“বিএনপির বিজয় ঠেকাতে রাজনৈতিক অন্তর্ঘাত চলছে: তারেক রহমান”

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান অভিযোগ করেছেন, দেশে এখনো বিএনপির সম্ভাব্য বিজয় রুখতে নানা মহলের তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তিনি বলেন, এক দশকের বেশি সময় ধরে জনগণ স্বৈরশাসনের দুঃসহ অভিজ্ঞতা পার করেছে। জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানে অসংখ্য মানুষের আত্মত্যাগের মাধ্যমে দেশ সেই দুঃশাসন থেকে মুক্ত হলেও গণতন্ত্রের যাত্রা এখনো পুরোপুরি নিরাপদ নয়।
বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে হিন্দু সম্প্রদায়ের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তারেক রহমান বলেন, “আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। তবে কিছু রাজনৈতিক গোষ্ঠী ও ব্যক্তির আচরণে মনে হচ্ছে তারা বিএনপির বিজয় ঠেকানোর অপচেষ্টা করছে। এ ধরনের প্রবণতা জনগণের ভোটাধিকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে।”
তিনি আরও দাবি করেন, অতীতে ক্ষমতাসীনদের অপকৌশলেই নির্বাচন প্রক্রিয়া ধ্বংস হয়েছিল। এবার আবার কিছু রাজনৈতিক গোষ্ঠীর অবস্থান সেই একই ধরনের শঙ্কা তৈরি করছে। তারেকের মতে, জনগণ যদি বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায়, তবে সেই ইচ্ছাকে রুদ্ধ করার কোনো প্রচেষ্টা গণতন্ত্রবিরোধী কর্মকাণ্ড হিসেবে গণ্য হবে।
জাতীয় নির্বাচনে প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন (পিআর) পদ্ধতি প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, “এই পদ্ধতি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রচলিত হলেও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এখনো তা বাস্তবসম্মত নয়।” তিনি জানান, পিআরসহ কয়েকটি বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ভিন্নমত রয়েছে, তবে এটিকে তিনি গণতন্ত্রের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য হিসেবে দেখেন।
ধর্মীয় সম্প্রদায়কে কেন্দ্র করে রাজনীতি করার সমালোচনা করে তারেক রহমান বলেন, অতীতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনা ঘটলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এর নেপথ্যে ছিল রাজনৈতিক উদ্দেশ্য, ধর্মীয় কারণ নয়। তাই ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার না করার জন্য তিনি সকলকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।







