দেশে জীবিত বীর মুক্তিযোদ্ধা ৯৮ হাজার ৫৪১ জন

এখন দেশে জীবিত বীর মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৯৮ হাজার ৫৪১ জন। এরমধ্যে ৯৩ হাজার ৯৮০ জন সাধারণ বীর মুক্তিযোদ্ধা। আর যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা চার হাজার ১০৩ জন এবং জীবিত খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন ৪৫৮ জন।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মু. আসাদুজ্জামান  বলেন, শুধু জীবিত মুক্তিযোদ্ধারাই বিজয় দিবস ভাতা পেয়ে থাকেন। আমরা কিছুদিন আগে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বিজয় দিবস ভাতা পরিশোধ করেছি। এক্ষেত্রে ৯৩ হাজার ৯৮০ জন সাধারণ মুক্তিযোদ্ধার বিজয় দিবস ভাতা পরিশোধ করা হয়েছে। জনপ্রতি পাঁচ হাজার টাকা হিসেবে ৬৪ জেলায় ৪৬ কোটি ৯৯ লাখ টাকা ভাতা দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে যুদ্ধাহত ও খেতাবপ্রাপ্ত মিলিয়ে মোট চার হাজার ৫৬১ জনের ভাতা দেওয়া হয়েছে দুই কোটি ২৮ লাখ পাঁচ হাজার টাকা।

গত বছরের ১৮ মে গণবিজ্ঞপ্তিতে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) জানিয়েছে, কাউন্সিলের ৭৯তম সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক, শুধুমাত্র নারী বীর মুক্তিযোদ্ধা (বীরাঙ্গনা) ছাড়া অন্য কোনো ক্যাটাগরির মুক্তিযোদ্ধা গেজেটভুক্তির নতুন আবেদন করার সুযোগ নেই। তবে যেসব আবেদন এরই মধ্যে গৃহীত হয়েছে এবং যাচাই-বাছাই বা আপিল পর্যায়ে রয়েছে, সেসব আবেদন নিষ্পন্ন করার কাজ চলমান থাকবে।




আ.লীগ-জাপা আসন সমঝোতা ২৬ আসন নৌকা ছাড়লেও স্বতন্ত্রের সঙ্গে লড়তে হবে লাঙ্গলকে

চন্দ্রদ্বীপ  ডেস্ক:দফায় দফায় বৈঠকের পর এবার জাতীয় পার্টির সঙ্গেও আসন সংক্রান্ত সমঝোতায় পৌঁছেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ‌‌‌। দলটির সূত্রগুলো বলছে, জাতীয় পার্টিকে ২৬টি আসনে ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আওয়ামী লীগ। ওই সব আসনে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী না থাকলেও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা থাকবেন বলে জানা গেছে।




নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করতে জিএম কাদেরকে হুমকি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা জিএম কাদেরকে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করতে হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে তার পরিবার ও আত্মীয় স্বজনের প্রাণ নাশ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। বুধবার (১৩ ডিসেম্বর) জিএম কাদেরর ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন নম্বরে মেসেজের মাধ্যমে এ হুমকি দেওয়া হয়। এরপর জিএম কাদেরর ব্যক্তিগত সহকারী মো. আব্দুল হান্নান তার পক্ষ থেকে ডিএমপির উত্তরা পশ্চিম থানায় পরদিন ১৪ ডিসেম্বর একটি সাধারণ ডাইরি    করেন ।



বরিশালে যথাযোগ্য মর্যদায় বিভিন্ন কর্মসূচিতে মহান বিজয় দিবস পালন

এস এল টি তুহিন,বরিশাল ::  বরিশালে মহান স্বাধীনতা বিজয় দিবস উপলক্ষে যথাযোগ্য মর্যদায় পাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী,বিসিসি মেয়র, পৃথকভাবে দুটিস্থানে মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগ, মহানগর ও জেলা বিএনপি সহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠন,বিভাগীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন,ও পুলিশ প্রশাসন গভীর শ্রদ্ধার সাথে মুক্তিযোদ্ধা স্মৃর্তি নামফলক স্তম্ভে পূস্পার্ঘ অর্পণের মাধ্যমে দিবসটি পালন করেন।

শনিবার (১৬) ডিসেম্বর সকালে সূর্যদয়েরর সাথে সাথে নগরীর পুলিশ লাইনে ২১বার তোপধ্বনির মাধ্যমে মহান বিজয় দিবসের কার্যক্রম শুরু করা হয়। পরে প্রথমে জেলা প্রশাসক দপ্তর সংলগ্ন মুক্তিযোদ্ধা স্মৃর্তি নামফলক স্তম্বে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বিভাগীয় কমিশনার,ডি.আই.জি, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার,বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার,বরিশাল জেলা প্রশাসন, শহীদ বেদী ও শ্রদ্ধা নিবেদন করে।

বেলা বাড়ার সাথে সাথে নগরী বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন,সামাজিক সংগঠন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক বৃন্দ এবং বিভিন্ন বে-সরকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, এবং বিভিন্ন সরকারী দপ্তরের প্রধানরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

সকাল দশটায় মুক্তিযোদ্ধা স্মৃর্তি নাম ফলকস্তম্বে ফুলের শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বাংলাদেশ সরকারের পাণি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল সদর ৫ আসনের নৌকার মনোনিত প্রার্থী কর্ণেল (অবঃ) জাহিদ ফারুক শামীম। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন বিসিসি মেয়র আবুল খায়ের খোকন সেরনিয়াবাত। এরপর পরই বরিশাল সিটি মেয়র আবুল খায়ের খোকন সেরনিয়াবাত নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ড কাউন্সিলর সহ বিসিসির বিভিন্ন কর্মকর্তাদের নিয়ে নগর ভবনের পক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন করে।

পরবর্তী সময়ে পাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও বিসিসি মেয়র জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে একটি অংশ সহ মহানগর যুবলীগ দলীয় বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠন শ্রদ্ধানিবেদন করে।

অপরদিকে পৃথকভাবে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ কমিটি নেতৃবৃন্দ ও জেলা আওয়ামী লীগের অপর অংশ নগরীর সোহেল চত্বরস্থ দলীয় কার্যলয়ের সম্মুখে বঙ্গবন্ধু ও শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের প্রতিকৃর্তিতে শ্রদ্ধা জানান নেতৃবৃন্দ সহ বিভিন্ন দলীয় অঙ্গ সংগঠন নেতৃবৃন্দ। পরে আরো শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বরিশাল জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এ্যাড,একে এম জাহাঙ্গীর হোসেন সহ বিভিন্ন কর্মকর্তা কর্মচারী।

পরবর্তীতে শ্রদ্ধা জানান সদর উপজেলা চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু সহ পরিষদ সদস্য বৃন্দ। পরবর্তীতে প্রর্যায়েক্রমে মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন দলীয় অঙ্গ সংগঠন জেলা ও মহানগর শ্রমিকলীগ, কৃষকলীগ,যুবলীগ,ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ।

বেলা সাড়ে ১১টায় পাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারক শামীম ও বিসিসি মেয় খোন সেরনিয়াবাতের অনুসারী জেলা ও মহানগর আওয়ামী জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ, কাউন্সিলর বৃন্দ সহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের সমন্বয়ে এক বিজয় র‌্যালি সার্কিট হাউজ প্রাঙ্গন থেকে বেড় হয় র‌্যালি নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় মেয়রের অস্থায়ী দলীয় কার্যলয়ে গিয়ে শেষ হয়।

বেলা ১১টায় সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক বরিশাল উত্তর জেলা সভাপতি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মেজবাহ উদ্দিন ফরহাদ, কেন্দ্রীয় আইনজীবী ফোরামের সহ সভাপতি এ্যাড. গোলাম মোহাম্মদ চৌধুরী আলালের নেতৃত্বে জেলা ও মহানগর বিভিন্ন প্রর্যায়ের নেতা কর্মীরা শ্রদ্ধা নিবেদন করে।

পরবর্তী সময়ে বরিশাল মহানগর বিএনপি,এবং বরিশাল দক্ষিন জেলা বিএনপি সহ উত্তর জেলা বিএনপি পৃথকভাবে সদররোডস্থ বিএনপি দলীয় কার্যলয় থেকে এক র‌্যালিসহকারে গিয়ে মহানগর বিএনপি যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব কেএম শহিদুল্লাহ,মাকসুদুর রহমান মাকসুদ সহ মহানগর বিএনপির বিভিন্ন সদস্য ও মহানগর শ্রমিকদল,মহিলাদল,যুবদল ও ছাত্রদল বিভিন্ন সংগঠন শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি ফুলের শ্রদ্ধা নিবেদন করে। এসময় বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপি আহবায়ক আবুল হোসেন খান,সদস্য সচিব এ্যাড. আবুল কালাম শাহিন সহ কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক কাজী রওনোকুল ইসলাম টিপু,কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমত উল্লাহ সহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ সদররোডস্থ দলীয় কার্যলয় থেকে এক র‌্যালি সহকারে গিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করে।

এখানে আরো শ্রদ্ধা নিবেদন করে বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপির আহবায়ক দেওয়ান মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ, সদস্য সচিব মিজানুর রহমান,সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক সৈয়দ রফিকুল ইসলাম লাবু সহ দলীয় বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠন নেতৃবৃন্দ।

এছাড়া সকাল সাড়ে ৮টায় মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বঙ্গবন্ধু উদ্যানে অনুষ্ঠিত হয় শারিরিক কুচকাওয়াজ এখানে পুলিশ,ব্যাটালিয়ান আনসার সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ্র গ্রহন করে।এছাড়া আরো শ্রদ্ধা নিবেদন করে শহীদ আব্দুর সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাব, বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটি, বরিশাল মেট্রোপলিটন প্রেসক্লাব সহ বিভিন্ন স্বোচ্ছাসেবি উন্নয়ন সংগঠন।




মহান বিজয় দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: মহান বিজয় দিবসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে তিনি ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান।

শেখ হাসিনা প্রথমে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে, পরে দলীয় সভাপতি হিসেবে দলের শীর্ষনেতাদের নিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এসময় দলের শীর্ষনেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রথমে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।




কোনো সহিংসতা ছাড়া নির্বাচন দেখতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

 




৫২ বছরে যা অর্জন তা বঙ্গবন্ধু ও আ.লীগের হাত ধরেই হয়েছে

চন্দ্রদ্বীপ  ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, স্বাধীনতার পর বিগত ৫২ বছরে আমাদের যা কিছু অর্জন তা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং আওয়ামী লীগের হাত ধরেই হয়েছে।




রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সিইসির সাক্ষাৎ রোববার

অনলাইন ডেস্ক : দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রোববার (১৭ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আওয়াল। ইসি সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনীর দায়িত্বপালন নিয়ে অবহিত করতে এ সাক্ষাৎ করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল।

নির্বাচনে সেনাবাহিনী কতদিন দায়িত্ব পালন করবেন তা সহ অন্যান্য বিষয়ে আলোচনা হতে পারে এসময়। সাক্ষাতের পর রাষ্ট্রপতির নির্দেশনা অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে। এরপর চূড়ান্ত হবে বাজেটও।

এরই মধ্যে সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার জানিয়েছেন, ‘রাষ্ট্রপতি অনুমতি দিলে আগামী ২৯ ডিসেম্বর থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৩ দিনের জন্য তারা ভোটের দায়িত্ব পালন করবেন।’

এর আগে গত ৯ নভেম্বর নির্বাচনের প্রস্তুতির সবশেষ অবস্থা জানাতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে দেখা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্য কমিশনাররা।

এদিকে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) আপিল শুনানি কার্যক্রম শেষে নির্বাচনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দুই হাজার ২৬০ জন। তবে মোট কত প্রার্থী ভোটের মাঠে থাকছেন তা নির্ধারণ হবে ১৭ ডিসেম্বর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন।

তফসিল অনুযায়ী, ১৭ ডিসেম্বর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। ১৮ ডিসেম্বর চূড়ান্ত প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করা হবে। আর ৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ।




বিপর্দস্ত বিএনপি:ওমরের বিকল্প এখন কে?

এস এল টি তুহিন,বরিশাল :: ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঠালিয়া) আসনে বিএনপিতে শাহজাহান ওমরের বিকল্প কে হতে পারে তা নিয়ে বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে চলছে আলোচনা পর্যালোচনা। সম্প্রতি বিএনপির প্রভাবশালী নেতা ব্যারিষ্টার এম শাহজাহান ওমর বীর উত্তম আওয়ামী লীগে যোগ দেয়ায় বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ঝালকাঠি-১ আসনের নেতা-কর্মীরা হতাশ হয়ে পরে। এতদিন শাহজাহান ওমরই ছিলেন এ আসনের বিএনপি নেতা-কর্মীদের অভিভাবক। শাহজাহান ওমর আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে নৌকা প্রতীকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়ায় ইতোমধ্যেই রাজাপুর কাঠালিয়ার বিএনপির একটি অংশ নৌকা প্রতীকের নির্বাচন করার ঘোষনা দেন। এ অবস্থায় আসনটিতে বিএনপির নেতা-কর্মীরা মনোবল হারিয়ে ফেলেন। যদিও রাজাপুর উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক নাসিম আকন সংবাদ সম্মেলন করে দলীয় নেতা-কর্মীদের সংঘবদ্ধ থাকার আহবান জানিয়ে শাহজাহান ওমরের পক্ষে কেউ নির্বাচনী প্রচারনায় নামলে তাকে দল থেকে বহিস্কারের হুশিয়ারী দেন।

তৃনমুল বিএনপির নেতা-কর্মীদের সাথে কথা বলে জানা যায় রাজাপুর ও কাঠালিয়ায় শাহজাহান ওমরের শুন্য স্থান পুরনে দলটির দুই নেতা প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। শাহজাহান ওমরের আওয়ামী লীগে যোগদানের পর ঝালকাঠি জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির প্রভাবশালী সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল এক ভিডিও বার্তায় ‘নেতা-কর্মীদের হতাশ না হয়ে সংঘবদ্ধ থেকে আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যাবার আহবান জানান। ভিডিও বার্তায় তিনি রাজাপুর ও কাঠালিয়ার বিএনপির নেতা-কর্মীদের যেকোন প্রয়োজনে পাশে থাকার ঘোষনা দেন। রফিকুল ইসলাম জামাল ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপি থেকে নির্বাচনে অংশ নেন। এ সময় তিনি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বজলুল হক হারুনের কাছে হেরে গেলেও ৪০হাজারের উপরে ভোট পেয়ে আলোচনায় আসেন। ২০১৮ সালের নির্বাচনেও শাহজাহান ওমরকে প্রধান প্রার্থী ও রফিকুল ইসলাম জামালকে বিকল্প প্রার্থী মনোনয়ন দেয়া হয়।

কাঠালিয়া উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি জালালুর রহমান আকন, আমুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদক আকতার হোসেন নিজাম মিরবহন ও রাজাপুর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক পারভেজ আহমেদ বলেন, দলের দু:সময় জামাল ভাই সব সময়ই আমাদের পাশে ছিলেন ও বর্তমানেও আছেন। ওয়ান-ইলেভেনের সময় শাহাজাহান ওমর যখন আমেরিকায় ছিলেন, তখনও রফিকুল ইসলাম জামাল ভাই এ আসনে বিএনপির হাল ধরেছিলেন।

অন্যদিকে নেতা-কর্মীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে ঝালকাঠি-১ আসনের বিএনপির হাল ধরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন নিউইয়র্ক সিটি দক্ষিনের আহ্বায়ক সেলিম রেজা। সেলিম রেজার বাড়ি রাজাপুর উপজেলার শুক্তগড় ইউনিয়নে। তিনি বিএনপির প্রভাবশালী প্রবাসী নেতা হিসেবে পরিচিত। প্রবাসে থেকেও তিনি রাজাপুর-কাঠালিয়া উপজেলার বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে চলছেন। বিভিন্ন কর্মসুচিতে সাহায্য সহযোগীতা করে আসছেন বলে জানিয়েছেন নেতা-কর্মীরা।

সেলিম রেজা ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সনে রাজাপুরে বিএনপির নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করেছেন। ২০০৪ সনে তিনি আমেরিকা প্রবাসী হন। ২০০৬ সালে আমেরিকার বিএনপির রাজনীতিতে তিনি ফ্রন্ট লাইনে চলে আসেন। বর্তমানে তিনি এলাকার বিএনপির নেতা-কর্মীদের সার্বক্ষনিক খোঁজ খবর নিচ্ছেন বলে জানান নেতা-কর্মীরা।

কাঠালিয়া যুবদল নেতা আতিকুর রহমান চন্দ্রদীপ নিউজকে  বলেন, তিনি প্রবাসে থাকলেও এখন দেশের রাজনীতিতে তার আসার বিষয়টি সময়ের ব্যাপার মাত্র। যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাথে তিনি সক্রিয়। রাজাপুর উপজেলা বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সহসম্পাদক মো. সজল সিকদার জানান, রেজা ভাইর সাথে আমারা ২০০২ সনে ছাত্রদলের রাজনীতি থেকে পরিচিত। তিনিও সে সময় ছাত্রদল করতেন। তিনি রাজাপুর ছাত্রদল ও যুবদলের সাথে কথা বলেন, খোঁজ খবর নেন প্রায়ই। রাজাপুর উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক গোলাম মোস্তাফা সিকদার জানান, সেলিম রেজা আমাদের এ আসনে শাহজাহান ওমরের শূণ্যতা পূরণে যোগ্য ব্যক্তিত্ব। আমরা তাকে সবসময় কাছে পাই। তিনি যদিও দীর্ঘ সময় যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন। কিন্তু আমাদের প্রয়োজনে সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেন।

সেলিম রেজা বলেন, কেহ যদি আদর্শচ্যুত হয়ে দল ত্যাগ করে চলে যান তাতে দলের ক্ষতি হবেনা। কারণ আমাদের নেতা তারেক রহমান বলেছেন ব্যক্তির চেয়ে দল বড় দলের চেয়ে দেশ বড়। আমার কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচি ঐক্যবদ্ধ ভাবে পালন করে যাচ্ছি। তাই বিজয় আমাদের সুনিশ্চিত।

 




ইসির আপিল শুনানিতে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন ২৭৫ জন

চন্দ্রদ্বীপ  ডেস্ক: ইসি জানায়, এর আগে আপিল শুনানির প্রথম দিনে ৫৬ জন প্রার্থিতা ফিরে পান, দ্বিতীয় দিনে ৫১ জন প্রার্থী, তৃতীয় দিনে প্রার্থিতা ফিরে পান ৬১ জন, চতুর্থ দিনে ৪৪ জন, পঞ্চমদিনে প্রার্থিতা ফিরে পান ৪৩ জন এবং আজ শেষ দিনে ২০ জন প্রার্থী প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। গত ছয়দিনে মোট ২৭৫ জনজন নির্বাচন কমিশনে আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। তবে শেষ দিনে ফরিদপুর-৩ ও বরিশাল-৫ আসনের বৈধ প্রার্থীর প্রার্থিতা আপিলে বাতিল হয়েছএর আগে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ৫৫৮টি আপিল আবেদন জমা পড়ে। ১০ থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত শুনানি শেষে আপিল আবেদনগুলো নিষ্পত্তি করে ২৭৫ জন প্রার্থীর মনোনয়নের বৈধতা দিল নির্বাচন কমিশন। তবে মোট আপিলের মধ্যে ২৮৩ জন প্রার্থীর আবেদন নামঞ্জুর করেছে আউয়াল কমিশন। এই ২৮৩ জন প্রার্থী প্রার্থিতা ফিরে পেতে হাইকোর্টে আপিল করতে পারবেন।

ইসি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৭ ডিসেম্বর। রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রতীক বরাদ্দ করবেন ১৮ ডিসেম্বর। নির্বাচনী প্রচার চলবে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত। আর ভোটগ্রহণ হবে ৭ জানুয়ারি (রোববার)।

[contact-form][contact-field label=”Name” type=”name” required=”true” /][contact-field label=”Email” type=”email” required=”true” /][contact-field label=”Website” type=”url” /][contact-field label=”Message” type=”textarea” /][/contact-form]