বড় হারে বিশ্বকাপ শেষ পাকিস্তানের

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : ইংল্যান্ডের ব্যাটিং ইনিংস শেষেই জানা হয়ে গিয়েছিল, বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল খেলা হচ্ছেনা পাকিস্তানের। সেমিফাইনালে যেতে হলে ইংল্যান্ডের ছুঁড়ে দেওয়া ৩৩৮ রানের লক্ষ্য পাকিস্তানকে পেরুতে হতো ৬.৪ ওভারে। অসম্ভব সেই সমীকরণের সামনে দাঁড়িয়ে তাই বিশ্বকাপ মিশনকে গুডবাই বলতে হয়েছে বাবর আজমদের। এরপরের লক্ষ্য ছিল ন্যূনতম জয়।

শেষ ম্যাচে স্বান্তনার জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শেষ করতে চেয়েছিল পাকিস্তান।  কিন্তু ইংলিশ বোলারদের তোপের মুখে হয়নি সেটিও। ৩৩৮ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে পাকিস্তান অলআউট হয়েছে ২৪৪ রানে। তবে পাকিস্তান এটুক স্বান্তনা পেতে পারে, অন্তত আফগানিস্তানের নিচে নামতে হয়নি তাদের।

১৮৮ রানের লক্ষ্যমাত্রা পেরিয়ে যাবার পর নিশ্চিত হয়েছে আফগানদের উপরে থেকেই বিশ্বকাপ শেষ করছে তারা। যদিও ম্যাচটা পাকিস্তান হেরেছে ৯৩ রানে।
৩৩৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ঠিক যেমন শুরু দরকার ছিল, তেমনটা পায়নি পাকিস্তান। রানের খাতা খোলার আগেই আব্দুল্লাহ শফিক ফিরে গিয়েছেন। বিশ্বকাপের পরেই অবসরের ঘোষণা দিয়ে রেখেছিলেন ডেভিড উইলি। সে হিসেবে আজ তার শেষ ম্যাচ। আর তিনি সেটা স্মরণীয় করে রাখলেন প্রথম ওভারেই উইকেট তুলে নিয়ে।

আশা ভরসার প্রতীক ছিলেন ফখর জামান। আগের দিন অসম্ভব লক্ষ্য তাড়ায় এই ব্যাটারের উপরেই নির্ভর করতে হবে বলে মন্তব্য করেছিলেন বাবর আজম। হতাশ করেছেন তিনিও। ৯ বলে ১ রান করে উইলির দ্বিতীয় শিকার হন ফখর। এরপরে জুটি গড়েছেন পাকিস্তানের দুই বড় ভরসা বাবর আজম এবং মোহাম্মদ রিজওয়ান। কিন্তু এই জুটিও আশার আলো দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে। তৃতীয় উইকেটে ৫১ রান তোলার পরেই দলীয় ৬১ রানে ফিরে যান বাবর। গাস অ্যাটকিনসনের বলে আদিল রশিদের হাতে ক্যাচ দেন তিনি।

দলের রান যখন ঠিক ঠিক ১০০ তখনই মঈন আলীর বলে বোল্ড হন রিজওয়ান। পাকিস্তানের পরাজয় ততক্ষণে চোখ রাঙাতে শুরু করেছে। এরপর সৌদ শাকিলের ২৯ রান পাকিস্তানকে দিয়েছে সাময়িক স্বস্তি। ইফতিখার আহমেদ ফিরেছেন ৩ রানে। শাদাব খানও ইনিংস বড় করতে পারেননি। মঈন আলী আর রশিদ খানের ঘূর্ণিতে তখন দিশেহারা পাকিস্তান। শেষ পর্যন্ত অবশ্য ক্রিজে ছিলেন সালমান আগা। তার পঞ্চাশ পেরুনো ইনিংস নিশ্চিত করেছে পাকিস্তানের ৫ম স্থান। উইলির তৃতীয় শিকার হয়ে সালমান ফিরে গেলে পাকিস্তানের পরাজয় হয়ে যায় সময়ের ব্যাপার।

শেষে এসে অবশ্য পাকিস্তানের দুই বোলার হারিস রউফ আর ওয়াসিম জুনিয়র শুরু করেন নতুন এক ঝড়। ৩৩ বলেই ৫৩ রানের জুটি গড়ে ফেলেন এই দুই বোলার। তাতে অবশ্য খুব একটা ক্ষতি হয়নি। পাকিস্তান ম্যাচ হেরেছে ৯৩ রানের ব্যবধানে।­




