স্মার্ট বাংলাদেশে পৌঁছাতে হলে দেশের নাগরিকদের স্মার্ট হতে হবে: জাহিদ ফারুক

বরিশাল অফিস :: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অবঃ)জাহিদ ফারুক শামীম এমপি বলেছেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে আমরা এখন ২০৪১ সালে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। স্মার্ট বাংলাদেশে পৌঁছাতে হলে আমাদের দেশের নাগরিকদের স্মার্ট হতে হবে, আমাদের লেখা পড়ায় স্মার্ট হতে হবে, আমাদের কার্যক্রমে স্মার্ট হতে হবে, আমাদের সকল ক্ষেত্রে স্মার্ট হতে হবে তাহলেই আমরা স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে পারবো।

বরিশালের বেগম তফাজ্জেল হোসেন মানিক মিয়া মহিলা কলেজের রবিবার ( ১৮ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরষ্কার বিতরনী আনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, আমাদের কর্মকান্ডে লেখাপড়ায় স্মার্ট হতে না পারি তাহলে কিন্তু স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সরকার যে কাজ করে যাচ্ছে সেই লক্ষ্যে আমরা পৌঁছাতে পারবো না। এজন্য আমি আজকে তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া কলেজের শিক্ষার্থীদের আহবান জানাবো, আমি জানি তোমরা লেখাপড়ায় অনেক মনোযোগী তারপরও আমি তোমাদের প্রতি আহবান জানাবো তোমাদের লেখা পড়ার মান আরো উন্নত করতে হবে তোমাদেরকে বরিশালে ভালো বালিকা মহাবিদ্যালয়ের ছাত্রী হিসেবে পরিচিতি লাভ করতে হবে।

তফাজ্জেল হোসেন মানিক মিয়া মহিলা কলেজের গভর্নিংবডির সভাপতি প্রফেসর মোঃ আব্দুল মোতালেব হাওলাদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরষ্কার বিতরনী আনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর মোঃইউনুস আলী সিদ্দিকী, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক প্রফেসর মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন।

শুরুতে প্রধান অতিথিসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দরা জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে। জাতীয় পতাকা উত্তোলন শেষে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে অতিথিরা সংক্ষিপ্ত এক আলোচনা করেন। পরে বেলুন-ফেস্টুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি প্রতিমন্ত্রী পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম এমপি। উদ্বোধন শেষে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।




পটুয়াখালীর মাছ ব্যবসায়ীর লাশের সন্ধান মেলেনি

মো: আল-আমিন, পটুয়াখালী : পটুয়াখালী জেলার রাঙ্গাবালী থেকে মাছ নিয়ে ট্রলারে গলাচিপায় যাচ্ছিলেন ট্রলারের মালিক  রাশেদ খান। পথে আগুনমুখা নদীর মোহনায় ট্রলারে হামলা করে গত বৃহস্পতিবার মাছ লুট করেন ট্রলারের এক মাঝি। এর পর থেকে ওই ব্যবসায়ী নিখোঁজ।

পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, ট্রলারের মালিককে হত্যার পর লাশ সাগরে ফেলে দিয়েছেন ওই মাঝি।

ট্রলারমালিক রাশেদের বাড়ি রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের দক্ষিণ চরমোন্তাজ গ্রামে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি নিখোঁজ থাকায় দিশাহারা হয়ে পড়েছেন স্বজনেরা। নৌ পুলিশের সঙ্গে রাশেদের ভাইয়েরা তাঁকে বঙ্গোপসাগরে খুঁজছেন। অন্যদিকে বাড়িতে তাঁর স্ত্রী-সন্তানদের আহাজারি থামছেই না।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রাশেদ নিজের ট্রলারে মাছ নিয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চরমোন্তাজ থেকে গলাচিপার উদ্দেশে রওনা দেন। ট্রলারে রাশেদের সঙ্গে মাঝি হিসেবে ছিলেন ইব্রাহিম হোসেন ও জামাল মোল্লা। ট্রলারটি গলাচিপা যাওয়ার পথে পাটুয়া এলাকা অতিক্রম করলে মাঝি ইব্রাহিম অন্য মাঝি ও ট্রলার মালিকের ওপর হামলা করেন।

জামাল আত্মরক্ষায় নদীতে ঝাঁপ দেন এবং সাঁতরে তীরে ওঠেন। কলাপাড়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তাঁকে বরিশালের শের–ই–বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। কিন্তু ট্রলারসহ রাশেদের কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না।
এ ঘটনায় গত শুক্রবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার বিএফডিসি ঘাটে মাছ বিক্রি করতে এসে পুলিশের হাতে আটক হন মাঝি ইব্রাহিম।

পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন জানায়, ইব্রাহিম মাছ লুটের জন্য অন্য মাঝিকে বেলচা দিয়ে আঘাত করেন। ওই মাঝি নদীতে লাফিয়ে পড়ে নিজেকে রক্ষা করেন। ট্রলারের ভেতরে রাশেদ সম্ভবত ঘুমিয়ে ছিলেন। তাঁর ব্যাপারে ইব্রাহিম মুখ খুলছেন না। জব্দ করা ট্রলার থেকে রক্তমাখা কাপড় জব্দ করা হয়েছে। তাঁকে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দেওয়া হতে পারে বলে পুলিশ ধারণা করছে।

রাশেদের সংসারে স্ত্রী ছাড়া দুই মেয়ে ও এক ছেলে আছে। বড় মেয়ে রাশমনি (১৩) ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ছে। অন্য দুজনের একজন নবজাতক ও অন্যটির বয়স এক বছরের একটু বেশি। তিন ভাইয়ের মধ্যে রাশেদ সবার বড়। মাছের ব্যবসা করে অন্য ভাইদের পড়ালেখা করাচ্ছিলেন। রাশেদ নিখোঁজ থাকায় দিশাহারা হয়ে পড়েছে পরিবারটি।

রাশেদের নিখোঁজের ঘটনায় পুরো পরিবার উৎকণ্ঠায়। শিশুসন্তান নিয়ে আহাজারি করছেন স্ত্রী সুরাইয়া। সন্তানদের বুকে নিয়ে অঝোরে কান্নাকাটি করছেন। অবুঝ সন্তানেরা জানে না তাদের বাবার কী হয়েছে?

রাঙ্গাবালী থানার ওসি মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, এ ঘটনায় শুক্রবার নিখোঁজ রাশেদের ভাই আল-আমিন বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন। নিখোঁজ রাশেদের সন্ধানে কাজ করছে নৌ পুলিশ। তবে এখন পর্যন্ত লাশের সন্ধান মেলেনি।’




পূর্ণতা পায়নি পটুয়াখালী যুবলীগ

 

 মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী : নব্বই দিনের আহ্বায়ক কমিটি দিয়ে ৯ বছর পার শেষ ১৭ বছর পরের সম্মেলনও পূর্ণতা দিতে পারেনি পটুয়াখালী জেলা যুবলীগকে। এখনো আংশিক কমিটি দিয়ে চলছে জেলা যুবলীগ। এর ফলে নতুন নেতৃত্ব সৃষ্টিতে জটলার পাশাপাশি সাংগঠনিক কার্যক্রমও স্থবির হয়ে পড়ছে। আর পদপ্রত্যাশীদের মাঝেও বিরাজ করছে হতাশা।

দেড়যুগ পরে ২০২১ সালের ডিসেম্বর পটুয়াখালী জেলা যুবলীগের সম্মেলন কমিটি ঘোষণা ছাড়াই শেষ হয়। আড়াই মাস পরে ঘোষণা করা হয় ২১ জনের আংশিক কমিটি। পূর্ণাঙ্গ কমিটির চার ভাগের একভাগ দিয়েই চলছে এখনো পটুয়াখালীর যুবলীগ।

জেলা যুবলীগের কয়েকজন পদ-প্রত্যাশী নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে ম জানান, জেলা যুবলীগের পদ পেতে অনেকেই রাজনীতি বাদ দিয়ে জেলা ও কেন্দ্রীয় শীর্ষনেতাদের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে ঘুরতে এখন ক্লান্ত।

জেলা যুবলীগের একজন সহসভাপতি বলেন, জেলা যুবলীগের ১০১ জনের সাংগঠনিক কাজ চালাচ্ছেন এখন ২১ জনে। ইউনিয়ন-ওয়ার্ড কমিটি গঠন তো দূরে থাক উপজেলা সম্মেলনই করতে পারিনি আমরা। সভাপতি থাকেন ঢাকায় আর সম্পাদক ব্যস্ত তার ব্যবসা বাণিজ্য নিয়ে। সব মিলিয়ে যুবলীগের সাংগঠনিক অবস্থা অনেক খারাপ।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০৫ সালের ৭ জুলাই জেলা আওয়ামী যুবলীগের সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ওই সম্মেলনে অভ্যন্তরীণ বিরোধে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত সম্পাদক পদপ্রার্থী মাহমুদুর রহমান পলাশ মৃধা ১১ জুলাই মারা যান। পরে ২৯ জুলাই টুঙ্গিপাড়ায় এক বিশেষ কাউন্সিলর অধিবেশনের মাধ্যমে আহসান হাবিব খানকে সভাপতি ও কাওসার আহমেদ মৃধাকে সম্পাদক করে জেলা আওয়ামী যুবলীগের কমিটি ঘোষণা করা হয়। ২০১২ সালের ২৮ ডিসেম্বর যুবলীগ সভাপতি আহসান হাবিব খান মারা গেলে ২০১৩ সালের ২৫ এপ্রিল অ্যাডভোকেট মো. আরিফুজ্জামান রনিকে আহ্বায়ক ও অ্যাডভোকেট মো. শহীদুল ইসলাম শহীদকে যুগ্ম-আহ্বায়ক করে জেলা যুবলীগের ৩১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। ৯ বছর চলে এই আহ্বায়ক কমিটি দিয়ে। ১৭ বছরের মাথায় ২০২১ সালের ২০ ডিসেম্বর স্থানীয় স্টেডিয়াম মাঠে সম্মেলনে আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সম্পাদক মাঈনুল হোসেন খান নিখিল উপস্থিত থাকলেও কমিটি ঘোষণা ছাড়াই সম্মেলন শেষ হয়। ২০২২ সালের ৬ মার্চ ১০১ সদস্যের মধ্যে মাত্র ২১ জনের পদপদবি উল্লেখ করে আংশিক কমিটি ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় যুবলীগ। ৯ বছর আহ্বায়ক কমিটির দায়িত্বে থাকা যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাড. শহিদুল ইসলাম সহিদকে সভাপতি করা হলেও ওই কমিটির আহ্বায়ক আরিফুজ্জামান রনিকে করা হয় ২ নম্বর সহসভাপতি। আর সম্পাদক করা হয় তৎকালীন সদর উপজেলা যুবলীগের সম্পাদক সৈয়দ সোহেলকে। কেন্দ্রীয় অওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান ও সাধারণ সম্পাদক ২০২২ সালের ৬ মার্চ এই আংশিক কমিটির অনুমোদন দেন।

এব্যাপারে জেলা যুবলীগের সম্পাদক সৈয়দ সোহেল বলেন, ২০২২ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পটুয়াখালী জেলা যুবলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকা আমরা কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে জমা দিয়েছি। হয়ত অচিরেই আমরা অনুমোদন পাব।




৯ মার্চ জাতীয় পার্টির কাউন্সিল ঘোষণা করলেন রওশন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান রওশন এরশাদ আগামী ৯ মার্চ কাউন্সিলের ঘোষণা দিয়েছেন। রোববার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গুলশানের বাস ভবনে সংবাদ সম্মেলনে রওশন এরশাদ এ ঘোষণা দেন।

তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রিয় সংগঠন জাতীয় পার্টি এখন চরম বিপর্যয়ের মধ্যে পড়েছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য এবং পার্টিকে আবার সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে নেতাকর্মীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আমি পার্টির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করে আগামী ৯ মার্চ দশম জাতীয় কাউন্সিল আয়োজনের ঘোষণা দিচ্ছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘সর্বস্তরের অসংখ্য নেতাকর্মী আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন। আমরা সবাই মিলে সুন্দর একটি জাতীয় সম্মেলন উপহার দিয়ে জাতীয় পার্টিতে আবার প্রাণ শক্তি ফিরিয়ে আনতে চাই।’

রওশন বলেন, একটি রাজনৈতিক দলে গণতন্ত্র চর্চার প্রধান ক্ষেত্র হচ্ছে, সময়মতো পার্টির জাতীয় সম্মেলন। জাতীয় পার্টির সম্মেলন আয়োজনের মেয়াদ অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে। এখন আমরা জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠানের যে ঘোষণা দিয়েছি সেই সম্মেলন সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য আমি একটি সম্মেলন বাস্তবায়ন কমিটি গঠন করেছি।

 তিনি আরও বলেন, আগামী ৯ মার্চ অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় পার্টির দশম জাতীয় সম্মেলন সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত জাতীয় পার্টির সম্মেলন বাস্তবায়ন কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন কাজী ফিরোজ রশীদ, কো-আহ্বায়ক থাকবেন সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, যুগ্ম-আহ্বায়ক থাকবেন গোলাম সরোয়ার মিলন, সদস্য সচিব থাকবেন রফিকুল ইসলাম সেন্টু এবং কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা।



প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর জেলেনস্কির টুইট

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি বাংলাদেশের সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তিনি বৈশ্বিক শান্তি সম্মেলনে যোগ দিতে বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় সকালে জার্মানিতে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের সাইড লাইনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক করেন ভলোদিমির জেলেনস্কি। বৈঠকের পর এক্স হ্যান্ডলে (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে বৈঠকের ভিডিও শেয়ার করেছেন ভলোদিমির জেলেনস্কি।

পোস্টে জেলেনস্কি লিখেছেন, আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওয়াজেদের সঙ্গে দেখা করে ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি বাংলাদেশের সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছি। আমরা শান্তি ফর্মুলার উপর ভিত্তি করে ইউক্রেনের ন্যায়সঙ্গত শান্তির দৃষ্টিভঙ্গির পাশাপাশি বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেছি। আমি বাংলাদেশকে দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তবায়ন ও উদ্বোধনী গ্লোবাল পিস সামিটে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানিয়েছি।




ঋণ খেলাপি হয়েও পৌরসভার নির্বাচনে প্রার্থীতা বৈধ

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): খেলাপী ঋণ গ্রাহকের প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণার অভিযোগ উঠেছে পটুয়াখালী পৌরসভার নির্বাচনে রিটানিং কর্মকর্তা বিরুদ্ধে। এমনকি জামিনদারের প্রার্থীতাও বৈধ ঘোষণা করেছে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।

১৫ ফেব্রুয়ারী মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছাইয়ের শেষ দিনে খেলাপী ঋণ উল্লেখ করে পটুয়াখালী পদ্মা ব্যাংক শাখা ব্যবস্থাপক একটি চিঠি দিলেও তা গোপন করে ঋণ গ্রহীতা ও জামিনদারের মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষণা করেছে জেলা রিটানিং কর্মকর্তা ও নির্বাচন কর্মকর্তা খান আবি শাহানুর খান।

এ ঘটনায় শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারী) নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা আপীল কর্তৃপক্ষ ও পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক বরাবর আপীল করেছেন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী মেয়র পদ-প্রার্থী ডাঃ মোঃ শফিকুল ইসলাম।

পদ্মা ব্যাংক পটুয়াখালী শাখার অফিসার মেহেদী হোসাইন এবং সিনিয়র অফিসার ও শাখা অপারেশন ম্যানেজার শাহিনুর আক্তার স্বাক্ষরিত চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, আগামী ০৯ মার্চ ২০২৪ ইং তারিখে অনুষ্ঠিতব্য মেয়র পদে নির্বাচনে পটুয়াখালী জেলায় যে সকল প্রার্থীগন অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছেন তাদের মধ্যে মহিউদ্দিন আহম্মেদ, (জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর- ৬৮৬২২৭৮৯০৭/পিন- ১৯৭৬৭৮২৯৫০৫১১৯৬৭৩), পিতা: মোয়াজ্জেম হোসেন, মাতা- সাফিয়া বেগম, বর্তমান ঠিকানাঃ মুসলিম পাড়া, পটুয়াখালী সদর, পটুয়াখালী, একজন সম্ভাব্য মেয়র পদপ্রার্থী।
চিঠিতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, আবুল কালাম আজাদ, প্রোপাইটর মেসার্স আবুল কালাম আজাদ, আমাদের পদ্মা ব্যাংক পিএলসি (তৎকালীন দি ফার্মার্স ব্যাংক লিমিটেড), পটুয়াখালী শাখার একজন খেলাপী গ্রাহক। যিনি ২৮.১০.২০১৪ ইং তারিখ হতে পদ্মা ব্যাংক লিমিটেড, পটুয়াখালী শাখা হতে সর্বমোট ২৪.৫০ কোটি টাকা ঋণ গ্রহণ করেছেন যা ১৬.১০.২০২২ ইং তারিখ মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে। ঋণ’র হিসাবটি নিয়মিত না করায় বিগত ০১.০২.২০২৪ ইং হতে মন্দ ও ক্ষতিজনক মানে শ্রেণিকৃত হয়ে যায় এবং উক্ত ঋণ হিসাবে মহিউদ্দিন আহম্মেদ একজন জামিনদার।

তিনি ঋণ গ্রহণ এর সময় ব্যাংক বরাবর এই মর্মে অঙ্গীকার করেছিলেন যে,আবুল কালাম আজাদ, প্রোপাইটর: মেসার্স আবুল কালাম আজাদ উক্ত ঋণ প্রদানে ব্যার্থ হলে আমি জামিনদার হিসাবে ঋণের সমুদয় টাকা প্রদান করবো।
খেলাপি ঋণ আদায়ের গ্রাহক ও জামিনদারের কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ এবং জামিনদার মহিউদ্দিন আহম্মেদ প্রার্থী হয়ে থাকলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এর জন্য আবেদন জানাচ্ছি। পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকসহ ব্যাংকের ও নির্বাচন কমিশন’র উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে অনুলিপি দেয়া হয়েছে।

এ ঘটণায় প্রতিদ্বন্দ্বি মেয়র পদ-প্রার্থী শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট শাহাবুদ্দিন’র মাধ্যমে একটি আপীল মোকদ্দমা দাখিল করেছেন শনিবার (১৭ফেব্রুয়ারী)।

এ বিষয়ে পদ্মা ব্যাংকের পটুয়াখালী শাখা ম্যানেজার শামীম আহমেদ বলেন, এ বিষয়ে আমরা কোন কথা বলতে চাই না। প্রয়োজন হলে আমাদের
উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করেন।

পদ্মা ব্যাংক ঋণের টাকা পাওয়ার কথা স্বীকার করে আবুল কালাম আজাদ বলেন, কিস্তি বাকি আছে কিন্তু তারা ঋন খেলাপী নয়। আর মহিউদ্দিন তো জামিনদার।

পদ্মা ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এমডি) ফয়সাল আমীন বলেন, আমরা চিঠি দিয়েছি সব ঠিকই আছে। উনি ওনার ঋণটা পরিশোধ করলেইতো শেষ হয়ে যাবে।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা খান আবি শাহানুর খান বলেন, একজন কাউন্সিলর প্রার্থী ছাড়া কেউই ঋণ খেলাপী না। মেয়র প্রার্থী মহিউদ্দিন আহমেদ ঋণ খোলাপী কি না? তা আমার জানা নাই। আমার যাছাই-বাছাই ছিল এই বাছাইয়ের পরে পদ্মা ব্যাংক থেকে চিঠি নিয়ে আসায় তা খুলেই দেখি নাই। কারণ তার পর আমার কোন কিছু করার নাই।

পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক নূর কুতুবুল আলম জানান, আমি ছুটিতে আছি। এবিষয়ে আমার ধারনা নাই। কালকে বলতে পারবো।




জার্মানিতে শেখ হাসিনার সঙ্গে জেলেনস্কির বৈঠক

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : জার্মানির মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্সের সাইড লাইনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। বৈঠকে উভয় নেতা পারস্পরিক ও বৈশ্বিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা করেন।

মিউনিখের স্থানীয় সময় শনিবার সকালে কনফারেন্সের ভেন্যু হোটেল বেইরিশার হফ-এ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মাসুদ বিন মোমেন।

জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকের আগে একই স্থানে শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন জার্মানির অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়নবিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রী।

সকালে সম্মেলন স্থলে নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুটের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন বাংলাদেশের সরকার প্রধান।

এদিন একই হোটেলে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শংকর। এ বৈঠকেও পারস্পরিক ও বৈশ্বিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। পরে সেখানে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, কমনওয়েলথ ও উন্নয়নবিষয়ক সেক্রেটারি লর্ড ক্যামেরন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন-২০২৪ এ যোগ দিতে তিনদিনের সরকারি সফরে ১৫ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় মিউনিখে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সম্মেলনের সভাপতির আমন্ত্রণে সেখানে যাচ্ছেন তিনি।

সংলাপের মাধ্যমে বিশ্বশান্তির মূলমন্ত্র নিয়ে ১৯৬৩ সাল থেকে মিউনিখ শহরে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তাবিষয়ক বার্ষিক সভা মিউনিখ কনফারেন্স। ১৬ থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারি মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্সের ৬০তম সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

জেলেনস্কির সঙ্গে শেখ হাসিনার বৈঠক প্রসঙ্গে সম্প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেছিলেন, আমাদের অবস্থান সবসময় পরিষ্কার। আমরা সবসময় যুদ্ধের বিরুদ্ধে। আমরা চাই পৃথিবীতে শান্তি এবং স্থিতি বিরাজ করুক। প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকের জন্য সময় চেয়েছেন। সেজন্য প্রধানমন্ত্রী তাকে সময় দিয়েছেন। সেখানে যুদ্ধ বন্ধের আলোচনাই হবে।

জেলেনস্কির সঙ্গে শেখ হাসিনার বৈঠকের ফলে রাশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো দূরত্ব তৈরি হবে না বলে জানিয়েছিলেন তিনি।




বঙ্গবন্ধুর কন্যা দেশে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করেছে: আবুল হাসানাত

বরিশাল অফিস ::পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক (মন্ত্রী), আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী কমিটির সিনিয়র সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপি বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সামগ্রিক জীবনটাই হচ্ছে বাংলাদেশের ইতিহাস। তিনি বাঙালি জাতিরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ইতিহাসের মহানায়ক।

অথচ স্ব-পরিবারে বঙ্গবন্ধুকে নির্মমভাবে হত্যাকান্ডের ঘটনায় খুনিদের যাতে কেউ বিচার করতে না পারে, সেজন্য বিএনপি দায়মুক্তি অধ্যাদেশ প্রণয়ন করে হত্যার বিচার চাওয়ার অধিকার পর্যন্ত কেড়ে নিয়েছিলো। পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর সকল কালো আইন বাতিল করে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেছেন। যেকারণে আজ দেশের সব মানবাধিকার লঙ্ঘনের ন্যায় বিচার হচ্ছে।

বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের বরিশাল জেলার নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দর সাথে শুক্রবার রাতে মতবিনিময় সভায় বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ সত্য ও ন্যায়ের পথে থেকে আইনজীবীদের আগুন সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে একজোট হওয়ার আহবান করেন।

বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের বরিশাল জেলার নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দরা আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপির সাথে তার আগৈলঝাড়ার সেরালস্থ বাসভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

