মার্কিন কংগ্রেসম্যানের ই-মেইল হ্যাক করেছে চীনা হ্যাকার

চন্দ্রদীপ ডেস্ক: চীনের গুপ্তচররা মার্কিন রিপাবলিকান প্রতিনিধি ডন বেকনের ইমেইল হ্যাক করেছে বলে তাকে সতর্ক করেছিল গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই। বেকন সোমবার নিজেই এই তথ্য জানিয়েছেন।

এফবিআই বেকনকে বলেছে, চীনা কমিউনিস্ট পার্টি তার ইমেইল গত ১৬ জুন পর্যন্ত এক মাস ধরে প্রবেশাধিকার পেয়েছিল। সেখানে ব্যক্তিগত ও তার ক্যাম্পেইনের মেসেজগুলো তার হাতড়িয়েছে।

ওয়াশিংটন পোস্টে এই খবর প্রকাশ করে। এরপর বেকন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে ঘটনাটি প্রকাশ করেন। ঘটনাটি ‘মাইক্রোসফ্ট সফ্টওয়্যারের দুর্বলতার’ কারণে ঘটেছিল বলে দাবি করেন তিনি।

এই হ্যাকিং ক্যাম্পেইনের ফলে ঊর্ধ্বতন মার্কিন কর্মকর্তাদের হাজারো ইমেল চুরি হয়ে গেছে বলে জানানো হয়েছে। এসব কর্মকর্তাদের তালিকায় মার্কিন বাণিজ্য সচিব জিনা রাইমন্ডো এবং চীনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিকোলাস বার্নসও রয়েছেন।
মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের সদস্যদের অ্যাকাউন্টগুলো যে হ্যাকিংয়ের লক্ষ্যবস্তু, সেই বিষয়টি নিয়ে এর আগে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল সিএনএন। বেকন বলেন, “এই সাইবার অপারেশনে অন্যান্য ভুক্তভোগীও ছিল। চীনের কমিউনিস্ট সরকার আমাদের বন্ধু নয়। সাইবার গুপ্তচরবৃত্তি পরিচালনায় তারা খুব সক্রিয়।




হেঁটে গিয়ে শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা জানালেন মোদি

চন্দ্রদীপ ডেস্ক: জোহানেসবার্গে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে এক নৈশভোজে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা জানাতে তার কাছে হেঁটে যান। এ সময় শেখ হাসিনার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন নরেন্দ্র মোদি। কিছুক্ষণ পরস্পরের খোঁজ খবর নেন দুই নেতা।

ব্রিকসের বর্তমান চেয়ার এবং দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা এ নৈশভোজের আয়োজন করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন প্রধানমন্ত্রীর কর্মব্যস্ততা সম্পর্কে বুধবার সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে কয়েক গজ দূরে থাকা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শেখ হাসিনার কাছে হেঁটে গিয়ে কুশল বিনিময় করেন এবং তারা কিছুক্ষণ পরস্পরের খোঁজ খবর নেন।

দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট বুধবার রাতে ১৫তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে জোহানেসবার্গে আসা রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের সম্মানে এ নৈশভোজের আয়োজন করেন।

নৈশভোজে শেখ হাসিনা চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং এবং দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসাসহ অন্যান্য কয়েকটি দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানগণের সাথে কুশল বিনিময় করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন বলেন, খুবই সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে কুশল বিনিময় হয়েছে।




বরিশালে ৪ জামায়াত নেতাকর্মী আটক

বরিশাল অফিস : বরিশাল নগরীতে মিছিলের চেষ্টা করার সময় চারজনকে আটক করা হয়েছে, পুলিশের দাবি আটক চার ব্যক্তি জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় নেতাকর্মী।

বুধবার সকাল ৮ টার দিকে নগরীর রাজু মিয়ার পুল সংলগ্ন এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয় বলে জানিয়েছেন মডেল কোতয়ালী থানার এসআই আরাফাত হাসান।

আটক ব্যক্তিরা হলেন-নগরীর কাউনিয়া হাউজিং এলাকার সুলতান হাওলাদার (৪০), রুপাতলী শেরে বাংলা সড়কের মো. মিজানুর রহমান সালাম (৬৬), সোনা মিয়ার পুল এলাকার নাছির উদ্দিন (৪০) এবং বন্দর থানার চর পত্তনিয়া গ্রামের আল মুঈন (২১)।

এসআই আরাফাত হাসান বলেন, “নগরের রাজু মিয়ার পুল সংলগ্ন এলাকায় অনুমতি ছাড়াই মিছিল শুরুর চেষ্টা করছিলেন জামায়াতের নেতাকর্মীরা। এসময় পুলিশ সদস্যদের দেখে তারা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে পুলিশ ধাওয়া দিয়ে চারজনকে আটক করে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।




আইভি রহমানের ১৯তম মৃত্যুবার্ষিকী: প্রধানমন্ত্রী ও আ.লীগের শ্রদ্ধা

চন্দ্রদীপ ডেস্ক: একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহত আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক আইভি রহমানের ১৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ।

এ উপলক্ষ্যে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ১০মিনিটে বনানী কবরস্থানে তার সমাধিতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্ব প্রথম প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। পরে আইভি রহমানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন দলের কেন্দ্রীয় নেতারা।

এসময় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, অ্যাড. আফজাল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিষ্টার বিপ্লব বড়ুয়া, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জি. আব্দুস সবুর, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন নাহার চাঁপা, ত্রাণ ও সমাজকল্যান বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, উপ-দপ্তর সম্পাদক অ্যাডভোকেট সায়েম খান, কার্যনির্বাহী সদস্য সাহাবুদ্দিন ফরাজী, মারুফা আক্তার পপি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে আইভি রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানায় ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ। এসময় আরও শ্রদ্ধা জানায় আওয়ামী যুবলীগ, ছাত্রলীগ, কৃষক লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, জাতীয় শ্রমিক লীগসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠন।

প্রসঙ্গত, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আওয়ামী লীগ আয়োজিত সন্ত্রাস বিরোধী শান্তিপূর্ণ সমাবেশে গ্রেনেড হামলা ও গুলিবর্ষণ চালানো হয়। এই ন্যাক্কারজনক গ্রেনেড হামলায় আইভী রহমান গুরুতর আহত হন। সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ৪ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে ২৪ আগস্ট শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।




বিএনপির আন্দোলনে নেতাকর্মী আছে, জনগণ নেই : ওবায়দুল কাদের

চন্দ্রদীপ প্রতিবেদক: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির সমাবেশে জনগণের সম্মেলন ঘটেনি, অংশগ্রহণ ঘটেনি। এটি নেতাকর্মীদের আন্দোলন।

বৃহস্পতিবার (২৪ আগস্ট) আইভি রহমানের ১৯তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বনানী কবরস্থানে তার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, এ দেশে আন্দোলনের বস্তুগত কোন পরিস্থিতি বিরাজমান নেই। আন্দোলনের জন্য দুইটা বিষয় লাগে। একটা অবজেক্টিভ আরেকটা সাবজেক্টিক। তাদের (বিএনপি) অবজেক্টিভ কন্ডিশনও নেই, সাবজেক্টিভ প্রিপারেশন নেই।

তিনি বলেন, বিএনপির আন্দোলনে তাদের নেতারাই হতাশ। ক্ষমতায় আসার মূলা ঝুলিয়ে নেতাকর্মীদের জড়ো করেছিল। তাদের এসব সমাবেশে জনগণের সম্মেলন ঘটেনি, অংশগ্রহণ ঘটেনি। জনগণ ছাড়া গণ আন্দোলন কেমন করে হবে?

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, একুশে আগস্টের হত্যাকাণ্ড একটি  সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। বাংলাদেশে ‘৭৫ থেকে শুরু হওয়া হত্যাকাণ্ড, ষড়যন্ত্রের রাজনীতির ধারাবাহিকতা চলে আসছে।

হত্যা ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতির মূল টার্গেট বঙ্গবন্ধু পরিবার এবং আওয়ামী লীগ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বকে নিশ্চিহ্ন করা, বঙ্গবন্ধুর পরিবারকে নিশ্চিহ্ন করা, ‘৭৫ এর ১৫ আগস্ট থেকে শুরু করে ‘৭৫ এর ৩ নভেম্বর এবং ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট এক সুতায় গাথা।

