নাসীরুদ্দীনের পদত্যাগ গুঞ্জন উড়িয়ে দিলো এনসিপি

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জানিয়েছে, দলের মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর পদত্যাগ বা অব্যাহতির বিষয়টি সঠিক নয়। দল নিশ্চিত করেছে, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এখনও সক্রিয়ভাবে দলের সঙ্গে রয়েছেন এবং গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) দিবাগত রাত ২টার দিকে এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব (দপ্তর) সালেহ উদ্দিন সিফাত পাঠানো বার্তায় জানানো হয়, নাসীরুদ্দীন সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনে পার্টির নিবন্ধন সংক্রান্ত কাজে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন উইংয়ের তদারকি করছেন। তাই তার পদত্যাগ বা দলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ার বিষয়টি ভিত্তিহীন।

দলের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া পদত্যাগ সংক্রান্ত গুঞ্জন সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং দলের কার্যক্রমে তিনি নিয়মিতভাবে অংশ নিচ্ছেন। দল আশা করছে, বিষয়টি সঠিকভাবে জনগণের কাছে পৌঁছে দেবে এবং অযথা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করবে না।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




বিএম কলেজে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবিতে প্রশাসনিক ভবনে তালা

বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন কলেজে (বিএম কলেজ) দীর্ঘ ২৪ বছর পর ছাত্র সংসদ (বাকসু) নির্বাচনের দাবিতে শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ করেছেন।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা এ কর্মসূচি পালন করেন।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা জানান, ছাত্র সংসদ নির্বাচন না হওয়ায় কলেজে শিক্ষার্থীদের নানা সমস্যা ও দাবি-দাওয়ার প্রতিফলন ঘটছে না। তাঁরা বলেন, “আমরা গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পেতে চাই। যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন দিতে হবে, নইলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।”

শিক্ষার্থীরা আরও অভিযোগ করেন, নির্বাচনের দাবিতে গত এক মাস ধরে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হলেও প্রশাসন তা আমলে নিচ্ছে না। ফলে বাধ্য হয়ে আজ তাঁরা প্রশাসনিক ভবনে তালা দিয়েছেন।

একজন আন্দোলনকারী ছাত্র বলেন, “৩২ হাজার শিক্ষার্থীর এই প্রতিষ্ঠানে কোনো প্রতিনিধিত্ব নেই। ছাত্র সংসদ থাকলে শিক্ষার্থীদের পক্ষে দাবি আদায় ও সমস্যার সমাধান করা যেত। কিন্তু এত বছরেও নির্বাচন না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত।”

এ বিষয়ে বিএম কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. শেখ মো. তাজুল ইসলাম বলেন, “ছাত্র সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে। শিক্ষকদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। ছাত্র প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনার পর নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করা হবে।”


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫




রাশিয়ার তেল কেনা স্থগিত করল চীন

চন্দ্রদ্বীপ ডেক্স :চীনের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানিগুলো রুশ তেল কেনা স্থগিত করেছে । রাশিয়ার প্রধান দুটি তেল কোম্পানি রসনেফট ও লুকঅয়েলের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার পর চীন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে  আজ বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এই পদক্ষেপ এসেছে এমন সময়, যখন রাশিয়ার সর্ববৃহৎ ক্রেতা ভারতও রুশ তেল আমদানি কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইউক্রেন ইস্যুতে মস্কোর বিরুদ্ধে নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞার সঙ্গে তাল মেলাতে ভারতীয় শোধনাগারগুলো এই পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে।

রাশিয়ার দুই বৃহত্তম ক্রেতা—চীন ও ভারতের তেলের চাহিদা হঠাৎ কমে গেলে মস্কোর আয়ে বড় ধাক্কা লাগবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পাশাপাশি, বিশ্বের বড় আমদানিকারক দেশগুলো বিকল্প জ্বালানি উৎস খুঁজতে বাধ্য হবে, যা বৈশ্বিক তেলের দাম বাড়িয়ে দিতে পারে।

