ভুল প্রশ্নে এসএসসি পরীক্ষা, উজিরপুরে দুই দায়িত্বশীল বরখাস্ত

বরিশাল অফিস : বরিশালের উজিরপুরে ভুল প্রশ্নপত্রে এসএসসি পরীক্ষা নেওয়ার অভিযোগে কেন্দ্র সচিবসহ দুইজনকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় উপজেলা প্রশাসন এ সিদ্ধান্ত নেয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আলী সুজা জানান, হাবিবপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষায় গুরুতর অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় কেন্দ্র সচিব মো. ফারুক হোসেন ও সহকারী শিক্ষক খগেন মন্ডলকে এসএসসি পরীক্ষার সকল দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, অনিয়মিত শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত ২০২৫ সালের প্রশ্নপত্রের পরিবর্তে ২০২৬ সালের নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে পরীক্ষার্থীদের ফলাফল নিয়ে অনিশ্চয়তা ও জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে।

প্রশাসন জানায়, বিষয়টি তদন্ত করে নিশ্চিত হওয়ার পরই দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়ে বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এদিকে, একই উপজেলার শহীদ স্মরণিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রেও অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। এর প্রেক্ষিতে ওই কেন্দ্রের সচিব ও প্রধান শিক্ষক সুশেন মন্ডলকে পরীক্ষার প্রথম দিন (২১ এপ্রিল) দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। শিক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা বজায় রাখতে প্রশাসন এমন অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথা জানিয়েছে।




উজিরপুরে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অগ্নিকাণ্ড, প্রায় ৪ লাখ টাকার ক্ষতি

 

বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ধামুরা বাজারে একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এতে প্রায় ৪ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল ) সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে “জনসেবা ডায়াগনস্টিক সেন্টার”-এ এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ওই সময় প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ থাকায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে পথচারীরা সেন্টারের ভেতর থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখে আশপাশের লোকজনকে খবর দেন। পরে সেন্টারের মালিকসহ স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন।

খবর পেয়ে উজিরপুর ফায়ার সার্ভিসের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টার পর সকাল ৯টা ২০ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।

জানা গেছে, ডায়াগনস্টিক সেন্টারটি মোঃ বজলুর রহমান, মোঃ হোসেন ও জাকির হোসেনের যৌথ মালিকানাধীন। আগুনে ভেতরে থাকা বিভিন্ন চিকিৎসা যন্ত্রপাতি, আসবাবপত্রসহ গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম পুড়ে যাওয়ায় উল্লেখযোগ্য আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।

ঘটনার পর উজিরপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ নির্ধারণে তদন্ত চলছে এবং পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।




ঢাকা–বরিশাল রুটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, যাত্রীদের ক্ষোভ

 

বরিশাল অফিস :: সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে ঢাকা–বরিশাল মহাসড়কে বাসভাড়া ইচ্ছেমতো বাড়িয়ে জনপ্রতি ৫০ টাকা অতিরিক্ত আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা এবং বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বরিশালের নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল ঘুরে দেখা যায়, নির্ধারিত ৫৫০ টাকার পরিবর্তে যাত্রীদের কাছ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। একাধিক পরিবহনের কাউন্টারে একই চিত্র দেখা গেছে।

অভিযোগ রয়েছে, শ্যামলী পরিবহন, হানিফ পরিবহন এবং সাকুরা পরিবহনসহ বিভিন্ন পরিবহন সংস্থা কোনো প্রকার পূর্ব ঘোষণা বা সরকারি অনুমোদন ছাড়াই বাড়তি ভাড়া আদায় করছে।

যাত্রীরা জানান, হঠাৎ করেই এ ভাড়া বৃদ্ধি করা হয়েছে। এতে প্রতিদিন যাতায়াতকারী সাধারণ মানুষ আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

ব্যবসায়ী মনিরুজ্জামান খোকন বলেন, “সব সময় ৫৫০ টাকায় ঢাকা যাই। কিন্তু এখন ৬০০ টাকা নিচ্ছে। প্রতিটি যাত্রীর কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে, যা এক ধরনের হয়রানি।”

একই অভিযোগ করেন নারী যাত্রী খাইরুন্নাহার আসমা। তিনি বলেন, “কাউন্টারে বলা হচ্ছে তেলের দাম বেড়েছে, তাই ভাড়া বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু সরকার তো এমন কোনো ঘোষণা দেয়নি।”

এ বিষয়ে বরিশাল জেলা বাস মালিক সমিতির সভাপতি মোশারফ হোসেন বলেন, “আগে ৫৫০ টাকা ভাড়া নেওয়া হতো। এখন কেন ৫০ টাকা বাড়ানো হয়েছে, তা স্পষ্টভাবে বলা যাচ্ছে না। বিষয়টি পরিবহন মালিকরাই ভালো বলতে পারবেন।”

অন্যদিকে, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, সরকারি সিদ্ধান্ত ছাড়া কোনোভাবেই বাসভাড়া বৃদ্ধি করা যাবে না। সংগঠনটির মহাসচিব মো. সাইফুল আলম এক বিবৃতিতে বলেন, “বর্তমান নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি ভাড়া নেওয়া সম্পূর্ণ বেআইনি।”

এ অবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে, সরকারি নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও কীভাবে প্রকাশ্যে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় চলছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, নজরদারির ঘাটতি থাকায় এমন অনিয়ম বাড়ছে।

যাত্রীরা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, অবিলম্বে এই অবৈধ ভাড়া বৃদ্ধি বন্ধ করে নির্ধারিত ভাড়ায় টিকিট বিক্রি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

**এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫**

 




জ্বালানি সংকটে বন্ধরে পথে ভোলা-বরশিাল স্পডিবোট চলাচল

ভোলার সঙ্গে বরশিালরে দ্রুত যোগাযোগরে মাধ্যম স্পডিবোট। পট্রেোল সংকটে এই নৌযানরে যাতায়াত এখন বন্ধরে পথ।ে র্অধকেরেও বশেি স্পডিবোট জ্বালানি সংকটে বন্ধ হয় পড়ে আছ।ে ফলে ঘাটে গয়িে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপক্ষোর করতে হচ্ছে যাত্রীদরে। মানবতের

এদকিে স্পডিবোটরে মালকি ও শ্রমকিরা জানান, পট্রেোল সংকটরে কারণে বন্ধ হয়ে গছেে অনকেরে আয়-রোজগার। এতে র্কমহীন হয়ে পড়ছেনে তারা। পরবিার-পরজিন নয়িে দুশ্চন্তিায় দনি কাটছে তাদরে।

জানা যায়, ভোলা-বরশিাল রুটে লঞ্চরে প্রায় আড়াই ঘণ্টার নৌপথে ২০০৪ সালে ভোলার ভদেুরয়িা লঞ্চঘাট এলাকা থকেে ভোলা-বরশিাল স্পডিবোট র্সাভসি চালু হয়। এতে সময় লাগে মাত্র ৪০ মনিটি। ভোলা-বরশিাল রুটে প্রতদিনি প্রায় শতাধকি স্পডিবোট যাতায়াত কর।ে সময় কম লাগায় ভোলার রোগী ও সাধারণ যাত্রীদরে কাছে বশে জনপ্রয়ি হয়ে উঠছেে স্পডিবোট র্সাভসিট।ি ভোলার ভদেুরয়িা ঘাটে ১০৫টি স্পডিবোট থাকলওে পট্রেোল সংকটরে কারণে বন্ধ হয়ে গছেে র্অধকেরেও বশেি বোট। তাই র্বতমানে আগরে মতো সহজে যাতায়াত করতে পারছনে না যাত্রীরা। সবচয়েে বশেি র্দুভোগে পড়ছেনে রোগী ও তাদরে স্বজনরা।

রোগীর স্বজন মো. সরিাজুল ইসলাম ও মো. ইব্রাহীম জানান, ভোলা ২৫০ শয্যা জনোরলে হাসপাতাল থকেে রোগীকে বরশিাল শরেে বাংলা মডেকিলে কলজে হাসপাতালে রফোর করছে।ে তাই রোগী নয়িে বরশিালে উদ্দশ্যেে ভদেুরয়িা ঘাটে এসছে।ি লঞ্চে করে গছেে প্রায় আড়াই ঘণ্টা লাগব।ে জরুরি ভত্তিতিে বরশিাল নতিে হবে এজন্য স্পডিবোটরে অপক্ষো করছি রোগী নয়ি।ে কন্তিু বোট পাওয়া যাচ্ছে না।

তনিি আরও বলনে, বোট মালকি ও চালকরা বলছনে পট্রেোল সংকটরে কারণে অনকে বোট বন্ধ হয়ে যাওয়ার বোটরে সংকট রয়ছে।ে ভদেুরয়িা ঘাটে এসে ৩০ মনিটি পর অবশষেে বোট পয়েছে।ি এখন রোগী নয়িে বরশিাল যাচ্ছ,ি কী হবে জানি না।

যাত্রী মো. শহীদুল ইসলাম ও আনোয়ার হোসনে জানান, তারা চাকরজিীবী। ভোলায় চাকরি করনে একটি কোম্পানতি।ে সকাল ৯টার দকিে বরশিালে জরুরি মটিংিয়ে অংশ নতিে হব,ে তাই সকালে রওয়ানা হয়ছেনে। ভদেুরয়িা ঘাটে লঞ্চ থাকলওে স্পডিবোট নইে। এতে ঘাটে এসে চরমভাবে ভোগান্ততিে পড়ছেনে। লঞ্চে গলেে আড়াই ঘণ্টা সময় লাগব,ে এতে মটিংিয়ে অংশ নওেয়া হবে না।

জ্বালানি সংকটে বন্ধরে পথে ভোলা-বরশিাল স্পডিবোট চলাচল

তারা আরও জানান, আমরা সব সময়ই স্পডিবোটে করে বরশিাল যাই, কন্তিু পট্রেোল সংকটরে কারণে ভোগান্ততিে পড়ছে।ি প্রায় ৪৫ মনিটি অপক্ষো করওে এখনও বোট মলেনে।ি সবাই বলে তলে পলেে যাব।ে

ফরিোজ হাওলাদার ও নূরউদ্দনি ময়িা নামে দুই যাত্রী জানান, ভদেুরয়িা ঘাটে আগে ৫ থকেে ১০ মনিটি পর পর স্পডিবোট বরশিাল ও লাহারহাট ঘাটে যতে। কন্তিু এখন ৩০ মনিটি থকেে ১ ঘণ্টা পরপর যায়। এতে সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে কষ্ট হচ্ছ।ে দ্রুত পট্রেোল সংকটরে সমাধান দাবি করনে তারা।

স্পডিবোট চালক মো. মোকতার হোসনে জানান, তনিি এক মালকিরে স্পডিবোট চালয়িে দনৈকি ৫০০-৬০০ টাকা বতেন পতেনে। কন্তিু র্বতমানে পট্রেোল সংকটরে কারণে ওই মালকিরে বোট বন্ধ হয়ে গছে।ে তাই ৪-৫ দনি ধরে আয় রোজগার নইে। সংসার চালাতওে পারছনে না। প্রতদিনি বোট ঘাটে এসে অপক্ষো করছনে, তলে পলেে আবারও বোট নয়িে বরে হতে পারবনে।

স্পডিবোট মালকি মো. সাইফুল ইসলাম বলনে, ভদেুরয়িা ঘাটে আমার বোট চলে প্রায় ২০ বছর ধর।ে এমন তলে সংকটে কখনও পড়নি।ি পট্রেোল সংকটরে কারণে আমার বোট প্রায় সাতদনি ধরে ঘাটে বঁেধে রখেছে।ি কোনো আয়-রোজগার নইে। এনজওি থকেে ঋণ নয়িে বোটরে কাজ কর।ি এখন কস্তিি কীভাবে চালাবো জানি না।

ভদেুরয়িা ঘাটরে স্পডিবোট মালকি সমতিরি সভাপতি মো. শখে ফরদি জানান, প্রায় ২০-২৫ দনি ধরে পট্রেোল সংকটরে পড়ছেে স্পডিবোট। গত সাতদনি সংকট আরও বশেি সৃষ্টি হয়ছে। ভদেুরয়িা ঘাট থকেে প্রতদিনি শতাধকি বোট যাতায়াত করলওে র্বতমানে তা করতে পারছে না। পট্রেোল না পয়েে আমাদরে ঘাটরে প্রায় র্অধকেরে মতো বোট বন্ধ হয়ে গছে।ে অনকে মালকি ও শ্রমকি আয় বন্ধ হয়ে মানবতের জীবনযাপন করছনে। আমরা সরকারি প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছ,ি দ্রুত পট্রেোল সংকট দূর করার জন্য।

তনিি আরও জানান, ভোলা-বরশিাল রুটে ভোলার ভদেুরয়িা ঘাট থকেে বরশিালরে লাহার হাট ঘাট ও বরশিাল ঘাট এই দুই রুটে প্রতদিনি রোগী, রোগীর স্বজনসহ প্রায় এক হাজার যাত্রী পারাপার হয়। দ্রুত সমস্যা

এ বষিয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে জলো প্রশাসক শামীম রহমান গণমাধ্যমর্কমীদরে সঙ্গে কথা বলতে রাজি হনন। তার দাব,ি এ বষিয়ে তার কাছে কোনো তথ্য নইে ও স্পডিবোটরে পক্ষে পট্রেোল সংকটরে বষিয়ে কউে জলো প্রশাসকরে কাছে আবদেন করনে।ি




১২ মার্চ বসছে নতুন সংসদ, স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আগামী ১২ মার্চ আহ্বান করা হচ্ছে। ওই অধিবেশনেই স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

সচিবালয়ে আয়োজিত ‘সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ গঠন’ বিষয়ক সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী । সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বানের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি যে প্রজ্ঞাপন জারি করেন, তা অধিবেশন শুরুর কমপক্ষে ১৫ দিন আগে জারি করতে হয়। এ সংক্রান্ত সারসংক্ষেপ জাতীয় সংসদ সচিবালয় থেকে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হবে। প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি আনুষ্ঠানিকভাবে অধিবেশন আহ্বান করবেন। আলোচনার ভিত্তিতে ১২ মার্চ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রথম অধিবেশনে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন ছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ কিছু কার্যসূচি থাকবে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা অধ্যাদেশগুলো সংসদে উপস্থাপন করা হবে। পাশাপাশি সংসদের নিয়মিত কার্যক্রমও শুরু হবে।

রাজধানীর আদাবর এলাকায় একটি অফিসে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি সরকার অবগত আছে। ঘটনার তদন্ত করে বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

রাজনৈতিক মহলে মনে করা হচ্ছে, নতুন সরকারের অধীনে প্রথম সংসদ অধিবেশন ঘিরে গুরুত্বপূর্ণ আইন প্রণয়ন ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের সূচনা হতে পারে।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




২৬ ফেব্রুয়ারি একুশে পদক ও বইমেলার উদ্বোধন, প্রধানমন্ত্রীর দ্বৈত কর্মসূচি

আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে একুশে পদক প্রদান ও অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। সকালে পদক বিতরণ এবং বিকেলে বইমেলার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ।

সংস্কৃতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে গুণীজনদের হাতে একুশে পদক তুলে দেওয়া হবে। এরপর বিকেলে প্রাঙ্গণে অমর একুশে বইমেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করবেন প্রধানমন্ত্রী।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দুই অনুষ্ঠান ঘিরে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা, অতিথি তালিকা, নিরাপত্তা ও প্রটোকলসহ সব দিকেই চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

এবারের বইমেলায় অংশগ্রহণকারী প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। স্টল ভাড়া সম্পূর্ণ মওকুফ করা হয়েছে, যা প্রকাশকদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এতে ছোট ও মাঝারি প্রকাশকদের অংশগ্রহণ আরও বাড়বে।

গত বছর প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী ২০২৬ সালের একুশে পদকের জন্য ৯ জন ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে মনোনীত করা হয়েছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে পদক পাচ্ছেন—চলচ্চিত্রে , চারুকলায় অধ্যাপক , স্থাপত্যে , সংগীতে (মরণোত্তর), নাট্যকলায় , সাংবাদিকতায় , শিক্ষায় অধ্যাপক , ভাস্কর্যে এবং নৃত্যকলায় । সংগীত দল হিসেবে মনোনীত হয়েছে ।

একুশে পদক রাষ্ট্রের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা। ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে ১৯৭৬ সাল থেকে প্রতিবছর গুণী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে এই পদক প্রদান করা হচ্ছে। নীতিমালা অনুযায়ী, প্রত্যেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে এককালীন ৪ লাখ টাকা, ৩৫ গ্রাম ওজনের স্বর্ণপদক, একটি রেপ্লিকা এবং সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়।

এ বছর সাহিত্য বিভাগে কোনো মনোনয়ন ঘোষণা করা হয়নি। মনোনয়ন আহ্বান করা হয়েছিল গত বছরের জুলাইয়ের শেষ দিকে এবং জমা দেওয়ার শেষ সময় ছিল ৩০ অক্টোবর। গত ৫ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনীতদের নাম প্রকাশ করা হয়।

সাংস্কৃতিক অঙ্গনে একুশে পদক ও বইমেলার উদ্বোধনকে বছরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন হিসেবে দেখা হয়। ভাষা আন্দোলনের চেতনা ও সৃজনশীল চর্চাকে সামনে রেখে এই দুই অনুষ্ঠান ঘিরে ইতোমধ্যেই বইপ্রেমী ও সংস্কৃতিপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ঈদের আগেই ‘ফ্যামিলি কার্ড’: ৫০ লাখ পরিবার পাচ্ছে মাসে ২ হাজার টাকা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দেওয়া অন্যতম বড় প্রতিশ্রুতি ছিল ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি। নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পর এবার সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে সরকার। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগেই পরীক্ষামূলকভাবে দেশের কয়েকটি অঞ্চলে প্রান্তিক মানুষের হাতে এই কার্ড তুলে দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

সরকারের প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, সারাদেশে ৫০ লাখ স্বল্পআয়ের ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারকে মাসে ২ হাজার টাকা করে সরাসরি আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। এই হিসাবে এক অর্থবছরে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১২ হাজার ৭২ কোটি টাকা, যার মধ্যে ক্যাশ-আউট চার্জও অন্তর্ভুক্ত। তবে বিদ্যমান সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করলে উল্লেখযোগ্য অর্থ সাশ্রয়ের সুযোগ রয়েছে বলে মনে করছেন নীতিনির্ধারকরা।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সামাজিক নিরাপত্তা খাতে আগে থেকেই যেসব কর্মসূচি চালু আছে সেগুলোর উপকারভোগীদের তথ্য একীভূত করে নতুন কাঠামোর আওতায় আনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এতে প্রায় ৫ হাজার ৬১৯ কোটি টাকা সাশ্রয়ের হিসাব দেখানো হয়েছে। সে ক্ষেত্রে সরকারের নতুন করে অর্থের প্রয়োজন হবে প্রায় ৬ হাজার ৪৫৩ কোটি টাকা।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) অর্থ মন্ত্রণালয়ে অর্থমন্ত্রী –এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে কর্মসূচির সম্ভাব্য বাস্তবায়ন কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।

কারা অগ্রাধিকার পাবেন তা নিয়েও একটি প্রাথমিক কাঠামো তৈরি হয়েছে। জাতীয় পরিচয়পত্র থাকা বাধ্যতামূলক হবে। স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিল বা ইউনিয়ন পরিষদের সুপারিশের ভিত্তিতে তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। গ্রামীণ দরিদ্র, ভূমিহীন কৃষিশ্রমিক, দিনমজুর, উপার্জনে অক্ষম সদস্যবিশিষ্ট পরিবার, নারীপ্রধান পরিবার, বিধবা, তালাকপ্রাপ্তা বা স্বামী পরিত্যক্তা নারী, ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সী অবিবাহিত মেয়ের পরিবার, প্রতিবন্ধী বা অটিজম আক্রান্ত সদস্য থাকা পরিবার অগ্রাধিকার পাবে। যেসব পরিবারের বসতঘর মাটি, পাটকাঠি বা বাঁশের তৈরি এবং কৃষিযোগ্য জমি নেই, তারাও তালিকায় এগিয়ে থাকবে।

বর্তমানে –এর আওতায় প্রায় ৬৫ লাখ পরিবার ভর্তুকিমূল্যে পণ্য পাচ্ছে। এছাড়া মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভালনারেবল ওম্যান কর্মসূচি এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির উপকারভোগীদের তথ্য সমন্বয়ের পরিকল্পনাও রয়েছে। দ্বৈত সুবিধা এড়াতে একই পরিবারের একাধিক সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে না। সিঙ্গেল রেজিস্ট্রি সিস্টেমে তথ্য যাচাই করে যাদের দ্বৈততা পাওয়া যাবে, তাদের বাদ দেওয়া হতে পারে।

প্রযুক্তিনির্ভর যাচাই প্রক্রিয়ার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। অর্থ বিভাগের সামাজিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম ব্যবহার করে পাইলট প্রকল্প চালুর প্রস্তাব রয়েছে। নিবন্ধনের ক্ষেত্রে এনআইডি নম্বর, জন্মতারিখ, মোবাইল নম্বর ও ইউনিয়নের নাম—এই চারটি তথ্য প্রয়োজন হবে। সিঙ্গেল রেজিস্ট্রি সিস্টেমে ইতোমধ্যে ৪ কোটির বেশি উপকারভোগীর তথ্য সংরক্ষিত আছে, যা দিয়ে দ্রুত যাচাই সম্ভব।

জাতীয় পরিচয়পত্র ডাটাবেজ, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন, টিআইএন, বিটিআরসি আইএমইআই তথ্যভাণ্ডার, জাতীয় সঞ্চয়পত্র, সরকারি কর্মচারী ও পেনশনার ডাটাবেজ এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের তথ্যভাণ্ডারের সঙ্গে মিলিয়ে তথ্য যাচাইয়ের পরিকল্পনাও রয়েছে। বিকাশ, রকেট, নগদসহ মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে সরাসরি গভর্নমেন্ট টু পাবলিক পদ্ধতিতে অর্থ পাঠানো হবে। এতে রিয়েল-টাইম মনিটরিং সম্ভব হবে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

প্রাথমিকভাবে ৮টি উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে কর্মসূচি চালুর প্রস্তাব রয়েছে। মাঠপর্যায়ে সাত দিনের মধ্যে প্রাথমিক যাচাই, পরবর্তী ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে নীতিমালা অনুমোদন ও অর্থ বরাদ্দ, এরপর চার দিনের মধ্যে পে-রোল প্রস্তুত করে অর্থ বিতরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বিদ্যমান ডাটাবেজ কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে পারলে ঈদের আগেই প্রথম ধাপে কার্ড বিতরণ সম্ভব।

নীতিনির্ধারকরা বলছেন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিগুলোকে এক ছাতার নিচে এনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পরই বাস্তবায়ন শুরু হবে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




গভীর সমুদ্রে ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল বোর্নিও

মালয়েশিয়ার –সংলগ্ন উপকূলে শক্তিশালী একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৭.১, যা স্বাভাবিকভাবেই উপকূলীয় এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় রাত ১২টা ৫৭ মিনিটে কম্পনটি অনুভূত হয়। হঠাৎ গভীর রাতে ভূমিকম্প আঘাত হানায় অনেকেই ঘর থেকে বেরিয়ে খোলা স্থানে আশ্রয় নেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল মালয়েশিয়ার অঙ্গরাজ্যের রাজধানী থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটারেরও কম উত্তর-পূর্বে। ভূমিকম্পের গভীরতা ছিল প্রায় ৬১৯.৮ কিলোমিটার, যা অত্যন্ত গভীর বলে বিবেচিত হয়।

ভূমিকম্পটি গভীর সমুদ্রতলে উৎপত্তি হওয়ায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা কম বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানি বা বড় অবকাঠামোগত ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

এদিকে স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এই ভূমিকম্পের কারণে সুনামির আশঙ্কা নেই। গভীর সমুদ্রের নিচে কম্পন হওয়ায় পানির স্তরে বড় ধরনের অস্বাভাবিকতা সৃষ্টি হয়নি।

অন্যদিকে, ভূমিকম্পটির মাত্রা ৬.৮ হিসেবে রেকর্ড করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, সাবাহর পশ্চিম উপকূল ছাড়াও রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার কম্পন অনুভূত হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গভীরতার কারণে এই ধরনের ভূমিকম্প সাধারণত তীব্রভাবে অনুভূত হলেও তা পৃষ্ঠে বড় ধরনের ধ্বংসযজ্ঞ ডেকে আনে না। তবুও উপকূলীয় ও ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলে বসবাসকারী জনগণকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানা গেছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার হিরো আলম, আদালতে প্রেরণ

বগুড়ায় দায়ের করা ধর্ষণ ও নির্যাতনের মামলায় আশরাফুল হোসেন আলম, যিনি হিরো আলম নামে পরিচিত, তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরের দিকে শাজাহানপুর উপজেলার ঢাকা–বগুড়া মহাসড়কের থানা সংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তফা মঞ্জুর জানান, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এ দায়ের করা মামলায় গত ১০ ফেব্রুয়ারি আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। সম্প্রতি সেই পরোয়ানা পুলিশের হাতে পৌঁছালে তাকে গ্রেপ্তারের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিজ এলাকায় অবস্থানের তথ্যের ভিত্তিতে তাকে আটক করতে গেলে তিনি ঢাকার দিকে চলে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে অভিযান চালিয়ে গাড়িসহ তাকে ধাওয়া দিয়ে শাজাহানপুর থানা এলাকার কাছ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৬ মে এক নারী বাদী হয়ে বগুড়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এ মামলা দায়ের করেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে তদন্তের নির্দেশ দেন। তদন্তভার দেওয়া হয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে। তদন্ত শেষে গত ১০ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় মামলার অপর পাঁচজনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, বিয়ের প্রতিশ্রুতি ও চলচ্চিত্রে কাজের সুযোগ দেওয়ার আশ্বাসে ওই নারীর সঙ্গে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করা হয়। পরবর্তীতে বিয়ে করার আশ্বাস দিয়ে একসঙ্গে বসবাসের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। ভুক্তভোগী অন্তঃসত্ত্বা হলে তাকে গর্ভপাতের জন্য চাপ প্রয়োগ এবং মারধরের অভিযোগও রয়েছে। চিকিৎসার জন্য তাকে স্থানীয় একটি ক্লিনিক ও পরে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া সিনেমা নির্মাণের কথা বলে ভুক্তভোগীর কাছ থেকে প্রায় ১৫ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

মামলার পরবর্তী কার্যক্রম আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরিচালিত হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী, ভেঙে গেল অন্তর্বর্তী সরকার

অন্তর্বর্তী সরকার ভেঙে দিয়ে নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা দুটি পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সই করা বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুযায়ী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের আস্থাভাজন সংসদ সদস্য তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। একই সঙ্গে তার নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠনের জন্য সম্মতি প্রদান করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, নতুন সরকার গঠনের সঙ্গে সঙ্গে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ ভেঙে গেছে বলে গণ্য হবে। ফলে প্রশাসনিকভাবে অন্তর্বর্তী ব্যবস্থার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটেছে।

অন্য একটি প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে রাষ্ট্রপতি আনুষ্ঠানিকভাবে তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেন। সংবিধানসম্মত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এই নিয়োগ কার্যকর হয়েছে বলে জানানো হয়।

 

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে সরকার গঠনের প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন হয়েছে। নতুন প্রধানমন্ত্রী শিগগিরই মন্ত্রিসভা গঠন করবেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে এ ঘোষণাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ ও দায়িত্ব বণ্টন সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতা আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই সম্পন্ন হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম