ভারতকে স্তব্ধ করে অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বজয়

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : ভারতকে তাদেরই মাটিতে উড়িয়ে দিয়ে রেকর্ড ষষ্ঠবারের মতো ওয়ানডে বিশ্বকাপ ঘরে তুললো অস্ট্রেলিয়া। আজ রোববার আহমেদাবাদে ব্যাটে-বলে অস্ট্রেলিয়ার কাছে কোনো পাত্তাই পায়নি ভারত। প্রথমে বল হাতে প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্কের আগুনে বোলিংয়ের পর ব্যাট হাতে ট্রাভিস হেডের অনবদ্য সেঞ্চুরিতে ৬ উইকেটে বিশ্বকাপ জিতেছে অস্ট্রেলিয়া।

গুজরাটের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে টসে হারা ভারত বড্ড হাঁসফাঁস করে স্কোরবোর্ডে ২৪০ রানের সংগ্রহ তোলে।

সেই রান তাড়ায় নেমে শুরুটা ভারতীয় পেসারদের তোপের মুখে পড়লেও মার্নাস লাবুশেনকে নিয়ে ঠাণ্ডা মাথায় ম্যাচ বের করে আনেন ট্রাভিস হেড। তুলে নেন অনবদ্য এক সেঞ্চুরি। তার তাণ্ডবেই ৭ ওভার হাতে রেখে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় অসিরা।

ভারতের দেওয়া লক্ষ্য তাড়ায় নেমে জসপ্রীত বুমরাহর প্রথম ওভারেই ১৫ রান তুলে নেয় অস্ট্রেলিয়া।

তবে পরের ওভারে বোলিংয়ে এসেই ডেভিড ওয়ার্নারের উইকেট তুলে নেন মোহাম্মদ শামি। ওয়ার্নারকে ফিরিয়েই এই বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি (২৪) বনে যান শামি।

তিনে নামা মিচেল মার্শ বড় শট খেলে শুরু করলেও বুমরাহ তাকে ইনিংস বড় করতে দেননি। ১৫ রানেই তাকে উইকেটের পেছনে থাকা লোকেশ রাহুলের ক্যাচ বানান বুমরাহ। এরপর পাওয়ারপ্লেতেই অভিজ্ঞ স্টিভ স্মিথকে তুলে নেন এই পেসার। ৪ রান করা স্মিথ পড়েন লেগ বিফোরের ফাঁদে।

পাওয়ারপ্লের ৬.৬ ওভারেই অস্ট্রেলিয়ার ৩ উইকেট তুলে নিয়ে প্রবলভাবে ম্যাচে ফেরে ভারত। স্বাগতিক সমর্থকরাও স্বপ্ন দেখতে থাকে বিশ্বকাপ জয়ের। কিন্তু ওই ৩ উইকেটের পর হেড আর লাবুশেন হতাশা বাদে আর কিছুই উপহার দেয়নি ভারতীয় শিবিরকে।

এই জুটির শুরুটা ছিল বেশ দেখেশুনে। পরে উইকেটে থিতু হতে হেড বাড়ান রান তোলার গতি। লাবুশেন অপরপ্রান্তে ধৈর্য ধরে খেলতে থাকেন জাদেজা-কুলদীপদের। হেড সপ্তম ব্যাটার হিসেবে বিশ্বকাপ ফাইনালে সেঞ্চুরি তুলে নেন ৯৫ বলে। পরে ফিফটি তুলে নেন লাবুশেনও। ৯৯ বলে মাইলফলকে পৌঁছান তিনি।

যদিও শেষ পর্যন্ত এ দুজন অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়তে পারেননি। দলের জয়ের জন্য যখন বাকি আর ২ রান, তখন বড় শট খেলতে গিয়ে মোহাম্মদ সিরাজকে উইকেট দেন হেড। ফেরেন ১৩৭ রান করে। তাতে ভাঙে লাবুশেনের সঙ্গে তার ১৯২ রানের জুটি।

হেড ফেরার পর মাঠে নেমে ২ রান নিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে জয়ের মঞ্চে পৌঁছে দেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। লাবুশেন অপরাজিত থাকেন ৫৮ রান করে।




