“খালেদা জিয়াকে ইঁদুর-পোকামাকড়ের কক্ষে রাখা হয়েছিল” — মির্জা আব্বাসের অভিযোগ

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে কারাগারে চরম নির্যাতনের শিকার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। তিনি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
শুক্রবার সকালে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে তিনি এ অভিযোগ করেন। এ সময় রাজধানীর বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানায়ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
মির্জা আব্বাস বলেন, “দেশনেত্রীকে পরিত্যক্ত কেন্দ্রীয় কারাগারের এমন এক কক্ষে রাখা হয়েছিল যেখানে ইঁদুর ও পোকামাকড় দৌড়াত। কয়েকজন জেলার ও ডেপুটি জেলার তাকে ছাদের ওপরের একটি কক্ষে রেখেছিল। এই নির্যাতনের জন্য যারা দায়ী, তাদের বিচার হওয়া উচিত।”
তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্রের প্রশ্নে খালেদা জিয়ার আপোষহীন নেতৃত্ব এবং নেতা-কর্মীদের প্রতি তার ভালোবাসা তুলনাহীন।
২০০৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত হয়ে পুরান ঢাকার পরিত্যক্ত কেন্দ্রীয় কারাগারে একমাত্র বন্দি হিসেবে রাখা হয় খালেদা জিয়াকে। ওই সময়ে নানা রোগে আক্রান্ত হলেও বিশেষায়িত চিকিৎসার অনুমতি দেননি তৎকালীন সরকার। করোনা মহামারির সময় ২০২০ সালের ২৫ মার্চ ছয় মাসের জন্য সাজা স্থগিত করে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দেওয়া হয় তাকে, গুলশানের বাসা ‘ফিরোজা’য় থেকে কার্যত গৃহবন্দি অবস্থায়।
দিনাজপুরে ১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট জন্ম নেওয়া খালেদা জিয়া ১৯৮১ সালে স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর রাজনীতিতে আসেন এবং তিন দফা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
নয়াপল্টনের মিলাদ মাহফিলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খানসহ কেন্দ্রীয় ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।








