বিএনপি মহাসচিব তার বক্তব্যেই স্বীকার করেছেন একদফা দাবি আদায় সম্ভব নয়: তথ্যমন্ত্রী

চন্দ্রদীপ নিউজ : তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি মহাসচিব তার বক্তব্যেই স্বীকার করে নিয়েছেন যে, তাদের একদফার দাবি আদায় সম্ভব নয়।

মন্ত্রী আজ রবিবার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবের গতকালের (শনিবার) বক্তব্যে এটি স্পষ্ট যে, তাদের এক দফা আন্দোলনের দাবি আদায় সম্ভবপর নয়। এটি যে অসম্ভব, এটি যে কঠিন কাজ, তিনি তার বক্তব্যের মাধ্যমে তা স্বীকার করে নিয়েছেন।

তিনি বলেছেন যে, একদফার আন্দোলনের সামনে কঠিন সময় আসছে। উনারা তো বহু আগে থেকেই একদফা আন্দোলনের মধ্যে আছেন। সেটি একবার গরুর হাটে মারা গেছে, তারপর আগস্ট মাসের আগে জোর একদফা আন্দোলন শুরু করবে বলেছিলো সেটিও হালে পানি পায়নি। এখন তাদের আন্দোলনের হাট তো ভেঙ্গে গেছে। শুধু কর্মীদেরকে চাঙ্গা রাখার জন্য তারা এ সমস্ত কথাবার্তা বলছে।’

বিএনপি নেতা রুহুল কবীর রিজভীর ‘আন্দোলনের জোয়ারে আওয়ামী লীগ কোথায় যাবে’ মন্তব্য নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তথ্য সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কোথাও যাবো না, আমরা এই দেশেই আছি এই দেশেই থাকবো। রিজভী সাহেবরা সিদ্ধান্ত নিতে পারেন পাকিস্তানে যাবেন, না অন্য কোথাও যাবেন, না এখানে থাকবেন। কারণ উনাদের মহাসচিব বলেছেন যে, পাকিস্তানই ভালো ছিলো।’

জি-২০, জো বাইডেন, ম্যাক্রোঁ প্রসঙ্গ : ভারতে জি-২০ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর যোগদান প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ জি-২০ সদস্য না হওয়া সত্ত্বেও জি-২০ বর্তমান সভাপতি ভারত উপমহাদেশ থেকে শুধু বাংলাদেশকে অর্থাৎ আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে সেখানে আমন্ত্রণ জানিয়েছে, উপমহাদেশের আর কোনো রাষ্ট্রনায়ককে ডাকা হয়নি। সেখানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অত্যন্ত সফল ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।’

তিনি বলেন, এছাড়া আপনারা দেখেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নিজেই প্রধানমন্ত্রী এবং তার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের সাথে সেলফি তুলেছেন। কুশল বিনিময়সহ ছোটখাটো আলোচনাও হয়েছে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর সাথে আরব আমিরাত ও দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টদের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়েছে। অন্যান্য রাষ্ট্রনায়কদের সাথেও তার সাক্ষাৎ এবং সাইডলাইনে আলোচনাও হয়েছে। অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীর এ সফর অত্যন্ত সফল হয়েছে। জো বাইডেনের সাথে সেলফি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ছবি অনেক কথা বলে। এই ছবির ভাষা নিশ্চয়ই সাংবাদিক এবং বোদ্ধা ব্যক্তিরাও বুঝতে পারছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আমাদের সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং আগামী দিনে আরো ঘনিষ্ঠ হবে।’