ষষ্ঠ বিশ্বকাপ জিততে অস্ট্রেলিয়ার লক্ষ্য ২৪১ রান

চন্দ্রদ্বীপ স্পোর্টস ডেস্ক : পুরো বিশ্বকাপে ব্যাট হাতে দুর্দান্ত ছন্দে ছিলেন ভারতের টপ অর্ডার। তাদের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ের সুবাদে খুব একটা পরীক্ষা দিতেই হয়নি ভারতের মিডল অর্ডারকে। কিন্তু ফাইনালে এসেই যেন হোঁচট খেতে হলো টিম ইন্ডিয়াকে। প্রায় দেড় লাখ দর্শককে চুপ করিয়ে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমেছিলেন প্যাট কামিন্স। সেটায় কিছুটা হলেও সফল হয়েছেন অজি বোলাররা। দুর্দান্ত বোলিংয়ে স্বাগতিকদের তারা আটকে দিয়েছে ২৪০ রানেই।



ভারত-অস্ট্রেলিয়া সেরা ফাইনাল আজ?

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : ধরা হচ্ছে ইতিহাসের সম্ভাব্য সেরা ক্রিকেট ফাইনাল। লড়াইয়ের মাঝে বিনোদন। টসের আগে আকাশে নয়টা যুদ্ধবিমানের শৈল্পিক কারুকাজ দেখবে মোতেরার নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম

দু’দিন ধরে চলল বিমানের চোখ বাঁধানো মহড়া। প্রথম ইনিংস বিরতিতে গান, দুই ইনিংসের বিরতিতে বলিউডের প্রিতম গলফ কার্ট করে মাঠে ঢুকবেন, পেছনে থাকবে পাঁচশ সদস্যের ড্যান্স গ্রুপ! সময় মাত্র সাড়ে ১২ মিনিট। এক লাখ ৩২ হাজার সমর্থকের গগনবিদারী চিৎকারে তখন স্টেডিয়ামে শব্দ-বিস্ফোরণ হবে। যাদের জন্য এই মহাআয়োজন সেই রোহিত শর্মার হাতে স্বর্ণের ট্রফি উঠলে আলোয় জ্বলে উঠবে গোটা স্টেডিয়াম। রবিবাসরীয় ফাইনালে ভারতের স্বপ্ন ভেঙে দিতে প্রস্তুত প্যাট কামিন্সের অস্ট্রেলিয়া।

বিশ বছর পর আবার এই দু’দলের ফাইনাল। জোহানেসবার্গে হারা সেই ফাইনালের প্রতিশোধ নিতে ভারত তেতে আছে। প্রতিপক্ষ যখন অস্ট্রেলিয়া তখন প্রশ্ন একটাই, প্রতিশোধের আগুন জ্বলবে তো! নাকি আরেকটি ২০০৩-এর হতাশা? আহমেদাবাদের এক লাখ ৩২ হাজার দর্শককে চুপ করিয়ে দিয়ে হাসতে চান প্যাট কামিন্স।

অস্ট্রেলিয়ার ষষ্ঠ মিশন হলে, ভারতের লড়াই হবে তৃতীয়বার জিতে ব্যবধান কমানের। ক্লাইভ লয়েড থেকে শুরু করে ইয়ান মরগান-সব বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ককে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে ফাইনালে। একমাত্র পাকিস্তানের ইমরান খান আমন্ত্রণের সেই চিঠি পেয়েছেন কিনা জানা যায়নি। তবে জেলে থেকেও মনে হয় সংবাদটা শুনেছেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী। আমন্ত্রিত অতিথিদের তালিকায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ছাড়া রয়েছেন আরও অনেকে।

বিশ বছর আগে সেই ফাইনালে রিকি পন্টিংয়ের কাছে যখন হেরেছে সৌরভ গাঙ্গুলীর ভারত, রোহিত শর্মার বয়স তখন ১৭! তখনকার সবকিছুই ভালো মনে আছে তার। ফাইনালের আগেরদিনও ঐচ্ছিক অনুশীলনে মাঠে এলেন ভারতের মাত্র হাতেগোনা কয়েকজন। মুম্বাইয়ে নিউজিল্যান্ডকে হারানোর পর রোহিত শর্মাকে বার্তা দিয়েছেন কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকার।

জানিয়েছেন, ফাইনালের কাজটা মোটেও সহজ হবে না। সেভাবেই এগোতে হবে। সংবাদ সম্মেলনে রোহিত জানালেন, ‘টানা আট জয়ে ফাইনালে ওঠা অস্ট্রেলিয়াও জানে কিভাবে বড় মঞ্চে খেলতে হয়। আমরা যেভাবে নিজেদের কাজটা করেছি, সেভাবেই শেষ ম্যাচেও পরিকল্পনাগুলো কাজে লাগাতে চাই। আর মাত্র একটি ম্যাচ। বাইরে কী হচ্ছে, কেমন পরিবেশ, সবই বাইরে রেখেই মাঠে নামব।’




ফাইনালের টুকিটাকি

চন্দ্রদীপ নিউজ : বিশ্বকাপের আয়োজক ভারত। আর ভারত বিশ্বকাপের ফাইনালের মঞ্চে। প্রায় ১৫০ কোটির মানুষের দেশ বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলবে আগামীকাল। শিরোপা জয়ের বন্দনায় ভারত। আরেকটি ট্রফি ঘরে তোলার স্বপ্ন পুরনের দিন কাল। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে সবার নজর। ২০ বছর পর ফাইনালে মুখোমুখি ভারত-অস্ট্রেলিয়া। ২০০৩ সালের সেই ফাইনালে হেরেছিল। এবার সুযোগ প্রতিশোধ নেয়া।

ফাইনাল হবে বিশ্বের বড় স্টেডিয়ামে :

তবে আপনি কি জানেন? যে স্টেডিয়ামে ফাইনাল খেলা হবে সেই নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম হচ্ছে  বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রিকেট স্টেডিয়াম। যেখানে এক লাখ ৩০ হাজার দর্শক বসে খেলা উপভোগ করতে পারবেন। এত বড় স্টেডিয়াম তৈরি করতে কত টাকা খরচ হলো, এই প্রশ্নের উত্তর অনেকের অজানা।

উইকিপিডিয়া থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে, অস্ট্রেলিয়ার বিখ্যাত সংস্থা পপুলাস গোটা স্টেডিয়াম ডিজাইন করে। আর তৈরি করেছে প্রখ্যাত ইমারতি সংস্থা লারসেন অ্যান্ড টারবো। এই স্টেডিয়াম নির্মাণ করতে প্রায় ১০০ মিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছে। ভারতীয় মুদ্রায় ৮০০ কোটি রুপি। এর আগে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রিকেট স্টেডিয়াম ছিল মেলবোর্ন।

যারা আম্পায়ার থাকবেন: মাঠে থেকে ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছেন রিচার্ড ইলিংওর্থ। অভিজ্ঞ এই ইংলিশ ম্যানের সঙ্গে তারই দেশের রিচার্ড কেটেলবরো থাকছেন অনফিল্ড আম্পায়ারের ভূমিকায়।

সেমিফাইনালের পর এবার ফাইনালেও তারা দুজন পেলেন অনফিল্ড আম্পায়ারের দায়িত্ব। এই দুজনই ছিলেন দুটি সেমিফাইনালে। ভারত ও নিউজিল্যান্ডের প্রথম সেমিফাইনালে অনফিল্ড আম্পায়ার ছিলেন রিচার্ড ইলিংওর্থ। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে কলকাতায় আম্পায়ার ছিলেন রিচার্ড কেটেলবরো। ২০১৫ সালের ফাইনালেও অনফিল্ডে ছিলেন তিনি।

প্রথম সেমিফাইনালে টিভি আম্পায়ার হিসাবে ছিলেন জোয়েল উইলসন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই আম্পায়ার এবার আহমেদাবাদের ফাইনালেও টিভি আম্পায়ার হিসাবে ম্যাচ পরিচালনায় থাকবেন।

দ্বিতীয় সেমিফাইনালে থার্ড আম্পায়ারের ভূমিকায় ছিলেন ক্রিস গ্যাফানি। নিউজিল্যান্ডের গ্যাফানি ১৯ নভেম্বর ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার ফাইনালে থাকবেন চতুর্থ আম্পায়ার হিসাবে। ম্যাচ রেফারির দায়িত্ব পালন করবেন অ্যান্ডি পাইক্রফট।

প্রতিপক্ষও মানছে ভারতই এগিয়ে : জোড়া হারে বিশ্বকাপ শুরু করা অস্ট্রেলিয়া টানা আট ম্যাচ জিতে উঠেছে ফাইনালে। আহমেদাবাদে রবিবাসীয় স্বপ্নের ফাইনালে রেকর্ড পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নদের প্রতিপক্ষ স্বাগতিক ভারত।

নিজেদের আঙিনায় ১০ ম্যাচের সবকটি জিতে একযুগ পর ফাইনালে পা রাখা ভারত তর্কাতীতভাবে এই বিশ্বকাপের সেরা দল। টুর্নামেন্ট ইতিহাসের সফলতম দলের বিপক্ষে ফাইনালেও ফেভারিটের মর্যাদা পাচ্ছে স্বাগতিকরা। অস্ট্রেলিয়াকে ছয় ইউকেটে হারিয়ে যে এবার বিশ্বকাপ শুরু করেছিল রোহিত শর্মার দল।

অস্ট্রেলিয়ার পেস আক্রমণের সেনাপতি মিচেল স্টার্কও বলেছেন, ভারতই আসরের সেরা দল। এরপরই তিনি মনে করিয়ে দিলেন গত জুনে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের কথা। দ্য ওভালের সেই ফাইনালে ভারতকে দুরমুশ করে ২০৯ রানে জিতেছিল অস্ট্রেলিয়া। এর আগে ২০০৩ বিশ্বকাপের ফাইনালেও অস্ট্রেলিয়ার কাছে ১২৫ রানে হেরেছিল ভারত।

বিশ্বকাপের নকআউট ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া বরাবরই ভালো করায় ভারতের আগুনে ফর্ম নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ দেখছেন না স্টার্ক।

 

 




দক্ষিণ আফ্রিকাকে বিদায় করে ফাইনালে অস্ট্রেলিয়া

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : বরাবরের মত এই বিশ্বকাপেও ভালো দল নিয়ে খেলতে এসেছিল প্রোটিয়ারা। গ্রুপ পর্বে ৯ ম্যাচের মধ্যে সাতটি ম্যাচে জয় পেয়ে সেমিফাইনাল খেলেছে। কিন্তু এবারও ‘চোকার’ তকমা ঘোচাতে পারল না দক্ষিণ আফ্রিকা। ভাগ্য দেবীর কাছে এবারও হতাশ হতে হল তাদের। হাইভোল্টেজ সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চুপসে গেল চোকার্স খ্যাত দক্ষিণ আফ্রিকা।

ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে প্রোটিয়াদের ৩ উইকেটে হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। এবার নিয়ে পাঁচবার সেমিফাইনাল খেলল আফ্রিকার এই দেশটি। দুর্ভাগ্য, যেখানে একবারও ফাইনাল খেলার সুযোগ মেলেনি তাদের।

টস জিতে ব্যাটিংয়ে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে ডি ককরা। শেষ পর্যন্ত মিলারের সেঞ্চুরিতে ৪৯.৪ ওভারে ২১২ রানে থামে দক্ষিণ আফ্রিকা। জবাবে ১৬ বল বাকি থাকতেই ৭ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে নোঙর ফেলে ওয়ার্নার-স্মিথরা। আগামী ১৯ নভেম্বর আহমেদাবাদের ফাইনালে স্বাগতিক ভারতের মুখোমুখি হবে ক্যাঙ্গারুরা।

২১৩ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে উড়ন্ত সূচনা এনে দেয় অস্ট্রেলিয়ার দুই ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার ও ট্রাভিস হেড। ৬ ওভারেই তুলে ফেলে ৬০ রান। এরপরই ঘটে ছন্দপতন। ৬০ রানের সময় ওয়ার্নার ২৯ রানে, ৬১ রানের মাথায় মিচেল মার্শ শূন্যরানে ও দলীয় ১০৬ রানে ট্রাভিস হেড ফেরেন ৯ চার ও ২ ছক্কায় ৬২ রান করে।

দলীয় ১৩৩ রানের মাথায় লাবুশানে ফেরেন ১৮ রান করে। ৪ রানের ব্যবধানে ফিরে যান গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। এরপর জশ ইংলিসকে নিয়ে দলকে টানেন স্মিথ। ষষ্ঠ উইকেটে তারা দলীয় সংগ্রহে যোগ করেন ৩৭ রান। দলীয় ১৭৪ রানে স্মিথের বিদায়ে ষষ্ঠ উইকেট হারায় অসিরা। ২ চারে ৩০ রান করেন স্মিথ। এরপর স্টার্ককে নিয়ে জুটি গড়ার চেষ্টা করেন ইংলিস। ১৯৩ রানের মাথায় কোয়ের্টজে বলে ইংলিস(২৮) বোল্ড হলে লড়াইয়ে ফিরে প্রোটিয়ারা।

