ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহেজানা যাবে ভোটের দিনক্ষন

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ : জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস বুধবার,(২৯ অক্টোবর ২০২৫) যমুনায় প্রথম সমন্বয় সভা করেছেন। সেখানে তিনি বলেছেন, ‘নির্বাচন বানচালে ভেতর থেকে, বাইরে থেকে অনেক শক্তি কাজ করবে। ছোটখাটো নয়, বড় শক্তির কাছ থেকে আক্রমণ চলে আসতে পারে। এই নির্বাচন চ্যালেঞ্জিং হবে। যত ঝড় আসুক না কেন, আমাদের সেটা অতিক্রম করতে হবে।’

সভা শেষে বিকেলে ঢাকার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলন করে সভার আলোচ্য বিষয়গুলো জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

নির্বাচনের নির্দিষ্ট তারিখ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কিনা, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে প্রেস সচিব বলেছেন, ‘নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে বলেছে যে তারা ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে তারিখ জানাবে।’

অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধানের হঠাৎ আক্রমণের আশঙ্কা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে শফিকুল আলম বলেন, ‘এই আক্রমণ বলতে শুধু শারীরিক আক্রমণ নয়, বরং সাইবার অ্যাটাক বা সোশ্যাল মিডিয়ায় ডিজ ইনফরমেশন (অপতথ্য) ছড়ানোকেও বোঝানো হচ্ছে। যারা পতিত স্বৈরাচার এবং তার দোসর, তারা দেশে একটা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হোক, তা চাইবে না। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।’




জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও গণহত্যার বিচার না হওয়া অবদি নির্বাচন নয়: নাহিদ ইসলাম

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ : বুধবার সন্ধ্যায় (২৯ অক্টোবর) রংপুর নগরীর পর্যটন মেট্রোর হলরুমে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম   এ কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ফেব্রুয়ারির মধ্যেই যেন নির্বাচন হয়। এ জন্য সব পক্ষকেই কাজ করতে হবে। পতিত শক্তি নানা ধরনের ষড়যন্ত্র করছে। যদি ক্ষমতার লোভে কোনো দল কিংবা কোনো শক্তি যদি মনে করে তারা এককভাবেই সব কিছু করবে বা জাতীয় ঐক্য ভেঙে দেবে বা জনগণের আকাঙ্ক্ষার বিপরীতে দাঁড়াবে, তাহলে হিতে বিপরীত হবে। তারা সংসদ টেকাতে পারবে না। সংসদ টেকাতে তাদের কষ্ট হবে এবং জনগণের আস্থা তারা পাবে না। তাই সব রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান করব, সংস্কারের পক্ষে থাকার।

এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, জুলাই সনদ শুধু একটি দলীয় প্রস্তাব নয়, এটি জনগণের মুক্তির দলিল। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ছাড়া এই দেশের গণতন্ত্র পূর্ণতা পাবে না। আমরা শুনেছি, ঐকমত্য কমিশনের পক্ষ থেকে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের সুপারিশ দেওয়া হবে। আমরা চাই যেসব বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে বা কমিশন যেসব বিষয়কে সংবিধান সংস্কারের জন্য লিপিবদ্ধ করেছে, সেসব বিষয় গণভোটে যাক। জনগণই রায় দেবে, কী থাকবে আর কী বদলাবে।

তিনি বলেন, নোট অব ডিসেন্ট বলে কিছু থাকবে না। সংস্কারের রূপরেখা জনগণের হাতে যাবে, তারাই সিদ্ধান্ত নেবে। গণভোট ছাড়া কোনো সনদ বাস্তবায়নের অর্থ জনগণের মতামত উপেক্ষা করা।

নাহিদ আরও বলেন, গণহত্যার বিচার না হলে ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের কোনো অর্থ নেই। এই বিচার না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন আয়োজন কেবলই আনুষ্ঠানিকতা, কাগজের সাইন, যার মূল্য কেবলই কাগজে। বাংলাদেশের ইতিহাসে আমরা নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পরেও দেখেছি, ত্রিদলীয় রূপরেখা শুধু ক্ষমতায় যাওয়ার পথ হিসেবে ব্যবহার হয়েছে। জনগণের রক্তের ত্যাগ ভুলে যাওয়া হয়েছে। আমরা সেই ভুল আর করব না।

