বরিশাল-৩ আসন ট্রাকের পেছনে ছুটছে লাঙ্গল

বরিশাল অফিস :: জাতীয় পার্টিকে ছেড়ে দেওয়া বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে ট্রাক। সেই হিসেবে অনেকটাই পিছিয়ে পড়ে রয়েছে লাঙ্গল।

দিন যতই গড়াচ্ছে প্রচার ও জনসমর্থনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নবঞ্চিত হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতা মো. আতিকুর রহমানের ট্রাক প্রতীকের জনসমর্থন ততই বেড়ে চলেছে। ইতোমধ্যে এ নির্বাচনী এলাকার আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা প্রকাশ্যে আতিকুর রহমানকে সমর্থন দিয়ে প্রচার মাঠ সরগরম করে রেখেছেন। এখানে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া টিপু আসনটি ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি (টিপু) লাঙল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী মাঠে লড়ছেন।

আওয়ামী লীগের বৃহৎ অংশের নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন, লাঙ্গলের প্রার্থী তাদের কাউকে ডাকেনি। বিগত দিনের ন্যায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের তিনি কোণঠাসা করে রাখতে চাচ্ছেন। তাই বাধ্য হয়ে তারা এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে নৌকা মার্কার প্রার্থী না থাকায় ট্রাক মার্কার স্বতন্ত্র প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী সদস্য মো. আতিকুর রহমানের বিজয় নিশ্চিত করতে কাজ শুরু করেছেন। বাবুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মাসুম মাঝি বলেন, এ আসনে নৌকা প্রতীক না থাকায় নেতাকর্মীরা হতাশ। তাই এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নিজ দলের স্বতন্ত্র প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী সদস্য আতিকুর রহমানের সঙ্গে মাঠে নেমেছেন।

আগামী ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে ট্রাক মার্কার বিজয় নিশ্চিত করে তারা সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের অভিযাত্রায় বরিশাল-৩ আসনকে সম্পৃক্ত করবেন। তবে ভোটের মাঠে এর কোনো প্রভাব পড়বে না দাবি করে জাতীয় পার্টির বাবুগঞ্জের কেদারপুর ইউনিয়নের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম বলেন, গোলাম কিবরিয়া টিপু এর আগেও এ আসন থেকে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

তাই এখানে জাতীয় পার্টির একটি ভোট ব্যাংক রয়েছে। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে এখানে জাতীয় পার্টির প্রার্থীই জয়লাভ করবে। এই আসনে অপর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা হলেন-ওয়ার্কার্স পার্টির অ্যাডভোকেট শেখ মো. টিপু সুলতান হাতুড়ি, সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের আজমুল হাসান জিহাদ ছড়ি ও তৃণমূল বিএনপির শাহানাজ হোসেন সোনালি আঁশ।




বরিশাল-২: আওয়ামী লীগের নৌকা নিয়ে মেননের মুখে হাসি

বরিশাল অফিস :: সময় যত ঘনিয়ে আসছে নির্বাচনী প্রচারণার মাঠ ততোই সরগরম হয়ে উঠছে। প্রার্থীরা নানা কৌশলে ভোটারদের কাছে ভোট প্রার্থনা করছেন।

আবার ভোটব্যাংক যাদের রয়েছে, তাদের গোছাতেও ব্যস্ত সময় পার করছেন অনেক প্রার্থী। যার ব্যত্যয় ঘটেনি বরিশাল-২ আসনে মহাজোটের প্রার্থী বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের সঙ্গেও।

এ আসনের দুটি উপজেলার মধ্যে উজিরপুরে তিনি পূর্ব-পরিচিত সংসদ সদস্য হলেও আসন পুনর্বিন্যাসের কারণে বানারীপাড়ায় মানুষের কাছে নতুন মুখ। আবার এ দুটি উপজেলার মধ্যে উজিরপুরে ওয়ার্কার্স পার্টির সাংগঠনিক কার্যক্রম কিছুটা থাকলেও বানারীপাড়াতে নেই ছিটেফোঁটাও।

তবে উভয় আসনে মহাজোটের প্রধান দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম শুধু জোরালোই নয়, টানা ১৫ বছরে ক্ষমতায় থাকায় আসনটি এখন দলটির ঘাটিতেই পরিণত হয়েছে। ফলে এ আসনে বর্তমানে উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌরসভা মেয়রসহ জনপ্রতিনিধি যারা রয়েছেন সবাই আওয়ামী লীগের মনোনীত।

সবমিলিয়ে আওয়ামী লীগ নির্ভর হয়েই এ আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনের মাঠে নামতে হয়েছে রাশেদ খান মেননকে। যদিও এ আসনে প্রথমে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সাংসদ অ্যাডভোকেট তালুকদার মো. ইউনুসকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। তবে জোটের স্বার্থে তালুকদার মো. ইউনুসের মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিয়ে রাশেদ খান মেননকে নৌকার প্রার্থী করা হয়। শুরুতে মেননের পক্ষে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের অবস্থান নিয়ে শঙ্কা দেখা দিলেও, সেই কুয়াশা কেটে গেছে এখন। তাই কপালে চিন্তার ভাজ কেটে এখন মেননের মুখে জয়ের হাঁসি।

রাশেদ খান মেনন জানিয়েছেন, বরিশাল জেলার সভাপতি-সম্পাদকসহ উজিরপুর ও বানারীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ তাকে ভালোভাবে গ্রহণ করেছেন এবং নৌকার পক্ষে নির্বাচনী কাজ পরিচালনা করছেন। তিনি বলেন, বিশেষ করে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তালুকদার মো. ইউনুস মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করে নিয়েও আমার পাশেই রয়েছেন। অসুস্থ থেকেও তিনি বিভিন্ন সভায় যোগ দিয়ে যেভাবে নৌকার পক্ষে বক্তব্য দিচ্ছেন, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে।

তিনি বলেন, আমি এ আসনে আগে থেকেই পরিচিত আর আমার বাড়িও তো এই বরিশালে। মানুষ আমাকে ভালোভাবে গ্রহণ করেছে, তারা সবাই আমাকে ভোট দেবে বলে আশ্বস্তও করছে।

সাংগঠনিক কাঠামোয় দুর্বলতার কোনো বিষয় নেই জানিয়ে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ও ওয়ার্কার্স পার্টির নেতাকর্মীরা এখানে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছেন। সবার সমন্বিত চেষ্টায় নৌকার জয় হবে।

এদিকে বানারীপাড়া ও উজিরপুর উপজেলার স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, জেলা আওয়ামী লীগের নির্দেশ মতো নৌকার পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়েই নির্বাচনের মাঠে নেমেছেন তারা। বানারীপাড়া উপজেলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাওলাদ হোসেন সানা বলেন, আমাদের দলীয় প্রতীক নৌকা, সুতরাং নৌকার বিকল্প চিন্তা করার সুযোগ আমাদের নেই। নেত্রী আমাদের নৌকা প্রতীকে রাশেদ খান মেননকে মনোনয়ন দিয়েছেন, তার পক্ষে দুই উপজেলায় আওয়ামী লীগের সবাই জোটবদ্ধ হয়ে কাজ করছে। এ আসনে নৌকার বিজয় নিশ্চিত।

এ বিষয়ে বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ বলেন, বরিশাল-২ আসনে রাশেদ খান মেনন নৌকার প্রার্থী, তাকে তো আওয়ামী লীগ সাপোর্ট করছে এবং যেখানে আমাদের নৌকার প্রার্থী নেই, সেখানেও আওয়ামী লীগ সমমনাদের সাপোর্ট করবে নেতাকর্মীরা।

কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন বলেন, আওয়ামী লীগের নৌকার প্রার্থীদের মনোনয়ন দেয়ার সময় থেকেই, আমরা আমাদের প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছি এবং নেতাকর্মীদেরও সেই নির্দেশনা দেওয়া রয়েছে। তবে অন্য কেউ প্রার্থী হতে চাইলে, সেটা তার অধিকার। এতে আমরা বাধাও দিচ্ছি না।

তিনি বলেন, অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে কাউকে জিতিয়ে দেওয়া বা হারিয়ে দেয়ার মতো স্ট্যান্ডে দল নেই। সুতরাং কাউকে জিততে হলে তাকে নিজের যোগ্যতায় জনগণের মন জয় করে জিততে হবে। তবে আমাদের বিশ্বাস দক্ষিণাঞ্চলের যে উন্নয়ন করেছেন শেখ হাসিনা, সেখানে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হলে তার হাতকে শক্তিশালী করতে হলে জনগণ ভালোবেসে নৌকায় ভোট দেবে। আর আমাদের দলীয় নেতাকর্মীরাও নৌকার পক্ষে কাজ করে যাচ্ছেন।

উল্লেখ্য, এ আসনে রাশেদ খান মেননের পাশাপাশি কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের গামছা প্রতীকের প্রার্থী সংগীত শিল্পী নকুল কুমার বিশ্বাস, আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনয়ন না পাওয়া ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী শেরে বাংলার দৌহিত্র এ. কে ফাইয়াজুল হক এবং সাবেক সাংসদ আওয়ামী লীগ নেতা মনিরুল ইসলাম ঢেঁকি প্রতীকে নির্বাচনী প্রচারণায় জোর দিয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে, মেননের সাথে ভোট যুদ্ধে এগিয়ে থাকবেন এ. কে ফাইয়াজুল হক।

 




কলাপাড়ায় আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের ভেতর শ্রমিক লীগ নেতাকে কুপিয়ে রক্তাক্ত

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় নিজ দলের কর্মীদের হামলায় উপজেলা শ্রমিক লীগের সাবেক সহ-সভাপতি মো. সজীব মৃধা (৩৫) গুরুতর জখম হয়েছেন।

গত রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে কলাপাড়া পৌর শহরের কুমারপট্টি এলাকায় উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের অভ্যন্তরে তাকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে।  গুরুতর আহত সজীব মৃধা এ ঘটনার জন্য উপজেলা যুব লীগের সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. রকিবুল ইসলাম (রকি) এবং উপজেলা শ্রমিক লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জনি সরদারকে দায়ী করেছেন।

আহত সজীব মৃধা অভিযোগ করে বলেন, রকি ও জনি আগে থেকেই সজীবের ওপর ক্ষিপ্ত ছিল। তারা দুইপক্ষই আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. মহিববুর রহমানের নৌকা প্রতীকের সমর্থক। সজীব কখনো দলীয় কার্যালয়ে গেলে নানাভাবে হুমকি-ধমকি দেয়া হতো। তার ওপর হামলা হতে পারে এমন আশঙ্কার কথা তিনি দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদেরকেও জানিয়েছেন।

কয়েক জন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, রোববার রাতে সজীব নৌকা প্রতীকের নির্বাচনী কাজ শেষ করে দলীয় কার্যালয়ে গেলে হঠাৎ হামলার শিকার হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন সজীব মৃধা আক্ষেপ করে বলেন, যখন রামদা দিয়ে  আমার ওপর হামলা করে তখন দলীয় কার্যালয়ের ভেতর অনেকেই উপস্থিত ছিল। তারা কেউই আমাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেনি। এ হামলায় রকি ও জনির সঙ্গে মুছা, সুমন, মহিবুল্লাহ, মোস্তফাসহ অন্তত ১০-১২ জন জড়িত ছিল বলে সজীব জানায়।




সব শোক-ব্যথা বুকে নিয়ে রাস্তায় নেমেছি: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৫ আগস্টের পর বাংলার মানুষ ছিল অবহেলিত। তাদের মাথাপিছু আয় বাড়েনি। তাদের ভাগ্য পরিবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে আমি এগিয়ে এসেছি।

উত্তরবঙ্গে মঙ্গা নেই উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, উত্তরবঙ্গ থেকে মঙ্গা দূর করা হয়েছে। রাস্তাঘাটের উন্নয়ন করা হয়েছে। দুই বেলা খেতে পারবে সে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর আমরা সেটা করতে পেরেছি।

দেশকে আরও উন্নত করতে চাই জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এজন্য কেবল নৌকা মার্কা থাকলেই সেটা সম্ভব। আমার আর হারাবার-পাওয়ার কিছু নেই। কিন্তু আপনারা ভালো থাকবেন সেটাই আমার লক্ষ্য। এ জন্য ৭ জানুয়ারি সকালে ঘুম থেকে উঠেই আপনারা ভোট দিতে যাবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, রংপুর-২ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ডিউককে আপনাদের হাতে তুলে দিলাম। আরও একবার তাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন।

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, নৌকা মার্কাই আপনাদের জীবনমান উন্নয়ন করেছে। তাই আরও একবার সুযোগ দেবেন।

এসময় প্রধানমন্ত্রী তার সময়কালে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি, প্রযুক্তি ও যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের বিবরণ তুলে ধরেন।

র আগে রংপুরের তারাগঞ্জ ও পীরগঞ্জে নির্বাচনী জনসভায় যোগ দিতে মঙ্গলবার (২৬ ডিসেম্বর) বেলা ১১টার দিকে আকাশপথে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী।

সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে সড়কপথে বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে প্রথমে রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার ওয়াকফ এস্টেট কলেজ মাঠে রংপুর-২ (বদরগঞ্জ-তারাগঞ্জ) আসনের প্রার্থী আবুল কালাম মো. আহসানুল হক চৌধুরী ডিউকের নির্বাচনী সভায় যোগ দেন।

জনসভা শেষে সড়ক পথে স্বামীর বাড়ি পীরগঞ্জের লালদীঘি ফতেহপুর যাবেন শেখ হাসিনা। ফতেহপুরে স্বামী প্রয়াত ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার কবর জিয়ারত করবেন এবং নিকটাত্মীয়দের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও খাবার শেষে বিকেলে পীরগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী জনসভায় যোগ দেবেন। সেখানে রংপুর-৫ (পীরগঞ্জ) আসনে জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর পক্ষে ভোট চাইবেন তিনি।




নির্বাচন নিয়ে আমরা বদনাম নিতে চাই না : ওবায়দুল কাদের

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, এবারের নির্বাচনে আমরা ভালোভাবে করতে চাই। নির্বাচন নিয়ে আমরা বদনাম নিতে চাই না। শেখ হাসিনা সত্যিকার অর্থে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন চায়। তার ইচ্ছাকে সার্থক করতে হবে।



ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধির সঙ্গে আ.লীগের বৈঠক বিকেলে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধির সঙ্গে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে মঙ্গলবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকেলে।



নির্বাচনী প্রচারে আজ রংপুর যাচ্ছেন শেখ হাসিনা

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণায় আজ রংপুর সফরে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার পীরগঞ্জে নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দেবেন তিনি।

এর আগে তারাগঞ্জ ও মিঠাপুকুরে পৃথক দুটি পথসভায় অংশ নেবেন। এ ছাড়া নিজ বাসভবন লালদীঘি ফতেহপুরে পরিবারের সদস্যদের সাথে মিলিত হয়ে স্বামীর কবর জিয়ারতসহ নিকট আত্মীয়দের সাথে কুশল বিনিময় করবেন তিনি।

আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট চাইতেই প্রধানমন্ত্রীর এ সফর। প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে উজ্জীবিত দলীয় নেতাকর্মীরা। তাঁকে স্বাগত জানাতে পুরো এলাকা ছেয়ে গেছে ব্যানার-ফেস্টুনে।




ইশতেহার ঘোষণা ২৭ ডিসেম্বর দ্রব্যমূল্য কমানো-আর্থিকখাত-কর্মসংস্থানে বিশেষ অগ্রাধিকার আ’লীগের

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: দ্রব্যমূল্য কমানো, আর্থিকখাতে শৃঙ্খলা ফেরানো, কর্মসংস্থান বাড়ানোসহ বেশ কিছু খাতে অগ্রাধিকার দিয়ে আসছে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ক্ষমতাসীনদের এ ইশতেহার ঘোষণা হবে বুধবার (২৭ ডিসেম্বর)। এদিন দলটির সভাপতি শেখ হাসিনা জাতির সামনে নিজেদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি তুলে ধরবেন।

এবারের ইশতেহারে গত ১৫ বছরে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বধীন সরকারের বদলে যাওয়া দৃশ্যপট রাখা হয়েছে। পাশাপাশি বেশ কয়েকটি অগ্রাধিকারসহ তুলে ধরা হয়েছে আগামী নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি।




ইশতেহার ঘোষণার আগে তরুণদের চাওয়া শুনলেন প্রধানমন্ত্রী




বিএনপি-জামায়াত নির্বাচনে অংশ না নিয়ে আগুন দিয়ে মানুষ পোড়াচ্ছে : রাশেদ খান মেনন

এস এল টি তুহিন, বরিশাল :: বরিশাল-২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসনে নৌকার প্রার্থী রাশেদ খান মেনন বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত দৌড়ে বেড়িয়েছেন যেন এই নির্বাচন তাঁদের মনমতো হয়। যখন তাঁরা দেখলেন সেটা করতে পারছেন না, তখন তাদের (যুক্তরাষ্ট্রের) একটাই লক্ষ্য, শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়া।

আজ সোমবার বিকেলে বানারীপাড়া সদর ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) এক উঠান বৈঠকে মেনন এসব কথা বলেন।

ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি আরও বলেন, ‘তাঁরা বঙ্গোপসাগরে ঘাঁটি চান, আমার দেশে অস্ত্র বিক্রি করতে চান, আমার দেশের গ্যাস চান। যখন তা-ও পারলেন না, তখন ভিসা নীতি ঘোষণা করলেন। প্রধানমন্ত্রী জবাবে সংসদে বলেছেন, সাত সমুদ্র পেরিয়ে আমেরিকা যাওয়ার দরকার নাই।’

রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘এই নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত অংশ নেয়নি। ২০১৪ সালেও অংশ না নিয়ে আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়েছে। এবারও একই কাজ করছে। বিএনপি যাদের খুঁটির জোরে নড়ছে, তারা হচ্ছে পশ্চিমা বিশ্ব, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলো। তারা এক বছর আগে আমাদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের নামে স্যাংশন দিয়েছে।’

তিনি বানারীপাড়াবাসীকে প্রতিশ্রুতি দেন, নির্বাচিত হলে প্রথমেই শেখ হাসিনার কাছ থেকে এখানকার সন্ধ্যা নদীতে সেতু নির্মাণ আদায় করে নেবেন।

বানারীপাড়া সদর ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত উঠান বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম ফারুক। বক্তব্য দেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাওলাদ হোসেন ছানা, পৌর মেয়র সুভাষ চন্দ্র শীল, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল জলিল ঘরামী, ওয়ার্কার্স পার্টির জেলা সাধারণ সম্পাদক নজরুল হক নিলু প্রমুখ।