জাতীয় সরকার গঠনের মাধ্যমে দেশে স্থিতিশীলতা ফেরানোর আহ্বান নুরুল হকের

রাজনৈতিক সমঝোতা ও ঐক্যের ভিত্তিতে জাতীয় সরকার গঠন করা হলে দেশের স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের পথ সুগম হবে বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় পটুয়াখালীর চৌরাস্তায় জেলা গণঅধিকার পরিষদের আয়োজিত এক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “আমরা যে নতুন বাংলাদেশ দেখতে চাই, তা রাতারাতি সম্ভব নয়। রাজনৈতিক নেতাদের মানসিকতার পরিবর্তন এবং আমলাতন্ত্রের চরিত্রের রূপান্তর না ঘটলে কোনো পরিবর্তন টেকসই হবে না। যদি রাজনৈতিক ঐক্য ও সমঝোতার মাধ্যমে আগামী নির্বাচনের পর জাতীয় সরকার গঠন করা যায়, তাহলে সেই সরকারই পারে দেশকে পাঁচ বছরের মধ্যে স্থিতিশীল ও উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে।”

নুরুল হক নুর সতর্ক করে বলেন, “যদি রাজনৈতিক বিভাজন ও অনৈক্য অব্যাহত থাকে, তাহলে স্বৈরাচারী শক্তি পুনরায় মাথাচাড়া দেবে। ফ্যাসিবাদ ফিরে আসবে—এমন পরিস্থিতিতে কেউ নিরাপদ থাকবে না। তাই এখনই সব রাজনৈতিক দলের উচিত সংলাপের মাধ্যমে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া শুরু করা।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, “একদিকে আমরা আশাবাদী যে মানুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। অন্যদিকে নির্বাচনের আকাশে কালো মেঘ জমছে। সরকারের সমালোচকরা দমন-নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন। যদি এই ধারা অব্যাহত থাকে, তাহলে সামনে সকলের জন্যই কঠিন সময় অপেক্ষা করছে।”

নুরুল হক নুর সরকারের কার্যক্রম সম্পর্কেও মন্তব্য করেন, “বর্তমান সরকার সকলের জন্য হলেও জনগণের পরামর্শ গ্রহণ করছে না। এর ফলে জনপ্রিয়তা কমছে। কিছু বিতর্কিত কর্মকাণ্ড সরকারের নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। মুজিব কোটের আধিপত্যের দিন শেষ—এবার মানুষ স্বতঃসিদ্ধভাবে এর প্রভাব নিচ্ছে না, বরং ভয়ের কারণে কেউ এতে সম্পৃক্ত হতে চাচ্ছে না।”

সভায় গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয়, জেলা, উপজেলা ও অঙ্গসংগঠনের অসংখ্য নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন। নুরুল হক নুর বক্তব্যে সরকারের ব্যর্থতা, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও নতুন প্রজন্মের গুরুত্বসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিশদ আলোচনা করেন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




আগামী নির্বাচনে জনগণের সরকার গড়বে বিএনপি — আলতাফ হোসেন চৌধুরী

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলা মুরাদিয়া ইউনিয়ন বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান, সাবেক স্বরাষ্ট্র ও বাণিজ্যমন্ত্রী আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন চৌধুরী। মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে মুরাদিয়া ইউনিয়নের জয়গুন্নেছা মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এ সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলতাফ হোসেন চৌধুরী বলেন, “দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে ভারতের তাবেদার আওয়ামী লীগ জনগণকে দমন করে রেখেছিল। কিন্তু ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে আমরা সেই ফ্যাসিবাদী শাসনকে প্রতিহত করেছি। এখন সময় এসেছে একটি গণতান্ত্রিক ও সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার।” তিনি আরও বলেন, “আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপি অংশ নিতে প্রস্তুত। সরকার ঘোষিত সময় অনুযায়ী নির্বাচনের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।”

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। তার নেতৃত্বে বিএনপি নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করবে, এবং তিনিই হবেন বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী।”

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাকসুদ আহম্মেদ বায়েজীদ (পান্না), জিয়া পরিষদের কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ মজিবর রহমান, পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মিসেস জেসমিন জাফর এবং জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি সৈয়দ মোস্তাফিজুর রহমান রুমি।

এছাড়াও বক্তব্য রাখেন শহীদ জিয়া গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় সদস্য মোঃ লুতফর রহমান, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান লাল মিয়া, দুমকি ছাত্রদলের সদস্য সচিব সুমন শরীফ ও দুমকি বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান সুমন।

সভায় সভাপতিত্ব করেন দুমকি উপজেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ জসিম উদ্দিন হাওলাদার এবং অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ মতিউর রহমান দিপু।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরীর ছোট ভাই ও বিএনপি নেতা মোঃ শাহীন চৌধুরী, তার ব্যক্তিগত প্রেস সেক্রেটারি মোঃ মাহফুজুর রহমান সবুজ, সাবেক ছাত্রদল নেতা ও পবিপ্রবি’র আইন উপদেষ্টা এডভোকেট আনিসুর রহমান, জেলা যুবদল নেতা আল আমিন সুজন, বাপ্পি এবং বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, মহিলা দলসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শতাধিক নেতাকর্মী।

সভায় বক্তারা বলেন, জনগণ আজ পরিবর্তনের অপেক্ষায়। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বিএনপি সব সময় মানুষের পাশে ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। তারা প্রত্যাশা করেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে আবারও জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




জামায়াত আমিরের সঙ্গে ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিক্স মোলার সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে রাজধানীর বসুন্ধরায় দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থ, মানবাধিকার, গণতন্ত্র ও সামাজিক উন্নয়ন নিয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা হয় বলে জানা গেছে।

এ সময় রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ছিলেন ডেনমার্কের ডেপুটি অ্যাম্বাসেডর আন্দের্স বি. কার্লসেন। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এবং আমিরের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মাহমুদুল হাসান।

বৈঠকে দুই পক্ষের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার, রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও মানবিক সহযোগিতা সম্পর্কেও আলোচনা হয়। সাক্ষাৎ শেষে উভয় পক্ষ ভবিষ্যতে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




জুলাই সনদ বাস্তবায়নসহ পাঁচদফা দাবিতে জামায়াতে ইসলামী’র নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, উভয়কক্ষে পিআর পদ্ধতি চালু ও জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধসহ পাঁচদফা দাবিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। আগামী ১৪ অক্টোবর থেকে সারাদেশে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু হবে।

শনিবার (১২ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। তিনি জানান, দাবি আদায়ে জনগণের অংশগ্রহণই প্রমাণ করে—জামায়াতের রাজনৈতিক অবস্থান দেশবাসীর সমর্থন পাচ্ছে।

অধ্যাপক পরওয়ার বলেন, “১ থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত গণসংযোগ, ১০ অক্টোবর বিভাগীয় শহরে গণমিছিল এবং ১২ অক্টোবর জেলা প্রশাসকদের কাছে স্মারকলিপি প্রদানের কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। জনগণের অংশগ্রহণে আমরা উৎসাহিত। সরকার যদি জনগণের দাবি উপেক্ষা করে, তবে আমরা রাজপথে থেকেই আন্দোলন চালিয়ে যাব।”

তিনি আরও জানান, “সরকারের উচিত জনগণের মতামতকে সম্মান জানিয়ে অবিলম্বে দাবিগুলো বাস্তবায়ন করা। না হলে জনগণ গণআন্দোলনের মাধ্যমে তাদের অধিকার আদায় করবে।”

ঘোষিত পাঁচদফা দাবি:

১️⃣ জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন করে গণভোটের মাধ্যমে আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন আয়োজন।
২️⃣ জাতীয় নির্বাচনে উভয়কক্ষে পিআর (Proportional Representation) পদ্ধতি অন্তর্ভুক্ত করে গণভোটের মাধ্যমে অনুমোদন।
৩️⃣ অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের স্বার্থে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা।
৪️⃣ বর্তমান সরকারের দুর্নীতি, গণহত্যা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিচার দৃশ্যমান করা।
৫️⃣ জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা।

তৃতীয় দফা কর্মসূচি:

🔹 ১৪ অক্টোবর – রাজধানী ঢাকাসহ দেশের সব বিভাগীয় শহরে মানববন্ধন।
🔹 ১৫ অক্টোবর – দেশের সব জেলা শহরে মানববন্ধন কর্মসূচি।

ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ জামায়াতের যৌথ উদ্যোগে যাত্রাবাড়ী মোড় থেকে মৎস্য ভবন হয়ে গাবতলী পর্যন্ত বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হবে। এতে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ মহানগরীর শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছে দলটি।


আল-আমিন

 




আমি মুক্তিযোদ্ধা, সেফ এক্সিট আমার জন্য নয়: উপদেষ্টা ফারুক ই আজম

“আমি নিজে একজন মুক্তিযোদ্ধা, তাই সেফ এক্সিট আমার জন্য নয়। আমি এ দেশেই থাকব”— এমন দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক ই আজম

রোববার (১২ অক্টোবর) দুপুরে বরিশাল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে টাইফয়েড টিকা কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের টিকা প্রদানের মধ্য দিয়ে মাসব্যাপী এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়।

উপদেষ্টা ফারুক ই আজম বলেন, “বছরের পর বছর আমাদের সমাজে বৈষম্য ও অধিকার বঞ্চনার যে চিত্র ছিল, সেখান থেকে জাতির একটি সেফ এক্সিট নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করছি। জাতি যেন ন্যায়, সমতা ও মানবিকতার পথে এগিয়ে যেতে পারে এটাই আমাদের লক্ষ্য।”

তিনি আরও বলেন, “টাইফয়েড প্রতিরোধে এই টিকা ক্যাম্পেইন একটি আশীর্বাদ। রোগ প্রতিরোধ সবসময় প্রতিকারের চেয়ে উত্তম। তাই এই কর্মসূচিকে সফল করতে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।”

এ সময় মাঠ পর্যায়ের স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে টাইফয়েড টিকা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

টিকা কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত
বরিশাল বিভাগে ২৬ লাখ ১৪ হাজার মানুষকে টাইফয়েড টিকার আওতায় আনা হবে। ৪ থেকে ৭ বছর বয়সী শিশুদের জন্য প্রথম ডোজ দেওয়া হবে। আগামী ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এবং ১ থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত সরকারি-বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে টিকা প্রদান করা হবে।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট তৈরি করেছে এই টিকা, যা সরকার পেয়েছে আন্তর্জাতিক ভ্যাকসিন সহায়তা সংস্থা গ্যাভির সহযোগিতায়। টিকাটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদনপ্রাপ্ত ও সম্পূর্ণ নিরাপদ। ইতোমধ্যে নেপাল, পাকিস্তানসহ আটটি দেশে সফলভাবে ব্যবহার হয়েছে এবং কোথাও বড় ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫




জাপার অরাজকতা ঠেকাতে পুলিশের ভূমিকা প্রশংসনীয়: নুর

বাংলাদেশ গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেছেন, জাপা (জাতীয় পার্টি) শনিবারের কর্মসূচিতে অরাজকতা সৃষ্টি করতে চাইলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তাৎক্ষণিক ও পেশাদার পদক্ষেপের কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তিনি পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, “তারা না থাকলে আরও বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারত।”

শনিবার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় গণঅধিকার পরিষদের শতাধিক নেতাকর্মীর ওপর হামলার ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিশনের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নুর এ মন্তব্য করেন।

নুরুল হক নুর অভিযোগ করে বলেন, “জাপাকে সেনাবাহিনীর কিছু ব্যক্তি আশকারা দিচ্ছে। তাদেরই ইন্ধনে আমার ওপর হামলা হয়েছে। আমাকে লক্ষ্য করে মাথায় আঘাত করা হয়, যা প্রাণনাশের উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল। আমার ব্রেইনেও আঘাত লেগেছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের পক্ষ থেকে কোনো সংঘর্ষ হয়নি। তবে জাপার কিছু কর্মী ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টা করেছিল। ঘটনাটির পেছনে সেনাবাহিনীর এক কমান্ডিং অফিসারও জড়িত ছিলেন বলে আমি বিশ্বাস করি।”

নুর দাবি করেন, এই হামলার উদ্দেশ্য ছিল ভয় দেখানো ও রাজনৈতিক বার্তা দেওয়া। তার ভাষায়, “আমার ওপর হামলা করে তারা বোঝাতে চায়, রিফাইন আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠার নামে যারা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়, তারা এখন সক্রিয়।”

গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি আরও জানান, তদন্ত কমিশন তার বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শুনেছে এবং সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের আশ্বাস দিয়েছে। নুর আশা প্রকাশ করেন, তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের মাধ্যমে হামলাকারীদের মুখোশ উন্মোচিত হবে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ সময় তিনি শান্তিপূর্ণ রাজনীতির পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




