গৌরনদী-আগৈলঝাড়ার মানুষের জন্য স্বপনের অমলীন নেতৃত্ব

গৌরনদী ও আগৈলঝাড়ার মানুষের নেতৃত্ব ও স্বপ্নের প্রতীক এম জহির উদ্দিন স্বপন দীর্ঘদিন ধরে তার রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংগঠনিক দায়িত্বের মাধ্যমে এলাকার মানুষকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। তিনি বরিশাল-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা এবং বিএনপির মিডিয়া সেলের আহবায়ক।

সদর উপজেলার শরিকল গ্রামে জন্মগ্রহণ করা স্বপন ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী হিসেবে বরিশাল-১ আসন থেকে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি পুনরায় একই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রীর সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। বিএনপির মিডিয়া সেল, কমিউনিকেশন সেল এবং বাংলাদেশ ন্যাশনালিষ্ট রিসার্চ অ্যান্ড কমিউনিকেশন (বিএনআরসি)-এর পরিচালক হিসেবে দায়িত্বে থাকা স্বপন দলের নির্দেশনা অনুসারে তার নির্বাচনী এলাকা গৌরনদী ও আগৈলঝাড়ার নেতা কর্মীদের সুসংগঠিত রাখতে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

স্বপন বলেন, “ঐতিহাসিক ৫ আগস্টের ঘটনাসহ স্বাধীন বাংলাদেশে কোন ফ্যাসিবাদী কার্যক্রম গ্রহণযোগ্য হবে না। ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে হামলা চালিয়ে যারা সাধারণ মানুষ ও আন্দোলনকারীদের হত্যা করেছে, তাদের সর্বোচ্চ বিচারের আওতায় আনা হবে।” তিনি আরও জানান, “জাতির মুক্তির জন্য প্রয়োজন পলাতক হাসিনা ও সকল হত্যাকারীদের আইনের আওতায় এনে বিচারের মাধ্যমে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করা।”

এছাড়া তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশের সংস্কারের ৩১ দফা দাবির কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্য দলের সকল নেতা-কর্মীদের সতর্ক ও সক্রিয় থাকার আহ্বান জানান।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




বরগুনা-১: আওয়ামীলীগ দুর্গ রক্ষায় মরিয়া বিএনপি ও জামায়াত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বরগুনা-১ আসনে (বরগুনা সদর-আমতলী-তালতলী) দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীরা জনসংযোগে ব্যস্ত। স্বাধীনতার পর থেকে এই আসনটি আওয়ামীলীগের দুর্গ হিসেবে পরিচিত।

নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামীলীগ প্রার্থীরা সক্রিয় না হলেও বিএনপি ও জামায়াত মনোনয়ন প্রত্যাশীরা গ্রাম, হাট ও বাজারে সভা সমাবেশ করছেন। বিএনপি দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে সাবেক সাংসদ আলহাজ্ব মো. মতিয়ার রহমান তালুকদার, অধ্যাপক অ্যাডভোকেট মজিদ মল্লিক, অ্যাডভোকেট তৌহিদুল ইসলাম গাজী, অ্যাডভোকেট খন্দকার দেলোয়ার হোসেন ও অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ তালুকদার অন্যতম। তবে মজিদ মল্লিক ও মজিদ তালুকদার ছাড়া বাকি প্রার্থীরা মাঠে গণসংযোগ করছেন।

বরগুনা সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের দুর্গ হিসেবে পরিচিত। তালতলী উপজেলা বিএনপির শক্তকেন্দ্র। আমতলী উপজেলায় আওয়ামীলীগ ও বিএনপির ভোট সমানভাবে রয়েছে, তবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দলেরও ভোট রয়েছে। জামায়াতের ভোট কম। এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৫৭ হাজার ৮৭৪।

বিএনপির জেলা আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম মোল্লা ও দলীয় নেতারা আশা করছেন, যোগ্য, দক্ষ ও জনপ্রিয় নেতাকে মনোনয়ন দিলে জয়লাভ সম্ভব হবে। তবে পায়রা নদীর দুই পাড়ে ভোটার বিভাজন এবং উপজেলা অনুযায়ী ভোটের দিক বিবেচনায় মনোনয়ন না দিলে বিএনপি বিজয় অর্জন কঠিন হবে।

তরুণ নেতা ওমর আব্দুল্লাহ শাহীন জানিয়েছেন, আওয়ামীলীগের জন্য দীর্ঘ সময় দমন-নিপীড়নের শিকার হয়েও দলের পক্ষে কাজ করেছেন। দলীয় মনোনয়ন পেলে সাংসদ নির্বাচিত হয়ে বরগুনা জেলাকে মডেল জেলায় রূপান্তর করার পরিকল্পনা রয়েছে।

নারী মনোনয়ন প্রত্যাশী আসমা আজিজ বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন ও সংগ্রামের মধ্যে দলের ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন হবে এবং আশা রাখছি মনোনয়ন পাব।

সাবেক সাংসদ মতিয়ার রহমান তালুকদার বলেন, পূর্বে আমতলী ও তালতলীতে ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন। দল থেকে মনোনয়ন পেলে নির্বাচনে জয়লাভ করে বরগুনার উন্নয়নে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫




জাতীয় নির্বাচন ঘিরে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের সঙ্গে বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক

আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী প্রস্তুতি ও প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে বিএনপি নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠক করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে উভয় পক্ষ নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি ও প্রশাসনিক ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীসালাহউদ্দিন আহমদ। সরকারের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল, এবং শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান

বিএনপি নেতারা প্রধান উপদেষ্টার কাছে দাবি জানান, অতীতের বিতর্কিত ও দলীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের নির্বাচনী দায়িত্ব থেকে বিরত রাখা হোক। তারা বলেন, নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য প্রশাসনে আস্থা পুনরুদ্ধার অত্যন্ত জরুরি।

এ প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানান, প্রশাসনের পদায়ন ও বদলি সংক্রান্ত সকল সিদ্ধান্ত সরাসরি তার তত্ত্বাবধানে হবে। তিনি বলেন,
“জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা হিসেবে আমি নিজে জেলা প্রশাসকসহ গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগে নজর রাখব। যোগ্যতা ও নিরপেক্ষতার ভিত্তিতেই কর্মকর্তারা দায়িত্ব পাবেন। নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করতে যা কিছু প্রয়োজন, আমরা তা করব।”

বৈঠকে বিএনপি নেতারা পুলিশের বদলি, নিয়োগ প্রক্রিয়া এবং মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনিক ভারসাম্য নিয়েও মতামত তুলে ধরেন। একই সঙ্গে তারা সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন স্থাপনায় ঘটে যাওয়া অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাগুলো অন্তর্ঘাতমূলক কি না, তা তদন্তের আহ্বান জানান।

বৈঠক শেষে জানা যায়, রাজনৈতিক সংলাপের ধারাবাহিকতায় বুধবার (২২ অক্টোবর) প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃবৃন্দের সঙ্গেও বৈঠক করবেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ধারাবাহিক সংলাপ আগামী জাতীয় নির্বাচনে একটি নতুন আস্থার পরিবেশ তৈরি করতে সহায়তা করবে।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহাল চেয়ে আপিল শুনানি শুরু

নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার দাবিতে দাখিল করা আপিলের শুনানি শুরু হয়েছে আজ। সোমবার (২১ অক্টোবর) সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের সাত সদস্যের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।

আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করছেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ড. শরীফ ভূঁইয়া। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

এর আগে গত ২৭ আগস্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনা করার অনুমতি দেন আপিল বিভাগ।
এর পরিপ্রেক্ষিতে সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ কয়েকজন বিশিষ্ট নাগরিক পৃথকভাবে আপিল দাখিল করেন।

১৯৯৬ সালে ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা যুক্ত হয়। তবে এ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ১৯৯৮ সালে হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করা হয়। ২০০৪ সালে হাইকোর্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাকে বৈধ ঘোষণা করে রায় দেন।
পরবর্তীতে ২০১১ সালে আপিল বিভাগ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে ত্রয়োদশ সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেন, যার মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিল হয়। এরপর একই বছর জাতীয় সংসদে পাস হয় সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী।

তবে নতুন সরকার গঠনের পর ২০২৪ সালের আগস্টে ওই রায়ের পুনর্বিবেচনা চেয়ে আবেদন করেন ড. বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচ বিশিষ্ট ব্যক্তি।
এছাড়া বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ১৬ অক্টোবর এবং জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার গত বছরের ২৩ অক্টোবর একই বিষয়ে পৃথক আবেদন করেন।
এ ছাড়া নওগাঁর রানীনগরের মুক্তিযোদ্ধা মো. মোফাজ্জল হোসেনও আপিল বিভাগের রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে আবেদন জানান।

আইনজীবীদের প্রত্যাশা, দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত এই মামলার শুনানিতে দেশের নির্বাচনকালীন সরকারব্যবস্থা বিষয়ে নতুন দিকনির্দেশনা মিলবে।


আল-আমিন




জাতীয় নাগরিক পার্টির লক্ষ্য ১৫০ আসনে জয়

আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) দৃঢ় প্রত্যয়ে ভোটের মাঠে নেমেছে। নবগঠিত এই রাজনৈতিক দলটি ৩০০ আসনের মধ্যে ১৫০ আসনে বিজয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আত্মপ্রকাশ করা এনসিপি এবার সরাসরি সরকার গঠনের লক্ষ্যেই নির্বাচনী প্রস্তুতি নিচ্ছে।

দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এক ব্রিফিংয়ে বলেন, “এনসিপি এবার ৩০০ আসনেই প্রার্থী দেবে, আমরা ১৫০ আসনে জয়ী হব—এ ব্যাপারে আমরা আত্মবিশ্বাসী।” তিনি জানান, দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নেতারা নিজ নিজ এলাকায় ইতোমধ্যে মাঠে কাজ শুরু করেছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এনসিপির এই লক্ষ্য রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে, কারণ সরকার গঠনের জন্য ১৫১টি আসনে জয়লাভের প্রয়োজন হয়। ফলে দলটির নির্ধারিত লক্ষ্য সংখ্যাগরিষ্ঠতার কাছাকাছি।

এনসিপি নেতারা জানান, তারা এখনো গণপরিষদ নির্বাচন, বিচার ও সাংবিধানিক সংস্কারসহ বিভিন্ন দাবিতে অনড় রয়েছেন। তবে নির্বাচনের সবুজ সংকেত পাওয়ার পর স্থানীয় পর্যায়ে গণসংযোগ, উঠান বৈঠক, পথসভা এবং প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।

দলের দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে সক্রিয়ভাবে প্রচারণা চালাচ্ছেন। উত্তরাঞ্চলে সারজিস আলম পঞ্চগড়ে বিভিন্ন এলাকায় দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। নোয়াখালী-৬ আসনে আব্দুল হান্নান মাসুদ গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

রাজধানী ঢাকায়ও এনসিপির তৎপরতা বেড়েছে। আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ঢাকা-১১ আসনে প্রার্থী হতে পারেন। সদস্য সচিব আখতার হোসেন রংপুর-৪ আসনে এবং মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী চাঁদপুর-৫ বা ঢাকার যে কোনো আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন। সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব ঢাকা-১৪ বা বরিশাল-৪ আসনে লড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

এছাড়া ডা. তাসনীম জারা ঢাকা-১৭, আকরাম হুসাইন ঢাকা-১৩, এস এম শাহরিয়ার ঢাকা-৫, জাবেদ রাসিন ঢাকা-৯, রাসেল আহমেদ ঢাকা-১, আবদুল্লাহ আল আমিন নারায়ণগঞ্জ, আলী নাছের খান গাজীপুর-১, সামান্তা শারমিন ভোলা-১ বা ঢাকা-৯, মাহবুব আলম মাহি লক্ষ্মীপুর-১, আশরাফ উদ্দীন মাহাদী ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২, অনিক রায় সুনামগঞ্জ-২, জয়নাল আবেদীন শিশির কুমিল্লা-১০ এবং প্রীতম দাশ মৌলভীবাজার থেকে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

এছাড়া পটুয়াখালী-২ আসনে মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন, ঝালকাঠি-১ এ আরিফুর রহমান তুহিন, টাঙ্গাইল-১ এ ড. আতিক মুজাহিদ, চট্টগ্রাম-১৬ এ মীর আরশাদুল হক, কক্সবাজারে আবু সাঈদ সুজাউদ্দীন, টাঙ্গাইল-৩ এ সাইফুল্লাহ হায়দার, গাজীপুর-৩ এ মেজর (অব.) আবদুল্লাহ মাহমুদ খান, নীলফামারী-৩ এ আবু সাঈদ লিওন, বরিশাল-৫ এ ডা. মাহমুদা মিতু, ভোলা-৪ এ আবদুল্লাহ আল মামুন ফয়সালসহ একাধিক নেতা ইতোমধ্যে মাঠে কাজ শুরু করেছেন।

চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া, সিলেট, নেত্রকোনা ও চট্টগ্রামেও এনসিপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা স্থানীয় পর্যায়ে প্রচারণায় ব্যস্ত রয়েছেন। দলটির নির্বাহী সদস্য ফাহিম রহমান খান পাঠান এবং হাসান আলীও নিজ নিজ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব বলেন, “এখনো চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। তবে প্রতিটি দলই নির্বাচনে বড় লক্ষ্য নিয়েই অংশ নেয়, আমরাও ব্যতিক্রম নই।”

দলটির শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা জানান, তারা সংগঠনের কাঠামো শক্তিশালী করার পাশাপাশি জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধিতেও কাজ করছেন, যাতে ভোটের মাঠে এনসিপি শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে জায়গা করে নিতে পারে।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ভোটে ৮ দিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের প্রস্তাব

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে নির্বাচনের আগে ও পরে মোট আট দিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের প্রস্তাব দিয়েছে বিভিন্ন বাহিনী। সোমবার (২০ অক্টোবর) নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভবনে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতিমূলক আইন-শৃঙ্খলা বৈঠকে এ প্রস্তাব আসে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন। উপস্থিত ছিলেন চার নির্বাচন কমিশনার, স্বরাষ্ট্র সচিব, ইসি সচিব এবং বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী এ বৈঠক শেষে ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানান, “আগে ভোটের আগে ও পরে মোট পাঁচ দিন বাহিনী রাখার পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু বৈঠকে আট দিন রাখার প্রস্তাব এসেছে। এটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চূড়ান্ত করা হবে।”

তিনি আরও জানান, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রধানরা ভোটের পরিবেশ নিয়ে কোনো উদ্বেগ প্রকাশ করেননি। সব বাহিনীই সুষ্ঠু নির্বাচনের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী। তবে নিরাপত্তা ব্যবস্থার চূড়ান্ত পরিকল্পনা নির্ভর করবে বাজেট বরাদ্দের ওপর, যা পরবর্তী সময়ে নির্ধারণ করা হবে।

এছাড়া নির্বাচনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অপব্যবহার রোধে বিশেষ নজরদারি থাকবে এবং ড্রোন ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হবে। পুলিশের সদস্যদের জন্য থাকবে বডিওর্ন ক্যামেরা, যাতে ভোটকেন্দ্রে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে দ্রুত শনাক্ত করা যায়।

আখতার আহমেদ বলেন, “আসন্ন নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনীর ৯০ হাজার থেকে এক লাখ সদস্য মাঠে থাকবে। আনসার বাহিনীর সদস্য থাকবে সর্বাধিক—প্রায় পাঁচ লাখ বা তারও বেশি। অন্যান্য বাহিনীর সদস্যরাও প্রয়োজন অনুযায়ী নিয়োজিত হবেন।”

তিনি আরও জানান, সশস্ত্র বাহিনী “ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার” এর অধীনে নাকি গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী নিয়োজিত হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। সংশোধিত আরপিও প্রাপ্তির পর সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।

ইসি সূত্র জানায়, আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে তফসিল ঘোষণা করা হবে। গত সংসদ নির্বাচনের মতো এবারও ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




পটুয়াখালী দুমকিতে বিএনপির বহিষ্কৃত নেতারা রাজনীতিতে সরব!

পটুয়াখালীর দুমকিতে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠন থেকে বহিষ্কৃত কয়েকজন নেতা পুনরায় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। এ ঘটনায় সাধারণ নেতা-কর্মীদের মধ্যে তীব্র সমালোচনা ও বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
গত শনিবার (১৯ অক্টোবর) পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টির সমাবেশকে স্বাগত জানাতে লেবুখালী পায়রা সেতুর টোল প্লাজায় আয়োজিত মিছিলে বহিষ্কৃত ছাএ নেতা চাকলাদার গোলাম সরোয়ার কে অংশ নিতে দেখা গেছে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন রিপন শরীফ, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য জিএম ওলিউর রহমান এবং ছাত্রদলের আহ্বায়ক গোলাম সরোয়ারকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে বিভিন্ন সময়ে বহিষ্কার করা হয়। তাঁদের রাজনৈতিক কার্যক্রমে অংশ না নেওয়ার নির্দেশনাও ছিল। কিন্তু সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁদের মিছিল-সমাবেশে অংশগ্রহণের ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে।

৫ আগস্টের পর দোকানপাটে হামলা, ভাঙচুর ও চাঁদাবাজির অভিযোগে বহিষ্কৃত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা জিএম ওলিউর রহমান সম্প্রতি বিএনপির সদস্য পদ নবায়ন করে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন, যা নিয়ে দলীয় মহলে ব্যাপক আলোচনা চলছে। অনেকে বিষয়টিকে ‘বহিষ্কার থেকে প্রমোশন’ বলেও ট্রল করছেন।
উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক পদ থেকে অব্যাহতি পাওয়া গোলাম সরোয়ারকেও লেবুখালীর মিছিলে অগ্রভাগে দেখা গেছে, যেখানে উপজেলা বিএনপির সভাপতি খলিলুর রহমান নেতৃত্ব দেন।

এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম মৃধা বলেন, মিছিলে কে আসলো তা দেখা সম্ভব নয়। তবে বহিষ্কৃতদের বিষয়ে জেলা নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কথা বলবো।

উপজেলা সভাপতি খলিলুর রহমান বলেন, বহিষ্কৃতদের রাজনৈতিক প্রোগ্রামে বক্তৃতা দেওয়ার সুযোগ নেই। কেউ সদস্য নবায়ন করে থাকলে তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংসু সরকার কুট্টি বলেন, একজন কেন্দ্রীয় নেতার আশ্রয়ে বহিস্কৃতদের নিয়ে কিছু কিছু অনিয়ম হচ্ছে স্বীকার করে বলেন, এতবড় দল, সাংগঠনিক কিছু ত্রুটি বিচ্যুতি হচ্ছে, আমরা সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ফেরানোর চেষ্টা করছি। বিষয়টি কঠর ভাবে দেখা হবে।
#######

মো: আল-আমিন, ডেক্স রিপোর্ট।



শাপলা প্রতীক বরাদ্দ সম্ভব নয় : নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আনোয়ারুল ইসলাম বলেছেন, সাংবিধানিক আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী প্রতীকের তালিকায় “শাপলা” না থাকায় এটি কোনো দলের জন্য বরাদ্দ দেওয়া সম্ভব নয়।

রোববার (১৯ অক্টোবর) সকালে সিলেট পুলিশ লাইনসে নির্বাচনকালীন দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে আয়োজিত পুলিশের দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

ইসি আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, “প্রতীক বরাদ্দ বিধিমালা অনুযায়ী তালিকাভুক্ত প্রতীক থেকেই বরাদ্দ দিতে হয়। নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান—তাই আইন মেনে কাজ করা আমাদের দায়িত্ব। আইনের বাইরে গিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ নেই। সেই কারণেই ‘শাপলা’ প্রতীক দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।”

তিনি আরও বলেন, “নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতে না হওয়ার মতো কোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি। অনেক কিছুই মিডিয়ায় প্রচারিত হচ্ছে, তবে তা নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে না। আমরা আশা করছি, রমজানের আগেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।”

নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সব বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কোনোভাবেই চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠবে না। বিতর্কিত কেউ নির্বাচনী দায়িত্বে থাকবেন না বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

এছাড়া পিআর পদ্ধতি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ইসি আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, “নির্বাচন পদ্ধতি একটি রাজনৈতিক বিষয়। সে বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না।”

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন—সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. মাসুদ রানা, সিলেট জেলা পুলিশ সুপার মো. মাহবুবুর রহমান এবং সিটিএসবি (ডিসি) আফজল হোসেন প্রমুখ।

 

আল-আমিন

 




আইনি ভিত্তি ছাড়া জুলাই সনদ জনগণের সঙ্গে প্রতারণা: নাহিদ ইসলাম

আইনি ভিত্তি না থাকলে জুলাই সনদ জনগণের সঙ্গে এক ধরনের প্রতারণা হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম

শনিবার (১৮ অক্টোবর) রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, “জুলাই সনদের স্বাক্ষর কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। এতে জনগণের চাওয়া বা আকাঙ্ক্ষার কোনো প্রতিফলন ঘটেনি। এটি বাস্তবায়নের জন্য এখনো কোনো আইনি ভিত্তি তৈরি হয়নি। তাই আইনি ভিত্তি ছাড়া এই সনদ জনগণের সঙ্গে প্রতারণা ছাড়া আর কিছুই নয়।”

তিনি আরও বলেন, “যেসব রাজনৈতিক দল জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছে তাদের প্রতি আমাদের কোনো আপত্তি নেই। তারা হয়তো আনুষ্ঠানিকতার খাতিরে এতে যুক্ত হয়েছেন। তবে আমরা দাবি জানাচ্ছি— এই সনদকে অবিলম্বে আইনি ভিত্তি দিতে হবে, যাতে জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন সত্যিকার অর্থে বাস্তবায়িত হয়।”

সংবাদ সম্মেলনে দলের অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন এবং তারা জুলাই সনদ বাস্তবায়নে আইনগত কাঠামো গড়ে তোলার আহ্বান জানান।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




জুলাই যোদ্ধাদের নিয়ে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার আশঙ্কা: সারজিস আলম

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দাবি দীর্ঘদিন উপেক্ষিত হতে থাকলে ভবিষ্যতে তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। তিনি মনে করেন, জুলাই সনদ নিয়ে সরকারের দায়সারা মনোভাব একদিন এই দেশের ইতিহাস থেকে আন্দোলনের সত্যতাকেও মুছে ফেলতে পারে।

শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে পঞ্চগড় সদর উপজেলার কামাত কাজলদিঘী ইউনিয়নের টুনিরহাট শহীদ জিয়াউর রহমান ডিগ্রি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত টুনিরহাট জুনিয়র ফুটবল একাডেমি আয়োজিত গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সারজিস আলম এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, “যেভাবে জুলাই সনদকে গুরুত্বহীন করে ফেলা হচ্ছে, তাতে আশঙ্কা করছি — একসময় দেখা যাবে, অভ্যুত্থানটাই যেন ইতিহাসে আর নেই। পরে হয়তো দেখা যাবে, যারা আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন, তাদের বিরুদ্ধেই রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করা হচ্ছে, বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে।”

এনসিপি নেতা আরও বলেন, “আমরা জুলাই সনদে স্বাক্ষর করিনি কারণ আমাদের অন্যতম দাবি ছিল সনদটির আইনগত ভিত্তি নিশ্চিত করা। কিন্তু সরকার সেই দাবিকে আমলে নেয়নি। এখন দেখা যাচ্ছে, সনদ স্বাক্ষরের অনুষ্ঠানটি পরিণত হয়েছে একটি রাজনৈতিক আনুষ্ঠানিকতায়, যেখানে আন্দোলনের মূল নায়কেরা—জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা—পেছনের সারিতেই থেকেছেন।”

তিনি আরও যোগ করেন, “অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এই দায়সারা মনোভাব আমাদেরকে হতাশ করেছে। তারা শুধু স্বাক্ষর করাকে লক্ষ্য বানিয়েছে, বাস্তবায়নের কোনো নিশ্চয়তা রাখেনি। এতে ভবিষ্যতে ইতিহাস বিকৃতি এবং মুক্তিযুদ্ধের মতোই নতুন করে আন্দোলনের ইতিহাসকে প্রশ্নবিদ্ধ করার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।”

সারজিস আলম বলেন, “যদি এইভাবে ইতিহাসের সঙ্গে ছলচাতুরি করা হয়, তাহলে আগামীতে যারা ক্ষমতায় আসবে, তারাও একই পথ অনুসরণ করবে। আমাদের সেই জায়গাটা এখনই স্পষ্ট করা দরকার—যাতে ভবিষ্যতে আর কেউ আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে না পারে।”

এ সময় তিনি সকল রাজনৈতিক দলকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান, যেন আন্দোলনের ইতিহাস ও বীর যোদ্ধাদের ত্যাগ কখনোই রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহৃত না হয়।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম