আমার একটি স্বপ্ন বাকী ভোলা-বরিশাল ব্রীজ : তোফায়েল

বরিশাল অফিস ::ভোলা হবে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্নত জেলা। বাংলাদেশের প্রত্যেকটি গ্রাম শহরে পরিণত হয়েছে, মানুষ ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পাচ্ছে, মানুষ এখন শান্তিতে আছে, আমাদের গ্রামগুলো এখন শহরে রুপান্তরিত হয়েছে। খালী পায়ে এখন আর স্কুল কলেজে যেতে হয় না।

আমার স্বপ্ন ছিল ভোলাকে নদী ভাঙ্গনের হাত থেকে রক্ষা করা। সেই স্বপ্ন আমার পুরণ হয়েছে। আরও একটি স্বপ্ন বাকী আছে, তা হলো ভোলা-বরিশাল ব্রীজ। আজ হোক কাল হোক ভোলা-বরিশালের ব্রীজ হবেই হবে।

গ্যাস, বিদ্যুৎ সমৃদ্ধ জেলা ভোলা। ভোলা হবে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্নত জেলা। বিরোধীয় দলগুলো ভোটে অংশ না নিয়ে এখন দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তাই বিরোধীদের এই অপচেষ্টা থেকে দেশটাকে বাঁচাতে আগামী ৭ জানুয়ারি সকলে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে নৌকা মার্কায় ভোট দিবেন।

৩০ ডিসেম্বর (শনিবার) বিকালে ভোলা সদর উপজেলার চরসামাইয়া ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে জনসংযোগে এক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

চরসামাইয়া ইউনিশনের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মাতাব্বরের সভাপতিত্ব আরও বক্তব্য রাখেন, ভোলা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মমিন টুলু, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মইনুল হোসেন বিপ্লব, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোশারেফ হোসেন, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম গোলদার, জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যান বিষয়ক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মুজিবুর রহমান মুজিব, উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান মোঃ ইউনুছ সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।




বিএনপি করায় রাজাকার শুনতে হয়, আ.লীগে যোগ দিয়ে রেজাউল

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ রেজাউল করিম রেজা আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন।

পটুয়াখালী-৪ আসনের আওয়ামী লীগ প্রার্থী মহিববুর রহমানের হাতে ফুল দিয়ে তিনি আওয়ামী লীগে যোগদান করেন।

রেজাউল করিম রেজা বলেন, আমি এক সময় আওয়ামী লীগে ছিলাম। কোনও এক কারণে বিএনপিতে এসেছি। বিএনপি করায় অনেকে রাজাকার বলে। অনেকে আরও বাজে মন্তব্য করে। এছাড়া, আমি বিএনপিতে তেমন মূল্যায়ন পাইনি। যাদের আমি কাজেও রাখি না তাদের যদি আমার উপরে পদ দেয়। এটা হলো মানুষকে সম্মানের সহিত বেইজ্জতি করা। তাই আমি আবার সাবেক যায়গায় যোগদান করেছি।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ প্রার্থী মহিববুর রহমানকে আমার মন থেকে ভালো লাগে। তার কাজগুলো অনেক ভালো। তাই মহিববুর রহমানের হাতে ফুল দিয়ে আওয়ামী লীগে যোগদান করেছি।

কলাপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোতালেব তালুকদার বলেন, বিএনপি বার বার নির্বাচনে না আসায় নেতাকর্মীরা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। সৈয়দ রেজাউল করিম রেজা ভালো ছেলে, ভালো ব্যবসায়ী। তাকে আমরা সাধুবাদ জানাই।

কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাজী হুমায়ুন শিকদার বলেন, তার পরিবারের সবাই আওয়ামী লীগ। এছাড়া, দলীয় কোনও কর্মকাণ্ডে তিনি ছিলেন না। সে মুখে মুখে বিএনপি করতো। তারপরেও তাকে বিএনপিতে রাখতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদ দেওয়া হয়েছিলো। কিন্তু সে পদ পেয়েও ফেসবুকে বিএনপিকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছে। তাকে আমরা বহিষ্কার করবো।




ভোটারদের মন জয় করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন আলী আজম মুকুল

বরিশাল অফিস :: ভোলা-২ আসনে আওয়ামীলীগের দর্লীয় প্রার্থী আলহাজ¦ আলী আজম মুকুল প্রতিক বরাদ্ধ পাওয়ার পর থেকে বোরহানউদ্দিন ও দৌলতখান উপজেলায় দিন-রাত গণ সংযোগ ও উঠান বৈঠক করে ভোটারদের মন জয় করার জন্য কাজ করছেন।

তিনি উঠান বৈঠক কালে আওয়ামীলীগের শাসন আমলে দেশের বিভিন্ন উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরছেন ভোটারদের কাছে। এছাড়া ভোলা কে মেঘনার ভাঙ্গন হতে রক্ষায় স্থায়ী বøক নির্মানের কাজ তুলে ধরেন।

ওই সময় আলী আজম মুকুল ৭ই জানুয়ারী ভোট কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের সরব উপস্থিতি এবং নৌকা মার্কায় ভোট দেয়ার জন্য সকলকে অনুরোধ জানান।

তার সাথে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, আওয়ামীলীগের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন হায়দার ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦ রফিকুল ইসলাম ও আওয়ামীলীগ নেতা মো. জাফর উল্ল্যাহ চৌধুরী সহ দুই উপজেলার আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা তাকে জয়ী করার জন্য এক সাথে মাঠ পর্যায় কাজ করছেন।

এছাড়া গ্রাম-গঞ্জে গিয়ে উঠান বৈঠক করে ভোটারদের আকৃষ্ট করার জন্য কাজ করছেন আলী আজম মুকুল এর স্ত্রী জাহানারা ইয়াসমিন বুলু, ছেলে রায়হান আবিদ অমি, ছেলের বউ ফাহমিনা আক্তার হক প্রমূখ সহ পরিবারের সদস্যেরা।

 




২০ শর্তে সোমবার রাজধানীতে আ.লীগের নির্বাচনী জনসভা




শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকলেই দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়ন হয়: হাসানাত আব্দুল্লাহ

বরিশাল অফিস :: দেশের জনগণ সন্ত্রাসের পক্ষে নয়, উন্নয়নের পক্ষে। শেখ হাসিনার সরকার চারবার ক্ষমতায় থেকে দেশের সকল সেক্টরের সার্বিক উন্নয়ন করেছে। বাংলাদেশ আজ বহি:বিশ্ব উন্নয়নের রোল মডেল। আর শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকলেই দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়ন হয়। তাই আগামী ৭ জানুয়ারি নৌকায় ভোট দিয়ে পুনরায় শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নৌকা মার্কায় ভোট দিন।

 শনিবার বিকালে বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের চেঙ্গুটিয়া ঈদগাঁ মাঠে আওয়ামী লীগ আয়োজিত নৌকা মার্কার উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বরিশাল-১ আসনে নৌকার প্রার্থী আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ।

রাজিহার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হরেকৃষ্ণ হালদারের সভাপতিত্বে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহ মো. লিটনের সঞ্চালনায় উঠান বৈঠকে বক্তব্য রাখেন আগৈলঝাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুনীল কুমার বাড়ৈ, রাজিহার ইউপি চেয়ারম্যান ইলিয়াস তালুকদার।

উপস্থিত ছিলেন বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এসএম হেমায়েত উদ্দিন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মলিনা রাণী রায়, ভাইস চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম তালুকদার, জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য এ্যাডভোকেট রনজিৎ কুমার সমদ্দার, যুগ্ম সম্পাদক সাইদুল সরদার, সাংগঠনিক সম্পাদক অনিমেষ মন্ডল, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি কামরুজ্জামান সেরনিয়াবাত আজাদ, সাধারণ সম্পাদক সহিদুল ইসলাম তালুকদার, ছাত্রলীগের সভাপতি মিন্টু সেরনিয়াবাত, সাধারণ সম্পাদক জাকির।

এর আগে আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ রাজিহার, বাশাইল এলাকার পথে পথে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং গণসংযোগ করে নৌকা মার্কায় ভোট প্রার্থণা করেন।

প্রধান অতিথি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ তার বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাস্তবায়ন করা গোটা দক্ষিণাঞ্চল তথা তার মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা গৌরনদী-আগৈলঝাড়া উপজেলার উল্লেখযোগ্য উন্নয়নের সারসংক্ষেপের চিত্র তুলে ধরে আরও বলেন, তার বাবা শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের স্বপ্ন ছিল গৌরনদী-আগৈলঝাড়াকে জেলা ঘোষণা করা।

তার বাবা এজন্য জেলার ভিত্তি প্রস্তরও উদ্বোধন করেছিলেন। বাবার স্বপ্ন পুরণ করতে তিনি জেলা বাস্তবায়নের দাবিতে জাতীয় সংসদে বারবার বিষয়টি উপস্থাপনও করেছেন। প্রবীণ এই নেতা তার জীবনের শেষ সময়ে নির্বাচিত হয়ে তার বাবার লালিত স্বপ্ন গৌরনদী-আগৈলঝাড়া নিয়ে জেলা বাস্তবান করার দৃঢ় ইচ্ছা প্রকাশ করেন।




প্রধানমন্ত্রীর প্রার্থী রাশেদ খান মেননকে জয়ী করতে হবে : তালুকদার মোঃ ইউনুস

বরিশাল অফিস :: বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদেস্য তালুকদার মোঃ ইউনুস বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রার্থী রাশেদ খান মেননকে জয়ী করে বরিশালের উন্নায়ন কাজ এগিয়ে নিতে হবে। তিনি মনোনয়ন বঞ্চিত হলেও দলের পক্ষে কাজ করতে হবে সকল নেতাকর্মীকে সে লক্ষে দলের প্রতিক নৌকা ও প্রার্থী রাশেদ খান মেননকে জয়ী করতে হবে যে কোন মূল্যে।

শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) শনিবার বিকালে উজিরপুর উপজেলার জল্লা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত নৌকা প্রতিকের প্রার্থী রাশেদ খান মেননের উঠান বৈঠকের প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এ কথা বলেন।

সমীর মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উঠান বৈঠকে আরো বক্তাব্য রাখেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা আনিসুর রহমানসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

ইউনুস আরো বলেন, দেশের স্বার্থে সুষ্ঠ নির্বাচন প্রয়োজন আর সে নির্বাচনে শেখ হাসিনাকে আবারও প্রধান মন্ত্রী হিসাবে প্রয়োজন সেকারনে বরিশাল -২ আসন (উজিরপুরও বানারীপাড়ায় )১৪ দলের প্রার্থী রাশেদ খান মেননকে দরকার বলেই তাকে জয়ী করতে হবে। আমি যদি পেয়েও সব কিছু ভুলে দলের প্রয়েজনে কাজ করতে পারি সকল নেতাকর্মীদেরও প্রধানমন্ত্রীর প্রয়েজনে নৌকা প্রতিকের পক্ষে কাজ করতে হবে।

উঠান বৈঠক এছাড়াও তিনি বিভিন্ন এলাকায় নৌকা প্রতিকে ভোট প্রার্থনা করে গন সংযোগ করেন।




এমন কিছু করবেন না যেন প্রধানমন্ত্রীর মান-সম্মান ক্ষুন্ন হয়: সতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন রিপন

বরিশাল অফিস :: নির্বাচনের দিন যতই সময় ফুরিয়ে আসছে ততই বরিশালে মহিলা ভোটাররাই স্বতন্ত্র প্রার্থীর পাশে এসে দাঁড়ানোর কারনেই ঝিমিয়ে পড়া নির্বাচনের মাঠের পরিবেশ সরগরম করে তুলেছে।

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বরিশাল সদর (৫) আসনের সতন্ত্র ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী সালাউদ্দিন রিপন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন অবাধ সুষ্ট নিরপেক্ষে নির্বাচন হবে। তাই কখনো ভয় পাবেন না। এবার আপনাদের ভোট কেহ জোড় করে হরন করে নিতে পারবে না।

আজ শনিবার (৩০) ডিসেম্বর বিকালে বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের পপুলার মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে তার নির্বাচনী সভায় একথা বলেন।

তিনি বলেন,আপনিতো অনেক বরিশালের উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন তবে কেন প্রতিপক্ষ সতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক কর্মীদের ভয়ভীতি হুমকি-ধামকি দিচ্ছেন।

এসব ভয়ভীতি দেওয়া বাধ দিয়ে ভোটারদের কেন্দ্রে নির্ভয়ে আসার সুযোগ করে দেন এমন কিছু করবেন না যেন মানবতার মা প্রধানমন্ত্রীর মান-সম্মান ক্ষুন্ন হয় তা করবেন না। আমি বঙ্গবন্ধুর ছাত্রলীগ করা সৈনিক ও প্রধানমন্ত্রীর কর্মী তাই একমাত্র মৃত্যুছাড়া আমাকে নির্বাচনের মাঠ ছেড়ে যাব না। আমি বলছি সঠিক নির্বাচনে আমার প্রতিপক্ষ নির্বাচিত হয় তাহলে আমিই তাকে গ্রহন করে নেব সবার আগে।

এ সময় তার পাশাপাশি বক্তব্য রাখেন সতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন রিপনের সহধর্মীনি লুনা সালাউদ্দিন সহ বিভিন্ন ওয়ার্ড সমর্থক
বৃন্দ।




বরিশালে ১ আসনে হাসানাত আবদুল্লাহ উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

রফিকুল রেজা :: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খাঞ্জাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত (বিকাল- ৪ ঘটিকায়) শনিবার বিকেলে আজ শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) বাকাই মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠ উঠান বৈঠকে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মতলেব মাতুব্বরের সভাপতিত্বে

প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছেন বরিশাল-১ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য, বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এমপি।


এ সময় উপস্থিত ছিলেন,বরিশাল গৌরনদী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জয়নাল আবেদীন, সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র হারিছুর রহমান হারিছ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ফরহাদ হোসেন মুন্সি সহ নেতৃবৃন্দ।




বরিশালের ৬টি আসনে চ্যালেঞ্জে জাপা প্রার্থীরা

বরিশাল অফিস :: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের ৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী হয়েছেন ৪জন। এর মধ্যে কেবল বরিশাল-৩ আসনে সমঝোতার ভিত্তিতে জাপা সংসদ সদস্য গোলাম কিবরিয়া টিপুকে এই আসনটি ছেড়ে দিয়েছে শাসকদল আওয়ামী লীগ। তবে ছাড় পেলেও ভোটের মাঠে কঠিন পরীক্ষার মধ্যে পরেছেন টিপু। তার শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির টিপু সুলতান।

জানা গেছে, বরিশাল-১ আসনে আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ। এই আসনে জাপার প্রার্থী সেকান্দার আলী। এর বাইরে ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) মো. তুহিন আম প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন।

এই আসনে জাপা প্রার্থী টিপুকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন দলের একাংশের নেতাকর্মীরা। গত বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) বিকেলে আগৈলঝাড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে জাতীয় পার্টির লাঙল প্রতীকের প্রার্থী সেরনিয়াবাত ছেকেন্দার আলী বলেন, যারা সংবাদ সম্মেলন করেছে তারা দালাল। গত ৩৫ বছর ধরে পকেট কমিটি করে জাতীয় পার্টিকে ধ্বংস করেছে।

বরিশালের বিভিন্ন আসন ঘুরে জানা গেছে, জাপার প্রার্থীরা আওয়ামী লীগ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের চেয়ে প্রচার প্রচারণায় পিছিয়ে আছেন। এমনকি এসব এলাকার বিভিন্ন রাস্তাঘাটেও জাপা প্রার্থীদের পোস্টার, লিফলেটও তেমন চোখে পরেনি।

এদিকে বরিশাল-২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) এবার ৭ জন প্রার্থী অংশ নিয়েছেন। এই আসনের জাপা প্রার্থী মো. ইকবাল হোসেন তাপস। তিনি বরিশাল-৫ সদর আসনেও জাপা থেকে নির্বাচন করছেন। কিন্ত এই দুটি আসনের কোথাও তার প্রচারণা, গণসংযোগ কিংবা উঠান বৈঠকও চোখে পড়েনি। হাতেগোনা কিছু পোস্টার সাঁটানো হলেও তা চোখে পড়ছে কম।

জানা গেছে, বরিশাল-২ আসনটি আওয়ামী লীগের শরিক ১৪ দলীয় জোটের প্রার্থী ওয়াকার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মো. ইনুসও তার অনুসারীদের নিয়ে মেননের নির্বাচন করছেন।

অপর দিকে বরিশাল-৫ আসনে নৌকার প্রার্থী ও পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল অব. জাহিদ ফারুক শামীম প্রার্থী হয়েছেন। এই আসন থেকে তাপস যেকোনো সময় নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর গুঞ্জন রয়েছে। নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াবেন কি না এমন ইকবাল হোসেন তাপস দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘সরে দাঁড়ানোর বিষয়ে এখনই বলা যাচ্ছে না। আমর দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে রবিবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল ১০ টার দিকে বরিশাল কলেজ সংলগ্ন রজনিগন্ধা ক্লাবে সভা করব। ওই সভায় সিদ্ধান্ত আসবে।’

অপরদিকে বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ) আসনে স্বতন্ত্র ঈগল প্রতীকের প্রার্থী পঙ্কজ নাথ নির্বাচনী মাঠ দখলে রেখেছেন। এই আসনটিতেও জাতীয় পার্টির প্রার্থী থাকলেও তাকে নির্বাচনী মাঠে দেখা যাচ্ছে না। এমনকি নির্বাচনী প্রচার-প্রারণার জন্য পোস্টার, লিফলেট ছাড়াও কোথাও মাইকিং করতেও দেখা যায়নি।

স্থানীয়দের ভাষ্য, এই আসনের নির্বাচনী মাঠে হেভিওয়েট প্রার্থী পঙ্কজ নাথের যে অভিজ্ঞতা রয়েছে তা জাতীয় পার্টির প্রার্থী বরিশাল-৪ আসনে জাতীয় পার্টির মো. মিজানুর রহমানের নেই। এমনকি তাকে এলাকার মানুষও চিনেন না-জানে না।

এছাড়াও বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনেও ঢিলেঢালা ভাবে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছেন সংসদ সদস্য ও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে লাঙল প্রতীকের প্রার্থী নাসরিন জাহান রতনা। গুটিকয়েক অনুসারী ও নিজের স্বামীকে নিয়ে নির্বাচনী গণসংযোগ ও প্রচারণা চালাচ্ছেন তিনি।




বরিশাল ৬ আসনের আ’লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মেজর জেনারেল: অব হাফিজ মল্লিকের এক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বরিশাল অফিস :: বরিশাল ৬ আসনের আ’লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মেজর জেনারেল: অব হাফিজ মল্লিকের এক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকেলে বাকেরগঞ্জের চরাদী ইউনিয়ন আ’লীগের আয়োজনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বরিশাল সরকারি বি এম কলেজের সাবেক ভিপি খান আলতাফ হোসেন ভুলুর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন ড.আমিনুল ইসলাম মাতুব্বর, পারভীন রানী,রাজিব তালুকদার। আওয়ামীলীগসহ সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মী, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সকল শ্রেণি পেশার কয়েক শতাধিক ভোটার

নৌকা মার্কার প্রার্থী মেজর জেনারেল: অব হাফিজ মল্লিক বলেন, ২০৪১ সালের ভিশন স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আগামী ৭ জানুয়ারী নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে বিশ্ব মানবতার মা জননেত্রী আবারো ক্ষমতায় আনতে হবে।