মানুষের ভালোবাসায় বিএনপি বারবার ক্ষমতায় — এবিএম মোশাররফ

“বিএনপি কখনো দখলের রাজনীতি করে না, মানুষের মন জয় করেই রাজনীতি করে,”— এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব এবিএম মোশাররফ হোসেন।

শনিবার (১১ অক্টোবর) বিকেলে পটুয়াখালীর কুয়াকাটার মুসুল্লিয়াবাদ ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসা মাঠে লতাচাপলী ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে এক বিশাল জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। কলাপাড়া, মহিপুর ও কুয়াকাটা পৌরসভা এলাকা থেকে হাজারো নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ এই সভায় অংশ নেন।

এবিএম মোশাররফ হোসেন বলেন, “মানুষ সুযোগ পেলেই বিএনপিকে ক্ষমতায় আনে। কারণ, বিএনপি জনগণের আস্থা অর্জন করেছে। আওয়ামী লীগ গত ১৫ বছর ধরে ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে দিনের ভোট রাতে সম্পন্ন করেছে। দেশের সম্পদ লুটে বিদেশে পাচার করেছে এবং মানুষকে বাকরুদ্ধ করে রেখেছে।”

তিনি আরও বলেন, “বিএনপি প্রতিশোধের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। আমি কুয়াকাটায় পাঁচবার রাজনৈতিক সভায় অংশ নিতে এসে হামলা ও মামলার শিকার হয়েছি। তবুও আমরা জনগণের অধিকার আদায়ে দৃঢ়ভাবে মাঠে আছি। জনগণের স্বার্থে কাজ করাই আমাদের লক্ষ্য।”

তিনি অভিযোগ করেন, “কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুল আজিজ মুসুল্লীসহ অনেক নেতাকর্মীকে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা হামলা করে রক্তাক্ত করেছে। তখন আমরা কথা বলার সুযোগ পাইনি, কিন্তু আজ সময় বদলেছে। বিএনপি জনগণের শক্তিতেই আবারও রাজপথে ফিরেছে।”

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাজী হুমায়ূন শিকদার, কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল আজিজ মুসুল্লী, কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান চুন্নু, মহিপুর থানা বিএনপির সভাপতি আব্দুল জলিল হাওলাদার, কলাপাড়া পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুসা তাওহীদ নান্নু মুন্সি, মহিপুর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহজাহান পারভেজ এবং কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. মতিউর রহমান।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা, থানা ও পৌর বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন লতাচাপলী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সেলিম হাওলাদার।

সভাস্থলে নেতাকর্মীদের উপস্থিতি ও স্লোগানে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। বক্তারা আগামী নির্বাচনে বিএনপিকে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে থাকার আহ্বান জানান।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




বিএনপি একক নয়, জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠনে আগ্রহী: মুনির হোসেন

বাউফলে এক গণসংযোগ ও পথসভায় কেন্দ্রীয় বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-দপ্তর সম্পাদক মো. মুনির হোসেন বলেছেন, বিএনপি একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চায়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, দলটি এককভাবে নয় বরং জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতে সকল রাজনৈতিক দলকে সঙ্গে নিয়ে সরকার গঠন করতে চায়।

গতকাল শুক্রবার বিকেলে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার বগা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কৌখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত ওই সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, “বিগত ১৭ বছরে ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে দেশ চরম দুর্নীতির কবলে পড়েছে। রাষ্ট্রের প্রতিটি সেক্টর ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। দেশের হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে, অথচ সাধারণ মানুষ আজ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়ায় দিশেহারা। ৫ আগস্ট ছাত্রজনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আমরা সেই স্বৈরাচারী শাসনের পতন ঘটিয়েছি।”

মুনির হোসেন আরও বলেন, বিএনপি জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিতে চায়। ৩১ দফা ঘোষণার মাধ্যমে রাষ্ট্রের নতুন কাঠামো গঠন করে একটি আধুনিক, উৎপাদনমুখী ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠাই আমাদের লক্ষ্য। এজন্য তিনি আগামী নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপিকে পুনরায় ক্ষমতায় আনার আহ্বান জানান।

সভায় সভাপতিত্ব করেন ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আবদুর রহমান মাস্টার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব আবদুল জব্বার মৃধা, সদস্য সচিব আপেল মাহমুদ ফিরোজ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল গনি সিকদার, সদস্য আবুল কালাম মৃধা, সাবেক যুবদলের সদস্য সচিব বশির পঞ্চাইত এবং সাবেক স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক বাদল।

অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বগা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বাবুল সিকদার ও ইঞ্জিনিয়ার মনির হোসেন। এসময় বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. আনিসুর রহমান বাবুল মৃধা, ইউনিয়ন কৃষক দলের আহ্বায়ক মাসুদ শিকদার, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শামসুল হক সন্যামত, সহ-সভাপতি কালাম প্যাদা, সাংগঠনিক সম্পাদক পলাশ হাওলাদার, মাসুদ মৃধা সহ উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

মঞ্চে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠনই হতে পারে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের একমাত্র পথ। তারা জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশের জন্য কাজ করার আহ্বান জানান।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



পটুয়াখালীর ৪ প্রভাবশালী নেতার সাক্ষাৎকার বিএনপির মনোনয়ন বোর্ডে

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির কেন্দ্রীয় মনোনয়ন বোর্ডের ডাকে সাক্ষাৎকারে অংশ নিয়েছেন পটুয়াখালী জেলার চারজন শীর্ষস্থানীয় ও প্রভাবশালী নেতা। বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) বিকেলে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাৎকারে তারা পৃথকভাবে অংশ নেন এবং নিজেদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও সাংগঠনিক ভূমিকা তুলে ধরেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, পটুয়াখালী-১ আসন (সদর, মির্জাগঞ্জ ও দুমকি) থেকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে যাদের ডাকা হয়েছে তারা হলেন—সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান টোটন এবং সাবেক পৌর মেয়র ও জেলা বিএনপির সদস্য মোশতাক আহমেদ পিনু

সাক্ষাৎকারে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির বরিশাল বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান এবং মাহবুবুল হক নান্নু

সূত্র জানায়, সাক্ষাৎকারে সাবেক মন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী তার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সংগঠনিক সক্ষমতা ও এলাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরেন। জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে আমি তৃণমূল নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রেখে দলের আন্দোলন ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছি।”

জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান টোটন বলেন, “গত দুই দশক ধরে তৃণমূলের পাশে থেকে সংগঠনকে শক্তিশালী করেছি। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করছি এবং বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নে কাজ করছি।”

অন্যদিকে সাবেক পৌর মেয়র মোশতাক আহমেদ পিনু জানান, “আমি পৌর মেয়র থাকাকালে সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করেছি এবং এখনো স্থানীয় রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে দলের পক্ষে মাঠে আছি।”

মনোনয়ন সাক্ষাৎকারে চারজনই দলের প্রতি তাদের আনুগত্য, তৃণমূল পর্যায়ে প্রভাব, জনপ্রিয়তা ও নির্বাচনী প্রস্তুতি তুলে ধরেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, মনোনয়ন বোর্ড সাক্ষাৎকার শেষে তাদের যোগ্যতা, সাংগঠনিক প্রভাব ও জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা মূল্যায়ন করে চূড়ান্ত প্রার্থী নির্ধারণ করবে পরবর্তী ধাপে।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




পিআর নিয়ে গনভোট চায় জামায়াতে ইসলামী : গোলাম পরওয়ার

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ: শুক্রবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে আয়োজিত গণ মিছিলপূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন , পিআর নিয়ে জাতির রায় আমরা গ্রহণ করবো 

গোলাম পরওয়ার বলেন, জাতি যদি পিআরের পক্ষে রায় দেয়, তাহলে সব দলকে তা মানতে হবে। আর জাতি না মানলে সে রায় আমরাও গ্রহণ করবো।

তিনি বলেন, জুলাই সনদকে আইনি ভিত্তি দিতে গণভোট এবং সেখানে পিআর পদ্ধতি অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। জাতির মতামত না নিয়ে পিআরকে উপেক্ষা করা যাবে না।

গোলাম পরওয়ার আরো  বলেন, পিআর জনগণ বোঝে না-এমন অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তবে দেশের অধিকাংশ মানুষ পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন চায় বলে উল্লেখ করেন তিনি।