চীনের চারটি রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি—পেট্রোচায়না, সিনোপেক, সিএনওওসি এবং ঝেনহুয়া অয়েল সাময়িকভাবে সমুদ্রপথে রুশ তেল কেনা থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, কারণ তারা মার্কিন নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের ঝুঁকিতে পড়তে চায় না বলে জানিয়েছে সূত্রগুলো।

তবে এ ব্যাপারে এই কোম্পানিগুলোর কেউই এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

চীন প্রতিদিন প্রায় ১৪ লাখ ব্যারেল রুশ তেল সমুদ্রপথে আমদানি করে, যার বেশির ভাগই স্বাধীন রিফাইনারি বা ‘টি-পট’ নামে পরিচিত ছোট প্রতিষ্ঠানগুলো কেনে। রাষ্ট্রীয় কোম্পানিগুলোর ক্রয়ের পরিমাণ নিয়ে বিভিন্ন অনুমান রয়েছে।

জ্বালানি বাজার ডেটা বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান ভরটেক্স অ্যানালিটিকস জানিয়েছে, ২০২৫ সালের প্রথম নয় মাসে রাশিয়া থেকে চীনের রাষ্ট্রীয় কোম্পানিগুলোর গড় আমদানির পরিমাণ ছিল প্রতিদিন ২ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেলের নিচে। অন্যদিকে জ্বালানি বাজার ডেটা বিশ্লেষণকারী আরেক প্রতিষ্ঠান এনার্জি অ্যাসপেক্টস জানায়, এই সংখ্যা প্রায় ৫ লাখ ব্যারেল।

সংশ্লিষ্ট দুটি বাণিজ্যিক সূত্র জানিয়েছে, সিনোপেকের বাণিজ্যিক শাখা ইউনিপেক গত সপ্তাহেই রুশ তেল কেনা বন্ধ করে দেয়, যখন ব্রিটেন রসনেফট ও লুকঅয়েলসহ কিছু চীনা কোম্পানির ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

সূত্রগুলোর মতে, রসনেফট ও লুকঅয়েল সাধারণত তাদের তেল সরাসরি বিক্রি না করে মধ্যস্বত্বভোগী বা মধ্যস্থ প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে চীনে রপ্তানি করে থাকে। অন্যদিকে, চীনের স্বাধীন শোধনাগারগুলো (টি-পট) নিষেধাজ্ঞার প্রভাব পর্যবেক্ষণ করতে আপাতত রুশ তেল কেনা স্থগিত রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে পরিস্থিতি পরিষ্কার হলে তারা রুশ তেল কেনা চালিয়ে যেতে পারে, বলে জানিয়েছেন বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ী।

 




দেশ গড়তে শুধু নেতা নয়, নীতি বদলাতে হবে: মাসুদ সাঈদী

পিরোজপুর-১ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এমপি পদপ্রার্থী ও জিয়ানগর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মাসুদ সাঈদী বলেছেন, দেশের উন্নয়ন ও মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য শুধু নেতৃত্ব পরিবর্তন যথেষ্ট নয়, নীতিরও মৌলিক পরিবর্তন প্রয়োজন। তিনি বলেন, “নেতৃত্ব যদি পরিবর্তন হয় কিন্তু নীতি-আদর্শ, চিন্তাভাবনা ও দৃষ্টিভঙ্গি আগের মতোই থাকে— তবে দেশের মানুষের ভাগ্য কখনোই বদলাবে না। আমাদের প্রয়োজন এমন নীতি, যা জনগণের স্বার্থে নিবেদিত, দুর্নীতি ও বৈষম্যমুক্ত, এবং ন্যায়বিচার ও মানবিক মূল্যবোধে প্রতিষ্ঠিত।”

তিনি বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) পিরোজপুর সদর উপজেলার শিকদার মল্লিক ইউনিয়নের চালিতাখালীতে আয়োজিত এক মতনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মাসুদ সাঈদী বলেন, গত ১৫ বছর ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ড আমাদের প্রোগ্রাম বাধাগ্রস্ত করেছে। কোরআনের প্রোগ্রাম এবং রমজানের ইফতারের আয়োজন করতে দেওয়া হয়নি; ছাত্র-ছাত্রীদের উপর হামলাও হয়েছে। বর্তমানে দেখা যাচ্ছে, আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে কিছু দলের কর্মকাণ্ড মিলে যাচ্ছে, ফলে জনগণের থেকে তারা বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে। সাধারণ মানুষ ফ্যাসিবাদ পছন্দ করে না।

তিনি আরও বলেন, একজন ভালো নেতা তখনই সফল হন, যখন তিনি ভালো নীতির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। ইতিহাস প্রমাণ করে— যেখানে নীতি সঠিক, সেখানে নেতৃত্ব স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক হয়; যেখানে নীতি বিকৃত, সেখানে নেতৃত্বও দুর্নীতিগ্রস্ত ও স্বৈরাচারী হয়।

মাসুদ সাঈদী বলেন, “আজ আমাদের সমাজে সবচেয়ে বড় ঘাটতি নেতৃত্বের নয়, নীতির। নতুন বাংলাদেশ গড়তে হলে প্রথম কাজ হওয়া উচিত নীতির পরিবর্তন। দেশের প্রকৃত উন্নয়ন মানুষের চিন্তা, চরিত্র ও রাষ্ট্র পরিচালনায় নীতি-নৈতিকতার বিকাশে নিহিত।”

তিনি সমাবেশে শ্লোগান দেন—
“চাও যদি উন্নত ও ন্যায়ভিত্তিক দেশ, তবে প্রথমে বদলাও নীতি— তাহলেই বদলাবে বাংলাদেশ।”

সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পিরোজপুর জেলা শাখার নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুর রব। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।

এর আগে সকাল থেকে মাসুদ সাঈদী পিরোজপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেন, মাদ্রাসা ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানে প্রবেশপথ পরিদর্শন করেন এবং বেকুটিয়া ব্রিজ সংলগ্ন সমাজসেবক ও মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে কুশল বিনিময় করেন।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




গণভোট ছাড়া নির্বাচন নয়, সরাসরি দাবি ডা. তাহেরের

জাতীয় নির্বাচনের পূর্বেই গণভোট আয়োজনের দাবিতে সরব হয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের। তিনি বলেছেন, “গণভোটের বিষয়টি নিয়ে আমরা কোনো জটিলতা চাই না, সরলভাবে বলতে চাই—জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট হতেই হবে।”

বুধবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. তাহের জানান, জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধি দল প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বেশ কিছু সময় ধরে বৈঠক করে দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, নির্বাচন কমিশন সংস্কার ও প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা নিয়ে আলোচনা করেছে। আলোচনায় ৮০টিরও বেশি বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে বলেও তিনি জানান।

তিনি বলেন, “আমরা চাই জুলাই সনদকে সাংবিধানিক মর্যাদা দিতে সরকার একটি বিশেষ আদেশ জারি করুক। তবে এই ঘোষণাটি যেন প্রেসিডেন্টের মাধ্যমে নয়, প্রধান উপদেষ্টার মাধ্যমেই দেওয়া হয়। কারণ, বর্তমান প্রেসিডেন্টের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নিয়ে জনগণের মধ্যে সন্দেহ রয়েছে।”

জামায়াতের এই নেতা আরও বলেন, “বিএনপি শুরুতে গণভোটের ব্যাপারে অনীহা দেখালেও জনমতের চাপে তারা রাজি হয়েছে। কিন্তু এখন তারা একদিনে গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তাব দিচ্ছে, যা সাংবিধানিক ও বাস্তবিকভাবে অযৌক্তিক। গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন দুটি সম্পূর্ণ আলাদা প্রক্রিয়া। গণভোটে জনগণ দেশের কাঠামোগত সংস্কারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবে, আর জাতীয় নির্বাচনে জনগণ সরকার নির্বাচন করবে। তাই আগে গণভোট হতে হবে, তারপর নির্বাচন।”

তিনি আরও বলেন, “নভেম্বরের শেষ দিকে গণভোট আয়োজন সম্ভব। এরপর আড়াই মাস সময় থাকবে জাতীয় নির্বাচনের জন্য। এতে সময় বা ব্যয়ের কোনো সমস্যা হবে না, বরং এটি দেশের গণতন্ত্রকে সুদৃঢ় করবে।”

ডা. তাহের অভিযোগ করে বলেন, “বর্তমানে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীতে একক দলের প্রভাব স্পষ্ট। প্রায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ কর্মকর্তা একটি রাজনৈতিক দলের সমর্থক হিসেবে কাজ করছেন। এটি পরিবর্তন না হলে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়।”

তিনি প্রধান উপদেষ্টাকে আহ্বান জানান প্রশাসন, সচিবালয়, পুলিশ ও নির্বাচন কমিশনে লটারি পদ্ধতিতে নিরপেক্ষ কর্মকর্তাদের দায়িত্ব বণ্টনের ব্যবস্থা করতে।

এ সময় তিনি আরও বলেন, “নোয়াখালীতে ছাত্রশিবিরের কুরআন প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে বিএনপি হামলা চালিয়েছে। নির্বাচনের আগে এমন পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। আমরা বিষয়টি প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি।”

বৈঠকে জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম মাসুম, রফিকুল ইসলাম খান ও হামিদুর রহমান আযাদ।

ডা. তাহের বলেন, “আমরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই, জনগণের অংশগ্রহণমূলক গণভোটের মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে দিন। কারণ, জনগণই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের মালিক।”


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




গৌরনদী-আগৈলঝাড়ার মানুষের জন্য স্বপনের অমলীন নেতৃত্ব

গৌরনদী ও আগৈলঝাড়ার মানুষের নেতৃত্ব ও স্বপ্নের প্রতীক এম জহির উদ্দিন স্বপন দীর্ঘদিন ধরে তার রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংগঠনিক দায়িত্বের মাধ্যমে এলাকার মানুষকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। তিনি বরিশাল-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা এবং বিএনপির মিডিয়া সেলের আহবায়ক।

সদর উপজেলার শরিকল গ্রামে জন্মগ্রহণ করা স্বপন ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী হিসেবে বরিশাল-১ আসন থেকে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি পুনরায় একই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রীর সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। বিএনপির মিডিয়া সেল, কমিউনিকেশন সেল এবং বাংলাদেশ ন্যাশনালিষ্ট রিসার্চ অ্যান্ড কমিউনিকেশন (বিএনআরসি)-এর পরিচালক হিসেবে দায়িত্বে থাকা স্বপন দলের নির্দেশনা অনুসারে তার নির্বাচনী এলাকা গৌরনদী ও আগৈলঝাড়ার নেতা কর্মীদের সুসংগঠিত রাখতে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

স্বপন বলেন, “ঐতিহাসিক ৫ আগস্টের ঘটনাসহ স্বাধীন বাংলাদেশে কোন ফ্যাসিবাদী কার্যক্রম গ্রহণযোগ্য হবে না। ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে হামলা চালিয়ে যারা সাধারণ মানুষ ও আন্দোলনকারীদের হত্যা করেছে, তাদের সর্বোচ্চ বিচারের আওতায় আনা হবে।” তিনি আরও জানান, “জাতির মুক্তির জন্য প্রয়োজন পলাতক হাসিনা ও সকল হত্যাকারীদের আইনের আওতায় এনে বিচারের মাধ্যমে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করা।”

এছাড়া তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশের সংস্কারের ৩১ দফা দাবির কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্য দলের সকল নেতা-কর্মীদের সতর্ক ও সক্রিয় থাকার আহ্বান জানান।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




বরগুনা-১: আওয়ামীলীগ দুর্গ রক্ষায় মরিয়া বিএনপি ও জামায়াত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বরগুনা-১ আসনে (বরগুনা সদর-আমতলী-তালতলী) দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীরা জনসংযোগে ব্যস্ত। স্বাধীনতার পর থেকে এই আসনটি আওয়ামীলীগের দুর্গ হিসেবে পরিচিত।

নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামীলীগ প্রার্থীরা সক্রিয় না হলেও বিএনপি ও জামায়াত মনোনয়ন প্রত্যাশীরা গ্রাম, হাট ও বাজারে সভা সমাবেশ করছেন। বিএনপি দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে সাবেক সাংসদ আলহাজ্ব মো. মতিয়ার রহমান তালুকদার, অধ্যাপক অ্যাডভোকেট মজিদ মল্লিক, অ্যাডভোকেট তৌহিদুল ইসলাম গাজী, অ্যাডভোকেট খন্দকার দেলোয়ার হোসেন ও অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ তালুকদার অন্যতম। তবে মজিদ মল্লিক ও মজিদ তালুকদার ছাড়া বাকি প্রার্থীরা মাঠে গণসংযোগ করছেন।

বরগুনা সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের দুর্গ হিসেবে পরিচিত। তালতলী উপজেলা বিএনপির শক্তকেন্দ্র। আমতলী উপজেলায় আওয়ামীলীগ ও বিএনপির ভোট সমানভাবে রয়েছে, তবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দলেরও ভোট রয়েছে। জামায়াতের ভোট কম। এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৫৭ হাজার ৮৭৪।

বিএনপির জেলা আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম মোল্লা ও দলীয় নেতারা আশা করছেন, যোগ্য, দক্ষ ও জনপ্রিয় নেতাকে মনোনয়ন দিলে জয়লাভ সম্ভব হবে। তবে পায়রা নদীর দুই পাড়ে ভোটার বিভাজন এবং উপজেলা অনুযায়ী ভোটের দিক বিবেচনায় মনোনয়ন না দিলে বিএনপি বিজয় অর্জন কঠিন হবে।

তরুণ নেতা ওমর আব্দুল্লাহ শাহীন জানিয়েছেন, আওয়ামীলীগের জন্য দীর্ঘ সময় দমন-নিপীড়নের শিকার হয়েও দলের পক্ষে কাজ করেছেন। দলীয় মনোনয়ন পেলে সাংসদ নির্বাচিত হয়ে বরগুনা জেলাকে মডেল জেলায় রূপান্তর করার পরিকল্পনা রয়েছে।

নারী মনোনয়ন প্রত্যাশী আসমা আজিজ বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন ও সংগ্রামের মধ্যে দলের ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন হবে এবং আশা রাখছি মনোনয়ন পাব।

সাবেক সাংসদ মতিয়ার রহমান তালুকদার বলেন, পূর্বে আমতলী ও তালতলীতে ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন। দল থেকে মনোনয়ন পেলে নির্বাচনে জয়লাভ করে বরগুনার উন্নয়নে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫




জাতীয় নির্বাচন ঘিরে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের সঙ্গে বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক

আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী প্রস্তুতি ও প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে বিএনপি নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠক করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে উভয় পক্ষ নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি ও প্রশাসনিক ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীসালাহউদ্দিন আহমদ। সরকারের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল, এবং শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান

বিএনপি নেতারা প্রধান উপদেষ্টার কাছে দাবি জানান, অতীতের বিতর্কিত ও দলীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের নির্বাচনী দায়িত্ব থেকে বিরত রাখা হোক। তারা বলেন, নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য প্রশাসনে আস্থা পুনরুদ্ধার অত্যন্ত জরুরি।

এ প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানান, প্রশাসনের পদায়ন ও বদলি সংক্রান্ত সকল সিদ্ধান্ত সরাসরি তার তত্ত্বাবধানে হবে। তিনি বলেন,
“জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা হিসেবে আমি নিজে জেলা প্রশাসকসহ গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগে নজর রাখব। যোগ্যতা ও নিরপেক্ষতার ভিত্তিতেই কর্মকর্তারা দায়িত্ব পাবেন। নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করতে যা কিছু প্রয়োজন, আমরা তা করব।”

বৈঠকে বিএনপি নেতারা পুলিশের বদলি, নিয়োগ প্রক্রিয়া এবং মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনিক ভারসাম্য নিয়েও মতামত তুলে ধরেন। একই সঙ্গে তারা সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন স্থাপনায় ঘটে যাওয়া অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাগুলো অন্তর্ঘাতমূলক কি না, তা তদন্তের আহ্বান জানান।

বৈঠক শেষে জানা যায়, রাজনৈতিক সংলাপের ধারাবাহিকতায় বুধবার (২২ অক্টোবর) প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃবৃন্দের সঙ্গেও বৈঠক করবেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ধারাবাহিক সংলাপ আগামী জাতীয় নির্বাচনে একটি নতুন আস্থার পরিবেশ তৈরি করতে সহায়তা করবে।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহাল চেয়ে আপিল শুনানি শুরু

নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার দাবিতে দাখিল করা আপিলের শুনানি শুরু হয়েছে আজ। সোমবার (২১ অক্টোবর) সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের সাত সদস্যের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।

আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করছেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ড. শরীফ ভূঁইয়া। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

এর আগে গত ২৭ আগস্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনা করার অনুমতি দেন আপিল বিভাগ।
এর পরিপ্রেক্ষিতে সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ কয়েকজন বিশিষ্ট নাগরিক পৃথকভাবে আপিল দাখিল করেন।

১৯৯৬ সালে ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা যুক্ত হয়। তবে এ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ১৯৯৮ সালে হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করা হয়। ২০০৪ সালে হাইকোর্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাকে বৈধ ঘোষণা করে রায় দেন।
পরবর্তীতে ২০১১ সালে আপিল বিভাগ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে ত্রয়োদশ সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেন, যার মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিল হয়। এরপর একই বছর জাতীয় সংসদে পাস হয় সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী।

তবে নতুন সরকার গঠনের পর ২০২৪ সালের আগস্টে ওই রায়ের পুনর্বিবেচনা চেয়ে আবেদন করেন ড. বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচ বিশিষ্ট ব্যক্তি।
এছাড়া বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ১৬ অক্টোবর এবং জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার গত বছরের ২৩ অক্টোবর একই বিষয়ে পৃথক আবেদন করেন।
এ ছাড়া নওগাঁর রানীনগরের মুক্তিযোদ্ধা মো. মোফাজ্জল হোসেনও আপিল বিভাগের রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে আবেদন জানান।

আইনজীবীদের প্রত্যাশা, দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত এই মামলার শুনানিতে দেশের নির্বাচনকালীন সরকারব্যবস্থা বিষয়ে নতুন দিকনির্দেশনা মিলবে।


আল-আমিন




জাতীয় নাগরিক পার্টির লক্ষ্য ১৫০ আসনে জয়

আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) দৃঢ় প্রত্যয়ে ভোটের মাঠে নেমেছে। নবগঠিত এই রাজনৈতিক দলটি ৩০০ আসনের মধ্যে ১৫০ আসনে বিজয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আত্মপ্রকাশ করা এনসিপি এবার সরাসরি সরকার গঠনের লক্ষ্যেই নির্বাচনী প্রস্তুতি নিচ্ছে।

দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এক ব্রিফিংয়ে বলেন, “এনসিপি এবার ৩০০ আসনেই প্রার্থী দেবে, আমরা ১৫০ আসনে জয়ী হব—এ ব্যাপারে আমরা আত্মবিশ্বাসী।” তিনি জানান, দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নেতারা নিজ নিজ এলাকায় ইতোমধ্যে মাঠে কাজ শুরু করেছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এনসিপির এই লক্ষ্য রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে, কারণ সরকার গঠনের জন্য ১৫১টি আসনে জয়লাভের প্রয়োজন হয়। ফলে দলটির নির্ধারিত লক্ষ্য সংখ্যাগরিষ্ঠতার কাছাকাছি।

এনসিপি নেতারা জানান, তারা এখনো গণপরিষদ নির্বাচন, বিচার ও সাংবিধানিক সংস্কারসহ বিভিন্ন দাবিতে অনড় রয়েছেন। তবে নির্বাচনের সবুজ সংকেত পাওয়ার পর স্থানীয় পর্যায়ে গণসংযোগ, উঠান বৈঠক, পথসভা এবং প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।

দলের দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে সক্রিয়ভাবে প্রচারণা চালাচ্ছেন। উত্তরাঞ্চলে সারজিস আলম পঞ্চগড়ে বিভিন্ন এলাকায় দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। নোয়াখালী-৬ আসনে আব্দুল হান্নান মাসুদ গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

রাজধানী ঢাকায়ও এনসিপির তৎপরতা বেড়েছে। আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ঢাকা-১১ আসনে প্রার্থী হতে পারেন। সদস্য সচিব আখতার হোসেন রংপুর-৪ আসনে এবং মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী চাঁদপুর-৫ বা ঢাকার যে কোনো আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন। সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব ঢাকা-১৪ বা বরিশাল-৪ আসনে লড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

এছাড়া ডা. তাসনীম জারা ঢাকা-১৭, আকরাম হুসাইন ঢাকা-১৩, এস এম শাহরিয়ার ঢাকা-৫, জাবেদ রাসিন ঢাকা-৯, রাসেল আহমেদ ঢাকা-১, আবদুল্লাহ আল আমিন নারায়ণগঞ্জ, আলী নাছের খান গাজীপুর-১, সামান্তা শারমিন ভোলা-১ বা ঢাকা-৯, মাহবুব আলম মাহি লক্ষ্মীপুর-১, আশরাফ উদ্দীন মাহাদী ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২, অনিক রায় সুনামগঞ্জ-২, জয়নাল আবেদীন শিশির কুমিল্লা-১০ এবং প্রীতম দাশ মৌলভীবাজার থেকে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

এছাড়া পটুয়াখালী-২ আসনে মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন, ঝালকাঠি-১ এ আরিফুর রহমান তুহিন, টাঙ্গাইল-১ এ ড. আতিক মুজাহিদ, চট্টগ্রাম-১৬ এ মীর আরশাদুল হক, কক্সবাজারে আবু সাঈদ সুজাউদ্দীন, টাঙ্গাইল-৩ এ সাইফুল্লাহ হায়দার, গাজীপুর-৩ এ মেজর (অব.) আবদুল্লাহ মাহমুদ খান, নীলফামারী-৩ এ আবু সাঈদ লিওন, বরিশাল-৫ এ ডা. মাহমুদা মিতু, ভোলা-৪ এ আবদুল্লাহ আল মামুন ফয়সালসহ একাধিক নেতা ইতোমধ্যে মাঠে কাজ শুরু করেছেন।

চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া, সিলেট, নেত্রকোনা ও চট্টগ্রামেও এনসিপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা স্থানীয় পর্যায়ে প্রচারণায় ব্যস্ত রয়েছেন। দলটির নির্বাহী সদস্য ফাহিম রহমান খান পাঠান এবং হাসান আলীও নিজ নিজ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব বলেন, “এখনো চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। তবে প্রতিটি দলই নির্বাচনে বড় লক্ষ্য নিয়েই অংশ নেয়, আমরাও ব্যতিক্রম নই।”

দলটির শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা জানান, তারা সংগঠনের কাঠামো শক্তিশালী করার পাশাপাশি জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধিতেও কাজ করছেন, যাতে ভোটের মাঠে এনসিপি শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে জায়গা করে নিতে পারে।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম