বরিশালের ২১ আসনে ৮ নতুন মুখ

বরিশাল অফিস :: বরিশাল বিভাগের ৪২টি উপজেলা নিয়ে গঠিত ২১ আসনে ভোটগ্রহণ শেষে বেসরকারিভাবে নির্বাচিতদের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। স্ব স্ব আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তারা ফল ঘোষণা করেন।

ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিভাগের ২১ আসনের মধ্যে ৮টি আসনে নতুন মুখ বিজয়ী হয়েছেন। আর ১৩টি আসনে বর্তমান সংসদ সদস্যরাই রয়েছেন।

এরমধ্যে বরিশাল-৪ আসনে পঙ্কজ নাথ এবার নৌকা প্রতীকে নয়, তিনি স্বতন্ত্র ঈগল প্রতীক নিয়ে বিপুল ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া বাকি ১২টি আসনের মধ্যে ১১টিতে নৌকা ও একটিতে লাঙ্গল প্রতীকের বর্তমান সংসদ সদস্যরা নির্বাচিত হয়েছেন।
৮ নতুন মুখের মধ্যে নৌকা প্রতীকের ৪ জন, লাঙ্গল প্রতীকের একজন এবং স্বতন্ত্র ঈগল প্রতীকে ১ ও কলার ছড়ি প্রতীকে ১ জন বিজয়ী হয়েছেন। যদিও এদের মধ্যে বরিশাল-২ আসনে নৌকা প্রতীকে বিজয়ী বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন ও ঝালকাঠি-১ আসনে বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর-বীর বিক্রম জাতীয় রাজনীতির সাথে জড়িত থেকে বিগত দিনেও সংসদ সদস্য ছিলেন।

ঘোষিত ফলাফলের তথ্য অনুযায়ী, এবারের বিজয়ের মধ্য দিয়ে একই আসনে টানা চারবার ধরে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন ৪ জন। তারা হলেন আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ভোলা-৩ আসনের নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন ও ভোলা-৪ আসনের আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব, পটুয়াখালী-২ আসনের আ স ম ফিরোজ এবং ঝালকাঠি-২ আসনের আমির হোসেন আমু।

অপরদিকে ভোলা ১ আসন থেকে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী তোফায়েল আহমেদ টানা তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও ভোলা-১ ও ২ মিলিয়ে টানা ৪ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন তিনি। এছাড়া বরিশাল-১ আসনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ ও বরিশাল-৪ আসনে পঙ্কজ নাথ টানা তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন।

এছাড়া বরিশাল-৩ আসনে জাতীয় পার্টির গোলাম কিবরিয়া টিপু, বরিশাল-৫ আসনে আওয়ামী লীগের জাহিদ ফারুক, ভোলা-২ আসনে আওয়ামী লীগের আলী আজম মুকুল, পটুয়াখালী-৩ আসনে আওয়ামী লীগের এস এম শাহজাদা, পটুয়াখালী-৪ আসনে আওয়ামী লীগের মহিব্বুর রহমান মহিব, পিরোজপুর-১ আসনে আওয়ামী লীগের শ ম রেজাউল করিম দ্বিতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

নৌকা প্রতীক নিয়ে মহাজোটের প্রার্থী বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বরিশাল-২ আসনে এবারে নতুন মুখ। যদিও ১৯৯১ সালে এ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন তিনি। এরপর টানা ৬ বার এ আসনে অন্যরা প্রার্থী হয়েছিলেন। ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন মেনন।

অপরদিকে বরিশাল-৬ আসনে আওয়ামী লীগের নৌকার প্রার্থী আব্দুল হাফিজ মল্লিক প্রথমবার বিজয়ী হয়েছেন। বিএনপি ও জাতীয় পার্টির প্রভাবাধীন এই আসনে টানা ২২ বছর পর ভিন্ন কেউ বিজয়ী হলেন। ১২টি নির্বাচনের মধ্যে এ আসনে আওয়ামী লীগ জয় পেয়েছিল মাত্র দুই বার। এবার নিয়ে তৃতীয়বার এ আসনে বিজয়ী হলো আওয়ামী লীগ।

বরগুনা-১ আসনে টানা তিনবারের ক্ষমতাসীন সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুকে হারিয়ে স্বতন্ত্র ঈগল প্রতীকের প্রার্থী গোলাম সরোয়ার টুকু এবং বরগুনা-২ আসনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সুলতানা নাদিরা প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। সুলতানা নাদিরা বরিশাল বিভাগের ২১টি সাধারণ আসনের মধ্যে একমাত্র নারী সংসদ সদস্য।

এছাড়া পটুয়াখালী-১ আসন থেকে জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার বিজয়ী হয়েছেন। এ আসন থেকে তিনি ২০১৪ সালেও একবার বিজয়ী হয়েছিলেন।

ঝালকাঠি-১ আসনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক নিয়ে ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর প্রথমবার নির্বাচিত হলেন। এর আগে বিএনপির রাজনীতিতে থাকাকালীন সময়ে এ আসন থেকে আরও তিনবার বিজয়ী হয়েছিলেন তিনি।

অপরদিকে পিরোজপুর-২ আসনের ৬ বারের সংসদ সদস্য ও জাতীয় পার্টি-জেপি’র চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জুকে হারিয়ে স্বতন্ত্রী ঈগল প্রতীকের প্রার্থী মো. মহিউদ্দিন মহারাজ প্রথমবার এবং পিরোজপুর-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী কলার ছড়ি প্রতীকে মো. শামীম শাহনেওয়াজ প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন।

 




দেশি-বিদেশি চক্রান্তের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জিং এই নির্বাচনকে সম্পন্ন করায় জনগণকে প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন: মেনন

এস এল টি তুহিন, বরিশাল : : বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসন থেকে মহাজোটের প্রার্থী হয়ে নৌকার প্রতীকে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছেন।

বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণার পর সোমবার (০৮ জানুয়ারি) এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেছেন, সব বিভ্রান্তি-নাশকতাসহ বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচারের পরেও দেশি-বিদেশি চক্রান্তের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জিং এই নির্বাচনকে সম্পন্ন করার জন্য আমরা জনগণকে আহ্বান জানিয়েছিলাম।

তারা তাদের সায় দিয়েছেন এবং তারা একটি সফল নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে সহায়তা করেছেন। তাই সবার প্রথমে আমি দেশের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞ।

তিনি আরও বলেন, আমি ১৯৭৩ সাল থেকে নির্বাচন করি, আমি আমার এই নির্বাচনী জীবনের অভিজ্ঞায় বলতে পারি এবারের নির্বাচন সত্যিকার অর্থেই নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হয়েছে। আমাদের মধ্যে অনেক উত্তেজনামূলক কথা ছড়ানো হয়েছে, পত্র-পত্রিকায় নানান কথাও এসেছে।

কিন্তু নির্বাচন যখন হয়েছে, আর মানুষ উৎসবমুখর পরিবেশেই নির্বাচন করেছে তখন সবকিছু চাপা পড়ে গেছে। ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি বলেন, নির্বাচন কমিশনকে কি বলব জানিনা, তবে যারা নির্বাচন কমিশনের হয়ে মাঠ পর্যায়ে প্রশাসন হিসেবে কাজ করেছেন, তারা একটু বেশিই নিরপেক্ষ হতে চেষ্টা করেছন।

হঠাৎ এত বেশি নিরপেক্ষতা হওয়ায় ভোটাররা অনেক সময় নিরুৎসাহিত হয়েছে। তবুও সবমিলিয়ে একটা সুন্দর নির্বাচন আমরা পেলাম, যা আগামী দিনে চলার পথে আমাদের সাহায্য করবে।

তিনি বলেন, ষড়যন্ত্রের মধ্যেও বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। উন্নয়নের পথে, অসাম্প্রদায়িকতার পথে দেশকে এগিয়ে নেওয়া আমাদের দায়িত্ব-কর্তব্যের মধ্যে পড়ে। অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক উন্নত বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে জনগণ বিশেষ করে তরুণ ও নারী সমাজকে বেশি করে এগিয়ে আসতে হবে।

এরআগে, রোববার সন্ধ্যায় ফলাফল ঘোষণার পর উজিরপুর আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তাকে বলেছি, এই অঞ্চলে পাঠিয়ে আমাকে তিনি সম্মানিত করেছেন। আমি উজিরপুর-বানারীপাড়া মানুষের মধ্যে থেকেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখব।

এ সময় তিনি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি-সম্পাদকসহ নিরলসভাবে কাজ করে নৌকাকে বিজয়ী করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।




সরকার যেখানে যাকে জেতাতে চেয়েছে সে জিতেছে : জি এম কাদের

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: সরকার যেখানে নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে চেয়েছে সেখানেই নিরপেক্ষ হয়েছে; যাকে জেতাতে চেয়েছে সে জিতেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের। সোমবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে রংপুর নগরীর সেনপাড়ায় স্কাইভিউ বাসভবনে নির্বাচন পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় এ মন্তব্য করেন তিনি।



নতুন নির্বাচনের দাবিতে বিএনপির ২ দিনের কর্মসূচি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ৭ জানুয়ারি প্রহসনের নির্বাচন দেশের জনগণ একচেটিয়াভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। তাই নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নতুন নির্বাচনের দাবির পক্ষে জনগণকে সম্পৃক্ত করতে আগামীকাল মঙ্গল ও বুধবার দুই দিনের গণসংযোগ কর্মসূচি পালন করবে বিএনপি।



পটুয়াখালীতে নৌকার ৭ কর্মীকে কোপাল ঈগলের সমর্থকরা

বরিশাল অফিস :: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বিজয়ী প্রার্থীর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে আসার পথে নৌকার ৭ কর্মীকে কুপিয়ে জখম করেছে পরাজিত ঈগল প্রতীকের সমর্থকরা। সোমবার সকাল দশটার দিকে উপজেলার টিয়াখালী হাটখোলা বাজার সংলগ্ন মুজিব কিল্লার পাশে এ ঘটনা ঘটে।

আহতদের মধ্যে মুমূর্ষু অবস্থায় বশির চৌকিদার (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল সেবাচিম হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকিদের কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টিয়াখালী হাটখোলা বাজার থেকে এমপির সঙ্গে দেখা করতে উপজেলা আওয়ামী লীগ অফিসের উদ্দেশে রওনা দেয় নৌকার সমর্থকরা। এ সময় ওই বাজার সংলগ্ন মুজিব কিল্লা এলাকায় পৌঁছালে টিয়াখালী ইউপি চেয়ারম্যান সুজন মোল্লার নেতৃত্বে ঈগল প্রতীকের সমর্থকরা তাদের ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা করে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

কলাপাড়া থানার ওসি আলী আহম্মদ জানান, এ ঘটনায় এখনো অভিযোগ পাইনি। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।




ভারত-চীন-রাশিয়াসহ যেসব দেশ প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানাল




জয়ের দেখা পাননি ২৫ দলের কোনো প্রার্থী

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ২৮টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল অংশ নেয়। তার মধ্যে বেসরকারিভাবে ঘোষিত ২৯৮টি আসনের ফলাফল বিশ্লেষক করে দেখা গেছে, মাত্র তিনটি দলের প্রার্থীরা নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন। বাকি ২৫টি দলের কোনো প্রার্থী জয়ের দেখা পাননি।



বিশ্ব গণমাধ্যমে বাংলাদেশের নির্বাচন ও শেখ হাসিনার জয়ের খবর

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: বহুল আলোচিত এবং প্রতিক্ষীত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। এর মাধ্যমে টানা চতুর্থ মেয়াদে সরকারপ্রধান হওয়ার অনন্য নজির গড়তে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।



স্বতন্ত্রপ্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হলেন যারা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাজিমাত করেছেন স্বতন্ত্রপ্রার্থীরা। হারিয়ে দিয়েছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাবেক ও বর্তমান প্রতিমন্ত্রী, একাধিকবারে সংসদ সদস্যসহ অনেক তারকা প্রার্থীকে। জাতীয় পার্টির মতো দল ১১টি আসনে জয় পেলেও স্বতন্ত্রপ্রার্থীরা পেয়েছেন ৬১টির বেশি আসন। এছাড়া ওয়ার্কার্স পার্টি একটি, জাসদ একটি ও কল্যাণপার্টি পেয়েছে একটি করে আসন। আওয়ামী লীগ ২২৩ আসন নিয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে।

ঢাকা বিভাগ

ঢাকা
ঢাকা-৪ (সূত্রাপুর-ডেমরার একাংশ) মো. আওলাদ হোসেন, ঢাকা-৫ (ডেমরার একাংশ-মতিঝিলের একাংশ) মশিউর রহমান মোল্লা সজল, ঢাকা-১৮ (উত্তরার একাংশ-ক্যান্টনমেন্টের একাংশ-গুলশানের একাংশ) মো. খসরু চৌধুরী, ঢাকা-১৯ (সাভার) মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।

গাজীপুর-৫
আখতারুজ্জামান

নরসিংদী
নরসিংদী-৩ (শিবপুর) সিরাজুল ইসলাম মোল্লা।

টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইল-৩ আমানুর রহমান খান, টাঙ্গাইল-৪ আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, টাঙ্গাইল-৫ ছানোয়ার হোসেন

কিশোরগঞ্জ
কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) সোহরাব উদ্দিন

মানিকগঞ্জ
মানিকগঞ্জ-১ (ঘিওর, দৌলতপুর ও শিবালয়) সালাউদ্দিন মাহমুদ জাহিদ, মানিকগঞ্জ-২ দেওয়ান জাহিদ আহমেদ টুলু

মুন্সিগঞ্জ
মুন্সিগঞ্জ-৩ (মুন্সীগঞ্জ সদর-গজারিয়া) মোহাম্মদ ফয়সাল বিপ্লব।

মাদারীপুর
মাদারীপুর-৩ তাহমিনা বেগম।

ফরিদপুর
ফরিদপুর-৩ (সদর) আব্দুল কাদের আজাদ, ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা-চরভদ্রাসন-সদরপুর) মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন।

চট্টগ্রাম বিভাগ

চট্টগ্রাম
চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আব্দুল মোতালেব এবং চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) মুজিবুর রহমান।

কুমিল্লা
কুমিল্লা-২ (হোমনা-মেঘনা) আবদুল মজিদ, কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) জাহাঙ্গীর আলম সরকার, কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আবুল কালাম আজাদ, কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) আসনে এমএ জাহের।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) সৈয়দ এ.কে এমরামুজ্জামান, (নৌকা),ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ মো. মঈনুদ্দিন মঈন

লক্ষ্মীপুর
লক্ষ্মীপুর-৪ মো. আবদুল্লাহ

খুলনা বিভাগ

যশোর
যশোর-৫ মো. ইয়াকুব আলী, যশোর-৬ মো. আজিজুল ইসলাম।

কুষ্টিয়া
কুষ্টিয়া-১ মো. রেজাউল হক চৌধুরী, কুষ্টিয়া-২ মো. কামারুল আরেফিন, কুষ্টিয়া-৪ আবদুর রউফ।

ঝিনাইদহ
ঝিনাইদহ-২ মো. নাসের শাহরিয়ার জাহেদী

রাজশাহী বিভাগ

রাজশাহী
রাজশাহী-২ শফিকুর রহমান বাদশা

বগুড়া
বগুড়া-৩ খান মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ্ আল মেহেদী

নাটোর
নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ

নওগাঁ
নওগাঁ-৪ (মান্দা) এসএম ব্রহানী সুলতান মামুদ, নওগাঁ-৬ (রানীনগর-আত্রাই) ওমর ফারুক সুমন।

বরিশাল বিভাগ

বরিশাল
বরিশাল-৪ পঙ্কজ নাথ

পিরোজপুর
পিরোজপুর-২ মো. মহিউদ্দীন মহারাজ, পিরোজপুর-৩ মো. শামীম শাহনেওয়াজ।

বরগুনা
বরগুনা-১ গোলাম সরোয়ার টুকু

সিলেট বিভাগ

সিলেট
সিলেট-৫ (কানাইঘাট-জকিগঞ্জ) আল্লামা হুছামউদ্দীন চৌধুরী

হবিগঞ্জ
হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী, হবিগঞ্জ-৪ ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।

সুনামগঞ্জ
সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই-শাল্লা) ড. জয়া সেনগুপ্তা

রংপুর বিভাগ

রংপুর
রংপুর-১ মো. আসাদুজ্জামান, রংপুর-৫ মো. জাকির হোসেন সরকার।

দিনাজপুর
দিনাজপুর-১ (বীরগঞ্জ-কাহারোল) জাকারিয়া জাকা

নীলফামারী
নীলফামারী-৩ (জলঢাকা) সাদ্দাম হোসেন পাভেল, নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর ও কিশোরগঞ্জ) সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিক।

গাইবান্ধা
গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আব্দুল্লাহ নাহিদ নিগার, গাইবান্ধা-২ (সদর) শাহ সারোয়ার কবির

ময়মনসিংহ বিভাগ

ময়মনসিংহ
ময়মনসিংহ-১ মাহমুদুল হক সায়েম, ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) নজরুল ইসলাম, ময়মনসিংহ-৬ আব্দুল মালেক সরকার, ময়মনসিংহ-৭ আসনে এবিএম আনিসুজ্জামান, ময়মনসিংহ-৮ মাহমুদ হাসান সুমন, ময়মনসিংহ-১১ মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াহেদ।

শেরপুর
শেরপুর-১ (সদর) মো. ছানুয়ার হোসেন ছানু

জামালপুর
জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ি) আব্দুর রশিদ

নেত্রকোণা
নেত্রকোণা-৩ (আটপাড়া-কেন্দুয়া) ইফতিকার উদ্দিন তালুকদার পিন্টু




লজ্জার হার শমসের-তৈমুরের, ডুবেছে তৃণমূল বিএনপি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  বিএনপির ওপর নানা ক্ষোভ থেকে যোগ দিয়েছিলেন তৃণমূল বিএনপিতে। বলেছিলেন ৩০০ আসনে প্রার্থী দেবেন। শেষ পর্যন্ত প্রার্থী দিয়েছেন ১৩৫ আসনে। তবে কেউই পাশ করেনি। জয় তো দূরের কথা, তৃণমূল বিএনপির শীর্ষ নেতারা ডুবেছেন লজ্জায়।