ইসির আপিল শুনানিতে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন ২৭৫ জন

চন্দ্রদ্বীপ  ডেস্ক: ইসি জানায়, এর আগে আপিল শুনানির প্রথম দিনে ৫৬ জন প্রার্থিতা ফিরে পান, দ্বিতীয় দিনে ৫১ জন প্রার্থী, তৃতীয় দিনে প্রার্থিতা ফিরে পান ৬১ জন, চতুর্থ দিনে ৪৪ জন, পঞ্চমদিনে প্রার্থিতা ফিরে পান ৪৩ জন এবং আজ শেষ দিনে ২০ জন প্রার্থী প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। গত ছয়দিনে মোট ২৭৫ জনজন নির্বাচন কমিশনে আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। তবে শেষ দিনে ফরিদপুর-৩ ও বরিশাল-৫ আসনের বৈধ প্রার্থীর প্রার্থিতা আপিলে বাতিল হয়েছএর আগে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ৫৫৮টি আপিল আবেদন জমা পড়ে। ১০ থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত শুনানি শেষে আপিল আবেদনগুলো নিষ্পত্তি করে ২৭৫ জন প্রার্থীর মনোনয়নের বৈধতা দিল নির্বাচন কমিশন। তবে মোট আপিলের মধ্যে ২৮৩ জন প্রার্থীর আবেদন নামঞ্জুর করেছে আউয়াল কমিশন। এই ২৮৩ জন প্রার্থী প্রার্থিতা ফিরে পেতে হাইকোর্টে আপিল করতে পারবেন।

ইসি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৭ ডিসেম্বর। রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রতীক বরাদ্দ করবেন ১৮ ডিসেম্বর। নির্বাচনী প্রচার চলবে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত। আর ভোটগ্রহণ হবে ৭ জানুয়ারি (রোববার)।

[contact-form][contact-field label=”Name” type=”name” required=”true” /][contact-field label=”Email” type=”email” required=”true” /][contact-field label=”Website” type=”url” /][contact-field label=”Message” type=”textarea” /][/contact-form]




বরিশালে সাদিক আব্দুল্লাহর প্রার্থিতা বাতিল

বরিশাল অফিস:: আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর প্রার্থিতা বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন।

শুক্রবার (১৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে অনুষ্ঠিত আপিল শুনানিতে এই রায় দেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার সিইসি কাজী হাবিবুল আওয়ালের নেতৃত্বাধীন কমিশন।

এর আগে দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে তার প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে আপিল করেছিলেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী জাহিদ ফারুক।

উল্লেখ্য, গত ৬ ডিসেম্বর সাদিক আবদুল্লাহর মনোনয়নপত্র গ্রহণের বিরুদ্ধে আপিল করেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী জাহিদ ফারুক। পরে ৯ ডিসেম্বর পোষ্য সন্তানের সম্পদের বিবরণ, স্ত্রীর নামে বাড়ি আছে আমেরিকায় ও এনআরসি ব্যাংকের মাধ্যমে আমেরিকায় টাকা পাচারের অভিযোগে বরিশাল-৫ আসনের নৌকার প্রার্থী জাহিদ ফারুক শামীমের মনোনয়ন বাতিল চেয়ে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করেন সাদিক আবদুল্লাহ।




বরিশাল-৪ আসনে নৌকার শাম্মী আহম্মেদের প্রার্থিতা বাতিল

বরিশাল অফিস ::  বরিশাল-৪ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শাম্মী আহম্মেদের প্রার্থিতা বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। শুক্রবার সকালে নির্বাচন কমিশনের আপিল শুনানিতে এ রায় দেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার সিইসি কাজী হাবিবুল আওয়ালের নেতৃত্বাধীন কমিশন।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপিল শুনানি শেষ হচ্ছে শুক্রবার। নির্বাচন কমিশনে (ইসি) বৃহস্পতিবার ৯৯টি আবেদনের শুনানিতে প্রার্থিতা ফিরে পান ৪৩ জন। আপিল মঞ্জুর হয়নি ৫২ জনের।

ঋণখেলাপির দায়ে ময়মনসিংহ-৯ আসনে আওয়ামী লীগের আব্দুস সালামের প্রার্থিতা বাতিল করেছে ইসি। প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন কিশোরগঞ্জ-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আখতারুজ্জামান এবং চট্টগ্রাম সিটির সাবেক মেয়র ও চট্টগ্রাম-১০ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মঞ্জুরুল আলম। বহাল আছে জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান ও পটুয়াখালী-১ আসনের রুহুল আমিন হাওলাদারের প্রার্থিতাও।

বুধবার চতুর্থ দিনে (১৩ ডিসেম্বর) ৪৫ জন, মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) তৃতীয় দিনে ৬১ জন, সোমবার (১১ ডিসেম্বর) দ্বিতীয় দিনে ৫১ জন এবং রোববার (১০ ডিসেম্বর) প্রথম দিনে ৫৬ জন প্রার্থিতা ফিরে পান। গত পাঁচ দিনের শুনানিতে এ পর্যন্ত ২৬৩ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।

৫ জানুয়ারি থেকে মাঠে নামবে ৬৫৩ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট৫ জানুয়ারি থেকে মাঠে নামবে ৬৫৩ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট। ইসির তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৭ ডিসেম্বর। এরপর রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রতীক বরাদ্দ করবেন ১৮ ডিসেম্বর। সেদিন থেকে আগামী ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচার চলবে। ভোট হবে ৭ জানুয়ারি।




ইসলামে দেশপ্রেম

দেশপ্রেম একটি মহৎ গুণ। সব নবি-রাসূল ও মহামানবের মধ্যে পূর্ণমাত্রায় দেশপ্রেম ছিল। ইসলামের ইতিহাস আলোচনা করলে দেখতে পাই, পূর্বসূরি মনীষীরা স্বদেশ ও স্বজাতিকে নিজের সন্তান ও পরিজনের মতো ভালোবাসতেন। স্বদেশ ও স্বজাতির অধিকার আদায়ে যুগে যুগে ইসলামি চিন্তাবিদরা, ধর্মভীরু ব্যক্তিবর্গ তাদের জীবনকে উৎসর্গ করেছেন। তাদের মধ্যে সর্বজন শ্রদ্ধেয় উল্লেখযোগ্য হচ্ছেন ইমাম হোসাইন (রা.) সপরিবারে শহাদতবরণ, ওমর বিন আবদুল আজিজ (রা.), মুহম্মদ বিন কাসিম, সাইয়্যেদ আহমদ শহিদ, ইসমাঈল শহিদ, মীর নিসার আলি তিতুমির, টিপু সুলতানসহ অসংখ্য মুসলিম নেতা দেশের স্বাধীনতা, মানুষের ধর্মীয় ও জাগতিক অধিকারের জন্য জীবন দান করে গোটা উম্মতের জন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন। আরবি ভাষায় একটি বাণী স্বতঃসিদ্ধ আছে ‘হুব্বুল ওয়াতান মিনাল ইমান’। ‘দেশপ্রেম ইমানের অঙ্গ’। দেশের প্রতি ভালোবাসা মহব্বত ইসলামের অন্যতম শিক্ষা। জন্মভূমি মক্কা মোকাররমার প্রতি মহানবি (সা.)-এর অপরিসীম ভালোবাসার কথা কে না জানে। মহানবির শিক্ষাই হচ্ছে দেশের প্রতি দেশের মানুষের প্রতি প্রাণী জগতের প্রতি ভালোবাসা। মহানবি (সা.)কে প্রতিপক্ষের প্রভাবশালী লোকেরা হিংস্রতার চরম নিষ্ঠুরতায় মক্কা ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য করল। তিনি যখন পবিত্র মদিনার উদ্দেশে যাচ্ছিলেন তখন পেছন ফিরে প্রিয় মাতৃভূমির দিকে তাকাচ্ছিলেন আর বলেছিলেন, ‘ভূখণ্ড হিসাবে তুমি কতই না উত্তম, আমার কাছে তুমি কতই না প্রিয়। যদি আমার স্বজাতি আমাকে বের করে না দিত তবে কিছুতেই আমি অন্যত্র বসবাস করতাম না’ (জামে তিরমিজি, হাদিস : ৩৯২৬)। এছাড়া আরও অনেক হাদিসে দেশপ্রেমের কথা বলা হয়েছে।

