আগামীতে বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের কোনো অস্তিত্ব  থাকবে না : আসাদুজ্জামান রিপন

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপন বলেছেন, আওয়ামী লীগ জনগণের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়ার কারণে স্বাভাবিক গতিতেই রাজনীতি থেকে বিলুপ্ত হয়ে যাবে। তিনি বলেন, “ভবিষ্যতে বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ বলে কোনো রাজনৈতিক দল থাকবে না।”

শুক্রবার (৪ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে তৃণমূল নাগরিক আন্দোলন আয়োজিত প্রতীকী ‘তারুণ্য সমাবেশ’-এ তিনি এসব কথা বলেন। সমাবেশে মূল দাবি ছিল—আওয়ামী লীগের দোসরদের গ্রেপ্তার এবং নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি।

ড. রিপন বলেন, “আওয়ামী লীগ ভুল রাজনীতি করেছে, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ করেছে, লুটপাট করেছে এবং জনগণের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। ফলে তারা বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে হারিয়ে যাবে। নিষিদ্ধ না করলেও জনগণই তাদের প্রত্যাখ্যান করবে।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে বিজয় অর্জন করেছি। আমাদের এই বিজয়ের মূল লক্ষ্য ছিল—একটি গণতান্ত্রিক, জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা। যেখানে প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রী বা সরকারি কর্মকর্তারা মোগল সম্রাটের মতো আচরণ করবেন না, বরং থাকবেন জবাবদিহির আওতায়।”

সরকারি কর্মকর্তাদের দুর্নীতি প্রসঙ্গে কড়া ভাষায় সমালোচনা করে তিনি বলেন, “১৪ হাজার টাকা বেতনের একজন কর্মচারী ঢাকায় একাধিক বাড়ির মালিক হয়, সন্তানদের বিদেশে পড়ায়—এই চুরি ধরা না হলে রাষ্ট্র কখনো জবাবদিহিমূলক হবে না।”

বিএনপির এই নেতা আরও অভিযোগ করেন, ২০০৮-০৯ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশকে ভারতের ‘করদ রাজ্যে’ পরিণত করার একটি পরিকল্পিত উদ্যোগ ছিল। তার মতে, ১/১১ পরিস্থিতি সৃষ্টি, এবং পরবর্তী নির্বাচনগুলো ছিল গণতন্ত্র ধ্বংসের অংশ। তিনি বলেন, “২০০৮ সালের নির্বাচন ছিল শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনার মহা-পরিকল্পনার ফল।”

তিনি দাবি করেন, ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪—এই তিনটি বিতর্কিত নির্বাচনে ডিসি, এসপি, ইউএনওসহ আমলারা রাতের ভোট দিনে করে দিয়েছে। তারা এখনো প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে বহাল আছেন। রিপন বলেন, “যারা জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছে, তাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।”

তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আওয়ামী লীগপন্থী আমলাদের প্রশাসন ও সচিবালয় থেকে সরিয়ে দিতে হবে। দেশে বহু যোগ্য তরুণ বেকার অবস্থায় রয়েছে—তাদের সুযোগ দিতে হবে।”

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন তৃণমূল নাগরিক আন্দোলনের সভাপতি মফিজুর রহমান লিটন। এতে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন বুলু, রহিমা শিকদার প্রমুখ।

এই সমাবেশে বিএনপি নেতারা সরকারের অতীত নির্বাচন ও আমলাতন্ত্রের ভূমিকায় কড়া সমালোচনা করে প্রশাসনিক সংস্কারের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন।




‘পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে ভোট ডাকাতি বা একক কর্তৃত্ব কোনোটিই থাকবে না’ : গোলাম পরওয়ার

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিক্রিয়াশীল একক কর্তৃত্ব এড়াতে প্রতিনিধিত্বমূলক (PR) পদ্ধতির নির্বাচন চালুর দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, “পিআর পদ্ধতিতে কেউ একক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে পারবে না। এতে জনগণের প্রকৃত মতামতের প্রতিফলন ঘটে এবং ভোট ডাকাতির সুযোগ থাকে না।”

বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর কাকরাইলস্থ ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ জামায়াতের সাংগঠনিক থানা ও বিভাগীয় দায়িত্বশীলদের সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

গোলাম পরওয়ার বলেন, “স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরেও জনগণকে নিজেদের অধিকার আদায়ের আন্দোলন করতে হচ্ছে। এর মূল কারণ একদলীয় শাসনব্যবস্থা, যা রাষ্ট্রকে ফ্যাসিবাদী শাসনের দিকে ঠেলে দিয়েছে।”

তিনি দাবি করেন, “২০২৪ সালের ছাত্র-জনতা একক কর্তৃত্ববাদের বিরুদ্ধে রক্ত দিয়ে আন্দোলন করেছে। ২ হাজারের বেশি শহীদ হয়েছেন, ৫০ হাজারের অধিক মানুষ আহত-পঙ্গু হয়েছেন। সেই বৈষম্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা হলে রাষ্ট্র কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হবে।”

তিনি আরও বলেন, “জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে শহীদদের স্বপ্নের বৈষম্যহীন কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করবে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিতে হবে এবং গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করতে হবে।”

প্রবাসীদের ভোটাধিকারের প্রশ্নে বক্তব্য রেখে তিনি বলেন, “বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা প্রবাসীরা ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত। তাদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।”

তিনি আরও বলেন, “একটি দল ছাড়া দেশের প্রায় সব রাজনৈতিক দল জাতীয় ঐকমত্যের প্রক্রিয়াকে সমর্থন জানিয়েছে। কিন্তু একটি দলের বিরোধিতার কারণে জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত জাতীয় স্বার্থে দলীয় স্বার্থ ত্যাগ করা।”

স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে গোলাম পরওয়ার বলেন, “জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করলে একদিকে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের সক্ষমতা প্রমাণিত হবে, অন্যদিকে জনপ্রতিনিধিত্বহীন অবস্থার অবসান ঘটবে।” তিনি জানান, “বর্তমানে স্থানীয় সরকারের সমস্ত ক্ষমতা ডিসি-ইউএনওদের হাতে। এর ফলে জনগণ দুর্নীতির শিকার হচ্ছে।”

সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন—জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, ইসলামি ছাত্র শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, মোবারক হোসেন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান, ডা. রেজাউল করিম এবং ডা. শফিকুল ইসলাম মাসুদ প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন, জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের শহীদদের সম্মান দেওয়া এখন সময়ের দাবি। তারা জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নতুন বাংলাদেশ গঠনে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।




ফ্যাসিবাদ বিরোধী নতুন রাষ্ট্র গড়ার ডাক এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদের

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ইনসাফ ও মর্যাদাভিত্তিক একটি বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

শুক্রবার (৪ জুলাই) ঠাকুরগাঁও শহরের আর্টগ্যালারি মডেল মসজিদে জুমার নামাজ শেষে এক পদযাত্রা কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে জনসমাবেশে এ কথা বলেন তিনি। এনসিপির ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ কর্মসূচির অংশ হিসেবেই এ পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।

নাহিদ ইসলাম বলেন, “জুলাই-আগস্টে দেশে ফ্যাসিস্ট শাসনের বিরুদ্ধে যে প্রতিরোধ গড়ে উঠেছিল, তা ছিল কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র ও জনতার সম্মিলিত আন্দোলন। সেই আন্দোলনের শহীদদের আমরা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি।”

তিনি দাবি করেন, “বর্তমানে দেশে পুরোনো ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থা বহাল রয়েছে। সেই ব্যবস্থার বিলোপ ঘটিয়ে নতুন রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে এনসিপি মাঠে রয়েছে। আমরা মৌলিক সংস্কার, গণহত্যার বিচার এবং নতুন সংবিধানের দাবি জানাচ্ছি। জুলাই-আগস্টের মধ্যেই এই দাবিগুলোর ভিত্তিতে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ প্রকাশ করতে হবে।”

বিএসএফের সীমান্ত হত্যা ও পুশ-ইন প্রসঙ্গে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি বলেন, “এটা শেখ হাসিনার বাংলাদেশ নয়, এটা গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী ছাত্র-জনতার বাংলাদেশ। এই বাংলাদেশে চলবে জনগণের সিদ্ধান্তেই। সীমান্ত হত্যা বন্ধ করতেই হবে।”

উন্নয়ন প্রসঙ্গে নাহিদ বলেন, “উত্তরাঞ্চলসহ ঠাকুরগাঁওয়ের মতো অবহেলিত জেলাগুলোর প্রতি আঞ্চলিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্য আর চলবে না। উন্নয়ন হবে সার্বজনীন—not ঢাকা কেন্দ্রিক।”

সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, দক্ষিণ অঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, ড. আতিক মুজাহিদ, যুগ্ম মুখ্য সংগঠক আলী নাছের খান, আবু সাঈদ লিওন এবং ঠাকুরগাঁও জেলা সমন্বয়ক গোলাম মুর্তজা সেলিমসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

এনসিপি নেতারা তাদের কর্মসূচির মাধ্যমে বিকল্প নেতৃত্ব ও তরুণদের অগ্রভাগে রেখে একটি নতুন বাংলাদেশ গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।




“ফ্যাসিস্টরা সুযোগ পাবে পিআর পদ্ধতিতে : এ্যানি

বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে প্রপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন (পিআর) পদ্ধতি চালুর প্রস্তাবকে ‘বিভেদ সৃষ্টিকারী’ ও ‘ফ্যাসিস্টদের জন্য সুযোগ তৈরি’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।

বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দত্তপাড়া ইউনিয়নে প্রতিনিধি নির্বাচনের ভোট পরিদর্শনে এসে এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, “বাংলাদেশের বাস্তবতায় এখন পিআর পদ্ধতিতে গেলে নিজেদের মধ্যেই বড় ধরনের বিভেদ সৃষ্টি হবে। ফলে ফ্যাসিস্ট শক্তিগুলো সুযোগ পাবে।”

তিনি আরও বলেন, “তারেক রহমান স্পষ্ট বলেছেন— এই পদ্ধতির পক্ষে ব্যক্তিগত মত থাকা যায়, কিন্তু দেশের রাজনীতিতে এটি গ্রহণযোগ্য নয়। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর নির্বাচন। একটি উপযুক্ত সময়ে, যেমন ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হলে আমরা সেটিকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করব।”

শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি আরও দাবি করেন, বিএনপি নেতৃত্বাধীন ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে জনগণ পরিবর্তন চায় এবং জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে একটি অন্তবর্তী সরকার ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন এখন সময়ের দাবি।

এ সময় তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মধ্যে সদ্য লন্ডনে অনুষ্ঠিত সৌজন্য সাক্ষাৎকে ‘জাতির ভবিষ্যতের স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ একটি সংলাপ’ বলে অভিহিত করেন।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির আহ্বায়ক এম বেলাল হোসেন, সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন বাচ্চু, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও কৃষকদলের স্থানীয় নেতারা।




নির্বাচনে পিআর নয়, ব্যালটে জনগণের আস্থা: বিএনপি নেতা

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) কেন্দ্রীয় ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক বলেছেন, “যারা ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার হওয়ার যোগ্য নন, তারাই প্রপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন (পিআর) পদ্ধতির নির্বাচন চায়। জনগণ চায় ব্যালটে ভোট দিতে।”

বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) রাজধানীর তেজগাঁও ও শিল্পাঞ্চল থানা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত সদস্য নবায়ন কর্মসূচির দুটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

পিআর পদ্ধতি জনগণের সঙ্গে প্রতারণা

আমিনুল হক বলেন, “আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেই নির্বাচনে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা হবে। তবে সেই প্রক্রিয়া বানচালের অপচেষ্টা হচ্ছে নতুন ফর্মুলার মাধ্যমে। পিআর পদ্ধতি আসলে জনগণের সঙ্গে এক ধরনের প্রতারণা। জনগণের প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব এতে নিশ্চিত হয় না।”

