আগুন সন্ত্রাসীদের নির্মূলে বদ্ধপরিকর সরকার: তথ্যমন্ত্রী

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ:  আগুন সন্ত্রাসীদের সঙ্গে সংলাপ করা যায় না জানিয়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, যারা পেট্রোল বোমা মেরে মানুষ পোড়ায়, হাসপাতালে হামলা চালায়, কোরআন শরীফ পোড়ায়, তারা কোনো রাজনৈতিক দল নয়। আর এগুলো রাজনৈতিক কর্মসূচিও নয়।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ হয়, আগুন সন্ত্রাসীদের সঙ্গে নয়। আগুন সন্ত্রাসীদের নির্মূলে সরকার বদ্ধপরিকর। যারা সংলাপের কথা বলেন তাদের কাছে প্রশ্ন, সন্ত্রাসীদের সঙ্গে কি আলোচনা হয়? সন্ত্রাসীদের নির্মূল করতে হয়।

শনিবার (২৫ নভেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রাম মহানগরীর জামালখান সড়কে ‘বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ’ শীর্ষক ম্যুরাল ও তথ্যচিত্র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী। গত ১৪ জুন বিএনপির সমাবেশে যাওয়ার সময় মিছিলকারীরা জামালখান সড়কের এ ম্যুরাল ও তথ্যচিত্রগুলো ভাঙচুর করে। সেগুলো পুনরায় স্থাপন করা হয়।

অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিম চৌধুরী, বিশেষ অতিথি ছিলেন দৈনিক আজাদী সম্পাদক এম এ মালেক।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি-জামায়াত কিছু সৃষ্টি করতে পারে না, তারা এখন গাড়ি-ঘোড়া পোড়াচ্ছে, মানুষের ওপর আগুনসন্ত্রাস চালাচ্ছে। ওরা দেশটাকে ধ্বংস করতে চায়। বিএনপি-জামায়াত দেশ-জাতি, সমাজ ও জনগণের শত্রু। এদের সবাকে চিহ্নিত করে রাখা দরকার।

তিনি বলেন, আজকে বাচ্চারা নির্ভয়ে স্কুলে যেতে পারছে না। একটি স্কুলঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বাচ্চারা কি অপরাধ করেছে? আমাদের সরকার পুরস্কার ঘোষণা করেছে, পুলিশ বাহিনীর পক্ষ থেকেও পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। কেউ আগুনসন্ত্রাস চালালে কিংবা কেউ চালানোর উদ্যোগ নিচ্ছে এরকম জানতে পারলেও ধরিয়ে দেবেন। তাহলে এদের নির্মূল করা সম্ভবপর হবে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, দুঃখজনক হলেও সত্য গত ১৪ জুন বিএনপি-জামায়াতের মিছিল থেকে এখানে থাকা বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল ও ইতিহাস ঐতিহ্যের চিত্রগুলো ভাঙচুর করা হয়। তারা ভাঙচুর করে শুধু ক্ষান্ত হয়নি, ভাঙচুর করার সময় তারা উল্লাসও করেছে। আজকে আবার সেগুলোকে নতুন আঙ্গিকে স্থাপন করা হয়েছে।




মনোনয়নপ্রত্যাশীদের শেখ হাসিনা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কেউ যেন নির্বাচিত হতে না পারে

রোববার (২৬ নভেম্বর) দুপুরে দলের ৩০০ আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।

এসময় শেখ হাসিনা মনোনয়নে দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে নিতে নেতাদের নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, বিরোধীদল না আসা সাপেক্ষে প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন করতে প্রয়োজনে আসন উন্মুক্ত করা হবে। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কেউ যেন নির্বাচিত হতে না পরে। সেক্ষেত্রে একাধিক ডামি প্রার্থী রাখতে মত দেন দলীয় প্রধান।

এর আগে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশীরা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে মতবিনিময় করতে সকাল থেকে নিরাপত্তাবেষ্টনী পার হয়ে সারিবদ্ধভাবে গণভবনে প্রবেশ করেন। নেত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হবে ভেবেই উচ্ছ্বসিত ছিলেন তারা।




আনন্দ-উল্লাস আর হতাশ ও বেদনার দিন আজ

নৌকার মাঝিদের তালিকা প্রকাশ ঘিরে

বরিশাল অফিস:  সকল হিসেব নিকেশ শেষ। আগেই চূড়ান্ত তালিকা হয়ে গেছে। তারপরেও আজ রোববার বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন কারা পেলেন, তার চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। বরিশাল জেলার ৬টি আসনে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ থেকে কারা মনোনয়ন পাচ্ছেন এনিয়ে গত শুক্র ও শনিবার নানান গুঞ্জন চললেও আজ বিকেলে সকল গুঞ্জনের যবনিকাপাত ঘটতে যাচ্ছে। সাবেকরাই বহাল না নতুন মুখ আসছে সব প্রশ্নেরই জবাব মিলবে আজ। সঙ্গত কারনেই তাই সকলের দৃষ্টি আজ থাকবে কেন্দ্রের ঘোষনার দিকে।

