যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে বিএনপির উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) শীর্ষ নেতৃত্ব আজ সন্ধ্যায় যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনে প্রবেশ করেছে।

রবিবার (৩১ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল যমুনায় প্রবেশ করে।

বিএনপির মিডিয়া উইংয়ের কর্মকর্তা শামসুদ্দিন দিদার জানান, প্রতিনিধি দলে রয়েছেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আব্দুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমেদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

দলীয় সূত্র বলছে, বৈঠকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা। এছাড়া প্রশাসনে এখনো বিদ্যমান ‘ফ্যাসিবাদের দোসরদের’ একটি তালিকাও প্রধান উপদেষ্টার কাছে হস্তান্তর করা হতে পারে বলে জানা গেছে।




বরগুনায় বিএনপির সাবেক এমপির ওপর হামলা মামলায় সাত আসামির জামিন বাতিল

বরগুনা-২ আসনের বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম মনির ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুর মামলায় আওয়ামী লীগের সাত নেতা-কর্মীর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (৩১ আগস্ট) সকালে বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ মো. সাইফুর রহমান এ আদেশ দেন।

আসামিরা হলেন—পাথরঘাটা উপজেলার আওয়ামী লীগ কর্মী মো. জাকির হোসেন লাভু (লাভু মিয়া), গোলাম মাওলা মিলন, মারজান আবদুল্লা আল মারজান, জাকারিয়া সুমন, মো. নিজাম, মো. নিজাম উদ্দিন তালুকদার, কিবরিয়া ও মো. খলিল। এ তথ্য নিশ্চিত করেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. জসিম উদ্দিন।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম মনি তার পূর্ব ঘোষিত সভায় যোগ দিতে গাড়িবহর নিয়ে ঢাকা থেকে পাথরঘাটা যাচ্ছিলেন। বহরটি রায়হানপুর ইউনিয়নের সিএন্ডবি বাজার এলাকায় পৌঁছালে তৎকালীন সংসদ সদস্য শওকত হাচানুর রহমান রিমনের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের ১০৫ জন নেতা-কর্মী ও আরও প্রায় ২০০ অজ্ঞাত কর্মী হামলা চালান। এতে নুরুল ইসলাম মনি গুরুতর আহত হন এবং তার গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।

পরে বিএনপি কর্মী সোলায়মান বাদী হয়ে ২০২৪ সালের ৪ অক্টোবর পাথরঘাটা থানায় মামলাটি দায়ের করেন। এ মামলায় অভিযুক্ত সাত আসামি চলতি বছরের ২৮ মে হাইকোর্ট থেকে আট সপ্তাহের অগ্রিম জামিন পেয়েছিলেন। জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় তারা রোববার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে পুনরায় জামিনের আবেদন করেন, কিন্তু আদালত তা নামঞ্জুর করে তাদের জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. নাসির উদ্দিন সোহাগ জানিয়েছেন, তার মক্কেলরা পুনরায় হাইকোর্টে জামিনের আবেদন করবেন।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে বাবুগঞ্জে মহাসড়ক অবরোধ

ঢাকায় গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক প্রায় এক ঘণ্টা অবরোধ করে রাখে নেতাকর্মীরা।

রোববার (৩১ আগস্ট) দুপুরে বাবুগঞ্জের রামপট্টি এলাকায় উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়। বিক্ষোভ চলাকালে মহাসড়কের দুই পাশে প্রায় হাজারো যানবাহন আটকা পড়ে এবং যাত্রীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়।

সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, নুরুল হক নুরের ওপর হামলায় জাতীয় পার্টি, সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ বাহিনী জড়িত। বক্তারা বলেন, প্রথমে পুলিশ ও সেনা সদস্যরা হামলা চালায়, এরপর জাতীয় পার্টির কর্মীরা নুরের ওপর অতর্কিত আঘাত হানে। তারা অভিযোগ করেন, নুর মাটিতে লুটিয়ে পড়ার পর লাল টি-শার্ট পরা এক যুবক তাকে বেধড়ক মারধর করে। পরবর্তীতে ওই হামলাকারীকে আটক করা হলেও পরে ছেড়ে দেওয়া হয়।

