বয়কট করলে রাজনীতি থেকে মাইনাস হবে: সালাহউদ্দিন

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতেই অনুষ্ঠিত হবে। যারা নির্বাচনের বয়কটের চেষ্টা করবে, তারা রাজনীতি থেকে সরাসরি মাইনাস হয়ে যাবে।

বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) গুলশানে নিজের বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, কিছু পক্ষ দাবি করছে যে, নির্দিষ্ট সংস্কার, বিচার বা দাবি পূরণ না হলে নির্বাচন হবে না। তবে প্রধান উপদেষ্টা ইতিমধ্যে স্পষ্ট করে বলেছেন, জাতীয় ঐকমত্যের মাধ্যমে যে সংস্কার প্রস্তাব তৈরি হয়েছে, সেগুলো পরবর্তী নির্বাচিত সংসদে বাস্তবায়নের জন্য সকল পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বিএনপিও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করবে।

সালাহউদ্দিন বলেন, এখন যে প্রশ্ন উঠে, সেটা হলো—কারা নির্বাচন বিলম্ব করতে চায় বা অনিশ্চয়তার পরিবেশ সৃষ্টি করছে। তাদের মুখোশ জাতির সামনে উন্মোচিত হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সকল রাজনৈতিক দল বুঝবে যে, গণতান্ত্রিকভাবে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, অবাধ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।

তিনি আরও জানান, বিএনপি তাদের নির্বাচনী কৌশল ইতিমধ্যে প্রকাশ করেছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাদের সঙ্গে জোট থাকবে যারা পূর্বে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিল এবং যারা যুগপৎ আন্দোলনে অংশ নিয়েছে। তবে তিনি পরিষ্কার বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের সঙ্গে কোনো নির্বাচনী জোটের সম্ভাবনা নেই।

সালাহউদ্দিন আরও বলেন, যারা নির্বাচনকে বয়কট করার চেষ্টা করবে—ডাইরেক্টলি বা ইনডাইরেক্টলি—তারা জাতীয় রাজনীতি থেকে মাইনাস হয়ে যাবে। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের মানুষ দীর্ঘ ১৬-১৭ বছর সংগ্রাম করেছে, রক্ত দিয়েছে ভোটাধিকার ফিরে পেতে। সেই অধিকার নিশ্চিত হওয়ার পর যারা জনগণকে ভোটের অধিকার প্রয়োগে নিরুৎসাহিত করবে, জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করবে। তিনি এই বিষয়ে নিশ্চিত।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



মির্জাগঞ্জ হামলা মামলায় আলতাফ হোসেন চৌধুরীসহ সবার অব্যাহতি

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরীসহ সব আসামি অব্যাহতি পেয়েছেন। আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, মামলার স্থান, সময় ও ঘটনাক্রম সঠিকভাবে উল্লেখ না থাকা, মেডিক্যাল সার্টিফিকেটের অনুপস্থিতি, এবং আহতদের ছবি ও বিস্তারিত বর্ণনা না থাকার কারণে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি।

বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) পটুয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. ইউছুফ হোসেন এই আদেশ দেন। মামলার অপর ১৩ আসামিও একই রায়ে অব্যাহতি পান।

রায়ের পর প্রতিক্রিয়ায় আলতাফ হোসেন চৌধুরী ও আসামি পক্ষের আইনজীবীরা জানান, মামলাটি ছিল সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, মিথ্যা ও হয়রানিমূলক। তারা দাবি করেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের রাজনৈতিক চাপের কারণে এ মামলা করা হয়েছিল। স্বাধীন বিচার ব্যবস্থায় ন্যায় বিচার পেয়ে তারা সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০০২ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি মির্জাগঞ্জ উপজেলার মাধবখালী ইউনিয়নের মধ্য রামপুর গ্রামে আলতাফ হোসেন চৌধুরীর নির্দেশে সহ-আসামিরা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা, কুপিয়ে জখম ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন বলে অভিযোগ ছিল। ঘটনাটি ঘটার ১১ বছর পর, ২০১৩ সালের ১৭ জুলাই স্থানীয় কিরণ সরকার বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

পরে ২০১৭ সালের ১৮ জুলাই মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশ আদালতে চার্জশিট জমা দেয়। মামলাটি বিচারের জন্য পটুয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আসে। আজ অভিযোগ গঠনের দিন আসামি পক্ষ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১/ক ধারায় অব্যাহতির আবেদন করে। বিচারক মামলার নথি পর্যালোচনা করে পর্যাপ্ত প্রমাণ না পাওয়ায় সবাইকে অব্যাহতি দেন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



জুম মিটিংয়ে রাষ্ট্রবিরোধী পরিকল্পনা, শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্রের অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক চার্জশিট দাখিল করেছে পুলিশের অপরাধ তথ্য বিভাগ (সিআইডি)। অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’-এর একটি অনলাইন জুম মিটিংয়ে অংশ নিয়ে তারা সংগঠিতভাবে পরিকল্পনা, উসকানি ও সরকার উৎখাতের কার্যক্রমে জড়িত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণ করে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার (সাইবার ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড অপারেশন্স) মো. এনামুল হক দণ্ডবিধির ১২১, ১২১(ক) ও ১২৪(ক) ধারায় চার্জশিট আদালতে উপস্থাপন করেন।

তদন্ত নথি অনুযায়ী, চলতি বছরের ২৭ মার্চ সিআইডি ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। এর আগে, ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর অনলাইন প্ল্যাটফর্ম জুমে ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’-এর একটি ভার্চুয়াল মিটিংয়ে শেখ হাসিনা সরাসরি যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন। অভিযোগপত্রে বলা হয়, ওই মিটিংয়ে তিনি দেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ক্ষমতা থেকে অপসারণের নির্দেশ দেন এবং রাষ্ট্রবিরোধী নানা বক্তব্য দেন।

পরে মিটিংয়ের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা সারাদেশে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এ ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার পরিপ্রেক্ষিতে দীর্ঘ তদন্ত শেষে সিআইডি এই চার্জশিট দাখিল করেছে। এখন আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী আইনগত প্রক্রিয়া এগিয়ে চলবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



বাংলাদেশে বিচার ‘প্রহসন’ দাবি টিউলিপ সিদ্দিকের, অভিযোগ রাজনৈতিক প্রতিহিংসার

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের আদালতে বিচার শুরু হয়েছে। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে প্রভাব খাটিয়ে নিজের মা, ভাই ও বোনকে প্লট পাইয়ে দিয়েছেন তিনি। যদিও টিউলিপের নিজের নামে কোনো প্লট বরাদ্দ নেই, তবে প্রভাব ব্যবহারের মাধ্যমে এ সুবিধা আদায়ের অভিযোগ আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।

বিচার শুরু হওয়ার পর, এক প্রতিক্রিয়ায় মাইক্রোব্লগিং সাইট ‘এক্স’-এ (সাবেক টুইটার) একটি পোস্টে টিউলিপ সিদ্দিক এ বিচারকে ‘প্রহসন’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি দাবি করেন, এই মামলা ভিত্তিহীন এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে পরিচালিত হচ্ছে।

টিউলিপ বলেন, “ঢাকায় এখন যে তথাকথিত বিচার চলছে তা একটি প্রহসন ছাড়া আর কিছুই নয়। এটি বানানো অভিযোগের উপর ভিত্তি করে তৈরি এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসা দ্বারা পরিচালিত।”

তিনি অভিযোগ করেন, গত এক বছরে বারবার অভিযোগের ধরণ পরিবর্তন হলেও, বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষ কখনও তার বা তার আইনজীবীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। “আমি কখনও কোনো আদালতের সমন পাইনি, সরকারের পক্ষ থেকেও কোনো সাড়া পাইনি,”— বলেন টিউলিপ।

তিনি আরও বলেন, “যদি এটি একটি প্রকৃত আইনি প্রক্রিয়া হতো, তাহলে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রমাণ উপস্থাপন করত। বরং তদন্তকারীরা সংবাদমাধ্যমে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক তথ্য ছড়াচ্ছে, যেগুলো কখনও আনুষ্ঠানিকভাবে আমার কাছে উপস্থাপন করা হয়নি।”

৪২ বছর বয়সী এই ব্রিটিশ এমপি আরও দাবি করেন, তিনি নিজের নির্দোষিতা প্রমাণে প্রস্তুত এবং যে কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণের জবাব দিতে রাজি আছেন।

এছাড়া, তিনি উল্লেখ করেন, লন্ডনে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সাম্প্রতিক সফরের সময় তার সঙ্গে সাক্ষাতের প্রস্তাব দিয়েছিলেন, কিন্তু সেটি প্রত্যাখ্যান করা হয়।

উল্লেখ্য, দুদকের অনুসন্ধানে জানা গেছে, পূর্বাচল প্রকল্পে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানা এবং তাদের ছয় স্বজন—যাদের মধ্যে শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ, শেখ রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ও মেয়ে আজমিনা সিদ্দিক রূপন্তী রয়েছেন—তাদের নামে ছয়টি প্লট বরাদ্দ করা হয়েছে।

টিউলিপ সিদ্দিক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাগ্নি এবং ব্রিটিশ লেবার পার্টির একজন সক্রিয় রাজনীতিবিদ ও এমপি।




নির্বাচন বিলম্বে লাভবান হচ্ছে একটি পক্ষ: জাপা চেয়ারম্যান

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের অভিযোগ করেছেন, দেশে এখন এমন এক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যেখানে একটি পক্ষ নির্বাচন বিলম্বিত করেই লাভবান হচ্ছে। তিনি বলেন, “যারা এখন যা খুশি করতে পারে, তারা তো নির্বাচন চাইবে না। নির্বাচন যত দেরি হবে, তাদের লাভ তত বাড়বে।”

বুধবার (১৩ আগস্ট) রাজধানীর জাতীয় পার্টি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকা জেলা শাখার মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। যদিও তিনি কোনো দলের নাম সরাসরি উল্লেখ করেননি, তবে বক্তব্যের আকারে এনসিপির দিকে ইঙ্গিত করেন।

গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেন, “গণতন্ত্রে সবাই কথা বলার সুযোগ পাবে, সেটা না হলে স্বৈরাচার হবে। আওয়ামী লীগ যখন জামায়াতকে নিষিদ্ধ করেছিল, তখন আমি এর বিরোধিতা করেছি। একইভাবে বলছি, আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে কোনো নির্বাচন হলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা সরকারের অপকর্মের বিরোধিতা করছি, ঝুঁকি নিয়েও জনগণের পক্ষে কথা বলছি। এজন্য জনগণ আমাদের সঙ্গে আছে। আমাদের দলীয় প্রতীক লাঙ্গল অন্য কারও কাছে দিলে আমরা রাজপথে আন্দোলন করব। দেশের মানুষ এখন আতঙ্কে বসবাস করছে, তাদের মুখে হাসি নেই।”

জাপা চেয়ারম্যান অভিযোগ করেন, অতীতে শেখ হাসিনা সরকার এবং বর্তমানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার—দুই পক্ষই আইনের ফাঁদে ফেলে তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। তার ভাষায়, “আওয়ামী লীগকে ফ্যাসিবাদ বলা হয়, কিন্তু বর্তমান সরকারও যদি একই কাজ করে, তাহলে তাকে কী বলা হবে?”

তিনি জানান, প্রতীক নিয়ে ব্ল্যাকমেইল করা, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে সুযোগ-সুবিধা দেওয়া এবং জাপাকে সাংবিধানিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা—এসব এখন নিত্যনৈমিত্তিক হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিএনপিকে একসময় মজলুম দল হিসেবে মানুষ সমর্থন করেছিল, আর এখন জাতীয় পার্টিও সেই অবস্থায় পৌঁছেছে বলে দাবি করেন তিনি।

গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেন, এতদিন জাপার সুস্পষ্ট রাজনৈতিক অবস্থান ছিল না, এতে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল। এখন থেকে দল জনগণের পক্ষে রাজনীতি করবে। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, কোটা আন্দোলনের সময় থেকে শুরু করে বৈষম্যের বিরুদ্ধে সব আন্দোলনে জাতীয় পার্টি সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছে। তবে বৈষম্য এখনও সারাদেশে চলছে, আর এর প্রতিবাদে লড়াই অব্যাহত থাকবে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন দলের মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী। বক্তব্য রাখেন প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাড. মো. রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসেন তাপস, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মো. খলিলুর রহমান খলিলসহ কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতারা। এ ছাড়া সভায় উপস্থিত ছিলেন একেএম নুরুজ্জামান জামান, আবুল খায়ের, মাহমুদ আলম, মোড়ল জিয়াউর রহমান, শেখ সরোয়ার, সমরেশ মন্ডল মানিকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




লুট হওয়া সাদা পাথর ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত, ২৪ ঘণ্টা যৌথবাহিনীর নজরদারি

সিলেটের ভোলাগঞ্জে অবস্থিত জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র সাদা পাথর এলাকায় নজিরবিহীন লুটপাটের পর, পাথর রক্ষায় কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন। সম্প্রতি লুট হওয়া পাথর উদ্ধার করে পূর্বের অবস্থানে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে সাদা পাথর এলাকায় ২৪ ঘণ্টা যৌথবাহিনী মোতায়েন রাখা হয়েছে।

বুধবার (১৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় সিলেট সার্কিট হাউজে বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সিলেটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শের মাহবুব মুরাদ সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সভায় সাদা পাথর রক্ষায় মোট পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সেগুলো হলো:

  1. সাদা পাথর ও জাফলং ইসিএ এলাকায় ২৪ ঘণ্টা যৌথ বাহিনীর টহল নিশ্চিত করা।
  2. গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জে যৌথবাহিনীসহ পুলিশের চেকপোস্টে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন।
  3. অবৈধ পাথর ক্রাশিং মেশিনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা।
  4. পাথর চুরির সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার ও আইনি প্রক্রিয়া শুরু।
  5. চুরি হওয়া পাথর উদ্ধার করে পুনরায় আগের অবস্থানে ফিরিয়ে আনা।

এদিকে, সাদা পাথর লুটপাটের তদন্তে তিন সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন, যাদের আগামী রোববারের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা রয়েছে।

দুদকও (দুর্নীতি দমন কমিশন) ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং পাথর লুটের পেছনে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

উল্লেখযোগ্য যে, গত ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকেই ভোলাগঞ্জ এলাকায় লাগামহীনভাবে পাথর লুট চলতে থাকে। প্রকাশ্যে প্রশাসনের সামনেই শত শত নৌকার মাধ্যমে প্রতিদিন হাজার হাজার ঘনফুট পাথর সরিয়ে নেওয়া হয়। প্রশাসন ও সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে কিছুদিন লুটপাট বন্ধ থাকলেও গত মাসের শেষ দিকে তা আবারও তীব্র আকার ধারণ করে।

বিশেষ করে মেঘালয়ের পাহাড় থেকে ঢলের পানি নামার পর বিপুল পরিমাণ পাথর ভোলাগঞ্জে এসে জমা হয়, যা লুটপাটকারীদের সুযোগ করে দেয়।

এদিকে, এই লুটপাটের সঙ্গে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও উঠেছে। ইতিমধ্যে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাহাব উদ্দিনের সব দলীয় পদ স্থগিত করা হয়েছে। স্থানীয় বিএনপি ও যুবদলের কয়েকজন নেতাও এই লুটপাটে জড়িত থাকার অভিযোগের মুখে পড়েছেন, পাশাপাশি জেলা ও মহানগর পর্যায়ের কয়েকজন নেতার নামও ঘুরে বেড়াচ্ছে রাজনৈতিক মহলে।




ইউনূসের ঘোষণা: ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অবাধ নির্বাচন

কুয়ালালামপুরে মালয়েশিয়া ন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয় (ইউকেএম) থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি গ্রহণের অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ঘোষণা দিয়েছেন, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে দেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন আয়োজন করা হবে। তিনি বলেন, “আমরা কঠোর পরিশ্রম করছি যেন জনগণের হাতে প্রকৃত ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়া যায় এবং গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করা যায়।”

বুধবার ইউকেএম অডিটোরিয়ামে এক আনন্দমুখর পরিবেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর ও নেগেরি সেমবিলান দারুল খুসুস রাজ্যের সুলতান তুংকু মুহরিজ ইবনি আলমারহুম তুংকু মুনাওয়িরের কাছ থেকে ডিগ্রি সনদ গ্রহণ করেন নোবেলজয়ী এই অর্থনীতিবিদ। সামাজিক ব্যবসা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে তাঁর অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

প্রফেসর ইউনূস তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “তোমরা আগামী দিনের নির্মাতা। বড় স্বপ্ন দেখো, সাহসীভাবে চিন্তা করো এবং সেই অনুযায়ী কাজ করো। প্রত্যেক ব্যর্থতা কেবল সাফল্যের পথে একটি ধাপ।” তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে তরুণদের নেতৃত্বে সংঘটিত পরিবর্তন আমাদের জাতীয় পরিচয় ও ভবিষ্যৎ আশা নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করেছে, যা নতুন বাংলাদেশ গঠনের পথে মাইলফলক হয়ে থাকবে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, একটি ন্যায়সঙ্গত শাসনব্যবস্থা, সবার জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি এবং সমান সুযোগ নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। এজন্য বিস্তৃত সংস্কার, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, শিক্ষা ও প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অপরিহার্য। বৈষম্য কমাতে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়ার ওপরও তিনি গুরুত্ব দেন।

নিজের কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা বলেন, “মানুষ প্রতিভার অভাবে দরিদ্র হয় না, সুযোগের অভাবে হয়। তাই আমি এমন ব্যবস্থা গড়ে তুলেছি যাতে দরিদ্ররাও ক্ষুদ্রঋণ পেয়ে নিজের জীবন পরিবর্তন করতে পারে।”

বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, উভয় দেশ বাণিজ্য, শিক্ষা, উদ্ভাবনসহ নানা ক্ষেত্রে একে অপরের উন্নয়নে অবদান রেখে আসছে। ভবিষ্যতে সেমিকন্ডাক্টর শিল্প, হালাল অর্থনীতি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও উদ্যোক্তা উন্নয়নসহ সম্ভাবনাময় খাতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও গভীর করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে মালয়েশিয়ার উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী জাম্ব্রি আব্দুল কাদির ও ইউকেএম ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. সুফিয়ান জুসোহ উপস্থিত ছিলেন। সমাপনী বক্তব্যে প্রফেসর ইউনূস মালয়েশিয়া ন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়কে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এই সম্মাননা দুই দেশের বন্ধনকে আরও দৃঢ় করবে এবং পারস্পরিক সহযোগিতা নতুন মাত্রা পাবে।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




নির্বাচনকালীন সরকারে থাকছেন না আসিফ মাহমুদ

নির্বাচনকালীন সরকারের উপদেষ্টা পদে না থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

বুধবার (১৩ আগস্ট) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বার্তায় তিনি লেখেন, “নির্বাচনকালীন সরকারে থাকছি না। রাজনীতির সাথে যারা যুক্ত, তাদের নির্বাচনকালীন সরকারে থাকা উচিত নয়।”

এর আগের দিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গণমাধ্যম ‘ঠিকানা’-এর ‘ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন’ অনুষ্ঠানে তিনি একই বক্তব্য দেন। আসিফ মাহমুদ জানান, ২০১৮ সাল থেকে তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছেন এবং নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই সরকার থেকে সরে দাঁড়াবেন।

তিনি আরও বলেন, “রাজনীতিতে যুক্ত থাকা অবস্থায় সরকারে থাকার বিষয়টি কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট তৈরি করতে পারে। প্রধান উপদেষ্টা চান জাতিকে সেরা নির্বাচন উপহার দিতে, তাই এই প্রশ্ন যেন না ওঠে।”

তার এই পদত্যাগের সিদ্ধান্তকে অনেকেই আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তুতি হিসেবে দেখছেন।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার হচ্ছে ; মব কালচারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন: রিজভী

ধর্মভিত্তিক একটি রাজনৈতিক দল নিজেদের অপকর্ম আড়াল করতে বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

বুধবার (১৩ আগস্ট) সকালে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

সম্প্রতি চট্টগ্রামে এক চিকিৎসকের সঙ্গে চাঁদাবাজির অভিযোগ নিয়ে রিজভী বলেন, “কোনো চাঁদাবাজি হয়নি। ওই চিকিৎসক নকশাবহির্ভূত ভবন নির্মাণ করায় তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। কেউ তার ওপর হামলা করেনি। বরং তিনি নিজের নাকে রং মেখে ভিডিও লাইভে এসে বিএনপির বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে অপপ্রচার করেছেন।”

তিনি বলেন, সামনে নির্বাচন থাকায় পরিকল্পিতভাবে এসব ঘটনা ঘটানো হচ্ছে।

রংপুরে সনাতন ধর্মাবলম্বী দুজনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়ে রিজভী বলেন, “আইনের শাসন নিশ্চিতে সরকারকে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। উসকানিমূলক কথাবার্তার ফলে যেন আর কেউ প্রাণ না হারায়, তা নিশ্চিত করতে হবে।”

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও অভিযোগ করেন, “দেশে মব কালচার চলছে। সাধারণ মানুষের কোনো নিরাপত্তা নেই। অন্তর্বর্তী সরকারকে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।”

ফারমার্স ব্যাংক (বর্তমানে পদ্মা ব্যাংক) নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রিজভী বলেন, “আওয়ামী লীগ সরকারের সময় প্রায় দুই হাজার কোটি টাকার বেশি লুটপাট হয়েছে, যার কোনো হদিস আজও নেই। সরকারকে এই অর্থ উদ্ধারে আন্তরিক হতে হবে।”

পিআর (প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ এখনো পিআর ব্যবস্থার জন্য প্রস্তুত নয়। এটি দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় টেকসই নয় এবং এতে স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে। বরং গণতান্ত্রিক চর্চা বাড়ানো জরুরি।”

দলের ভেতরে অপরাধ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, “দল বা অঙ্গসংগঠনের কেউ অপরাধে জড়িত প্রমাণিত হলে তদন্তসাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে আজীবন বহিষ্কারের মতো পদক্ষেপও নেওয়া হচ্ছে।”

রিজভীর বক্তব্যে রাজনৈতিক অস্থিরতা, নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং নির্বাচন ব্যবস্থার সুষ্ঠু সংস্কার নিয়ে বিএনপির অবস্থান স্পষ্টভাবে উঠে আসে।




‘ভোট দিন ধানের শীষে, দেশ গড়বো মিলে-মিশে’— যুব সমাবেশে তারেক রহমান

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে জনরায় পেলে সব রাজনৈতিক দল ও জনগণের সঙ্গে সমন্বয় করে দেশ পরিচালনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আন্তর্জাতিক যুব দিবস উপলক্ষে ঢাকায় আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, “ভোট দিলে ধানের শীষে, দেশ গড়বো মিলে-মিশে।”

মঙ্গলবার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয়তাবাদী যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘যুব সমাবেশের প্রত্যাশা ও বিএনপির পরিকল্পনা’ শীর্ষক আলোচনায় এসব কথা বলেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, “অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও নির্বাচন কমিশন ঘোষণা দিয়েছে, এক দশকের বেশি সময় পর ফ্যাসিবাদ মুক্ত বাংলাদেশে আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনে জনগণের সমর্থন পেলে বিএনপি একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সরকার গঠন করবে এবং জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী দেশ পরিচালনা করবে।”

তিনি বিএনপির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে বলেন, “বিএনপির রাজনীতি মানে কর্মসংস্থানের রাজনীতি। তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরের লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি।”

তারেক রহমান আরও বলেন, “দেশের অর্ধেকের বেশি মানুষ কর্মক্ষম। এই ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডই হতে পারে আমাদের উন্নয়নের চালিকা শক্তি, যদি আমরা তাদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে পারি।”

তিনি বলেন, “জনগণ এখন আর শুধু প্রতিশ্রুতি চায় না, চায় তার বাস্তবায়ন। বিএনপি প্রতিটি খাতে বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা করছে, যা জনগণের রায় পেলে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে।”

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এসএস জিলানী। সঞ্চালনায় ছিলেন যুব দলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন এবং ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, এনডিএম চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ, বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল, উপদেষ্টা মাহাদি আমিন, সাংবাদিক মুক্তাদির রশীদ রুমি ও শরীফুল ইসলাম খান, নাট্য নির্মাতা মাসরুর রশীদ বান্নাহ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তাফসীর।

তারেক রহমান তার বক্তব্যে দেশের তরুণ সমাজকে বিএনপির “জনমুখী ও গণমুখী” কর্মপরিকল্পনা ছড়িয়ে দিতে আহ্বান জানান।