আজ বিকেলে প্রার্থী তালিকা ঘোষনার পর কারো মুখে থাকবে আনন্দভরা প্রাপ্তির হাসি। আবার কেউ কেউ বিষাদভরা মন নিয়ে আগামীতে প্রাপ্তি হবে এনিয়ে নিজেদের মধ্যে সান্তনা খোঁজার চেষ্টা করবেন। বরিশাল জেলার ৬টি আসনে প্রার্থী হওয়ার জন্য মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জমা দিয়েছেন তারাসহ তাদের অনুসারী ও কর্মী সমর্থকরা গত কয়েকদিন ধরে অনেকটা নির্ঘূম রাত কাটিয়েছেন এটা বলা চলে। আগৈলঝাড়া ও গৌরনদী উপজেলা নিয়ে গঠিত বরিশাল-১ আসন।

এ আসনে প্রার্থিতা নিয়ে আওয়ামী লীগে লড়াই নেই। এ আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া পরিবীক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক (মন্ত্রীর পদমর্যাদায়), স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবং বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ।গোটা দক্ষিণাঞ্চলে দলের নেতা-কর্মীরা অভিভাবক হিসেবে আবুল হাসানাত আবদুল্লাহকে শ্রদ্ধা করেন। তাই বরিশাল-১ আসনে আসন্ন নির্বাচনে দলের একক প্রার্থী হিসেবে রয়েছে তার অবস্থান। জানা গেছে, দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করে জমা দিয়েছেন তিনি। আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ ছাড়া অন্য কোন নেতা এ আসন থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেনি। ফলে তার কর্মী সমর্থকরা অনেকটাই ফুরফুরে মেজাজেই রয়েছেন এটা বলার অপেক্ষা রাখেনা।

নির্বাচনী পরিসংখ্যান বলছে, বরিশাল-১ আসনে সবথেকে বেশি সময় ক্ষমতায় ছিলো আওয়ামী লীগ দলীয় এমপি। ১০টি সংসদ নির্বাচনে ছয়বার জয়লাভ করেছে আওয়ামী লীগ, আর বিএনপি করেছে তিনবার এবং জাতীয় পার্টি দু’বার।বরিশালের সন্ধ্যা নদীর তীরে উজিরপুর ও বানারীপাড়া উপজেলা মিলে গঠিত বরিশাল-২ আসন। উজিরপুরের হারতার শাপলা বিলের জন্য বর্তমানে দেশ-বিদেশে ব্যাপক পরিচিত এই দুই উপজেলা। তাই এখানে যেমন খ্যাতি রয়েছে, তেমনি জেলার অন্যসব সংসদীয় আসনের মধ্যে সর্বাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশীর তৎপরতায় আলোচনার শীর্ষে রয়েছে বরিশাল-২ আসন। এই আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সংখ্যা অনেক।

আসনটি থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন- দশম সংসদের সদস্য অ্যাডভোকেট তালুকদার মো. ইউনুস, মুহাম্মদ আনিসুর রহমান, বানারীপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক, বানারীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাওলাদ হোসেন সানা, শের-ই বাংলা একে ফজলুল হকের নাতি একে ফাইয়াজুল হক, এম মোয়াজ্জেম হোসেন, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক নেতা আবিদ আল হাসান, আবুল হাকিম সন্যামত, আব্দুর রাজ্জাক, হাবিবুর রহমান খান, সংরক্ষিত সংসদ সদস্য সৈয়দা রুবিনা মীরা, সাবেক সংসদ সদস্য মনিরুল ইসলাম, একাদশ সংসদের সদস্য মো. শাহে আলম, পৌর মেয়র অ্যাডভোকেট সুভাষ চন্দ্র হালদার ও আব্দুল হক।

তবে শেষ পর্যন্ত শাহে আলম না হয় অ্যাডভোকেট তালুকদার মো. ইউনুস এ আসনে দলীয় মনোনয়ন পাচ্ছেন বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে।বাবুগঞ্জ ও মুলাদী-এই দুই উপজেলা নিয়ে গঠিত হয়েছে বরিশাল-৩ আসন। এ আসনে আওয়ামী লীগ সবসময় জোট থেকে প্রার্থী দিয়ে থাকে। বর্তমানেও এ আসনের সংসদ সদস্য জোটের শরিক দল জাতীয় পার্টি থেকে নির্বাচিত। কিন্তু টানা তৃতীয় মেয়াদে দল ক্ষমতায় থাকায় এ আসনে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক অবস্থান শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। আসনটিতে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক অবস্থান শক্তিশালী হলেও স্বাধীনতার পর থেকে এখানে তারা কখনো এমপি প্রার্থী পায়নি।তাই এবার আর মহাজোটের শরিক দলকে নয়, ভোটের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী দেওয়ার জন্য দলের সভাপতি শেখ হাসিনার কাছে দাবি জানিয়েছেন এ আসনের আওয়ামী লীগ ও তার সব সহযোগী সংগঠনের নেতারা।

আসনটিতে দলীয় প্রার্থী হতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন ড. মোহাম্মদ আমিনুল হক কবির, মো. শাফায়েত হোসেন, মিজানুর রহমান ও আতিকুর রহমান, মোহাম্মদ সাইফুল আলম, আসাদুল হক, বাবুগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী ইমদাদুল হক, অবসরপ্রাপ্ত সচিব সিরাজ উদ্দীন আহমেদ, কিবরিয়া গোলাম মোহাম্মদ, চিত্রনায়ক মাসুম পারভেজ রুবেল, বাবুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সরদার খালেদ হোসেন স্বপন, মো. জহিরউদ্দিন ও মুলাদী উপজেলা চেয়ারম্যান তারিকুল ইসলাম খান মিঠু। জোটবদ্ধভাবে নির্বাচন হলে এবারও এ আসনটিতে ছাড় দিতে পারে আওয়ামী লীগ। বরিশাল থেকে নদী দ্বারা বিচ্ছিন্ন দুই উপজেলা হিজলা ও মেহেন্দিগঞ্জ নিয়ে গঠিত হয়েছে বরিশাল-৪ আসন। এই আসনে আওয়ামী লীগের দীর্ঘদিনের অভ্যন্তরীণ কোন্দল প্রায়ই সংবাদের শিরোনাম হয়। এখানকার আওয়ামী রাজনীতির এক পক্ষের নেতৃত্ব দিচ্ছেন কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান সংসদ সদস্য পঙ্কজ নাথ।আরেক পক্ষে রয়েছেন মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও পৌর মেয়র কামাল উদ্দিন খানসহ বেশ কয়েকজন স্থানীয় নেতা।

অভ্যন্তরীণ বিরোধের কারণে ইতোমধ্যে সংসদ সদস্য পঙ্কজ নাথকে জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য পদসহ দলীয় সব পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।তবে আসন্ন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনেও এ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চান বর্তমান সংসদ সদস্য পঙ্কজ নাথ। পঙ্কজ ছাড়াও এখন পর্যন্ত আসনটির মনোনয়ন চেয়ে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন হেমায়েতউদ্দিন খান, আফজালুল করিম, শাম্মী আহমেদ, মেজর অব. নাসিরউদ্দিন খান, মো. শাহে আলম, তারিক বিন ইসলাম, মেজর অবসরপ্রাপ্ত মহসিন শিকদার। বর্তমান সাংসদ পংকজ নাথকে বাদ দিয়ে এবার নতুন কাউকে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন দেয়া হতে পারে এধরনের গুঞ্জন চলছে বেশ কয়েকদিন ধরে।বরিশাল সিটি কর্পোরেশন ও বরিশাল সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত বরিশাল-৫ আসন। গুরুত্বপূর্ণ এই আসনকে নিয়ে যত জল্পনা- কল্পনা।

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মাঠ চষে বেড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীরা।বরিশাল-৫ আসন বিএনপির হাত থেকে উদ্ধার করেন প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট শওকত হোসেন হিরণ। ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন তিনি। এরপর তার অকাল মৃত্যুতে আসনটিতে তার স্ত্রী জেবুন্নেছা আফরোজ নির্বাচিত হন। ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বর্তমান পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম নৌকা প্রতীকে নির্বাচিত হন।

এদিকে দ্বাদশ নির্বাচনকে সামনে রেখে বরিশাল-৫ আসনে দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন,পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও ৫ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য জাহিদ ফারুক শামীম, সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ, বরিশাল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসেন, বরিশাল সদর উপজেলার চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু, মাহবুব উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম (এসপি মাহবুব), মো. মশিউর রহমান খান, অ্যাডভোকেট মোর্শেদা বেগম, সালাউদ্দিন রিপন, আরেফিন মোল্লা।তবে জাহাঙ্গীর কবির নানক এ আসনের জন্য মনোনয়ন ফরম কিনলেও জমা দেননি বলে জানা যায়। তিনি ঢাকা-১৩ আসনে আওয়ামী লীগের টিকিট চেয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

এ আসনে সাবেক বহাল না নতুন কেউ তা জানতে আজ বিকেল পর্যন্ত অপেক্ষা করতেই হচ্ছে।ইতিহাস আর ঐতিহ্যে ঘেরা বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলা।জেলার সবচেয়ে বড় এ উপজেলা নিয়েই বরিশাল-৬ আসন। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জয়জয়কার বলে দেয় এখানে দলটির সাংগঠনিক ভিত্তি কতটা মজবুত।তারপরও জাতীয় নির্বাচনে জোটের প্রশ্নে আওয়ামী লীগ সবসময় আসনটি ছেড়ে দিচ্ছে জাতীয় পার্টির কাছে।

আর সে হিসেবে এ আসনে জাতীয় পার্টিই রয়েছে এগিয়ে।বর্তমানে বরিশাল-৬ আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে রয়েছেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদারের স্ত্রী জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য নাসরিন জাহান রতনা আমিন। তবে এর আগে ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট থেকে মনোনয়ন পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন জাতীয় পার্টির মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার।আর এবারে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচন হলে এ আসনে মনোনয়ন চাইবেন জাতীয় পার্টির (এরশাদ) প্রেসিডিয়াম সদস্য বর্তমান এমপি নাসরিন জাহান রতনা আমিন।

