পটুয়াখালীর সকল আসনের ভোটের ফলাফল

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): শান্তিপূর্ণ ভাবে সম্পন্ন হয়েছে পটুয়াখালীর চারটি সংসদীয় আসনের ভোট গ্রহন। অধিকাংশ ভোট কেন্দ্রেই ভোটারের উপস্থিতি ছিল কম। আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্তিতি ছিল লক্ষ্যনীয়।

পটুয়াখালী-১ (সদর, মিজাগঞ্জ, দুমকী) আসনে মোট প্রার্থী ছিল ৬ জন। মোট ভোট কেন্দ্র রয়েছে ১৫৯ । ৪,৭৩,২৫৭ জন ভোটারের মধ্যে নারী ভোটার রয়েছে ২ লক্ষ ৩৪ হাজার ৭৮৮ জন এবং পুরুষ ভোটার রয়েছে ২ লক্ষ ৩৮ হাজার ৪৬০ জন। এরমধ্যে জাতীয় পাটির সাবেক মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার পেয়েছেন ৮১ হাজার ৫০৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ডাব প্রতীক নিয়ে নাসির উদ্দিন তালুকদার পেয়েছেন ২৬ হাজার ৮৭৪ ভোট। পটুয়াখালী -১ আসনের মহা জোটের প্রার্থী এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার ৫৪ হাজার ৬৩৪ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

পটুয়াখালী-২ (বাউফল উপজেলা) মোট প্রার্থী ছিল ৬ জন। মোট ভোটার ২ লক্ষ ৯৩ হাজার ৩০০ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ১ লক্ষ ৪৩ হাজার ৩৫১ জন এবং পুরুষ ভোটার ১ লক্ষ ৪৯ হাজার ৯৪৮ জন। এ আসনে আ স ম ফিরোজ (নৌকা প্রতীক) পেয়েছেন ১ লক্ষ ২৪ হাজার ৩০৯ ভোট । নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মহসিন হাওলাদার ( লাংগল প্রতীক) পেয়েছেন ২ হাজার ৯৫৮ ভোট। ১লক্ষ ২১ হাজার ৩৫১ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের আ স ম ফিরোজ (নৌকা প্রতীক)।

পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলা) আসনে প্রার্থী ছিল চারজন। উক্ত আসনে মোট ভোটার ২ লাখ ৩৮ হাজার ৯৭ জন। এর মধ্যে গলাচিপাতে পুরুষ ভোটার ১ লক্ষ ১৯ হাজার ৭৫১ জন এবং মহিলা ভোটার ১ লক্ষ ১৮ হাজার ৩৪৬ জন।

অপর দিকে দশমিনাতে পুরুষ ভোটার ৫৭ হাজার ৪০৩ জন এবং মহিলা ভোটার ৫৬ হাজার ৭৭৯ জন। এ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এসএম শাহজাদা (নৌকা মার্কা) পেয়েছেন: ৯৪ হাজার ৪১৬ ভোট নিকটতম স্বতন্ত্র প্রার্থী লে.জেনারেল (অব:) আবুল হোসেন (ঈগল মার্কা) পেয়েছেন ৫৯ হাজার ২৪ ভোট। মোট ৩৫ হাজার ৩ শ ৯২ ভোট বেশি পেয়ে নৌকা মার্কার প্রার্থী এসএম শাহজাদা বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।

পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া ও রাংগাবালী উপজেলা) প্রার্থী ছিল ৬ জন। মোট ভোটার ২ লক্ষ ৯০ হাজার ২৩৮ জন। এরমধ্যে নারী ভোটার ১ লক্ষ ৪৩ হাজার ৪২২জন এবং পুরুষ ভোটার ১ লক্ষ ৪৬ হাজার ৮১৩ জন। এ আসনে মহিব্বুর রহমান মহিব (নৌকা প্রতীক) পেয়েছেন ৬০ হাজার ৭৫৫ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কলাপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী মাহবুবুর রহমান (ঈগল প্রতীক) পেয়েছেন ৪২ হাজার ৮১ ভোট। ১৮ হাজার ৬৭৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের মহিব্বুর রহমান মহিব (নৌকা প্রতীক)।




নির্বাচনে হারলেন আ. লীগের ৩ প্রতিমন্ত্রী ও ১১ এমপি




মুরাদ-মাহি-মমতাজ হারের বৃত্তে, লজ্জায় ডুবেছেন হিরো আলম

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ২৯৯ আসনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে হেরে গেছেন আলোচনার শীর্ষে থাকা অনেকেই। একদিকে আওয়ামী লীগের মতাদর্শের প্রার্থীরা যেমন হেরেছেন, অন্যদিকে নৌকা পেয়েও শেষ রক্ষা হয়নি গায়িকা মমতাজ বেগমের।



স্বতন্ত্রের কাছে পরাজয় হলেন যেসব হেভিওয়েট প্রার্থী

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : অনেকে নৌকা প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্রের কাছে গেছেন। এ ছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কেন্দ্রীয় নেতারাও নির্বাচনে প্রত্যাশার চেয়ে কম ভোট পেয়েছেন। তবে এর মাঝেও চমক দেখিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। নৌকা প্রতীক না পেয়েও দেশজুড়ে জয় লাভ করেছেন ষাটটিরও বেশি আসনে।

আর পরাজয়ের তালিকায় রয়েছেন হেভিওয়েট বেশ কয়েকজন প্রার্থীও।

যেখানে আলোচিত নাম জাসদের হাসানুল হক ইনু। সাবেক এ তথ্যমন্ত্রী কুষ্টিয়া ২ আসন থেকে এবারও নৌকা প্রতীকে দাঁড়িয়েছিলেন। ট্রাক প্রতীকের কামরুল আরেফিনের কাছে ২৭ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে হেরে গেছেন এ বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ।

প্রথমবারের মতো আসন হাতছাড়া করেছেন আনোয়ার হোসেন মঞ্জুও। জাতীয় পার্টি জেপির চেয়ারম্যান হওয়া স্বত্তেও নৌকা প্রতীক নিয়ে হেরে গেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ও আওয়ামীলীগ নেতা মহিউদ্দীন মহারাজের কাছে।

প্রথমবার হারের মুখ দেখেছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী। টাঙ্গাইল ৮ আসন থেকে জয় ছিনিয়ে নিয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত অনুপম শাহজাহান।

এদিকে এক বাদশাহ হেরে গেছেন আরেক বাদশাহর কাছে। রাজশাহী ২ সদরে স্বতন্ত্র প্রার্থী রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শফিকুর রহমান বাদশা কাঁচি প্রতীক নিয়ে জয় পেয়েছেন ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশাকে বিরূদ্ধে।

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফর উল্লাহ আরেও একবার হেরে গেছেন নিক্সন চৌধুরির কাছে। ফরিদপুর ৪ আসন থেকে ২৩ হাজার ৯৬৯ ভোটের ব্যবধানে ঈগল প্রতীক নিয়ে জয় লাভ করেছেন নিক্সন, টানা তৃতীয়বার।

হবিগঞ্জ ৪ আসনে ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন প্রথমবারেই বাজিমাত করেছেন। ঈগল প্রতীক নিয়ে প্রায় এক এক লাখ ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে দিয়েছেন সাবেক বিমান প্রতীমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগ নেতা মোহাম্মদ মাহবুব আলীকে

অঘটনের শিকার আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পদক আব্দুস সোবহান গোলাপ। মাদারীপুর তিন আসন থেকে হেরে গেছেন ঈগল প্রতীক নিয়ে লড়াই করা তাহমিনা বেগমের কাছে।

আওয়ামীলীগের ছেড়ে দেয়া ঢাকা ১৮ আসন থেকে ভরাডুবি হয়েছে জি এম কাদেরের স্ত্রী শেরীফা কাদেরের। মাত্র ছয় হাজার ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন শেরীফা। এই আসন থেকে কেতলির খসরু চৌধুরী নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছেন।

মানিকগঞ্জ-২ (সিঙ্গাইর, হরিরামপুর ও সদরের একাংশ) আসনে আওয়ামী লীগের হয়ে নির্বাচন করেন কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগম। যেখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী ট্রাক প্রতীকের জাহিদ আহমেদ টুলুর কাছে হেরেছেন তিনি।

এবার নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলো ১১ কোটি ৯৭ লাখ। এর মধ্যে ৬ কোটি ৭ লাখ ৭১ হাজার ৫৭৯ জন পুরুষ, ৫ কোটি ৮৯ লাখ ১৯ হাজার ২০২ জন নারী এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটারের সংখ্যা ৮৫২। মোট ভোটকেন্দ্র ৪২ হাজার ১০৩টি। ভোটকক্ষ ২ লাখ ৬১ হাজার ৯১২টি।

ইসির দেওয়া তথ্যমতে, নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ভোট হয়েছে ২৯৯ আসনে। স্বতন্ত্র প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে নওগাঁ-২ আসনের ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়। নির্বাচনে ২৮টি দল অংশগ্রহণ করেছে। এর মধ্যে দলীয় প্রার্থী ১ হাজার ৫৩৪ জন এবং স্বতন্ত্র ৪৩৬ জন। নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি ২৬৬ জন প্রার্থী ছিল আওয়ামী লীগের। এ ছাড়া দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৬৫ জন প্রার্থী দিয়েছে জাতীয় পার্টি এবং তৃতীয় সর্বোচ্চ ১৩৫ জন প্রার্থী রয়েছেন ‘সোনালী আঁশ’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে আসা তৃণমূল বিএনপি।

এদিকে বিএনপিসহ ৬০টি দল নির্বাচন বর্জন করেছে। দলটি সরকার পতনের এক দফা দাবিতে দীর্ঘদিন আন্দোলন করে সফলতা না পেয়ে নির্বাচনের দুই মাস আগ থেকে হরতাল-অবরোধের পথ বেছে নেয়। এতে সরকারকে চাপে ফেলতে না পেরে ভোট বর্জনের আহ্বান জানিয়ে গত ২০ ডিসেম্বর ‘অসহযোগ আন্দোলনের’ ডাক দেয় দলটি। পাশাপাশি সরকারকে সকল প্রকার কর, খাজনা, পানি, গ্যাস এবং বিদ্যুৎ বিল দেওয়া স্থগিত রাখার অনুরোধ জানায় দলটি।




বরিশালের ৬টি আসনে জয়ী হলেন যারা

বরিশাল অফিস :: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল জেলার ছয়টি আসনের মধ্যে পাঁচটিতে নৌকা ও একটি আসনে লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। রবিবার (৭ জানুয়ারি) রাতে জেলা রিটানিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

জানা গেছে, বরিশাল-১: (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) নির্বাচনী এলাকায় নৌকা মার্কার প্রার্থী আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ ১ লাখ ৭৬ হাজার ৭৭৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি লাঙ্গল মার্কার প্রার্থী সেরনিয়াবাত সেকেন্দার আলী পেয়েছেন ৪ হাজার ১২২ ভোট।

বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনে মহাজোটের প্রার্থী ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন নৌকা প্রতীকে ১ লাখ ২২ হাজার ১৭৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি ঈগল মার্কার স্বতন্ত্র প্রার্থী একে ফাইয়াজুল হক রাজু পেয়েছেন ৩১ হাজার ৩৯৭ ভোট।

বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে মহাজোটের শরীক দল জাতীয় পার্টিকে ছেড়ে দেওয়ায় ওই আসনের লাঙ্গল মার্কার প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া টিপু ৫১ হাজার ৫৮২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি ট্রাক মার্কার স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ আতিকুর রহমান পেয়েছেন ২৪ হাজার ৬২৪ ভোট।

বরিশাল-৪ (মেহেন্দীগঞ্জ-হিজলা) আসনের ঈগল মার্কার স্বতন্ত্র প্রার্থী পঙ্কজ দেবনাথ ১ লাখ ৬১ হাজার ৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি জাতীয় পার্টির লাঙ্গল মার্কার প্রার্থী মোঃ মিজানুর রহমান পেয়েছেন ৭ হাজার ৬৪৫ ভোট।

বরিশাল-৫ (সদর) আসনে নৌকা মার্কার প্রার্থী কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম ৯৭ হাজার ৭০৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি ট্রাক মার্কার স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ সালাহউদ্দিন রিপন পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৩৭০ ভোট।

বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনের মোট ১১৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ঘোষিত ৯১টির ফলাফলে নৌকা মার্কার প্রার্থী মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ মল্লিক পেয়েছেন ৪৭ হাজার ৯৯২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি ট্রাক মার্কার স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ শামসুল আলম চুন্নু ৯১টি কেন্দ্রে পেয়েছেন ৩২ হাজার ৪৫৯ ভোট। তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোঃ শহীদুল ইসলাম।




বরগুনা-২ আসনে সুলতানা নাদিরা নির্বাচিত

বরিশাল অফিস :: বরগুনা-২ (বেতাগী-বামনা-পাথরঘাটা) আসনে সুলতানা নাদিরা নৌকা প্রতীকে ৪৬ হাজার ৭৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

তার নিকটতম প্রার্থী নোঙ্গর প্রতীকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম) মনোনীত প্রার্থী দলের প্রতিষ্ঠাতা আহবায়ক ড. আব্দুর রহমান খোকন পেয়েছেন ১ হাজার ২৭ ভোট।

তাছাড়া ডাব প্রতীকে বাংলাদেশ কংগ্রেস মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান ৫১৫ ভোট, একতারা প্রতীকে বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি মনোনীত প্রার্থী মুহাম্মদ আবু বকর ছিদ্দিক ২০৮ ভোট, হাতুড়ি প্রতীকে ওয়ার্কার্স পার্টির মনোনীত প্রার্থী জাকির হোসেন ৯০ ভোট,সোনালী আঁশ প্রতীকে তৃণমূল বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কামরুজ্জামান লিটন ৮৪ ভোট ও ফুলের মালা প্রতীক পেয়েছেন বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন মনোনীত প্রার্থী আবুল কালাম ৭৬ ভোট পান।




শেষ হলো দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া সারা দেশে শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। রোববার সকাল ৮টা থেকে দেশজুড়ে ৪২ হাজার ১০৩টি কেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত




ভোট স্বাভাবিক হবে না, সেই আবহ তৈরি করা হচ্ছে : জিএম কাদের




ভোট বর্জনকারীদের ভোটাররা বর্জন করেছে : ওবায়দুল কাদের

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। রোববার (৭ জানুয়ারি) সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে বসুরহাট পৌরসভার এক নং ওয়ার্ডের বড় রাজাপুর গ্রামের উদয়ন প্রি ক্যাডেট একাডেমি কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন তিনি। এর আগে সকাল ১০টায় তার মা-বাবার কবর জিয়ারত করে ভোটকেন্দ্রে আসেন।



অল্প অল্প ভোট পড়ছে: সিইসি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের প্রত্যেকটা ভোটকেন্দ্রে অল্প অল্প ভোট পড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটার উপস্থিতি বাড়বে বলে প্রত্যাশা করছেন তিনি।

রোববার (৭ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে মনিটরিং সেল পরিদর্শন করে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

দেশের ২৯৯ আসনে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ চলবে। দেশের ৪৪ নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মধ্যে ২৮টি দল ভোটে অংশ নিচ্ছে। বিএনপিসহ সমমনা ১৬টি রাজনৈতিক দল ভোট বর্জন করেছে।

অন্যদিকে, নরসিংদী-৪ আসনের ইব্রাহিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোট বাতিল ও কিশোরগঞ্জ -৬ আসনে বধুনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট সাময়িক স্থগিত করা হয়েছে

মনিটরিং সেল পরিদর্শন শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘মাত্র শুরু হয়েছে। ভোটার উপস্থিতি আশা করি আরো বাড়বে। প্রত্যেকটা সেন্টারে আমি খোঁজ নিয়েছি। ভোট হয়েছে অল্প অল্প। কোথাও ২৫টি কোথাও ৪০টি।’

হরতাল ও সহিংসতার কারণে ভোটে প্রভাব পড়বে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটা আমি বলতে পারবো না। আমরা শুধু ভোটটা ম্যানেজ করছি। ভোটাররা কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাবে সে ব্যাপারে আমি কোনো মন্তব্য করবো না।’

সিইসি যে কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন সেই কেন্দ্রের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আসলে মনে হচ্ছে প্রতিদ্বন্দ্বী বা প্রতিপক্ষ প্রার্থী যারা তাদের পোলিং এজেন্ট দেওয়ার সামর্থ্য নেই।

পোলিং এজেন্টের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে তিনি বলেন, আমরা খুব জোর দিয়ে বলেছিলাম প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ভোট হতে হলে কেন্দ্রে অবশ্যই প্রত্যেকটা প্রার্থীর পোলিং এজেন্ট থাকতে হবে। আমি যেগুলো পেয়েছি সবাই একই দলের। বাদ-বাকি প্রার্থীদের কোনো লোকজন দেখি নাই।