চাপে থেকেই লাঞ্চ-বিরতিতে বাংলাদেশ

চন্দ্রদ্বীপ স্পোর্টস: খুবই অপ্রত্যাশিত একটি সেশন শেষ করেছে বাংলাদেশ। ৪৭ রানে ছিল না ৪ উইকেট। দলকে এমন চরম বিপর্যয় থেকে টেনে তোলার চেষ্টা করেছেন মুশফিকুর রহিম ও শাহাদাত হোসেন। তবে এখনো চাপ থেকে পুরোপুরি সামলে উঠতে পারেনি বাংলাদেশ। হয়তো টেস্ট ম্যাচ বিবেচনায় সেই চাপ সামলে ওঠাও সম্ভব নয়। তবু এই দুই ব্যাটারের ব্যাটে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরেছে শান্তশিবিরে।

চরম বিপর্যয় থেকে কিছুটা টেনে তুলে লাঞ্চ বিরতিতে গেছেন মুশফিক ও শাহাদাত। এই দুই ব্যাটার যোগ করেছেন ৩৩ রান। প্রথম সেশনে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৮ ওভারের খেলা শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে ৮০ রান। ২৮ রান নিয়ে খেলছেন মুশফিকুর রহিম, অপরপ্রান্তে ১৪ রান নিয়ে অপরাজিত থেকে দ্বিতীয় সেশন শুরু করবেন শাহাদাত।

এর আগে এটি যে টেস্ট ফরম্যাটের খেলা, তা যেন মাঝেমাঝে ভুলেই গিয়েছিলেন বাংলাদেশের ব্যাটাররা। আরও একবার রয়ে-সয়ে, দেখেশুনে খেলার বদলে তড়িঘড়ি করে রান তুলতে গিয়ে দলের বিপদ ডেকে আনলেন ওপেনার জাকির হাসান। ২৯ রানের মাথায় প্রথম উইকেট হারানোর যেন দিশা হারিয়ে ফেললেন পরবর্তী ব্যাটাররা।

এরপরের ১৮ রান তুলতেই আরও ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়েছে বাংলাদেশ। বাজেভাবে আউট হয়ে ফিরেছেন মাহমুদুল হাসান জয়, মুমিনুল হক ও নাজমুল হোসেন শান্ত।

দিনের শুরুতেই বাজে ক্যাচে সাজঘরে ফিরে নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটারদের মুখে হাসি ফোটালেন জাকির। ২৪ বলে ৮ রান করে মিচেল স্যান্টনারকে আকাশে তুলে মিড-অন অঞ্চলে কেন উইলিয়ামসনের হাতে সহজ হন তিনি।

জাকিরের দেখানো পথে হাঁটলেন আগের ম্যাচে ৮৬ করা ওপেনার জয়ও। অ্যাজাজ প্যাটেলের বল ঠেকাতে গিয়ে শর্টলেগে টম ল্যাথামের হাতে ধরা পড়েন এই ডানহাতি ব্যাটার। ৪০ বলে ১৪ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরত যান আগের টেস্টের প্রথম ইনিংসের সেরা ব্যাটার।

জয়কে ফেরানোর পর ব্যাক টু ব্যাক বল করতে এসে মুমিনুলকেও সাজঘরের পথ দেখান প্যাটেল। এটি তার দ্বিতীয় শিকার। বাঁহাতি কিউই স্পিনারের করা বল মুমিনুলের ব্যাটে চুমু দিয়ে উইকেটরক্ষক টম ব্লান্ডেলের হাতে ক্যাচ হয়।

আগের ম্যাচে সেঞ্চুরি হাঁকানো অধিনায়ক শান্ত এই ম্যাচে দলের হাল ধরতে পারলেন না। এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে শান্তকে নিজের দ্বিতীয় শিকার বানান স্যান্টনার। ১৪ বলে ৯ রান করেন এই ডানহাতি ব্যাটার।

এর আগে শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। ফলে প্রথম টেস্টের মতো বোলিং দিয়েই ম্যাচ শুরু করেছে কিউইরা।

সিলেটে সিরিজের প্রথম টেস্টে নিউজিল্যান্ডকে ১৫০ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। ফলে এই টেস্ট জিতলে বা নিদেনপক্ষে ড্র করলেও প্রথমবারের মতো কিউইদের বিপক্ষে সিরিজ জয় নিশ্চিত হবে টাইগারদের।




ইতিহাস গড়ে প্রোটিয়াদের হারাল বাংলাদেশ

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি ও মুর্শিদা খাতুনের দারুণ ব্যাটিংয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড গড়ার পাশাপাশি তাদের মাটিতে তাদেরকেই হারিয়ে ইতহাস গড়ল বাংলাদেশের মেয়েরা।

জ্যোতি-মুর্শিদার ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে টাইগ্রেসরা প্রথমে ব্যাট করে ১৪৯ রানের বড় স্কোর গড়ে। বাকি দায়িত্ব ছিল বোলারদের ওপর। সেখানে ‘গোল্ডেন এ প্লাস’ পেয়েছেন স্বর্ণা আক্তার। তার ৫ শিকারে প্রোটিয়াদের ইনিংস থেমেছে ১৩৬ রানে। ফলে ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথমবারের মতো টাইগ্রেসদের কাছে হেরে গেল ১৩ রানে। একইসঙ্গে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজটা জয় দিয়ে শুরু করল বাংলাদেশ।

এর আগে ২০১২ সালে মিরপুরে প্রথমবারের মতো প্রোটিয়াদের হারিয়েছিল বাংলাদেশের মেয়েরা। ৭ উইকেটের সেই জয়ের পর আর দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারাতে পারেনি বাংলাদেশ। সবমিলিয়ে দু’দলের মুখোমুখি দেখায় ১১ টি-টোয়েন্টির ১০টিতেই জয় পেয়েছিল প্রোটিয়ারা।




ইতিহাস গড়ে প্রোটিয়াদের হারাল বাংলাদেশ

চন্দ্রদ্বীপ স্পোর্টস ডেস্ক:  অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি ও মুর্শিদা খাতুনের দারুণ ব্যাটিংয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড গড়ার পাশাপাশি তাদের মাটিতে তাদেরকেই হারিয়ে ইতহাস গড়ল বাংলাদেশের মেয়েরা।



নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় বাংলাদেশের

আজ সকালে সিলেটের লাক্কাতুরায় অবস্থিত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ আসতে খুব বেশি সময় লাগলো না। প্রথমে বড় বাধা হয়ে থাকা ড্যারিল মিচেলকে ফেরালেন নাইম হাসান। এরপর টিম সাউদিকে ফিরিয়ে ৫ উইকেট পূরণ করেন তাইজুল ইসলাম। শেষ উইকেট হিসেবে ইশ সোধিকে ফিরিয়ে দিয়ে ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডকে ১৫০ রানের ব্যবধানে হারানোর ঐতিহাসিক ক্ষণের জন্ম দিলো বাংলাদেশ।

২০১৬ সালে ইংল্যান্ড ও ২০১৭ সালে অস্ট্রেলিয়াকে ঘরের মাঠে টেস্টে হারিয়েছিলো বাংলাদেশ। এরপর বড় দলকে হারানোর অভিজ্ঞতা হয়েছিলো গত বছর মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে। ঘরের মাঠে ২০১৭ সালের পর এই প্রথম বড় কোনো দলের বিপক্ষে টেস্টে জয় পেলো বাংলাদেশ।




চায়ের দেশে টেস্ট জয়ের সুবাস পাচ্ছে বাংলাদেশ

চন্দ্রদ্বীপ স্পোর্টস ডেস্ক:  ঘরের মাঠে ওয়ানডেতে হোয়াইটওয়াশের নজির থাকলেও টেস্ট ফরম্যাটে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে জয়টা এতদিন অধরাই ছিল বাংলাদেশের। এবার সেই খরা কাটানোর দ্বারপ্রান্তে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশীপের নতুন চক্রে দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টের চতুর্থ দিনের খেলা শেষে চায়ের দেশ সিলেটে জয়ের সুবাস পাচ্ছে লাল-সবুজের বাহিনী।



উইলিয়ামসনের সেঞ্চুরি ছাপিয়ে দ্বিতীয় দিনটা বাংলাদেশের

স্বস্তির বিষয় হলো, সেঞ্চুরি হাঁকানো উইলিয়ামসনকেও দ্বিতীয় দিনের শেষভাগে এসে ফিরিয়েছেন তাইজুল। প্রথম দিনের মতোই আলোকস্বল্পতায় একটু আগেভাগে খেলা বন্ধ হয়ে যায়।

৮৪ ওভার খেলে নিউজিল্যান্ড তুলেছে ৮ উইকেটে ২৬৬ রান। কাইল জেমিসন ৭ আর টিম সাউদি ১ রানে অপরাজিত আছেন। বাংলাদেশ এখনও এগিয়ে ৪৪ রানে। তাইজুল দিনের সেরা বোলার, একাই নিয়েছেন ৪টি উইকেট।

দ্বিতীয় দিনে খেলতে নেমে প্রথম বলেই বাংলাদেশ অলআউট হয়েছিল ৩১০ রানে। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৪৪ রানের মাথায় ২ উইকেট হারায় কিউইরা। সেখান থেকে ম্যাচ দখলে রাখেন কেন উইলিয়ামসন। জুটি গড়েন হেনরি নিকোলস, ড্যারেল মিচেল ও টস ব্লান্ডেলের সঙ্গে।

একে একে সবাইকে ফেরান তাইজুল-মিরাজ-শরিফুল-নাইমরা। তবে ফেরাতে পারেননি আঠার মতো লেগে থাকা উইলিয়ামসনকে।

এই ডানহাতি ব্যাটারের সঙ্গে জুটি গড়া নিকোলস ১৯ রান করে পেসার শরিফুলের শিকার হয়ে ফেরত যান। মিচেল আউট হন তাউজুলের ঘূর্ণিতে (৫৪ বলে ৪১)। নাইম হাসানের বলে আউট হওয়ার আগে ব্লান্ডেল করেছেন ৬ রান।

এর আগে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ওপেন করেন ডেভন কনওয়ে ও টম ল্যাথাম। তাইজুল-মিরাজের ঘূর্ণিতে সেটি বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেননি তারা। দলীয় ৩৬ রানের মাথায় ল্যাথাম ও ৪৪ রানের মাথায় আউট হয়ে যান কনওয়ে। ল্যাথামকে ফেরান বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম। তাইজুলকে সুইপ খেলতে গিয়ে ফাইন লেগ অঞ্চলে নাইম হাসানের হাতে ক্যাচ হন ল্যাথাম।

এরপর কনওয়েকে ফেরান অফস্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ। মিরাজের বলে খেই হারিয়ে শর্টলেগে শাহাদাত হোসেনের তালুবন্দি হন এই কিউই ওপেনার।

মধ্যাহ্নভোজের পর আউট হন নিকোলস। ৪২ বলে ১৯ রান করে শরিফুলের বলে উইকেটরক্ষক নুরুল হাসানের হাতে ক্যাচ হন তিনি। তার আগে উইলিয়ামসনের সঙ্গে ৫৪ রানের জুটি করেছিলেন নিকোলস।

একটা প্রান্ত ধরে ছিলেন কেন উইলিয়ামসন। একের পর এক জুটি গড়ে গেছেন। নিকোলসের সঙ্গে ৫৪, মিচেলের সঙ্গে ৬৬ রানের পর গ্লেন ফিলিপসের সঙ্গে ষষ্ঠ উইকেটেও ৭৬ রান যোগ করেন তিনি। কিছুতেই জুটিটা ভাঙছিল না।

অবশেষে কিউই ইনিংসের ৭৫তম ওভারে মুমিনুল হকের হাতে বল তুলে দেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। আর বল হাতে নিয়েই অধিনায়ককে উইকেট উপহার দেন মুমিনুল। টার্ন করা বল ফিলিপসের (৪২) ব্যাটে লেগে প্রথম স্লিপে গেলে নিচু ক্যাচ দারুণভাবে লুফে নেন শান্ত।

প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের লিড নেওয়ার পথে সবচেয়ে বড় অন্তরায় ছিলেন কেন উইলিয়ামসন। একটা প্রান্ত ধরে জুটির পর জুটি গড়ে যাচ্ছিলেন। টেস্ট ক্যারিয়ারের ২৯তম সেঞ্চুরিও তুলে নেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটার।

অবশেষে দিনের শেষ সময়ে এসে উইলিয়ামসনকে সাজঘরের পথ দেখিয়েছেন তাইজুল ইসলাম। বাঁহাতি এই স্পিনারের দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে ডিফেন্স করেও বোল্ড হয়ে গেছেন উইলিয়ামসন। ২০৫ বলে ১০৪ রানের ধৈর্যশীল ইনিংসে ১১টি বাউন্ডারি হাঁকান কিউই তারকা।

গতকাল মঙ্গলবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৮৫.১ ওভারে ৩১০ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৮৬ রান করেছেন ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি করার আগেই হন ইশ সোধির শিকার। ১৬৬ বলে ১১ বাউন্ডারি হাঁকানো এই ব্যাটার সোধির বলে ড্যারেল মিচেলের ক্যাচ হন।

এরপর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুমিনুল হক করেন সমান ৩৭ রান। ফিলিপসের ফুলটস বলে মিড-অনে উইলিয়ামসনের হাতে ক্যাচ তুলে দেন পিচে সেট হওয়া শান্ত। ফিলিপসের দ্বিতীয় শিকার হন মুমিনুল। অভিজ্ঞ এই ব্যাটার ক্যাচ হন উইকেটরক্ষক টম ব্লান্ডেলের হাতে।

এরপরই মূলত বিপত্তি ঘটে বাংলাদেশের। ৫৩ রানে হারায় ৫ উইকেট। শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেট হারিয়ে ৩১০ রানে দিন শেষ করে বাংলাদেশ।

দ্বিতীয় দিনে রানটা আরেকটু বাড়বে আশা ছিল। কিন্তু কোনো রান যোগ না করেই অলআউট হতে হয় টাইগারদের।

কিউই পার্টটাইম অফস্পিনার গ্লেন ফিলিপস একাই নেন ৪টি উইকেট। ২টি করে উইকেট শিকার কাইল জেমিসন আর অ্যাজাজ প্যাটেলের। অধিনায়ক সাউদি ও ইশ সোধি নিয়েছেন একটি করে উইকেট।




দিনের প্রথম বলেই শেষ বাংলাদেশের ইনিংস

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : বাংলাদেশ প্রথম দিন শেষ করেছিল ৩১০ রানে। এই রান করতে হারিয়েছিল ৯ উইকেট। আজ শেষ উইকেটে শরীফুল-তাইজুল বাংলাদেশের ইনিংস কতদুর নিয়ে যাবেন তা দেখার অপেক্ষায় ছিল ক্রিকেটপ্রেমীরা। কিন্তু হতাশ করলেন শরীফুল।

দ্বিতীয় দিনের প্রথম বলেই টিম সাউদির বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পরেন শরীফুল। আর তাতেই কোনো রান যোগ না করেই শেষ হলো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস।

গতকাল সাদা পোশাকের এই সিরিজ দিয়েই বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশীপের যাত্রা শুরু করছে দুই দল। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম টেস্টে কিউইদের বিপক্ষে টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন টাইগার অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। প্রথম সেশনে দুই উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ তুলে ১০৪ রান। দলীয় ৩৯ রানে আউট হন ওপেনার জাকির হাসান। এজাজ প্যাটেলের বলে বোল্ড হওয়ার আগে জাকির করেন ১২ রান।

এরপর ৩ নম্বরে নেমে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করতে থাকেন নাজমুল। আরেক ওপেনার মাহমুদুলকে নিয়ে গড়েন ৫৩ রানের জুটি। তবে শেষ পর্যন্ত তাঁর ইনিংসের ‘অপমৃত্যু’ ঘটে ফিলিপসের ফুলটস আর কেইন উইলিয়ামসনের ক্যাচে। আউট হওয়ার আগে ২ চার ও ৩ ছক্কায় নাজমুল করেন ৩৫ বলে ৩৭ রান। নাজমুলের বিদায়ে ক্রিজে আসেন মুমিনুল হক।

তৃতীয় উইকেটের জুটিতে জয়-মুমিনুল যোগ করেন ৮৮ রান। ৩৭ রান করে মুমিনুল ফিলিপসের বলে উইকেট রক্ষক টম ব্লান্ডেলের কাছে ক্যাচ দিলে ভাঙ্গে এই জুটি। এরপর আর বেশিক্ষন টিকেটে পারেনি মাহমুদুল। সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১৪ রানের দুরত্বে থাকতে সোধীর বলে ফেরেনে তিনিও।

প্রথম দুই সেশনে বাংলাদেশ এগিয়ে থাকলেও ধস নামে শেষ সেশনে। চা বিরতির পর এসে টাইগারদের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম আউট হন মাত্র ১২ রান করে। এরপর যথাক্রমে শাহাদাত হোসেন দিপু ২৪, মেহেদি হাসান মিরাজ ২০, নুরুল হোসেন সোহান ২৯, নাঈম হাসান ১৬ রান করে আউট হন। সেই সঙ্গে তাইজুল ইসলাম ৮ রানে এবং শরিফুল ইসাল ১৩ রানে অপরাজিত থেকে প্রথম দিন শেষ করেন।

কিউইদের হয়ে ফিলিপসের শিকার ৪ উইকেট। অথচ বল হাতে তার অতটা সুখ্যাতি নেই বললেই চলে। উইকেটরক্ষক ব্যাটার হিসেবেই নিজেকে পরিচয় দেন তিনি। কিন্তু গতকাল বাংলাদেশের বিপক্ষে যেন পুরোদস্তুর স্পিনারই বনে গেলেন। কিংবদন্তি স্পিনারদের মতো উইকেটে বল টার্ন করিয়েছেন ফিলিপস। এছাড়া দুটি করে উইকেট কাইল জেমিসন ও এজাজের।




বিসিবি ছাড়ার ঘোষণা দিয়ে রাখলেন পাপন 

চন্দ্রদ্বীপ স্পোর্টস ডেস্ক:  বাংলাদেশ ক্রিকেটের সঙ্গে নাজমুল হাসান পাপনের নাম জড়িয়ে আছে অনেক দিন ধরেই। ক্রিকেটের উত্থান-পতনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে তার নাম। তবে এবার ক্রিকেট বোর্ড ছাড়ার ঘোষণাই দিয়ে রাখলেন নাজমুল হাসান। বাংলাদেশ দলের ওপেনার তামিম ইকবালের সঙ্গে সাক্ষাতের পর গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে নিজের ব্যাপারে ঘোষণা দিয়ে রাখলেন বোর্ড সভাপতি।



লেবাননের সাথে ড্রয়ে খুশি বাংলাদেশ

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : দুই দলের মধ্যে ব্যবধান ব্যাপক। কিংস অ্যারেনায় বিশ্বকাপ বাছাইয়ে দুই দলের লড়াইয়ে সেটা অবশ্য বোঝা যায়নি। বাংলাদেশ লেবাননের সঙ্গে পুরো ৯০ মিনিট সমানতালে লড়েছে। তাতে ম্যাচের স্কোরলাইন ১-১।

ম্যাচ শেষে দুই দলের কোচের দুই ধরনের প্রতিক্রিয়া। ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে আগে এসেছিলেন লেবানন কোচ নিকোলা জুরেভিচ। তিনি বেশ খোলাখুলিই বলেন, ‘ম্যাচের ফলাফল নিয়ে আমি খুশি নই। আমরা ১-০ গোলে এগিয়ে ছিলাম। নিজেদের ভুলে বাংলাদেশ খেলায় ফিরেছে।’

পূর্ণ তিন পয়েন্ট না পাওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করলেও প্রতিপক্ষ বাংলাদেশের প্রশংসাও করেছেন, ‘গতকালই আমি বলেছি ম্যাচটি অনেক কঠিন হবে। তারা যথেষ্ট ভালোও খেলেছে। আমরা ম্যাচের প্রথম বিশ মিনিট এবং দ্বিতীয়ার্ধের কয়েক মিনিট নিয়ন্ত্রণ করলেও পরবর্তীতে বাংলাদেশ ম্যাচে ভালো ফুটবল খেলেছে।’

কিংস অ্যারেনার মাঠ খানিকটা ভারী ছিল। এই মাঠে লেবাননের ফুটবলাররা তেমন স্বাভাবিক ফুটবল খেলতে পারেননি। এরপরও কোনো অভিযোগ করেননি কোচ, ‘মাঠ , দর্শক সব কিছুই ভালো ছিল এখানে।’

অন্য দিকে বাংলাদেশের স্পেনিশ কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরা লেবাননের বিপক্ষে এক পয়েন্ট পেয়ে বেশ খুশি। তিনি বলেন, ‘জুলাইয়ে ভারত সাফের লেবাননের চেয়ে এই ম্যাচে তারা বেশি গোছালো ছিল। আমরা ভালো খেলেই এক পয়েন্ট আদায় করেছি। ৭৯ ধাপ এগিয়ে থাকা দলের বিপক্ষে ভালো খেলে এক পয়েন্ট পাওয়া অবশ্যই কৃতিত্ত্বের।’

বাংলাদেশ এই ম্যাচে গোলরক্ষক নিয়ে সমস্যায় পড়েছিল। নিয়মিত গোলরক্ষক মিতুল মারমা ইনজুরিতে পড়েন প্রথমার্ধের শেষের দিকে। দ্বিতীয়ার্ধে গোলরক্ষক মেহেদী হাসান শ্রাবণকে নামান কোচ। বাংলাদেশের গোল হজমের পেছনে শ্রাবণের খানিকটা ভুল রয়েছে। গোলরক্ষক পজিশন নিয়ে বাংলাদেশ চ্যালেঞ্জে ছিল কিনা এই প্রশ্নের উত্তরে কোচ কিছুটা বিরক্তি নিয়ে বলেন, ‘শ্রাবণ বাংলাদেশের হয়ে প্রথম খেলছে। এমন ম্যাচে নার্ভাস থাকা অস্বাভাবিক কিছু নয়। এরপরও সে ভালোই খেলেছে।’ এই মন্তব্যের পর প্রশ্নকর্তাকে খানিকটা খোচাও দিয়েছেন কোচ, ‘এই ম্যাচে বাংলাদেশের অনেক প্রাপ্তি রয়েছে। এরপরও নেগেটিভ দিক বের করা হচ্ছে।’

বাংলাদেশ এই ম্যাচে তিন পয়েন্ট না পাওয়ায় আফসোসও ঝরেছে তার কন্ঠে, ‘আমরা এই ম্যাচে তিন পয়েন্ট পেলে গ্রুপে দ্বিতীয় স্থানে থাকতে পারতাম। অনেক গোলের সুযোগ মিস হয়েছে না হলে আমরা জিততেও পারতাম।’ বিশ্বকাপ বাছাইয়ে বাংলাদেশের পরবর্তী ম্যাচ ২১ মার্চ। ফিলিস্তিনের বিপক্ষে অ্যাওয়ে ম্যাচের ভেন্যু এখনো ঠিক হয়নি। এক মাস আগে জানা যাবে কোথায় গিয়ে খেলতে হবে জামালদের।




অস্ট্রেলিয়ার কাছে পরাজয়ের পর জড়িয়ে ধরলেন কোহলিকে

চন্দ্রদ্বীপ বিনোদন ডেস্ক:  আরও একটা দুঃস্বপ্নের রাত গোটা ভারতবাসীর কাছে। টানা ১০টা ম্যাচ জিতে ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হারটা অনেকেরই হজম হচ্ছে না। কিন্তু যারা এতদিন এক টানা এতগুলো ম্যাচ জেতালেন তাদের কী অবস্থা?