অপরদিকে আসনে নির্বাচনে দলীয় মনোনয়নের প্রত্যাশায় রয়েছেন খোদ আওয়ামী লীগেরই বেশ কয়েকজন। আর স্থানীয় নেতাকর্মীরাও আসনটি আর জাতীয় পার্টিকে ছেড়ে দিতে চান না।এরই মধ্যে বরিশাল-৬ আসন থেকে বরিশাল জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান খান আলতাফ হোসেন ভুলু, যুবলীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিশ্বাস মতিউর রহমান বাদশা, রাজিব আহম্মেদ তালুকদার, আব্দুল হাফিজ মল্লিক, বাকেরগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শামসুল আলম, শাহনাজ পারভীন রানী, প্রকৌশলী মহিউদ্দিন আহমেদ,

বাকেরগঞ্জ পৌর মেয়র লোকমান হোসেন ডাকুয়া আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগ এ আসনের জন্য প্রার্থী চূড়ান্ত করলেও শেষ পর্যন্ত কোন ছাড় দেয় কিনা তা জানতে অপেক্ষা করতেই হচ্ছে।




বিএনপি-জামায়াতের ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ শুরু

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ডেস্ক:  দুই দিনের বিরতি দিয়ে আবারও শুরু হয়েছে বিএনপি-জামায়াত ও সমমনা দলগুলোর ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ কর্মসূচি। রোববার (২৬ নভেম্বর) সকাল ৬টায় শুরু হওয়া এ অবরোধ চলবে মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) ভোর ৬টা পর্যন্ত।



বিএনপি সন্ত্রাসী দল, তাদের সঙ্গে কোনো সংলাপ নয় : তথ্যমন্ত্রী 

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :  তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, যারা পেট্রোল বোমা মেরে মানুষ পোড়ায়, হাসপাতালে হামলা চালায়, কোরআন পোড়ায়, গাড়ি ও স্কুল ঘর পোড়ায়, তারা কোন রাজনৈতিক দল নয়। এগুলো কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচিও নয়। রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ হয়। কিন্তু আগুন সন্ত্রাসীদের সঙ্গে সংলাপ করা যায় না। বরং তাদের নির্মূল করতে সরকার বদ্ধপরিকর। যারা এই সমস্ত কথা বলেন তাদের কাছে প্রশ্ন, সন্ত্রাসীদের সঙ্গে কি আলোচনা হয়? সন্ত্রাসীদের নির্মূল করতে হয়।



পটুয়াখালী-৪ আসনে নৌকার মনোনয়ন চাইলেন স্বামী-স্ত্রী

বরিশাল অফিস: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরপরই আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন বিক্রি শুরু হয়। আর তাতেই যেন আনন্দের জোয়ার বইতে শুরু করে রাজনৈতিক মাঠে। গত ১৮ নভেম্বর থেকে শুরু করে এই চার দিন আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে এবং অনলাইনেও চলে মনোনয়ন ফরম বিক্রির কাজ। এবার পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনের নৌকার মাঝি হতে প্রস্তুত দলীয় ২০ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে নৌকার মনোনয়ন ফরম কিনে আলোচনায় আছেন বর্তমান এমপি এবং তার তার স্ত্রী।

গত মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রির মেয়াদ শেষ হলে একাধিক সূত্রে জানা যায়, পটুয়াখালী-৪ আসনে নৌকার প্রার্থী হতে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন ২০ জন প্রার্থী। যাদের মধ্যে রয়েছেন নবীন- প্রবীন রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সাবেক এমপি-মন্ত্রী, সাবেক সেনা কর্মকর্তা, রয়েছেন শিক্ষক, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার ব্যক্তিবর্গ।

তবে সবকিছু ছাপিয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন, বর্তমান সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মহিব্বুর রহমান মহিব ও তার স্ত্রী অধ্যক্ষ ফাতেমা আক্তার রেখা। এ নিয়ে দলের ভেতরেই রয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

এ বিষয় বর্তমান সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মহিব্বুর রহমান মহিব বলেন, আমি গত পাঁচ বছরে কলাপাড়া- রাঙ্গাবালী এলাকার মাটি ও মানুষের সঙ্গে ছিলাম। দলের ভাবমূর্তি ও সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে চাই। দল পুনরায় আমাকে নৌকার হাল ধরার দায়িত্ব দেবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।

তিনি আরও বলেন, আমার সমর্থনেই আমার স্ত্রী আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কিনেছেন। গতবারও তিনি ফরম কিনেছিলেন। তবে শেখ হাসিনা যাকে নৌকা দেবেন তার পক্ষেই কাজ করব।

এ বিষয় তার স্ত্রী অধ্যক্ষ ফাতিমা আক্তার রেখা বলেন, আমি আমার স্বামী অধ্যক্ষ মহিব্বুর রহমান মহিবের পরামর্শেই নৌকার মনোনয়ন কিনেছি। এই পরিবার সারাজীবন নৌকার সঙ্গে ছিল, আছে এবং থাকবে। জনগণ আমাদের সঙ্গে আছেন।

জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি কাজী আলমগীর বলেন, সব কিছুর একটা মান থাকতে হয়। এগুলো ঠিক না। সব কিছু জেনে শুনে যদি তারা এসব কাজ করে তবে কী বলার আছে। এভাবে দলের মান ক্ষুণ্ণ হয়।

 




পটুয়াখালী-৪ আসনে আ’লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী দুই ডজন

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): দ্বাদশ জাতীয় সংসদের ১১৪, পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগের মনোনয়ন ফরম কিনেছেন প্রায় দুই ডজন মনোনয়ন প্রত্যাশী। এদের মধ্যে ক’জন হেভিওয়েট প্রার্থী ছাড়া অধিকাংশই তরুণ। বেশ কয়েকজন এলাকায় একদম অপরিচিত। দলীয় কর্মকান্ডে তাদের কখনও দেখেনি কেউ, এমনটাই বলছেন স্থানীয়রা।

এছাড়া সাংবিধানিক এ আইন প্রণেতার পদটি পেতে দলীয় ফরম ক্রয়ে নির্বাচনী এলাকায় মুখরোচক আলোচনা শোনা যাচ্ছে অনেককে নিয়ে। তবে দু’এক দিনেই অপেক্ষার প্রহর কেটে যাবে মনোনয়ন ঘোষণার মধ্য দিয়ে, এমনটাই বলছে ক্ষমতাসীন দলের একাধিক সূত্র।

সূত্র জানায়, আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৪ আসনে নৌকার মাঝি হতে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন ২০ জন মনোনয়ন প্রত্যাশী। এদের মধ্যে বর্তমান এমপি অধ্যক্ষ মো. মহিব্বুর রহমান, সাবেক প্রতিমন্ত্রী মোঃ মাহবুবুর রহমান, তাঁর ছোট ভাই বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) মোঃ হাবিবুর রহমান, বর্তমান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এস এম রাকিবুল আহসান, বর্তমান পৌরসভা মেয়র বিপুল চন্দ্র হাওলাদার, তাঁর পুত্র কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য বিকাশ চন্দ্র হাওলাদার, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ সৈয়দ নাসির উদ্দীন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মোতালেব তালুকদার, জেলা আওয়ামীলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিষ্টার জুনায়েদ হাসিব, বর্তমান সাংসদ’র স্ত্রী উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের আহবায়ক অধ্যক্ষ ফাতেমা আক্তার রেখা, আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক নীহার রঞ্জন সরকার মিল্টন, আব্দুল্লাহ আল ইসলাম লিটন, যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাড. শামীম আল সাইফুল সোহাগ, আওয়ামীলীগ নেতা সৈয়দ আখতারুজামান কোক্কা, তাঁর পুত্র যুবলীগ নেতা সৈয়দ মশিউর রহমান শিমু, ইঞ্জিনিয়ার মোঃ নাসির উদ্দিন, শহিদুল্লাহ ওসমানী, উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম বাবুল, মোঃ বাশেদ সিমন, গৌতম চন্দ্র হাওলাদার প্রমূখ।

সূত্রটি আরও জানায়, অফেরত যোগ্য ৫০ হাজার টাকা করে প্রত্যেক দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী ফরম সংগ্রহ করেছেন। এদের মধ্যে অনেকের নির্বাচন করার মত ক্লিন ইমেজ, আর্থিক স্বচ্ছলতা কিংবা জনপ্রিয়তা কোনটাই নেই। তবুও তারা এমপি হওয়ার প্রার্থীতা পোষণ করছেন। তবে দু’এক দিনেই অপেক্ষার পর প্রহর কেটে যাবে। এরপর চাপা পড়ে যাবে এদের নাম। যেমনটা একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩২জন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহকারীর নাম এসেছিল আলোচনায়। মনোনয়ন ঘোষণার পর চাপা পড়ে যায় তাদের নাম।

উপজেলা নাগরিক কমিটির আহবায়ক কমরেড নাসির তালুকদার বলেন, একজন আইন প্রণেতার পদটি সাংবিধানিক। এটি রাষ্ট্রের বড় একটি পদ। এবং এ পদের দায়িত্ব মহান। রাষ্ট্র বিনির্মানে তাদের মূল্যবান ভূমিকা রাখতে হয়। সুতরাং তাদের যোগ্যতা ও সামর্থ্যের প্রশ্ন আছে। কিন্তু এখন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়ন প্রশ্নে আমরা এগুলো ক্রমশ: দূর করে দিচ্ছি। এতে দেশ ও জাতীয় সংকটে পড়ছে।




পটুয়াখালীর আসনগুলোতে আ.লীগের মনোনয়ন প্রার্থী ৬৭

বরিশাল অফিস: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে চায়ের দোকান থেকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে চলছে নির্বাচনী আলোচনা। এরই মধ্যে দলীয় মনোনয়ন পেতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন ৪টি আসনের আওয়ামী লীগের ৬৭ জন মনোনয়ন প্রত্যাশী।

পটুয়াখালী-১ (পটুয়াখালী সদর, মির্জাগঞ্জ ও দুমকি উপজেলা) আসনে ১৩ জন, পটুয়াখালী-২ (বাউফল উপজেলা) আসনে ১৩ জন, পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলা) আসনে ২১ জন , পটুয়াখালী-৪ ( কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালী উপজেলা) আসনে ২০ জন রয়েছেন। মোট ৬৭টি ফরম সংগ্রহ ও জমা পড়েছে।

অফেরত যোগ্য ৫০ হাজার টাকা করে প্রত্যেক দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী ফরম সংগ্রহ করেছেন। ৬৭ টি মনোনয়ন ফরমে অফেরত যোগ্য ৩৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কোষাগারে জমা হয়েছে। আর এই মনোনয়ন কেনায় পরিবারের একাধিক সদস্য রয়েছে। একই পরিবারের বাবা-ছেলে, স্বামী-স্ত্রী ও দুই ভাই রয়েছেন। এছাড়া একই ব্যক্তি দুটি আসনে মনোনয়ন কিনেছেন।

পটুয়াখালী-১ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং পটুয়াখালী-১ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য আফজাল হোসেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ পটুয়াখালী জেলা শাখার সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট সুলতান আহমেদ মৃধা, পটুয়াখালী পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তারেকুজ্জামান মনি, পটুয়াখালী জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ও পটুয়াখালী মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী কানিস সুলতানা হেলেন, পটুয়াখালী সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট গোলাম সারোয়ার, দুমকি উপজেলা চেয়ারম্যান ও কেন্দ্রীয় কৃষকলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হারুন অর রশিদ হাওলাদার, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপ-কমিটির অর্থ ও পরিকল্পনা সম্পাদক রাজীব পারভেজ, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক উপকমিটির সদস্য মোহাম্মদ আলী আশরাফ, সাংবাদিক নাজনীন নাহার, কাজী নজরুল ইসলাম, নিখিল চন্দ্র গুহ ও গাজী মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন।

পটুয়াখালী-২ আসন থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করছেন এবং জমা দিয়েছেন যারা, সাবেক চিফ হুইপ ও বর্তমান সংসদ সদস্য আ স ম ফিরোজ, বাংলাদেশ কৃষক লীগ সাবেক সাধারণ সম্পাদক‌ অ্যাডভোকেট খন্দকার শামসুল হক রেজা, বাউফল পৌরসভার মেয়র ও পটুয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগ যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হক জুয়েল, বাউফল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল মোতালেব হাওলাদার, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপকমিটির সদস্য হাসিবুল আলম তালুকদার, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের উপবিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক রাশেদুল হক সুপ্ত, মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান এসএম ফিরোজ আলম, পটুয়াখালী জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের সাবেক ভিপি খলিলুর রহমার মোহন, জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য জোবায়দুল হক রাসেল, মেজর (অবঃ) ইঞ্জিনিয়ার ফিরোজ খাননুন ফরাজি, প্রিন্সিপাল মাহবুবুর রহমান, অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান ও ইসমত আরা হ্যাপী।

পটুয়াখালী- ৩ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন, বর্তমান সংসদ সদস্য এসএম শাহজাদা, পটুয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী আলমগীর, দশমিনা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল আজীজ, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ইকবাল মাহমুদ লিটন, সাবেক বিজিবি প্রধান লে. জে. (অব.) আবুল হোসেন আজাদ, গলাচিপা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক সন্তোষ কুমার দে, সাবেক এমপি ও প্রতিমন্ত্রী আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইনের ছেলে আ স ম জাওয়াদ সুজন, অ্যাডভোকেট ফখরুল ইসলাম মুকুল, পটুয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক তসলিম সিকদার, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ফোরকান মিঞা, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মো. শাখাওয়াত হোসেন, এসএম ফজলুল হক, ইকবাল হোসেন জমাদ্দার, মাহমুদ হোসেন বাবুল চৌধুরী, আব্দুল সালাম, আহসানুল হক তুহিন, ইসকান্দার আলী, আরিফুল রহমান টিটু, জি এম কাওসার ইসলাম সোহেল, মাওলানা সাইফুল ইসলাম, হিরন আহমেদ।

পটুয়াখালীস-৪ মনোনয়ন প্রত্যাশী হলেন যারা, বর্তমান সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মহিব্বুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জুনায়েদ মোহাম্মদ হাসিব, সাবেক এমপি ও পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী মাহাবুবুর রহমান তালুকদার, ও তার ছোট ভাই বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) হাবিবুর রহমান তালুকদার, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি শামীম আল সাইফুল, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সৈয়দ নাসির উদ্দিন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সাবেক সহ সম্পাদক নিহার রঞ্জন সরকার, আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় উপকমিটির সাবেক সহ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল ইসলাম লিটন, বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, বর্তমান কলাপাড়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এস এম রাকিবুল আহসান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোতালেব হাওলাদার, কলাপাড়া পৌরসভা মেয়র বিপুল চন্দ্র হাওলাদার ও তার ছেলে কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য বিকাশ চন্দ্র হাওলাদার, বর্তমান সাংসদের স্ত্রী উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ফাতেমা আক্তার রেখা, উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুল আলম, বাশেদ শিমন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য আখতারুজ্জামান কোক্কা ও তার ছেলে যুবলীগের শিক্ষা ও পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ মশিউর রহমান শিমু, শহিদুল্লাহ ওসমানী ও গৌতম চন্দ্র হাওলাদার।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) ছিল আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ও জমা দেওয়ার শেষ দিন। শনিবার এ কার্যক্রম শুরু করা হয়। আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভা ডেকেছে আওয়ামী লীগ। দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের তেজগাঁওয়ের কার্যালয়ে এই সভা করার কথা রয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৩০ নভেম্বর, বাছাই ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল ও শুনানি ৬-১৫ ডিসেম্বর এবং ১৭ ডিসেম্বরের মধ্যে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা যাবে। প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ১৮ ডিসেম্বর। নির্বাচনী প্রচারণা চলবে ১৮ ডিসেম্বর থেকে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত।




বরিশাল-২ আসনে মনোনয়ন চান শেরে বাংলার নাতি

বরিশাল অফিস: আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসন থেকে শেরে বাংলা ফজলুল হকের নাতি এ কে ফাইয়াজুল হক রাজু আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন।

ফাইয়াজুল হক রাজুর দাদা শেরে বাংলা ছিলেন উপমহাদেশ জুড়ে, আর বাবা এ কে ফায়জুল হক ছিলেন এ আসনের চারবারের মন্ত্রী।
তাই দলীয় মোড়কের বাইরেও রাজুর গ্রহণযোগ্যতাকে অন্য মনোনয়ন প্রত্যাশীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখেছনে তৃণমূল আওয়ামী লীগ নেতারা।

সরেজমিনে ঘুরে এবং স্থানীয় প্রবীণদের সঙ্গে কথা বললে তারা শেরে বাংলার স্মৃতিচারণ করেন। বঙ্গবন্ধু ও শেরে বাংলার মধ্যে যে রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ছিল তা নিয়ে এখানের মানুষ গর্ববোধ করেন। শেরে বাংলার লাহোর প্রস্তাব থেকে বঙ্গবন্ধুর ছয়দফা এখানের জনসাধারণের মধ্যে গভীরভাবে গেঁথে আছে। এ আসনের সাধারণ মানুষ রাজনীতির এ দুই কিংবদন্তিকে এক অভিন্ন চেতনার বাতিঘর হিসেবে ভাবেন, বঙ্গবন্ধু ও শেরে বাংলা একে অপরের সঙ্গে যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল- তা নিয়ে তারা আজো গল্প করেন।

পৌর আওয়ামী লীগের এক সিনিয়র নেতা বলেন, তৃণমূল আওয়ামী লীগের একটি বড় অংশ যারা হয়ত রাজনৈতিক সমীকরণ বা ভৌগোলিক কারণে হয়ত সামনে আসতে পারেন না তবে ভেতরে ভেতরে নির্মোহ রাজনীতির জন্য রাজু ভাইয়ের প্রতি মৌন সমর্থন তৈরি হয়েছে তা অকল্পনীয়। একটা দীর্ঘ সময় তিনি বানারীপাড়া-উজিরপুরের তৃণমূলকে দিয়েছেন, কোরাম করেননি, যার ফলে গ্রহণযোগ্যতাও বেড়েছে। গণমাধ্যমে তার নিয়মিত উপস্থিতি রাজনৈতিক বিশ্লেষণের বিচক্ষণতাও তৃণমূলকে উজ্জীবিত করে।

‘একথা বলা যায় উপমহাদেশের কৃষক শ্রমিক মেহনতি মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও মুক্তি সংগ্রামে আমার পরিবার যুক্ত আছে এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে’ বলেন এ কে ফাইয়াজুল হক রাজু।

নিজের রাজনৈতিক যাত্রা নিয়ে রাজু বলেন, দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুক্ত। শেরে বাংলার নাতি বলে বিএনপি-জামায়াত ছেড়ে কথা বলেনি, পোহাতে হয়েছে সে যন্ত্রণা। আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার শেখ হাসিনার সঙ্গে আছি শেরে বাংলার আদর্শিক প্রজ্ঞা নিয়ে, আর মননে রেখেছি বঙ্গবন্ধুকে।

দাদা বাবার দীর্ঘ রাজনৈতিক ভূমিকার বাইরেও বানারীপাড়া ও উজিরপুরের তৃণমূল আওয়ামী লীগে তার স্বচ্ছ রাজনীতি সমাদৃত। শেরে বাংলার নাতির প্রতি এ অঞ্চলের মানুষের দলমত নির্বিশেষে এক ভিন্ন আবেগ আছে জানেন রাজু।

তিনি বলেন, কিছুটা বাড়তি চাপও থাকে। আমার কোনো কোরাম-ফোরাম নেই, এ অঞ্চলের প্রতিটি ইঞ্চি কনার সঙ্গে আমার নাড়ির সম্পর্ক।

ফাইয়াজুল হক রাজুর বনানীর অফিসে উজিরপুর থেকে আসা সজীব নামে এক যুবলীগ কর্মী বলেন, রাজু ভাইকে আমাদের থেকে দূরে রাখা আওয়ামী লীগের রাজনীতির জন্য ক্ষতি। আমরা তৃণমূল শেরে বাংলার প্রজন্মকেই চাই আমাদের নেতা হিসেবে।