তিনি আরও বলেন, আজকে বাংলাদেশের ইতিহাস কত নির্মম। পার্লামেন্টে তৎকালীন সময়ে বিরোধী দলীয় নেত্রী যখন প্রসঙ্গটি তুলছিল, তখন বেগম জিয়া বলেছিলেন, উনাকে (শেখ হাসিনা) আবার কে মারতে যাবে? উনি তো ভ্যানিটি ব্যাগে করে গ্রেনেড নিয়ে গেছে। একুশে আগস্ট ঘটনাকে নিয়ে এই উপহাস করেছিলেন তিনি। জজ মিয়ার নাটক আরো নির্মম। সেটা আরেক প্রহসন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, এটা হত্যা ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি। গণতন্ত্রের জন্য যারা আজকে মায়া কান্না করে তাদের রাজনীতি হচ্ছে ষড়যন্ত্র ও হত্যার। আজকে আমরা একটা কথা বলতে চাই ও দেশবাসীর কাছে প্রশ্ন রাখতে চাই- এই হত্যা ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতির সঙ্গে যারা জড়িত, যারা গণতন্ত্রের নামে মায়া কান্না করছে তাদের সঙ্গে গণতান্ত্রিক শক্তির সঅবস্থানের কোন সুযোগ আছে কি না?




জি এম কাদেরের ভারত সফর: “খোলামেলা আলোচনা হয়েছে, অনুমতি ছাড়া বলতে পারবো না”

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : তিনদিনের ভারত সফর শেষে বুধবার (২৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় দেশে ফিরেছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জি এম) কাদের। এই সফরে কার কার সঙ্গে বৈঠক, এবং কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে এ নিয়ে গণমাধ্যমকে বিস্তারিত বলতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন তিনি।

বুধবার সন্ধ্যায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জি এম কাদের বলেন, আমি ভারত সরকারের আমন্ত্রণে সেখানে গিয়েছিলাম। সেখানে বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা হয়েছে। সেই আলোচনা কার সঙ্গে হয়েছে বা কী বিষয়ে হয়েছে এ প্রসঙ্গে বিস্তারিত বলতে পারবো না। কারণ আলাপগুলো ওইভাবেই হয়েছে। উনারা যদি কিছু প্রকাশ করতে চান করবেন, আমার পক্ষ থেকে উনাদের পারমিশন (অনুমতি) ছাড়া কিছু বলতে পারবো না। তবে দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

জাপা সম্পর্কে ভারতের ভালো ধারণা আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমার কাছে ভালো লেগেছে যে জাতীয় পার্টি সম্পর্কে উনাদের ধারণা ভালো। পার্টিকে একটা সম্ভাবনাময় দল মনে করেন তারা। উনাদের আস্থা আছে যে জাতীয় পার্টির সঙ্গে তাদের সম্পর্ক সৌহার্দ্যপূর্ণ ছিল যা সবসময় থাকবে।

বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে খুব একটা আলোচনা হয়নি উল্লেখ করে জাপা চেয়ারম্যান বলেন, তবে উনারা একটা ভালো নির্বাচন দেখতে চান। এটা সময়মতো যেন হয়। নির্বাচনের আগে-পরে কোনো ধরনের সহিংসতা বা সাধারণ মানুষের জীবনধারায় অনিশ্চিত কিছু না হয়। এটা হলে উনারা খুশি হবেন। কারণ বাংলাদেশে ভারতের বিভিন্ন ধরনের বিনিয়োগ রয়েছে।

জি এম কাদের আরও বলেন, উনারা আশা প্রকাশ করেন যে, বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকলে, বাংলাদেশ স্থিতিশীল থাকলে, সুন্দর নির্বাচনের মাধ্যমে পরবর্তী সরকার যদি গঠিত হয় তাহলে তাদের পক্ষে এসব কাজ করা সহজ হবে। উনারা প্রত্যাশা করেন, যেন সবাই মিলে ওই ধরনের একটা পরিবেশ সৃষ্টি করেন, যাতে সুন্দর নির্বাচন হয়। নির্বাচনে যেন সহিংসতা, অরাজকতার পরিস্থিতি না হয়।

নির্বাচন নিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মতানৈক্যের বিষয়ে ভারতের ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভারত বলেছে- এটা তোমাদের নিজস্ব ব্যাপার। তোমরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সুরাহা করো। তারা বলেছেন, যেহেতু আপনাদের গ্রহণযোগ্যতা আছে সবার কাছে। আপনারা মোটামুটি সবার সঙ্গে আলোচনা করে যদি সবাইকে একসঙ্গে করে একটা সুন্দর নির্বাচন করতে পারেন তাহলে আমরা খুশি হবো।

আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটা অনেকবার বলেছি। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এখনো আসেনি। কী করবো, কারো অধীনে যাবো কি না সেটা আরও কিছুদিন দেখেশুনে বলতে পারবো। তবে নির্বাচন বর্জন করবো এটা কোনো দিন বলিনি। ভোটে আসবো কি আসবো না এটা নেতাকর্মীদের মতামতের ভিত্তিতে যা হবে সেই ব্যবস্থা আমরা নেবো। তবে আমরা চাই নির্বাচন যেন ভালো হয়।




জঙ্গি আটক করলেই বিএনপি’র গাত্রদাহ কেন : তথ্যমন্ত্রী

চন্দ্রদীপ নিউজ ডেস্ক : তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, জঙ্গি ধরলেই বা জঙ্গিদের বিরূদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করলেই দেখি মির্জা ফখরুল সাহেব কিম্বা বিএনপি নেতারা সেটির বিরুদ্ধে কথা বলে। আমার প্রশ্ন হচ্ছে- জঙ্গিদের বিরূদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করলে তাদের গাত্রদাহ হয় কেন।

আজ বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য অধিদফতর সম্মেলন কক্ষে ‘শেখ মুজিবুর রহমান থেকে জাতির পিতা’ আলোকচিত্র সংকলন এবং ‘রক্তাক্ত মাগুরা : প্রেক্ষিত-মুক্তিযুদ্ধ’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধান তথ্য অফিসার মো. শাহেনুর মিয়া, সিনিয়র উপপ্রধান তথ্য অফিসার খালেদা বেগম, গ্রন্থকার বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুন নাহার, মোহাম্মদ নাছিমুল কামাল ও প্রকাশক আবু হাশেম এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপি মহাসচিবের সাম্প্রতিক মন্তব্য ‘দেশে জঙ্গি নেই, আওয়ামী লীগ সাজানো জঙ্গি নাটক করছে’ এ সম্পর্কিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘যেমন চেয়ারম্যান, তেমন মহাসচিব। আগে বেগম খালেদা জিয়া বলেছিলেন যে, দেশে কোনো জঙ্গি নাই, কিছু মানুষকে ধরে এনে আটক করে রাখা হয়, তারপর চুল-দাড়ি লম্বা হলে জঙ্গি আখ্যা দেওয়া হয়। আর গতকাল ফখরুল সাহেব বলেছেন, কিছু ধার্মিক লোককে ধরে নিয়ে গিয়ে জঙ্গি আখ্যা দেয়া হচ্ছে। চেয়ারম্যান যে লাইনে কথা বলেছেন, মহাসচিব যদি সেই লাইনে কথা না বলেন, তাহলে তো মহাসচিবের দায়িত্ব থাকবে না। এই সমস্ত বক্তব্যের মাধ্যমে এটিই প্রমাণিত হয়- এই দেশে জঙ্গিদের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হচ্ছে বিএনপি এবং বিএনপি’র নেতৃত্ব, যেটি আমরা আগে থেকে বলে এসেছি।’

‘বিএনপি যদি জঙ্গিদের পৃষ্ঠপোষকতা না করতো, আমরা জঙ্গি নির্মূল করতে পারতাম’ উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘কারণ বিএনপি’র যে জোট, সেই জোটের মধ্যেই জঙ্গিরা রয়েছে এবং বিএনপি নিজেই একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে কানাডার আদালত কর্তৃক পরপর পাঁচবার রায় পেয়েছে। আমেরিকার হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিএনপিকে টায়ার-ফোর সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করেছে। সুতরাং তারা নিজেরা যেহেতু সন্ত্রাসী, সে জন্য কোনো জঙ্গি ধরলে তাদের গাত্রদাহ হয়।’

২৫ ও ২৬ আগস্ট বিএনপির কর্মসূচি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘তাদের গণ-মিছিল, হাঁটা-মিছিল, দৌড়ানো-মিছিল, বসা-কর্মসূচি শুধু তাদের কর্মীদেরকে চাঙ্গা রাখার জন্য। জিও-পলিটিক্স বা ভূ-রাজনীতির যেসব খবর পত্র-পত্রিকায় এসেছে, সেগুলোর কারণে তাদের মধ্যে হতাশা-অস্থিরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, সে জন্য তারা রাত তিনটার সময়ও সংবাদ সম্মেলন ডাকছে। তাদের হতাশ কর্মীদেরকে চাঙ্গা রাখার জন্যই এ সব গতানুগতিক কর্মসূচি, অন্য কোনো কিছু নয়।’
দু’টি টেলিভিশনে বিএনপি’র ‘টক-শো’ বর্জনের ঘোষণা নিয়ে প্রশ্নে সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘এতে তারা সেখানে গিয়ে কথা বলার সুযোগটা হারাচ্ছে। এখন দু’টি বর্জন করেছে, ক’দিন পর আরো চারটি বর্জন করে কি না, আরো ক’দিন পরে বলে কি না গণমাধ্যমই বর্জন করলাম, সেটিই আমার আশঙ্কা।’

ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর যোগদান সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘ব্রিকস উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর জোট। সেখানে আমন্ত্রণ জানানোর মানেই হচ্ছে- বাংলাদেশ যে উদীয়মান অর্থনীতির দেশ সেটিকে স্বীকার করে নেওয়া। এই জোটে যোগ দিলে আমাদের অর্থনীতি আরো চাঙ্গা হবে এটিই স্বাভাবিক।’

এর আগে ‘রক্তাক্ত মাগুরা : প্রেক্ষিত-মুক্তিযুদ্ধ’ গ্রন্থের লেখিকা বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুন নাহারকে ধন্যবাদ জানান তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী। তিনি বলেন, জেলাভিত্তিক মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এক অনন্য দলিল। শামসুন নাহারের লেখা গ্রন্থটি আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে সংরক্ষণ করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সেজন্য তাকে ধন্যবাদ জানাই, কৃতজ্ঞতা জানাই। পাশাপাশি ‘শেখ মুজিবুর রহমান থেকে জাতির পিতা’ গ্রন্থে বঙ্গবন্ধুর দুর্লভ কিছু আলোকচিত্র সংকলনের জন্য নাছিমুল কামালকেও ধন্যবাদ জানাই।




ঢাকায় বিএনপির গণমিছিল

চন্দ্রদীপ নিউজ ডেস্ক:  সরকারের পদত্যাগ, নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারসহ এক দফা দাবিতে শুক্রবার বিকেলে গণমিছিল করে বিএনপি ও দলটির যুগপৎ আন্দোলনের সঙ্গীরা।

ঢাকায় দুটি গণমিছিল হয়। ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি গণমিছিল শুরু করবে বিকেল ৩টায় গুলশান ২ থেকে। এরপর গুলশান ১, তিতুমীর কলেজ হয়ে মহাখালী বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে গণমিছিল শেষ হয়।

একই সময়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি রাজধানীর দয়াগঞ্জ থেকে গণমিছিল শুরু করে। ওই গণমিছিল সায়েদাবাদ ব্রিজ, ধলপুর কমিউনিটি সেন্টার, গোলাপবাগ, কমলাপুর, বৌদ্ধমন্দির হয়ে খিলগাঁও, শাজাহানপুর, ফকিরাপুল হয়ে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়।

অন্যদিকে বিকেল সাড়ে ৪টায় সরকার ও শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের এক দফা যুগপৎ আন্দোলন কর্মসূচির অংশ হিসেবে গণমিছিল করে গণতন্ত্র মঞ্চ।




বরিশালে ওয়ার্ড শ্রমিক দলের আহবায়ক কমিটি

 

এস এল টি তুহিন (বরিশাল): বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদি দল বিএনপির সহযোগী সংগঠন বরিশাল মহানগর জাতীয়তাবাদি শ্রমিকদলের ৪টি ওয়ার্ডে র আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করেছেন মহানগর শ্রমিকদল নেতৃবৃন্দ।

মহানগর শ্রমিকদল সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক খন্দকার শাহাজাদার সভাপতিত্বে এসময় আরো উপস্থিত ছিল যুগ্ম আহবায়ক মোতালেব মৃধা, সুলতান শরীফ ও ফিরোজ আল আমিন পিয়া। এসম সিনিয়র সদস্য আলতাফ হোসেনের সঞ্চলনায় অনুষ্ঠিত নগরীর ৪টি ওয়ার্ডের আহবায়ক কমিটি ঘোষনা করা হয়।

ঘোষিত কমিটিগুলো হচ্ছে নগরীর ৮ নং ওয়ার্ডে মো: নয়ন ফকিরকে আহবায়ক, মোং জুয়েল মৃধা সিঃ যুগ্ম আহবায়ক ও মোঃ হোসেন হাওলাদারকে সদস্য সচিব করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটির অনুমোদন দেন মহানগর শ্রমিকদল আহবায়ক কমিটির আহবায়ক মোঃ ফয়েজ আহমেদ খান ও সদস্য সচিব মোঃ শহিদুল ইসলাম।

রাতে একই সময় নগরীর ১৩ নং ওয়ার্ড শ্রমিক দলের মোঃ কুদ্দুসকে আহবায়ক, আব্দুর রাজ্জাক খান সিঃ যুগ্ম আহবায়ক ও আব্দুস ছালাম হাওলাদারকে সদস্য সচিব করে কমিটি দেওয়া হয়।

এছাড়া ১৯ নং ওয়ার্ড শ্রমিকদলের খোকন চন্দ্র রায়কে আহবায়ক, মোঃ হাফি হাওলাদার সিকদার যুগ্ম আহবায়ক ও আব্দুর রহমান মুন্সিকে সদস্য সচিব করা হয়। নগরীর ২৮ নং ওয়ার্ড কমিটিতে মোঃ সুলতান শরীফকে আহবায়ক, তোফাজ্জল হোসেন মোহন সিকদার যুগ্ম আহবায়ক ও মোঃ বাবুল সরদারকে সদস্য সচিব করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট ওয়ার্ড কমিটির নেতৃবৃন্দ ও সকল সদস্যদের উপস্থিতিতে নব ওয়ার্ড আহবায়ক কমিটি ঘোষনা করা হয়।




আওয়ামী লীগ কেবল জনগণের কাছেই দায়বদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা জনগণের শক্তিকেই তাঁর দলের শক্তি হিসেবে পুনর্ব্যক্ত করে বলেছেন, আওয়ামী লীগ কেবল জনগণের কাছেই দায়বদ্ধ।  খবর বাসস।
তিনি বলেন, “জনগণের শক্তিই আওয়ামী লীগের শক্তি। আওয়ামী লীগের কোন প্রভু নেই, জনগণই আওয়ামী লীগের প্রভু। আমরা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ।”
ক্ষমতাসীন দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা আজ তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে দলের বিশেষ বর্ধিত সভার সূচনা বক্তব্যে এ কথা বলেন।
আওয়ামী লীগই শুধু দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এ কারণেই আমরা নির্বাচনের সময় দেশবাসীর কাছে আমাদের অঙ্গীকার করে থাকি।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা কতটুকু করতে পেরেছি এবং ভবিষ্যতে কী করব; তা আমরা শুধু জনগণকে বলি, অন্য কাউকে নয়।”
এ প্রসঙ্গে তিনি তার দলের নেতাকর্মীদের বলেন, “আমি চাই সবাই এটা মাথায় রেখে একসঙ্গে কাজ করবেন।”
শেখ হাসিনা তাঁর সরকারের সাড়ে ১৪ বছরের অর্জন তৃণমূলের মানুষের সামনে তুলে ধরতে দলের নেতাকর্মীদের নির্দেশনাও দেন। একইসঙ্গে আগামী সাধারণ নির্বাচন ঘনিয়ে আসছে স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি দলকে শক্তিশালী করতে বলেন এবং জনগণের বিশ্বাস ও আস্থা অর্জন করার আহবান জানান।
সভায় আওয়ামী লীগের প্রায় ৫ হাজার নেতাকর্মী ও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি অংশ নেন।
দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য, উপদেষ্টা পরিষদ, আওয়ামী লীগের জেলা, মহানগর, উপজেলা ও পৌরসভা ইউনিটের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, সংসদ সদস্য, জেলা ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার মেয়র, সহযোগী সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিটি জাতীয় নির্বাচনের আগে দলের নেতাদের নির্দেশনা দিতে এ ধরনের সভা করে আওয়ামী লীগ। ২০১৮ সালের সংসদ নির্বাচনের আগে ২০১৭-এর ২৩ জুন  এধরনের সর্বশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল।