পটুয়াখালীতে নাব্য সংকট চরমে, ঝুঁকি নিয়ে চলছে নৌযান

 

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী : পটুয়াখালীর নৌপথ ঢাকা-পটুয়াখালী নৌরুটে নাব্য সংকটের কারণে ব্যাহত হচ্ছে যাত্রী ও পণ্যবাহী নৌ চলাচল।
জেলার বিভিন্ন নদীতে জেগে উঠেছে ছোট-বড় অসংখ্য ডুবোচর। ভাটার সময় এসব নৌ চ্যানেল দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে নৌযান চলাচল করে। নৌযান নিয়ে প্রায়ই আটকে পড়ে ডুবোচরে। তখন নিরুপায় হয়ে অপেক্ষা করতে হয় জোয়ারের। ফলে ভোগান্তিতে পড়তে হয় যাত্রীদের। পটুয়াখালী টার্মিনালের অবস্থাও বেহাল।

পটুয়াখালী নদীবন্দর সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-পটুয়াখালী-গলাচিপা নৌপথে কবাই থেকে কারখানা, ঝিলনার মোড়ে টেকের চর, রৈহালিয়-লাউকাঠি নদীর মোহনা হতে পটুয়াখালী টার্মিনাল হয়ে লাউকাঠি খেয়াঘাট চ্যানেলে, লাউকাঠি নদীর মোহনা হতে জৈনকাঠি মোড় ও ভুরিয়া লঞ্চঘাট হতে কলাগাছিয়া লঞ্চঘাট পর্যন্ত ডুবোচর থাকায় বিআইডব্লিউটিএ বরাবর ড্রেজিংয়ের জন্য পটুয়াখালী নদীবন্দর থেকে আবেদন পাঠানো হয়েছে।

এমভি ছত্তার খান-১ লঞ্চের মাস্টার আবদুল মালেক জানান,পটুয়াখালী-ঢাকা নৌপথে ডুবো চরের কারণেই যত সমস্যা। সময় মতো গন্তব্যে পৌঁছুতে না পারায় যাত্রীদের দুর্ভোগের সৃষ্টি হচ্ছে। প্রায়ই ডুবো চরে আটকে যায় লঞ্চ। জোয়ার না আসলে গন্তব্যে যাওয়া যায় না।  আমরা নৌ পরিবহন বরাবরে ডুবো চরে পানির পরিমাণ ও স্থান নির্ধারণ করে দিয়েছি। তাই ঢাকা-পটুয়াখালী নৌরুটে লঞ্চ নিয়ে ঠিকমতো আসা-যাওয়া করা যাচ্ছে না। আর পটুয়াখালী টার্মিনাল ঘাটের অবস্থা বেহাল। জোয়ার না আসলে টার্মিনাল থেকে লঞ্চ ছাড়া যাচ্ছে না। টার্মিনাল থেকে লঞ্চ ছাড়ার সময় সাড়ে ৫ টা। কিন্তু অনেক সময় লঞ্চ সন্ধ্যা ৭টায় ছাড়তে হয়। অনেক যাত্রীদের পরীক্ষা থাকে, অফিস থাকে। তাদের সময় মতো পৌঁছে দিতে না পারলে যাত্রীদের কথা শুনতে হয়। বিষয়টি যদি সংশ্লিষ্ট দফতর নজরে না নেয় তাহলে ডুবো চরের সমাধান হবে না।

নৌপথযাত্রী নোমান জানান, পটুয়াখালী থেকে ঢাকা যাওয়ায় উত্তম মাধ্যম লঞ্চ। কিন্তু শীতের সময় নদীতে অসংখ্য ডুবোচর সৃষ্টি হয়। আর এতে প্রায়ই লঞ্চগুলো ডুবো চরে আটকে পড়ে। ফলে আমরা সময় মতো গন্তব্য স্থলে পৌঁছুতে পারি না। দ্রুত ড্রেজিংয়ের ব্যবস্থা নিলে যাত্রীরা হয়রানির স্বীকার হবে না। স্বাভাবিক গতি আসবে নৌরুট গুলোতে।

এমভি প্রিন্স আওলাদ ৭ লঞ্চের মাস্টার ইসরাফিল জানান, কারখানা ও ঝিলনা মোড় পার হওয়া অনেক কষ্টসাধ্য হয়ে যায়। পটুয়াখালী টার্মিনাল থেকে ১০ হাত পরিমাণ পেছনে গেলে চরে আটকে পড়ে লঞ্চ একদিকে কাত হয়ে থাকে। এতে যে কোনও মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। নৌপথে অনেক জায়গায় বয়া, মার্কার ও সিগন্যাল বাতি নাই। ডুবো চরের স্থানে কোনও লাইটিং বাতি নেই। বাতি থাকলে আমরা বুঝতে পারতাম যে এ স্থানে ডুবোচর আছে। আমাদের আসলে ধারণা করে লঞ্চ চালাতে হয়। নৌমন্ত্রীর কাছে আবেদন যে চরগুলো অতি দ্রুত ড্রেজিং ও নৌপথ চিহ্নিত করে দেওয়া হোক।

পটুয়াখালী নৌবন্দর কর্মকর্তা খাজা সাদিকুর রহমান জানান, ঢাকা-পটুয়াখালী নৌরুটের বিভিন্ন পয়েন্টে নাব্যতা সংকটের কারণে নৌযান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। তাই এ বিষয়ে নদীগুলাকে নাব্য সংকট থেকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে ড্রেজিং করতে ঊর্ধ্বতন মহলে অবহিত করা হয়েছে। ইতিমধ্যে বিভিন্ন যায়গায় ড্রেজিংয়ের কাজ চলছে। ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে খুব দ্রুত নদী পথের নাব্য সংকট সমাধান হবে।

নদীবন্দরের নির্বাহী প্রকৌশলী (সিভিল) আবু বাকের সিদ্দিক জানান, যেখানে যেখানে নাব্য সংকট রয়েছে সেখানে ড্রেজিং করা হচ্ছে। পটুয়াখালী টার্মিনাল ঘাটে অতি শিগগিরই ড্রেজিংয়ের কাজ শুরু হবে।




ভোট দেতে আইছি আর গেছি, কোনো আমেজ নাই’

 

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী : দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সারা দেশে এক যোগে শুরু হয়েছে আজ রোববার সকাল ৮টায়। কুয়াশামাখা ভোরে ছোট্ট নাতি নিয়ে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার লতাচাপলি ইউনিয়নের হাতিমপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভোট দিতে এসেছেন ৮০ ঊর্ধ্ব অরুনা পাল। ভোট দেওয়া শেষে তিনি বলেন, ‘কোনো ভিড় নাই, ভোট দেতে আইছি আর গেছি। ৬০ বছর যাবৎ ভোট দেই কিন্তু এ রকম ভোট আর দেই নাই। ভোটের কোনো আমেজ পাই নাই।’

সকালে পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনের শহর থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চলের অনেকগুলো কেন্দ্র ঘুরে কোথাও তেমন ভোটারের উপস্থিতি চোখে পড়েনি। এ ছাড়া জেলার চারটি আসনের ভোটকেন্দ্রগুলোতে খোঁজ নিয়েও একই ধরনের তথ্য পাওয়া গেছে।
কুয়াকাটার লতাচাপলি ও হাতিমপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, নারী-পুরুষের দুটি লাইনের মধ্যে পুরুষের লাইন প্রায় খালি। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নারীদের উপস্থিতি কিছুটা বাড়ছে। এ সময় ভোট দেতে আসা বেশ কিছু নারী ও পুরুষ ভোটারদের সঙ্গে কথা হয়।

কুয়াকাটার লতাচাপলি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট দিতে আসা প্রথম পুরুষ ভোটার কুয়াকাটা পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মনির আহমেদ ভূঁইয়ার বলেন, ‘সুষ্ঠু সুন্দর ভোট দিছি। তয়, শীতকাল দেইখা এহনো ভোটার আয় নাই, বেলা বাড়লে ভোটার ও বাড়বে।’

হাতিমপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা অনিত্য কুমার হালদার বলেন, ‘শুরুতে ৭-৮ জনের মতো ভোটার ছিল, তবে এখন কিছুটা বাড়তেছে। এখানে ১ ঘণ্টায় ১১৩টি ভোট কাস্ট হয়েছে তবে মোট ভোটার রয়েছে ১৬৩৭ জন। এ ছাড়া একজন প্রার্থীর এজেন্ট নেই।’

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে জানা গেছে, পটুয়াখালীর ৪টি আসনে ৯টি দল ও স্বতন্ত্রসহ ২২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জেলার ৪টি নির্বাচনী আসনে মোট ভোটার ১৪ লাখ ২০ হাজার ৮২৭ ভোট। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার রয়েছে ৭ লাখ ১১ হাজার ৯২ ভোট এবং নারী ভোটার ৭ লাখ ৯ হাজার ৭৩৫ জন। এসব ভোটাররা সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ৫০৬টি ভোটকেন্দ্রে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

এদিকে নির্বাচন অবাধ ও গ্রহণযোগ্য করতে জেলা প্রশাসন নানা ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছেন। এ লক্ষ্যে প্রতি উপজেলায় দুই প্লাটুন ও জেলা সদরে ছয় প্লাটুনসহ ২২ প্লাটুন সেনাবাহিনী এবং সদর ও গলাচিপায় দুই প্লাটুন করে ও অন্যান্য উপজেলাগুলোতে এক প্লাটুন করে মোট ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

এ ছাড়া বিচ্ছিন্ন দীপ রাঙ্গাবালীর তিন ইউনিয়নে তিন প্লাটুন কোস্ট গার্ড দায়িত্ব পালন করছেন। রাঙ্গাবালী ছাড়া সব উপজেলায় আনসার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবে। প্রতিটি আসনে র‍্যাবের দুটি করে টিম দায়িত্ব পালন করছেন। চার নির্বাচনী আসনে ৩০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ৯ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. নূর কুতুবুল আলম বলেন, ‘নির্বাচন শতভাগ গ্রহণযোগ্য করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আশা করি আজ ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে এসে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। আমরা অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও সুন্দর একটি নির্বাচন জেলাবাসীকে উপহার দিতে চাই।’




ভোট দিলেন শেখ হাসিনা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা রাজধানীর ঢাকা সিটি কলেজ কেন্দ্রে তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানমন্ডি সুধাসদনের ঠিকানায় ভোটার হওয়ায় তিনি এ কেন্দ্রে ভোট দেন।



দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  বহুল আলোচিত এবং প্রতিক্ষীত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। রোববার সকাল ৮টায় দেশজুড়ে ৪২ হাজার ১০৩টি কেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। চলবে টানা বিকেল ৪টা পর্যন্ত।



জাতির উদ্দেশে ভাষণ নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে এসে ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন : সিইসি




পটুয়াখালীতে ভোটকেন্দ্রে দুর্বৃত্তদের আগুন

 

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী : পটুয়াখালী শেরে বাংলা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে একটি কক্ষে রাতের অন্ধকারে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।

শনিবার (৬ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শ্রেণিকক্ষের জানালা ভেঙে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা।

স্কুল সূত্রে জানা যায়, গতকাল রাতে স্কুলের শ্রেণিকক্ষ বন্ধ করে চলে যাওয়ার পরে শবিবার সকালে স্কুলের পূর্ব পাশের হলরুমে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। নৈশ‌প্রহরী প্রথমে দেখে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। স্কুলের হলরুমের তিন জোড়া বেঞ্চ পুড়ে গেছে।

শেরে বাংলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাহিমা মিনি বলেন, নৈশপ্রহরীর মাধ্যমে সকালবেলা জানতে পারি পরীক্ষার হলরুমে কে বা কারা আগুন দিয়েছে। আমি সঙ্গে সঙ্গে স্কুলে আসি। এর পরপর জেলা প্রশাসক স্যারকে জানাই। তিনি আমার স্কুল সরাসরি এসে পরিদর্শন করেন।

রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. নূর কুতুবুল আলম বলেন, আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি খুবই সামান্যতম আগুন লেগেছে তবে এতে আমাদের নির্বাচনের বাধা গ্রস্ত হবে না। থানায় জিডি করা হয়েছে।




পটুয়াখালীর কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে নির্বাচনী সরঞ্জাম

 

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী : পটুয়াখালীর চারটি সংসদীয় আসনের ৫০৭টি ভোট কেন্দ্রের ৩২০৪টি কক্ষে অনুষ্ঠিত হবে ভোট গ্রহন। তাই কেন্দ্রগুলোতে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে পাঠানো হচ্ছে নির্বাচনী সরঞ্জাম।

শনিবার (০৬ জানুয়ারি) বেলা বারোটায় জেলার সকল উপজেলা পরিষদ থেকে ভোট গ্রহনের এসব সরঞ্জাম বিতরন করেন সহকারী রির্টানিং কর্মকর্তারা।

তবে দুর্গম এলাকা ছাড়া কাছাকাছি ভোট কেন্দ্রে আগামীকাল ভোরে যাবে ব্যালট পেপার।

জেলায় ১৪ লক্ষ ৯ হাজার ৫শ‘ ৩০ জন ভোটারের বিপরীতে পটুয়াখালী-১ আসনে ৬ জন প্রার্থী, পটুয়াখালী-২ আসনে ৪ জন প্রার্থী, পটুয়াখালী-৩ আসনে ৬ জন প্রার্থী ও পটুয়াখালী-৪ আসনে ৬ জন প্রার্থী প্রতিন্ধীতা করছেন।

যে কোন ধরনে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মাঠে মোতায়েন রয়েছে ২২ প্লাটুন সেনাবাহিনী, ১০ প্লাটুন বিজিবি ও ১২ টি র‌্যাবের পেট্রোল টিমসহ বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য।




বিএনপির ৪৮ ঘণ্টার হরতাল শুরু

ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, শনিবার (৬ জানুয়ারি) সকাল ৬টা থেকে সোমবার (৮ জানুয়ারি) সকাল ৬টা পর্যন্ত এ হরতাল চলবে।

বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি) বিকেলে এক জরুরি ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। একই দিন বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা সমমনা দল ও জোটের পক্ষ থেকেও হরতালের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

ওই দিন রিজভী বলেন, অবৈধ আওয়ামী সরকারের পদত্যাগ ও নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার এক দফা দাবিতে ‘একতরফা’ নির্বাচন বর্জন ও অসহযোগ আন্দোলনের পক্ষে বিএনপিসহ সমমনা দলগুলো এই ৪৮ ঘণ্টার হরতাল কর্মসূচি পালন করবে।

৭ জানুয়ারি ভোট বর্জনের আহ্বানে অসহযোগের ডাক দিয়ে গত ২৬ ডিসেম্বর থেকে দফায় দফায় ঢাকাসহ সারাদেশে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি দিয়ে আসছে বিএনপি।

আগে ২৮ অক্টোবর পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে নয়াপল্টনে দলের মহাসমাবেশ পণ্ড হওয়ার পর থেকে চার দফায় পাঁচদিন হরতাল কর্মসূচি পালন করেছে বিএনপি ও সমমনা দলগুলো।

এছাড়াও তারা ২৮ অক্টোবরের পর থেকে ১২ দফায় মোট ২৩ দিন দেশব্যাপী সড়ক, রেল ও নৌপথে সর্বাত্মক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছে।

আগামীকাল রোববার (৭ জানুয়ারি) সারাদেশে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। তবে এই নির্বাচন বর্জন করেছে বিএনপি ও সমমনা দলগুলো। এ অবস্থায় ভোটের আগের দিন, ভোটের দিন ও ভোটের পরদিন সকাল পর্যন্ত হরতাল কর্মসূচি পালন করবে তারা।




আজ সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন সিইসি




৬ ও ৭ জানুয়ারি চলবে না  ২২ ট্রেন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  রাজধানীর গোপীবাগে ঢাকা-মাওয়া রেলপথে পুড়ে যাওয়া বেনাপোল এক্সপ্রেসসহ বিভিন্ন রুটের ২২টি ট্রেন দুইদিন না চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এই ২ দিন হচ্ছে— নির্বাচনের আগের দিন ৬ জানুয়ারি এবং নির্বাচনের দিন ৭ জানুয়ারি।