শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি শেষ, আসামি পক্ষের শুনানি ৭ জুলাই

জুলাই-আগস্টে সংঘটিত গণহত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং সাবেক পুলিশ প্রধান চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি শেষ করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। আসামিদের পক্ষে শুনানির জন্য আগামী ৭ জুলাই দিন ধার্য করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

মঙ্গলবার (১ জুলাই) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-১ এই আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী আমির হোসেন এবং চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের পক্ষে আইনজীবী জায়েদ বিন আমজাদ শুনানিতে অংশ নেন।

এর আগে, চলতি বছরের ১ জুন এই তিন আসামির বিরুদ্ধে পাঁচটি অভিযোগ আমলে নেয় ট্রাইব্যুনাল এবং শেখ হাসিনা ও কামালের বিরুদ্ধে নতুন করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরে ১৬ জুন তাদের এক সপ্তাহের মধ্যে আদালতে হাজির হতে দুটি জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন আদালত। ১৭ জুন তাদের আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়ে নোটিশ জারি করা হয়। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তারা আদালতে হাজির না হলে বিচার কার্যক্রম অনুপস্থিতিতেই চলবে বলে আদালত জানায়।

মামলার অপর আসামি সাবেক পুলিশ প্রধান চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন মঙ্গলবার ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন। মামলায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানিও সম্পন্ন হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ১২ মে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে, যেখানে তাকে জুলাই-আগস্ট গণহত্যার ‘নির্দেশদাতা’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। ১৮ ফেব্রুয়ারি এই তদন্ত ২০ এপ্রিলের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিল ট্রাইব্যুনাল।

এরও আগে, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৪ সালে শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদেরসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে চলমান দুটি মামলায় তদন্ত দ্রুত শেষ করতে দুই মাস সময় বেঁধে দেয় ট্রাইব্যুনাল।

রাষ্ট্রপক্ষের দাবি, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে সংঘটিত গণহত্যায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার, পরিকল্পিত হামলা ও মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত সাবেক শীর্ষ নেতারা সরাসরি জড়িত ছিলেন।

আগামী ৭ জুলাই আসামিদের পক্ষে অভিযোগ গঠনের বিরোধিতায় শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। এরপর আদালত অভিযোগ গঠনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।




জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি ‘ফুল গিয়ারে’, জানালেন সিইসি নাসির উদ্দিন

সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে আলোচিত বৈঠক নিয়ে অবশেষে মুখ খুলেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। মঙ্গলবার (১ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, বৈঠকে জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে কমিশনের প্রস্তুতি সম্পর্কে আলোচনা হয়েছে।

সিইসি বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা জানতে চেয়েছেন—আমরা নির্বাচনের জন্য কীভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমি তাকে জানাই, নির্বাচন কমিশন ‘ফুল গিয়ারে’ প্রস্তুতি নিচ্ছে।”

তিনি আরও জানান, বৈঠকে নির্বাচনের নির্দিষ্ট তারিখ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। তার কথায়, “যখন সময় হবে, নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমেই নির্বাচনের তারিখ সবাই জানতে পারবেন।”

সিইসি বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা একটি ফ্রি, ফেয়ার এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচন চান। তিনি আন্তরিকভাবেই চাচ্ছেন নির্বাচন সুষ্ঠু হোক। এখানে আমাদের মধ্যে মতের মিল হয়েছে। আমরাও সেই লক্ষ্যে কাজ করছি।”

গত বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন সিইসি। এ বিষয়ে তিনি বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা নিরপেক্ষ, আমিও নিরপেক্ষ। আমরা কোনো নির্দিষ্ট এজেন্ডা নিয়ে আলোচনা করিনি। কিন্তু স্বাভাবিকভাবে নির্বাচনের প্রসঙ্গ এসেছে।”

নিজের শারীরিক অসুস্থতা নিয়েও এ সময় বক্তব্য দেন সিইসি। বলেন, “আমি হাসপাতালে শুয়ে শুয়ে বিভিন্ন সংবাদ দেখছিলাম। কিছু মিডিয়া আমাকে পদত্যাগ করিয়ে ফেলেছে, কেউ কেউ বলেছে আমি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকের পর অসুস্থ হয়ে গেছি। আমার কি অসুস্থ হওয়ার অধিকার নেই? অনুমান দিয়ে যেন মানুষ পরিচালিত না হয়, সেটাই আমাদের ধর্মীয় শিক্ষাও।”

তিনি জানান, কমিশন বর্তমানে জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করেই প্রস্তুতি নিচ্ছে। “যদি স্থানীয় সরকার নির্বাচন করতে হয়, সেখানে ভোটার তালিকা ব্যবহার করা হবে। তবে প্রধান উপদেষ্টা স্থানীয় নয়, জাতীয় নির্বাচন নিয়েই কথা বলছেন। সেহেতু আমরাও সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি নিচ্ছি।”

নির্বাচনের সময়কাল সম্পর্কে তিনি বলেন, “প্রথমে প্রধান উপদেষ্টা বলেছিলেন, ২০২৬ সালের শুরুতে নির্বাচন হবে। আজকেও দেখেছি, তিনি মার্কিন উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলেছেন আগামী বছরের শুরুতেই জাতীয় নির্বাচন হবে। সেই টাইমফ্রেম সামনে রেখেই আমরা এগোচ্ছি।”

সম্প্রতি লন্ডনে প্রধান উপদেষ্টা ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বৈঠকের প্রসঙ্গও উঠে আসে সিইসির বক্তব্যে। তিনি বলেন, “সেখানে ফেব্রুয়ারি কিংবা এপ্রিলের মতো সময় আলোচনায় এসেছে। আমরাও সে অনুযায়ী পরিকল্পনা করছি।”

তিনি আরও যোগ করেন, “নানামুখী চ্যালেঞ্জের মধ্যেও নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছে।”




গাইবান্ধা থেকে ‘নতুন দেশ গড়ার’ আন্দোলন শুরু করল এনসিপি

গাইবান্ধা থেকে ‘নতুন দেশ গড়ার’ আন্দোলনের ঘোষণা দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘জুলাই পথযাত্রা’ কর্মসূচি শুরু করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। মঙ্গলবার (১ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টায় গাইবান্ধা পৌরপার্কে আয়োজিত এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, “২০২৪ সালে আমরা শেখ হাসিনার সরকার উৎখাতের আন্দোলনে রাজপথে নেমেছিলাম। সরকার পতন হয়েছে, কিন্তু কাঙ্ক্ষিত নতুন রাষ্ট্র এখনও গড়া হয়নি। এবার সেই নতুন দেশ গড়ার আন্দোলন শুরু করেছি গাইবান্ধা থেকে।”

তিনি জানান, গাইবান্ধার মানুষ বহুদিন ধরে বৈষম্যের শিকার। জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থানে গাইবান্ধার ছয়জন শহীদ হয়েছেন—তাদের আত্মত্যাগ নতুন স্বাধীনতার ভিত্তি রচনা করেছে। “এই আত্মত্যাগ এনসিপি ও দেশের মানুষ চিরকাল স্মরণ রাখবে,” বলেন তিনি।

নাহিদ আরও বলেন, “২০২৪ সালেই আমরা ভয়ভীতির সংস্কৃতি ভেঙে দিয়েছি। এবার কথা বলার স্বাধীনতা নিশ্চিত করতেই আমরা রাস্তায় নেমেছি। বাংলাদেশে আর কোনোদিন ভয়ভিত্তিক শাসনের সুযোগ দেওয়া হবে না।”

জনগণকে সাহসের সঙ্গে নিজেদের দাবি ও সমস্যার কথা প্রকাশ করতে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “আপনারা নির্ভয়ে মতপ্রকাশ করুন, এনসিপি আপনাদের পাশে আছে।”

এর আগে সকালে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা রংপুরে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেন। পরে সাদুল্লাপুরে সংক্ষিপ্ত পথসভা এবং গাইবান্ধা শহরে জনসংযোগ কর্মসূচি পালন করেন তারা। শহরের শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানান নেতৃবৃন্দ।

এবারের ‘জুলাই পথযাত্রা’ কর্মসূচির মূল দাবি হচ্ছে—জনতার অধিকার প্রতিষ্ঠা, রাষ্ট্রের কাঠামোগত সংস্কার এবং নতুন সংবিধান প্রণয়ন। এটি এনসিপির সারাদেশব্যাপী আন্দোলনের অংশ হিসেবে শুরু হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, যুগ্ম আহ্বায়ক ড. আতিক মুজাহিদ, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, সাইফুল্লাহ হায়দার, আসাদুল্লাহ আল গালিব, আবু সাঈদ লিয়ন, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, ডা. মাহমুদা আলম মিতু, মোহাম্মদ আতাউল্লাহ, মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী এবং সদস্য ফিহাদুর রহমান দিবস।

এ ছাড়া গাইবান্ধার সাত উপজেলার এনসিপির স্থানীয় নেতৃবৃন্দও কর্মসূচিতে অংশ নেন।




স্বৈরাচারের আর কোনো ঠাঁই হবে না: প্রধান উপদেষ্টা

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধনী আয়োজনে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, “স্বৈরাচার যেন আর কখনো মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, এজন্য প্রতিবছর জুলাই-আগস্ট মাসজুড়ে গণজাগরণমূলক এই কর্মসূচি পালন করা হবে।”

মঙ্গলবার (১ জুলাই) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পুনরুত্থান কর্মসূচি’র উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, “যে লক্ষ্য নিয়ে তরুণ ছাত্র, রিকশাচালক, শ্রমিকসহ সাধারণ মানুষ শহীদ হয়েছেন— সেই লক্ষ্যকে বাস্তবায়ন করতে নতুন করে শপথ নেব। আমরা আর কোনো স্বৈরশাসকের উত্থানের সুযোগ দেব না।”

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “গত বছরের জুলাই আমাদের স্বাধীনতার পর সবচেয়ে বড় গণজাগরণ ছিল। এটি ছিল গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, ন্যায়ের ভিত্তিতে রাষ্ট্র পুনর্গঠন এবং ফ্যাসিবাদের অবসানের শপথ।”

তিনি বলেন, “অভ্যুত্থানের তাৎক্ষণিক লক্ষ্য পূরণ হয়েছে ঠিকই, কিন্তু তার গভীরে ছিল নতুন রাষ্ট্রব্যবস্থার স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চলবে।”

তিনি আরও বলেন, “১৬ বছর পর যে বিদ্রোহ সম্ভব হয়েছিল, তা যেন আমাদের আবার অপেক্ষা করতে না হয়— এজন্য আমরা প্রতিবছর এই সময়টিকে গণচেতনার উৎসবে রূপ দেব। স্বৈরাচারের ছায়া দেখলেই তাকে প্রতিরোধ করবো। আর এক মুহূর্ত দেরি নয়।”

ড. ইউনূস বলেন, “আমরা এই মাসকে শুধু স্মরণ নয়, বরং নতুন শপথের মাস হিসেবে দেখছি। সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের ঐক্যের মাধ্যমে আমরা এই যাত্রাকে শক্তিশালী করতে চাই।”

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া সকল শহীদ, আহত ও সংগ্রামীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “আমি শ্রদ্ধা জানাই সেই সাহসী তরুণ-তরুণী, নারী-পুরুষ, শিক্ষক-শ্রমিক-রিকশাচালককে, যারা রাস্তায় নেমে গণতন্ত্রের পতাকা উঁচিয়ে ধরেছিলেন।”

তিনি বলেন, “জুলাই মাস হোক জাতীয় ঐক্যের প্রতীক। চলুন, এই মাসকে পরিণত করি গণজাগরণের ও নতুন বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতির মাসে।”

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী এবং শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক সি আর আবরার। বক্তারা বলেন, এই কর্মসূচি যেন গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার আন্দোলনে পরিণত হয়।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




রংপুরে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে ‘জুলাই পদযাত্রা’ শুরু করলো এনসিপি

শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। মঙ্গলবার (১ জুলাই) দুপুরে কেন্দ্রীয় নেতারা রংপুরে শহীদ আবু সাঈদের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন এবং মোনাজাতে অংশ নেন।

