গণতন্ত্র নিয়ে পশ্চিমাদের লেকচার দিতে না করলেন গিনির জান্তা

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : গণতন্ত্র নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোকে লেকচার দেওয়া বন্ধ করতে বলেছেন পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গিনির জান্তা শাসক কর্নেল মামাদি ডুমবুইয়া। তার দাবি, পশ্চিমাদের চাপিয়ে দেওয়া গণতান্ত্রিক মডেল আফ্রিকার দেশগুলোতে কাজ করে না। এমনকি নিজের দেশে সামরিক হস্তক্ষেপের পক্ষেও কথা বলেন তিনি।

নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৮তম অধিবেশনে ভাষণ দেন গিনির জান্তা নেতা কর্নেল মামাদি ডুমবুইয়া। সেসময় তিনি বলেন, পশ্চিমাদের চাপিয়ে দেওয়া শাসন মডেলের কারণে আফ্রিকা মহাদেশ ভুগছে। এর ফলে আমরা আফ্রিকানরা বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারছি না।

তিনি আরো বলেন, এখন সময় এসেছে, আফ্রিকানদের উদ্দেশে লেকচার দেওয়া বন্ধ করার ও আমাদের সঙ্গে শিশুর মতো অবজ্ঞাসুলভ আচরণ না করার। ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশটির তত্কালীন প্রেসিডেন্ট আলফা কনডেকে ক্ষমতাচ্যুত করেন ও নিজে ক্ষমতা গ্রহণ করেন কর্নেল ডুমবুইয়া। জাতিসংঘের অধিবেশনে তার এ পদক্ষেপের পক্ষেও কথা বলেন তিনি। তার দাবি, গিনিকে বিশৃঙ্খলা থেকে বাঁচাতেই সামরিক অভ্যুত্থান করা হয়েছিল।

জানা যায়, দুই বছর আগে সামরিক অভ্যুত্থানের খবরে গিনির রাজধানী কোনাক্রিতে উত্তেজিত জনতা সেনাবাহিনীকে স্বাগত জানিয়েছিল। কারণ প্রেসিডেন্ট কনডেকে ক্ষমতাচ্যুত করায় অনেকেই স্বস্তি পেয়েছিল। কিন্তু আঞ্চলিক নেতারা গিনিকে বেসামরিক শাসনে ফিরে আসার আহ্বান জানায় ও সামরিক বাহিনীর দখলের কারণে আঞ্চলিক জোট ইকোওয়াসে দেশটির সদস্যপদ স্থগিত করা হয়। গত বছর কর্নেল ডুমবুইয়া ইকোওয়াসের সঙ্গে আলোচনার পর নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য একটি সময়সূচি ঘোষণা করেন। কিন্তু তার পরও দেশটিতে নির্বাচন আয়োজনের কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে গিনিসহ মালি, বুরকিনা ফাসো, নাইজার ও গ্যাবনের মতো পশ্চিম-মধ্য আফ্রিকার বেশ কয়েকটি দেশে সেনা অভ্যুত্থান ঘটেছে। আর সবগুলো অভ্যুত্থানের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইকোওয়াস, আফ্রিকান ইউনিয়ন ও জাতিসংঘ।




বাইরে থেকে নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র হলে বাংলাদেশও স্যাংশন দেবে: প্রধানমন্ত্রী

চন্দ্রদীপ নিউজ: বাইরের দেশ থেকে বাংলাদেশের নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র হলে বাংলাদেশের জনগণও তাদের স্যাংশন দেবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, বাংলাদেশিদের ওপর মার্কিন ভিসা নীতি প্রয়োগে ভয় পাওয়ার কিছু নেই।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার সঙ্গে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন।

নির্বাচন ঠেকানোর নামে বিএনপি-জামায়াতের নানা কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরে সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সব তথ্যগুলিই ভাল করে দেখান। যারা স্যাংশন দেয়, তারা ওটাও দেখবে, একদফা দেখবে না। শুরুটা কারা করল, সেটা আগে দেখতে হবে। দেখে পরে স্যাংশন দেবে। আর যদি আওয়ামী লীগকে টার্গেট করে থাকেম তাহলে আমার কিছু বলার নেই।

মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা এটা বলছে, তাদের দেশের নির্বাচন নিয়েও তো সমস্যা আছে। আমরা তো দেখতে পারছি, তারা তাদের বিরোধী দলের সঙ্গে কি করছে। আমরা তো তাও করিনি।

কারো শক্তিতে বিশ্বাস করে ক্ষমতায় আসিনি উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা সরকারে এসেছি জনগণের ভোটে, কেউ আমাদের হাতে তুলে দেয়নি। কাজেই নির্বাচন স্বচ্ছ, অবাধ হোক- সেটা আমরাই চাই। আজকের নিষেজ্ঞার কথা বিরোধী দলসহই বলা হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, জনগণের ক্ষমতার বদলে যদি কেউ অন্য কোনো পন্থায় ক্ষমতায় আসতে চায়, তাহলে তাদের সাজা পেতে হবে। অবৈধভাবে ক্ষমতা নেবার কোন সুযোগ নেই। আমরা গণতান্ত্রিক ধারা এনেছি, সেটা অব্যাহত থাকবে। কে ভবিষ্যতে আওয়ামী লীগের হাল ধরবে সেটা ঠিক করে দেবে দেশের জনগণ ও দল আওয়ামী লীগ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংবিধানের আলোকে গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হবে। এ সময় গুজবে কান না দিতে প্রবাসীদের প্রতি আহ্বান তিনি।




সরকার মার্কিন ভিসা বিধিনিষেধ আরোপ নিয়ে চিন্তিত নয় : শাহরিয়ার আলম

চন্দ্রদীপ ডেস্ক: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বিধিনিষেধ নিয়ে সরকার চিন্তিত নয়। কারণ ওয়াশিংটন গণতান্ত্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়াকে ক্ষুন্ন করার জন্য দায়ী বা জড়িত থাকা বাংলাদেশী ব্যক্তিদের উপর এটি প্রয়োগ শুরু করেছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ঘোষণার কয়েক ঘন্টা পর শুক্রবার রাতে গুলশানে তার বাসভবনে এক ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিদের বলেন, “আমাদরে হারানোর কিছু নেই, আমরা এটা নিয়ে চিন্তিত নই কেননা কারণ আমরা কিছু ভুল করছি না।

তিনি অবশ্য বিষয়টিকে “একটি সুখকর অভিজ্ঞতা নয়” বলে অভিহিত করে বলেছেন “এর মধ্য দিয়েই আমাদের যেতে হবে।’

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার আজ একটি বিবৃতিতে বলেছেন, ‘এই ব্যক্তিদের মধ্যে আইন প্রয়োগকারী সদস্য, ক্ষমতাসীন ও বিরোধী রাজনৈতিক দলের সদস্যরা এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসবে।’
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন সৃষ্টিকারী দায়ী ব্যক্তি বা এতে জড়িত বাংলাদেশিদের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপের পদক্ষেপ নিচ্ছে।

আলম বলনে, ওয়াশিংটন নতুন ভিসা নীতির অধীনে তাদের সিদ্ধান্তের বিষয়ে ঢাকাকে অবহিত করেছে। বাংলাদেশের লক্ষ্য অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠান এবং তার প্রতি সমর্থনের লক্ষে যুক্তরাষ্ট্র এটা করছে।
বাংলাদেশের নির্বাচনের পর এ নীতি বাস্তবায়নের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঢাকা যোগাযোগ করেছিল কিনা জানতে চাইলে আলম নেতিবাচক জবাবে বলেন, ঢাকা কখনোই ওয়াশিংটনের কাছে এ ধরনের কোনো অনুরোধ জানায়নি।
তিনি বলেন, ‘এর আগে কিছু রাজনৈতিক দল এটা প্রতিষ্ঠা করার চেস্টা করেছিল যে, মার্কিন ভিসা বিধি নিষেধ কেবলমাত্র সরকারী দলের ওপর আরোপ করা হবে। কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আজ স্পস্ট করেছে যে, নতুন নীতিটি সক্ষমতাসীন ও বিরোধী উভয় রাজনৈতিক দলের জন্যই প্রযোজ্য।’
আলম বলেন, সরকারের প্রত্যাশা মার্কিন সরকার সঠিক তথ্য ও পরিসংখ্যান যথাযথভাবে পর্যালোচনা করে নতুন ভিসা নিষেধাজ্ঞা নীতি বাস্তবায়ন করবে ।
তিনি বলেন, “যদি দেখা যায় যে কোনো বিশেষ ব্যক্তির উপর ভিসা বিধিনিষেধ আরোপের জন্য আমাদের (সরকারি) কাজ সম্পাদনে সমস্যা হচ্ছে, তবে ঢাকা এ ধরনের বিষয় নিয়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনা করবে।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, কতজন ব্যক্তি ভিসা নীতির আওতায় এসেছে ওয়াশিংটন সে বিষয়ে ঢাকাকে একটা ধারণা দিয়েছে এবং “আমি আপনাকে কী বলতে পারি খুবই সংখ্যাটি কম।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের বিশ্বাস আগামী নির্বাচন বানচালে জড়িত থাকায় বিএনপি-জামায়াতের কর্মীরা যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিষেধাজ্ঞার ক্ষেত্রে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।
তিনি বলেন, বিদ্যমান সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী একটি অবাধ সুষ্ঠু ও সহিংসতামুক্ত নির্বাচন করতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন চলতি বছরের মে মাসে তার দেশের ‘অভিবাসন ও জাতীয়তা আইন’-এর ২১২(এ)(৩)(সি) (“৩সি”) ধারার অধীনে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের লক্ষ্যকে সহায়তার লক্ষ্যে নতুন এ ভিসা নীতি ঘোষণা করেন।
মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র জানায়, এর মধ্যে বর্তমান ও সাবেক বাংলাদেশি কর্মকর্তা, বিরোধী ও ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের সদস্য, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, বিচার বিভাগ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যারা রয়েছেন।

তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনে বিঘ্নসৃষ্টিকারী ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের সদস্যরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অযোগ্য বলে বিবেচিত হতে পারেন।




জাতিসংঘে দেওয়া ভাষণে মানবাধিকার রক্ষায় অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর

চন্দ্রদীপ নিউজ: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দায়িত্বশীল রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ জনগণের মানবাধিকার রক্ষায় অঙ্গীকারবদ্ধ। এ দেশ সংবিধানের আলোকে গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে যাবে। তিনি বলেন, জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের নির্বাচিত সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্বের আপামর জনগণের মানবাধিকার সংরক্ষণে সদস্যদেশগুলোর সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে সাধারণ পরিষদের ৭৮তম অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বরাবরের মতো বাংলায় দেওয়া এই ভাষণে তিনি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন, যুদ্ধ ও নিষেধাজ্ঞা পরিহার, জরুরি অবস্থা মোকাবিলার জন্য আঞ্চলিক খাদ্য ব্যাংক চালু, জলবায়ু পরিবর্তন, মানবাধিকার, নারীর ক্ষমতায়ন, স্বাস্থ্যসেবা, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি), সন্ত্রাসবাদ এবং সরকারের অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং অন্যান্য বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক সমস্যার কথা তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের সংবিধান সবার মৌলিক মানবাধিকারের নিশ্চয়তা দিয়েছে। সবাইকে আইনি সুরক্ষা দেওয়া ও সুবিচার নিশ্চিত করতে গত এক দশকে বাংলাদেশের আইনি ব্যবস্থার তাৎপর্যপূর্ণ সংশোধন করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আজ এই অধিবেশনে আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে ঘোষণা করতে চাই, বাংলাদেশ সংবিধানের আলোকে গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে যাবে।’

প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে রোহিঙ্গা সংকটের দিকে মনোযোগ দেওয়ার জন্য বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের দীর্ঘায়িত উপস্থিতি বাংলাদেশের অর্থনীতি, পরিবেশ, নিরাপত্তা এবং সামাজিক-রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলেছে। প্রত্যাবাসন নিয়ে অনিশ্চয়তা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক হতাশার জন্ম দিয়েছে। এই পরিস্থিতি সম্ভাব্য মৌলবাদকে ইন্ধন দিতে পারে। তিনি বলেন, ‘এই অবস্থা চলমান থাকলে এটি আমাদের আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাকে প্রভাবিত করতে পারে।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গারা তাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে ফিরে যেতে চায় এবং সেখানে তারা শান্তিপূর্ণ জীবনযাপন করতে আগ্রহী। আসুন এই নিঃস্ব মানুষের জন্য তাদের নিজের দেশে ফিরে যাওয়া নিশ্চিত করি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি নিজে নিপীড়িত এবং যুদ্ধ ও হত্যার নৃশংসতার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে যুদ্ধ, হত্যা, অভ্যুত্থান ও সংঘাতের ভয়াবহতার কারণে মানুষ যে বেদনা ও যন্ত্রণা সহ্য করে, তা অনুভব করতে পারি। তাই বিশ্বনেতাদের কাছে আবেদন, যুদ্ধ, নিষেধাজ্ঞা ও সংঘাতের পথ পরিহার করে আসুন, আমাদের জনগণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য স্থায়ী শান্তি, মানবজাতির কল্যাণ এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য সম্মিলিতভাবে কাজ করি।




বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি প্রত্যাশী জাহিদুল ইসলাম নয়ন

 

বাবুগঞ্জ প্রতিনিধি : দীর্ঘ ২০ বছর পর বাবুগঞ্জ ছাত্রলীগের আহবায়ক কমিটি অনুমোদনের পর গুঞ্জন উঠেছে আওয়ামী যুবলীগের বাবুগঞ্জ উপজেলার নতুন কমিটি গঠন নিয়ে। শীর্ঘই যুবলীগের বাবুগঞ্জ উপজেলা কমিটি অনুমোদনের গুঞ্জনে পদ প্রত্যাশীরা লবিং তদ্বির শুরু করেছে। কেউ কেউ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দলের পিছনে নিজেদের শ্রম ও ত্যাগের কথা প্রচার করছেন।
এদিকে শুক্রবার আওয়ামী সরকারের উন্নয়ন সম্বলিত লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে আসছে বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি প্রার্থী হিসেবে নিজের অবস্থান আনুষ্ঠানিক ভাবে জানান দিয়েছেন জাহিদুল ইসলাম নয়ন। এই দিন বিকালে অর্ধশতাধীক মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা নিয়ে উপজেলার রহমতপুর, মাধবপাশা ইউনিয়নের একাধিক হাট বাজারে প্রচারণা চালান তিনি ।

এর আগে তিনি বাবুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এসএম খালেদ হোসেন স্বপন ও সাধারণ সম্পাদক মৃধা মুহাম্মদ আক্তার উজ জামান মিলন এর দোয়া নিয়ে এ প্রাচারনায় নামেন।
জাহিদুল ইসলাম নয়ন বাবুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের অর্থ বিষায়ক সম্পাদক হিসাবে দীর্ঘ ২০ বছর দায়িত্ব পালন করেন। তিনি রহমতপুর ইউনিয়ন পরিষদের ১ নং ওয়ার্ডের একাধিকবার নির্বাচিত মেম্বার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

জানাযায়, জাহিদুল ইসলাম নয়ন ছাত্র রাজনীতির শুরু থেকে দক্ষিণ বাংলার আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক অভিভাবক আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর পরিবারের রাজনীতির সাথে জড়িত রয়েছেন।




নেতাকে হাতুরি পেটা , গুরুতর আহত

বরিশাল অফিস: বরিশাল জেলার গৌরনদী পৌর যুবদলের আহ্বায়ক ও সরকারি গৌরনদী কলেজ ছাত্রসংসদের সাবেক এজিএস জাকির হোসেন বাচ্চু সিকদারকে (৪২) হাতুরি পেটা করে এক হাত ও দুই পা ভেঙ্গে দেয়া হয়েছে। মুমূর্ষ অবস্থায় বুধবার দিবাগত মধ্যরাতে আহত যুবদল নেতাকে বরিশাল নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে আহত যুবদল নেতা অভিযোগ করে বলেন, বুধবার সন্ধ্যায় পৌর কাঁচা বাজারে বসে গৌরনদী পৌর যুবলীগের ১৫/২০ জন নেতাকমীরা লাঠিসোটা ও হাতুড়ি নিয়ে অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা আমাকে (বাচ্চু) হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে বাম হাত ও দুই পা ভেঙ্গে, গোটা শরীর থেতলে দেয়। যুবদল নেতার স্ত্রী খাদিজা খানম অভিযোগ করে বলেন, গত চার মাস পূর্বেও একবার হামলা চালিয়ে বাচ্চুর একটি পা ভেঙ্গে দিয়েছিল যুব ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

বরিশাল গৌরনদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আফজাল হোসেন বলেন, হামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




পটুয়াখালী-৪ আসনে প্রার্থী হতে চান অ্যাডভোকেট সোহাগ

বরিশাল অফিস : পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনে আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন চিত্রতুলে ধরে গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে মতবিনিময় করেছেন যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট  ড. শামীম আল সাইফুল সোহাগ।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় কলাপাড়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। গত ১৪ বছরে এই আসনে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরেঅ্যাড. ড. শামীম আল সাইফুল সোহাগ বলেন, দেশের সবচেয়ে বড় বড় মেগা প্রকল্প চলমান রয়েছে কলাপাড়ায়। পায়রাবন্দর, কুয়াকাটা, পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র, শের ই বাংলা নৌ-ঘাটি, সাবমেরিন ল্যান্ডিং ষ্টেশন ও অনেক গুরুত্বপুর্ন সকল রাষ্ট্রীয় স্থাপনা গুলো এই আসনের মধ্যে থাকার কারণে আসনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, ২০২৪ সালে ১২তম জাতীয় সংসদ নিবাচনকে ঘিরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা দলীয় মনোনয়নের ক্ষেত্রে গুনগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তুলনামুলক নবীন, সৎ ও জনপ্রিয় প্রার্থীকে দলের মনোনয়নের ক্ষেত্রে প্রাধান্য দিবে। সেই আলোকে ওই আসনে আমি একজন প্রার্থী। তিনি বলেন, গত ২৫ বছর ধরে সকল দূর্যোগ, মহামারিতে সাধ্যমত জনগনের পাশে ছিলাম ও আছি। বিশেষ করে যতগুলো ঘূর্ণিঝড়, প্লাবন এই কলাপাড়া, রাঙ্গাবালী ও মহিপুরে হয়েছে প্রত্যেকটিতে আমি আমার সাধ্যমত এই অঞ্চলের লোকজনের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি।নিরাচনে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছি।

পটুয়াখালী-৪ নির্বাচনীয এলাকায় সকল দলীয় কর্মকাণ্ডে নিজেকে শতভাগ নিয়োজিত রেখেছি। কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাড. ড. শামীম আল সাইফুল সোহাগ বলেন, আগামী নিরাচনে এই আসনে তাকে মনোনয়ন দেয়া হলে সকল উন্নয়ন কর্মকান্ডেরে ধারাবাহিকতা থাকবে এবং দেশ ও মানুষের পক্ষে কাজে নিজেকে নিয়োজিত রাখবেন বলে অঙ্গীকার করেন। মতবিনিময় সভায় কলাপাড়া উপজেলা যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও দলীয় বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীর উপস্থিত ছিলেন।




পটুয়াখালী-২ আসন : জাতীয় নির্বাচনে আ.লীগে প্রতিদ্বন্দ্বি, বিএনপিতে গুঞ্জন

 

বরিশাল অফিস: আগামী সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পটুয়াখালী বাউফল আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ও কর্মী-সমর্থকরা ইতোমধ্যে তৎপরতা শুরু করেছেন। বিশেষ করে সরকারি দল আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশীরা তাদের দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়ে দিয়েছেন। বিরোধী দল বিএনপি ও অন্য রাজনৈতিক দলের এখনো এ নির্বাচন ঘিরে তেমন কোনো আগ্রহ দেখা না গেলেও এ আসনে দলগুলোর প্রার্থীর ছড়াছড়ি দেখা যাচ্ছে। থেমে নেই মনোনয়নপ্রত্যাশীদের তৎপরতা।

১৯৭৯ সাল থেকে টানা ৪০ বছরে সাত বার আ. লীগ থেকে মনোনয়ন পেয়ে এমপি হয়েছিলেন আসম ফিরোজ। সাগর কন্যা খ্যাত পটুয়াখালীর এ আসন টি অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ আসনটি ১৫টি ইউনিয়ন, ও ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত । যার মোট ভোটার রয়েছেন ২ লাখ ৯৩ হাজার ৩৯৫ জন। এর মধ্যে নারী ভোটারের সংখ্যা ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩৫৩ জন। পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ১ লাখ ৫০ হাজার ৪১ জন । তবে হালনাগাদ ভোটার তালিকা প্রকাশ হলে মোট ভোটারের সংখ্যা আরো সাড়ে ৪ থেকে ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে।

জানা যায়, ১৯৭৩ সালে দেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আ. লীগের আব্দুল আজিজ খন্দকার এ আসন থেকে সাংসদ নির্বাচিত হন।

‘৭৯ সালে দ্বিতীয় সংসদ নির্বাচনে রিক্সা প্রতিক নিয়ে আসম ফিরোজ ‘৮৬ সালে তৃতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ এর আসম ফিরোজ, আওয়ামী সরকারের এ তিন মেয়াদ নিয়ে সাত বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন আসম ফিরোজ। ২০০১ সালে ৮ম সংসদ নির্বাচনে বিএনপি সরকার গঠন করলে এ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন বিএনপি সহিদুল আলম তালুকদার। এ আসনটিতে আ. লীগের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব দীর্ঘকালের।গত দুই দশকে দলের অভ্যন্ত্মরে হানাহানি, সংঘাত, রক্তপাতে নিহত হয়েছেন একাধিক দলীয় কর্মী।

বিএনপির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব থাকলেও তা সহিংসতায় রূপ নেয়নি কখনো। অভিযোগ রয়েছে এই আসনের আওয়ামী লীগ এর বর্তমান এমপি আসম ফিরোজ দীর্ঘদিন একক নেতৃত্বের কারনে দল কে ব্যাক্তিগত লীগ, ও পরিবার লীগে পরিনত করেছে। হাতে গোনা কয়েকজন নেতাকর্মী দিয়ে দল পরিচালনা করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ বানিজ্য দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে তেমন যোগাযোগ না থাকা, সারা দেশে উন্নয়নের গনজোয়ার থাকলে ও এই উপজেলায় তেমন কোন দৃস্টি নন্দন কর্মকান্ড না হওয়ায় এতে করে সাধারণ জনগণ ও দলীয় নেতাকর্মীরা হতাশ হয়েছেন।

বিগত উপজেলা আওয়ামীলীগের কাউন্সিলের দলের ত্যাগী নেতাদের স্হান না হওয়া এবং কিছু হাইব্রিড মাইম্যান দলের গুরুত্বপূর্ণ স্হানে জায়গা হওয়ায় দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ২০১২ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত এই আসনে এর প্রমাণ ও মিলেছে। তবে এই আসনে অন্য দলের থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা খুব শক্তিশালী প্রার্থী বারবার প্রমাণ মিলেছে ভোটের ময়দানে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। বারবারের বিজয়ের ইমেজকে কাজে লাগিয়ে কঠিন লড়াইয়ে অবতীর্ণ হবেন এই আসনের আওয়ামীলীগের প্রার্থী যিনি আসবেন।

এবার এ আসনে আ. লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী রয়েছেন কয়েকজন। তারা হচ্ছেন বর্তমান সংসদ সদস্য আসম ফিরোজ, সাবেক কৃষক লীগের সাধারন সম্পাদক, সামসুল হক রেজা, উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক আব্দুল মোতালেব হাওলাদার, পটুয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক, জিয়াউল হক জুয়েল। এভিআর গ্রুপ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান হাসিব আলম তালুকদার, মার্কেনটাইল ব্যাংক ভাইস চেয়ারম্যান, ফিরোজ আলম।

বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন কেন্দ্রিয় বিএনপির সহ দপ্তর সম্পাদক, মুনির হোসেন, সাবেক সংসদ সদস্য শহিদুল আলম তালুকদার, সাবেক উপজেলা বিএনপির সভাপতি, ইন্জিনিয়ার ফারুক আহম্মেদ। এ ছাড়াও যোটে রয়েছেন জামায়েত ইসলামি ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সাধারন সম্পাদক ড: শফিকুল ইসলাম মাসুদ

এ আসনটি বরাবরই আ. লীগের আসন হিসেবে পরিচিত। আ. লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা দাবি করেন নৌকা প্রতীক যে পাবেন তিনিই নির্বাচিত হবেন। অপরদিকে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীরা মনে করেন আ. লীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের সুযোগে তারা এ আসনটি দখল করে নিতে পারবেন। এই আসনের বর্তমান এমপি উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আসম ফিরোজ তিনিও দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী।

আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন খুবেই চ্যালেঞ্জিং হবে বলে নির্বাচন বিশ্লেষকদের ধারণা। এ ছাড়াও আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগের প্রার্থী হিসেবে এখন থেকেই যাদের নাম শোনা যাচ্ছে সর্বত্র মহলে তারা হলেনঃ উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারন সম্পাদক আব্দুল মোতালেব হাওলাদার, এক সময় উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন, এরপর যুবলীগের সভাপতি হয়েছেন। উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য থেকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এরপর তিনবার দলের সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন। বর্তমানে দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। নিজ এলাকা বগা ইউনিয়ন পরিষদে তিনি তিনবার চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি বর্তমানে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

জেলা আওয়ামীলীগ যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক, ও পৌরসভার মেয়র জিয়াউল হক জুয়েল, তিনি ২০১২ সালের পৌর নির্বাচনে মেয়র নির্বাচিত হন।এর পর থেকেই আওয়ামী লীগ এর একটা বড় অংশ নিয়ে উপজেলা রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছেন এরপর ২০২০ সালে দ্বিতীয়বা তিনি বিনাপ্রতিদ্ন্দ্বিতায় মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তার সমর্থকরা বলছেন মেয়র জিয়াউল হক জুয়েল এলাকাবাসীর কাছে ক্লিন ইমেজের হিসেবে সমাদৃত। দল তাকে মনোনয়ন দিলে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে নির্বাচিত হয়ে মানুষের কল্যাণে কাজ করবেন।

হাসীব আলম তালুকদারের বাবা স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় ২০০৮ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে স্বাধীনতা পদক প্রদান করেন তার পরিবারের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে হাসিব আলম তালুকদার এলাকায় জনকল্যাণমূলক কাজ করে যাচ্ছেন। শীতবস্ত্র বিতরণ, দুস্থ মানুষকে সহায়তা, মসজিদ, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অবকাঠামো উন্নয়েন আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন। বাউফলের রাজনীতিতে তিনি নতুন মুখ। তিনি পটুয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগ এর সাধারন সদস্য, প্রধানমন্ত্রী পরিবারের আস্থাভাজন ও তার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি নৌকার মনোনয়ন পাবেন বলে আশাবাদী তার কর্মী সমর্থকেরা।অ্যাডভোকেট খন্দকার শামসুল হক রেজার বাবা মরহুম আবদুল আজিজ খোন্দকার এ আসনে থেকে এমপি নির্বাচিত হন। বাবার আদর্শকে লালন করে খোন্দকার শামসুল হক রেজা রাজনীতিতে আসেন। ২০১২ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত কেন্দ্রীয় কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান ফিরোজ আলমের বাবা আবদুল গফুর মিয়া বাউফল আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। তিনি বাবার পরিচয় কে কাজে লাগিয়ে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন চাইবেন।

এদিকে বিএনপি নেতা মুনির হোসেন কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে বেগম জিয়া ও তারেক রহমানের কাছে পরিচিত মুখ হলেও এলাকার রাজনীতিতে তিনি সক্রিয় ছিলেন না। মাঝে মধ্যে এলাকায় এসে তার কিছু অনুসারী নিয়ে ঘোরাফেরা করেছেন। মুনির হোসেনের বাবা পটুয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক। তিনি চাইছেন, তার ছেলে এলাকার রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠিত হোক এবং বিএনপির মনোনয়ন তার ছেলেকে দেওয়া হোক।

শহিদুল আলম তালুকদার ১৯৯৬ সালে বিএনপির মনোনয়ন পান। ওই নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগ প্রার্থীর কাছে মাত্র ২৬ ভোটে পরাজিত হন। তার কারণেই এ আসনে বিএনপির নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে পেরেছে। এরপর ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাকে পুনরায় বিএনপি থেকে মনোনয়ন দেয়া হয়। এ নির্বাচনে তিনি বিজয়ী হয়ে সংসদ সদস্য হন। আইনি জটিলতার কারণে ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি অযোগ্য বিবেচিত হলে তার পরিবর্তে বিএনপি থেকে ইঞ্জিনিয়ার ফারুক তালুকদারকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

তিনি আওয়ামী লীগ প্রার্থী আ স ম ফিরোজের কাছে পরাজিত হন। ২০১৮ সালে বিএনপির সাবেক এমপি সহিদুল আলম তালুকদারের স্ত্রী সালমা আলম লিলিকে বিএনপি থেকে মনোনয়ন দেওয়া হলে তিনিও পরাজিত হন।এ ছাড়াও বাউফল উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ডেল্টা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ফারুক তালুকদার মনোনয়ন চাইবেন বলে জানা গেছে। ফারুক তালুকদার বাউফল বিএনপির দুর্দিনের কান্ডারি হিসেবে নেতাকর্মীর মাঝে পরিচিত। বিগত নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগ প্রার্থী আ স ম ফিরোজের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ৫৬ হাজার ভোট পান।

বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিলে তিনিও মনোনয়ন চাইতে পারেন।এ আসন থেকে জামায়েতে ইসলামের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক, জামায়াতে ইসলামের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সদস্য সাবেক কেন্দ্রীয় সাবেক ছাত্র শিবির সভাপতি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ মনোনয়ন চাইবেন। বিএনপির সঙ্গে জামায়াতের আসন ভাগাভাগি হলে এ আসনে তার মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি বলে তার অনুসারীদের দাবি। বিরোধী দল জাতীয় পার্টির মনোনয়নপ্রত্যাশীরাও এলাকায় কাজ করছেন।এলাকার সচেতন ভোটারদের মতে, শেষ পর্যন্ত বিএনপি নির্বাচনে না এলে আওয়ামী লীগ প্রার্থী যাকেই করা হবে, সেই বিপুল ভোটে বিজয়ী হবে। তবে বিএনপি যদি নির্বাচনে অংশ নেয় তবে আওয়ামী লীগ মনোনয়ন প্রার্থীর সঙ্গে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে।




চলমান উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকার বিকল্প নেই -পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী

 

বরিশাল অফিস : পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বরিশাল জেলা শাখার সহ-সভাপতি কর্নেল (অবঃ) জাহিদ ফারুক শামীম এমপি বলেছেন, একসময় দক্ষিণাঞ্চলের বরিশাল নদীবেষ্টিত হওয়ায় গ্রাম হিসেবে পরিচিত ছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টানা তিনবার সরকার গঠন করে এই সাড়ে ১৪ বছর ধরে দেশে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। তাঁর কারণেই দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের জীবনমান পাল্টে গেছে। দক্ষিণাঞ্চলে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করেদিয়েছে দৃশ্যমান উন্নয়ন মূলক কাজের মাধ্যমে।

বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। তার সুদৃঢ় নেতৃত্বে উন্নয়নের সবগুলো সূচক অর্জিত হওয়ার কারণে বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই স্বল্প উন্নত দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে। তাই বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ ও মুক্তিযুদ্ধের প্রশ্নে কখনো আপস করা যাবে না। আর দেশের অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি অব্যাহত রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

বরিশাল সদর উপজেলাধীন চরমোনাই ইউনিয়নের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচি আওতায় ভাতাভোগীদের সাথে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় ও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীম বলেন, আজ থেকে সাড়ে ১৪ বছর আগে এই অঞ্চলের চিত্র এমন ছিলো না। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বদৌলতে এই অঞ্চলের যোগাযোগ, কৃষি ও অর্থনীতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। দক্ষিণাঞ্চল দেশের কৃষিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করছে। এই অঞ্চলে বাম্পার ফল হচ্ছে। এর পরিমাণ আরও বেড়ে যাবে।

পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, সারাদেশে স্থায়ী প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে বাংলাদেশের মানুষ অনেকাংশে জলাবদ্ধতা ও নদী ভাঙন থেকে রক্ষা পাবে। প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ভাঙন রোধে স্থায়ী প্রকল্প করা হচ্ছে। উপকূল অঞ্চলে প্রতিটি বাঁধ প্রশস্ত ও উঁচু করা হচ্ছে, বনায়ন করা হচ্ছে। আর এসব স্থায়ী প্রকল্পে নদী খনন বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে এবং তা রক্ষণাবেক্ষণের জন্য জনবলও বাড়ানো হয়েছে। কাজের গুনমান ঠিক রেখে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই সম্পন্ন করতে হবে। কাজের ব্যাপারে কোনো ধরনের গাফিলতি সহ্য করা হবে না।

তিনি আরো বলেন, সারা বিশ্ব বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রশংসা করছে, সেখানে বিএনপি কুৎসা রটাচ্ছে। তারা নির্বাচনকে ভয় পায়। নিশ্চিত পরাজয়ের ভয়ে তারা দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করে পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় আসার স্বপ্ন বিভোর। একারণে তারা ২০১৪ সালের মতো আবারও পেট্টোল বোমা মেরে মানুষ হত্যা করতে দ্বিধা করছে না। এব্যাপারে জনগণকে সচেতন থাকতে হবে।বরিশাল সদর আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে এরআগে ৫ বার নির্বাচিত হয়ে টানা ২৫ বছর থেকেও দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হয়নি৷ এখানকার জনগন টানা ২৫ বছর সংসদ সদস্য কে তাদের এলাকায় একবারের জন্য দেখেই নি।কিন্তু তিনি মাত্র সাড়ে চার বছরের সময়ে বরিশাল সদর আসনের ১০ টি ইউনিয়নের প্রায় প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে শুরু করে বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন সময় এসে এখানকার রাস্তাঘাট, ব্রিজ নির্মান করা সহ এ আসনের উন্নয়ন মূলক কাজ করে এখানকার জনগনের জীবনমান পাল্টে দিতে সক্ষম হয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, আপনারা আপনাদের স্বার্থের কথা চিন্তা করে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যারা যে সরকার আপনাদের ভাগ্য পরিবর্তনে সহায়তা প্রদান করেছে, বিভিন্ন সরকারি ভাতা প্রদান করে আপনাদের জীবন যাপনে সহায়তা প্রদান করেছে তাদের কেই পুনরায় ক্ষমতায় আনতে নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে। আপনারা আপনাদের এবং আপনার এলাকা ও দেশের জনগণের উন্নয়নের স্বার্থে আওয়ামী লীগ সরকার ছাড়া বিকল্প নেই। যদি আপনারা দৃশ্যমান উন্নয়ন মূলক কাজ দেখেও অন্যদের প্ররোচনায় পড়ে আপনাদের সিদ্ধান্ত নিতে ভুল করেন তাহলে বর্তমান সরকার আপনাদের সকলের জন্য যে সকল ভাতা প্রদান করে আসছে তারা তা বন্ধ করে দিবে। আওয়ামী লীগ সরকার একমাত্র জনগণের পাশে থেকে তাদের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।

১৯ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর বরিশাল এর বাস্তবায়নে বরিশাল জেলার সদর উপজেলাধীন চরমোনাই ইউনিয়নে সাহেবের হাট থেকে তুলাতলা হাট সড়কের রক্ষণাবেক্ষণ কাজের ভিত্তি প্রস্তরের স্থাপন করেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও বরিশাল সদর ৫ আসনের সংসদ সদস্য কর্নেল (অবঃ) জাহিদ ফারুক শামীম।

এরপর চরমোনাই ইউনিয়ন পরিষদের কমপ্লেক্স ভবনের নির্মান কাজের উদ্বোধন করে বরিশাল সদর উপজেলাধীন চরমোনাই ইউনিয়নের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচি আওতায় ভাতাভোগীদের সাথে মতবিনিময় ও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পসমূহের অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বরিশাল সদর উপজেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃমনিরুজ্জামান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বরিশাল জেলা শাখার সহ-সভাপতি কর্নেল (অবঃ) জাহিদ ফারুক শামীম এমপি।

এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বরিশাল মহানগর শাখার সহ-সভাপতি এ্যাডঃআফজালুল করীম,বরিশাল সদর উপজেলার চাঁদপুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এইচ এম জাহিদ, চরমোনাই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আহবায়ক নুরুল ইসলাম, চরমোনাই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মির্জা আনোয়ার হোসেন খান,সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন মুন্সি, চন্দমোহন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম মতিউর রহমান, বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগ এর সাবেক সভাপতি মোঃজসিম উদ্দিন, বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি জোবায়ের আব্দুল্লাহ জিন্নাহ, বরিশাল সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ ছাত্রলীগ এর সভাপতি রেজাউল ইসলাম বাপ্পি, সাধারণ সম্পাদক মোঃমাহিদুর রহমান মাহাদ, বরিশাল সদর উপজেলা ছাত্রলীগ এর সাংগঠনিক সম্পাদক কে এম মেহেদী হাসান বাপ্পি, চরমোনাই ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি হিমেল, সহ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের মধ্যেই পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীম এমপি ভাতাভোগী এবং অনুষ্ঠানে উপস্থিত সহস্রাধীক স্থানীয় ইউনিয়ন বাসীদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে তাদের সাথে কথা বলে তাদের বিভিন্ন বিষয় শুনে তাৎক্ষনিক ভাবে ব্যবস্থা গ্রহন করেন।

এরপর অনুষ্ঠানের শেষে দুপুর দেড়টায় বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের বিশ্বাসের হাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের উদ্বোধন করে চরমোনাই ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের উর্ধমূখী সম্প্রসারণ কৃত চারতলা ভিত একাডেমিক নতুন ভবনের উদ্বোধন করেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী। এসময় স্কুলের শিক্ষক শিক্ষার্থী সহ ম্যানেজিং কমিটির নেতৃবৃন্দ ও অভিভাবকবৃন্দের সাথে শিক্ষার্থীরা পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী কে স্বাদরে সম্ভাষণ জানিয়ে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানায়।

এরপর বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের পশুরীকাঠি চাঁদের হাট বাজার সংলগ্নে শেখ রাসেল স্মৃতি সংসদ ভবনের উদ্বোধন করেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বরিশাল জেলা শাখার সহ-সভাপতি কর্নেল (অবঃ) জাহিদ ফারুক শামীম এমপি।




পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে ছাত্রলীগের দুই কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা

 

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালি: মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণা করা হয়েছে।

বুধবার( ২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক তানবির হাসান আরিফ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। একই বিজ্ঞপ্তিতে সুবিদখালি সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের কমিটির বিলুপ্ত ঘোষণা করেছেন জেলা ছাত্রলীগ।

জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মেদোত্তীর্ণ হওয়ায় দুটি কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। শীঘ্রই নতুন কমিটি হবে। এজন্য আগ্রহীদের কাছ থেকে জীবন বৃত্তান্ত নেওয়া হচ্ছে।
ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে,নতুন কমিটির জন্য জীবন বৃত্তান্ত আহবান করা হচ্ছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশীদের আগামী সাত দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ জীবন বৃত্তান্ত পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের দলীয় কার্যালয়ে জমা দিতে বলা হয়েছে।