বাংলাদেশ আমাদের অহংকার। এ দেশ আমাদের গৌরবের মিনার। সুতরাং দেশের প্রতি, প্রতিটি নাগরিকের ভালোবাসা থাকা আবশ্যকীয়। এ ক্ষেত্রে কুরআন-সুন্নাহ আমাদের দেশপ্রেমের প্রতি উৎসাহ দেয়। ইসলামে রয়েছে দেশপ্রেমের অত্যধিক গুরুত্ব। আল্লাহতায়ালা বলেছেন, ‘তোমরা আল্লাহ ও রাসূলের আনুগত্য কর এবং তোমাদের ন্যায়পরায়ণ শাসকের আদেশ মেনে চল’ (সূরা নিসা : ৫৯)। আরও ইরশাদ হয়েছে-‘নিশ্চয়ই আমি তোমাদের বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে বিভক্ত করেছি যাতে তোমরা একে অপরকে চিনতে পার। আর তোমাদের মধ্যে আল্লাহর কাছে সবচেয়ে মর্যাদাবান সে, যে আল্লাহকে সর্বাধিক ভয় করে (সূরা হুজুরাত, আয়াত : ১২)। হাদিসে এসেছে; হজরত আনাস (রা.) বলেন, ‘আমি খেদমতের নিয়তে রাসূলের সঙ্গে খায়বার অভিযানে গেলাম। অতঃপর যখন অভিযান শেষে নবি করিম (সা.) ফিরে এলেন, উহুদ পাহাড় তার দৃষ্টিগোচর হলো। তিনি বললেন, এ পাহাড় আমাদের ভালোবাসে, আমরাও একে ভালোবাসি (সহিহ বুখারি, হাদিস : ২৮৮৯)। এছাড়া হুজুর (সা.) বিদায় হজের ভাষণে বলেন, ‘হে লোক সকল! জেনে রেখ! তোমাদের প্রতিপালক একজন। জেনে রেখ, অনারবের ওপর আরবের, আরবের ওপর অনারবের কোনো শ্রেষ্ঠত্ব নেই। সাদার ওপর কালোর, কালোর ওপর সাদার কোনো শ্রেষ্ঠত্ব নেই। তবে তাকওয়ার ভিত্তিতে একজন আরেকজনের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করতে পারবে’ (মুসনাদ আহমদ, ৫/৪১১; বায়হাকির সূত্রে দুররে মানসুর ৬/১২২)। মহানবি (সা.) আরও বলেন, দেশ রক্ষার জন্য সীমান্ত পাহারায় আল্লাহর রাস্তায় বিনিদ্র রজনি যাপন করা দুনিয়া ও এর মধ্যকার সব কিছুর চেয়ে উত্তম (বোখারি)। অন্যত্র বলেন, ‘আল্লাহর রাস্তায় এক রাতের রিবাদ একমাস ধারাবাহিকভাবে রোজা রাখা এবং এক মাসের রাতগুলো ইবাদত করার চেয়ে উত্তম (মুসলিম শরিফ)। মহানবি আরও বলেন, জাহান্নামের আগুন দুটি চোখকে কখনোই স্পর্শ করবে না, যে চোখ আল্লাহর ভয়ে কাঁদে এবং যে চোখ আল্লাহর রাস্তায় সীমানা পাহারায় বিনিদ্র রাত কাটায় (তিরমিজি)।

ড. মো. শহিদুল্লাহ বলেছেন, আমাদের মা তিনটি, একটি যিনি গর্ভধারণ করেন দ্বিতীয় আমরা যে ভাষায় কথা বলি সেটি আরেকটি হচ্ছে আমাদের মাতৃভূমি মা। দেশের সব নাগরিক রাজনৈতিক নেতারা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সর্বস্তরের জনগণের অবশ্য কর্তব্য হচ্ছে দেশের প্রতি ভালোবাসা দেশকে সুন্দর রাখা বিজয় দিবসের এটিই হোক আমাদের অঙ্গীকার। মহান আল্লাহ সব দেশপ্রেমিক শহিদদের জান্নাতবাসী করুন এবং সুখ ও সমৃদ্ধিতে এ দেশ এগিয়ে যাবে এ প্রত্যাশা। সব সময় আমরা আমাদের দেশকে ভালোবাসব।

মোহাম্মাদ মোস্তাকিম হোসাইন 




ইসিতে আপিল শুনানি শেষ হচ্ছে আজ

চন্দ্রদীপ নিউজ : দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপিল শুনানি শেষ হচ্ছে শুক্রবার (১৫ ডিসেম্বর)। নির্বাচন কমিশনে (ইসি) বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) ৯৯টি আবেদনের শুনানিতে প্রার্থিতা ফিরে পান ৪৩ জন। আপিল মঞ্জুর হয়নি ৫২ জনের।

এদিন ঋণখেলাপির দায়ে ময়মনসিংহ-৯ আসনে আওয়ামী লীগের আব্দুস সালামের প্রার্থিতা বাতিল করেছে ইসি। প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন কিশোরগঞ্জ-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আখতারুজ্জামান এবং চট্টগ্রাম সিটির সাবেক মেয়র ও চট্টগ্রাম-১০ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মঞ্জুরুল আলম। বহাল আছে জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান ও পটুয়াখালী-১ আসনের রুহুল আমিন হাওলাদারের প্রার্থিতাও।

বুধবার চতুর্থ দিনে (১৩ ডিসেম্বর) ৪৫ জন, মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) তৃতীয় দিনে ৬১ জন, সোমবার (১১ ডিসেম্বর) দ্বিতীয় দিনে ৫১ জন এবং রোববার (১০ ডিসেম্বর) প্রথম দিনে ৫৬ জন প্রার্থিতা ফিরে পান। গত পাঁচ দিনের শুনানিতে এ পর্যন্ত ২৬৩ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।

ইসির তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৭ ডিসেম্বর। এরপর রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রতীক বরাদ্দ করবেন ১৮ ডিসেম্বর। সেদিন থেকে আগামী ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচার চলবে। ভোট হবে ৭ জানুয়ারি।




১৪ দলের আসন বণ্টন চূড়ান্ত পর্যায়ে

অনলাইন ডেস্ক : জাতীয় নির্বাচনে ১৪ দলের শরিকদের সঙ্গে আসন বণ্টনের বিষয়টি চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। এখন পর্যন্ত তিন শরিক দলকে সাতটি আসনে ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে শরিকদের জন্য ছাড় দেওয়া আসন আরও বাড়তে পারে। এরই মধ্যে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড় পাওয়া আসনগুলোতে শরিক দলের প্রার্থীদের ‘সবুজ সংকেত’ দিয়েছেন। আজকালের মধ্যে শরিক দলের প্রার্থীদের নৌকা প্রতীক বরাদ্দের চিঠিও দেবেন শেখ হাসিনা। ছাড় দেওয়া সাতটি আসনের মধ্যে ওয়ার্কার্স পার্টি তিনটি, জাসদ তিনটি এবং জাতীয় পার্টি-জেপি একটি আসন পেয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গণমাধ্যমকে তিনি জানান, আপাতত শরিক দলগুলোকে সাতটি আসন দেওয়া হয়েছে। নেত্রীই (শেখ হাসিনা) এটা ঠিক করে দিয়েছেন। পরে আসন সংখ্যা বাড়বে কিনা সে বিষয়টিও তিনি ঠিক করবেন।

সূত্র বলছে, আগের তিন দফা বৈঠক ও আসনওয়ারি যাচাই-বাছাইয়ের পর শরিকদের জন্য সাতটি আসনে ছাড় দেওয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন জোটনেত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল ১৪ দলের সমন্বয়ক আমির হোসেন আমু টেলিফোনে শরিক দলের শীর্ষনেতাদের সাতটি আসনে ছাড় দেওয়ার বিষয়টি জানিয়ে দেন।

ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বরিশাল-২ আসনে (ঢাকা-৮ থেকে সরিয়ে), সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা রাজশাহী-২ ও পলিটব্যুরোর সদস্য অ্যাডভোকেট মুস্তফা লুৎফুল্লাহ সাতক্ষীরা-১, জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু কুষ্টিয়া-২, স্থায়ী কমিটির সদস্য একেএম রেজাউল করিম তানসেন বগুড়া-৪ ও মোশারফ হোসেনকে লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জুকে পিরোজপুর-২ আসনে ১৪ দলের প্রার্থী করা হচ্ছে।

বর্তমান সংসদে চার শরিক দলের আটটি আসন রয়েছে। তবে আসন সমঝোতা করতে গিয়ে তরীকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান নজিবুল বশর মাইজভান্ডারীর চট্টগ্রাম-২ আসন এবং জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতারের ফেনী-১ আসনে প্রার্থী করা হয়নি। নজিবুল বশর মাইজভান্ডারীর বদলে তাঁর ভাতিজা ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির (বিএসপি) শাহজাদা সৈয়দ সাইফুদ্দিনকে চট্টগ্রাম-২ আসনের প্রার্থী করা হতে পারে।




নির্বাচনে থাকবেন ৬৫৩ ম্যাজিস্ট্রেট, প্রজ্ঞাপন জারি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের জন্য ৬৫৩ জন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে মনোনয়ন প্রদান করা হয়েছে। জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটবৃন্দ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে জাতীয় সংসদের ৩০০টি নির্বাচনী এলাকায় ভোট গ্রহণের আগের দুইদিন, ভোট গ্রহণের দিন ও ভোট গ্রহণের পরের দুইদিন অর্থাৎ আগামী ৫ জানুয়ারি হতে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত মোট পাঁচ দিন দায়িত্ব পালন করবেন।
বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার শাখা হতে একটি অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে। আদেশে কোন এলাকায় কোন ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন তা উল্লেখ করা হয়েছে।




আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে পরিকল্পনামন্ত্রীকে শোকজ 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ও পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নানকে শোকজ করেছে নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি। বুধবার (১৩ ডিসেম্বর) সুনামগঞ্জ-৩ আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির সদস্য ও যুগ্ম জেলা জজ রশিদ আহমেদ মিলন স্বাক্ষরিত এক চিঠি দিয়ে পরিকল্পনামন্ত্রীর কাছে আচরণবিধি লঙ্ঘনের ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।



যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির প্রতি যথেষ্ট অসন্তুষ্ট: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির প্রতি যথেষ্ট অসন্তুষ্ট বলে মনে করছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) দুপুরে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

বিএনপি বার বার দাবি করছে যুক্তরাষ্ট্র এ ধরনের নির্বাচন চায় না, এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় বিএনপি যে কাজগুলো করেছে, যুক্তরাষ্ট্র তাতে সন্তুষ্ট না। কারণ যুক্তরাষ্ট্রও জ্বালাও পোড়াও চায় না। যুক্তরাষ্ট্র সন্ত্রাসী তৎপরতা চায় না। সুতরাং আমার ধারণা যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রতি যথেষ্ট অসন্তুষ্ট। তাদের কাছে থেকে গণতান্ত্রিক মনোভাব তারা (যুক্তরাষ্ট্র) পায়নি। যুক্তরাষ্ট্র গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে, আমরাও গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি। যুক্তরাষ্ট্র অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে বিশ্বাস করে, আমরাও অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে বিশ্বাস করি। আমাদের সঙ্গে তাদের মানসিকভাবে কোনো পার্থক্য নেই।

বহির্বিশ্ব থেকে চাপে আছেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘না, আমরা বহির্বিশ্বের চাপে নেই। আমরা আমাদের নিজেদের চাপে আছি। আমরা একটা সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন করতে চাই, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে চাই। এটা আমাদের চাপ। এটা আমরা নিজেরাই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বহির্বিশ্ব আমাদের সহায়ক হিসেবে কাজ করছে। বহির্বিশ্বও চায় একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন। তার সঙ্গে যোগ হয়েছে নন ভায়োলেন্স। আমরাও চাই অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন। আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এ ব্যাপারে। সুতরাং আমরা নিজেদের চাপে আছি।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের জনগণের প্রতি আমাদের বিশ্বাস আছে। জনগণের রায়টা আমরা চাই। আমরা চাই বহু লোক নির্বাচনে ভোট দেবে। এগুলো আমাদের চ্যালেঞ্জ। অন্য কিছু আমাদের চ্যালেঞ্জ না।




বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা