ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য সংলাপের দ্বিতীয় পর্ব শুরু

জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দ্বিতীয় ধাপের মুলতবি সংলাপ পুনরায় শুরু করেছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।

রোববার (২২ জুন) সকাল সাড়ে ১১টার পর রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এ সংলাপের কার্যক্রম শুরু হয়। এতে অংশ নিয়েছেন কমিশনের সভাপতি ও প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা।

এর আগে, চলতি বছরের ২০ মার্চ থেকে ১৯ মে পর্যন্ত কমিশন ৩৩টি রাজনৈতিক দল ও জোটের সঙ্গে ৪৫টি অধিবেশনে সংলাপ চালায়। ওই সংলাপগুলোতে বেশ কিছু বিষয়ে সমঝোতা তৈরি হলেও কমিশনের মৌলিক কিছু প্রস্তাব নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দ্বিমত রয়ে যায়।

এই প্রস্তাবগুলোতে রাজনৈতিক ঐকমত্য গঠনের উদ্দেশ্যেই গত ২ মে দ্বিতীয় ধাপের সংলাপের সূচনা করেন অধ্যাপক ড. ইউনূস। তবে কিছু টেকনিক্যাল কারণে তা মুলতবি রাখা হয়েছিল। আজ তা আবার শুরু হলো।

বিশ্লেষকদের মতে, এই সংলাপ সফল হলে দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে ইতিবাচক পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি হতে পারে। সংলাপ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে বাড়ছে কৌতূহল ও প্রত্যাশা।




তিন বিতর্কিত নির্বাচনের কমিশনারদের বিরুদ্ধে মামলা করবে বিএনপি

দশম, একাদশ ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্যান্য কমিশনারদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।

রোববার (২২ জুন) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় এ মামলার আবেদন করবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তার সঙ্গে দলের আরও তিন সদস্য উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।

শায়রুল জানান, মামলার আগে সকাল ১০টায় নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে নির্বাচন কমিশনারদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের একটি কপি জমা দেওয়া হবে। এরপর থানায় মামলা দায়ের করা হবে।

বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের বিতর্কিত জাতীয় নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করা কমিশনাররা সংবিধান ও নির্বাচন আইন লঙ্ঘন করে নিরপেক্ষতা হারিয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছে দলটি।

এর আগে, গত ১৬ জুন রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন উপদেষ্টা পরিষদ এ বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেয়। বৈঠকে বিতর্কিত তিনটি নির্বাচনে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কমিশনার, সচিব ও কর্মকর্তাদের ভূমিকা তদন্তে একটি স্বাধীন কমিটি গঠনের আহ্বান জানানো হয়।

বিএনপির এই আইনি উদ্যোগকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এ মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সংলাপ ও নির্বাচন ব্যবস্থার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে আলোচনা আরও তীব্র হবে।




তিন জাতীয় নির্বাচনের সিইসি ও কমিশনারদের বিরুদ্ধে মামলা করবে বিএনপি

বিএনপি ঘোষণা দিয়েছে, বিগত তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের বিরুদ্ধে তারা মামলা করবে।

শনিবার (২১ জুন) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান। তিনি জানান, রোববার সকালে রাজধানীর শেরে বাংলা নগর থানায় এ বিষয়ে একটি মামলা দায়ের করতে যাচ্ছেন বিএনপির তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।

শায়রুল কবির খান বলেন, “দশম, একাদশ ও দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে দায়িত্বে থাকা প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনারদের বিরুদ্ধে আমরা মামলা করব। কারণ, এ নির্বাচনগুলো ছিল বিতর্কিত ও অবৈধ।”

এর আগে, গত সোমবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে তিনটি জাতীয় নির্বাচনের আয়োজন ও পরিচালনার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিবদের ভূমিকা তদন্তের নির্দেশ দেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, “যারা নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংসে ভূমিকা রেখেছেন, তাদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।”

বিএনপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, এ মামলার লক্ষ্য হচ্ছে নির্বাচন ব্যবস্থা পুনর্গঠন ও জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




নির্বাচনের ঘোষণা সময়মতোই: সিইসি

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল নির্ধারিত সময়েই ঘোষণা করা হবে। কোনো গুজব কিংবা অনিশ্চয়তা নয়, নির্বাচন কমিশন তার নিজস্ব কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী নির্বাচন আয়োজনের সকল প্রস্তুতি নিচ্ছে।

শনিবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত ‘নির্বাচনি আইন ও বিধি’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন শেষে তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।

সিইসি বলেন, “নির্বাচনের তারিখ সরকারকে অবগত করেই নির্ধারণ করা হবে। তবে স্বাধীনভাবে নির্বাচন পরিচালনার জন্য সরকারকে অব্যাহতভাবে সহযোগীতা করতে হবে—এটা বাস্তবতা।” তিনি যোগ করেন, “নির্বাচন করতে হলে সরকারের প্রশাসনিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা অপরিহার্য। সরকার ছাড়া কোনো নির্বাচন আয়োজন সম্ভব নয়।”

সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সিইসি আরও বলেন, “আমরা যে পরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন করছি, সেটাকে অনেকে রোডম্যাপ বলে থাকেন। তবে আমরা এটিকে বলছি কর্মপরিকল্পনা। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই এই কর্মপরিকল্পনার কাজ শুরু হয়েছে। কোন কাজ কখন শুরু হবে এবং কখন শেষ হবে—সবই তাতে নির্দিষ্ট করা আছে।”

সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ প্রসঙ্গে সিইসি স্পষ্ট করে বলেন, “আমরা সরকারের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত। ইনফরমালি হোক বা ফরমালি—সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ থাকতেই পারে। তবে সেটি আলাদা করে ঘোষণা দেওয়ার প্রয়োজন নেই।”

তিনি আরও বলেন, “ইসি সংস্কার কমিশনের যে সুপারিশ রয়েছে, তার আলোকে আমরা এগোচ্ছি। সময়মতো সবকিছু জানানো হবে। নির্বাচন স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করাই আমাদের অগ্রাধিকার।”

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন চার নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিব, নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালকসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



বরিশাল সদর উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতিকে অব্যাহতি

শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বরিশাল সদরের গণঅধিকার সভাপতিকে বহিষ্কার

বরিশাল অফিস :: গণঅধিকার পরিষদের বরিশাল সদর উপজেলা শাখার সভাপতি মো. সবুজ হাওলাদারকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে জানিয়েছে জেলা কমিটি।

শুক্রবার (২০ জুন) আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে এ বিষয়ে অবহিত করে একটি চিঠি প্রদান করা হয়। চিঠিটি গণঅধিকার পরিষদ বরিশাল জেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক মো. কামরুল ইসলাম স্বাক্ষর করেন।

চিঠিতে বলা হয়, বরিশাল সদর উপজেলার সভাপতি মো. সবুজ হাওলাদারকে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে তার পদ থেকে এবং দলের সদস্য পদ থেকেও অব্যাহতি দেওয়া হলো।

এ বিষয়ে বরিশাল জেলা শাখার জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম সাগর বলেন, দলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের যৌথ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সবুজ হাওলাদারকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সংগঠনের শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে এ সিদ্ধান্ত জরুরি ছিল। দলের ভেতরে স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব নিশ্চিত করতে গণঅধিকার পরিষদের এই পদক্ষেপকে অনেকেই প্রশংসা করেছেন। তবে এ বিষয়ে সবুজ হাওলাদারের কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।




বেগম খালেদা জিয়ার সাথে জার্মান রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত জার্মানির বিদায়ী রাষ্ট্রদূত আখিম ট্রোসটার।

আজ শুক্রবার (২০ জুন) রাত সাড়ে ৮টায় জার্মান রাষ্ট্রদূত তাঁর স্ত্রীকে সাথে নিয়ে গুলশানে বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবন ‘ফিরোজা’-তে এ সাক্ষাৎ করেন।

সাক্ষাৎকালে বিএনপি চেয়ারপারসনের পক্ষ থেকে তাঁকে ধন্যবাদ জানানো হয় এবং দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয় বলে জানা গেছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন এবং চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার।




বিদায়ী জার্মান রাষ্ট্রদূতের খালেদা জিয়ার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ

ঢাকায় নিযুক্ত জার্মানির বিদায়ী রাষ্ট্রদূত আখিম ট্রোসটার বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। শুক্রবার (২০ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের বাসভবন ‘ফিরোজা’য় এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ছিলেন তার সহধর্মিণীও।

সাক্ষাৎকালে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপির চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, জার্মান রাষ্ট্রদূত ও তার স্ত্রী প্রায় আধাঘণ্টা ফিরোজায় অবস্থান করেন। এ সময় রাষ্ট্রদূত খালেদা জিয়াকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

সাক্ষাতে দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়সহ পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

এটি রাষ্ট্রদূত আখিম ট্রোসটারের বিদায়ী সফরের অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়।




দেশ পুনর্গঠনে ঐক্যের ডাক দিলেন ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গত ১৫ বছরে দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করা হয়েছে। এখন সময় এসেছে সবকিছু নতুন করে গড়ে তোলার। দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে দেশকে আবার গড়তে হবে।

শুক্রবার (২০ জুন) বিকেলে ঠাকুরগাঁও শহীদ মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়ামে ‘মির্জা রুহুল আমিন স্মৃতি টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট’-এর ফাইনাল ও সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বিনির্মাণে তরুণদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে মির্জা ফখরুল বলেন, “ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে অনেক প্রাণ গেছে, অনেক ছাত্র জীবন দিয়েছে। তাদের আত্মার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। এই আন্দোলনের মাধ্যমে আমাদের জন্য একটি নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে—গণতান্ত্রিক পরিবেশ গঠনের, রাষ্ট্রকে নতুনভাবে গড়ে তোলার। তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই।”

তিনি আরও বলেন, “অন্যান্য ক্ষেত্রের মতো ক্রীড়া অঙ্গনও আজ ধ্বংসের মুখে। এটি রাজনীতি মুক্ত রাখা উচিত। ক্রীড়া খাতকে পুনরুজ্জীবিত করতে ইন্টারন্যাশনাল টিমের খেলা ঠাকুরগাঁওয়ে আনার উদ্যোগ নিতে হবে। এতে খেলোয়াড়দের দক্ষতা ও মান উন্নত হবে।”

এ সময় তিনি সবাইকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আসুন আমরা সবাই মিলে দেশ গড়ার শপথ নিয়ে ক্রীড়াঙ্গনকেও নতুনভাবে গড়ে তুলি।”

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মির্জা ফয়সল আমিন, পৌর বিএনপির সভাপতি শরিফুল ইসলাম শরিফ, জেলা মহিলা দলের সভাপতি ফোরাতুন নাহার প্যারিস, ছাত্রদলের সভাপতি মো. কায়েস প্রমুখ।




রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যুতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এগিয়ে আসার আহ্বান তারেক রহমানের

রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও সম্মানজনকভাবে নিজ দেশে প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের ওপর চাপ অব্যাহত রাখতে বাংলাদেশ সরকার, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং বিভিন্ন দাতা সংস্থার প্রতি সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

বিশ্ব শরণার্থী দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এই আহ্বান জানান।

তারেক রহমান বলেন, “বিশ্ব শরণার্থী দিবস একটি আন্তর্জাতিক উপলক্ষ, যা জাতিসংঘের উদ্যোগে প্রতি বছর ২০ জুন পালিত হয়। এই দিনে বিশ্বব্যাপী শরণার্থীদের অবদান ও দুর্দশার প্রতি আন্তর্জাতিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা হয়। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, বর্তমান বিশ্বে জাতিগত সহিংসতা এবং রাজনৈতিক নিপীড়নের কারণে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এ বাস্তবতায় বিএনপি এই দিবসের প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করছে এবং শরণার্থীদের মর্যাদাসম্পন্ন স্বদেশ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক উদ্যোগে সক্রিয় সমর্থন অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার জানাচ্ছে।

বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, “বাংলাদেশের কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে গড়ে উঠেছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় শরণার্থী শিবির। সেখানে প্রায় ১৪ লাখ রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে, যারা মিয়ানমারে জাতিগত নিপীড়নের শিকার হয়ে নিজেদের দেশ ছেড়ে পালিয়ে এসেছে। বাংলাদেশ সরকার ও জনগণ মানবিক কারণে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। তবে দীর্ঘ আট বছর পরও এই সংকট সমাধানে কোনো স্থায়ী অগ্রগতি হয়নি।”

তারেক রহমান বলেন, “রোহিঙ্গা সংকট বর্তমানে একটি ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ে পরিণত হয়েছে। এই সমস্যার সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী বাংলাদেশ। তাই সরকারের উচিত সক্রিয় ও কার্যকর কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি করা, যেন তারা নিরাপদ প্রত্যাবাসনের পরিবেশ তৈরি করে।”

তিনি আরও বলেন, “বিশ্ববাসীকে এই সংকটের গভীরতা বোঝাতে হবে। মিয়ানমার কীভাবে রোহিঙ্গাদের বাস্তুচ্যুত করেছে, প্রত্যাবাসনের বিষয়ে বারবার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে—এসব বিষয় আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরতে হবে।”

বিবৃতির শেষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, “রোহিঙ্গাদের সম্মানজনক প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে আমি বাংলাদেশ সরকার, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং দাতা সংস্থাগুলোর প্রতি আরও কার্যকর সহযোগিতা ও উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি। একইসঙ্গে আমি বিশ্ব শরণার্থী দিবস উপলক্ষে বিশ্বের সব শরণার্থীর প্রতি সংহতি প্রকাশ করছি।”




চীন সফরে যাচ্ছে বিএনপি প্রতিনিধি দল

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল আগামী ২২ জুন রোববার চীন সফরে যাচ্ছে। চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আমন্ত্রণে এই সফরে নেতৃত্ব দেবেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সফর উপলক্ষে বৃহস্পতিবার চীনের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত লিউ ইউইনের আমন্ত্রণে ঢাকায় অবস্থিত চীনা দূতাবাসে যান বিএনপির নেতারা। সেখানে সফর সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা হয় বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

প্রতিনিধিদলে রয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সেলিমা রহমান, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন, ইসমাঈল জবিউল্লাহ্, অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া এবং বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মওদুদ আহমেদ পাভেল।

সফরে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির নেতাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক রাজনৈতিক সম্পর্ক, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

বিএনপির পক্ষ থেকে এ সফরকে ‘দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ’ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।