তিনি বলেন, নোট অব ডিসেন্ট বলে কিছু থাকবে না। সংস্কারের রূপরেখা জনগণের হাতে যাবে, তারাই সিদ্ধান্ত নেবে। গণভোট ছাড়া কোনো সনদ বাস্তবায়নের অর্থ জনগণের মতামত উপেক্ষা করা।

     




বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমদ: জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে সব দলের ঐক্য জরুরি

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, জুলাই জাতীয় সনদ কার্যকর করার জন্য দেশের রাজনৈতিক দলগুলোকে একত্রিত হওয়ার আহ্বান জানাতে হবে।

রোববার (২৬ অক্টোবর) রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে গণ অধিকার পরিষদের চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “জনগণের সাংবিধানিক ক্ষমতা গণভোটের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। তাই জাতীয় সংসদ সনদের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো প্রশ্ন বা আইনি জটিলতা সৃষ্টি না হয়। সবকিছুই সবার ঐক্যের ভিত্তিতে করা প্রয়োজন।”

তিনি জাতীয় পার্টি ও অন্যান্য দলের প্রতি বলেন, “বাস্তবতার আলোকে কথা বলতে হবে। এমন কোনো প্রস্তাব বা আদেশ দেওয়া যাবে না যা প্রশ্নবিদ্ধ হবে। পুরো প্রক্রিয়াকে বৈধ ও স্থায়ী ভিত্তিতে রচনা করতে হবে, যেন ১০-১৫ বছর পরও কেউ আদালতে যেতে না পারে।”

সালাহউদ্দিন আরও জানান, এনসিপিসহ কিছু দলের স্বাক্ষর না দেওয়ার বিষয়ে আলাপ-আলোচনা চলছে। আশা করা যায়, সুষ্ঠু সমাধানের মাধ্যমে তারা সনদে স্বাক্ষর করবেন। এই সনদ বাস্তবায়ন হলে তা রাজনীতিতে সমঝোতার একটি ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে চিহ্নিত হবে।

তিনি যোগ করেন, “জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য নির্বাচিত জাতীয় সংসদই সুনির্দিষ্ট ফোরাম। নোট অব ডিসেন্টসহ স্বাক্ষরিত সনদ অনুযায়ী জনগণের সম্মতির ভিত্তিতে বাধ্যবাধকতা তৈরি হবে, যাতে কোনো সংসদ সদস্য বা দল সেখান থেকে সরতে না পারে।”

সালাহউদ্দিন আহমদ আবেগের চেয়ে বাস্তবতাকে প্রাধান্য দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “অনেকে আবেগের বশে দাবি করেন যে জুলাই অভ্যুত্থানে প্রকাশিত জনগণের অভিপ্রায় অনুযায়ী বৈপ্লবিক আদেশ জারি করা যায়। এগুলো আবেগপূর্ণ বক্তব্য। সংবিধানের আশ্রয়ে বাস্তবায়ন করতে হবে। রাষ্ট্র এখনও সাংবিধানিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে।”

তিনি সবাইকে ‘ফ্যাসিবাদের’ প্রত্যাবর্তন ঠেকাতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক, মুখপাত্র ফারুক হাসান, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, এনসিপি সদস্য সচিব আখতার হোসেন, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আহমদ আবদুল কাদের, জাগপা, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, এনডিপি, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রতিনিধি ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা।

 

আল-আমিন



নির্বাচন নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই: ইসি সচিব

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে এখন পর্যন্ত উদ্বেগ বা আতঙ্কের কোনো কারণ নেই বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

রোববার (২৬ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের এক ব্রিফিংয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন।

আখতার আহমেদ বলেন, “ইসির পরিকল্পনা অনুযায়ী শতভাগ কাজ সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক নয়। পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে কিছু বিষয়ে সমন্বয় করতে হয়। কিছু কাজ আগেই শেষ হয়েছে, আবার কিছু বিষয়ে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। সময় অনুযায়ী সব কিছু নির্দিষ্ট দিনক্ষণে করা সব সময় সম্ভব হয় না।”

তিনি জানান, আসন্ন নির্বাচনের জন্য ভোটকেন্দ্রের তালিকা ইতোমধ্যে চূড়ান্ত করা হয়েছে। রাজনৈতিক দল নিবন্ধনসহ অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতাও চলতি সপ্তাহের মধ্যেই শেষ করা হবে।

নতুন রাজনৈতিক দল নিবন্ধন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “মাঠপর্যায় থেকে পাওয়া তথ্যগুলো আমরা পর্যালোচনা করছি। ইনশাআল্লাহ এই সপ্তাহের মধ্যেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।”

নির্বাচনের প্রস্তুতি প্রসঙ্গে সচিব বলেন, “সবকিছু শতভাগ পরিকল্পনা অনুযায়ী করা সব সময় সম্ভব নয়। বাস্তব পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে কিছু বিষয় সামঞ্জস্য করতে হয়। এখন পর্যন্ত কোনো রকম আতঙ্ক বা দুশ্চিন্তার পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। আমার মনে হয় না এখন এমন কোনো অবস্থা এসেছে যে তা নিয়ে কেউ উদ্বিগ্ন হবে।”

বিএনপি কর্তৃক আরপিও সংশোধন বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে পাঠানো চিঠি সম্পর্কে তিনি বলেন, “বিএনপি একটি চিঠি দিয়েছে। কমিশন বিষয়টি পর্যালোচনা করবে এবং প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে।”

নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনের প্রস্তুতি কার্যক্রম পরিকল্পনা অনুযায়ী এগিয়ে চলছে। নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার আগেই প্রাথমিক সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করার লক্ষ্য রয়েছে কমিশনের।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




পটুয়াখালীর বিএনপি প্রার্থীদের গুলশান ডাক: আজ তারেক রহমানের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপির মনোনয়নপ্রক্রিয়া আরও এক ধাপ এগোচ্ছে। এবার পটুয়াখালীর চারটি আসনের আটজন মনোনয়নপ্রত্যাশীকে ডেকেছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ সোমবার (২৭ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় গুলশান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক।

দলীয় সূত্র জানায়, বৈঠকে প্রতিটি আসনের প্রার্থীদের সঙ্গে ( ভিডিও কনফারেন্স)  এর মাধ্যমে সরাসরি কথা বলবেন তারেক রহমান। এই বৈঠককে মনোনয়ন চূড়ান্ত করার প্রাথমিক ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ থেকে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই প্রার্থীরা চূড়ান্ত মনোনয়নের সবুজ সংকেত পাবেন।

পটুয়াখালী জেলা থেকে গুলশান বৈঠকে ডাকা হয়েছে—

পটুয়াখালী-১ (সদর-দুমকী-মির্জাগঞ্জ) আসনে জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরীকে।

পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে কেন্দ্রীয় সহদপ্তর সম্পাদক মুনির হোসেন, সাবেক সংসদ সদস্য শহিদুল আলম তালুকদার এবং নির্বাহী কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ফারুক তালুকদারকে।

পটুয়াখালী-৩ (দশমিনা-গলাচিপা) থেকে নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান মামুন এবং

পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনে কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন ও কলাপাড়া বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান মনিরকে।

বাউফল আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী মুনির হোসেন বলেন,
“আমাদের সোমবার বিকেল ৪টায় গুলশান অফিসে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। তবে কে মনোনয়ন পাবেন বা কবে চূড়ান্ত হবে—এ বিষয়ে কিছু বলা হয়নি।”

একই কথা বলেন সাবেক এমপি শহিদুল আলম তালুকদার ও জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি। তাদের ভাষ্য, বৈঠকের উদ্দেশ্য সম্পর্কে আগে থেকে কিছু জানানো হয়নি।

বিএনপির কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান বলেন,
“এটি সাংগঠনিক প্রক্রিয়ার অংশ। বিএনপির মতো বড় দলে প্রতিটি আসনে একাধিক যোগ্য নেতা রয়েছেন। সবাই মনোনয়ন পাবেন না, দলীয় পদ্ধতিই চূড়ান্ত করবে যোগ্য প্রার্থীকে।”

তিনি আরও বলেন,
“বৈঠকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান মনোনয়নপ্রত্যাশীদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেবেন। এমপি হওয়াই শেষ কথা নয়—ধানের শীষের বিজয়ই আমাদের মূল লক্ষ্য।”

দলীয় একটি সূত্র জানায়, বৈঠকে শুধুমাত্র মনোনয়নপ্রত্যাশীদের যোগ্যতা, সাংগঠনিক অবস্থান ও নির্বাচনী সক্ষমতা যাচাই করা হবে। এরপরেই মনোনয়ন তালিকা চূড়ান্ত করে কেন্দ্রীয় দপ্তরে পাঠানো হবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিএনপির এই বৈঠক আসন্ন নির্বাচনে দক্ষিণাঞ্চল—বিশেষ করে পটুয়াখালী জেলায় প্রার্থিতা নির্ধারণের ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখবে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




নভেম্বরে বন্ধ হচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকারের কার্যক্রম: তথ্য উপদেষ্টা

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নভেম্বরের শেষ নাগাদ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মন্ত্রিসভার কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। রোববার (২৬ অক্টোবর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত “মিট দ্য রিপোর্টার্স” অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ আভাস দেন।

তথ্য উপদেষ্টা বলেন, “বিভিন্ন সংস্কার কমিশন থেকে মোট ২৩টি বাস্তবায়নযোগ্য প্রস্তাব সরকারের কাছে এসেছে। এর মধ্যে ১৩টি প্রস্তাব ইতোমধ্যে বাস্তবায়নের পথে রয়েছে। তবে নভেম্বরে ক্যাবিনেট ক্লোজ হয়ে যাবে, তাই যা করার আগামী মাসের মধ্যেই শেষ করতে চাই।”

তিনি জানান, অনলাইন নিউজ পোর্টালের জন্য একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে। পাশাপাশি যেসব পত্রিকা নিয়মিত প্রকাশিত হয় না, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া ‘ওয়ান হাউজ, ওয়ান মিডিয়া পলিসি’ এবং ‘সাংবাদিকতা সুরক্ষা আইন’ শিগগিরই মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের প্রস্তুতি চলছে।

বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর লাইসেন্স প্রক্রিয়া নিয়ে তিনি বলেন, “অতীতে বেশিরভাগ লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে ক্ষমতাসীন দলের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের হাতে। তারা এখনো এসব প্রতিষ্ঠানের মালিকানা ধরে রেখেছেন এবং বিদেশে বসে মুনাফা তুলছেন।”

ওটিটি প্ল্যাটফর্ম নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে মাহফুজ আলম বলেন, “কনটেন্ট নির্মাণ তথ্য মন্ত্রণালয়ের আওতায় থাকলেও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রকাশনা আইসিটি বিভাগের অধীনে যাবে। ইউটিউবসহ অনলাইন কনটেন্টগুলোকে নিয়ন্ত্রণে আনতে যৌথভাবে একটি নীতিমালা তৈরির কাজ চলছে।”

এ সময় তিনি আরও জানান, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই সাংবাদিকদের জন্য একটি ন্যূনতম বেতন কাঠামো ঘোষণা করা হবে, যা সরকারি নবম গ্রেডের কাছাকাছি হতে পারে। তিনি বলেন, “যেসব পত্রিকা মালিক ন্যূনতম বেতন দিতে পারবেন না, তারা সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন এবং বিজ্ঞাপনের হারও কমিয়ে দেওয়া হবে।”

অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, “গণমাধ্যমে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ন্যায্য বেতনের কোনো বিকল্প নেই। কিছু সাংবাদিক ইউনিয়ন নেতার ভূমিকা হতাশাজনক। যারা নৈতিক সাংবাদিকতা করেন না, তাদের কারণে পুরো পেশার মান ক্ষুণ্ন হচ্ছে।”

তিনি আরও যোগ করেন, “দেশে ব্যাঙের ছাতার মতো নিউজ পোর্টাল গজিয়ে উঠেছে। অনেকেই অন্যের লেখা চুরি করে সংবাদ প্রকাশ করছে। যখন এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তখন বলা হয় সরকার গণমাধ্যমে হস্তক্ষেপ করছে—এটা গ্রহণযোগ্য নয়।”

অনুষ্ঠানে ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তারা বলেন, সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে স্বাধীন গণমাধ্যম টিকবে না।

দেশের গণমাধ্যম খাতে বর্তমানে যেভাবে নীতিমালা সংস্কার, বেতন কাঠামো নির্ধারণ ও নৈতিক সাংবাদিকতার পরিবেশ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, তা একটি বড় পরিবর্তনের সূচনা বলে মনে করছেন গণমাধ্যম সংশ্লিষ্টরা।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




আগামী নির্বাচনে ধানের শীষের জয় দাবি ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সোবহানের

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বরিশাল-১ আসনের মনোনয়নপ্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সোবহান বলেছেন, বিগত ১৭ বছর ধরে পতিত সরকারের সময়ে বিএনপি ও দেশের শান্তিপ্রিয় জনগণ নানা অন্যায়, অবিচার, খুন ও গুমের শিকার হয়েছে। আগামী নির্বাচনে ধানের শীষকে বিজয়ী করে এই দীর্ঘ কষ্টের সুফল ভোগ করতে হবে।

বিগত নির্বাচনে ধানের শীষ মার্কার প্রার্থী হিসেবে বরিশাল-১ আসনে অংশগ্রহণকারী আবদুস সোবহান আরও বলেন, “যতবার বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে, দেশ ততবারই উন্নয়ন করেছে। তবে পতিত সরকার দেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে। তাই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের জন্য ধানের শীষকে জয়ী করতে হবে।”

শনিবার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে আগৈলঝাড়া উপজেলার গৈলা ইউনিয়নের গুপ্তেরহাট বাজারে অনুষ্ঠিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আবদুস সোবহান বলেন, দেশের গণতন্ত্র যখনই সংকটে পড়েছে, তখনই বেগম খালেদা জিয়ার আপোষহীন নেতৃত্ব বাংলাদেশকে মুক্তির পথে নিয়ে এসেছে। তিনি বলেন, ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও জামায়াত স্বৈরাচার ক্ষমতা বৈধ করার চেষ্টা করলেও খালেদা জিয়ার দৃঢ় অবস্থানের কারণে অবৈধ সংসদ টিকে উঠতে পারেনি।

তিনি আরও বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র রক্ষায় খালেদা জিয়ার আপোষহীনতার কারণে বারবার তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল, তবুও তিনি জনগণকে আন্দোলনের জন্য প্রেরণা দিয়েছেন।

পথসবার পূর্বে আবদুস সোবহান গুপ্তের হাট জামে মসজিদে আছর নামাজ আদায় করেন এবং বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমান সহ পরিবারের সুস্থতা ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া-মিলাদে অংশ নেন।

এরপর গুপ্তেরহাট বাজারে ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ ও ধানের শীষের পক্ষে গণসংযোগ করেন। ভ্যানযোগে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে বৈঠক করে তারা গৈলা বাজার, রথখোলা বাজার, বড়বাড়ি বাজার, দরগাহ বাড়ি বাজারে গণসংযোগ চালান।

পথসভায় আগৈলঝাড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. মাহবুবুল ইসলাম, গৌরনদী উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুল আউয়াল লোকমান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি আব্দুল মালেক আকন, যুবদলের আহবায়ক শোভন রহমান মনিরসহ সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




জোট গঠনের আলোচনা চলছে: সালাহউদ্দিন আহমদ

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ : দেশে্ এখন নির্বাচনের হাওয়া বইছে আর তাই  আসন্ন জাতীয় সংসদ  নির্বাচনকে  সামনে রেখে জোট গঠনের জন্য আলাপ-আলোচনা চলছে। শেষ পর্যন্ত জোট কোন দিকে গিয়ে দাঁড়াবে, তা দেখার জন্য আরও অপেক্ষা করতে হবে।”জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র সঙ্গে রাজনৈতিক যোগাযোগের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “দলটির সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ আছে। তবে জোটবদ্ধ হব কি হব না, তারা হবে কি হবে না—রাজনীতির মাঠে কোনো কিছুই আগে থেকে বলা সম্ভব নয়।”  শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে নিজের বাসায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি এসব কথা বলেন।

নির্বাচনে আসন ছাড় প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন বলেন, “যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলের সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত মনোনয়ন নির্ধারণ করা হবে। যারা মনোনয়ন পাবেন না, তাদেরও অন্যভাবে মূল্যায়নের সুযোগ থাকবে।”

তিনি আরও বলেন, “ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের শরিক ও গণতন্ত্রপন্থি অন্যান্য শক্তিকে সঙ্গে নিয়ে ৩১ দফা বাস্তবায়নে কাজ করবে বিএনপি। জোট ও সরকার গঠনের ক্ষেত্রে শরিকদের যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হবে। প্রয়োজনীয় সংখ্যক আসন ছাড় দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।”




তরুণ প্রজন্ম ভোটাধিকার প্রয়োগে উন্মুখ: রহমাতুল্লাহ

বরিশালের চরমোনাইয়ে অনুষ্ঠিত মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ। অনুষ্ঠানে তিনি দেশের তরুণ প্রজন্ম ভোটাধিকার প্রয়োগে উদ্দীপনা ও প্রস্তুতিসূচক মনোভাব দেখাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন।

রহমাতুল্লাহ বলেন,“তরুণ প্রজন্ম জাতীয় নির্বাচনের আগে অন্য কোনো নির্বাচন দেখতে চায় না। তারা দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ঐক্যবদ্ধভাবে অংশ নেবে। যারা জাতীয় নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে, তরুণরা সে ষড়যন্ত্রে অংশ নেবে না।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান প্রজন্ম দেশের রাজনীতি ও রাষ্ট্রব্যবস্থা সম্পর্কে আগের তুলনায় অনেক বেশি সচেতন এবং তারা পরিবর্তন ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ চায়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবায়েদুল হক চাঁন বলেন,“আগামীর নতুন বাংলাদেশ গঠনে তরুণ প্রজন্মের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাদের দায়িত্বশীল অংশগ্রহণই নির্ধারণ করবে ভবিষ্যৎ রাজনীতির দিকনির্দেশনা।”

ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড় ও দর্শকরা আনন্দ উদযাপন করেন এবং স্থানীয় পর্যায়ে ক্রীড়া ও সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রমে তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫




বরিশাল মহানগর বিএনপির বিভেদ মেটাতে গুলশানে সমঝোতা বৈঠক

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের আগে বরিশাল মহানগর বিএনপি অভ্যন্তরীণ কোন্দলে জর্জরিত ও চার ভাগে বিভক্ত। দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করতে কেন্দ্রীয় নেতাদের উদ্যোগে ঢাকার গুলশানে সমঝোতা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. জে এম জাহিদ হোসেন, বরিশাল সদর-৫ আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশি অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার, কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান, মাহাবুবুল হক নান্নু, মনিরুজ্জামান ফারুক, সদস্যসচিব জিয়া উদ্দীন সিকদার এবং যুগ্ম আহ্বায়ক আফরোজা খানম নাছরিন

বৈঠকে দলীয় নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, যাকেই মনোনয়ন দেওয়া হোক, তার পক্ষে সক্রিয়ভাবে কাজ করতে হবে। আফরোজা খানম নাছরিন বলেন,“আমরা কেন্দ্রীয় নেতাদেরকে কথা দিয়েছি, দলের যাকেই মনোনয়ন দেওয়া হোক না কেন, তার পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করবো। তবে সবাই একই ব্লকে যুক্ত নয়।”

বৈঠকে বরিশাল বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান উল্লেখ করেন, জেলা সদর আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশি নেতারা জনসংযোগ ও সভা-সমাবেশে একে অপরের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যভাবে সমালোচনা করছেন। এতে ব্যক্তির নয়, বরং দলের ক্ষতি হচ্ছে। বৈঠকে এই পরিস্থিতি বন্ধ করার এবং মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে সক্রিয়ভাবে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে বরিশাল মহানগর বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। প্রধান বিরোধী বলয়গুলো ছিলেন:

  • আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক,
  • সদস্য সচিব জিয়া উদ্দীন সিকদার জিয়া,
  • সাবেক সদস্য সচিব মীর জাহিদুল কবির জাহিদ,
  • যুগ্ম আহ্বায়ক আফরোজা খানম নাসরিন সরোয়ার

এছাড়া সাবেক সংসদ সদস্য বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন সরোয়ার নিজস্ব বলয় গড়ে তোলেন। বর্তমানে বরিশাল মহানগর বিএনপিতে চারটি সক্রিয় গ্রুপ ও একাধিক উপগ্রুপ রয়েছে, যা দলকে অনেকটা বিশৃঙ্খল অবস্থায় রাখছে।

রাজধানীতে এই সমঝোতা বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ায় আশা করা হচ্ছে, আগামী নির্বাচনে বরিশাল বিএনপির প্রার্থীকে বিজয়ী করতে দলীয় ঐক্য আরও শক্তিশালী হবে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