রোববার সন্ধ্যায় ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বাংলাদেশে আসবেন, প্রধানমন্ত্রী তাকে বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানাবেন উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণেই ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বাংলাদেশে আসছেন। ক’দিন আগে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ ঘুরে গেছেন। এছাড়াও ক’দিন আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে দু’দিনব্যাপী নিরাপত্তা সংলাপ হয়েছে। এতে স্পষ্ট যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আমাদের যে বহুমাত্রিক সহযোগিতার সম্পর্ক রয়েছে সেটি আরো ঘনিষ্ঠ করার জন্য উভয় দেশ কাজ করছে। এই ঘটনা প্রবাহ যারা সঠিকভাবে অনুধাবন করতে পারেন তারা বোঝেন যে, বর্তমান সরকারের এবং প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সাথে বিশ্ব সম্প্রদায়ের গভীর সুসম্পর্ক আছে।’

ড. ইউনূসের ইস্যুতে সাবেক ডেপুটি এটর্নি জেনারেল এমরান ভূঁইয়ার মার্কিন দূতাবাসে আশ্রয় চাওয়া নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মার্কিন দূতাবাসে তিনি গিয়েছিলেন কিন্তু আশ্রয় পাননি। অপেক্ষা করে গেট থেকে চলে এসছেন। অনেকেই বলছে যে, তিনি হয়তো সপরিবারে মার্কিন ভিসা চাচ্ছেন, সেই কারণে এবং আলোচনায় থাকার জন্য এই নাটকটি সাজিয়েছেন। এতে প্রমাণিত যে বিভিন্ন মতাদর্শের মানুষ সরকারি কাজকর্মের সাথে যুক্ত আছেন। বিএনপি যে বলে বেছে বেছে শুধু দলীয় কর্মীদের আমরা বিভিন্ন জায়গায় পদে বসিয়েছি, সেটি যে সঠিক নয় এই ঘটনার মধ্যেই তা প্রমাণিত হয়।’

বিএফডিসিকে পাহাড়তলীতে জমি হস্তান্তর করলো বিটিভি: পরে বিকেলে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ এবং সচিব মো: হুমায়ুন কবীর খোন্দকার বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) আওতাধীন চট্টগ্রামের পাহাড়তলীর ১ একর ৩৭ শতক জমি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনকে (বিএফডিসি) হস্তান্তরের চুক্তি স্বাক্ষর প্রত্যক্ষ করেন। সচিবালয়ে তথ্যমন্ত্রীর দপ্তরে বিটিভির পক্ষে মহাপরিচালক ড. জাহাঙ্গীর আলম এবং বিএফডিসির পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত ইয়াসমিন চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন। তারা বলেন, পাহাড়তলীর এই মনোরম স্থান দেশের চলচ্চিত্র অঙ্গণকে আরো সমৃদ্ধ করবে।




খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিতের মেয়াদ বাড়ছে আরও ৬ মাস

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিত করে আগের দুটি শর্তেই মুক্তির মেয়াদ আরও ৬ মাস বাড়ছে। এ সংক্রান্ত আবেদনে দণ্ড স্থগিত করে মুক্তির মেয়াদ আরও ৬ মাস বাড়ানোর বিষয়ে মত দিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়। মতামত দিয়ে তা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাঠানো হয়েছে।

রোববার (১০ সেপ্টেম্বর) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

আগের শর্তে (বিদেশে যাওয়া যাবে না এবং দেশে চিকিৎসা নিতে হবে) তার মুক্তির মেয়াদ আরও ৬ মাস বাড়ানোর জন্য মতামত দেওয়া হয়েছে বলেও জানান আইনমন্ত্রী। এ নিয়ে নির্বাহী আদেশে অষ্টমবারের মতো দণ্ডপ্রাপ্ত খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হচ্ছে।

খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিত করে মুক্তির মেয়াদ আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর হবে। এ অবস্থায় কয়েক দিন আগে খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধি এবং চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার জন্য তার পরিবারের পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়। পরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ আবেদনের বিষয়ে মতামত দিতে তা আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। এখন খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়িয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

আইনমন্ত্রী বলেন, আগের বাড়ানো মেয়াদ আগামী সেপ্টেম্বরের ২৪ তারিখ শেষ হবে। আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে একই শর্তে মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়ানো হয়েছে। আবেদনে বিদেশে নেওয়ার বিষয়টি ছিল। আবেদনে বিদেশে নেওয়ার বিষয়টি ছিল। কিন্তু সে বিষয়ে আইনি কোনো সুযোগ নেই। আইনি সুযোগ থাকলে আমরা বিবেচনা করতাম। আমার স্বাক্ষরের পর ফাইল এরই মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চলে গেছে। এটি প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাবে না।




মালদ্বীপে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন গড়িয়েছে দ্বিতীয় দফায়

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ডেক্স:  মালদ্বীপে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন দ্বিতীয় দফায় গড়িয়েছে। কারণ কোনো প্রার্থীই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেননি। অর্থাৎ ৫০ শতাংশ ভোট কেউ পায়নি।

নির্বাচনে বিরোধীদলীয় প্রার্থী পিএনসি-পিপলস ন্যাশনাল কংগ্রেস পার্টির নেতা মোহাম্মদ মুইজু সরকারদলীয় প্রার্থী ইব্রাহিম মোহামেদ সলিহর চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন।

শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ভোট গ্রহণ শেষে গণনা শুরু হয়। এতে দেখা যায়, ৪৫ বছরের মুইজু প্রদত্ত ভোটের ৪৫ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। অন্যদিকে সলিহ পেয়েছেন ৩৯ দশমিক ৭১ শতাংশ ভোট।

বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহামেদ সলিহ এবারের নির্বাচনে দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য লড়ছেন। প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আট প্রার্থী। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নির্বাচনে সলিহর সঙ্গে মোহাম্মদ মুইজুরের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে।

দুর্নীতির অভিযোগে গত বছরের ডিসেম্বরে বিরোধীদলীয় নেতা ও সাবেক প্রেসিডেন্ট আবদুল্লা ইয়ামিনের ১১ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে। ইয়ামিনের জায়গায় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মুইজু। ৫৭৪টি বুথে ভোট গ্রহণ চলে। এর মধ্যে এক-চতুর্থাংশ বুথই রাজধানী মালেতে।

এবারের নির্বাচনে নিবন্ধিত ভোটারের সংখ্যা দুই লাখ লাখ ৮২ হাজার। মালদ্বীপে কারাবন্দিদেরও ভোট দেওয়ার বিধান আছে। তবে রাজনৈতিক বন্দি যেমন বিরোধীদলীয় নেতা ও সাবেক প্রেসিডেন্ট আবদুল্লা ইয়ামিন ভোট দিতে পারবেন না।

নির্বাচনের প্রার্থীরা হলেন বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহামেদ সলিহ, মোহাম্মদ লাবি, মালদ্বীপ ন্যাশনাল পার্টির (এমএনপি) চেয়ারপারসন মোহাম্মদ নাজিম, পিপিএম অ্যান্ড পিএনসি-পিপলস ন্যাশনাল কংগ্রেস পার্টির নেতা মোহাম্মদ মুইজু। জেপির নেতা মোহাম্মদ গাসিম ইব্রাহীম, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়বেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উমর নাসির, আহমেদ ফারিস মামুন ও হাসান জামিল।

মালদ্বীপ দক্ষিণ এশিয়ার মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দ্বীপদেশ। ২০০৮ সালে বহুদলীয় ব্যবস্থা শুরু হওয়ার পর এই প্রথম এত বেশি প্রার্থী প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।




বাংলাদেশ সফরের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন সৌদি যুবরাজ

চন্দ্রদীপ ডেস্ক: সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানকে বাংলাদেশ সফর করতে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আমন্ত্রণ গ্রহণ করে বাংলাদেশ সফরের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন সালমান।

রোববার (১০ সেপ্টেম্বর) নয়া দিল্লিতে সৌদির ক্রাউন প্রিন্স সালমানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন শেখ হাসিনা। এ সময় বঙ্গবন্ধু কন্যা যুবরাজকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আজ সকালে নয়া দিল্লিতে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে। যুবরাজ সালমান সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্য আর্থসামাজিক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রশংসা করেছেন।

যুবরাজ সালমান বলেন, বাংলাদেশ ও সৌদি আরব সম্ভাব্য সব ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়াতে একসঙ্গে কাজ করবে। এ বিষয়ে তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে তার পূর্ণ সমর্থনের আশ্বাস দেন।

যুবরাজ সালমান পতেঙ্গা টার্মিনাল, পায়রা বন্দর এবং এসিইউডব্লিউএ পুনর্নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্পসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রকল্পে সৌদি বিনিয়োগকারীদের চলমান বিনিয়োগ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, প্রায় ২৮ লাখ বাংলাদেশি তাদের কঠোর পরিশ্রম দিয়ে সৌদির অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।




বাইডেনের সেলফি দেখেই বিএনপির পশ্চাৎযাত্রা শুরু : ওবায়দুল কাদের

চন্দ্রদীপ নিউজ : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ভারতের নয়াদিল্লিতে জি-২০ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সেলফি তোলা দেখে বিএনপির পশ্চাৎযাত্রা শুরু হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আজকে নতুন একটা খবর আছে, জি-২০ সম্মেলন হচ্ছে দিল্লীতে। বিএনপি আটলান্টিকের ওপারে হোয়াইট হাউসের দিকে তাকিয়ে ছিল, সেখান থেকে নিষেধাজ্ঞা দিবে এ আশায় ছিলো বিএনপি। কিন্তু কী দেখা গেল ? জি-২০ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে জো বাইডেন নিজেই সেলফি তুলেছেন। এদেখে বিএনপির পশ্চাৎযাত্রা শুরু হয়েছে।’

ওবায়দুল কাদের আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত শান্তি সমাবেশে এ কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘দিল্লীতে বাইডেন নিজেই সেলফি তুললেন শেখ হাসিনার সঙ্গে, সাথে পুতুলও ছিলেন। বিএনপির এখন কী হবে ? পতনযাত্রা নাকি পশ্চাৎযাত্রা। কেবলই পিছনের দিকে বিএনপিকে যেতে হচ্ছে। আজকের সেলফি দেখে বিএনপি নেতাদের ঘুম হারাম হয়ে গেছে।’

ঢাকা দক্ষিণ মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফীর সভাপতিত্বে আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য এবং সংসদ উপনেতা বেগম মতিয়া চৌধুরী, কামরুল ইসলাম ও ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

আগামী নির্বাচনে অংশ নিতে বিএনপি তলে তলে প্রস্তুতি নিচ্ছে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, আপনাদের একটি খবর দেই, বিএনপি উপরে উপরে আন্দোলন করছে, আর তলে তলে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। একেক আসনে টাকাওয়ালা ২-৩ জন প্রার্থী, যার যতো টাকা, লন্ডনে পাঠাচ্ছে। আর মনোনয়নের জন্যে লন্ডনে পাড়ি জমাচ্ছে। বিএনপি নির্বাচনে না আসলে, তারেক রহমান মনোনয়ন বাণিজ্য করবে কি করে ? নির্বাচন না করলে তারেক রহমান টাকা পাবে কই!

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আজকের পদযাত্রায় জনগণ নেই, জনগণ বিএনপির সাথে নেই। অবস্থা বেগতিক, বিএনপি সামনে কিছু দেখে না। বিএনপি দিনের আলোর মধ্যেও অমানিশার অন্ধকার দেখে। তাদের আন্দোলনে কোন জনসমর্থন নেই।
আন্দোলন-সংগ্রামে ব্যর্থ বিএনপি ড. ইউনুসের ঘাড়ে সওয়ার হয়েছে মন্তব্য করে কামরুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনে অংশ নিলে, বিএনপির সম্মানজনক আসন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই আন্দোলনে না নামিয়ে, নেতাকর্মীদের নির্বাচনের জন্য মাঠে নামান। কারণ তত্ত্ববাধায়ক সরকার ব্যবস্থা আর এদেশে ফিরবে না।




স্বামীরা ব্যস্ত সম্মেলনে, কী করছেন জি-২০ নেতাদের স্ত্রীরা?

চন্দ্রদ্বীপ ডেক্স:  জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে রয়েছেন জোটের সদস্য ও আমন্ত্রিত দেশগুলোর নেতারা। সঙ্গে গেছেন তাদের স্ত্রী-সন্তানসহ পরিবারের সদস্যরাও। সম্মেলন চলাকালে প্রায় সারাদিনই বৈঠক-সাক্ষাতে ব্যস্ত থাকছেন নেতারা। কিন্তু তাদের স্ত্রী বা অন্য সঙ্গীরা কী করছেন? কীভাবে কাটছে তাদের সময়?

জানা গেছে, শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) অন্তত ১৫ জন জি-২০ নেতাদের স্ত্রীরা গিয়েছিলেন দিল্লিতে অবস্থিত ভারতীয় কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইএআরআই) ক্যাম্পাস পরিদর্শনে। তাদের মধ্যে ছিলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী রিশি সুনাকের স্ত্রী অক্ষতা মূর্তি, জাপানি প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদার স্ত্রী ইয়োকো কিশিদা, বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গার স্ত্রী রিতু বাঙ্গা প্রমুখ।

ক্যাম্পাসে তাদের স্বাগত জানান ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের স্ত্রী কিয়োকো জয়শঙ্কর।

এদিন আইএআরআই বা পুসা ইনস্টিউটে জি-২০ ‘ফার্স্টলেডি’দের জন্য জমকালো এক প্রদর্শনীর আয়োজন করেছিল ভারতীয় কৃষি মন্ত্রণালয়। শুরুতেই ‘শস্য-রঙ্গোলি’ দিয়ে তাদের স্বাগত জানানো হয়। ১৮টি দেশ থেকে সংগ্রহ করা শস্য দিয়ে সাজানো হয়েছিল এই রঙ্গোলি।




বিএনপির আন্দোলনের হাট ভেঙে গেছে, কিন্তু ষড়যন্ত্র থামেনি : তথ্যমন্ত্রী

চন্দ্রদীপ নিউজ : তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপির আন্দোলনের হাট ভেঙে গেছে, নেতাদের দম ফুরিয়ে গেছে। কিন্তু তাদের ষড়যন্ত্র থামেনি। তিনি বলেন, ‘আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে তারা ড. ইউনূসের ওপর ভর করেছিল। বিভিন্ন সময় বিভিন্নজনের ওপর ভর করা বিএনপি যে কখন কবিরাজদের কাছে যায়, সেটাই দেখার বিষয়।’

মন্ত্রী আজ (শনিবার) বিকেলে রাজধানীর মোহাম্মদপুর টাউন হল চত্বরে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ আয়োজিত শান্তি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ সব কথা বলেন।
শান্তি সমাবেশ আয়োজনের কারণ তুলে ধরে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি তাদের মিত্রদের নিয়ে দেশে অশান্তি-বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চায়। তারা আবার ২০১৩, ১৪, ১৫ সালের মতো আগুনসন্ত্রাস, মানুষ ও গাড়ি-ঘোড়া পোড়ানো, সহায়-সম্পত্তিতে আগুন দেওয়ার অজুহাত তৈরির জন্য আন্দোলন-আন্দোলন খেলা খেলছে। সে কারণে সরকারি দল হিসেবে আমাদের দায়িত্ব রয়েছে দেশে-সমাজে, শহরে-বন্দরে, গ্রামে-গঞ্জে কেউ যাতে শান্তি-শৃঙ্খলা-স্থিতি বিনষ্ট করতে না পারে সে জন্য জনগণের পাশে থাকার জন্যই আমাদের শান্তি সমাবেশ।’

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘গত ডিসেম্বরে বিএনপি নয়াপল্টনে তাদের পার্টি অফিসের সামনের রাস্তায় সমাবেশের গোঁ ধরেছিল, রাস্তায় নাশকতা শুরু করেছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বদান্যতায় গুলশানের বাসায় থাকা দন্ডিত বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশেই নাকি ১০ ডিসেম্বর থেকে দেশ চলবে বলেছিল।

এরপর তাদের অফিস থেকে পুলিশ তাজা বোমা, দুই লাখের বেশি পানির বোতল, বস্তা বস্ত চাল-ডাল উদ্ধারের পর তারা গেল গোলাপবাগ গরুর হাটে সমাবেশ করতে।

তারপর থেকে তারা বিদেশিদের কাছে ধর্ণা দেয় আর প্রতি মাসেই বলে আওয়ামী লীগের দিন নাকি শেষ। এই করতে করতে তাদের আন্দোলনের হাট এখন ভেঙে গেছে, মির্জা ফখরুল সাহেবসহ নেতাদের দম ফুরিয়ে গেছে। কিন্তু ষড়যন্ত্র থামেনি, নির্বাচন ভন্ডুলের চক্রান্ত থামেনি।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মির্জা ফখরুল সাহেব বলেছেন তিনি গ্রেফতারের আশংকায় আছেন। আমরা কাউকে গ্রেফতার করতে চাই না। কিন্তু ‘চোরের মনে পুলিশ পুলিশ’। তিনি যদি নাশকতা, হামলা বা কোনো অপরাধের পরিকল্পনা করেন, তাহলে নিজেই আশংকা করতে পারেন। কারণ আমরা গ্রেফতার করতে না চাইলেও অপরাধের পরিকল্পনাকারী ও অপরাধীদের পুলিশ ছেড়ে দেবে না। ‘এ সব কারণে নেতা-কর্মীদের সতর্ক থাকতে হবে’ উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘দেশের ও মানুষের যে উন্নয়ন হয়েছে, তাতে আগামী নির্বাচনেও ইনশাআল্লাহ বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা জনগণের ভোটে ধস নামানো বিজয় অর্জন করে পরপর চতুর্থবার এবং শুরু থেকে পঞ্চমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হবেন। আমরা আওয়ামী লীগ রাজপথের দল, রাজপথে ছিলাম, আছি, থাকবো।’
মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ এম এ সাত্তারের সভাপতিত্বে আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের মধ্যে দপ্তর সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, ঢাকা মহানগর উত্তর সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, সহসভাপতি সাদেক খান এমপি, সাধারণ সম্পাদক এস এম মান্নান কচি, সাংগঠনিক সম্পাদক মো: আজিজুল হক রানা সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন। সমাবেশ শেষে আসাদ এভিনিউতে মিছিলের মাধ্যমে কর্মসূচি সমাপ্ত হয়।




বিশ্ব গণমাধ্যমে বাইডেন-শেখ হাসিনার সেলফি

চন্দ্রদীপ ডেস্ক: ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে বিশ্বের শিল্পোন্নত ও বিকাশমান অর্থনীতির দেশগুলোর জোট জি-২০-এর শীর্ষ সম্মেলন শুরু হয়েছে। শনিবার এই সম্মেলনের ফাঁকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ হোসেনের। অনুষ্ঠানস্থলে আলাপচারিতার সময় তাদের বেশ হাস্যোজ্জ্বল দেখা যায়। আলাপচারিতার এক পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার কন্যার সাথে সেলফি তোলেন।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সাথে বিশ্বের শীর্ষ ক্ষমতাধর দেশের প্রেসিডেন্টের ছবি তোলার এই দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে ছড়িয়েছে। এছাড়া বিশ্বের প্রভাবশালী একাধিক গণমাধ্যমেও শেখ হাসিনার সাথে বাইডেনের সেলফি তোলার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তুলে ধরা হয়েছে।

শেখ হাসিনা ও সায়মা ওয়াজেদ হোসেনের সাথে বাইডেনের সেলফি তোলা নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। ‘বাইডেন যখন সেলফি তোলেন’ শিরোনামে প্রতিবেদনে বিবিসি বলছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ জি-২০ সম্মেলনে সেলফি তোলার জন্য একটি মুহূর্ত শেয়ার করছেন।

বিবিসির জি-২০ সম্মেলনের লাইভ কাভারেজে এই সেলফি পোস্ট করে লেখা হয়েছে, এমনকি বিশ্ব নেতারাও একটি ভালো সেলফি এড়াতে পারেন না, আমরা ধারণা করি!

ভারতের বার্তা সংস্থা এএনআই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সাথে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের তোলা সেলফি পোস্ট করেছে। এর ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, ভারতে জি-২০। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিল্লিতে জি-২০ সম্মেলনের ভেন্যুতে সেলফি তোলার দারুণ এক মুহূর্ত ভাগাভাগি করে নিচ্ছেন।

বাইডেনের সাথে জি-২০ অনুষ্ঠানস্থলে তোলা কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) পোস্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রীর কন্যা সায়মা ওয়াজেদ হোসেন। তিনি লিখেছেন, ‘নয়াদিল্লিতে জি-২০ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে চমৎকার গল্প হয়েছে। সম্প্রসারিত জনস্বাস্থ্যের অংশ হিসেবে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা এবং শিক্ষাব্যবস্থায় স্কুল সাইকোলজিস্টদের ভূমিকার গুরুত্ব নিয়ে আমি তার সঙ্গে কথা বলেছি।’

প্রধানমন্ত্রীর কন্যা সায়মা ওয়াজেদ ১৯৯৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মনোবিজ্ঞানে স্নাতক এবং ২০০২ সালে ক্লিনিক্যাল মনস্তত্ত্বে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেছেন। পরে ২০০৪ সালে স্কুল সাইকোলজিতে বিশেষজ্ঞ ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরামের থিম্যাটিক অ্যাম্বাসেডর এবং অটিজম ও নিউরো ডেভেলপমেন্টাল ডিসঅর্ডার জাতীয় উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারপার্সনের দায়িত্ব পালন করছেন সায়মা ওয়াজেদ। তিনিও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জি-২০ সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন।

বাংলাদেশ জি-২০ জোটের সদস্য নয়। তবে ভারতের আমন্ত্রণে নয়াদিল্লিতে এবারের সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।




আ’লীগের সাথে আমাদের কোন বিরোধ নেই– অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন

 

আল-আমিন,বাবুগঞ্জ : ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশে’র প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন বলেছেন, ‘রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে একদল সুবিধাভোগী ইসলাম ও মুক্তিযুদ্ধকে মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে ইতিহাস বিকৃত করার হীন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। আপনার জানেন স্বাধীনতা কারা ধংস করেছে। বাংলাদেশ দূর্নীতিতে পাঁচ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। দূর্নীতি কারা করেছে,দুর্নীতির সাথে কারা জরিত, কারা বাংলাদেশের টাকা নিয়ে বিদেশে বাড়ি করছে তা আপনারা জানেন। আজকে জনগণের টাকা নিয়ে কারা বিদেশে পাচার করছে। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন সারা বিশ্বে পেয়েছেন সোনার খনি আর আমি পেয়েছি চোরের খনি। আওয়ামীলীগ বিনা ভোটে দেশ শাসন করছে। ২০১৪ সালে আপনারা বিনা ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। ২০১৮ সালের নির্বাচনে দিনের ভোট রাতে দিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। দিনের ভোট রাতে কিভাবে হয় তার বড় স্বাক্ষী ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ। কারন ২০১৮ সালের নির্বাচনে আমরা ২৯৯ টি আসনে প্রার্থী দিয়েছিলাম। আমরা পাপিকে নয় পাপকে ঘৃনা করি। আওয়ামী লীগের সাথে আমাদের কোন বিরোধ নেই,বিরোধ আওয়ামীলীগের অবৈধ কর্মকান্ডের সাথে’।

শনিবার বিকালে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ মাঠে ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশে বাবুগঞ্জ শাখার আয়োজনে তৃণমূল প্রতিনিধি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, ‘বিনা ভোটের এই অবৈধ সরকার কে ক্ষমতা থেকে নামাতে যে দল আন্দোলন সংগ্রাম করবে আমরা তাদের সাথে একমত পোষন করবো। ক্ষমতা ছাড়তে এত ভয় কেন আপনাদের। জাতীয় সরকারের অধীনে ভোট দিয়ে সকলের অংশগ্রহণ করুন’। প্রতিনিধি সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি হাফেজ মাওলানা রহমাতুল্লাহ এর সভাপতিত্বে প্রধান বক্তা ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল জেলা শাখার সেক্রেটারী উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান, কেন্দ্রীয় নির্মান শ্রমিক বিষয়ক সম্পাদক মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, বরিশাল জেলা শাখার অর্থ ও প্রকাশনা সম্পাদক এস এম রফিকুজ্জামান, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, ছাত্র ও যুব বিষয়ক সম্পাদক মুফতী গাজী মুহাম্মদ ওসমান গনী, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বরিশাল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ সালাউদ্দিন। এছাড়াও সম্মেলনে বাবুগঞ্জ উপজেলা ইসলামি আন্দোলন, যুব ও ছাত্র আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।




পটুয়াখালী-৩ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রার্থীর ছড়াছড়ি

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী: গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলার গলাচিপা পৌরসভা ও ১৯ টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা- দশমিনা) আসন। আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে পটুয়াখালী-৩ আসনে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন আওয়ামী লীগ ও বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রার্থীরা। সরকারের উন্নয়নের প্রচারণায় আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রার্থীরা অপরদিকে একদফা দাবিতে আন্দোলনে ব্যস্ত সময় পার করার পাশাপাশি নির্বাচনেও একধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশীরা। আওয়ামী লীগের নিশ্চিত এ আসনটিতে বিএনপি’র দুই সম্ভাব্য  প্রার্থীকে কেন্দ্র করে চলছে ইতিবাচক আলোচনা। পিছিয়ে রাখছেন না সরকারদলীয় প্রার্থীদেরকে। ভোটের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি কেউ কাউকে ছাড় দিতে রাজি নন। এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে আওয়ামী লীগ বনাম বিএনপি। বিএনপি নির্বাচনে অংশ না নিলে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রার্থীর বিপরীতে একাধিক স্বতন্দ্র প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে স্থানীয় আমজনতার মন্তব্য রয়েছে। দুই দলে জনপ্রিয় প্রার্থী হলে লড়াই হবে সমানে সমান। পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীর তালিকায় আলোচনায় আছেন, বর্তমান সংসদ সদস্য এসএম শাহজাদা, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী আলমগীর, জেলা আওয়ামী লীগের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক মো. তসলিম সিকদার, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য এড.  মোহাম্মদ ফোরকান মিঞা,  সাবেক বিজিবি প্রধান লে. জে. (অব.) আবুল হোসেন আজাদ, দশমিনা উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান এবং আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল আজিজ, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এড. মো. শাখাওয়াত হোসেন, সাধারণ সম্পাদ ইকবাল মাহমুদ লিটন, সাবেক বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মরহুম আ.খ.ম জাহাঙ্গীর হোসাইনের পুত্র জাওয়াদ সুজন, গলাচিপা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সন্তোষ দেসহ  আরও অনেকে।