শেষ পর্যন্ত প্রোটিয়াদের কাছ থেকে ম্যাচটি ছিনিয়ে নিয়েছেন মিচেল স্টার্ক ও প্যাট কামিন্স। তাদের ২২ রানের জুটিতে ১৬ বল আগেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে অসিরা। ১৬ রানে স্টার্ক ও কামিন্স অপরাজিত থাকেন ১৪ রানে। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে দুটি করে উইকেট নেন কোয়ের্টজে ও শামসি। একটি করে শিকার করেন রাবাদা, মার্করাম ও মহারাজ।




সেমিফাইনালে আজ মুখোমুখি অস্ট্রেলিয়া-দ. আফ্রিকা

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : ওয়ানডে বিশ্বকাপের সব থেকে সফল দল বলা হয় অস্ট্রেলিয়াকে। কারণ এই টুর্নামেন্টের সব থেকে বেশি ট্রফি (পাঁচ বার) জয়ী দল তারাই। সর্বশেষ ঘরের মাঠে ২০১৫ বিশ্বকাপের শিরোপা জেতেন অজিরা। ভারতে চলমান বিশ্বকাপেও তারা রয়েছেন দারুণ ছন্দে। এতে করে তৃতীয় দল হিসেবে টিকিট কেটেছেন সেমিফাইনালের।

আজ কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মাঠে নামবেন তারা। এই ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ আসরের আরেক শক্তিশালী দল দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে এই ম্যাচে দুই দলের সামনে ভিন্ন লক্ষ্য। অস্ট্রেলিয়ার নজর মিশন হেক্সা পূরণের জন্য আরেক ধাপ এগিয়ে যাওয়ার এবং দক্ষিণ আফ্রিকার লক্ষ্য প্রথম বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ খেলার স্বাদ নেওয়ার।

চলতি বিশ্বকাপের অস্ট্রেলিয়াও রাউন্ড রবিন পর্বে ৯টি ম্যাচের মধ্যে ৭টি ম্যাচে জয় পেয়েছিল এবং হেরেছিল ২টি ম্যাচে।

দক্ষিণ আফ্রিকার ফলাফলও একই ছিল তবে অজিদের থেকে নেট রান রেটে এগিয়ে ছিলেন প্রোটিয়ারা। এছাড়া এ আসরে দক্ষিণ আফ্রিকা হেরেছিল ভারত এবং নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে অজিদের দুইটি হার ছিল স্বাগতিক ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষেই। প্রথম পর্বের সেই হারের স্মৃতি ভুলে আজ অস্ট্রেলিয়ার নামতে হবে প্রোটিয়াদের বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়াতে।

এদিকে চলতি আসরে এর আগে কলকাতার এই মাঠে চারটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্বকাপে এই মাঠে প্রথম ম্যাচে নামে বাংলাদেশ এবং নেদারল্যান্ডস। সে ম্যাচে আগে ব্যাট করে স্কোর বোর্ডে ২২৯ রান জমা করেন ডাচরা। সেই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৪২ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। ফলে সেই ম্যাচে ৮৭ রানের বিশাল জয় তুলে নেই নেদারল্যান্ডস। এই মাঠে দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে নামে বাংলাদেশ এবং পাকিস্তান। ঐ ম্যাচে আগ ব্যাট করে ২০৪ রান করেন টাইগাররা। সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৭উইকেট হাতে রেখে জয় তুলে নেন বাবর আজমের দল। এই মাঠে তৃতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হয় স্বাগতিক ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা। সেই  ম্যাচে আগে ব্যাট করতে নেমে ৩২৬ রান করেন স্বাগতিকরা। সেই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ৮৩ রান গুটিয়ে যান প্রোটিয়ারা। ফলে ২৪৩ রানের বিশাল জয় পায় রোহিত-কোহলিরা। এই ম্যাচে শেষ ম্যাচে মাঠে নামে ইংল্যান্ড এবং পাকিস্তান। সেই ম্যাচে আগে ব্যাট করতে নেমে স্কোর বোর্ডে ৩৩৭ রান সংগ্রহ করেন ইংলিশরা। সেই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ২৪৪ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান। ফলে ৯৩ রানের বিশাল জয় পান জস বাটলারের দল। এই মাঠে এখন পর্যন্ত ৩৪টি ওয়ানডে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। সেই ম্যাচে আগে ব্যাট করা দলের জয় ২১টি ম্যাচে। এবং পরে ব্যাট করা দলের জয় ১৩টি ম্যাচে। এই মাঠে গড় রান ২৫৮।

অন্যদিকে এক দিনের এই ফরম্যাটে এ নিয়ে ১০৯ বার মুখোমুখি হয়েছে অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা। তার মধ্যেও এগিয়ে রয়েছেন প্রোটিয়ারা। তারা মুখোমুখি দেখায় ৫৫ ম্যাচ জিতেছে অন্যদিকে অজিদের জয় ৫০। এছাড়া ৩টি ম্যাচ ড্র ও একটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছিল। চলতি বিশ্বকাপের শক্তিসামর্থ্যেও এগিয়ে রয়েছেন প্রোটিয়া বাহিনী। তবে তাদের ভাবনা এবার অন্যদিকে। সেটার কারণ হলো—যে কোনো ভাবেই হোক ফাইনালের টিকিট কাটার। ১৯৯২ সালে বিশ্বকাপে প্রথম বারের মতো অংশ গ্রহণ করার পর এবারসহ ৯টি আসরে অংশগ্রহণ করেছে প্রোটিয়ারা। এর মধ্যে পাঁচ আসরেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে তারা (১৯৯২, ১৯৯৯, ২০০৭, ২০১৫ ও ২০২৩)। তবে কোনোবারই ফাইনালে উঠতে পারেনি তারা। এই কারণেই তাদের বিশ্বকাপে চোকার্স বলে ডাকা হয়। তার থেকে মজার বিষয় হচ্ছে পাঁচ সেমিফাইনালের মধ্যে তিন বারই প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়েছে অস্ট্রেলিয়াকে। যার মধ্যে দুই বারই হেরেছে। আর আজকের ম্যাচটি তৃতীয়। দেখার বিষয় অস্ট্রেলিয়া প্রোটিয়াদের বিপক্ষে বৃহস্পতিবার হ্যাটট্রিক জয় তুলে নিয়ে মিশন হেক্সায় এগিয়ে যাবে নাকি প্রোটিয়া নিজেদের প্রথম পূরণ করবে।




কোহলির স্বপ্নের রেকর্ড, শামির ৭ উইকেট, ফাইনালে ভারত

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : স্বপ্নের মতো বিশ্বকাপে শামির আরেকটি দুর্দান্ত পারফরম্যান্স। বিশ্বকাপে ভারতের আরেকটি ‘পূর্ণাঙ্গ’ পারফরম্যান্স। টানা ১০ ম্যাচ জয়, শিরোপার জন্য দরকার আর একটি! ১৯ নভেম্বর আহমেদাবাদের ফাইনালে ভারতের প্রতিপক্ষ ঠিক হবে আগামীকাল। কলকাতায় দ্বিতীয় সেমিফাইনালে যেখানে মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়া।

৩৯৮ রানের লক্ষ্যে নিউজিল্যান্ডকে করতে হতো দুর্দান্ত কিছু। ড্যারিল মিচেলের ইনিংস আশা জুগিয়েছিল তাদের। উইলিয়ামসনের সঙ্গে জুটিতে ভালো একটা ভিতও পেয়েছিল কিউইরা।

কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ সময়ে উইকেট নিয়ে ভারতকে দারুণভাবে এগিয়ে দিয়েছেন শামি। উইলিয়ামসনের ক্যাচ ফেলেছিলেন, ম্যাচ ঘুরিয়ে দেওয়ার মতো মুহূর্ত ছিল সেটি। কিন্তু শামির বোলিংয়ে আসলে ম্লান হয়ে যাওয়ার কথা সবই!

২০১৯ সালের সেমিফাইনালে ভারতকেই হারিয়ে ফাইনালে গিয়েছিল নিউজিল্যান্ড। এবার ফলটা ভিন্নই হলো। বিরাট কোহলি ও শ্রেয়াস আইয়ারের সেঞ্চুরি, শামির ৭ উইকেট—ভারত এখনো অপরাজিত। ১২ বছর পর ঘরের মাটিতে আরেকটি শিরোপা পেতে সেই অপরাজিত থাকার ধারাটি ধরে রাখতে হবে আর এক ম্যাচ!

অন্যদিকে টানা দুটি ফাইনাল খেলার পর এবার সেমিফাইনালেই থামলো নিউজিল্যান্ড।  শিরোপার জন্য অপেক্ষা করতে হবে আরও কিছু বছর।




অপ্রতিরোধ্য ভারতের সামনে উজ্জীবিত নিউ জিল্যান্ড

চন্দ্রদীপ ডেস্ক: এমনিতে সেমি-ফাইনালে ফেভারিট বলে কিছু থাকে না। তবে ভারত এই টুর্নামেন্টে যেভাবে খেলছে, টানা ৯ ম্যাচ জয় বা আসরের একমাত্র অপরাজিত দল বলেই শুধু নয়, একের পর এক ম্যাচে প্রতিপক্ষকে তারা যেভাবে গুঁড়িয়ে দিয়েছে, তাতে এই সেমি-ফাইনালে নিশ্চিতভাবেই এগিয়ে থেকে মাঠে নামছে রোহিত শার্মার দল। সঙ্গে গ্যালারির উপচেপড়া সমর্থন তো থাকবেই!

ম্যাচকে ঘিরে এমনিতেও শহরে উত্তেজনা প্রবল। মাঠের আশেপাশে দুদিন ধরে ভীড় লেগেই আছে। হন্নে হয়ে টিকেট খুঁজছেন অনেকে। কিন্তু চাইলেও কী আর সোনার হরিণের দেখা মেলে! ওয়াংখেড়ের গ্যালারি বুধবার আকাশী-নীলের সমুদ্রে রূপ নেবে নিশ্চিতভাবেই। ৩৩ হাজার দর্শক ধারণ ক্ষমতার স্টেডিয়ামে ৩৩ জন নিউজিল্যান্ড সমর্থক পাওয়া গেলেও তা হবে বিস্ময়কর।

২০১৯ বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালেও মুখোমুখি হয়েছিল এই দুদল। সেখানেও ওল্ড ট্র্যাফোর্ডের গ্যালারি ঠাসা ছিল ভারতীয় সমর্থকে। কিন্তু বৃষ্টির কারণে দুই দিনে শেষ হওয়া ম্যাচে তাদেরকে স্তম্ভিত করে ফাইনালে উঠেছিল নিউ জিল্যান্ড। কন্ডিশন-গ্যালারি-পারিপার্শ্বিকতা বিরুদ্ধ হলেও নিউ জিল্যান্ড নিজেদের উজাড় করে দেবে এবারও।

ম্যাচের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে সেই প্রত্যয়ই শোনা গেল নিউ জিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনের কণ্ঠে।




বাংলাদেশসহ যে ৮ দল চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলবে

চন্দ্রদীপ ডেস্ক: বিশ্বকাপের মাঝেই চলছিল অন্য এক লড়াই। দু’বছর পর পাকিস্তানের মাটিতে বসছে মর্যাদার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আসর। আসন্ন টুর্নামেন্টটিতে যোগ্যতা অর্জন করতে হলে চলতি বিশ্বকাপে লিগ পর্বে প্রথম ৮ দলের মধ্যে থাকতে হতো। যে কারণে রাউন্ড রবিন লিগ পদ্ধতিতে হওয়া বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ড যেন রূপ নিয়েছিল অলিখিত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির বাছাইপর্বে।

স্বাগতিক ভারত বনাম নেদারল্যান্ডসের ম্যাচ দিয়ে শেষ হয়েছে বিশ্বকাপের লিগপর্ব। সেই সঙ্গে চূড়ান্ত হয়ে গেল চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আট দলও। স্বাগতিক হিসেবে পাকিস্তানের জায়গা আগে থেকেই নির্ধারিত। এবারের বিশ্বকাপের চার সেমিফাইনালিস্ট ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের টিকিটও চূড়ান্ত। এ ছাড়া বাকি তিন দল-আফগানিস্তান, ইংল্যান্ড ও বাংলাদেশ।

২০২১ সালে নির্ধারণ করা হয়েছিল, ভারত বিশ্বকাপই হবে ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির যোগ্যতা অর্জনের মাপকাঠি। যদিও দলগুলো বিষয়টি জানতে পারে চলতি বিশ্বকাপের মাঝপথে। আর তাই প্রথমদিকে পিছিয়ে পড়া দলগুলো চাপে পড়ে যায় অনেকটাই। যেমন বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড এবারের বিশ্বকাপে শুরুর দিকে লিগ তালিকায় তলানিতে ছিল। শেষ দিকে ঘুরে দাঁড়িয়ে তিন জয়ে পয়েন্ট টেবিলের সাতে থেকে বিশ্বকাপ শেষ করেছে ডিফোন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। সেই সঙ্গে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলাও নিশ্চিত হয়েছে তাদের।

রূপকথার মতো বিশ্বকাপে অল্পের জন্য সেমিফাইনাল মিস হলেও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলা নিয়ে তেমন হিসেব-নিকেশে যেতে হয়নি আফগানদের। নয় ম্যাচে চার জয়ে টেবিলের ছয়ে থেকে বিশ্বকাপ শেষ করেছে তারা।

মূল লড়াইটা হচ্ছিল শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডসকে ঘিরে। এই তিন দলই নয় ম্যাচে জিততে পেরেছে মোটে দুটিতে। হেরেছে সাত ম্যাচে। তবে নেট রানরেটে এগিয়ে থাকায় যথাক্রমে আটে বাংলাদেশ, নয়ে শ্রীলঙ্কা ও দশে নেদারল্যান্ডস। চলতি বিশ্বকাপের মূলপর্বে উঠতে ব্যর্থ হওয়া জিম্বাবুয়ে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আয়ারল্যান্ডেরও আসন্ন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলা হচ্ছে না।




ঢাকায় আসলেন শুধু হাথুরু: নীরবে দেশে ফিরলেন ক্রিকেটাররা

কিন্তু হায়! আজ রোববার সকাল সাড়ে ৯টায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসবের কিছুই নেই। এতটুকু হইচই ছিল না। বিমান বন্দরে বোঝাই যায়নি যে টিম বাংলাদেশ বিশ্বকাপ খেলে দেশে ফিরে এসেছে। আর আট-দশদিনের মতো, রোববার সকালেও তেমন নীরবে-নিভৃতে অনেকটা গোপনেই বিশ্বকাপ খেলে দেশে ফিরলো বাংরাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল।

যেহেতু অধিনাক সাকিব আল হাসান আঙ্গুলে ব্যাথা পেয়ে আগেই দেশে ফিরে এসেছেন। তাই আজ রোববার পুনে থেকে সকাল ১০ টা নাগাদ জাতীয় দলের বাকি সদস্যরা বাংলাদেশ বিমানের বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটে দেশে ফিরলেন। দলের সঙ্গে হেড কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহেও ফিরেছেন।

বলে রাখা ভাল, কোচিং স্টাফদের মধ্যে হেড কোচ হাথুরুসিংহে আর প্রধান সহকারি কোচ নিক পোথাস ছাড়া বাকি ৬ কোচিং স্টাফের চুক্তি শেষ হয়ে যাবে চলতি নভেম্বরের ৩০ তারিখ।

তবে যেহেতু নিউজিল্যান্ডের সাথে এই নভেম্বরের ২৮ তারিখ থেকে দেশের মাটিতে টেস্ট সিরিজ শুরু এবং ২ ম্যাচের সিরিজ শেষে আবার ৩টি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ম্যাচ নিউজিল্যান্ডে, তাই সব কোচিং স্টাফকে আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কাজ চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করেছে বিসিবি।

ওই ৬ জনের মধ্যে ডোনাল্ড তা মেনে এ বছরের শেষ দিন পর্যন্ত কাজ করবেন বলে মনে হয় না। তিনি পুনেতে শেষ ম্যাচের আগে টিম মিটিংয়েই বিদায়ের ঘোষণা দিয়েছেন। বাকি ৫ জনের কে কে থাকবেন? তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি। তবে শোনা যাচ্ছে, কম্পিউটার অ্যানালিস্ট শ্রীনিবাসনও টিম বাংলাদেশের সাথে আর কাজ করবেন না।