 

পরে তারা মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। এ সময় বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তালুকদার মোঃ ইউনুস, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট একেএম জাহাঙ্গীর, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট ফয়জুল হক ফয়েজ, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট দেলোয়ার মুন্সী, আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের নবনির্বাচিত সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম কবীর বাদল, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোর্শেদ খানসহ নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।




দুমকিতে মাঠে আ.লীগের অর্ধ-ডজন নেতা

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই পটুয়াখালীর দুমকিতে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ডামাডোল বাজতে শুরু করেছে। চলতি মাসের শেষ বা মার্চ মাসের প্রথম দিকে তফসিল ঘোষণার আভাসে উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকায় নির্বাচনী আলোচনায় সরব হয়ে উঠেছে সাধারণ মানুষ। এবার দলীয় প্রতীক না থাকার কেন্দ্রীয় ঘোষণায় তৃণমূলের নেতাকর্মী ও প্রত্যন্ত এলাকায় সাধারণ মানুষের আগ্রহ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রার্থী মনোনয়নের দ্বিধাদ্বন্দ্ব এড়াতে দলীয় মার্কাবিহীন নির্বাচনে পছন্দের প্রার্থীকে সমর্থনের সুযোগ পেয়ে তৃণমূলের নেতাকর্মীরাও বেজায় খুশি।

আ.লীগের প্রতীক না থাকলেও ক্ষমতাসীন আ.লীগের অন্তত হাফ ডজন প্রার্থীর নাম আলোচনায় এসেছে। দিনে-রাতে এসব সম্ভাব্য প্রার্থী ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট ও সমর্থন আদায়ে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।

আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে দলমত নির্বিশেষে আলোচনার রয়েছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি, ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক এডভোকেট মেহেদী হাসান মিজান। নির্বাচনে হারলে সাধারণত অনেকেই মাঠ ছেড়ে চলে যান কিন্তু মেহেদি হাসান মিজানের বেলায় হয়েছে উল্টো। তুমুল প্রতিদন্ধিতাপূর্ণ নির্বাচনে স্বল্প ব্যবধানে হারলেও তিনি রাজনীতির মাঠ ছা্ড়েননি। বরং এই পাঁচ বছর মানুষের সুখ-দুঃখে ছুটে গেছেন। বিভিন্ন ধরণের জনহিতকর কাজে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন।

এ কারণে তার পক্ষে সর্ব মহলে জোর আলোচনা চলছে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। তার নিজ গ্রামের সাধারণ মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে নেমেছে।

তিনি ছাড়াও নির্বাচনের মাঠে বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ হাওলাদার, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান সিকদার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও আঙ্গারিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ গোলাম মর্তুজা, জেলা কৃষকলীগ নেতা ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির বাদশা, মাল্টা প্রবাসী আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কাওসার আমীন হাওলাদার গণসংযোগ চালাচ্ছেন।

অপরদিকে, ভাইস চেয়ারম্যান পদে আ.লীগ নেতা মো. রেজাউল হক রাজন ও আবুল বাশার, তিতাস গ্যাসের সাবেক ডিজিএম সরদার আ. রশিদ, ব্যবসায়ী ফিরোজ আলম মৃধা, মহিলা আ.লীগের সভাপতি ও বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান ফরিদা ইয়াসমিন, মহিলা আ.লীগ নেত্রী নাজমুন নাহার শিরিণ, তাহেরা আলী রূমা প্রার্থী হতে পারেন।

বিএনপির প্রার্থিতার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল বলে জানান সম্ভাব্য প্রার্থীরা।




বিরোধী দল হিসেবে সংসদে যাওয়ার নির্দেশ ইমরান খানের

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  কেন্দ্রীয় ও পাঞ্জাবের প্রাদেশিক পরিষদে (সংসদে) বিরোধী দল হিসেবে যোগদানের জন্য দলীয় নেতাদের নির্দেশনা দিয়েছেন পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রধান নেতা ইমরান খান।