আগৈলঝাড়ায় বিএনপির কমিটিতে আ.লীগ পদ -পদবীধারীদের নাম

বরিশাল অফিস: আওয়ামী লীগের পদ-পদবিধারী নেতাদের নাম দিয়ে সদ্য ঘোষণা করা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি নিয়ে তীব্র সমালোচনার পাশাপাশি ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে। ঘোষিত কমিটি নিয়ে সর্বমহলে ব্যাপক হাস্যরসের খোরাক হয়েছে বিএনপি। ঘটনাটি জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলার।

জানা গেছে, আওয়ামী লীগ নেতাদের নাম দিয়ে বিএনপির এক নেতার অনুসারীদের নিয়ে গঠণ করা আগৈলঝাড়া উপজেলার চারটি ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক কমিটিকে মৌসুমী কমিটি আখ্যায়িত করে বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
বিএনপির ঘোষিত ওই আহ্বায়ক কমিটিকে প্রত্যাখ্যান করে শনিবার সকালে লিখিত বিবৃতি দিয়েছেন সদ্য ঘোষিত বিএনপির আহ্বায়ক কমিটিতে নাম উঠে আসা আওয়ামী লীগের পদণ্ডপদবীধারী নেতৃবৃন্দরা। অপরদিকে সাংগঠনিকভাবে বৈধতা হারানো আগৈলঝাড়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্যরা কিভাবে ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন করেছেন তা নিয়েও খোদ বিএনপির উপজেলা আহ্বায়ক কমিটির নেতৃবৃন্দের মধ্যে চলছে ব্যাপক সমালোচনা।

বিএনপির একাধিক ত্যাগী নেতারা অভিযোগ করে বলেন, সদ্য ঘোষিত ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি হচ্ছে বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনের সাবেক এমপি ও বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন স্বপনের অনুসারীদের নিয়ে একটি পকেট কমিটি। যারা আন্দোলন সংগ্রামে মাঠে নেই। যারা “স্বপন আছে যেখানে’ ‘আমরা আছি সেখানে” শ্লোগানে বিশ্বাসী। তাদের নিয়েই বির্তকিত ওই কমিটি গঠণ করা হয়েছে। এ কমিটিতে দীর্ঘদিন থেকে রাজপথে থাকা বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বরিশাল-১ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সোবাহানের অনুসারীদের স্থান মেলেনি। অনুমোদিত ইউনিয়ন বিএনপির আহাবায়ক কমিটিকে অবৈধ আখ্যা দিয়েছেন বিএনপি নেতারা।

সূত্রমতে, গত ২৩ আগস্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আগৈলঝাড়া উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের মধ্যে রাজিহার, বাকাল, গৈলা ও রত্নপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। ঘোষিত ওই কমিটি অনুমোদনে স্বাক্ষর করেছেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে কবির হোসেন তালুকদার ও সদস্য সচিব হিসেবে মোল্লা বশির আহম্মেদ পান্না।
বিএনপির ওই দুই নেতার স্বাক্ষরিত কমিটিতে তাদের নিজের ইউনিয়ন গৈলার আহ্বায়ক কমিটিতে স্থান দিয়েছেন ওই ইউনিয়নের ৫নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মনির তালুকদারকে বিএনপির ২৪ নম্বর সদস্য। রত্নপুর ১নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য তিন বারের সাবেক ইউপি সদস্য সুরেশ বিশ্বাসকে দেয়া হয়েছে ১৪ নম্বর যুগ্ম সম্পাদক পদে।
শনিবার সকালে মনির তালুকদার ও সুরেশ বিশ্বাস লিখিত বিবৃতিতে উল্লেখ করেছেন, তারা দীর্ঘদিন থেকে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে পারিবারিকভাবে জড়িত। বিএনপির একটি গ্রুপ অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করতেই তাদের নাম বিএনপির আহ্বায়ক কমিটিতে অন্তর্ভূক্ত করেছে। বিএনপির ২৩ আগস্ট ঘোষিত আহ্বায়ক কমিটি প্রত্যাখ্যান করে তাদের নাম ব্যবহার করায় তারা তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। ওই বিবৃতিতে তারা ভবিষ্যতে বিএনপি এহেন কাজ করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথাও উল্লেখ করেছেন।