এসময় বক্তারা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি করে বলেন, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত না হলে আরও কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল জেলা গণঅধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নুরুল আমিন, যুব অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাজন মৃধা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশিক হাওলাদার, সাংগঠনিক সম্পাদক আল-আমিন হাওলাদারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। এছাড়াও বাবুগঞ্জ উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি শহিদুল ইসলাম আকাশ, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম রিয়াদ, ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আল-আমিনসহ আরও অনেকে বক্তব্য রাখেন।

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে সংঘর্ষ ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনায় গুরুতর আহত হন নুরুল হক নুর। রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে সহযোগীরা উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




শাপলার রক্তেই চব্বিশের চেতনার সূচনা: মামুনুল হক

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর ও শাপলা স্মৃতি সংসদের সভাপতি মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, শাপলা চত্বরে প্রবাহিত রক্তধারাই চব্বিশের চেতনার ভিত্তি স্থাপন করেছে। তিনি মনে করেন, শাপলার চেতনাকে আগামীর বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার মাইলফলক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হবে।

শনিবার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে শাপলা স্মৃতি সংসদের আয়োজিত “শাপলা কেন্দ্রীক বিভিন্ন কাজে অংশীজনের সম্মাননা ও সম্মিলনী–২০২৫” অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

মামুনুল বলেন, জুলাই ঘোষণাপত্রে শাপলার প্রসঙ্গ অনুপস্থিত থাকার দায় শুধু ড. ইউনূসের নয়, পুরো অন্তর্বর্তী সরকারেরও। তিনি আরও জানান, শাপলা স্মৃতি সংসদ শহীদ পরিবারের অভিভাবকত্ব গ্রহণের জন্য শাপলা শহীদ গার্ডিয়ান্স ফোরাম গঠন করেছে।

অনুষ্ঠানে শাপলার ঘটনাকে বাংলাদেশের ইতিহাসের এক কলঙ্কজনক অধ্যায় হিসেবে অভিহিত করে বক্তারা বলেন, ইতিহাস মুছে ফেলার চেষ্টা চললেও শাপলার রক্ত শহীদদের আত্মত্যাগকে অমর করে রেখেছে। ইসলামী আন্দোলনের ভবিষ্যৎ পথচলায় এ ত্যাগ প্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।

আলোচনায় হেফাজতে ইসলাম, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি ও বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা অংশ নেন। বক্তারা জোর দিয়ে বলেন, ইতিহাস সচেতন প্রজন্ম গড়তে শাপলার শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণ অপরিহার্য।

সম্মাননা ও ক্রেস্ট প্রদান
২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের ঘটনার সময় বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন, চিকিৎসা সহায়তা, মানবাধিকার রক্ষা ও পুনর্বাসনে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
আলজাজিরা, দৈনিক আমার দেশ, দিগন্ত টেলিভিশন, ইসলামিক টেলিভিশন, ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল, মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’ এবং হেফাজতে ইসলাম ঢাকা মহানগর (২০১৩ সালের কমিটি) প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে পুরস্কৃত হয়।
এছাড়া ২১ জন ব্যক্তিকে পৃথকভাবে ক্রেস্ট ও সম্মাননা দেওয়া হয়। শহীদ মতিউর রহমান, মুক্তার মিয়া ও ইউনুছ আলীর পিতারা বিজয়ীদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন।




কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

রাজধানীর কাকরাইলে অবস্থিত জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে শনিবার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যার পর আকস্মিক হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় কার্যালয়ের নিচতলায় আগুন ধরিয়ে দেওয়ায় লাইব্রেরির বই, গুরুত্বপূর্ণ নথি ও আসবাবপত্র পুড়ে যায়।

দলের চেয়ারম্যানের প্রেস সচিব ও যুগ্ম মহাসচিব খন্দকার দেলোয়ার জালালী জানান, সন্ধ্যার কিছুক্ষণ আগে মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী দলের মিলনায়তনে নেতাকর্মী ও সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষ করেন। পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শান্তি রক্ষার স্বার্থে জাপা নেতাকর্মীদের কার্যালয় থেকে বেরিয়ে যেতে অনুরোধ করে। তবে তাদের প্রস্থানের পরপরই প্রায় ২০ থেকে ৩০ জনের একটি দল পুলিশের বাধা অমান্য করে ভবনের ভেতরে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালায় এবং আগুন লাগিয়ে দেয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে। বর্তমানে কার্যালয়ের ভেতর ও বাইরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যাপক মোতায়েন রয়েছে।

অন্যদিকে, জাতীয় পার্টির দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, একই সময়ে দলের চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদেরের উত্তরার বাসভবনেও কয়েক দফা হামলার চেষ্টা হয়। তবে সকাল থেকেই সেখানে পুলিশ মোতায়েন থাকায় হামলাকারীরা সফল হয়নি।




কুয়াকাটায় নুরুল হক নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মশাল মিছিল

রাজধানীর কাকরাইলে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় বিক্ষোভ ও মশাল মিছিল করেছেন দলের নেতা-কর্মীরা। শনিবার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যায় কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সামনে থেকে মশাল মিছিলটি শুরু হয়ে পৌরসভার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুরাতন প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

পরে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেন মহিপুর থানা যুব গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এনায়েত উদ্দিন দুলাল ফকীর, ডালবুগঞ্জ ইউনিয়ন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি মিজানুর রহমান, মহিপুর থানা ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক আবু তালহা ও আরিফ ইসলাম।

বক্তারা অভিযোগ করেন, সেনাবাহিনী ও পুলিশ নুরুল হকের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়েছে এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাকে রক্তাক্ত করেছে। তারা আরও বলেন, ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের মাধ্যমে নুর রাজপথে নেতৃত্ব দিয়ে দেশের তরুণ সমাজকে জাগ্রত করেছিলেন, যা আওয়ামী সরকারের পতনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সমাবেশে বক্তারা আরও দাবি জানান, আগামী সাত দিনের মধ্যে জাতীয় পার্টির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে হবে এবং দলটির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরকে গ্রেপ্তার করতে হবে।

✍️ মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



“নুরসহ আহতদের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনে বিদেশে পাঠানো হবে: অন্তর্বর্তীকালীন সরকার”

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের নেতা নুরুল হক নূরের ওপর হামলার ঘটনায় বাংলাদেশ সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জানিয়েছে, প্রয়োজন হলে নূর ও তাঁর দলের অন্যান্য আহত সদস্যদের উন্নত চিকিৎসার জন্য রাষ্ট্রীয় খরচে বিদেশে পাঠানো হবে।

শনিবার (৩০ আগস্ট) সরকারিভাবে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, নুরুল হক নূর এবং তাঁর দলের আহতদের চিকিৎসা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য বিশেষায়িত মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। তাঁদের সর্বোচ্চ মানের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই হামলা শুধু নুরের ওপরই নয়, বরং গণতান্ত্রিক আন্দোলনের স্পিরিটের ওপরও আঘাত। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জনগণকে আশ্বস্ত করেছে, ঘটনায় জড়িত যেকোনো ব্যক্তি অব্যাহতি পাবেন না এবং তদন্ত সম্পূর্ণ স্বচ্ছভাবে করা হবে।

নূরের সাহসী ভূমিকা প্রসঙ্গে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে শুরু করে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে তিনি তরুণদের সংগঠিত করেছেন এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে নির্ভীকভাবে দাঁড়িয়েছেন। তাঁর ভূমিকা স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের জন্য জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতীক।

বিবৃতিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আগামী জাতীয় নির্বাচন যথাসময়ে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিত হওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। এছাড়া দেশের গণতন্ত্র রক্ষা করতে সকল রাজনৈতিক ও সামাজিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫





“বাংলাদেশ সকল বৈধ জাতিগোষ্ঠীর: তারেক রহমান”

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান শনিবার (৩০ আগস্ট) ময়মনসিংহে জাতীয়তাবাদী ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী দলের জাতীয় প্রতিনিধি সমাবেশে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বলেছেন, বাংলাদেশ শুধু বাঙালির নয়, বরং বৈধভাবে বসবাসকারী সকল জাতিগোষ্ঠীর।

তিনি বলেন, “পাহাড় বা সমতলে সবার অধিকার সংরক্ষণের জন্য বিএনপির সব কমিটিতে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়েছে। সব জাতিগোষ্ঠীকে নিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বিএনপি বদ্ধপরিকর।”

তারেক রহমান আরও জানান, বিএনপি ক্ষমতায় এলে সরকারি চাকরিতে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সুযোগ বৃদ্ধির জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এছাড়া, ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের রূপরেখা অনুযায়ী নিরাপদ ও সমানাধিকারযুক্ত বাংলাদেশ নিশ্চিত করতে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সহযোগিতা চায় দলটি।

তিনি বলেন, পাহাড়ি ও সমতলের উন্নয়নে ৩১ দফা রূপরেখা প্রণয়ন করা হয়েছে, যা ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর কল্যাণ ও অধিকারের নিশ্চয়তা দেবে।

সমাবেশে দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন এবং তারা সকল জাতিগোষ্ঠীকে সমান অধিকার নিশ্চিত করার মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক অগ্রগতি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




নুরের ওপর হামলার ঘটনায় ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জাপা নিষিদ্ধের দাবি

গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান শনিবার (৩০ আগস্ট) বিকেলে বরিশাল জেলা কার্যালয়ের সামনে সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় পার্টিকে (জাপা) ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নিষিদ্ধের দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে রাশেদ খান তিন দফা দাবি উত্থাপন করেন। তিনি বলেন, “গতকালকের ঘটনার তদন্তে কমিটি গঠন করতে হবে। নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় দায়প্রাপ্ত স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ করা উচিত।”

এদিকে, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের ওপর হামলার ঘটনায় বিবৃতি দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জড়িত কোনো ব্যক্তি জবাবদিহিতা থেকে রেহাই পাবে না।

অন্তর্বর্তী সরকার বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে, নূরের ওপর নৃশংস হামলা কেবল তার জন্যই নয়, বরং গণতান্ত্রিক আন্দোলনের চেতনা ও জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামের ওপরও আঘাত। এই ধরনের সহিংসতা দেশের গণতন্ত্রকে হুমকির মুখে ফেলে।

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে, ঘটনাটির পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্ত সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সম্পন্ন করা হবে। প্রভাব বা পদমর্যাদা যাই হোক না কেন, জড়িতদের কোনো ছাড় থাকবে না। এছাড়া আহত নূর এবং তার দলের অন্যান্য সদস্যদের চিকিৎসা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য বিশেষ মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। প্রয়োজনে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের রাষ্ট্রীয় খরচে বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




তালতলীতে ভিপি নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের ওপর জাতীয় পার্টি ও যৌথ বাহিনীর হামলার প্রতিবাদে শনিবার (৩০ আগস্ট) তালতলীতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বেলা ১১টার দিকে উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের কার্যালয় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে সদর রোডের মামুন লাইব্রেরির সামনে এসে সমাবেশে মিলিত হয়।

মিছিল ও সমাবেশে নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন, যেমন:

  • “হাসিনা গেছে যে পথে, জাপা যাবে সেই পথে”

  • “নুরের ওপর হামলা- সইবে না এ বাংলা”

  • “স্বৈরাচার গেছে ভারতে- জাপা কেন বাংলায়”

প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন গণঅধিকার পরিষদ তালতলী উপজেলা শাখার আহ্বায়ক মো. নাসির উদ্দিন মুন্সী, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রবিউল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শামীমসহ উপজেলা ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা ভিপি নুরের ওপর যৌথ বাহিনীর বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও কঠোর শাস্তির দাবি জানান। এছাড়াও তারা জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের রাজনীতিকে দেশে নিষিদ্ধ করার দাবি উত্থাপন করেন।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