আগামী জাতীয় নির্বাচন প্রস্তুতি নিয়ে জানতে চাইলে রাজু বলেন, দীর্ঘ ৩৫ বছরের যে যাত্রা তা সাংবিধানিক কাঠামোতে গেলে তখনই কেবল সবটুকু দিয়ে মানুষের জীবন যাত্রার মান উন্নয়ন সম্ভব। আমার প্রতি মানুষের এত এত প্রত্যাশা থেকে পালানোর পথ নেই। আমার ও আমার অঞ্চলের মানুষের বিশ্বাস, দল এবার তাদের ইচ্ছাকে গুরুত্ব দেবে।

প্রসঙ্গত, বরিশাল-২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসনে আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার মাঝি হতে ২০ জন প্রার্থী আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। ২০১৪ ও ২০১৮ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে ফাইয়াজুল হক রাজুর নাম শোনা গিয়েছিল।




বরিশালের ৬ টি আসনে ৬৪ জন প্রার্থী

এস এল টি তুহিন,বরিশাল : আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পেতে ফরম সংগ্রহ ও জমা দেওয়া সময় শেষ হয়েছে। বরিশাল বিভাগের ২১ আসনে প্রার্থী হওয়ার জন্য ২৫৮ জন প্রার্থী মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। এরমধ্যে বরিশাল জেলার ছয়টি আসনের বিপরীতে ৬৪ জন প্রার্থী ফরম সংগ্রহ করেছেন। আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট বলরাম পোদ্দার  চন্দ্রদীপ নিউজকে জানিয়েছেন, কতোজন মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন তা জানানো যাবে না। সেটা গোপনীয় বিষয়।

তিনি বলেন, জমা দেওয়া মনোনয়ন ফরম যাচাই-বাছাই করা হবে। পরে প্রস্তুত করে আজ ২৩ নভেম্বর মনোনয়ন বোর্ডের সভায় উপস্থাপন করা হবে। বলরাম পোদ্দার বলেন, বরিশাল জেলার ছয়টি আসনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২০টি মনোনয়ন ফরম বিক্রি হয়েছে বরিশাল-২ আসনে। সবচেয়ে কম বিক্রি হয়েছে বরিশাল-১ আসনে। ওই আসনের জন্য একমাত্র মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ।

সূত্রমতে, বিভাগের মর্যাদাপূন বরিশাল-৫ সদর আসনে প্রার্থী হওয়ার লড়াইয়ে শামিল হতে ১০ নেতা মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। তারা হলেন-আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, বর্তমান সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম, সিটি কর্পোরেশনের সদ্য সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ, মাহবুব উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম, সদর উপজেলার চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু, আওয়ামী লীগ নেতা সালাউদ্দিন রিপন, মোঃ মশিউর রহমান খান, মোহাম্মদ আরিফ হোসেন (আরিফিন মোল্লা), অ্যাডভোকেট মোর্শেদা বেগম ও এসএম জাকির হোসেন। তবে এরমধ্যে বরিশাল-৫ আসনে প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক তার মনোনয়ন ফরম জমা দেননি বলে গুঞ্জন উঠেছে। বরিশাল-২ আসনে প্রার্থী হওয়ার জন্য মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন ২০ জন।

এরমধ্যে প্রবীণদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন, সাবেক সাংসদ ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তালুকদার মোঃ ইউনুস এবং বরিশাল বিভাগ উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি ও শিল্পপতি ক্যাপ্টেন এম মোয়াজ্জেম হোসেন। নবীন প্রার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনায় রয়েছেন, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি মোঃ মাজহারুল ইসলাম মিরাজ। বরিশাল-৩ আসনে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন ১৩ জন। এরমধ্যে তৃণমূল নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে আলোচনার অগ্রভাগে রয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতা আতিকুর রহমান আতিক। পাশাপাশি নতুন প্রার্থী হিসেবে ভোটারদের নজরে রয়েছেন কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রবিজ্ঞান অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোঃ জহির উদ্দিন খসরু।

বরিশাল-৪ আসনে আটজন প্রার্থী মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেও আলোচনায় রয়েছেন, বর্তমান সংসদ সদস্য পঙ্কজ দেবনাথ ও মোঃ শাহে আলম। বরিশাল-৬ আসনে নৌকার মাঝি হতে ফরম সংগ্রহ করেছেন ১২ জনে।

এরমধ্যে আলোচনায় রয়েছেন-আব্দুল হাফিজ মল্লিক ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার এসএম মঞ্জুরুল হক মঞ্জু। তবে দীর্ঘসময় ধরে একাধিক জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করা সাংবাদিক আনিসুর রহমান স্বপন মনে করছেন, একটি আসন থেকে ১২ থেকে ১৫ জন দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করার বিষয়টি সাংগঠনিক দুর্বলতার অংশ। তৃণমূল পর্যায়ের নেতাদের মধ্যে বিভক্তি রয়েছে, যাকে অভ্যন্তরীণ বিরোধও বলা যায়। এরসাথে একাদশ সংসদের সদস্যরাও জড়িয়ে পরেছেন। তা না হলে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে এক দলেই এত মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের মতো বিষয় সৃষ্টি হতো না। সবমিলিয়ে ক্ষমতাসীন দলের নেতারা নিজেরা নিজেদের প্রতিপক্ষ হয়েছে।