আগৈলঝাড়া উপজেলা বিএনপির ৩ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক ও বরিশাল জেলা উত্তর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করা সিনিয়র সহ-সভাপতি ডা. মাহাবুবুল ইসলাম বলেন, সদ্য ঘোষিত কমিটি একটি অবৈধ পকেট কমিটি। কারণ উপজেলা আহ্বায়ক কমিটি ঘোষনার ৬০ দিনের মধ্যে সকল কমিটি পূর্ণাঙ্গ করার নির্দেশনা ছিল। ৬০ দিন পরে আহ্বায়ক কমিটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিলুপ্ত হবে। তারপরেও ফেব্রুয়ারি মাসে ঘোষনা করা আগৈলঝাড়া উপজেলা আহ্বায়ক কমিটি প্রত্যাখ্যান করে কমিটির সদস্যরা জেলা সদরে ঝাড়- মিছিল পর্যন্ত করেছে। ইউনিয়নের আহ্বায়ক কমিটিতে যাদের নাম এসেছে তার সবাই মৌসুমী রাজনীতি করা লোক। কোন ত্যাগীরা এখানে স্থান পায়নি। এটা সাবেক এমপি জহির উদ্দিন স্বপনের পকেট কমিটি।

এ ব্যাপারে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক দাবিদার কবির হোসেন তালুকদার বলেন, যদি আওয়ামী লীগের কোন লোকের নাম বিএনপির কমিটিতে এসে থাকে তাহলে সেটা সংশোধন করে বাদ দেয়া হবে। কমিটির বৈধতা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিএনপি একটি বড় দল এখানে দুই মাসের মধ্যে সকল কাজ করা সম্ভব হয়না। তাই কমিটি গঠনে একটু দেরী হলে তাতে অসাংগঠনিক হবার কিছু নেই। সাবেক এমপি জহির উদ্দিন স্বপনের অনুসারীদের নিয়ে অর্থ বাণিজ্যের মাধ্যমে পকেট কমিটি করা প্রসঙ্গে কবির তালুকদার বলেন, বড় দলে গ্রুপিং থাকেই। যারা এসব কথাবার্তা বলে তারা অসাংগঠনিক কথা বলছেন।




মুলাদীতে হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ

বরিশাল অফিস : আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্য দিবালোকে বৃদ্ধ আবদুর রব হাওলাদারকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারপূর্বক সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার সকালে জেলার মুলাদী উপজেলার কাজিরচর ইউনিয়নের চরকমিশনার গ্রামবাসীর ব্যানারে স্থানীয় ফেরিঘাটে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন শেষে শত শত নারী ও পুরুষদের অংশগ্রহণে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় ইউপি সদস্য এনামুল হক বেপারীর সভাপতিত্বে মানববন্ধন চলাকালীন সময় অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, নিহতের ভাই তোতা হাওলাদার, সাবেক ইউপি সদস্য আবদুল মালেক হাওলাদার, সেলিম হাওলাদার, নিহতের ছেলে আব্বাস হাওলাদার, ছালাম হাওলাদার প্রমুখ।

উল্লেখ্য, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গত ২২ আগস্ট সকাল নয়টার দিকে ইজিবাইক থেকে নামিয়ে আবদুর রব হাওলাদারকে (৬০) নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। নিহতের ছেলে আব্বাস হাওলাদার বলেন, প্রতিপক্ষের কামাল সরদার, জামাল সরদার, মাহিদ সরদার, তোতা সরদার, আহসান সরদার, ইব্রাহিম সরদারসহ ৩০/৩৫ জনে তার বাবাকে ধারালো দা, রামদা, লোহার রড, টেটাসহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি কুপিয়ে হত্যা করে ফেলে রাখে। এর আগেও উল্লিখিত সন্ত্রাসীরা মনির হাওলাদার নামে এক যুবককে হত্যা করেছে।

মুলাদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুবুর রহমান জানান, মুলাদী-বাবুগঞ্জ উপজেলার মীরগঞ্জ ফেরিঘাট এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে স্থানীয় হাওলাদার ও সরদার বংশের মধ্যে দীর্ঘদিন থেকে বিরোধ চলে আসছে।

দুই বংশের বিরোধে ইতোমধ্যে সংঘর্ষ ও একাধিক হত্যার ঘটনাও ঘটেছে। তারই ধারাবাহিকতায় সরদার বংশের লোকজন হাওলাদার বংশের বৃদ্ধ রব হাওলাদারকে কুপিয়ে হত্যা করেছে।

এ ঘটনায় ইতোমধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যান্যের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।




যাত্রী হয়রানী বন্ধে মুলাদীর মীরগঞ্জে সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে

বরিশাল অফিস : খেয়া ও ফেরিঘাট নিয়ে দ্বন্দ্ব, খুন ও মারামারি বন্ধে মুলাদী-বরিশাল সড়কের মীরগঞ্জে আড়িয়ালখা নদীতে সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে, বললেন বরিশাল-৩ আসনে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী সদস্য অ্যাডভোকেট মো. সাফায়াত হোসেন সজীব।

তিনি শনিবার সকালে মুলাদী প্রেসক্লাবে এক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘মীরগঞ্জ খেয়া ও ফেরিঘাট মুলাদী-বাবুগঞ্জসহ হিজলা মেহেন্দিগঞ্জে উপজেলাবাসীর দীর্ঘদিনের সমস্যা।

এই ঘাটে প্রতিনিয়ত সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার হয়। পাশাপাশি ইতোমধ্যে ঘাট নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরধরে ২জন খুন হয়েছে। ঘাটে প্রতিদিন মারামারি হচ্ছে, সাধারণ যাত্রীদের লাঞ্ছিত করা হচ্ছে। খুন মারামারি বন্ধ এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি নিরসনে আড়িয়ালখাঁ নদীর ওপর সেতু নির্মাণ করা প্রয়োজন। আগামী সংসদ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা এই আসনের দায়িত্ব দিলে প্রথম কাজ হিসেবে মীরগঞ্জে সেতু নির্মাণ করা হবে।’

অ্যাডভোকেট সাফায়াত হোসেন সজীব আরও বলেন, ২০০৯ সাল থেকে আওয়ামী লীগ সরকার ধারাবাহিকভাবে ক্ষমতায় রয়েছে। কিন্তু মুলাদী-বাবুগঞ্জ আসনে দলীয় সংসদ সদস্য না থাকায় এই এলাকায় কাঙ্খিত উন্নয়ন হয়নি। তাই উন্নয়নের লক্ষ্যে আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ব্যবসায়ীদের বাদ দিয়ে তরুণ রাজনীতিবিদদের মনোনয়ন দিয়ে সাধারণ মানুষের ভাগ্যউন্নয়নের নতুন উদ্যোগ হাতে নেবে। দলীয় মনোনয়ন পেলে এলাকার উন্নয়নে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে কাজ করবেন তিনি।

এ ছাড়া এলাকায় মাদক ও অপরাধ দমনে কার্যকর ভুমিকা গ্রহণ করবেন বলে জানান অ্যাডভোকেট সাফায়াত হোসেন সজীব। মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন, মুলাদী প্রেসক্লাবের সহসভাপতি কে.এম মোশাররফ হোসেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, কাজিরচর ইউনিয়নের সমাজসেবক মো. নূরে আলম মাল, দৈনিক গণবার্তার সম্পাদক ও প্রকাশক মো. শাহিন হোসেন, মুলাদী প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক নজিবুর রহমান ভূইয়া কামাল, সাংবাদিক আরিফুল হক তারেক, মেহেদী হাসান প্রমুখ।




বরিশাল মহানগরের ২৩ ও ২৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের শোক দিবসের অনুষ্ঠান

বরিশাল প্রতিনিধি: ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বরিশাল মহানগরের ২৩ ও ২৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মোনাজাতে উপস্থিত বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র ও বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ্, বরিশাল জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাড. একেএম জাহাঙ্গীর সহ বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।




মুলাদীর কাজিরচর ইউনিয়ন আ.লীগের জাতীয় শোক দিবস পালন

বরিশাল অফিস: মুলাদীতে কাজিরচর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভা ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বেলা ১১টায় উপজেলার কাজিরচর ইউনিয়নের প্যাদারহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম বহুমুখী আশ্রয়ণ কেন্দ্রের নিচে এই আলোচনা সভা ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন, কাজিরচর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. ছিদ্দিকুর রহমান খান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুল বারী, উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব তারিকুল হাসান খান মিঠু, মুলাদী পৌর মেয়র শফিক উজ্জামান রুবেল, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কাজী মাইনুল আহসান সবুজ, কাজিরচর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মন্টু বিশ্বাস, ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান হাওলাদার, সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতিরি কার্যনির্বাহী সদস্য অ্যাডভোকেট মো. সাফায়াত হোসেন সজীব, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন হাওলাদার, মো. ওমর ফারুক, দপ্তর সম্পাদক আবুল বাশার খান, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি জিয়াউল আহসান খান শিপু, সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন সুমন রাড়ী, উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি এসএম কামাল পাশা,

উপজেলা যুবলীগ নেতা রফিক উজ্জামান রাসেল, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম হিরণ, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জুবায়ের আহমেদ জুয়েল, সাধারণ সম্পাদক কাজী মুরাদ হোসেন, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি জুনায়েত আহসান খান তিলক, সাধারণ সম্পাদক জুয়েল হাওলাদার, উপজেলা মৎস্যজীবী লীগের আহ্বায়ক মো. শাওনসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকমীরা।




শেবাচিমে সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে হামলার শিকার সাংবাদিক 

বরিশাল অফিস: বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজে শিক্ষার্থী র‌্যাগিংয়ের ঘটনার সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন সাত গণমাধ্যমকর্মী; পরে সিনিয়র সাংবাদিক ও চিকিৎসকদের মধ্যে বৈঠকে বিষয়টির সমঝোতা হয়।

শনিবার দুপুরে কলেজ ক্যাম্পাসে সংবাদ সংগ্রহের সময় অধ্যক্ষসহ দুই শিক্ষকের নেতৃত্বে সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা।

ঘটনা সম্পর্কে চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের ক্যামেরা পারসন রুহুল আমিন বলেন, মেডিকেল কলেজে র‌্যাগিংয়ের শিকার এক ছাত্রী অধ্যক্ষের কক্ষে অভিযোগ দিতে গিয়েছিলেন। এই খবর পেয়ে আমরা সেখানে গিয়ে ওই ছাত্রীর বক্তব্য নিচ্ছিলাম।

হঠাৎ কলেজের কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের ডা. বাকিউল্লাহ ও প্যাথলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক প্রবীর কুমার সাহার নেতৃত্বে ৪/৫ জন চিকিৎসক হামলা শুরু করেন। তারা আমাদের ক্যামেরা ভাংচুর করেন এবং মারধর করেন।

হামলার শিকার সাংবাদিকরা হলেন, চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের বরিশাল ব্যুরো প্রধান কাওছার হোসেন রানা, ক্যামেরা পারসন রুহুল আমিন, এশিয়ান টেলিভিশনের ব্যুরো প্রধান ফিরোজ মোস্তফা, ক্যামেরা পারসন আজিম, বাংলানিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের নিজস্ব প্রতিবেদক মুশফিক সৌরভ, সময় টেলিভিশনের প্রতিবেদক শাকিল মাহমুদ এবং ক্যামেরা পারসন সুমন হাসান

এশিয়ান টেলিভিশনের ব্যুরো প্রধান ফিরোজ মোস্তফা জানান, র‌্যাগিংয়ের শিকার তৃতীয় বর্ষের ওই ছাত্রীর অভিভাবকও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তাদের সামনেই হঠাৎ সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালানো হয়। অধ্যক্ষের সঙ্গে এ হামলায় অংশ নেন কয়েকজন চিকিৎসক ও অফিস সহকারী।

র‌্যাগিংয়ের সঙ্গে জড়িতদের রক্ষা করতেই এ হামলা করা হয়েছে বলে মনে করেন চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের ব্যুরো প্রধান কাওছার হোসেন রানা।

তিনি বলেন,  এই হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার করতে হবে। খবর পেয়ে বরিশালের বিভিন্ন স্থান থেকে সিনিয়র সাংবাদিকরা আসেন। পরে উপাধ্যক্ষের কক্ষে সমঝোতা বৈঠক হয়।

এ বিষয়ে অধ্যক্ষ ফয়জুল বাশার বলেন, “ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন করা হয়েছে। র‌্যাগিংয়ের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে সাংবাদিকদের সঙ্গে যে বিষয়টি ঘটেছে তাকে ‘অনাকাঙ্ক্ষিত’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভুল বোঝাবুঝির কারণে এ ঘটনা ঘটেছে। বৈঠকে বিষয়টির সমাধান হয়ে গেছে।

অধ্যক্ষ ফয়জুল বাশার, উপাধ্যক্ষ জিএম নাজিমুল হক, উপ-পুলিশ কমিশনার আশরাফ হোসেন, অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার ফজলুল হক, সিনিয়র সাংবাদিক হুমায়ন কবির, মুরাদ আহমেদ, আকতার ফারুক শাহীন, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেনসহ অন্যরা এতে অংশ নেন। বৈঠকে অধ্যক্ষ ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং পরে দুইপক্ষের মধ্যে সমঝোতা হয়।”

কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, দুদিন আগে ৫০তম ব্যাচের বর্ষের নীলিমা হোসেন জুঁই কয়েকজন তৃতীয় বর্ষের ওই ছাত্রীকে র‌্যাগ দেয়। এতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং তাকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। এ ঘটনার অভিযোগ দিতেই ওই ছাত্রী অধ্যক্ষের কাছে গিয়েছিলেন। সেসময়ই সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালানো হয়।




ইমরান খানকে দেয়া কারাদণ্ডের রায়ে ‘গুরুতর ত্রুটি’ : সুপ্রিম কোর্ট বেঞ্চ

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে তোশাখানা দুর্নীতি মামলায় গত ৫ আগস্ট ৩ বছরের কারাদণ্ড দেন দেশটির একটি জেলা ও দায়রা আদালত। আর এই কারাদণ্ডের রায়ে ‘গুরুতর ত্রুটি’ ছিল বলে মন্তব্য করেছেন সুপ্রিম কোর্টের তিন সদস্যের বেঞ্চ। এছাড়া এই রায় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে দেশটির সর্বোচ্চ আদালত।

পাক সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউন বুধবার (২৩ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।

ওইদিন প্রধান বিচারপতি ওমর আতা বান্দিয়াল তার পর্যবেক্ষণে বলেন, ‘দায়রা আদালত একদিনে রায় দিয়েছে, যেটি সঠিক ছিল না। প্রথম দৃষ্টিতে দায়রা আদালতের রায়ে ত্রুটি ছিল।’

প্রধান বিচারপতি বান্দিয়াল ছাড়াও তিন সদস্যের এই বেঞ্চে রয়েছেন বিচারক জামাল খান মান্দোখালিল এবং বিচারক সৈয়দ মাজহার আলী আকবর নকবী। এই বেঞ্চটি গত ৪ আগস্ট ইসলামাবাদ হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে ইমরান খানের আপিলটি আমলে নিয়েছে।

গত ৪ আগস্ট ইসলামাবাদ হাইকোর্ট আদেশ দেন, তোশাখানা মামলা গ্রহণযোগ্যতার যে রায় দায়রা আদালত দিয়েছে সেটি ‘অবৈধ।’

এছাড়া ইসলামাবাদ হাইকোর্ট নিম্ন আদালতকে নির্দেশ দেন, ইমরান এই মামলা চলমান রাখার বিরুদ্ধে যে আপিল করেছেন সেটির ব্যাপারে যেন শুনানি করা হয়। তবে মামলাটি অন্য আদালতে স্থানান্তরের আপিলটি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল।

কিন্তু সবাইকে চমকে দিয়ে, পরের দিন ৫ আগস্ট বিচারক হুমায়ুন দিলাওয়ারের দায়রা আদালত ইমরানকে তোশাখানা মামলায় তিন বছরের কারাদণ্ড দেন।

সুপ্রিম কোর্ট বুধবার প্রশ্ন করেছেন, কেন দায়রা আদালত স্বাক্ষীদের জবানবন্দি না নিয়ে এত দ্রুত রায়ে উপনীত হলো। যে স্বাক্ষ্য ইমরান খান আদালতে উপস্থাপন করতে চেয়েছিলেন।

সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নকবী বলেছেন, দায়রা আদালত ইসলামাবাদ হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের আদেশ অমান্য করেছেন।

এদিকে তোশাখানা দুর্নীতি মামলার দণ্ড বাতিলের জন্য ইসলামাবাদ হাইকোর্টে আইনজীবীর মাধ্যমে আপিল করেছেন ইমরান খান। শুক্রবার এর ওপর শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তোশাখানা মামলা করা নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী উপস্থিত না হওয়ায় আদালতে এ নিয়ে শুনানি হয়নি। এ বিষয়টি নিয়ে ভীষণ ক্ষুব্ধ হয়েছেন ইমরানের আইনজীবীরা।

এ নিয়ে ইসলামাবাদ হাইকোর্টে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। তবে আদালত আবার আগামী সোমবার (২৮ আগস্ট) শুনানির নতুন তারিখ ঠিক করেছেন।

এদিকে প্রধান বিচারপতি বান্দিয়ালের নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের তিন সদস্যের বেঞ্চ তাদের পর্যবেক্ষণে জানান, ইসলামাবাদ হাইকোর্ট এ বিষয়ে রায় দেওয়া পর্যন্ত তারা অপেক্ষা করবেন। এরপর প্রয়োজন হলে ব্যবস্থা নেবেন।

সূত্র: এক্সপ্রেস ট্রিবিউন

 




সংসদ নির্বাচন নিয়ে ভুয়া তথ্য ফেসবুকে, ব্যবস্থা নেবে ইসি

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ও ভোট গ্রহণ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে।

জাতীয় নির্বাচনের তফসিল, প্রতীক বরাদ্দ ও ভোট গ্রহণের যে তথ্যটি ফেসবুকে প্রকাশিত হয়েছে, সেটি শুক্রবার (২৫ আগস্ট) রাতে ভুয়া বলে নিশ্চিত করেছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ। এ ভুয়া তথ্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কমিশনের কাছে বিষয়টি উপস্থাপন করা হবে বলে জানান তিনি।

ভূয়া তথ্যে দেখা যায়, ‘আগামী ৯ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) তফসিল ঘোষণা করা হবে। ১৯ নভেম্বর (রোববার) মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ। ২২ নভেম্বর (বুধবার) মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে। ২৯ নভেম্বর (বুধবার) মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখ। ৩০ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) প্রতীক বরাদ্দ এবং ২৩ ডিসেম্বর (শনিবার) ভোট গ্রহণ করা হবে’।

ইসির অতিরিক্ত সচিব বলেন, এ বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। যে তথ্যটি ফেসবুকে প্রচার হচ্ছে সেটি ভুয়া। নির্বাচন কমিশন কখনো এত আগে জাতীয় নির্বাচনের তফসিলের বিষয়ে তথ্য দেয় না। আমরা এ বিষয়টি কমিশনের নজরে আনব। কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজনে ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

এর আগে, গত ৩ আগস্ট দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে ফেসবুকে সাম্প্রদায়িকতা, বিদ্বেষ, সহিংসতা ছড়ায় এমন অপপ্রচারণামূলক কন্টেন্ট ঠেকাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মেটা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করেছে ইসি।

ওই সময় অশোক কুমার দেবনাথ বলেন, আমরা ফেসবুকের একটা টিমের সঙ্গে মিটিং করেছি। আমাদের যে টেকনিক্যাল লোক আছে, তাদের নিয়ে প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বসেছিলাম। কারণ এখানে কিছু টেকনিক্যাল ব্যাপার ছিল। এটা ছিল প্রাথমিক আলোচনা। পরবর্তীতে নির্বাচন কমিশনের একজন ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারণ করা হবে, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার জন্য। তারা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করবে।

তিনি বলেন, মূলত ব্যাপারটা ছিল ফেসবুকে যেসব অপপ্রচার হয়, সেই অপপ্রচারগুলো কিভাবে রোধ করা যায়, বিশেষ করে- ঘৃণাত্মক মন্তব্য, সাম্প্রদায়িকতা বা অন্যান্য যেসব ভায়োলেশন হয়। সেগুলো তারা ডিলিটসহ ব্লক করবে। মূলত এই ছিল মিটিং এর বিষয়। আমাদের কাছে যেটা নেগেটিভ প্রতীয়মান হবে, আমরা তাদের জানাব। তারা সেটাকে রিমুভ করে দেবে। শুধুমাত্র নির্বাচন কেন্দ্রিক বিভিন্ন কনটেন্টের বিষয়ে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তফসিল ঘোষণার পর এ কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানান তিনি।




বিএনপি নিজেদের অজান্তেই শোকের মিছিল করছে : কাদের

চন্দ্রদীপ নিউজ ডেস্ক : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি কালো মিছিল করছে কেন? তাদের কোন নেতা মারা গেছে? আন্দোলনের বারোটা বাজিয়ে এখন বিএনপি নেতারা নিজেদের অজান্তেই শোকের মিছিল করছে। আন্দোলনের পতাকা হলো লাল-সবুজ। স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীকের প্রতি তাদের কোনো দরদ নেই। যে মিছিলে জনগণ নেই সেই মিছিল গণমিছিল হয় কী করে?

শুক্রবার (২৫ আগস্ট) বিকেলে ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত শান্তি সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগের মিছিল মানেই সারা শহরে মিছিল আর মিছিল। আপনারা মিছিল দেখবেন এক তারিখ এবং দুই তারিখে। আমরা বিজয়ের পতাকা নিয়ে মিছিল করব, বিএনপির মতো শোকের কালো পতাকা নিয়ে নয়।

তিনি বলেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আমরা শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশ করছি। আজকে বিএনপি নেতাদের গলা শুকিয়ে গেছে। তাদের গলায় আর জোর নেই। তাদের সমাবেশে আস্তে আস্তে লোক কমে যাচ্ছে। আন্দোলনের মরা গাঙে জোয়ার আটকে গেছে। মরা গাঙে ঢেউ নেই।

এতে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী। সমাবেশটি সঞ্চালনা করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন ও কার্যনির্বাহী সদস্য সানজিদা খানম।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক রিযাজ উদ্দিন রিয়াজ ও প্রচার সম্পাদক চৌধুরী সাইফুন্নবী সাগর যৌথভাবে সমাবেশ পরিচালনা করেন।




জাতিসংঘের প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠক শেষে যা বললেন ওবায়দুল কাদের

চন্দ্রদীপ নিউজ: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চায় জাতিসংঘ। আর আওয়ামী লীগ চায় প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন। নির্বাচন যত প্রতিযোগিতামূলক হবে দেশে-বিদেশে তত গ্রহণযোগ্য হবে।

বৃহস্পতিবার বিকালে রাজধানীর গুলশানে জাতিসংঘ সমন্বয় প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা বলেন। গুলশান-২ এর বাসভবনে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী গোয়েন লুইস।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ চায় নির্বাচনে বিএনপির মতো বড় রাজনৈতিক দল অংশ নিক। নির্বাচনে আসতে তাদের কেন জোরাজুরি করব। নির্বাচনে অংশ নেওয়া রাজনৈতিক দল হিসেবে তাদের অধিকার। কোনো সুযোগ নয়।

তিনি বলেন, বিরোধী দল প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ, সংসদের বিলুপ্তি, তত্ত্বাবধায়কের যে দাবিতে জোর দিচ্ছে সেসব বিষয়ে তাদের (জাতিসংঘ) কোনো বক্তব্য নেই। কোনো মাথাব্যথা নেই। তারা বলেছে, এসব বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়।

সেতুমন্ত্রী বলেন, আজকের আলোচনাটা একটু ভিন্ন ছিল। আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে বাংলাদেশের উন্নয়ন, এসডিজিতে করণীয় নিয়ে। তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে হওয়া ব্যাপক উন্নয়ন অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে বৈঠকে অংশ নেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক সম্পাদক শাম্মী আহমেদ, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সেলিম মাহমুদ, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া ও কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মোহাম্মদ এ আরাফাত।