বিশ্বকাপের শেষটাও হতাশায়, এক মার্শই হারিয়ে দিলেন বাংলাদেশকে

কিন্তু সেই লড়াইটাও হলো না। এক মিচেল মার্শই যেন হারিয়ে দিলেন বাংলাদেশকে। তার ১৭৭ রানের হার না মানা ইনিংসে ৩০৭ রানের লক্ষ্যও অনায়াসে টপকে গেলো অস্ট্রেলিয়া। পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা জিতেছে ৮ উইকেট আর ৩২ বল হাতে রেখেই।

রান তাড়ায় অস্ট্রেলিয়াকে শুরুতেই ধাক্কা দিয়েছিলেন তাসকিন আহমেদ। দলীয় ১২ রানের মাথায় ট্রাভিস হেডকে (১০) বোল্ড করে ফেরান টাইগার গতিতারকা।

তবে দ্বিতীয় উইকেটে মিচেল মার্শ আর ডেভিড ওয়ার্নার গড়েন সেঞ্চুরি জুটি। ১১৬ বলে গড়া তাদের ১২০ রানের জুটিটি অবশেষে ভেঙেছেন মোস্তাফিজুর রহমান।

কাটার মাস্টারের বলে মিডঅনে নাজমুল শান্তর হাতে সহজ ক্যাচ তুলে দেন ওয়ার্নার। ৬১ বলে ৬ বাউন্ডারিতে অসি ওপেনার করেন ৫৩ রান।

ওই পর্যন্তই। তৃতীয় উইকেটে ১৩৫ বলে ১৭৫ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ম্যাচ বের করেই মাঠ ছেড়েছেন মিচেল মার্শ আর স্টিভেন স্মিথ। ১৩২ বলে ১৭ চার আর ৯ ছক্কায় ১৭৭ রানে অপরাজিত থাকেন মার্শ। এটি তার ক্যারিয়ারসেরা ইনিংস। ৬৪ বলে অপরাজিত ৬৩ করেন স্মিথ।

এর আগে ৮ উইকেট হারিয়ে ৩০৬ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় বাংলাদেশ। ১৫.১ ওভারেই টাইগাররা পৌঁছেছিল ১০০ রানের মাইলফলকে। ৩ উইকেট হারিয়ে ২০০ পূরণ করে ৩৩ ওভারে। এরপর তাওহিদ হৃদয়ের ব্যাটে ভর করে এবং সঙ্গে বাকি ব্যাটাররা মিলে বাংলাদেশের রান পার করেছে ৩০০’র গণ্ডি।

পুরো বিশ্বকাপে এ নিয়ে দুটি ওপেনিং জুটি হলো মোটামুটি সন্তোষজনক। একটি ভারতের বিপক্ষে, আরেকটি আজ শেষ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। ৭৬ রানের দুর্দান্ত এক জুটি গড়লেন বাংলাদেশের দুই ওপেনার লিটন দাস এবং তানজিদ হাসান তামিম।

কারও ব্যাট থেকে সেঞ্চুরি আসেনি। তবে মাঝারিমানের বেশ কয়েকটি ইনিংসই বাংলাদেশের স্কোর ৩০০ পার করে দিয়েছে। ৭৯ বলে ৭৪ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলেন তাওহিদ হৃদয়। ৫৭ বলে ৪৫ রানের ইনিংস খেলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ৩৬ রান করে স্কোরবোর্ডে যোগ করেন তানজিদ হাসান তামিম এবং লিটন দাস। ৩২ রান করেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাট করতে পাঠায় অস্ট্রেলিয়া। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে দারুণ সূচনা এনে দেন লিটন এবং তানজিদ তামিম। দুজনই প্রথম ১০ ওভার পার করেন স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যাটিং করে।

অবশেষে ১১.২ ওভারের মাথায় ভাঙে বাংলাদেশের উদ্বোধনী জুটি। ৩৪ বলে ৩৬ রান করে সিন অ্যাবটের বলে রিটার্ন ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান বাংলাদেশ দলের তরুণ ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। ৬টি বাউন্ডারির মার মারেন তিনি।

দ্বিতীয় উইকেটে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তকে নিয়ে ৩০ রানের জুটি গড়েন লিটন দাস। ১৬.৪ ওভারে ১০৬ রানের মাথায় আউট হন বাংলাদেশ দলের এই ওপেনার। ৪৫ বলে ৩৬ রান করেন তিনি। বাউন্ডারির মার মারেন ৫টি।

অধিনায়ক শান্তর জন্য দুর্ভাগ্য, ৫ রানের জন্য হাফ সেঞ্চুরি হলো না। ৪৫ রান নিয়ে যখন ব্যাট করছিলেন তখন দ্রুত দুই রান নিতে গিয়ে রানআউট হন তিনি

মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ এবং তাওহিদ হৃদয় জুটি চেষ্টা করেছিলেন বাংলাদেশকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবেন। কিন্তু ৪৪ রানের জুটি ভেঙে যায় রানআউটের কারণে। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ রানআউট হন ২৮ বলে ৩২ রান করে। মুশফিকুর রহিমও আশা জাগিয়ে আউট হয়েছেন ২১ রান করে। মেহেদী হাসান মিরাজ ২০ বলে ২৯ রান করে আউট হন।

শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ গিয়ে থামে ৮ উইকেট হারিয়ে ৩০৬ রানে। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে দুটি উইকেট করে নেন সিন অ্যাবট এবং অ্যাডাম জাম্পা। ১ উইকেট নেন মার্কাস স্টয়নিস।




বোলিং ব্যর্থতায় বড় হারে বিশ্বকাপ শেষ করলো বাংলাদেশ

চন্দ্রদীপ ডেস্ক: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির টিকিট নিশ্চিতের ম্যাচে আজ বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ছিল শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়া। পুনেতে লাল-সবুজ দলের বিপক্ষে টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন অজি অধিনায়ক প্যাট কামিন্স।

ব্যাট হাতে বাংলাদেশের হয়ে দুর্দান্ত সূচনা করেন দুই টাইগার ওপেনার। লিটন দাস-তানজিদ তামিমের ৭৬ রানের উদ্বোধনী জুটির পর তাওহীদ হৃদয়ের ৭৪ রানের ইনিংসের সুবাদে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ৩০৬ রানের সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই অজি ওপেনার ট্রেভিস হেড সাজঘরের পথ ধরেন। তবে মিচেল মার্শের বিধ্বংসী শতকে হেসেখেলে ৩২ বল হাতে রেখে ৮ উইকেটের বড় জয় তুলে নেয় অস্ট্রেলিয়া। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটিই অজিদের সর্বোচ্চ রান তাড়া করার রেকর্ড।

৩০৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে প্রথম দুই ওভার দেখেশুনে খেলতে থাকেন ডেভিড ওয়ার্নার ও হেড। তবে দলীয় ১২ রানে তাসকিন আহমেদের বলে বোল্ড আউট হয়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন হেড। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে মিচেল মার্শ ও ডেভিড ওয়ার্নার দলের হাল ধরেন।

১৯তম ওভারে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে শতরান পূরণ করেন দুই ব্যাটার। তবে ২৩তম ওভারে টাইগার শিবিরে স্বস্তি এনে দেন মুস্তাফিজুর রহমান। ৬১ বলে ৫৩ রান করে মিড অনে শান্তর কাছে ক্যাচ দিয়ে ফিরেন ওয়ার্নার। দলীয় ১৩২ রানে দ্বিতীয় উইকেটের পতন ঘটে অজিদের। তবে তৃতীয় উইকেট জুটিতে দলের রানের চাকা সচল রাখেন মিচেল মার্শ ও স্টিভেন স্মিথ।

এই দুই ব্যাটার মিলে অজিদের জয়ের ভীত গড়ে দেন। এবারের বিশ্বকাপে নিজের দ্বিতীয় শতক তুলে নেন মিচেল মার্শ। এই ডানহাতি ব্যাটারের মারকুটে ব্যাটিংয়ে লড়াই করতে পারেনি টাইগার বোলাররা। স্মিথ-মার্শের ১৭৫ রানের জুটিতে ৩২ বল হাতে রেখে ৮ উইকেটের বড় জয়ে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব শেষ করল অস্ট্রেলিয়া।




অস্ট্রেলিয়ার জন্য চ্যালেঞ্জিং টার্গেট টাইগারদের

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : বিশ্বকাপ থেকে আগেই বিদায় নিয়েছে বাংলাদেশ। শঙ্কা ছিল চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলা নিয়ে। তবে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলার সম্ভাবনা বাঁচিয়ে রাখে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলতে বেশ কিছু সমীকরণ নিয়ে বিশ্বকাপে নিজের শেষ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামে বাংলাদেশ। আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ৩০৬ রানের বড় সংগ্রহ পেয়েছে লাল-সবুজের জার্সিধারীরা। দলে সর্বোচ্চ ৭৪ রান তাওহিদ হৃদয়ের।

টস হেরে পাওয়ারপ্লেতে বাংলাদেশকে উড়ন্ত শুরু এনে দিয়েছিলেন লিটন ও তানজিদ। একপর্যায়ে দলীয় ৭৬ রানে তানজিদের বিদায়ে ভাঙে এই উদ্বোধনী জুটি। শন অ্যাবটের শর্ট বলে তার কাছেই ক্যাচ দিয়েছেন তানজিদ। তার ইনিংস থামে ৩৪ বলে, ৩৬ রান করে। তার সঙ্গী লিটনও বেশিক্ষণ টিকলেন না। জাম্পার বলে উড়িয়ে মারতে গিয়ে উইকেট ছুঁড়ে দেন টাইগার এই ওপেনার। ৪৫ বলে পাঁচ চারে ৩৬ রান করেন লিটন। তার বিদায়ে ভাঙে ৩২ বল স্থায়ী ৩০ রানের জুটি।

লিটন ফেরার পর দলের হাল ধরেন অধিনায়ক শান্ত এবং তাওহিদ হৃদয়। সাকিব দলে না থাকায় এদিন ব্যাটিং অর্ডারে প্রমোশন পান হৃদয়। শান্তর সঙ্গে তার জুটিও অর্ধশতক পেরিয়ে যায়। তবে দুজনের দোষেই ভাঙল ৬৬ বল স্থায়ী ৬৩ রানের এই জুটি। অহেতুক এক রান আউটে কাঁটা পড়েন নাজমুল হোসেন শান্ত। ৫ রানের জন্য অর্ধশতক হল না তার।

শান্ত ফিরলেও দলের রানের গতি কমতে দেননি পাঁচে নামা মাহমুদউল্লাহ। ৩৩তম ওভারে ২০০ পেরোয় বাংলাদেশ। বাংলাদেশ একশ স্পর্শ করেছিল ষোড়শ ওভারে। তবে হৃদয়ের তাড়াহুড়োয় রান আউটে কাঁটা পড়েন দুর্দান্ত খেলতে থাকা মাহমুদউল্লাহ। ২৮ বলে ৩২ রান করে থেমেছেন তিনি। এরপর হৃদয়ের সঙ্গে জুটি গড়েন মুশফিক। এর মাঝেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ৬১ বলে হাফ সেঞ্চুরি স্পর্শ করেন হৃদয়। এরপরই জাম্পাকে বড় শট খেলতে গিয়ে সাজঘরে ফেরেন মুশফিক। তার ব্যাট থেকে এসেছে ২৪ বলে ২১ রান। আজ বেশ আগ্রাসী ছিলেন তাওহিদ হৃদয়। তবে শেষ মুহূর্তে থামলেন হৃদয়। স্টয়নিসের ফুলটসে ছক্কা মারতে গিয়ে লাবুশেনেকে ক্যাচ দেন তিনি। ৭৯ বলে ৭৪ রান করে থামেন হৃদয়, সেঞ্চুরি থেকে বেশ দূরেই।

এরপর মিরাজের ব্যাটে তিনশ’ পেরোয় বাংলাদেশ। দলীয় ৩০৩ রানে ২০ বলে ২৯ রান করে আউট হন মিরাজ। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভার শেষে ৮ উইকেট হারিয়ে ৩০৬ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। দুটি করে উইকেট শিকার করেন শন অ্যাবট ও অ্যাডাম জ্যাম্পা। ১ উইকেট নেন মার্কাস স্টয়নিস।

বিশ্বকাপ শেষ নয়, তবে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের শেষ মাচ আজ। আর শেষ ম্যাচেই কঠিন পরীক্ষা টাইগারদের। সেমিফাইনালের দৌঁড় থেকে ছিটকে গেলেও বাংলাদেশের কাছে এই ম্যাচ মানরক্ষার। এই ম্যাচের ওপরই নির্ভর করছে ২০২৫ আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে টাইগারদের খেলার আশা।




বিশ্বকাপে শেষ ম্যাচে অষ্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি বাংলাদেশ

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : আজকের ম্যাচে তাই প্রত্যাশার তেমন চাপ নেই। তবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির টিকিট পাওয়ার জন্য বিশ্বকাপের তালিকায় আট নম্বরে থাকার একটা সূক্ষ্ম সমীকরণ মেলানোর চ্যালেঞ্জ রয়েছে।

অস্ট্রেলিয়াকে হারাতে পারলে ৬ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার আট নম্বরে থাকাটা নিশ্চিত হয়ে যাবে। তবে হারলেও সেই সুযোগ থাকবে, সেখানে আপাতত হিসাবটা এমন– প্রথমে ব্যাটিং করে অস্ট্রেলিয়া যদি ৩৬০ রান করে, তাহলে বাংলাদেশকে অন্তত ২০০ রান করতে হবে। যদি বাংলাদেশ প্রথমে ব্যাটিং করে ২০০ রান তোলে, তাহলে অস্ট্রেলিয়াকে ওই রান তাড়া করার জন্য অন্তত ২৩ ওভার পর্যন্ত খেলা টেনে নিয়ে যেতে হবে।

হিসাবটা নিশ্চয়ই জানা চন্ডিকা হাথুরুসিংহের, যদিও মুখে তিনি স্বীকার করছেন না যে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির টিকিট নিশ্চিত করাই এখন এই বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের মূল লক্ষ্য। ‘এই মুহূর্তে আমি কোনো সমীকরণে যাচ্ছি না। আমরা অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে ম্যাচটি বিশ্বকাপের ম্যাচ হিসেবেই দেখছি। যেখানে তাদের হারাতে হলে আমাদের সেরা খেলাটা খেলতেই হবে।’ ২০০৫ সালে কার্ডিফে একবারই অস্ট্রেলিয়াকে ওয়ানডেতে হারিয়েছিল বাংলাদেশ, গেল ১৮ বছর অবশ্য সেভাবে কোনো দ্বিপক্ষীয় সিরিজ খেলা হয়নি। তা ছাড়া বর্তমান দলের শান্ত, তাওহিদদের অনেকেই এই অসি বোলিং কখনও মোকাবিলা করেননি। তাই অস্ট্রেলিয়া অনেকটাই অচেনা এই দলটির কাছে। তবে আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে স্পিনাররা ভালো করেছিলেন, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে যেমন শান্তরা রান পেয়েছিলেন– দুটি ম্যাচের আত্মবিশ্বাস নিয়েই আজকের ম্যাচে মুখোমুখি হতে চাইছে দল। এ নিয়ে তিনটি ম্যাচ দিনের আলোতে খেলতে নামবেন মুশফিকরা।




আফগান রূপকথার ইতি টানলো দক্ষিণ আফ্রিকা

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : ইতি ঘটল আফগান রূপকথার! চলতি আসরে সবচেয়ে বড় চমকের নাম ছিল রশিদ-গুরবাজদের যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটি। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে খেলার আশা পুরোপুরি শেষ হয়ে যায় আফগানিস্তানের, তাই এবারের যাত্রাটা ছিল কেবল ম্যাচের শেষ পর্যন্ত। স্বপ্নের বিশ্বকাপ আসর তারা হার দিয়ে শেষ করেছে। ম্যাচের মাঝে দ্রুত কয়েকটি উইকেট তুলে নিয়ে ভিন্ন কিছুর আভাস দিয়েছিলেন রশিদ খানরা। কিন্তু তখনও যে সেট-ব্যাটসম্যান রসি ভ্যান ডার ডুসেন ক্রিজে দাঁড়িয়ে। ১৫ বল এবং ৫ উইকেট হাতে রেখে তিনি প্রোটিয়াদের জয় নিশ্চিত করেছেন।

পয়েন্ট টেবিলের দুই নম্বরে থেকে আগেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছিল টেম্বা বাভুমার দল। তাদের সামনে তাই হারানোর কিছু ছিল না। তবে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা দলটির শক্তিমত্তার জায়গা ঠিক রাখতে জয়ের কোনো বিকল্প ছিল না। যদিও তারা তুলনামূলক দুর্বল দল নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে চলতি বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় অঘটনের শিকার হয়েছিল। যা তাদের আফসোসের বড় কারণ হতে পারত। তবে ধারাবাহিক জয় আর পা ফসকাতে দেয়নি ‘চোকার’ তকমা জুটে যাওয়া দলটিকে।

প্রোটিয়াদের হয়ে ম্যাচজয়ী সর্বোচ্চ ৭৬ রানের ইনিংস খেলেছেন ডার ডুসেন। এছাড়া কুইন্টন ডি কক ৪১ এবং শেষদিকে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে ৩৯ রানের কার্যকরী ইনিংস খেলেছেন অ্যানডিল পেহলুকাও। আফগানদের হয়ে দুটি করে উইকেট শিকার করেছেন রশিদ ও মোহাম্মদ নবি। আরেক স্পিনার মুজিব-উর রহমান নেন এক উইকেট।

এদিকে আফগানদের দেওয়া ২৪৫ রানতাড়ায় শুরুটা ভালো করেছিলেন দুই প্রোটিয়া ওপেনার কুইন্টন ডি কক ও টেম্বা বাভুমা। উদ্বোধনী জুটিতে তারা ৬৪ রান যোগ করেছিলেন। তবে এরপর আফগান-স্পিন প্রোটিয়াদের স্বস্তি দেয়নি। পাওয়ার প্লেতে ৫৪ রান তোলার পরের ওভারেই প্রোটিয়া অধিনায়ক বাভুমাকে (২৩) ক্যাচ বানান স্পিনার মুজিব-উর-রহমান। ১১তম ওভারের সে ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার আগেই ১৪তম ওভারে ডি কক আউট। আরেক স্পিনার মোহাম্মদ নবীর বলে ৪১ রান করে এলবিডব্লু হন ডি কক।

মাঝের ওভারে থিতু হয়ে আউট হয়েছেন এইডেন মার্করাম (২৫) ও হেইনরিখ ক্লাসেন (১০)। আফগান স্পিন ত্রয়ীর আরেক সদস্য রশিদ খানের বলে দুজনই আউট হন। এরপর দলটিকে মূলত প্রায় একাই টেনেছেন তিনে নামা রসি ফন ডার ডুসেন। এর মাঝেই দুটি গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন মার্করাম ডেভিড মিলারের সঙ্গে। মার্করামের সঙ্গে ৬০ বলে ৫০ রানের জুটি গড়ার পর মিলারের সঙ্গে আরও ৪৩ রান যোগ করেন ডুসেন।

বিশ্বকাপের আগের ম্যাচগুলোতে এরপরই অর্ডারে দেখা যেত মার্কো ইয়ানসেনকে। আজ তার জায়গায় সুযোগ পাওয়া আরেক অলরাউন্ডার পেহলুকাওকে নিয়ে বাকি পথটা পাড়ি দেন ডুসেন। দুজন মিলে ষষ্ঠ উইকেটে ৬২ বলে অবিচ্ছিন্ন ৬৫ রানের জুটি গড়েন। ডুসেন ৯৫ বলে ৬টি চার ও ১টি ছক্কায় অপরাজিত ৭৬ রান করেন। পেহলুকাওর ব্যাট থেকে এসেছে ৩৭ বলে ৩৯ রান। ৪৭তম ওভারে ৬-৪-৬ এর বাউন্ডারিতে জয় নিশ্চিত করেন পেহলুকাও।

এর আগে ব্যাট করা আফগানদের বিপর্যয়টা শুরু হয় দলীয় ৪১ রানে। ফর্মে থাকা ওপেনার ইব্রাহিম জাদরান ও রহমানউল্লাহ গুরবাজ দুজনের উইকেটই পরপর হারায় আফগানরা। প্রোটিয়াদের প্রথম ব্রেকথ্রু আসে কেশব মহারাজের ঘূর্ণিতে। তার ফুল লেংথের বল খেলতে গিয়ে স্লিপে থাকা হেইনরিখ ক্লাসেনের হাতে ধরা পড়েন গুরবাজ। ২২ বলে তিনি ২৫ রান করেন।

পরের ৭ বলে আফগানরা কোনো রান পায়নি। ফলে কিছুটা চাপ তৈরি হয় ব্যাটারদের ওপর। সেই সুযোগে কোয়েটজে শর্ট বলের ডেলিভারিতে ফাঁদ পাতেন ইব্রাহিমের জন্য। তিনিও পুল শট খেলতে গিয়ে উইকেটরক্ষক কুইন্টন ডি ককের হাতে ক্যাচ দিয়ে বসেন। আগের ম্যাচে সেঞ্চুরি পাওয়া ইব্রাহিমকে এদিন ব্যাট হাতে কিছুটা সংগ্রাম করতে হয়েছে। ৩০ বলে তিনি করেন ১৫ রান। মাত্র ৪ রানের ব্যবধানে ফিরেন আফগান অধিনায়ক শহিদীও। মহারাজের বলে ব্যক্তিগত মাত্র ২ রানেই তিনি ধরা পড়েন ডি ককের গ্লাভসে।

এরপর ওমরজাইকে সঙ্গে নিয়ে বিপর্যয় সামলানোর চেষ্টা চালান রহমত শাহ। সেই চেষ্টায় তারা অবশ্য বেশিদূর আগাতে পারেননি। দুজনের ৪৯ রানের জুটি ভেঙে রহমত বিদায় নেন ব্যক্তিগত ২৬ রানে। লুঙ্গি এনগিডির বেশ বাইরের বল তার ব্যাটের কানায় লেগে ওপরে ওঠে যায়। প্রথমে ক্যাচ ফসকে গেলেও পরে তালুবন্দী করেন ডেভিড মিলার। এরপর অল্প সময়ের ব্যবধানেই ফেরেন ইকরাম আলিখিল ও মোহাম্মদ নবি। দুজনই যথাক্রমে কোয়েটজে ও এনগিডির বলে ডি ককের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন। ১১৬ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে বড় সংগ্রহ গড়া নিয়ে শঙ্কায় পড়ে যায় আফগানরা।

তবে ওমরজাইয়ের সঙ্গে রশিদ খান ও নুর আহমেদের দুটি মাঝারি মানের জুটি তাদের ইনিংস মেরামতে বেশ কাজে দিয়েছে। রশিদ ১৪ ও নুর করেছেন ২৬ রান। এছাড়া ওমরজাইকে বলার মতো সেভাবে কেউই আর সঙ্গ দিতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ১০৭ বলের ইনিংসে তিনি ৭টি চার ও তিন ছক্কায় ৯৭ রানে অপরাজিত ছিলেন।

প্রোটিয়াদের হয়ে সর্বোচ্চ চার উইকেট শিকার করেছেন কোয়েটজে। এছাড়া এনগিডি ও মহারাজ দুটি করে উইকেট নিয়েছেন।




শ্রীলঙ্কার সদস্যপদ স্থগিত করেছে আইসিসি

চন্দ্রদীপ ডেস্ক: শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের (এসএলসি) সদস্যপদ স্থগিত করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।

শুক্রবার (১০ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে এ সিদ্ধান্ত জানায় সংস্থাটি।

বিবৃতিতে আইসিসি জানায়, আইসিসি বোর্ড আজ সভায় সিদ্ধান্ত নিয়েছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট সদস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ বিধিনিষেধ লঙ্ঘন করেছে। বিশেষ করে, স্বাধীনভাবে কাজ করতে ক্রিকেট প্রশাসনকে সরকারি হস্তক্ষেপের বাইরে থাকার প্রয়োজন ছিল। সময়মতো এই স্থগিতাদেশের শর্তগুলো জানিয়ে দেবে আইসিসি বোর্ড।

বলা হচ্ছে, সরকারের হস্তক্ষেপের কারণেই এই স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে। জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট (জেডসি)ও একই ধরনের স্থগিতাদেশের মুখোমুখি হয়েছিল, যা তাদের ২০২১ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে নিষিদ্ধ করেছিল।

 




বিশ্ব কাপ ক্রিকেট: টস জিতে ব্যাটিংয়ে আফগানিস্তান

শুক্রবার (১০ নভেম্বর) আহমেদাবাদ নরেন্দ্র মোদি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হয়েছে আফগানিস্তান। প্রোটিয়াদের বিপক্ষে খুব বেশি খেলার অভিজ্ঞতা নেই আফগানদের।

টস জিতে আফগান অধিনায়ক জানিয়েছেন, আবহাওয়া ও পিচ দেখে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। এছাড়া দলে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি বলেও জানান হাসমতউল্লাহ।

অপরদিকে দক্ষিণ আফ্রিকা অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা বলেছেন, তারা লক্ষ্য তাড়া করে ভালোভাবে জিততে পারেন না। তবে আজ ভালো করার সুযোগ এসেছে। মার্কো জানসেন ও তেবরিয়াজ শামসি বিশ্রামে আছেন। তাদের পরিবর্তে দলে এসেছেন অ্যান্ডিল ফেহলাকওয়াইও ও জেরাল্ড কোয়েতজি

আফগানিস্তান একাদশ
রহমানুল্লাহ গুরবাজ, ইব্রাহিম জাদরান, রহমত শাহ, হাশমতউল্লাহ শাহিদি (অধিনায়ক), আজমতউল্লাহ ওমরজাই, ইকরাম আলিখিল (উইকেটরক্ষক), মোহাম্মদ নবি, রশিদ খান, মুজিব-উর রহমান, নুর আহমদ, নাভিন-উল হক।

দক্ষিণ আফ্রিকা একাদশ
কুইন্টন ডি কক (উইকেটরক্ষক), টেম্বা বাভুমা (অধিনায়ক), রাসি ফন ডার ডুসেন, এইডেন মার্করাম, হেনরিখ ক্লাসেন, ডেভিড মিলার, অ্যান্ডিল ফেহলাকওয়াইও, জেরাল্ড কোয়েতজি, কেশব মহারাজ, কাগিসো রাবাদা, লুঙ্গি এনগিদি।




সেমিতে যেতে যে কঠিন সমীকরণের সামনে পাকিস্তান

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : শ্রীলঙ্কাকে গুঁড়িয়ে বিশ্বকাপ থেকে পাকিস্তানের প্রায় বিদায় করে দিল নিউজিল্যান্ড। নেট রানরেটে নিউজিল্যান্ডকে ছাপিয়ে যেতে অবিশ্বাস্য ব্যবধানে ইংল্যান্ডকে হারাতে হবে বাবর আজমদের। যে ম্যাচে শনিবার ইডেন গার্ডেন্সে হবে।

বেঙ্গালুরুর এম চেন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে আজ আগে ব্যাট করে ৪৬.৪ ওভারে ১৭১ রানেই গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কা। জবাবে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৩.২ ওভারেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় কেন উইলিয়ামসনের দল। ১৬০ বল হাতে রেখে জয় পাওয়ার সুবাদে রানরেটেও অনেকটা এগিয়ে গেছে তারা। নামের পাশে ১০ পয়েন্ট আর ০.৭৪৩ নেটরান রেট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের চতুর্থ স্থানে এখন কিউইরা।

এদিকে ৮ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট আছে পাকিস্তানের। ইডেন গার্ডেন্সে ইংল্যান্ডকে হারালে ১০ পয়েন্ট হবে বাবর আজমদের। সেক্ষেত্রে চূড়ান্ত ফয়সালা হবে রানরেটে। সেমিফাইনালে যেতে হলে ইংলিশদের বিপক্ষে ২৮৭ রানের (পাকিস্তান আগে ব্যাটিং করে ৩০০ রান করলে) জয় দরকার হবে তাদের। অর্থাৎ ইংল্যান্ডকে অলআউট করতে হবে মাত্র ১৩ রানে।

আর পরে ব্যাটিং করে ইংল্যান্ডকে ১০০ রানে অলআউট করতে পারলে পাকিস্তানকে সেই লক্ষ্য তাড়া করতে হবে ২.৫ ওভারে। তাই পাকিস্তানের শেষ চারে যাওয়ার স্বপ্ন এখন অনেকটাই অসম্ভব। মিরাকল কিছু না ঘটলে সেমিফাইনালে ভারতের প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ডই হতে যাচ্ছে, তা এখন অনেকটাই নিশ্চিত।

অন্যদিকে আফগানিস্তান যদি নিউজিল্যান্ডের নেট রানরেট পার করতে চায় তবে নিজেদের শেষ ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে কমপক্ষে ৪৩৮ রানের ব্যবধানে হারাতে হবে তাদের। যেটাও আপাতদৃষ্টিতে অসম্ভব।




ইংল্যান্ডের কাছে ১৬০ রানে হারলো নেদারল্যান্ডস

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : ভারতের পুনেতে ওয়ানডে বিশ্বকাপের আজকের খেলায় প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৯ উইকেটে ৩৩৯ রান করে ইংল্যান্ড।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হলেও শেষটা ছিলো বাজে। ফলে যা হবার তাই হলো ১৬০ রানের বিশাল হার নিয়ে মাঠ ছাড়ে নেদারল্যান্ডস।