডারে রিয়াদ ছাড়া কেউ মাথা তুলেও দাঁড়াতে পারেননি।

এখন দেখার বিষয় আজ সোমবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওপেনাররা ভাল খেলে পরের দিককার ব্যাটারদের স্বচ্ছন্দে খেলার পথ তৈরি করে দিতে পারেন কি না?




৮৩ রানেই প্যাকেট দক্ষিণ আফ্রিকা, বিশাল জয় ভারতের

কিন্তু প্রত্যাশা তো পূরণ করতে পারেইনি, উল্টো ভারতীয় বোলিংয়ের সামনে অসহায়ভাবে একের পর এক আত্মসমর্পন করেছে প্রোটিয়া ব্যাটাররা। যার ফলে মাত্র ২৭.১ ওভারেই ৮৩ রানে অলআউট হয়ে গেলো দক্ষিণ আফ্রিকা। সে সঙ্গে ২৪৩ রানের বিশাল ব্যবধানে জয় তুলে নিলো স্বাগতিক ভারত।

কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বিরাট কোহলির ৩৫তম জন্মদিনে ৪৯তম সেঞ্চুরির ওপর ভর করে ৩২৬ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে তোলে ভারত। যদিও শুরুতে রোহিত শর্মা এবং শুভমান গিল মাত্র ৫ ওভারেই ৬০ এর বেশি রান তুলে আরও বড় স্কোরের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।

পরে দক্ষিণ আফ্রিকা বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের মুখে ভারতের স্কোর ৩২৬ রানের বেশি হলো না। শচিন টেন্ডুলকারকে ছুঁয়ে ৪৯তম ওয়ানডে সেঞ্চুরি তুলে নিতে বিরাট কোহলি খেলেছিলেন ১১৯ বল। ৭৭ রান করেন স্রেয়াশ আয়ার।

জবাব দিতে নেমে শুরু থেকেই প্রোটিয়া ব্যাটারদের ওপর চেপে বসে ভারতীয় বোলাররা। বিশেষ করে রবিন্দ্র জাদেজা। এই ডানহাতি অফ স্পিনার একাই তুলে নেন ৫ উইকেট।

ভারতীয় বোলারদের সামনে দ্রুত এবং নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে দক্ষিণ আফ্রিকা। এবারের বিশ্বকাপে সবচেয়ে বিধ্বংসী ব্যাটার হিসেবে পরিচিতি পাওয়া প্রোটিয়া ওপেনার কুইন্টন ডি কককে মাত্র ৫ রানেই ফিরিয়ে দেন ভারতীয় পেসার মোহাম্মদ সিরাজ। ১০ বল খেলে সিরাজের বলে বোল্ড হয়ে যান ডি কক।

কুইন্টন ডি ককের দ্রুত ফিরে যাওয়াতেই যেন মনোবল ভেঙে পড়ে প্রোটিয়াদের। অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা ১৯ বলে করেন ১১ রান। ৩২ বলে ১৩ রান করে আউট হন রাসি ফন ডার ডুসেন। ৬ বলে ৯ রান করেন এইডেন মার্করাম। ১১ বল খেলে মাত্র ১ রান করে বিদায় নেন হেনরিক্স ক্লাসেন।

ডেভিড মিলার ১১ বল খেলে করেন ১১ রান। সর্বোচ্চ ১৪ রান আসে মার্কো জানসেনের ব্যাট থেকে। কেশভ মাহরাজ ৭, কাগিসো রাবাদা ৬ এবং লুঙ্গি এনগিদি শূন্য রানে আউট হওয়ার পরই যবনিকাপাত ঘটে দক্ষিণ আফ্রিকা ব্যাটিংয়ের।

রবিন্দ্র জাদেজার ৫ উইকেট ছাড়াও ২টি করে উইকেট নেন মোহাম্মদ শামি এবং কুলদিপ যাদব। ১ উইকেট নেন মোহাম্মদ সিরাজ। বুমরাহ ৫ ওভারে ১৪ রান দিলেও কোনো উইকেট পাননি।

এ নিয়ে টানা দুই ম্যাচে প্রতিপক্ষকে ১০০ রানের নিচে অলআউট করেছে ভারত। আগের ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ৫৫ রানে এবং এই ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৮৩ রানে অলআউট করলো ভারতীয় বোলাররা।

সে সঙ্গে প্রমাণ হলো, রান তাড়া খুব একটা পারদর্শী নয় দক্ষিণ আফ্রিকা। এবারের বিশ্বকাপে তিন ম্যাচে রান তাড়া করতে গিয়ে দুটিতেই হেরেছে তারা। পাকিস্তানের বিপক্ষে ২৭১ রান তাড়া করে জিতেছিলো মাত্র ১ উইকেটে। তাও ওই জয় নিয়ে রয়েছে বিতর্ক।




দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিংয়ে ভারত

এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার আগে টস করতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকা অধিনায়ক টেম্বা বাভুমার বিপক্ষে জয় পেয়েছেন ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা। টস জিতেই ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

টস জিতে ব্যাট করা প্রসঙ্গে রোহিত শর্মা বলেন, ‘উইকেট অনেক ভালো। আমরা যেটা আশা করি, তেমনই। দলীয়ভাবে আমাদের ভালো করার জন্য এই উইকেট খুব উপযোগি। আমি মনে করি, টেবিলের শীর্ষে থাকা দুটি দলের জন্য দারুণ একটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আজ। আমি নিজে ভালোবাসি এই মাঠে খেলতে। একইসঙ্গে ভারতীয় দলের সবাই এই ঐতিহাসিক মাঠে খেলতে মুখিয়ে।’

ভারতীয় একাদশ

রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), শুভমান গিল, বিরাট কোহলি, স্রেয়াশ আয়ার, লোকেশ রাহুল, সুর্যকুমার যাদব,রবিন্দ্র জাদেজা, মোহাম্মদ শামি, জসপ্রিত বুমরাহ, কুলদিপ যাদব, মোহাম্মদ সিরাজ।

কুইন্টন ডি কক (উইকেটরক্ষক), টেম্বা বাভুমা (অধিনায়ক), রাশি ফন ডার ডুসেন, এইডেন মার্করাম, হেনরিক ক্লাসেন, ডেভিড মিসলার, মার্কো জানসেন, কেশভ মাহারাজ, কাগিসো রাবাদা, তাবরিজ শামসি।




৪০২ রান তাড়া করে জয়: সেমিফাইনালের আশা জিইয়ে রাখলো পাকিস্তান

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : বিশ্বকাপের চলতি আসরে শ্রীলংকার বিপক্ষে ৩৪৫ রানের টার্গেট তাড়ায় জয়ের রেকর্ড গড়ে পাকিস্তান। আজ সেই রেকর্ড ভেঙ্গে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ইতিহাস গড়ার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামে পাকিস্তান।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে জিততে হলো করতে হতো ৪০২ রান। এমন কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা ইনিংসের শুরুতে ৬ রানে প্রথম ‍উইকেট হারায় পাকিস্তান।

এরপর অধিনায়ক বাবর আজম ও ফখর জামানের ব্যাটিং তাণ্ডব চালিয়ে ১৪১ বলে ১৯৪ রানের অবিচ্ছিন্ন পার্টনারশিপ গড়েন। ২১.৩ ওভারে ১ উইকেটে পাকিস্তানের সংগ্রহ ছিল ১৬০ রান।

এরপর বৃষ্টি শুরু হলে ৪১ ওভারে পাকিস্তানের টার্গেট দেওয়া হয় ৩৪২ রান। ২৫.৩ ওভারে ১ উইকেটে পাকিস্তান ২০০ রান করার পর দ্বিতীয় দফায় বৃষ্টির কারণে খেলা আর হয়নি। বৃষ্টি আইনে ২১ রানের জয়ে সেমিফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখল পাকিস্তান।

খেলা শেষে পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজম বলেন, ৪০২ রানের টার্গেট তাড়ায় আমরা আত্মবিশ্বাসী ছিলাম। ড্রেসিং রুমে সবাইকে একটি বার্তা দিয়েছিলাম যে আমারা পার্টনারশি গড়তে পারলে জয় সম্ভব।

বাবর আজম আরও বলেন, আমরা ব্যাটিংয়ের সময়ে জানতাম যে বৃষ্টি আসছে। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে বৃষ্টি হবে এমনটি মনে করিনি। সত্যি বলতে, আমরা শুধু পার্টনারশিপ গড়ে এগোতে চেয়েছিলাম। ফখর জামানকে আমি বেশি স্ট্রাইক দিতে চেয়েছিলাম।




পাকিস্তানকে ৪০২ রানের টার্গেট দিল নিউজিল্যান্ড

চন্দ্রদীপ ডেস্ক: পাকিস্তানি বোলারদের কচুকাটা করে রাচিন রবীন্দ্র ও কেন উইলিয়ামসনের ইনিংসে ভর করে পাকিস্তানকে ৪০২ রানের টার্গেট দিল নিউজিল্যান্ড। বিশ্বকাপে সেমিফাইনালের দৌড়ে এগিয়ে যেতে জয়ের বিকল্প নেই দুই দলের সামনে। এমন সমীকরণে বাঁচা মরার ম্যাচে টস জিতে আগে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজম।

শনিবার (৪ নভেম্বর) বেঙ্গালুরুর চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে ১০৮ রান করেন রাচিন।

কেন উইলিয়ামসনও যান সেঞ্চুরির কাছাকাছি। তবে ৫ রানের আক্ষেপ নিয়ে ফিরতে হয় তাকে।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে ৬৮ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। এ সময় হাসান আলির বলে উইকেটের পেছনে মোহাম্মদ রিজওয়ানকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ডেভন কনওয়ে।

৩৯ বলে ৩৫ রান করেন কিউই ওপেনার। এরপর বড় জুটি গড়েন রাচিন রবীন্দ্র ও কেন উইলিয়ামসন।

শুরুর দিকে দেখেশুনে খেলে সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে চলে যান দুজনই। এরমধ্যে রবীন্দ্র তিন অংকের সংখ্যা স্পর্শও করে ফেলেন। তবে সেঞ্চুরি মিস করেন উইলিয়ামসন। ৭৯ বলে ৯৫ রান করে আউট হন তিনি। এ ইনিংসের মাধ্যমে বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ রান (১ হাজার ৮৪) হলো তার। ১ হাজার ৭৫ রান নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন স্টিফেন ফ্লেমিং।

সেঞ্চুরি করা রবীন্দ্র শেষ পর্যন্ত ৯৪ বলে ১৫টি চার ও ১টি ছয় মারেন। তাকে আউট করেন ওয়াসিম জুনিয়র। এরপর মার্ক চাপম্যান ও ড্যারেল মিচেলরা নিউজিল্যান্ডের রানের চাকা ঘুরাতে থাকেন। দলীয় ৩১৮ রানে বিদায় নেন মিচেল। ১৮ বলে ২৯ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেন তিনি। চাপম্যান ২৭ বলে ৩৯ রান করে ফেরেন সেই ওয়াসিমের বলে।

ক্যামিও ইনিংস খেলেন গ্লেন ফিলিপসও। মাত্র ২৫ বলে ৪১ রান যোগ করেন স্কোর বোর্ডে। তার উইকেটও নেন ওয়াসিম। মিচেল স্যান্টনার ফিলিপসকে ভালো সঙ্গ দিয়ে করেন ২৬ রান। টম লাথামের ব্যাট থেকে আসে ২ রান




ডাচদের হারিয়ে সেমিফাইনালের সম্ভাবনা উজ্জ্বল করল আফগানিস্তান

চন্দ্রদীপ ডেস্ক: নেদারল্যান্ডসের ১৮০ রানের লক্ষ্যটা তাই ‘ছোটখাটো’ই ছিল আফগানদের জন্য।

শেষ পর্যন্ত হয়েছেও তাই। লক্ষ্ণৌতে ডাচদের বিপক্ষে ১১১ বল ও ৭ উইকেট হাতে রেখে জয় তুলে নিয়েছে হাশমতউল্লাহ শহীদির দল। এই জয়ে বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ভালোমতোই এগিয়ে গেছে আফগানিস্তান। ৭ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে আফগানদের অবস্থান তালিকার পাঁচ নম্বরে। শেষ দুই ম্যাচ জিতলে তো বটেই, অন্তত একটি ম্যাচ জিতলেও সেমিফাইনালের টিকিট কাটার সম্ভাবনা থাকবে আফগানিস্তানের।