আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি-জামাত-শিবিরকে বয়কট করার আহবান: শাহজাহান খান এমপি

 

বরিশাল অফিস : বরিশাল জেলা ট্রাক মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দের সাথে বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশনের নেতৃবৃন্দের সাথে এক জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার ১৮সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টায় নগরীর সুরভী পাম্প সংলগ্ন শ্রমিক ইউনিয়নের অস্থায়ী কার্যলয়ের সভা কক্ষে। উক্ত জরুরি সভায় সভাপতিত্ব করেন বরিশাল জেলা ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি মো : আবু সাঈদ। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশন এর সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শাজাহান খান এমপি।

বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশন এর সাধারণ সম্পাদক মো : ওসমান আলী, সন্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় আঞ্চলিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো: ইউসুফ হাওলাদার, জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আজাদ
হোসেন কালাম মোল্লা।

বক্তব্য কালে প্রধান অতিথি বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশন এর সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক নৌ পরিবহন মন্ত্রী মো: শাজাহান খান এমপি বলেন মাননীয় প্রথানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকার শ্রমিকদের সার্থে সব সময় কথা বলেন। দেশের সকল শ্রমিক যেভাবে ভালো থাকবে সেই দিকনির্দেশনা দিয়ে আমাদের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তাই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জামাত শিবিরকে বয়কট করে আওয়ামী লীগের সাথে থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন সাবেক এই মন্ত্রী।

বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশন এর সাধারণ সম্পাদক মো : ওসমান আলী বলেন ট্রাক
মালিক ও শ্রমিক একটি গাছ যা একে অপরের সাথে অংগঅংঙ্গীক ভাবে জড়িত, মালিক যেমন শ্রমিক ছাড়া অচল আবার একজন শ্রমিকও মালিক ছাড়া চলতে পারে। তাই আমি বলবো সকল বিভেদ মুছে সকলে একহয়ে কাজ করতে হবে।

এতে করে সংগঠন শক্তিশালি হবে পাশাপাশি শ্রমিকরা আন্দোলন সংগ্রাম করে নিজেদের দাবি আদায়ে শক্ত ভুমিকা রাখতে পারবে। তিনি আরও বলেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ আমাদের আন্দোলনের ফসল, তাই এই আইনকে সন্মান জানিয়ে, নিজেদের পরিরের কথা চিন্তা করে এবং দুর্ঘটনা এড়াতে সাবধানে গাড়ি চালানোর অনুরোধ করেন।

অনুষ্ঠানের বক্তব্য শেষে বরিশালে চলমান দুইটি ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নকে ভেঙে শ্রম অধিদফতর আইন ও বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশন এর নীতিমালা অনুসারে সাধারণ সভার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দর উপস্থিতিতে একটি নতুন কমিটি উপহার দেয়ার লক্ষে বরিশাল জেলা ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি মো : আবু সাঈদকে আহবায়ক, কালাম মোল্লাকে ১ নং যুগ্ম আহবায়ক ও আঞ্চলিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো: ইউসুফ হাওলাদারকে সদস্য সচিব করে মোট ১১ সদস্য বিশিষ্ট একটি আহবায়ক কমিটি গঠন করে আগামী একমাসের জন্য অনুমোদন করেন বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশন সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক। জরুরি সভায় নিজেদের এবং সংগঠনের বিভিন্ন সমস্যার কথা
তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন মালিক ও শ্রমিক নেতৃবৃন্দ।




‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ বিশ্ব দরবারে সমাদৃত’

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ডেস্ক: আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন বলেন, ‘জি-২০ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অসাধারণ বক্তব্য, বিশ্ব নেতৃবৃন্দের সমীহ এবং তার প্রতি বিশ্ব নেতৃবৃন্দের অনন্য সম্মান প্রদর্শন। সব মিলিয়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ বিশ্ব দরবারে সমাদৃত, উচ্ছ্বসনে অধিষ্ঠিত।’

শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সাতকানিয়া উপজেলার ছদাহা এবং নলুয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কর্মী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আমিনুল ইসলাম আমিন বলেন, ‘শেখ হাসিনা দেশপ্রেম দিয়ে সাধারণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন বলেই বাংলাদেশ আজ নিম্ন আয়ের দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে রূপান্তরিত হয়েছে। আগামীতে একটি ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে নির্বাচনী যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করার জন্য সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘অতীতে যারা ক্ষমতায় গিয়ে জনগণের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে, দেশকে দুর্নীতির আখড়া বানিয়েছে, লুটপাট করেছে, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করেছে, এ দেশের জনগণ তাদের আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না। সামরিক বুটের তলায় গণতন্ত্রকে পিষ্ট করে ক্ষমতা দখলকারী এ সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে আগামী নির্বাচনেও এ দেশের আপামর জনতা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করবে ইন শা আল্লাহ।’

নলুয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আহমদ মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মুজাহিদ বিন আলম কায়সার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কুতুবউদ্দিন চৌধুরী, জসিম উদ্দিন, মোহাম্মদ শাহজাহান, অ্যাডভোকেট শাহরিয়ার, মুজিবুর রহমান, মোসাদ চৌধুরী, মুরাদ চৌধুরী, একেএম আসাদ, চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী, অমল দাশ মানিক, মোরশেদ দুলু, মহিলা আওয়ামী লীগের শম্পা রানী, ঝুমু, স্বেচ্ছাসেবক লীগের জায়েদ বিন কাশেম, যুবলীগের মো. মোরশেদ, ছাত্রলীগ নেতা তোফাজ্জল হোসেন তুহিন প্রমুখ।




বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে রুপান্তরিত হয়েছে: পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী

 

বরিশাল অফিস: পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক বলেছেন, বাংলাদেশকে একসময় গরীব দেশ ছিলো, বলা হতো তলাবিহীন ঝুড়ি। কিন্তু আজ বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে রুপান্তরিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে সমৃদ্ধশালী স্মার্ট বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলবেন। এই স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে হলে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, গত ১৪ বছরে দেশে নারীর ক্ষমতায়নের প্রধানমন্ত্রী কাজ করে যাচ্ছেন। আজ দেশের প্রধানমন্ত্রী নারী, স্পিকার হলেন নারী, বিরোধী দলের নেত্রী হলেন নারী, সরকারি উপনেতা হলেন নারী, সরকারি দফতরের প্রধানরা রয়েছেন নারী, সচিবরা রয়েছেন নারী এমনকি পুলিশসহ, সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী ও নৌবাহিনীতে নারীরা শীর্ষ পদে আসীন হয়েছে। এছাড়া বর্তমানে সংরক্ষিত আসনের বাহিরেও অনেকেই রয়েছেন যারা সরাসরি জনগণের ভোটে সাধারণ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। আবার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে তো নারীরাই রয়েছেন। এটা কিন্তু পর্যায়ক্রমে এগিয়ে যাচ্ছে, নারীর ক্ষমতায়নে প্রধানমন্ত্রী চেষ্টা করছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর আস্থা রাখুন, তার নেতৃত্বে যদি আপনারা (নারীরা) যদি গন্তব্যস্থলে পৌঁছাতে না পারেন, তাহলে কোন সরকারের সময় আর পারবেন না।

শনিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপু‌রে নগরীর বান্দরোডস্থ ইউরো কনভেনশন হলে বিভাগীয় পর্যায়ে অপরাজিতাদের সাথে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সংলাপ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

এসময় প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ গরীব দেশ ছিলো, এদেশের বিপুল পরিমাণের জনসংখ্যাকে সামলে নিয়ে উন্নয়নশীল দেশে নিয়ে যাওয়াটা চারটিখানেক কথা নয়। আমাদের সরকারের অনেক ভূল ধরা যাবে কিন্তু স্বীকার করতে হবে দেশ ১৪ বছর আগে যা ছিলো তার থেকে অনেক উন্নত হয়েছে। পৃথিবীর বুকে একটা উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে মাথা উঁচু করে কথা বলতে পারছি। আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। ২ বছরের করেনাকালীন সময় এবং এখন ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের কারনে কিছুটা থমকে গেলেও দেশে উন্নয়ন চলমান রয়েছে।

তিনি বলেন, নদীভাঙন কবলিত এলাকার মানুষের দুঃখ-দুর্দশা লাঘবে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আর এজন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সবসময় সচেষ্ট থাকেন। প্রতি সপ্তাহে একনেকের একটি মিটিং হয় এবং প্রতি সপ্তাহে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের একটি প্রকল্প পাশ হয়েছে। আমার সাড়ে ৪ বছরে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের কোন প্রকল্প একনেক থেকে ফেরত আসতে দেখিনি। এটা শুধু জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্ব, আর তিনি দেশের উন্নয়নের কথা চিন্তা করেন বিধায় সম্ভব হয়েছে।

বিভাগীয় অপরাজিতা নেটওয়ার্ক সভাপতি প্রফেসর শাহ সাজেদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শাহ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস, বরিশাল জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক এম এ জলিল, বরিশাল জেলা বাসদের সদস্য সচিব ডা: মনিষা চক্রবর্তী, বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপি আহবায়ক অ্যাডভোকেট কাজী এনায়েত হোসেন বাচ্চু,বরিশাল মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদিক পূস্প রানি চক্রবর্তী, বরিশাল জেলা জাসদ (ইনু)সভাপতি অ্যাডভোকেট আ. হাই মাহবুব ,পিরোজপুর মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাহিদা বারেক সহ বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলার মহিলা ও পুরুষ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

আলোচনা সভায় ২০২৫ সালের মধ্যে সকল রাজনৈতিক দলের সকল কমিটিতে ৩৩% নারী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার দাবি জানান বিভাগীয় অপরাজিতা নেটওয়ার্কের সদস্যরা।




শান্তিতে ঘুমাতে হলে নৌকায় ভোট দিতে হবে : শ ম রেজাউল করিম

 

বরিশাল অফিস: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, উন্নয়ন ও অম্প্রদায়িকতা চাইলে শেখ হাসিনার সাথে থাকতে হবে। পদ্মা সেঁতু, মেট্রো রেল, এলিভেটেট এক্সপ্রেসওয়ে শেখ হাসিনা দিয়েছেন। পূর্ণিমা, সীমা সাহা’র উপর অত্যাচারের কথা কি আপনারা ভুলে গেছেন? শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী না হলে আমাদের খবর হয়ে যাবে, জামাত-বিএনপি ঘাপটি মেরে আছে, সময়মত তারা বিষধর শাপের মত ফঁনা তুলবে, আমরা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত করেছি, যুদ্ধপরাধীদের বিচার করে ফাঁসিতে ঝুলিয়েছি, আমরা তাদের করেছি বিচার আর বিএনপি আসলে তাদের এমপি-মন্ত্রী বানাবে।

শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার দীর্ঘা ইউনিয়নের দীর্ঘা বাজার চত্বরে সাবেক চেয়ারম্যান মাষ্টার শাহ্ আলম আকনের সভাপতিত্বে ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি তিমির হালদার তুহীন এর সঞ্চালনা উন্নয়ন সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তবে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, আগামী নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দিতে হবে, এ জনপদের মানুষ উন্নয়নের পক্ষে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকলে না খেয়ে থাকতে হয় না। করোনার সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবার ঘরে-ঘরে করোনা সহায়তা পৌছে দিয়েছেন। শান্তিতে ঘুমাতে হলে নৌকায় ভোট দিতে হবে, শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হলে আমরা সবাই ভাল থাকব।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, আমি হাইব্রিড আওয়ামী লীগ নিয়ে চলি না, প্রকৃত আওয়ামী লীগ নিয়ে চলি, আমি নিয়োগে টাকা নেই না, আপনাদের দুঃসময়ের সাথী। এখানে নতুন করে আসি নাই, নির্বাচনীয় ওয়াদা আমি রক্ষা করেছি। উন্নয়ন সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কৃষকলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও ইউপি চেয়ারম্যান আতিয়ার রহমান চৌধুরী নান্নু,

জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা এ্যাড.চন্ডীচরণ পাল, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য গোপাল চন্দ্র বসু, উপজেলা কৃষকলীগের আহ্বায়ক এস এম নজরুল ইসমলাম বাবুল, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি এম খোকন কাজী, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান রঞ্জু, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. তরিকুল ইসলাম চৌধুরী তাপস প্রমূখ।




রোববার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৮তম অধিবেশনে (ইউএনজিএ) যোগ দিতে রোববার (১৭ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্ক যাবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওইদিন সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে তাকে বহনকারী বিমানের বিশেষ ফ্লাইট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করবে।

সাধারণ পরিষদের ৭৮তম অধিবেশনে ‘বিশ্বাস পুনর্গঠন এবং বৈশ্বিক সংহতি পুনর্নিমাণ: সবার জন্য শান্তি, সমৃদ্ধি, অগ্রগতি ও স্থায়িত্ব অর্জনের উদ্দেশ্যে ২০৩০ এজেন্ডা এবং এর টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রাসংক্রান্ত ত্বরান্বিত কর্মপন্থা’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিশ্বনেতারা নিউইয়র্কে জমায়েত হবেন। উচ্চ পর্যায়ের সাধারণ বিতর্ক শুরু হবে ১৯ সেপ্টেম্বর। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্ক অধিবেশনের ফাঁকে বেশ কয়েকটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক ও বিতর্কে অংশ নেবেন।

১৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। এছাড়া দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে প্রধানমন্ত্রী মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ডেনমার্ক ও শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্টসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধানদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে যোগ দিতে পারেন। সফরকালে বাংলাদেশ এবং হাঙ্গেরি, কাজাখস্তানের মধ্যে বেশ কয়েকটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী ‘এসডিজি সামিট ২০২৩’, ‘খাদ্য চিন্তা-এসডিজিগুলো তরান্বিত করতে খাদ্য সরবরাহ চেইন উদ্ভাবন সহযোগিতা’ শীর্ষক সম্মেলনে যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। তিনি ‘টুওয়ার্ডস এ ফেয়ার ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্সিয়াল আর্কিটেকচার’ শীর্ষক একটি উচ্চ পর্যায়ের গোলটেবিল বৈঠক এবং উন্নয়নের জন্য অর্থায়নের (এফএফডি) ওপর উচ্চ পর্যায়ের বিতর্কে যোগ দেবেন। কোভিড-১৯ এর কারণে যেসব দেশের বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে তা কাটিয়ে উঠতে সেসব দেশকে, তাদের টেকসই লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করবে এই উচ্চ পর্যায়ের ইভেন্টগুলো।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘের প্রধানের আমন্ত্রণে ‘ক্লাইমেট অ্যাম্বিশন সামিট’ শীর্ষক একটি উচ্চ পর্যায়ের আলোচনা এবং ‘হাই-লেভেল ব্রেকফাস্ট সামিট অন ক্লাইমেট মবিলিটি’ সহ কয়েকটি সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তনের হুমকি দূর করতে বিশ্ব নেতাদের কাছে তার পরামর্শ দেবেন। তিনি জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তার সরকারের পদক্ষেপও তুলে ধরবেন।

রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবর্তনে বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের বার্তা পুনর্ব্যক্ত করতে ‘হাই-লেভেল সাইড ইভেন্ট অন রোহিঙ্গা ক্রাইসিস’ শীর্ষক সাইডলাইন ইভেন্টের আয়োজন করা হবে। কানাডা, গাম্বিয়া, তুরস্ক, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব, মালযয়েশিয়া এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন যৌথভাবে আয়োজিত সাইড ইভেন্টে প্রধানমন্ত্রী ভাষণ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

‘কমিউনিটি ক্লিনিকের শেখ হাসিনা উদ্যোগ: মানসিক স্বাস্থ্য ও প্রতিবন্ধীসহ সর্বজনীন স্বাস্থ্য কভারেজ অর্জনে উদ্ভাবনী পদ্ধতি’, ‘মহামারি প্রতিরোধ, প্রস্তুতি ও প্রতিক্রিয়া’, সার্বজনীন স্বাস্থ্য কভারেজ সম্পর্কিত উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এসব বৈঠকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী কোভিড-১৯ মহামারির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এবং বাংলাদেশে সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে তার সরকারের ব্যাপক সাফল্য তুলে ধরবেন।

এছাড়া সফরকালে জাতিসংঘের মহাসচিব, জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার, জাতিসংঘ মহাসচিবের গণহত্যা বিষয়ক উপদেষ্টা, নবনির্বাচিত ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম) মহাপরিচালক, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মহাপরিচালক এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন। পরমাণু শক্তি সংস্থার মহাপরিচালক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।




দেশ এখন ডিজিটাল থেকে স্মার্টের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে : পটুয়াখালীতে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী

 

বরিশাল অফিস: পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অবঃ) জাহিদ ফারুক শামীম বলেন, শেখ হাসিনার সরকার উন্নয়নে বিশ্বাস করে বলেই দেশ এখন ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

শুক্রবার বিকাল ৪টার দিকে তিনি পটুয়াখালীর বাউফলের কাছিপাড়া ইউনিয়নের নদী ভাঙ্গন কবলিত গোপালীয়া এলাকায় পরিদর্শনে গিয়ে এ কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, এখন জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙ্গন রোধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। আগামীতে নৌকায় ভোট দিয়ে শেখ হাসিনা সরকার গঠনে সহযোগিতা করলে ভাঙ্গনরোধে মেগা মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।

জাতীয় সংসদের সরকারী প্রতিষ্ঠান কমিটির সভাপতি ও সাবেক চীফ হুইপ আসম ফিরোজ এমপি বলেন, শেখ হাসিনার সরকার বারবার দরকার। শেখ হাসিনা সরকার গঠন করেছেন বলে এ দেশে এত বেশী উন্নয়ন হয়েছে। যা অতিতে কোন সরকারের আমলে হয়নি। ঢাকা থেকে দক্ষিনের মানুষ যাতে সড়ক পথে সল্প সময়ে বাড়ি ফিরতে পারেন এজন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদ্মা সেতু নির্মাণ করেছেন। পায়রা সেতু নির্মাণ করেছেন।

এ ছাড়াও লেবুখালীতে শেখ হাসিনা সেনানিবাস, পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, পায়রা বন্দর, পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র, কোস্ট গার্টের দপ্তর নির্মাণ করেছেন। তাই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনার নৌকা মার্কার প্রার্থীকে ভোট দিয়ে শেখ হাসিনাকে পুনরায় সরকার গঠনে সহয়তা করবেন। তিনি বাহেরচরে উত্তর পার রগুনউদ্দিনকে ভাঙ্গনরোধের প্রকল্পের আওতায় আনা হবে বলেও আশ্বাস দেন।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক কুতুবুল আলম, পুলিশ সুপার সাইদুর রহমান, পটুয়াখালী জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আরিফ হোসেন, বাউফলের ইউএনও মোঃ বশির গাজী প্রমুখ।




প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে স্ট্যাটাস, বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার

বরিশাল অফিস:  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কটূক্তি করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ায় বরিশালের গৌরনদী পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কালাম শিকদারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) পৌরসভার উত্তর বিজয়পুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গৌরনদী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফজাল হোসেন।

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কটূক্তি করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার অভিযোগে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জুবায়ের ইসলাম সান্টু বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। মামলায় সরকারি গৌরনদী কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক কাইফি শিকদার মিমি (২৫) ও তার বাবা গৌরনদী পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কালাম শিকদার (৬০) এবং বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের অজ্ঞাতনামা ২০ থেকে ২৫ জন নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়। দ্রুতবিচার আইনে মামলাটি দায়ের করেন সান্টু। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার ২নং আসামি পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কালাম শিকদারকে গ্রেপ্তার করে।

তাকে ওইদিনই বরিশাল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।




জনগণের ভোটাধিকার নিয়ে কেউ যাতে ছিনিমিনি খেলতে না পারে সে বিষয়ে সতর্ক থাকুন : প্রধানমন্ত্রী

চন্দ্রদীপ নিউজ: প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেত্রী শেখ হাসিনা আজ জনগণের ভোটাধিকার নিয়ে যাতে কেউ ছিনিমিনি খেলতে না পারে সে বিষয়ে দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

একাদশ জাতীয় সংসদের ২৪তম অধিবেশনে সমাপনী ভাষণ দেওয়ার সময় তিনি সংসদকে বলেন, ‘জনগণের ভোটাধিকার নিয়ে যাতে কেউ ছিনিমিনি খেলতে না পারে সে বিষয়ে সতর্ক থাকুন।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোন চক্রান্তের কাছে বাংলাদেশের জনগণ মাথানত করেনি আর করবেও না। গণতান্ত্রিক ধারাটা যেন ব্যাহত করতে না পারে। আজকের বাংলাদেশ, বদলে যাওয়া বাংলাদেশ। এদেশের মানুষকে কেউ দাবায়ে রাখতে পারবে না। দেশ যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, এই অগ্রযাত্রা যেন অব্যাহত থাকে।
ডেপুটি স্পীকার এডভোকেট শামসুল হক টুকুর সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার রাতে জাতীয় সংসদের সমাপনি বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ যে বদলে গেছে, দেশের মানুষ ভালোভাবে বসবাস করছে, উন্নয়নের সুফল জনগণ ভোগ করছে-এটা কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। টানা তিন মেয়াদে সরকারের ধারাবাহিকতা ছিল বলেই আমরা দেশের এতো উন্নয়ন করতে সক্ষম হয়েছি। বাংলাদেশের এই অগ্রযাত্রা যাতে অব্যাহত থাকে সেজন্য দেশের মানুষের কাছে আহ্বান জানাই। সামনে নির্বাচন। জনগণ ভোট দিলে এখানে (সরকারি দলে) থাকবো, না দিলে ওইদিকে (বিরোধী দলে) যাব, কোন অসুবিধা নেই। তবে যতদিন আছি জনগণের কল্যাণ করে যাব। জনগণের ওপর আমরা সব ছেড়ে দিচ্ছি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, অক্টোবর মাসে আরেকটা অধিবেশন বসবে। সেটাই হবে এই সংসদের শেষ অধিবেশন। এর পরে নির্বাচন হবে।
বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অনুষ্ঠিত সব নির্বাচনই অবাধ ও সুষ্ঠু হযেছে দাবি করে সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগের আমলে এ পর্যন্ত যতগুলো নির্বাচন হয়েছে- উপ-নির্বাচন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন। প্রতিটি নির্বাচন স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হয়েছে। এর থেকে শান্তিপূর্ণ কবে হয়েছে বাংলদেশে নির্বাচন? কিংবা পৃথিবীর কোন দেশে হয়ে থাকে?
এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, অনেক দেশে নির্বাচন তো এখনো তাদের বিরোধী দল মানেইনি। এরকম তো ঘটনা আছে। তারপরও আমাদের নির্বাচন নিয়ে অনেক ছবক শুনতে হচ্ছে। আজকে যখন সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন আমরা করছি তখনই নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন করা। এর অর্থটা কী? আজ দেশ যখন অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে তখন নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন কেন?
গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আওয়ামী লীগের ভূমিকার কথা তুলে ধরে দলটির প্রধান বলেন, জনগণের ভোট ও ভাতের অধিকারের জন্য আন্দোলন করেছি আমরা। রাজপথে ছিলাম আওয়ামী লীগ। রক্ত দিয়েছি অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য। সেই শহীদের তালিকা দেখলে আওয়ামী লীগের নাম পাওয়া যাবে। সংগ্রামের মধ্যদিয়ে মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছি এটাই সব থেকে বড় কথা।
নির্বাচন নিয়ে দেশ-বিদেশে নানা সমালোচনার জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, আজকে দেখি নির্বাচন নিয়ে, নির্বাচনে স্বচ্ছতা নিয়ে সবাই স্বোচ্চার। যে সমস্ত দেশ আমাদের দেশের নির্বাচন নিয়ে কথা বলছে আর অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের কথা বলছে তাদের কাছে আমার প্রশ্ন? ’৭৫ এর পর থেকে বার বার যে নির্বাচনগুলো হয়েছিল সেই সময় তাদের এই চেতনাটা কোথায় ছিলো? জানিনা, তাদের এই বিবেক কী তখন নাড়া দেয়নি?
সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ডের খন্ডচিত্র তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আত্মসামাজিক উন্নয়নে যে কাজ করে যাচ্ছি তার সুফল তো দেশের তৃণমুলের জনগণ পাচ্ছে। আমরা যে ওয়াদা দিই সেটা আমি রাখি। আমরা রাখতে পারি। তিনি বলেন, সারা বিশ্বের অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যে যখন দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। এই অগ্রযাত্রাটা যেন অব্যাহত থাকে। বিশ্বব্যাপী বাঙালী যে মর্যাদা পেয়েছে সেই মর্যাদা অব্যাহত রেখেই আমরা এগিয়ে যাবো। আবার দেখা হবে।
বঙ্গবন্ধু হত্যা পরবর্তী দেশের পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে যে অগ্রগতি সূচনা হয়েছিল সেটাও স্থবির হয়ে গিয়েছিল। জনগণের কোন অধিকার বলে কিছু ছিল না। তাদের ভোটের অধিকার ছিল না। বেঁচে থাকাই ছিলো কষ্টকর। আমরা দেখেছি ১ কোটি ২৩ লাখ ভূযা ভোটার রেখে নির্বাচনী প্রহসন। নির্বাচনের পর ৪৮ ঘন্টা ভোটের ফল বন্ধ রেখে মনমত করে ফলাফল প্রকাশ করতে দেখেছি। তখন তাদের এই বিবেক কোথায় ছিলো? আজ তাদের মুখেই নির্বাচনের কথা শুনতে হয়।
২০০১ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসতে না পারার কারণ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, ২০০১ সালে সরকারে আসতে পারিনি। কারণটা কিছুই না। নিজের দেশের গ্যাস বিক্রি করবো না -এই সিদ্ধান্তটাই ছিল আমার ভাগ্য নিয়ে খেলা। আমি সেটা পরোয়া করিনি। কারণ, আমার কাছে বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থটাই বড়।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের সম্পদ বাংলাদেশের জনগণের কাছে থাকবে। জনগণের আর্থসামাজিক উন্নয়নে কাজে লাগবে। এটা ছিল আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। যাহোক খেসারত দিতে হয়েছে। ক্ষমতায় আসতে পারিনি। কিন্তু এরপর দেশে সন্ত্রাস, দুর্নীতি, নির্যাতন অত্যাচার ছিলো প্রতিনিয়ত ব্যাপার। এরপর ভোট চুরি। ওই ১ কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোটার দিয়ে আবার ভোট চুরির পাঁয়তারা। এই দুঃশাসনের ফলে জরুরি অবস্থা। এলো সামরিক শাসনের ছত্রছায়ায় তত্ত্বাবধায়ক সরকার। একটা দমবন্ধকর পরিস্থিতি ছিলো। তারা আমাদের ওপর অত্যাচার করলেও আমাদের প্রস্তাবিত স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স এবং ছবিসহ ভোটার তালিকাটা করেছিল। ভোটের ব্যাপারে এই নিয়মটা মেনে নিয়েছিল। আমরা ২০০৮ সালে নির্বাচনে ব্যাপকভাবে বিজয়ী হয়ে সরকারে আছি।
২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০১৪ সালের নির্বাচনে জনগণ আমাদের ভোট দেয়। তখনও নির্বাচন ঠেকাতে এই বিএনপি-জামায়াত মিলে অগ্নিসন্ত্রাস শুরু করে। জ্বালাও-পোড়াও করে ভোট কেন্দ্র পুড়িয়ে দেয়। অগ্নিসন্ত্রাসের যেন একটি মহাউৎসব শুরু করে দিয়েছিল। শত শত মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করেছে তারা। জনগণ তা মেনে নেয়নি। তা অতিক্রম করে নির্বাচন হয় আমরা আবার সরকার গঠন করি। এরপর ২০১৮ সালে নির্বাচন হয়। তারা নির্বাচনে আসে। মনে হয়ছিল তারা নির্বাচনে এসেছে ওই নমিনেশন বাণিজ্য করার জন্য। বিএনপি বাণিজ্য করে ৩০০ সিটে ৭’শ নমিনেশন দেয় এবং তাদের মধ্যে গোলমাল। এক সময় তারা নির্বাচন থেকে নিজেদেরকে প্রত্যাহার করে।
প্রধানমন্ত্রী সর্বজনীন পেনশন স্কিমে সংসদ সদস্যদের অংশগ্রহনের আহ্বান জানান। সাধারণ মানুষকে যুক্ত করতে উৎসাহিত করতে সরকার ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদেরও পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী। মূল্যস্ফীতিতে মানুষের কষ্ট হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, করোনা পরবর্তী রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, নিষেধাজ্ঞা-পাল্টা নিষেধাজ্ঞার কারণে সারাবিশ্বেই দ্রবমূল্য বেড়ে গেছে। আমাদের ওপরই সেই আঘাতটা এসেছে। মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। কিছু মানুষের অবশ্যই কষ্ট হচ্ছে। তবে জিনিসের কিন্তু অভাব নেই। উৎপাদনে কিন্তু ঘাটতি নেই। আন্তর্জাতিক অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের কিছুটা হিসাব করে চলতে হচ্ছে। আমরা কারো কাছে হাত পেতে চলবো না। বিশ্বব্যাপী খাদ্যাভাব, সেই সঙ্গে উচ্চমূল্য। আমরা যদি নিজেদের খাদ্য নিজেরা উৎপাদন বাড়াতে পারি, তাহলে নিজের চাহিদা মিটিয়ে অন্যদেশে রপ্তানি করতে পারবো।
ডেঙ্গু মশা নিয়ন্ত্রনে সবাইকে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মশা মারতে কামান দাগলে হবে না। ঘরবাড়ি পরিষ্কার রাখতে হবে। নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে হবে। সবাইকে মশারি টাঙিয়ে ঘুমাতে হবে। কোথাও পানি জমে আছে আছে কী না তা দেখতে হবে। শুধু সরকার করে দেবে? সিটি করপোরেশন করে দেবে? গালি দিতে হবে। গালি দিলে তো হবে না। তাদের কাজ তো তারা করে যাচ্ছে। নিজেদের কাজ নিজেদের করতে হবে। কে কী করে দিল না না দিলো ওই কথা বলে লাভ নেই। নিজেদের সুরক্ষার ব্যবস্থা নিজেকে করতে হবে। সেই আহ্বান জানাচ্ছি।
তিনি বলেন, পরপর তিনবার আসতে পেরেছি বলেই এই উন্নয়নটা সম্ভব হয়েছে। আগামীতে আমাদের নির্বাচন হবে। আজকে আমরা যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছি। আমরা বড় বাজেট দিয়েছি। উন্নয়ন প্রকল্পগুলো কার্যকর করে যাচ্ছি। সেখানে কৃচ্ছ্রতা সাধন করে যাচ্ছি। বাংলাদেশটা যে বদলে গেলো। মানুষ যে ভালোভাবে বসবাস করছে এটা তো বাস্তবতা। এটা তো অস্বীকার করার উপায় নেই। বাংলাদেশের এই অগ্রযাত্রা যাতে অব্যাহত থাকে সেটাই চাই। দেশবাসীর কাছে সেটুকুই আমার আহ্বান।
বিএনপির সময়ে ৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুত উৎপাদন ছিল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন আমরা ২৫ হাজার ২২৭ মেগাওয়াটে বিদ্যুত উৎপাদন করতে পারি।
মুদ্রাস্ফীতি কিছু মানুষ কষ্টে আছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জিনিসের কিন্তু অভাব নেই। উৎপাদনে ঘাটতি নেই। উৎপাদনের জন্য যা যা দরকার সেটা করছি। বাজারে গেলে কোন জিনিসের অভাব নেই, মনে হয় কৃত্রিম উপায়ে মূল্য বাড়ানো হয়, ইচ্ছে করে বাড়ানো হয়। অনেক সময় গোডাউনে রেখে দিয়ে কেউ কেউ এরকম খেলা খেলে। আবার সরকার পদক্ষেপ নিলে কমে আসে। বাণিজ্যমন্ত্রীকে বাজার মনিটরিং করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন জানিয়ে তিনি বলেন, গোয়েন্দা সংস্থাকে বলেছি বিশেষভাবে দেখার জন্য, কেন জিনিসপত্রের দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়বে? তিনি বলেন, অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি যেন না হয়ে সেই ব্যবস্থা নিয়েছি।
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মূল্যস্ফীতি কমাতে ব্যাংকের সুদের হার বাড়িয়ে দিয়েছি। ধীরে ধীরে সেটা বাড়ানো হচ্ছে। টাকা ছাপানো হচ্ছে না। অনেকেই বলছে টাকা ছাপিয়ে টাকা ছড়ানো হচ্ছে। টাকা ছাপানো একদম বন্ধ করে দিয়েছি। টাকা ছাপানো হবে না। এছাড়া আরও কিছু পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন তিনি।
ডলার সংকট দূর করার জন্য সরকারের গৃহীত কার্যক্রম তুলে ধরেন সংসদ নেতা বলেন, ডলার বিনিময় হার যাতে নমনীয় থাকে সেই পদক্ষেপ নিয়েছি। এখন ইচ্ছেমত এলসি খোলা যায় না। এখন যাচাই করে এলসি খোলা হয়। আগে যেমন ইচ্ছেমত কোনটা অতিমূল্য, কোনটা অবমূল্যায়ন করা হত। সেটার আর সুযোগ নেই। এতে হয়তো কিছু ব্যবসায়ী বিপদে পড়ে যান। সেটা সঠিক বিপদ না, টাকা পাচারের সুযোগ কমে যায়। সেই জন্য কিছু চিৎকার কিছুদিন শুনেছি।
তিনি বলেন, বাস্তব কথা হল অতিমূল্য দেখিয়ে কম মূল্যের জিনিস নিয়ে এসে, বাকি টাকা রেখে এসে একটা খেলা খেলা, সেটা কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটা বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ব্লুমবার্গের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে এলসি খোলা হচ্ছে। এতে আমদানিতে যে অতিরিক্ত ব্যয় হতো সেটা অনেকটাই কমে এসেছে। তার হিসাব কিন্তু আছে। এতে ডলার সাশ্রয় হচ্ছে। খোলা বাজারে ডলার কেনাবেচার বিষয়ে সরকার নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, নিত্যপণ্য আমদানির জন্য রিজার্ভ থেকে টাকা দিচ্ছি। দেশের মানুষের কষ্ট যেন না হয়। রিজার্ভ মানে হল তিন মাসের আমদানির খরচ যাতে থাকে। তার চেয়ে খুব বেশি প্রয়োজন আছে তাও না। জাতির পিতা যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ গড়ার কাজ শুরু করেছিলেন শূন্য রিজার্ভ দিয়ে। তখনতো একটাও রিজার্ভ ছিল না। সাড়ে তিনবছরে দেশ গড়ে তুলেছিলেন। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার সময় রিজার্ভ ১ বিলিয়ন ডলারও ছিল না। কয়েক মিলিয়ন ছিল। কাজেই এটা নিয়ে কাউকে দুশ্চিন্তা বা মাথা খারাপ করার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না। ডলারের ওপর চাপ কমাতে ভারতের সঙ্গে লেনদেনে নিজস্ব অর্থে কেনাবেচার চুক্তি করা হয়েছে। এতে ডলারের উপর চাপ কমে যাবে।
সমাপনি অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়াও বিরোধী দলের নেতা বেগম রওশন এরশাদ বক্তব্য রাখেন। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের পর সভাপতির আসনে থাকা ডেপুটি স্পিকার সংসদ অধিবেশন সমাপ্তি সংক্রান্ত রাষ্ট্রপতির আদেশ পাঠ করেন। মাত্র ৯ কার্যদিবস চলা এই অধিবেশনে গুরুত্বপূর্ণ ১৮টি বিল পাস হয়েছে। অক্টোবরে একাদশ জাতীয় সংসদের শেষ অধিবেশন বসবে।




রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দুই গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলি, নিহত ২

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :  কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সন্ত্রাসী দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে দুইজন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে উখিয়ার পালংখালী ৬নং ক্যাম্পে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- পালংখালী ৬নং ক্যাম্পের বাসিন্দা সামসু আলম (২৩) ও নুর মোহাম্মদ (১৭)।

উখিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সন্ত্রাসী দুই গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলিতে দুইজন নিহত হয়েছেন। তবে কারা- কী কারণে এ খুনের ঘটনা ঘটিয়েছেন তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে- রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে। ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশ ও এপিবিএন সদস্যরা কাজ করছেন।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সাবেক সাব মাঝি সৈয়দুল করিম নামে জানান, আরাকান সলিডারিটি অর্গানাইজেশনের (আরএসও) নেতা মৌলভী রহিমুল্লাহ ও আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) নেতা নবী হোসেন গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মূলত দুই গ্রুপের মধ্যে ক্যাম্পে ইয়াবা ব্যবসা ও প্রভাব বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছে।




দীর্ঘ ৮ বছর পর বরিশাল শেবামেক এর ছাত্রলীগের কর্মী সভা অনুষ্ঠিত

বরিশাল অফিস: সাংগঠনিক গতিশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দীর্ঘ ৮ বছর পর বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার রাত ৮ টায় মেডিকেল কলেজের ২ নং গ্যালারীতে এ কর্মী অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মী সভায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি রাশেদ ফেরদৌস আকাশ’র সভাপতিত্বে ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের উপ-অটিজম বিষয়ক সম্পাদক এবং বরিশালের কৃতি সন্তান ডাঃ রাহাত আনোয়ার’র সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সোলায়মান ইসলাম মুন্না, উপ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক সিথিমা সেন, উপ সমাজসেবা সম্পদাক রিমা আক্তার ডলি ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইরতিজা হাসান ফয়সাল প্রমুখ।

কর্মী সভায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি রাশেদ ফেরদৌস আকাশ বলেন, সারাদেশের ছাত্রলীগের কর্মিদের ঐক্যবদ্ধ করে সাংগঠনিক গতিশীলতার লক্ষ্যে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার উদ্দেশ্যে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নির্দেশনা মোতাবেক আজ বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল ছাত্রলীগের এ কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই কর্মি সভার মধ্য দিয়ে আত্মগোপনে থাকা দূনীতিবাজ তারেক রহমানের সকল সরযন্ত্রকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ লাল কার্ড দেখালো।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা’র স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মানে মেধাবী ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা অগ্রনী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। তাই কেন্দ্রিয় ছাত্রলীগের ঘোষনা অনুযায়ী দেশের ৩০টি কলেজে ছাত্রলীগের কর্মী সভার আয়োজনের মধ্যে দিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র হাতকে শক্তিশালি করতে আগামী নির্বাচনে আবারো আওয়ামী লীগকে বিজয়ী করার অঙ্গিকার করতে হবে ছাত্রলীগকে।

কর্মি সভার ২য় পর্বে উপস্থিত কেন্দ্রিয় নেতৃবৃন্দ শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের কর্মীদের বক্তব্যে শুনেন এবং অচিরে এখানে কমিটি গঠনের আস্বাস প্রদান করেন।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ১৯ অক্টোবর বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের কমিটি গঠন করা হয়েছিলো। কিন্তু ওই কমিটি নিয়ে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি মিছিলে উত্তেজনা ছড়ায় ক্যাম্পাসে। এরই পেক্ষিতে ৩১ অক্টোবর কমিটির কার্যক্রম স্থাগীত ঘোষনা করা হয়। এরপর থেকেই আর নতুন কমিটি গঠন করা হয় নি।