জাপার অরাজকতা ঠেকাতে পুলিশের ভূমিকা প্রশংসনীয়: নুর

বাংলাদেশ গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেছেন, জাপা (জাতীয় পার্টি) শনিবারের কর্মসূচিতে অরাজকতা সৃষ্টি করতে চাইলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তাৎক্ষণিক ও পেশাদার পদক্ষেপের কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তিনি পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, “তারা না থাকলে আরও বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারত।”

শনিবার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় গণঅধিকার পরিষদের শতাধিক নেতাকর্মীর ওপর হামলার ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিশনের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নুর এ মন্তব্য করেন।

নুরুল হক নুর অভিযোগ করে বলেন, “জাপাকে সেনাবাহিনীর কিছু ব্যক্তি আশকারা দিচ্ছে। তাদেরই ইন্ধনে আমার ওপর হামলা হয়েছে। আমাকে লক্ষ্য করে মাথায় আঘাত করা হয়, যা প্রাণনাশের উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল। আমার ব্রেইনেও আঘাত লেগেছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের পক্ষ থেকে কোনো সংঘর্ষ হয়নি। তবে জাপার কিছু কর্মী ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টা করেছিল। ঘটনাটির পেছনে সেনাবাহিনীর এক কমান্ডিং অফিসারও জড়িত ছিলেন বলে আমি বিশ্বাস করি।”

নুর দাবি করেন, এই হামলার উদ্দেশ্য ছিল ভয় দেখানো ও রাজনৈতিক বার্তা দেওয়া। তার ভাষায়, “আমার ওপর হামলা করে তারা বোঝাতে চায়, রিফাইন আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠার নামে যারা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়, তারা এখন সক্রিয়।”

গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি আরও জানান, তদন্ত কমিশন তার বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শুনেছে এবং সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের আশ্বাস দিয়েছে। নুর আশা প্রকাশ করেন, তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের মাধ্যমে হামলাকারীদের মুখোশ উন্মোচিত হবে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ সময় তিনি শান্তিপূর্ণ রাজনীতির পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




মানুষের ভালোবাসায় বিএনপি বারবার ক্ষমতায় — এবিএম মোশাররফ

“বিএনপি কখনো দখলের রাজনীতি করে না, মানুষের মন জয় করেই রাজনীতি করে,”— এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব এবিএম মোশাররফ হোসেন।

শনিবার (১১ অক্টোবর) বিকেলে পটুয়াখালীর কুয়াকাটার মুসুল্লিয়াবাদ ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসা মাঠে লতাচাপলী ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে এক বিশাল জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। কলাপাড়া, মহিপুর ও কুয়াকাটা পৌরসভা এলাকা থেকে হাজারো নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ এই সভায় অংশ নেন।

এবিএম মোশাররফ হোসেন বলেন, “মানুষ সুযোগ পেলেই বিএনপিকে ক্ষমতায় আনে। কারণ, বিএনপি জনগণের আস্থা অর্জন করেছে। আওয়ামী লীগ গত ১৫ বছর ধরে ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে দিনের ভোট রাতে সম্পন্ন করেছে। দেশের সম্পদ লুটে বিদেশে পাচার করেছে এবং মানুষকে বাকরুদ্ধ করে রেখেছে।”

তিনি আরও বলেন, “বিএনপি প্রতিশোধের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। আমি কুয়াকাটায় পাঁচবার রাজনৈতিক সভায় অংশ নিতে এসে হামলা ও মামলার শিকার হয়েছি। তবুও আমরা জনগণের অধিকার আদায়ে দৃঢ়ভাবে মাঠে আছি। জনগণের স্বার্থে কাজ করাই আমাদের লক্ষ্য।”

তিনি অভিযোগ করেন, “কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুল আজিজ মুসুল্লীসহ অনেক নেতাকর্মীকে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা হামলা করে রক্তাক্ত করেছে। তখন আমরা কথা বলার সুযোগ পাইনি, কিন্তু আজ সময় বদলেছে। বিএনপি জনগণের শক্তিতেই আবারও রাজপথে ফিরেছে।”

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাজী হুমায়ূন শিকদার, কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল আজিজ মুসুল্লী, কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান চুন্নু, মহিপুর থানা বিএনপির সভাপতি আব্দুল জলিল হাওলাদার, কলাপাড়া পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুসা তাওহীদ নান্নু মুন্সি, মহিপুর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহজাহান পারভেজ এবং কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. মতিউর রহমান।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা, থানা ও পৌর বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন লতাচাপলী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সেলিম হাওলাদার।

সভাস্থলে নেতাকর্মীদের উপস্থিতি ও স্লোগানে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। বক্তারা আগামী নির্বাচনে বিএনপিকে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে থাকার আহ্বান জানান।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




বিএনপি একক নয়, জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠনে আগ্রহী: মুনির হোসেন

বাউফলে এক গণসংযোগ ও পথসভায় কেন্দ্রীয় বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-দপ্তর সম্পাদক মো. মুনির হোসেন বলেছেন, বিএনপি একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চায়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, দলটি এককভাবে নয় বরং জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতে সকল রাজনৈতিক দলকে সঙ্গে নিয়ে সরকার গঠন করতে চায়।

গতকাল শুক্রবার বিকেলে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার বগা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কৌখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত ওই সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, “বিগত ১৭ বছরে ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে দেশ চরম দুর্নীতির কবলে পড়েছে। রাষ্ট্রের প্রতিটি সেক্টর ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। দেশের হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে, অথচ সাধারণ মানুষ আজ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়ায় দিশেহারা। ৫ আগস্ট ছাত্রজনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আমরা সেই স্বৈরাচারী শাসনের পতন ঘটিয়েছি।”

মুনির হোসেন আরও বলেন, বিএনপি জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিতে চায়। ৩১ দফা ঘোষণার মাধ্যমে রাষ্ট্রের নতুন কাঠামো গঠন করে একটি আধুনিক, উৎপাদনমুখী ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠাই আমাদের লক্ষ্য। এজন্য তিনি আগামী নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপিকে পুনরায় ক্ষমতায় আনার আহ্বান জানান।

সভায় সভাপতিত্ব করেন ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আবদুর রহমান মাস্টার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব আবদুল জব্বার মৃধা, সদস্য সচিব আপেল মাহমুদ ফিরোজ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল গনি সিকদার, সদস্য আবুল কালাম মৃধা, সাবেক যুবদলের সদস্য সচিব বশির পঞ্চাইত এবং সাবেক স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক বাদল।

অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বগা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বাবুল সিকদার ও ইঞ্জিনিয়ার মনির হোসেন। এসময় বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. আনিসুর রহমান বাবুল মৃধা, ইউনিয়ন কৃষক দলের আহ্বায়ক মাসুদ শিকদার, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শামসুল হক সন্যামত, সহ-সভাপতি কালাম প্যাদা, সাংগঠনিক সম্পাদক পলাশ হাওলাদার, মাসুদ মৃধা সহ উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

মঞ্চে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠনই হতে পারে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের একমাত্র পথ। তারা জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশের জন্য কাজ করার আহ্বান জানান।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



পটুয়াখালীর ৪ প্রভাবশালী নেতার সাক্ষাৎকার বিএনপির মনোনয়ন বোর্ডে

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির কেন্দ্রীয় মনোনয়ন বোর্ডের ডাকে সাক্ষাৎকারে অংশ নিয়েছেন পটুয়াখালী জেলার চারজন শীর্ষস্থানীয় ও প্রভাবশালী নেতা। বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) বিকেলে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাৎকারে তারা পৃথকভাবে অংশ নেন এবং নিজেদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও সাংগঠনিক ভূমিকা তুলে ধরেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, পটুয়াখালী-১ আসন (সদর, মির্জাগঞ্জ ও দুমকি) থেকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে যাদের ডাকা হয়েছে তারা হলেন—সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান টোটন এবং সাবেক পৌর মেয়র ও জেলা বিএনপির সদস্য মোশতাক আহমেদ পিনু

সাক্ষাৎকারে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির বরিশাল বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান এবং মাহবুবুল হক নান্নু

সূত্র জানায়, সাক্ষাৎকারে সাবেক মন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী তার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সংগঠনিক সক্ষমতা ও এলাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরেন। জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে আমি তৃণমূল নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রেখে দলের আন্দোলন ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছি।”

জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান টোটন বলেন, “গত দুই দশক ধরে তৃণমূলের পাশে থেকে সংগঠনকে শক্তিশালী করেছি। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করছি এবং বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নে কাজ করছি।”

অন্যদিকে সাবেক পৌর মেয়র মোশতাক আহমেদ পিনু জানান, “আমি পৌর মেয়র থাকাকালে সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করেছি এবং এখনো স্থানীয় রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে দলের পক্ষে মাঠে আছি।”

মনোনয়ন সাক্ষাৎকারে চারজনই দলের প্রতি তাদের আনুগত্য, তৃণমূল পর্যায়ে প্রভাব, জনপ্রিয়তা ও নির্বাচনী প্রস্তুতি তুলে ধরেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, মনোনয়ন বোর্ড সাক্ষাৎকার শেষে তাদের যোগ্যতা, সাংগঠনিক প্রভাব ও জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা মূল্যায়ন করে চূড়ান্ত প্রার্থী নির্ধারণ করবে পরবর্তী ধাপে।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




পিআর নিয়ে গনভোট চায় জামায়াতে ইসলামী : গোলাম পরওয়ার

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ: শুক্রবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে আয়োজিত গণ মিছিলপূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন , পিআর নিয়ে জাতির রায় আমরা গ্রহণ করবো 

গোলাম পরওয়ার বলেন, জাতি যদি পিআরের পক্ষে রায় দেয়, তাহলে সব দলকে তা মানতে হবে। আর জাতি না মানলে সে রায় আমরাও গ্রহণ করবো।

তিনি বলেন, জুলাই সনদকে আইনি ভিত্তি দিতে গণভোট এবং সেখানে পিআর পদ্ধতি অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। জাতির মতামত না নিয়ে পিআরকে উপেক্ষা করা যাবে না।

গোলাম পরওয়ার আরো  বলেন, পিআর জনগণ বোঝে না-এমন অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তবে দেশের অধিকাংশ মানুষ পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন চায় বলে উল্লেখ করেন তিনি।




সিলেটে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে উত্তেজনা

সিলেটের বিশ্বনাথে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও মনোনয়নপ্রত্যাশী তাহসীনা রুশদী লুনা এবং দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সমর্থকদের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে বিশ্বনাথের বাসিয়া ব্রিজ ও থানার সামনে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

এ ঘটনায় যুবদল নেতা আব্দুর রহমান, ছাত্রদল নেতা মিনহাজসহ উভয়পক্ষের একাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে বাকিদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। সংঘর্ষ চলাকালীন সময়ে আতঙ্কে আশপাশের দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায় এবং যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সিলেট-২ আসনের বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে লুনা ও হুমায়ুন কবিরের সমর্থকদের মধ্যে বৃহস্পতিবার দুপুর থেকেই বিরোধ ও উত্তেজনা দেখা দেয়। বিকেলে হুমায়ুন কবির দৌলতপুর ইউনিয়নের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন, আর অপরদিকে লুনার সমর্থকরা পৌর বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে লিফলেট বিতরণ শেষে বাসিয়া সেতুর সামনে মিছিল করেন।

সন্ধ্যার পর উভয় পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক বাড়তে থাকে এবং রাত ৯টার দিকে নতুন বাজার ও পুরান বাজার এলাকায় অবস্থান নেওয়া সমর্থকদের মধ্যে শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ চলতে থাকে, এতে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পথচারীরা চরম আতঙ্কে পড়ে।

ঘটনার খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ ও সেনা সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন রয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ওসমানীনগর সার্কেল) আশরাফুজ্জামান পিপিএম (সেবা) জানান, “ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকা শান্ত রয়েছে, তবে আমরা সতর্ক অবস্থানে আছি।”

এদিকে সংঘর্ষের ঘটনায় রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, মনোনয়নকে কেন্দ্র করে এমন বিরোধ ভবিষ্যতে আরও বড় সংঘর্ষের রূপ নিতে পারে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ভোলায় নির্বাচনী উত্তাপ: বিএনপিতে দ্বন্দ্ব, আত্মবিশ্বাসী জামায়াত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ জেলা ভোলা এখন নির্বাচনী উত্তেজনায় সরগরম। বরিশাল বিভাগের ২১টি আসনের মধ্যে ভোলার রয়েছে চারটি গুরুত্বপূর্ণ আসন — ভোলা-১ (সদর), ভোলা-২ (দৌলতখান-বোরহানউদ্দিন), ভোলা-৩ (লালমোহন-তজুমদ্দিন) এবং ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা)।
প্রতিটি আসনেই হেভিওয়েট প্রার্থীদের উপস্থিতিতে জমে উঠেছে নির্বাচনী সমীকরণ।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ভোলার রাজনীতিতে এবারও মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে। বিএনপিতে একাধিক প্রার্থী থাকায় অস্থিরতা দেখা দিয়েছে, অন্যদিকে জামায়াত একক প্রার্থী দিয়ে মাঠে নামায় তুলনামূলক আত্মবিশ্বাসী অবস্থানে রয়েছে।

ভোলা-১: নজরুল বনাম নবী

এ আসনে আলোচনায় রয়েছেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যক্ষ মাওলানা নজরুল ইসলাম, বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য গোলাম নবী আলমগীর এবং হায়দার আলী লেলিন
ইসলামী আন্দোলনের ওবায়েদ বিন মোস্তফা ও বিজেপি চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থও প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন।

নজরুল ইসলাম বলেন, “জনগণ এখন বুঝে গেছে কে দেশের বন্ধু, কে শত্রু। আমরা জনগণের পাশে ছিলাম ও থাকব, তাই দাঁড়িপাল্লায় ভোটই প্রমাণ করবে সত্যিকারের দেশপ্রেম।”

ভোলা-২: একাধিক প্রার্থী নিয়ে বিএনপিতে টানাপোড়েন

এই আসনে বিএনপি থেকে সাবেক এমপি হাফিজ ইব্রাহিম, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এবিএম ইব্রাহিম খলিলসহ অন্তত চারজন প্রার্থী সক্রিয়। অপরদিকে জামায়াতের সাবেক জেলা আমির মাওলানা ফজলুল করিম একক প্রার্থী হিসেবে মাঠে।
তিনি বলেন, “আমরা চাঁদাবাজি বা সহিংস রাজনীতিতে নেই, জনগণের আস্থা নিয়েই নির্বাচনে যাচ্ছি।”

ভোলা-৩: মাঠে আলোচনায় নিজামুল হক নাঈম

এ আসনে বিএনপির হেভিওয়েট নেতা মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদ (অব.) আলোচনায় থাকলেও, জামায়াত সমর্থিত বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির নেতা নিজামুল হক নাঈম এখন ভোটারদের নজরে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন গণসংযোগ করে ভোটারদের আস্থা অর্জন করছেন তিনি। ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা মুসলেমউদ্দীন ও খেলাফত মজলিসের মাওলানা রফিকুল ইসলামও প্রার্থী হচ্ছেন।

ভোলা-৪: সক্রিয় বিএনপি, প্রস্তুত জামায়াত

ভোলা-৪ আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী তিনজন—সাবেক এমপি নাজিম উদ্দিন আলম, যুবদল নেতা নূরুল ইসলাম নয়ন ও এডভোকেট সিদ্দিক উল্লাহ মিয়া
জামায়াতের পক্ষ থেকে একক প্রার্থী হিসেবে অধ্যক্ষ মাওলানা মোস্তফা কামাল এরই মধ্যে গণসংযোগ শুরু করেছেন।
তিনি বলেন, “জামায়াতে ইসলামী কোনো ব্যক্তির নয়, আল্লাহর বিধান প্রতিষ্ঠার রাজনীতি করে। জনগণ এবার দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়ে আমাদের প্রতি আস্থা প্রকাশ করবে।”

ভোটারদের দৃষ্টি জামায়াতের দিকে

ভোটারদের আলোচনায় এখন স্পষ্ট — ভোলায় প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে। স্থানীয় বিশ্লেষকরা বলছেন, জামায়াতের প্রার্থীরা সামাজিক কর্মকাণ্ড, মানবিক সহায়তা এবং শৃঙ্খলাপূর্ণ সংগঠন গড়ে তোলায় ভোটারদের আস্থা অর্জন করেছে।
অন্যদিকে, বিএনপির ভেতরের বিভাজন ও একাধিক প্রার্থী নিয়ে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব তাদের অবস্থান দুর্বল করছে।

ভোটারদের মতে, উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি সবাই দিচ্ছে, তবে জামায়াতের সামাজিক নিরাপত্তা, নদীভাঙন প্রতিরোধ, বেকারত্ব নিরসন ও শিল্প-কারখানা স্থাপনের অঙ্গীকারই এবার জনগণের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




জিয়াউর রহমানের মাজারে খালেদা জিয়ার জিয়ারত

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া শহীদ রাষ্ট্রপতি ও দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত করেছেন। বুধবার (৮ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত জিয়াউর রহমানের মাজারে তিনি শ্রদ্ধা নিবেদন ও দোয়া করেন।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, মাজারে পৌঁছে বেগম খালেদা জিয়া কিছু সময় নীরবে অবস্থান করেন এবং পরে ফাতেহা পাঠ করে তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। সফর শেষে রাত ১১টা ১৫ মিনিটে তিনি গুলশানের নিজ বাসভবন ফিরোজার উদ্দেশে রওনা দেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের বরাত দিয়ে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

২০১৮ সালে কারাগারে যাওয়ার আগে সর্বশেষ খালেদা জিয়া জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত করেছিলেন। দীর্ঘ বিরতির পর তার এই সফরকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন করে উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




বিএনপি দেশের ৪০টি গণমাধ্যমে প্রভাব খাটাচ্ছে: সারজিস আলম

চাঁপাইনবাবগঞ্জে অনুষ্ঠিত এক সমন্বয় সভায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম দাবি করেছেন, বিএনপি দেশের অন্তত ৪০টি টেলিভিশন ও পত্রিকায় প্রভাব বিস্তার করছে।

মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফুডক্লাব অডিটোরিয়ামে এনসিপি জেলা শাখা আয়োজিত সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সারজিস আলম বলেন, “সম্প্রতি তথ্য মন্ত্রণালয় দুটি নতুন টেলিভিশনের অনুমোদন দিয়েছে। আমরা শুনেছি, এর মধ্যে একটি টেলিভিশনে এনসিপির এক নেতা মালিকানায় রয়েছেন। কিন্তু খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, শুধু এনসিপি নয়, বিএনপি ও জামায়াতের নেতারাও এই টেলিভিশনগুলোর সঙ্গে জড়িত। অথচ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শুধু এনসিপিকেই লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা চাই গণমাধ্যম তার নিরপেক্ষ অবস্থান ধরে রাখুক। সাংবাদিকদের পেশাগত কাজে কোনোভাবেই বাধা দেওয়া উচিত নয়। মিডিয়া যেন রাজনীতির হাতিয়ার না হয়, বরং সত্য ও জনগণের কণ্ঠস্বর হিসেবে কাজ করুক।”

আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে সারজিস আলম বলেন, “বাংলাদেশে আর আওয়ামী লীগ কখনো ফিরে আসবে না। যারা মনে করছেন দলটি আবার ক্ষমতায় ফিরতে পারবে, তারা বাস্তবতা বুঝতে পারছেন না। এসব স্বপ্ন দেখা বন্ধ করতে হবে, নয়তো তাদেরও একই পরিণতি ভোগ করতে হবে।”

সভায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের এনসিপি নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তারা জাতীয় রাজনীতিতে দলের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার করেন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




শর্ত মেনে বিচার দেখালে ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে এনসিপি অংশ নেবে: সারজিস

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)’র মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম বলেছেন, জুলাই সনদ আইনি ভিত্তি পেলে এবং গুরুত্বপূর্ণ হত্যা-সংবলিত মামলার দৃশ্যমান বিচার বাস্তবায়ন হলে আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে তাদের দল অংশগ্রহণ করতে কোনো আপত্তি থাকবে না। তিনি এই মন্তব্য করেন সোমবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে রাজশাহীর একটি সমন্বয় সভার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে।

সারজিস বলেন, জুলাই সনদ যদি আইনগত স্বীকৃতি পায় এবং প্রশাসন নির্ধারিত বিচারিক রায়গুলো কার্যকর করে, বিশেষ করে যারা সরাসরি হত্যাকাণ্ডে জড়িয়ে আছে বলে অভিযোগ রয়েছে—তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ সিদ্ধান্ত দেখানো হয়, তখনই তারা নির্বাচনে যেতে রাজি হবেন। তিনি আরো বলেন, হাজার হাজার মামলার ফলাফল একেবারে একবারে দেওয়া সম্ভব নয়; তবে রাজনৈতিকভাবে গুরুতর মেসাজ বহন করা কিছু মামলার রায় ও বাস্তবায়নই জনরোষ নিবারণ করতে পারে।

তিনি জানিয়েছিলেন, যারা অভ্যুত্থানের সময় দায়িত্ব নিয়েছিলেন—বিশেষ করে উপদেষ্টারা—তাদের উচিত দায়িত্বের মাত্রা ধরে সাহসী পদক্ষেপ নেওয়া; নাহলে নির্বাচন নিয়ে ‘সেফ এক্সিট’ ভাবনা জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না। সারজিস অভিযোগ করে বলেন, কিছু প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে এখনও অনিয়ম, বৃহৎ পরিসরে টাকার বিনিময়ে কাজ, এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু ব্যবস্থা না নেওয়ায় পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে। তিনি প্রশ্ন তুলেন, গোয়েন্দা তথ্য থাকলেও কেন এমন অনিয়ম রোধ করা হয়নি।

সারজিস আরও বলেন, অভ্যুত্থানের পর থেকে সরকারি দফতর, পুলিশ-প্রশাসন ও বিভিন্ন সংস্থায় অনেকে পরিবর্তিত আচরণ দেখালেও অনেক জায়গায় পুরনো ‘দলীয়’ মানসিকতা এখনও টিকে আছে। তিনি দাবি করেন, এসব কপারক্রিয়াকাণ্ড যারা করছে তাদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান বিচার না হলে ঘটনা পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা আছে এবং সাধারণ মানুষ কোনোভাবেই ওই সব অবস্থা মেনে নেবে না।

সভায় তিনি বলেন, এনসিপি জুলাই সনদ বাস্তবায়নের অগ্রাধিকার চাইছে এবং যদি সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলো একযোগে এগুলো বাস্তবায়ন করে তবে দলের অংশগ্রহণে বাধা থাকবে না। একই সঙ্গে তিনি নির্বাচনী পরিবেশকে যথাযথভাবে নিরপেক্ষ ও দায়বদ্ধ করার ওপর জোর দিয়েছেন।

এনসিপি রাজশাহী জেলা ও মহানগর সমন্বয় সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা-ফিল্ড কমান্ডগুলো ও বিভাগীয় নেতারা। সভার আগে সারজিস এক প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও জানান যে, শাপলা প্রতীক বিষয়ে আইনি কোনো বাধা না থাকলে এনসিপি শাপলা প্রতীক নিয়েই নির্বাচনে অংশ নেবে এবং নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা রক্ষায় জোর তাগাদা থাকবে।

সভায় অনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির রাজশাহীর বিভাগীয় ও স্থানীয় নেতৃত্বরা, যারা সারজিসের বক্তব্যকে সমর্থন জানিয়েছে ও ঐ শর্তগুলো পূরণ হলে দলের সিদ্ধান্ত বাস্তবসম্মত বলে মন্তব্য করেছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম