ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ; আতঙ্কে এলাকাবাসী

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। সোমবার (৯ জুন) দুপুরে উপজেলার মেহারি ইউনিয়নের শিমরাইল সাতপাড়া এলাকায় প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে কয়েকটি বাড়িঘর ও দোকানপাটেও হামলার ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষ চলাকালে ককটেল বিস্ফোরণের কারণে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মেহারি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মো. আবদুল আউয়াল এবং ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির শ্রমবিষয়ক সম্পাদক মোস্তফা কামালের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক আধিপত্য নিয়ে বিরোধ চলছিল। সোমবার দুপুরে এই দ্বন্দ্ব চরম আকার ধারণ করে। একপর্যায়ে দুই পক্ষের অনুসারীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। সংঘর্ষের সময় একাধিক ককটেল বিস্ফোরিত হয়।
এ ঘটনায় গুরুতর আহতদের মধ্যে রয়েছেন কামাল মিয়া (২৪), জসিম উদ্দিন (৪০), কিবরিয়া (৫০) এবং টেঁটে বিদ্ধ সুমন মিয়া (৪৫)। তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সংঘর্ষের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কসবা থানা পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনীকেও মোতায়েন করা হয়। এ ঘটনায় পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ। বিকেল নাগাদ পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেও পুরো এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
কসবা থানার এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন , ‘এটি মূলত রাজনৈতিক আধিপত্যকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ। পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’








