রিয়াল দুর্গে হারল বার্সা, শিরোপার আরও কাছে ভিনিরা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : লা লিগায় এবারের মৌসুমে প্রথম এল ক্লাসিকো যেন ফিরে এলো ফিরতি দেখায়। এবারও ম্যাচের নায়ক জুড বেলিংহ্যাম। রিয়ালের দুর্গ সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে উল্লাস—৩-২ রোমাঞ্চের। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে রিয়াল সমর্থকদের উল্লাসে ভাসিয়েছেন বেলিংহ্যাম।

রোববার বার্নাব্যুতে ম্যাচের শুরুতেই জমে উঠে এল ক্লাসিকো। মাত্র ৬ মিনিটে এগিয়ে যায় জাভির শিষ্যরা। রাফিনিয়ার ক্রস থেকে দারুণ হেডে বার্সেলোনার প্রথম গোলটি করেন ক্রিস্টেনসেন। তবে সমতায় ফিরতে বেশি সময় নেয়নি রিয়াল। ম্যাচের ১৬ মিনিটে কাউন্টার অ্যাটাকে যায় স্বাগতিকরা।

জোয়াও কানসেলোকে পাশ কাটিয়ে বক্সে ঢুকেছিলেন লুকাস ভাসকেস। কিন্তু তাকে ফাউল করে বার্সার জন্য বিপদ ডেকে আনেন কুবারসি। পেনাল্টিতে গোল আদায় করে নেন ভিনিসিয়ুস।

বিরতির পর দুদলই সমান তালে লড়াই চালিয়ে যায়। ম্যাচের ৬৯ মিনিটে ইয়ামালের শট লুনিন ঠেকিয়ে দিলেও ফিরতি শটে গোলে এগিয়ে যায় কাতালানরা। ফারমিন লোপেসে পা থেকে সাফল্য পায় বার্সা। কিন্তু লিড চার মিনিটের বেশি ধরে রাখতে পারেনি বার্সা। ভিনির নিখুঁত ক্রসে জোরালো শট নিয়ে বার্সা গোলরক্ষক টার স্টেগানকে পরাস্ত করেন ভাসকেস।

ম্যাচে সমতা ফিরলে জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে দুদল। তবে বার্সার দুর্গে একের পর এক হানা দেয় রিয়াল। অতিরিক্ত সময়ের শুরুতেই ভাসকেসের দূরপাল্লার ক্রস পেছনে থাকা বেলিংহ্যামের জন্য ছেড়ে দেন হোসেলু। বার্সা ডিফেন্ডারকে বোকা বানিয়ে দুর্দান্ত শটে বার্সার কফিনে শেষ প্যারেক ঠুকে দেন বেলিংহ্যাম।

এই জয়ে ৩২ ম্যাচে ৮১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থান আরও শক্ত করল রিয়াল। দুইয়ে থাকা চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সার সঙ্গে তাদের ব্যবধান বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ পয়েন্টে। সমান ম্যাচ খেলে ৭০ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুই নম্বরে জাভি হার্নান্দেজ বাহিনী।




রিয়াল-বার্সা ক্লাসিকোসহ টিভিতে খেলার সূচি




আমির-শাহিনের তোপে পাকিস্তানের কাছে পাত্তাই পেল না নিউজিল্যান্ড

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : পাঁচ ম্যাচ সিরিজের প্রথমটি ভেসে গিয়েছিল বৃষ্টি বাধায়। সেই ম্যাচ দিয়েই প্রায় চার বছর পর পাকিস্তানের জার্সিতে ফিরেছিলেন মোহাম্মদ আমির।

কিন্তু বল হাতে কিছু করার সুযোগ পাননি এই বাঁহাতি পেসার। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে ঠিকই নিজেকে নতুন করে চেনালেন তিনি।

দারুণ বোলিং করলেন শাহিন শাহ আফ্রিদিও। তাদের দাপুটে বোলিংয়ে ভর করে নিউজিল্যান্ডকে উড়িয়ে দিল পাকিস্তান।

শনিবার রাওয়ালপিন্ডিতে দ্বিতীয় ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে পাকিস্তান। আমির-শাহিনদের তোপে আগে ব্যাট করে স্রেফ ৯০ রানে গুটিয়ে যায় কিউইরা।

লক্ষ্য তাড়ায় মোহাম্মদ রিজওয়ানের ৪৫ রানের ইনিংসে ভর করে ৪৭ বল হাতে রেখেই ম্যাচ জিতে যায় পাকিস্তান।




পাওয়ার প্লেতে হায়দরাবাদের বিশ্বরেকর্ড

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে চার ছক্কার ঝড় তুলেছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ব্যাটাররা। দিল্লি ক্যাপিটালসের বিপক্ষে ছয় ওভারে বিনা উইকেটে ১২৫ রান সংগ্রহ করেছে দলটি। এতেই স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে পাওয়ার প্লেতে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড নিজেদের করে নিয়েছে হায়দরাবাদ।

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) চলমান আসরের ৩৫তম ম্যাচে দিল্লির মুখোমুখি হয় হায়দরাবাদ। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ঝড় তোলেন হায়দরাবাদের দুই ওপেনার ট্রাভিস হেড ও অভিষেক শর্মা। ইনিংসের পঞ্চম ওভারে দলীয় শতরান পূর্ণ করে হায়দরাবাদ। শেষ পর্যন্ত পাওয়ার প্লে তে বিশ্বরেকর্ড গড়ে দলটি।

এর আগে পাওয়ার প্লেতে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডটি ছিল কলকাতা নাইট রাইডার্সের দখলে। ২০১৭ সালে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে ১০৫ রান তুলেছিল দলটি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১০২ রান সংগ্রহ করেছিল দলটি।

আইপিএলে পাওয়ায় প্লেতে সর্বোচ্চ রান
সানরাইজার্স হায়দরাবাদ: ১২৫/০ প্রতিপক্ষ দিল্লি ক্যাপিটালস – ২০২৪ সাল
কলকাতা নাইট রাইডার্স: ১০৫/০ প্রতিপক্ষ রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু – ২০১৭ সাল

এর মধ্য দিয়ে যায় দিল্লির সামনে ২৬৭ রানের আকাশছোঁয়া লক্ষ্য দেয় হায়দরাবাদ।

জবাবে দিল্লি ১৯৯ রানে অলআউট হয়ে ৬৭ রানে হারে।

এত বড় রান তাড়ায় জেইক ফ্রেজার ম্যাগার্ক আর অভিষেক পোরেল ছাড়া দিল্লির কারো ব্যাট হাসেনি।

এ নিয়ে টানা চার ম্যাচ জিতে পয়েন্ট টেবিলের দুইয়ে আছে হায়দরাবাদ। সাত ম্যাচে তাদের জয় পাঁচটি। অন্যদিকে আট ম্যাচে তিন জয় নিয়ে টেবিলের সাতে আছে দিল্লি।




দেশীয় খেলাকে সমান সুযোগ দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশীয় খেলাধুলাকে সমান সুযোগ দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, শুধু ফুটবল নয়, আমাদের নিজস্ব যেসব খেলাধুলা রয়েছে, সেখানে খুদে খেলোয়াড়রা সুযোগ পেতে পারে। এর মাধ্যমে কোমলমতিদের মেধা বিকাশের সুযোগ তৈরি হবে।

শনিবার বিকেলে রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে ‘বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট’ ও ‘বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট’ এর পুরস্কার বিতরণীতে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। খবর বাসসের।

সরকারপ্রধান বলেন, আমরা সরকারে এলেই ছেলেমেয়েদের খেলাধুলার প্রতি অনুরাগী করে তুলতে চেষ্টা করেছি। কারণ, খেলাধুলা মানুষের শারীরিক ও মানসিক শক্তির বিকাশ ঘটায়। শৃঙ্খলা, আনুগত্যের শিক্ষা দেয় ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। খেলাধুলার মধ্য দিয়ে আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি; বিশ্বের কাছে পরিচিত করতে পারি।

তিনি বলেন, সব ধরনের খেলাধুলার বিকাশে সরকার প্রতিটি উপজেলায় একটি করে মিনি স্টেডিয়াম করে দিচ্ছে। আমি চাই, আমাদের ছেলেমেয়েরা লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা, শরীরচর্চা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিজেদের উপযুক্ত হিসেবে গড়ে তুলবে।

প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে এসে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টের চূড়ান্ত খেলা উপভোগ করেন। বঙ্গমাতা গোল্ডকাপের ফাইনালে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম টেপুরগাড়ি বি কে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৩-১ গোলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে পরাজিত করে। এর আগে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের ফাইনালে জামালপুরের মাদারগঞ্জ চরগোলাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ২-১ গোলে রংপুরের মিঠাপুকুর তালিমগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়।

প্রধানমন্ত্রী দুটি টুর্নামেন্টের চূড়ান্ত খেলায় বিজয়ী ও পরাজিত দলের খেলোয়াড়দের মাঝে ট্রফি, প্রাইজমানির চেকের রেপ্লিকা এবং খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত পুরস্কার তুলে দেন। টেপুরগাড়ি বি কে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাহমুদা আক্তার সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে গোল্ডেন বুট ও একই বিদ্যালয়ের রিশা আক্তার সেরা খেলোয়াড়ের গোল্ডেন বল লাভ করেন।

বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের চ্যাম্পিয়ন জামালপুরের মাদারগঞ্জ চরগোলাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাজ্জাদ হোসেন গোল্ডেন বুট ও মো. আকাশ গোল্ডেন বল জয় করেন। পুরস্কার বিতরণী পর্বে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী রুমানা আলী এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ বক্তৃতা করেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ২০১০ সাল থেকে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট এবং ২০১১ সাল থেকে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজন করে আসছে। চার মাসব্যাপী এবারের দুটি টুর্নামেন্টে পুরুষ ও নারী বিভাগে ৬৫ হাজার ৩৫৪টি স্কুলের ১১ লাখ ১১ হাজার ১৮ ছাত্র এবং ৬৫ হাজার ৩৫৪টি স্কুলের ১১ লাখ ১১ হাজার ১৮ ছাত্রী ইউনিয়ন থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত অংশ নিয়েছে।

প্রচণ্ড তাপপ্রবাহের মধ্যে এ খেলায় নৈপুণ্য প্রদর্শনের জন্য বক্তৃতার শুরুতেই খুদে খেলোয়াড়দের অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী। দুটি টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলকে অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি তিনি প্রচণ্ড তাপপ্রবাহের মধ্যে খেলার কারণে কোমলমতিদের শারীরিক কোনো সমস্যা হয় কিনা, তা নিয়ে চিন্তিত ছিলেন বলে জানান।

বঙ্গবন্ধু থেকে শুরু করে তাঁর পরিবারের সদস্যদের ক্রীড়াঙ্গনে জড়িত থাকার কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ফুটবল খেলা প্রেরণা জুগিয়েছে মুক্তিযোদ্ধাদের। দেশের ক্রীড়াঙ্গন অনেক দূর এগিয়েছে। ছেলেরাই শুধু নয়, মেয়েরাও বিদেশে পারদর্শিতা দেখাতে পারছে। আমি বিশ্বাস করি, আমাদের খুদে ফুটবলাররা একদিন বাংলাদেশের জন্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে থেকে আরও বেশি সম্মান বয়ে আনবে।




আজ টিভিতে খেলা




মুস্তাফিজের খেলাসহ টিভিতে যা দেখবেন




আজ টিভিতে যেসব খেলা দেখব




ম্যান সিটির হৃদয় ভেঙে সেমিফাইনালে রিয়াল

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : রদ্রিগোর গোলে আলো ছড়িয়ে শুরুটা হয় রিয়াল মাদ্রিদের। এরপর একের পর এক আক্রমণে দলটির রক্ষণে ভীতি ছড়ায় ম্যানচেস্টার সিটি।

পুরো ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে গোলও পায়। ড্র নিয়ে ম্যাচ অতিরিক্ত সময় পার করে গড়ায় টাইব্রেকারে।

সেখানেই রিয়াল করে বাজিমাত। আন্দ্রে লুনিন নৈপুণ্যে আরও একবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে কোয়ালিফাই করলো ইউরোপের সবচেয়ে সফলতম দলটি।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের দ্বিতীয় লেগে ইতিহাদ স্টেডিয়ামে ম্যানচেস্টার সিটির সঙ্গে নির্ধারিত সময়ে ১-১ গোলে ড্র করার পর টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে জয়লাভ করে রিয়াল মাদ্রিদ। প্রথম লেগে ৩-৩ ড্রয়ের ফলে ৪-৪ ব্যবধানের কারণে ম্যাচ টাইব্রেকারে গড়ায়।

প্রতিপক্ষের মাঠে রিয়াল মাদ্রিদের শুরুটা হয়েছে দারুণ। এগিয়ে যেতে খুব বেশি সময় নেয়নি স্প্যানিশ ক্লাবটি। ম্যাচের দ্বাদশ মিনিটেই রদ্রিগোর গোলে এগিয়ে যায় তারা। ডান দিক থেকে আক্রমণে গিয়ে ভালভার্দেকে খুঁজে নেন বেলিংহ্যাম। উরুগুয়ে মিডফিল্ডার থেকে বল নিয়ে রদ্রিগোকে বাড়ান ভিনিসিয়ুস। ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের প্রথম শট এদারসন ঠেকিয়ে দিলেও ফিরতি শটে জাল খুঁজে নেন।

গোল হজম করে সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে সিটি। ১৯তম মিনিটে দারুণ এক সুযোগ পায় তারা। ডি ব্রুইনার জোরালো শট ঠেকিয়ে দেন লুনিন। ফিরতি বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে হেড নেন হালান্ড, যেটি গোলবারে লেগে ফিরে আসে। ফিরতি শটে বল বাইরে পাঠিয়ে দেন বের্নান্দো সিলভা। ২৪তম মিনিটে ব্যবধান বাড়াতে পারত রিয়াল। তবে ভিনিসিয়ুসের দেওয়া দারুণ পাস ঠিকঠাক শট নিতে পারেননি ভালভার্দে।

২৮তম মিনিটে ডি ব্রুইনা নৈপুণ্যে আরও এক দারুণ সুযোগ পায় সিটি। তবে তার দেওয়া ক্রস ঠিকঠাক হেড নিতে পারেননি হালান্ড। ফলে সহজেই বল নিয়ন্ত্রণে নেন লুনিন। ৩২তম মিনিটে আরও একটি সুযোগ পায় স্বাগতিকরা। তবে গ্রিলিসের নেওয়া শট ঠেকিয়ে দেন দানি কারভাহাল।

বিরতির পর আক্রমণ আরও বাড়ায় ম্যান সিটি। তার সুফলও পায় তারা। তবে অপেক্ষা করতে হয় লম্বা সময়। ৭৬তম মিনিটে কেভিন ডি ব্রুইনার গোলে সমতায় ফিরে ইংলিশ ক্লাবটি। বদলি হয়ে নামা দোকু বল টেনে নিয়ে শট নিলে সেটি ঠেকিয়ে দেন রুডিগার। কিন্তু বক্সে থাকা ডি ব্রুইনা ফিরতি বল লুনিনের মাথার ওপর দিয়ে জালে পাঠান। পরবর্তীতে আরও কয়েকটি আক্রমণ করে তারা। তবে নির্ধারিত সময়ে গোল না হলে খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।

৯৯তম মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত ম্যান সিটি। তবে সিলভার দেওয়া ক্রস ফোডেনের পায়ে লেগে লুনিনের কাছে চলে যায়। অতিরিক্ত সময়ের যোগ করা সময়ে রুডিগারের বুলেট গতির ভলি উপর দিয়ে উড়ে যায়। অতিরিক্ত সময়ের শেষ মিনিটে দারুণ এক সুযোগ তৈরি করে সিটি। ডান দিক থেকে আক্রমণে গিয়ে বল টেনে নিয়ে বক্স থেকে শট নেন আলভারেস। যদিও লুনিন সেটি সহজেই ঠেকিয়ে দেন। পরে আর কোনো গোল না হলে খেলা গড়ায় টাইব্রেকারে।

টান টান উত্তেজনার টাইব্রেকারে আলভারেস শুরুতেই স্পট কিকে সফল হন। কিন্তু রিয়ালের প্রথম পেনাল্টি মিস করেন মদ্রিচ। সিটির পরের পেনাল্টি নিতে গিয়ে লুনিনের হাতে বল তুলে দেন সিলভা। তবে রিয়ালের হয়ে এবার সফল কিক নেন বেলিংহ্যাম। তৃতীয় পেনাল্টিতে সিটির কোভাচিচের স্পট কিক ঠেকিয়ে দেন লুনিন। আর রিয়ালের হয়ে গোল করেন লুকাস ভাসকেস। পরবর্তীতে সিটির ফিল ফোডেন ও এদেরসন গোল পায়। আর রিয়ালের নাচো ও রুডিগারের পেনাল্টি মিস না হলে আনন্দে ভাসে ক্লাবটি।

একই রাতের আরেক কোয়ার্টার ফাইনালে ঘরের মাঠে আর্সেনালকে ১-০ ব্যবধানে হারায় বায়ার্ন। প্রথম লেগে ২-২ ড্রয়ের ফলে ৩-২ ব্যবধানের অগ্রগামিতায় সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে জার্মান ক্লাবটি। ফিরতি লেগে তাদের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন জশুয়া কিমিচ।




চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচসহ টিভিতে যেসব খেলা দেখবেন