দেশকে পাকিস্তানের বন্ধুদের হাতে তুলে দেব না: ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, এইদেশকে নিয়ে নানা ষড়যন্ত্র হচ্ছে। অনেক রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই বাংলাদেশ। আমরা এই দেশকে পাকিস্তানের বন্ধুদের হাতে তুলে দেব না। খবর বাসস।
তিনি বলেন, ‘শপথ নিন, প্রস্তুত হোন বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ, অনেক রক্তঝরার বাংলাদেশ, এই দেশ, আমার পতাকা পাকিস্তানের বন্ধুদের হাতে আমরা তুলে দেব না, দিতে পারি না। ভয় নেই,শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আগামী নির্বাচনে বিজয়ের বন্দরে আমরা পৌঁছাবো।’
ওবায়দুল কাদের আজ রোববার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে এসব কথা বলেন। বিশেষ বর্ধিত সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ সভাপতিশেখ হাসিনা।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আবারও ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে; আবারও সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালানোর অপচেষ্টা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ শত প্রতিকূলতার মাঝেও ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে। শেখ হাসিনা কারও কাছে মাথা নত করেন না। ভয় পাবেন না; ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই।
তিনি বলেন,বিএনপির কিছু লোক দেখে ভয়ের কিছু নেই। তাদের চেয়ে আমাদের লোকবল অনেক বেশি। ভয় নেই,শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আগামী নির্বাচনে বিজয়ের বন্দরে পৌঁছাবে আওয়ামী লীগ। এখন পর্যন্ত শেখ হাসিনা বাংলাদেশের আস্থার ঠিকানা। আমরা তারনেতৃত্বে এগিয়ে যাব। আপনারা প্রস্তুতহোন।






বিএনপির ২৯ জুলাইয়ের অবস্থান কর্মসূচিতে রাজধানীতে ৭টি গাড়িতে অগ্নিসংযোগ এবং ২৪টি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে বলে দাবি করেছে পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনগুলো। এসব গাড়ির ক্ষতিপূরণ আন্দোলনকারীদের কাছ থেকে আদায় করে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন মালিক-শ্রমিকরা।
সোমবার (৩১ জুলাই) নির্বাচন কমিশনে ২০২২ সালের নিরীক্ষা প্রতিবেদন দাখিল করবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।
বিরোধী দলের শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচিতে হামলার প্রতিবাদে আগামীকাল ৩১ জুলাই ঢাকায় ও ১ আগস্ট জেলাস্তরে বিক্ষোভ সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে গণতন্ত্র মঞ্চ। রাজধানীর পুরানা পল্টন মোড়ে বেলা ১১টায় গণতন্ত্র মঞ্চের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
সমাবেশের পরদিন ঢাকার প্রবেশ পথে বিএনপির অবস্থান কর্মসূচি প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সমাবেশের পরের দিন তারা কেন অবরোধ কর্মসূচির দিল? এটা কোন ধরনের গণতন্ত্র? এটা তো নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করা। তারা নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে চাইছে৷