এ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থান শুধু স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন নয়, এটি ছিল ন্যায়বিচার ও নতুন সমাজ বিনির্মাণের ছাত্র-জনতার স্বপ্ন। সেই চেতনার ধারাবাহিকতায় আমরা তিন দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকবো।”

নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, “জুলাই সনদ নিয়ে কোনো গড়িমসি বরদাশত করা হবে না। প্রয়োজন হলে আবারও রাজপথে নামবো। প্রয়োজনীয় সংস্কার ছাড়া নির্বাচনের আয়োজন হলেও তা মানা হবে না।”

এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেন, “ন্যায়ভিত্তিক সংস্কার ও মানুষের অধিকার আদায় না হওয়া পর্যন্ত এনসিপি এক পা-ও পিছিয়ে আসবে না।”

নেতারা জানান, জুলাই পদযাত্রার লক্ষ্য সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ও মতামত সরাসরি জানার সুযোগ তৈরি করা। জনগণের সঙ্গে সরাসরি সংলাপের মাধ্যমে তারা গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্রের রূপরেখা গড়ে তুলতে চায়।

বিকেলে শহীদ আবু সাঈদ হত্যার ঘটনাস্থল ও রংপুর শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা পরিদর্শনের কথা রয়েছে দলের নেতাদের। কর্মসূচির অংশ হিসেবে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর শহীদ মিনার থেকে জুলাই পদযাত্রা শুরু হবে। বিকেল ৩টায় রংপুর শহরের পার্কের মোড় থেকে পদযাত্রা শুরু হয়ে লালবাগ, শাপলা, জাহাজ কোম্পানি মোড়, টাউন হল মাঠ হয়ে ডিসির মোড়, ধাপ, মেডিকেল মোড় হয়ে চেকপোস্টে গিয়ে শেষ হবে।

গত বছর ১৬ জুলাই রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ চলাকালে আবু সাঈদ পুলিশের ছররা গুলিতে নিহত হন। আন্দোলনরত ছাত্ররা সরে গেলেও আবু সাঈদ লাঠি হাতে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। পুলিশের ছররা গুলিতে তিনি ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন এবং হাসপাতালে নেওয়ার পর তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

কবর জিয়ারতে অংশ নেন এনসিপির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, দক্ষিণ অঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, উত্তর অঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা সহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতা।

এই পদযাত্রা চলবে ১ জুলাই থেকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




নির্বাচনী বাজেটে কৃপণতা নয়, বরাদ্দ হবে প্রয়োজনমতো: অর্থ উপদেষ্টা

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে বাজেট বরাদ্দে কোনো কার্পণ্য করা হবে না বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ। মঙ্গলবার (১ জুলাই) সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

অর্থ উপদেষ্টা বলেন, “নির্বাচন একটি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট। সেক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী সব ধরনের ব্যয় বিবেচনা করা হবে। নির্বাচনের জন্য যথাযথ বরাদ্দ নিশ্চিত করা হবে।”

এদিন বৈঠকে চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার হ্যান্ডলিং বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং ডিএপি, ইউরিয়া সার ও এলএনজি কেনার বিষয়ে অনুমোদন দেওয়া হয়। সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “এলএনজি আসলে সারের সরবরাহও বাড়বে, যা কৃষি উৎপাদনে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।”

বৈঠক শেষে শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “এনবিআরকে অত্যাবশ্যকীয় সেবা হিসেবে ঘোষণা করে যেই প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে, সেটাই চূড়ান্ত। এর বাইরে আর কোনো নতুন প্রজ্ঞাপন নেই।”

বন্দরের সাম্প্রতিক অচলাবস্থা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “পণ্য পরিবহন পুরোপুরি বন্ধ ছিল না। যেসব পণ্য বন্দরে ঢুকেছে, সেগুলোর জাহাজীকরণ প্রক্রিয়া চলছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নির্ধারণ করা হয়নি, তবে ব্যাপক ক্ষতি হয়নি বলেই মনে হচ্ছে।”

সরকারের এই দুটি উপদেষ্টা মন্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, নির্বাচন ও অর্থনীতি—দুই দিকেই সরকার প্রস্তুতির ঘাটতি রাখতে চায় না।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫




তালতলীতে প্রতিবন্ধী ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

বরগুনার তালতলী উপজেলায় এক প্রতিবন্ধী কাঁচামাল ব্যবসায়ীকে মারধর ও চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক শহিদুল হক ওরফে শহিদ মেম্বারের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী মো. আবুল কালাম এ ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন করে অভিযোগ তোলেন এবং নিজের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সোমবার (৩০ জুন) দুপুর ১টায় তালতলী মডেল মসজিদের হলরুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মো. আবুল কালাম লিখিত বক্তব্যে বলেন, “আমি দীর্ঘ ১৬-১৭ বছর ধরে তালতলী বাজারে ভূমি অফিস সংলগ্ন সড়কের পাশে ভাসমান দোকানে কাঁচামাল বিক্রি করি। ২৯ জুন সকাল ৯টার দিকে শহিদ মেম্বার আমার কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তিনি আমাকে কিল-ঘুষি, লাঠি ও লাথি মেরে নির্মমভাবে মারধর করেন। এমনকি চোখে আঘাত করে মাটিতে ফেলে দেন।”

আবুল কালাম আরও জানান, তিনি একজন প্রতিবন্ধী মানুষ এবং নিয়মিত খাজনা দিয়ে বৈধভাবে ব্যবসা করেন। তারপরও প্রভাব খাটিয়ে তার ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা বিএনপির একাধিক নেতা উপস্থিত ছিলেন। তারা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। উপস্থিত নেতাদের মধ্যে ছিলেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুবুল আলম মামুন, যুগ্ম আহ্বায়ক মিয়া শামিম হাসান, যুবদলের মিয়া রিয়াজুল ইসলাম, শ্রমিক দলের সিদ্দিকুর রহমান, কৃষক দলের জাফরসহ আরও অনেকে।

আবুল কালাম ঘটনার পর তালতলী নৌবাহিনী ক্যাম্পে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি প্রশাসনের প্রতি সুষ্ঠু তদন্ত ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /

 


আরও রিপোর্ট পাঠাতে পারেন, আমি প্রস্তুত!




পিরোজপুরে বিএনপির সদস্য ফরম বাছাইকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৬

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় বিএনপির নতুন সদস্য ফরম যাচাই-বাছাইকে কেন্দ্র করে দলীয় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ছাত্রদল ও বিএনপির ছয় কর্মী আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।

ঘটনাটি ঘটে সোমবার (৩০ জুন) রাতে মঠবাড়িয়া পৌর শহরের মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে। ওই ভবনে ইউনিয়ন পর্যায়ে বিএনপির ৫০০ সদস্যের আবেদন ফরম যাচাই-বাছাই চলছিল। এ সময় দলীয় অভ্যন্তরীণ বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়, যা একপর্যায়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়।

আহতদের মধ্যে তিনজনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

আহতরা হলেন—ধানীসাফা ইউনিয়নের সাবেক ছাত্রদল সভাপতি মো. সজিব হাওলাদার, আমড়াগাছিয়া ইউনিয়ন বিএনপি কর্মী মো. ছগির হোসেন (৪৫), সাবেক পৌর ছাত্রদল নেতা ইসতিহাক আহম্মেদ নিশাদ, গুলিসাখালী ইউনিয়ন বিএনপি কর্মী মো. সোহাগ তালুকদার (৪০) ও টিকিটা ইউনিয়ন বিএনপি কর্মী মো. ইউসুফ খান।

মঠবাড়িয়া পৌর বিএনপির সভাপতি কেএম হুমায়ূন কবীর বলেন, “সদস্য ফরম যাচাই চলাকালীন সময় কিছু কর্মীর মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি হয়। এর জেরে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় থেকে হাতাহাতি এবং পরে সংঘর্ষ ঘটে। দলীয়ভাবে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে।”

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ধানীসাফা ইউনিয়নের ছাত্রদলের এক নেতা মারধরের শিকার হলে উত্তেজনা চরমে ওঠে এবং সংঘর্ষে রূপ নেয়।

মঠবাড়িয়া থানার তদন্ত কর্মকর্তা মো. আব্দুল হালিম বলেন, “সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম 




ববিতে ভর্তি হতে না পারা ছাত্রীকে সহায়তা দিল ছাত্রদল

অর্থনৈতিক সংকটে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) ভর্তি হতে না পারা এক ছাত্রীকে মানবিক সহায়তা দিয়েছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই শিক্ষার্থীর দুরবস্থা প্রকাশ পাওয়ার পর বিষয়টি নজরে আসে ছাত্রদল নেতাদের। এরপরই তারা তার পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।

সোমবার (৩০ জুন) রাতে বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেন ববি ছাত্রদলের নেতা মোশাররফ হোসেন। তিনি জানান, তার সঙ্গে কাইউম তালুকদার ও মেহেদী হাসান বাপ্পি মিলে ওই ছাত্রীকে ভর্তি সহ সকল আনুষঙ্গিক খরচ বহনের দায়িত্ব নিয়েছেন।

ছাত্রদল নেতা মোশাররফ হোসেন বলেন, “শিক্ষা কোনো বিলাসিতা নয়, এটি মৌলিক অধিকার। আর্থিক কারণে যেন কেউ পিছিয়ে না পড়ে, সেটাই আমাদের উদ্বেগের জায়গা। আমরা শুধু রাজনৈতিক সংগঠন নই, শিক্ষার্থীদের সহায়তায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ একটি পরিবার।”

ছাত্রদল নেতা কাইউম তালুকদার বলেন, “ছাত্রদল বিশ্বাস করে, প্রতিটি শিক্ষার্থীর স্বপ্ন পূরণে মানবিক সহায়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সেই সহানুভূতির জায়গা থেকেই এগিয়ে এসেছি।”

মেহেদী হাসান বাপ্পি বলেন, “আমাদের নেতা তারেক রহমান দেশে অসংখ্য শিক্ষার্থীর পড়াশোনার খরচ গোপনে বহন করেন। তার পথ অনুসরণ করেই আমরা আজ এক শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়াতে পেরে গর্বিত।”

তিনি আরও বলেন, “জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সবসময় শিক্ষার্থীবান্ধব রাজনীতি করেছে এবং আগামীতেও ন্যায্য দাবিতে শিক্ষার্থীদের পাশে থাকবে।”


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




জুলাই কর্মসূচিতে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের অন্তর্ভুক্তি থাকবে : রিজভী

গণ-অভ্যুত্থান, শোক ও বিজয়ের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আগামীকাল (১ জুলাই) আয়োজিত বিএনপির আলোচনা সভায় দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বার্তা পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

সোমবার (৩০ জুন) বিকেলে জুলাই কর্মসূচি ঘিরে শৃঙ্খলা কমিটির বৈঠক শেষে গুলশানে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

রিজভী বলেন, “চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিতব্য এই কর্মসূচিতে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বার্তা থাকবে। এটি একটি মহিমান্বিত ও সফল কর্মসূচি হবে বলে আমরা প্রত্যাশা করছি। এখানে জাতীয় নেতৃবৃন্দ ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিসহ শহীদ ও নিখোঁজদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন।”

তিনি আরও বলেন, “কর্মসূচির শৃঙ্খলা রক্ষায় যেসব নেতাকর্মী দায়িত্বে থাকবেন, তাদের নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। অনুষ্ঠানে আসা শহীদ পরিবারের সদস্য, গুম-খুন হওয়া পরিবারের সদস্যদের যথাযথ সম্মান ও সেবা নিশ্চিত করতে হবে।”

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন কর্মসূচির শৃঙ্খলা কমিটির আহ্বায়ক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সদস্যসচিব আমিনুল হক, ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যসচিব অধ্যাপক মোরশেদ হাসান খান, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, বিএনপি পরিবারের আহ্বায়ক সাংবাদিক আতিকুর রহমান রুমন, স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম ও ডা. জাহাঙ্গীর আলমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনার দাবিকে আরও শক্তিশালী করা হবে।