তিনি আরও বলেন, “যে কোনো ষড়যন্ত্রই হোক না কেন, জনগণ তা রুখে দেবে। মানুষ ব্যালটের মাধ্যমে নিজের প্রতিনিধি নির্বাচন করতে চায়।”

অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতা তুলে ধরেন

অন্তর্বর্তী সরকারের কার্যক্রম নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে আমিনুল বলেন, “এক বছর পার হয়ে গেলেও কোনো কাঠামোগত সংস্কার হয়নি। স্বৈরাচারের দোসরদের বিচার হয়নি। জনগণ এখন ভোট দিতে চায়, গত ১৫ বছরে সেই সুযোগ তারা পায়নি।”

তিনি বলেন, “বিএনপির নেতাকর্মীরা দীর্ঘদিন রাজপথে লড়াই করে গণতন্ত্রের জন্য যে আত্মত্যাগ করেছে, সেই পরীক্ষিত কর্মীরাই আগে সদস্যপদ নবায়ন করবে।”

সদস্যপদ নিয়ে সতর্কতা ও বার্তা

দলের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও আদর্শিক অবস্থান রক্ষার প্রসঙ্গ টেনে আমিনুল বলেন, “যারা দিনে বিএনপি আর রাতে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করে, তারা দলের সদস্য হতে পারবে না। সমাজের ভালো মানুষ যারা বিএনপিকে ভালোবাসে, তাদের জন্য সদস্যপদ উন্মুক্ত।”

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি সতর্ক করে বলেন, “আপনাদের মাধ্যমে যেন কোনো সুবিধাবাদী ব্যক্তি দলের সদস্য না হতে পারে, সেই বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।”

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন

তেজগাঁও ও শিল্পাঞ্চল থানা বিএনপির নবায়ন কর্মসূচির সভাপতিত্ব করেন যথাক্রমে মো. মিরাজ উদ্দিন হায়দার আরজু ও আইনুল ইসলাম চঞ্চল। এছাড়া অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন— ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সাইফুল আলম নীরব, যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি, এবিএমএ রাজ্জাক, গাজী রেজাউনুল হোসেন রিয়াজ, মনিরুজ্জামান মনিরসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ।




৫ জুলাই দেশব্যাপী সকল নিহত-শহীদদের জন্য দোয়া-মাহফিলের আহ্বান হেফাজতে ইসলামের

২০১৩ সালের শাপলা চত্বর ও ২০২৪ সালের জুলাই মাসের আন্দোলনে নিহত ছাত্র-জনতা ও আলেম-ওলামাদের স্মরণে আগামী ৫ জুলাই দেশব্যাপী দোয়া ও মাহফিল আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।

বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) এক যৌথ বিবৃতিতে হেফাজতের আমীর আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী এবং মহাসচিব আল্লামা সাজেদুর রহমান এই কর্মসূচির ঘোষণা দেন।

বিবৃতিতে তারা বলেন, “২০১৩ ও ২০২৪ সালের শহীদদের আত্মত্যাগ এখনও মানুষের হৃদয়ে অমর হয়ে রয়েছে। তাদের রূহের মাগফিরাত ও আহতদের সুস্থতা কামনায় ৫ জুলাই দেশের মসজিদ, মাদরাসা, স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে দোয়া মাহফিল এবং আলোচনা সভা আয়োজন করা হবে।”

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, ঐসব আন্দোলন ছিল ফ্যাসিবাদী শাসন, ভারতীয় আধিপত্যবাদ এবং দেশের সার্বভৌমত্ব হরণের বিরুদ্ধে। তারা অভিযোগ করেন, এখনও ‘ভারতের দালাল’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ গোষ্ঠী দেশে ষড়যন্ত্র করে চলেছে এবং এসব প্রতিহত করতে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

হেফাজতের নেতারা জানান, “জুলাই বিপ্লবের স্বপ্ন বাস্তবায়ন না হলে ছাত্র-জনতার কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।” দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তারা যেকোনো পরিস্থিতিতে রাজপথে থাকার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন।

৫ জুলাইয়ের কর্মসূচিকে তারা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো এবং জনগণকে সুশাসনের জন্য ঐক্যবদ্ধ করার একটি উদ্যোগ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।


প্রয়োজনে চাইলে এর সংক্ষিপ্ত সংস্করণ বা বিভিন্ন ধাঁচের শিরোনামও দেওয়া যেতে পারে।




গ্রেফতার বরিশালের সাবেক কাউন্সিলর পলাশ

বরিশাল সিটি করপোরেশনের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর এবং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাকিল হোসেন পলাশকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৩ জুলাই) দুপুরে নগরীর ব্যাপ্টিস্ট মিশন রোডের একটি ভাড়া বাসা থেকে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, বিএনপি অফিসে অগ্নিসংযোগ ও সহিংসতার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলার আসামি হিসেবে পলাশকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘শাকিল হোসেন পলাশ দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আজ তাকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।’

গ্রেফতারের বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




১৯ জুলাই ঐতিহাসিক সমাবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছে জামায়াতে ইসলামী, সফল করার আহ্বান

আগামী ১৯ জুলাই রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিতব্য ‘জাতীয় সমাবেশ’ সফল করার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাত দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে এই সমাবেশকে ঐতিহাসিক রূপ দিতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) দুপুরে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘জাতীয় সমাবেশ’ বাস্তবায়ন কমিটির এক বৈঠকে এসব তথ্য জানান জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি মতিউর রহমান আকন্দ, নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, নূরুল ইসলাম বুলবুল, ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ ও ড. রেজাউল করিমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

অধ্যাপক পরওয়ার বলেন, “জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতিবাহী সময়ে এ জাতীয় সমাবেশ জাতীয়ভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য জামায়াতে ইসলামী এই সমাবেশের আয়োজন করেছে।” তিনি দলীয় নেতাকর্মীসহ দেশের সাধারণ মানুষের প্রতি সমাবেশে সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।


জামায়াতের সাত দফা দাবি:

  1. সব গণহত্যার বিচার
  2. প্রয়োজনীয় মৌলিক সংস্কার
  3. জুলাই সনদ ও ঘোষণাপত্র বাস্তবায়ন
  4. জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারের পুনর্বাসন
  5. পিআর (Proportional Representation) পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচন
  6. প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিতকরণ
  7. নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা



পুলিশ সংস্কারের দাবি জানালো এনসিপি ও ছাত্র সংগঠনগুলো

পুলিশ বাহিনীর ভেতরে অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে পুলিশের সংস্কারের দাবি জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ (বাগছাস) সহ একাধিক সংগঠন।

বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের ষোলশহর স্টেশনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, পুলিশের বিভিন্ন অনিয়মের কারণে জনগণের মধ্যে আস্থা কমে যাচ্ছে। বক্তারা বলেন, অবিলম্বে একটি যুগোপযোগী ও কার্যকর পুলিশ সংস্কার প্রক্রিয়া শুরু করা জরুরি।

সংগঠনগুলোর নেতারা অভিযোগ করেন, পটিয়া থানার একটি সাম্প্রতিক ঘটনায় দায়ী ওসিকে অপসারণ না করে কেবল রেঞ্জ অফিসে সংযুক্ত করা হয়েছে, যা তাদের মূল দাবির পরিপন্থি। তাদের মতে, অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রয়োজন, যাতে ভবিষ্যতে পুলিশ বাহিনীতে অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা যায়।

তারা আরও বলেন, পুলিশ বাহিনীর ভেতরে যদি এ ধরনের অনিয়মকে উপেক্ষা করা হয়, তাহলে তা বাহিনীর কার্যকারিতা ও জনসাধারণের নিরাপত্তার উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তারা বলেন, পুলিশ বাহিনীকে জনবান্ধব, জবাবদিহিমূলক ও নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে এখনই কার্যকর সংস্কার প্রয়োজন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক জোবাইরুল হাসান আরিফ, ইমন সৈয়দ, বাগছাসের কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক খান তালাত মাহমুদ ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্যসচিব নিজাম উদ্দিন।

উল্লেখ্য, ১ জুলাই পটিয়া থানায় রাঙ্গামাটি জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি দীপঙ্কর দেকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মীরা। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে মামলা না থাকায় গ্রেপ্তার করা হয়নি। এ নিয়ে থানা প্রাঙ্গণে উত্তেজনা তৈরি হয় এবং পরদিন মহাসড়ক অবরোধসহ থানা ঘেরাওয়ের মতো কর্মসূচি পালন করা হয়। এর প্রেক্ষিতে ওসি আবু জায়েদ মো. নাজমুন নূরকে প্রত্যাহার করে চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়।




“গণঅভ্যুত্থান দমন করতে ককটেল হামলা, এদেশে মাফিয়াতন্ত্র এখনো আছে ”—কর্মসূচি চলাকালে নাহিদের অভিযোগ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, “ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ঘটলেও দেশে মাফিয়াতন্ত্র এখনো টিকে আছে।” তিনি নতুন বাংলাদেশ গঠনে ‘সংস্কার আগে, নির্বাচন পরে’ এই নীতির ওপর জোর দেন।

বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) দুপুরে নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার হাতিখানা কবরস্থানে জুলাই শহীদ সাজ্জাদ হোসেনের কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় শহীদের স্মরণে দোয়া পরিচালনা করেন সাজ্জাদ হোসেনের বাবা আলমগীর ইসলাম।

নাহিদ বলেন, “দেশ গড়তে আমরা জুলাই পদযাত্রা শুরু করেছি। উত্তরাঞ্চল থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচিতে মানুষের ব্যাপক সাড়া মিলছে। এটি আমরা শিগগিরই সারাদেশে ছড়িয়ে দেব। উন্নয়ন কেবল ঢাকা কেন্দ্রিক হতে পারে না, উন্নয়ন ভাবনায় পুরো দেশকে রাখতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের সংগ্রামের ইতিহাস ধরে রাখতে হবে। আজও যারা কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটাচ্ছে, তারা এই গণঅভ্যুত্থান ব্যাহত করতে চায়। তবে মানুষ আবারও রাজপথে নামবে, আর এবার কাউকেই ক্ষমা করা হবে না।”

পরে তিনি সৈয়দপুরের বিহারী ক্যাম্প পরিদর্শন করেন এবং পাঁচমাথা মোড়ে একটি গণসংযোগে অংশ নেন। বিকেলে নীলফামারী জেলা শহরের চৌরঙ্গীতে আয়োজিত পথসভায় নাহিদ ইসলাম বলেন, “জনগণের উদ্দীপনা এখন অভাবনীয়। তাদের দমন করতেই ভয় দেখানো হচ্ছে, হামলা চালানো হচ্ছে।”

পথসভায় এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “নতুন বাংলাদেশ মানে শুধু সরকার পরিবর্তন নয়, বরং ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন। যেসব প্রক্রিয়ায় ফ্যাসিবাদ জন্ম নেয়, তা বন্ধ করতে হবে। এজন্য প্রয়োজন প্রশাসনিক সংস্কার ও সংবিধানের সংশোধন। বর্তমানে দেশে যে সংবিধান চালু আছে, তা ‘আওয়ামী বিধান’, প্রকৃত সংবিধান নয়।”

এ সময় উপস্থিত ছিলেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ এবং উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।

এর আগে, এনসিপির জুলাই পদযাত্রা সৈয়দপুরে পৌঁছালে রেলওয়ে অফিসার্স ক্লাবের সামনে জেলা আহ্বায়ক মোহাম্মদ আবদুল মজিদ ও স্থানীয় নেতা তানজিমুল আলমসহ অন্যান্য নেতারা প্রতিনিধি দলকে স্বাগত জানান।