ভোলা থেকে পাইপলাইনে বরিশালে গ্যাস আসবে : প্রধানমন্ত্রী

বরিশাল অফিস :: ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ভবিষ্যতে ভোলা থেকে পাইপলাইনে বরিশালে গ্যাস দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। তার আগে আপনাদের জন্য সুখবর হচ্ছে ভাঙ্গা থেকে বরিশাল ছয় লেনের আধুনিক মহাসড়ক তৈরি করা হবে। এজন্য ইতিমধ্যেই জমি অধিগ্রহণ কাজ শুরু করা হয়েছে।

বরিশালের বঙ্গবন্ধু উদ্যানের বিশাল জনসভায় শুক্রবার বেলা তিনটায় উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপির অপশাসনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালে মানুষ আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়েছিল। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে বাংলাদেশ এগিয়ে যায়। আজকের বাংলাদেশ বদলে যাওয়া বাংলাদেশ। আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপরেখা দিয়েছিলাম, কথা দিয়েছিলাম ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেব। কোনো ঘর অন্ধকারে থাকবে না। সেই কথা আমরা রেখেছি।আজকে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিয়েছি। দারিদ্র্য বিমোচন করেছি।

 

ডিজিটাল বাংলাদেশ করেছি। শেখ হাসিনা বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের কৃষি, অর্থনীতি হবে স্মার্ট অর্থনীতি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন সোনার বাংলা গড়বেন। ১৯৭২ সালে যখন তিনি দায়িত্ব নেন তখন এদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় ছিলো ৯১ ডলার। যুদ্ধের সময় কৃষি উৎপাদন হয়নি, চারিদিকে অভাব অনটন ছিলো। মাত্র দুই বছরে তিনি মাথাপিছু আয় ২৭০ ডলারে বৃদ্ধি করেন।
৭৫ এ জাতির পিতাকে হত্যার পরে জিয়া-মোশতাক ক্ষমতায় আসে। তারা মানুষের ভাগ্য বদলাতে পারেনি। তাদের সময়ে মাথাপিছু আয় আরো কমে যায়। বাংলাদেশের যতটুকু সম্মৃদ্ধি হয়েছে তা হয়েছে আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় আসে তখন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ ছিলো অন্ধকার যুগ। ঐ সময় এই বাংলাদেশকে তারা দুর্নীতির অভয়ারণ্য করেছিলো। বিগত ১৫ বছর ক্ষমতায় থেকে আমরা দেশের উন্নয়ন করেছি। অন্ধকার যুগ থেকে আলোর পথে ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণ করেছি। আমরা চিকিৎসা সেবা, খাদ্য ও বিনামূল্যে বইসহ সব ধরনের ভাতা নিশ্চিত করেছি। কোভিড সময়ের বন্ধাত্ব দূর করেছি। আমরা ১ কোটি ২ লক্ষ ৭০ হাজার কৃষককে ব্যাংকের মাধ্যমে ভর্তুকি পাঠিয়ে দেই।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা কৃষিতে বিপ্লব ঘটিয়েছি। আবারো বরিশালকে শস্য ভান্ডার বানানো হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা পায়রা ও পদ্মাসেতু করেছি, পায়রা বন্দর হয়েছে, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, মেরিন একাডেমি হয়েছে। ভোলার গ্যাস সিএনজি করে আপাতত ঢাকায় নিচ্ছি, ভবিষ্যতে ভোলার গ্যাস বরিশালে আনার ব্যবস্থা করবো। আমরা বিশেষ পেনশন স্কিম করেছি। এখন আমরা আধুনিক দক্ষ যুবসমাজ তৈরিতে কাজ করছি।

বিএনপি জামাতের সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, রেললাইনে আগুন, ক্লিপ খুলে ফেলা এসব কি মানুষের কাজ হতে পারে। তারা মানুষ নয়, তারা সন্ত্রাসী, খুনি ও যুদ্ধাপরাধী। এরা নির্বাচন চায়না, আপনারা ৭ জানুয়ারী ভোট কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে নৌকা প্রার্থীদের ভোট দিয়ে বিএনপি জামাতের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান।

তিনি বলেন, এই নৌকা নূহ নবীর নৌকা, প্লাবন থেকে এই নৌকা হাজার মানুষকে বাঁচিয়ে ছিলো।

এই নৌকা বঙ্গবন্ধুর নৌকা, এই নৌকা আওয়ামী লীগের নৌকা দাবী করে প্রধানমন্ত্রী বরিশাল বিভাগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে তাদের জন্য নৌকায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 




‘দেশকে উন্নয়নের শিখরে নিতে হলে নৌকার বিকল্প নেই’

বরিশাল অফিস :: পিরোজপুর-১ (নাজিরপুর-পিরোজপুর সদর ও ইন্দুরকানী) আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, পিরোজপুরকে শান্তির জনপথ এবং উন্নয়নের জনপদের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখার জন্য শেখ হাসিনার নৌকা প্রতীকে ভোট দিতে হবে। নৌকা বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরতœ শেখ হাসিনার প্রতীক। দেশকে উন্নয়নের শিখরে নিতে হলে নৌকার বিকল্প নেই।

শুক্রবার  সকালে নাজিরপুর উপজেলার ৯নং কলারদোয়ানিয়া ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে এক নির্বাচনী সভায় তিনি এসব কথা বলেন। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী করার স্বার্থে, আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখার স্বার্থে, স্বাধীনতা বিরোধীদের বিরুদ্ধে লড়াই করার স্বার্থে এবং দুর্নীতিবাজ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে পিরোজপুরকে শান্তির জনপথ এবং উন্নয়নের জনপদে অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখার জন্য নৌকা প্রতীকে ভোট দিবেন।

তিনি বলেন, আপনারা আমার ভাই এবং বোন আপনাদের কাছে আমার অনুরোধ ৭ জানুয়ারী একজন মানুষও বাড়িতে থাকবেন না, আপনারা সবাইকে ভোট কেন্দ্রে নিয়ে আসবেন এবং সবাই মিলে নৌকায় ভোট দিবেন। তিনি আরো বলেন, এই নৌকা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন ঘটিয়েছেন। আর আমি আমার সাধ্যমতো নাজিরপুরসহ নির্বাচনী এলাকায় উন্নয়ন করেছি। সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নির্ঝর কান্তি বিশ্বাস, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যার মোস্তাফিজুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা কমানন্ডার শেখ আবদুল লতিব, সাধারণ সম্পাদক চঞ্চল কান্তি বিশ্বাস, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফেদাউস রুনা, ৯নং কলারদোয়ানিয়া ইউপি চেয়ারম্যান হাসনাত ডালিমসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

সভায় মন্ত্রী বিভিন্ন শ্রেণির-পেশার মানুষের সাথে মতবিনিময় এবং লিফলেট বিতরণ করেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারকে আবারও নির্বাচিত করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আনার আহবান জানিয়ে তার নির্বাচনী এলাকায় উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরেন। পরে মন্ত্রী দেউলবাড়ী দোবড়া ইউনিয়নের গাওখালী স্কুল এ- কলেজ মাঠে নির্বাচনী সভায় বক্তব্য রাখেন।




আ.লীগে সর্বকনিষ্ঠ হলেও চেতনা জয় বাংলায় আমি পুরোনো: শাহজাহান ওমর

রিশাল অফিস : ঝালকাঠি-১ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী শাহজাহান ওমর বীর উত্তম বলেছেন, প্রিয় ভাই ও বোনেরা বিজয়ের মাসের শুভেচ্ছা গ্রহণ করুন। আমি আপনাদের দলের

সর্বকনিষ্ঠ সদস্য। আশা করি আপনারা আমাকে সর্বকনিষ্ঠ সদস্য হিসেবে গ্রহণ
করবেন।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে শুক্রবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে বরিশাল নগরের বঙ্গবন্ধু উদ্যানে আওয়ামী লীগের জনসভায় বক্তব্য প্রদানকালে এসব কথা বলেন তিনি।

এসময় শাহজাহান ওমর বলেন, সর্বকনিষ্ঠ হলেও, আমার চেতনা জয়বাংলা কিন্তু সর্বকনিষ্ঠ নয়, এটা অনেক পুরাতন। ১৯৭১ সালে পাকিস্তান আর্মি পরিত্যাগ করে জুম্মু-কাশ্মীর হয়ে ভারতে আসি। সেখান থেকে ওসমানীর সঙ্গে দেখা করে মিলনদের মতো মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে দেশে আসি এবং সর্ব প্রথম আমার ভাই আলহাজ আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ’র আগৈলঝাড়া উপজেলার পয়সারহাট গ্রামে উপস্থিত হই। এরপর বরিশাল বিভাগের ৩৪টি থানায় ৩৪টি সংগঠন করে বারবার যুদ্ধে অংশগ্রহণ করি। তিনি বলেন, আমার সৌভাগ্য হয়েছিল, এদেশের জন্য তিনবার গুলিবিদ্ধ হওয়ার।

আর স্বাধীনতার পরে বঙ্গবন্ধু এই অঞ্চল থেকে একমাত্র আমাকে জীবিতদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ বীরউত্তম খেতাবে ভূষিত করেছিলেন। আমি বঙ্গবন্ধুর ডাকে ৭১ সালে যুদ্ধ করেছি। আমার চেতনা ছিল জয় বাংলা। আর এই জয় বাংলা বলেই আমি শত্রু বাহিনীদের ওপর অ্যাটাক করতাম। কাজেই আমার চেতনা নতুন কিছু নয়।

নৌকা প্রতীকের এ প্রার্থী বলেন, বঙ্গবন্ধু শুধু দেশ স্বাধীনই করেননি। বঙ্গবন্ধুর মতো দৃঢ় নেতৃত্ব না থাকলে এ দেশ থেকে মিত্রবাহিনী যেত কি না আমার সন্দেহ। ৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয় কিন্তু এখনও জাপান-কোরিয়ায় আমেরিকান আর্মি। জার্মান- কিউবাতে আমেরিকান আর্মি। বঙ্গবন্ধুর এটা বিশেষ অবদান। স্বাধীনতা ছাড়া আর কোনো কারণে বঙ্গবন্ধুকে স্মরণ করতে হয়, তাহলে আমরা বলব বঙ্গবন্ধু এই জাতিকে একটা নিরলস-নির্ভেজাল জাতি উপহার দিয়েছেন।

কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন ও বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মো. ইউনুস জনসভার সঞ্চালনা করেন। সভায় শাহজাহান ওমরের আগে বক্তব্য রাখেন আওয়াামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, দপ্তর সম্পাদক বিপ-ব বড়–য়া, যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, বরিশাল-৬ আসনের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আবদুল হাফিজ মল্লিক নৌকা, বরিশালের সন্তান অভিনেতা মীর সাব্বির, অভিনেত্রী তারিন জাহান প্রমুখ।




নৌকার বাইরে গিয়ে বিভ্রান্ত হওয়ার সুযোগ নেই: মেনন

বরিশাল অফিস :: বরিশাল-২ আসনে জোটের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ও বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেছেন, নৌকার বিকল্প কিছু নেই, নৌকায় ভোট দিতে হবে। নৌকার বাইরে গিয়ে বিভ্রান্ত হওয়ার সুযোগ নেই।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে শুক্রবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেলে বরিশাল নগরের বঙ্গবন্ধু উদ্যানে আওয়ামী লীগের জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। এ জনসভায় উপস্থিত রয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উপস্থিতদের উদ্দেশে মেনন বলেন, নৌকায় ভোট দিয়ে আমাকে নয়, নিজেকে বিজয়ী করুন, শেখ হাসিনাকে বিজয়ী করুন।

তিনি বলেন, এবারের নির্বাচন কোনো সহজ নির্বাচন নয়, জটিল নির্বাচন। শুরু থেকেই বিএনপি-জামায়াত জোট এবং তাদের ডান-বাম সহযোগীরা নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য, নির্বাচনকে আটকে দেওয়ার জন্য একের পর এক ষড়যন্ত্র করে আসছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয় যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলো।

তিনি আরও বলেন, তারা কখনো স্যাংশন দেয়, কখনো ভিসানীতি দেয়, কখনো হুকুম জারির মাধ্যমে চেষ্টা করে তাদের মতো করে সাজিয়ে এগোতে। আমরা তখনই বলেছিলাম,
তাদের লক্ষ্য অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচন নয়, তাদের লক্ষ্য বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার সরকারকে হটিয়ে দিয়ে একটি অসাংবিধানিক সরকার কায়েম করা, যাতে এ অঞ্চলে বঙ্গোপসাগরে
ঘাঁটি নির্মাণ করাসহ আমার দেশের মানুষের ওপর খবরদারি কায়েম করা সম্ভব হয়।

মেনন বলেন, আজ এই নির্বাচনকে সফল করতে আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

বিএনপি-জামায়াত আসেনি বলে নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক নয়, এ কথা সত্য নয়, জনগণ অংশ নেবে।

তিনি বলেন, আমার নির্বাচনী এলাকা বানারীপাড়া-উজিরপুর উপজেলায় নির্বাচন একেবারে পরিপূর্ণ উৎসবে রূপ নিয়েছে। কেবল আমার এলাকায় নয়, বরিশাল বিভাগের সর্বত্র নির্বাচন উৎসবে রূপ নিয়েছে। মানুষ উৎসব-আনন্দের মধ্য দিয়ে এ নির্বাচনে অংশ নেবে।

মেনন বলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে আমাদের অর্থনীতিতে অনেক সংকট হয়েছে,জিনিস-পত্রের দাম বেড়েছে। সেদিকে খেয়াল রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত
পরশু তিনি যে ইশতেহার ঘোষণা করেছেন, তাতে প্রথম প্রতিশ্রæতিই হলো দ্রব্যমূল্য জনগণের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে নিয়ে আসা। দ্বিতীয় প্রতিশ্ররুতি হলো- দুর্নীতি- দুর্বৃত্তায়ন রোধ করা, সন্ত্রাস রোধ করা, সা¤প্রদায়িকতা রোধ করা। তিনি ইশতিহারের ১১টি বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। আসুন এ নির্বাচনে ভোট দিয়ে বঙ্গবন্ধুকন্যাকে নির্বাচিত করি স্মার্ট বাংলাদেশের নাগরিক হওয়ার জন্য।

 




বিএনপি ফাউল করে লাল কার্ড খেয়ে পালিয়ে গেছে: ওবায়দুল কাদের

বরিশাল অফিস :: রাজনীতির মাঠে বিএনপি লাল কার্ড খেয়ে ফাউল করে বিদায় নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, ‘বিএনপি কোথায়? পালিয়ে গেছে। তো কার সঙ্গে খেলবেন? ১৮৯৬ জন (নির্বাচনের প্রার্থী) আছেন, এখনও খেলার জন্য প্রস্তুত। ওরা (বিএনপি) পালিয়ে গেছে, পল্টনের খাদে পড়ে গেছে বিএনপির এক দফা।’

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে শুক্রবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকালে বরিশাল নগরের বঙ্গবন্ধু উদ্যানে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্যে কাদের এসব কথা বলেন। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘খেলা হবে, জোরদার খেলা হবে। বঙ্গবন্ধুর কন্যা বসে আছেন, বিজয়ের লাল সূর্যের পতাকা হাতে। ৭ জানুয়ারি বিজয়ের বন্দরে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা পৌঁছাবো ইনশাল্লাহ।’ তিনি বলেন, ‘এই বরিশাল ছিল বঙ্গবন্ধুর আন্দোলনের দুর্গম দুর্জয় ঘাঁটি। আজকের বরিশাল শেখ হাসিনার দুর্জয় ঘাঁটি। আসুন আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হই।’

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বাংলাদেশে এমন নেতা নেই, যে নেতা নির্বাচনী ইশতেহারে বলেন- অতীতে যদি ভুল করে থাকি সামনে সেই ভুল সংশোধন করবো। এমন সৎ সাহস বাংলাদেশের রাজনীতিকদের মধ্যে বঙ্গবন্ধুর কন্যা ছাড়া আর কেউই দেখাতে পারেননি। ভুল থেকে শিক্ষা নেবেন, ক্ষমতার দাপটে নেতারা এটা স্বীকার করেন না। কিন্তু শেখ হাসিনা স্বীকার করেছেন।’

৭ জানুয়ারি বিপুল ভোটের খেলা হবে উল্লেখ করে কাদের বলেন, সব সংকট-সব দুঃসময়ে, পঁচাত্তর পরবর্তী বঙ্গবন্ধুর রক্তভেজা মাটিতে শেখ রেহানা ছিলেন তার (শেখ হাসিনার) সহযোদ্ধা। আজ বরিশালের মাটিতে তারা দুই বোন পাশাপাশি বসে আছেন নির্ভয়ে। আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় পান না বঙ্গবন্ধুর কন্যা, জনগণ আমাদের শক্তি। কারও হুমকি-ধমকিতে শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা মাথা নত করেন না।

জনসভায় সভাপতিত্ব করেন বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ। সঞ্চালক ছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন ও বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মো. ইউনুস। আরও বক্তব্য দেন ১৪ দলীয় জোটের সমন্বয়ক ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক শাম্মী আহমেদ, যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, বরিশাল-৬ আসনের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আবদুল হাফিজ মল্লিক নৌকা, বরিশালের সন্তান অভিনেতা মীর সাব্বির, অভিনেত্রী তারিন জাহান, বরিশাল-২ আসনে জোটের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ও বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, পিরোজপুর-২ আসনে জোটের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ও জাতীয় পার্টি (জেপি) চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, ঝালকাঠি-১ আসনের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর প্রমুখ।




নওগাঁ-২ আসনের নির্বাচন স্থগিত হচ্ছে




একদিনে বিএনপির ৭০ নেতাকর্মীর কারাদণ্ড

চন্দ্রদ্বীপ  ডেস্ক: বিভিন্ন মামলায় বিএনপির ৭০ নেতাকর্মীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী এবং মেজর (অব.) মো. হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম।

বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) রাজধানীর পাঁচটি থানার মামলায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এসব আদেশ দেন।

বিএনপির আলতাফ-হাফিজের ২১ মাসের কারাদণ্ড
পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী এবং মেজর (অব.) মো. হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রমসহ তিনজনের ২১ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। কারাদণ্ডপ্রাপ্ত অপর আসামি সাবেক বিএনপি নেতা ও বিএনএমের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) মো. হানিফ ।

বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন মেজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরী পৃথক দুই ধারায় এ কারাদণ্ডাদেশ দেন। দণ্ডবিধি ১৪৩ ধারায় তাদের তিনমাস ও দণ্ডবিধির ৪৩৫ ধারায় দেড় বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। অনাদায়ে তাদের আরও এক মাসের কারাভোগ করতে হবে। বয়স বিবেচনায় অভিযুক্তদের এ কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে বলে রায়ে উল্লেখ করেন বিচারক।

মামলার অন্য আসামি এমএ আউয়াল খান, মো. রাসেল, মঈনুল ইসলাম, মো. বাবুল হোসেন ওরফে বাবু ও মো. আলমগীর হোসেন ওরফে রাজুকে পৃথক দুই ধারায় সাড়ে তিন বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত।




পটুয়াখালীতে পিক-আপের ধাক্কায় গুরতর আহত দুই

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়ায় সেতুর ঢালে এক মোটরসাইকেল চলন্ত মাছবাহী পিকআপের নীচে পড়ে দুই মোটরসাইকেল যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে কলাপাড়া-কুয়াকাটা সড়কের হাজীপুর শেখ জামাল সেতুর ঢালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

গুরুতর আহত মোটরসাইকেল আরোহী লিটন খান ও খালেক খান স্থানীয় বাসিন্দা।  তাদের দুইজনেরই পা ও হাত ভেঙ্গে গেছে এবং  মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়েছে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মৎস্যবন্দর মহিপুর থেকে মাছ নিয়ে পিকআপটি  কলাপাড়ার দিকে আসার পথে বিপরীত দিক থেকে আসা মোটরসাইকেলটিকে চাপা দিলে মোটরসাইকেলটি পিকআপের নিচে ঢুকে যায়।  এতে মোটরসাইকেলে থাকা দুই আরোহী গুরুতর আহত হন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে প্রথমে কলাপাড়া স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি ঘটলে দুইজনকেই বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।

কলাপাড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোস্তাফিজুর রহমান জানান,  পুলিশ দুর্ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে গিয়ে দুর্ঘটনা কবলিত পিকআপটি আটক করেছে।  এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।




নৌকা ডোবাতে একাট্টা মনোনয়ন বঞ্চিতরা, পটুয়াখালী-৩

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা – দশমিনা) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নবঞ্চিতরা একাট্টা হয়েছেন। তারা যে কোনো মূল্যে নৌকার প্রার্থী এস এম শাহজাদাকে হারাতে চাইছেন।

এজন্য স্বতন্ত্র প্রার্থী লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আবুল হোসেনের পক্ষে কাজ করছেন।

আগামী ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে এখানে ছয় প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও মূল লড়াই হবে আওয়ামী লীগের এসএম শাহজাদা ও স্বতন্ত্র আবুল হোসেনের ঈগলের মধ্যে।

আওয়ামী লীগ থেকে ১৯ জন মনোনয়ন চেয়েছিলেন। মনোনয়নবঞ্চিতরা প্রকাশ্যে ও গোপনে ঈগলের পক্ষে কাজ করছেন। এতে গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলা আওয়ামী লীগে দেখা দিয়েছে বিভক্তি।

স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন মনোনয়নবঞ্চিত গলাচিপা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সন্তোষ কুমার দে, দশমিনা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল মাহমুদ লিটন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সাখাওয়াত হোসেন শওকত, গলাচিপা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র আহসানুল হক তুহিন এবং তাদের অনুসারীরা।

সন্তোষ কুমার দে বলেন, ‘অংশগ্রহণ মূলক নির্বাচন উপহার দিতে আমরা স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছি। এতে কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি বাড়বে। বর্তমান এমপি দলের অনেক ক্ষতি করেছেন। নতুন নেতৃত্ব হিসেবে সবাই আবুল হোসেনকে চাইছেন।’

ইকবাল মাহমুদ লিটন বলেন, ‘নেত্রীর নির্দেশনায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছি। আবুল হোসেনের কাছে দল ও নেতা কর্মীরা নিরাপদ।’

অন্য দিকে নৌকার প্রার্থীর পক্ষে আছেন গলাচিপা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা টিটো, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহীন শাহ, সহসভাপতি মজিবুর রহমান প্যাদা, দশমিনা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ, সহসভাপতি মশিউর রহমান ঝন্টুসহ একাংশ।

গোলাম মোস্তফা টিটো বলেন, ‘মনোনয়নবঞ্চিত নেতারা শাহজাদার বিপক্ষে একাট্টা হয়েছেন। দল ও নেত্রীকে ভালোবাসলে নৌকার বিপক্ষে যাওয়ার সুযোগ নেই।’

আব্দুল আজিজ বলেন, ‘আসনটি নৌকার ঘাঁটি। এখানকার মানুষ নৌকা ছাড়া কিছু চেনেন না, নৌকাকেই বিজয়ী করবেন।’

নৌকার প্রার্থী শাহজাদা বলেছেন, আমার কাছ থেকে অবৈধ সুবিধা পাবেন না বুঝতে পেরে একাংশ নৌকার বিরোধিতা করছেন। তারা সব সময় নতুন কেউ এলে তাঁকে নিয়ে কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। কারণ তাঁকে ভেঙে খাওয়া সহজ। আওয়ামী লীগের মতো বড় দলে এমন দুষ্টুচক্র নিয়ে চিন্তার কিছু নেই।




স্বতন্ত্র প্রার্থীর ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীর ছবি বিকৃতির অভিযোগ

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): জাতীয় সংসদের ১১৪, পটুয়াখালী-৪ নির্বাচনী এলাকায় আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বঞ্চিত স্বতন্ত্রপ্রার্থী মোঃ মাহবুবুর রহমান তাঁর ফেসবুক আইডিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি বিকৃত করে তার হাতে ঈগল রেখে ভোটারদের সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করছেন।

এতে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মোতালেব তালুকদার বলেন, ‘১৮ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দের দিন জেলা রিটার্নিং অফিসার স্বতন্ত্র প্রার্থীদের প্রচারণায় দলীয় পদ পদবী, দলীয় প্রধানের ছবি ব্যবহার, দলীয় স্লোগান ব্যবহার না করার ব্যাপারে স্পষ্টত বলে দেন। তবে জয় বাংলা উচ্চারণে বাঁধা নেই, এটি রাষ্ট্রীয় স্লোগান।’

মোতালেব তালুকদার জানান, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতীক নৌকা। আর দলের প্রধান শেখ হাসিনা।
সেক্ষেত্রে আচরণবিধি অনুযায়ী শুধুমাত্র নৌকাকে শেখ হাসিনার ছবির সঙ্গে যুক্ত করে প্রচারণা চালানো যাবে। অন্য কোন প্রতীকের সঙ্গে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার ছবি ব্যবহার করে প্রচারণা চালানো আচরণবিধি লঙ্ঘন।
আর যেখানে প্রার্থী নিজেই তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে এই চিত্র ব্যবহার করে ভোট প্রার্থনা করেছেন, সেহেতু আচরণবিধি অবশ্যই লঙ্ঘন হয়েছে।

মোতালেব তালুকদার আরো বলেন, এছাড়া মাহবুবুর রহমান যেহেতু দলের পদে আছেন, সেক্ষেত্রে তিনি দলীয় শৃঙ্খলাও ভঙ্গ করেছেন। আমরা সাংগঠনিক ভাবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবো এবং সেই সাথে নির্বাচন কমিশন বরাবরও লিখত অভিযোগ দেবো।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও কলাপাড়া ইউএনও মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, স্বতন্ত্র প্রার্থী কোন দলের প্রধানের ছবি ব্যবহার করে নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে পারবে না। কেউ এ ধরণের কাজ করলে সেটি আচরণবিধি লঙ্ঘনের মধ্যে পড়বে। প্রার্থী নিজে তার ফেসবুক আইডিতে এ ধরনের চিত্র পোস্ট করে থাকলে, সেটি আমরা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

এদিকে এ অভিযোগ ওঠার পর স্বতন্ত্রপ্রার্থী মোঃ মাহবুবুর রহমানের ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীর বিকৃত ওই ছবিটা সরিয়ে ফেলা হয়। এ বিষয়ে ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ মাহবুবুর রহমান জানান, এটা অন্য কেউ করতে পারেন, কিন্তু এর দায় ভার আমার নয়। আমি এ ধরনের কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত নই।

পটুয়াখালী রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মোঃ নূর কুতুবুল আলম বলেন, ‘এ বিষয়ে আমাদের কাছে কেউ কোন লিখিত অভিযোগ করেনি। তথ্য, প্রমাণসহ অভিযোগ পেলে ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি কমিটির কাছে প্রেরণ করা হবে, বিষয়টি তারা দেখবেন।