পটুয়াখালীতে স্মার্ট ও উন্নত আধুনিক পৌরসভা গড়ার প্রতিশ্রুতি প্রার্থীদের

বরিশাল অফিস :: পটুয়াখালীতে স্মার্ট ও উন্নত আধুনিক পৌরসভা গড়ার প্রতিশ্রুতি প্রার্থীদের সমুদ্র সৈকত কুয়াকাট, পায়রা বন্দর, পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র, সাবমেরিন ল্যান্ডিং ষ্টেশনসহ একাধিক মেঘা প্রকল্পের কারণে অধিক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে পটুয়াখালী জেলা শহর। সেই গুরুত্বপূর্ণ পটুয়াখালী পৌরসভার নির্বাচনের বাকি আর মাত্র ৯ দিন। এরই মধ্যে নির্বাচনকে ঘিরে জমজমাট পৌরসভার বিভিন্ন এলাকা। সকাল থেকে রাত অবধি ব্যস্ত সময় পার করছেন মেয়র, কাউন্সিলর, সংরক্ষিত নারী সদস্য প্রার্থীরা। ভোটারদের স্মার্ট-উন্নত আধুনিক পৌরসভা নির্মাণে নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন প্রার্থীরা।

আগামী ৯ মার্চ ৯টি ওয়ার্ডের ২৪টি কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ইভিএমএর মাধ্যমে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

পটুয়াখালী পৌরসভার নির্বাচনে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি প্রতীক বরাদ্দ দেওয়ার পর পরই পোস্টারে ছেয়ে গেছে পুরো পৌরসভা। শহরের রাস্তার বিভিন্ন মোড়ে, বাজার ঘাটে ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে দেখা যাচ্ছে এসব পোস্টার। লিফলেট নিয়ে দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত নিজ নিজ প্রার্থীদের পক্ষে এলাকায় ভোট চাইছেন কর্মীরা।

পটুয়াখালী পৌরসভা নির্বাচনে মোট ৬১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বী করছেন। এর মধ্যে মেয়র পদে ৫ জন। সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৪১ ও সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ১৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

মেয়র পদে বর্তমান মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদ লড়ছেন জগ প্রতীক নিয়ে। সাবেক মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. মো. শফিকুল ইসলাম লড়ছেন মোবাইল ফোন প্রতীক নিয়ে। এ ছাড়াও বর্তমান মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদের বড় ভাই আবুল কালাম আজাদ রেল ইঞ্জিন, পৌর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. এনায়েত হোসেন নারিকেল গাছ ও নাসির উদ্দিন খান কম্পিউটার প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এসব প্রার্থীরা সবাই প্রচারে সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত স্মার্ট-উন্নত আধুনিক পৌরসভা নির্মাণে নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। তবে বর্তমান মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদ ও সাবেক মেয়র মো. শফিকুল ইসলাম দুজনই পটুয়াখালী পৌরসভার আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন। পৌরসভার বর্তমান উন্নয়নের দাবি করে দুজনই প্রচার চালাচ্ছেন।

বর্তমান মেয়র ও প্রার্থী মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘গত পাঁচ বছর আমি পৌরবাসীর পাশে থেকে আমার সাধ্যমতো উন্নয়ন করার চেষ্টা করেছি। পৌরবাসী এরই মধ্যেই উন্নয়নের সুফল ভোগ করতে শুরু করেছে।’

মহিউদ্দিন আহমেদ দাবি করেন, প্রযুক্তির কল্যাণে পটুয়াখালী পৌরসভার গত ৫ বছরের উন্নয়ন সারা দেশসহ দেশের বাইরেও দৃষ্টি আকর্ষিত হয়েছে। আমি পৌরবাসীকে সঙ্গে নিয়ে ঢেলে সাজোনোর চেষ্টায় দিন-রাত এক করে কাজ করেছি। আমার সময়ে পটুয়াখালী পৌরসভা উন্নয়নের পথে হাত শুরু করেছে। ১৮৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত এ পৌরসভাটি মূলত দীর্ঘ সময় পর্যন্ত পিছিয়ে ছিল উন্নয়নে। যে কারণে পরিপূর্ণ উন্নয়নে এ পৌরসভায় তিন থেকে চার হাজার কোটি টাকা দরকার।’

মহিউদ্দিন আহমেদ তাঁর সময়ে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের বর্ণনা দিয়ে আরও বলেন, ‘আগামী ১০ বছর পর কমপক্ষে ২৫ লাখ লোকের বসবাস হবে এ পৌরসভায়। সেটি মাথায় রেখেই উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন চলমান আছে। পৌরবাসী যদি আমাকে ভোট দিয়ে আবারও নির্বাচিত করে, আমি পটুয়াখালী শহরকে ঢেলে সাজাতে মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী উন্নয়ন অর্জন লক্ষ্য বাস্তবায়ন করতে পারব।’

এদিকে সাবেক মেয়র মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘২০১১ সালে মেয়র নির্বাচিত হয়ে ৮ বছর মেয়রের দায়িত্ব পালন করেছি। আমার সময়ে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে এবং অনেক প্রকল্প চলমান ছিল। সে সব প্রকল্প বর্তমান মেয়রের সময়ে কাজ পূর্নতা পেয়েছে। আমার সময়ে পৌরবাসীর ওপর কোনো বাড়তি করারোপ করা হয়নি। যা এখন কয়েকগুণ বাড়ানো হয়েছে। জনগণ যদি আমাকে নির্বাচিত করে পৌরসভার যেসব প্রকল্পের কাজ চলমান আছে সেগুলোর কলেবর বাড়ানো হবে। নানাবিধ করের বোঝা কমিয়ে পৌরবাসীর নাগালে আনা হবে।’

শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘একদিন এই পৌরসভা সিটি করপোরেশনে পরিণত হবে। কাজেই পৌরসভায় উন্নয়নে মহাপরিকল্পনা নিয়ে কাজ করব। সকল নাগরিক সুবিধা ঘরে বসে পেতে পারে তার ব্যবস্থা করা হবে। পটুয়াখালী পৌরসভা হবে স্মার্ট পৌরসভা, মানবিক পৌরসভা, অসহায় মানুষের আশ্রয়স্থল। শাসক নয়, শোষক নয় সেবক হিসেবে আমি দায়িত্ব পালন করতে চাই।’

উল্লেখ্য, পটুয়াখালী পৌরসভা ১৮৯২ সালের ১ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৮৯ সালের ৫ আগস্ট পটুয়াখালী পৌরসভাটি প্রথম শ্রেণিতে উন্নীত হয়। পৌরসভার আয়তন ২৬ বর্গকিলোমিটার । এ বারের পটুয়াখালী পৌরসভায় নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫০ হাজার ৬৯৯ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ২৬ হাজার ৭৫০ জন, পুরুষ ভোটার ২৩ হাজার ৯৪৭ জন এবং হিজড়া ভোটার ২ জন।




মার্চের প্রথম সপ্তাহে বাড়তে পারে মন্ত্রিসভার আকার

 

 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: মার্চের প্রথম সপ্তাহে মন্ত্রিসভার আকার বাড়তে পারে। নতুন মন্ত্রিসভায় ৮ থেকে ১০ জন নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী যুক্ত হতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গত ১১ জানুয়ারি ৩৭ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়। অন্যান্য বারের তুলনায় এ মন্ত্রিসভার আকারে অনেক ছোট। তাই অল্পদিনের মধ্যে মন্ত্রিসভার আকার বাড়বে এটি অনেকটাই নিশ্চিত ছিল। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছিল, সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর মন্ত্রিসভার আকার বাড়তে পারে।

এরই মধ্যে সংরক্ষিত আসনে ৫০ জন নারী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) তাদের শপথ হবে। তাই মার্চের প্রথম সপ্তাহে মন্ত্রিসভা সম্প্রসারিত হওয়ার জোর সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা

 




কলাপাড়ায় ইউপি সদস্যকে পিটিয়ে জখম

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় জাকির হোসেন দুলাল (৫০) নামের এক ইউপি সদস্যকে পিটিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা।

আজ মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর বারোটার দিকে উপজেলার মহিপুর ইউনিয়নের চৌরাস্তা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিক স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করেছে। আহত দুলাল মহিপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য।

আহত দুলাল জানান, সে বারোটার দিকে মহিপুর থেকে কলাপাড়া উপজেলার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। এ সময় চৌরাস্তা এলাকায় পৌঁছলে স্থানীয় জাকিরের নেতৃত্বে ৫/৭ জন তার উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে তার মাথা ফেটে যায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত প্রাপ্ত হয়। তিনি আরও জানান, ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মোয়াজ্জেমপুর গ্রামে দুটি মসজিদ রয়েছে। এই দুই মসজিদে মুসুল্লী যাওয়াকে কেন্দ্র করে আগে থেকেই জাকিরের সঙ্গে ইউপিস সদস্য দুলালের বিরোধ হয়। এই বিরোধকে কেন্দ্র করে তার উপর হামলা চালানো হয়েছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত জাকির হোসেন বলেন, মসজিদ নিয়ে তার সঙ্গে কোন বিরোধ নেই। তবে পাশাপাশি দুটি মসজিদ হওয়ায় তার বাড়ির মসজিদের মুসুল্লীদের সে সরকারী ত্রান সহায়তা দেয়। অন্য মসজিদে যারা যায় তাদের সঙ্গে ব্যবহার ভালো করেনা। আর আমি দুলাল মেম্বরকে মারি নাই। সে নিজেই আমার উপর হামলা চালিয়েছে। আমি আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি।

মহিপুর থানার ওসি আনোয়ার হোসেন তালুকদার জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইবে।




সরকারকে মধ্যবর্তী নির্বাচনের কথা বলেছে যুক্তরাষ্ট্র : মান্নার

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের সদস্যরা বর্তমান সরকারকে মধ্যবর্তী নির্বাচনের কথা বলেছেন বলে দাবি করেছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না।

তিনি বলেন, ‘শুনেছি আমেরিকার কর্মকর্তারা নাকি সরকারের সঙ্গে কথা বলছে মধ্যবর্তী নির্বাচন দেওয়ার জন্য। এরকম শুনলেতো ভালোই লাগে। তাই আমাদের যুগপৎ আন্দোলন চলছে, চলবে। যখন সবাই মিলে রাজপথে নামবে তখন যেতে বাধ্য হবে।’

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ‘দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলন’ আয়োজিত ‘গণতন্ত্র, মানবাধিকার- ভোটের অধিকার চাই’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

বর্তমান সরকার ও সরকারকে যারা মদত দিচ্ছে তাদের কারও সঙ্গে আপস নেই মন্তব্য করে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘এই লড়াই যা-ই হবে, এই সরকারের সঙ্গে কোনো আপস নেই। আর যারা এই সরকারকে মদত দিচ্ছে তাদের সঙ্গেও কোনো আপস করবো না।’

নিজেদের আন্দোলন প্রসঙ্গে ডাকসুর সাবেক এই ভিপি বলেন, ‘আমরা যে আন্দোলন করেছি তাতে কখনো ভাটার (সমর্থক) টান পড়েনি। বিএনপি যদি এখন একটা সমাবেশের ডাক দেয় তাহলে এখনো পল্টনের এক মাথা থেকে আরেক মাথা দেখা যাবে না। আমরাতো বলছি না আওয়ামী লীগকে সরিয়ে বিএনপিকে বসাবো। আমরা বলছি অন্তবর্তীকালীন সরকারের অধীনে নির্বাচন দেওয়া হোক। এটা খুবই ন্যায্য একটা দাবি।’

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ মনে করে ভোট হয়ে গেলেই শেষ। এখন সেখানে কত শতাংশ ভোট পড়েছে, কত মানুষ ভোট দিয়েছে- সেটা তারা বলে না। তারা মঞ্চ সাজিয়েছে তাতেই শেষ। ৭ জানুয়ারিতে কি কোনো ভোট হয়েছে? কোনো ভোটই হয়নি। সেখানে এক শতাংশ ভোট পড়েছে, নাকি শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ ভোট হয়েছে সেটা তারা দেখে না। এই নির্বাচনে এই সরকারের কোন প্রাপ্তি নেই। তারা কেবল ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে রেখেছে।’

মাহমুদুর রহমান মান্না আরও বলেন, ‘২৮ অক্টোবরে যেটা হয়েছে সেটা সরকারের করা ছিল। সরকার নিজেকে রক্ষা করার জন্য যা করার দরকার ছিল সেটাই করেছে। কারণ তারা জানতো যদি এই সমাবেশ ঠিকভাবে হয়ে যায় তাহলে এই সরকার আর টিকে থাকতে পারবে না।’




রাশিয়ার আক্রমণে আরেক এলাকা ছেড়েছে ইউক্রেন

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : রাশিয়ার প্রবল আক্রমণে ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের এক গ্রাম থেকে সেনাদের সরিয়ে নেয়া হয়েছে বলে সোমবার জানিয়েছেন ইউক্রেন সেনাবাহিনীর এক মুখপাত্র। এক প্রতিবেদনে এপি জানিয়েছে, যুদ্ধের তৃতীয় বছরের শুরুতে যুদ্ধক্ষেত্রে জনবল ও অস্ত্রশস্ত্রে রুশ বাহিনী অনেক এগিয়ে রয়েছে।

ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর এক মুখপাত্র ডিমিট্রো লাইখভি জাতীয় টেলিভিশনে বলেন, কিয়েভের সেনারা সর্বশেষ ধাক্কা খেয়েছে লাস্টোককাইন গ্রামে। সেখান থেকে পিছু হটে তারা আশে-পাশের গ্রামে প্রতিরক্ষা গড়ে তোলার চেষ্টা করছে।

দোনেৎস্ক শহরের কাছে আভদিভকা শহরতলীর পশ্চিমে রয়েছে লাস্টোককাইন। চার মাসব্যাপী যুদ্ধের পর ১৮ ফেব্রুয়ারি এই শহরতলী দখল করে নিয়েছিল রাশিয়ার বাহিনী। মস্কোর শক্তিধর সামরিক বাহিনীর কাছে পরাস্ত হয়েছিল এখানকার রক্ষীরা এবং ইউক্রেন তাদের সেনা প্রত্যাহার করে অন্যত্র প্রতিরক্ষা স্থাপনের পথ বেছে নিয়েছিলো।

রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সংবাদ সংস্থা আরআইএ নভোস্তি স্থানীয় কমান্ডার আন্দ্রেই মর্দভিশেভকে উদ্ধৃত করে বলেছে, রাশিয়ার সেনারা ইউক্রেনের বাহিনীকে ১০ কিলোমিটার (৬ মাইল) পিছনে পিছু হটতে বাধ্য করেছে এবং তারা তাদের আক্রমণ অব্যাহত রেখেছে। ওই সংবাদ সংস্থা বলেছে, ইউক্রেনের এক গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহ রুট লাস্টোককাইনের মধ্য দিয়ে গেছে।

উভয়পক্ষের দাবিকে স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করা সম্ভব ছিল না বলে জানিয়েছে এপি।




পটুয়াখালী পৌরসভা নির্বাচনে মানা হচ্ছে না আচরণবিধি

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): পটুয়াখালী পৌরসভা নির্বাচনে আচারণবিধি মানছেননা মেয়র প্রার্থী বর্তমান মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদ। প্রার্থীর প্রতীকসহ পোষ্টার টানানোর ক্ষেত্রে অন্যান্য প্রার্থীরা পলিথিন ব্যবহার না করলেও মেয়র মহিউদ্দিন সেটি করছেন।

গত ২৩ ফেব্রুয়ারি প্রতীক বরাদ্দের পরপরই প্রায় সকল প্রার্থীরা নির্বাচন কশিনের নিয়ম অনুযায়ী পোষ্টার ব্যবহার করলেও গতরাত থেকে মেয়র প্রার্থী মহিউদ্দিন আহমেদ নির্বাচন অফিসের নির্দেশনা অমান্য করছেন। যা নিয়ে অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

বাংলাদেশ ইলেকশন কমিশনের পরিপত্র ২ এর ২১ নং ক্রমিকে স্পষ্টভাবে বলা আছে, স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ পূর্বক প্রচার প্রচালনা পরিচালনায় এবং নির্বাচনী প্রচারনায় পোষ্টার ব্যবহারে প্লাষ্টিক দিয়ে মোড়ানো বা পোষ্টার প্লাষ্টিক পলিথিন লেমেনিটিং করে ব্যবহার না করাসহ ইতিপূর্বে নির্দেশনা প্রদান করতে হবে। এই ধারা উল্লেখ করে প্রতিক বরাদ্দের দিন জেলা নির্বাচন অফিসার স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে, ‘পোষ্টারে পলিথিন ব্যবহার করা যাবেনা’।

অথচ গত রাত থেকে মেয়র প্রার্থী মহিউদ্দিন আহমেদ পলিথিন মোড়ানো পোষ্টার টানিয়েছে গোটা শহরে। মুহুর্তের মধ্যে বিষয়টি অন্যান্য সকল প্রার্থীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। কারণ ২৩ তারিখ থেকে গত রাত পর্যন্ত অন্যান্য প্রার্থীদের পলিথিন ছাড়া টানানো পোষ্টার গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি আর কুয়াশায় নষ্ট হয়েছে কয়েকবার।

অথচ শহরের পৌরসভা মোড়, সিঙ্গারা পয়েন্ট, কলেজ রোড, জুবিলী স্কুল সড়কসহ বেশকিছু সড়কে জগ মার্কার মেয়র প্রার্থী মহিউদ্দিনের টানানো পোষ্টারে পলিথিন ব্যবহার করতে দেখা গেছে।

মেয়র প্রার্থী ডাঃ মোঃ শফিকুল ইসলাম জানান, সকালে পোস্টার লাগানো হলেও বিকালে হাল্কা বৃষ্টি হওয়ার কারনে সেই পোষ্টার নষ্ট হয়ে যায়। তাই পরেরদিন সকালে আবার পোষ্টার লাগাই তবুও পোষ্টারে পলিথিন ব্যবহার করিনাই। কিন্তু কেন শুধু মাত্র একজন প্রার্থী তার পোষ্টারে পলিথিন ব্যবহার করবে? এগুলো কি জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা দেখেন না? এমনিতেই জেলা নির্বাচনের কার্যক্রম নিয়ে ইতিমধ্যে বিভিন্ন মিডিয়ায় আর্থিক অনিয়ম নিয়ে মেয়র মহিউদ্দিন এর পক্ষালম্বনের রিপোর্ট আসছে। আমার মতে, উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের উচিত বিষয়টি দেখার।

পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী বর্তমান কাউন্সিলর মোঃ জাহিদ হোসেন জানান, প্রতীক বরাদ্দের দিন জেলা নির্বাচন অফিস থেকে আমাদেরকে বলা হয়েছে পোষ্টারে পলিথিন ব্যবহার করা যাবেনা। পোষ্টারে পলিথিন লাগানো আইনগত দন্ডনীয় অপরাধ। যে কারণে আমরা পোষ্টারে পলিথিন ব্যবহার করি নাই।

৪নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী মোঃ খলিলুর রহমান জানান, নির্বাচন অফিসের নিষেধাজ্ঞা থাকায় পোষ্টারে পলিথিন লাগাইনাই। দেযালে পোষ্টার আঠা পলিথিন লাগানো সম্পূর্ন নিষেধ।

জানতে চাইলে জগ মার্কার মেয়র প্রার্থী বর্তমান মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদ জানান, ওগুলো ভুলে লাগানো হয়েছে। যারা লাগিয়েছে তারা ভুল করেছে। আমি তাদেরকে সরিয়ে ফেলতে বলেছি।

পটুয়াখালী জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা সিনিয়র নির্বাচন অফিসার খান আবি শাহানুর খান জানান, নির্বাচনী আচরণবিধিতে বলা হয়েছে কোন প্রার্থী তাদের পোষ্টারে পলিথিন ব্যবহার করতে পারবে না। যদি কেউ পলিথিন ব্যবহার করে থাকে তবে আমাদের বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবে।
জগ মার্কার প্রার্থী পলিথিনসহ পোষ্টার টানিয়েছে এ ব্যপারে জানতে চাইলে তিনি জানান, এমন একটা অভিযোগ পাওয়া গেছে বিষয়টি আমি দেখতেছি।




জমে উঠেছে পটুয়াখালী নির্বাচনের প্রচার প্রচারণা

বরিশাল অফিস :: জমে উঠেছে পটুয়াখালী পৌরসভার সাধারণ নির্বাচনের প্রচার প্রচারণা। প্রতীক বরাদ্দের পরপরই আটঘাট বেধে মাঠে নেমেছেন প্রার্থীরা।

পোস্টার-ব্যানারে ছেয়ে গেছে পুরো এলাকা। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত গণসংযোগসহ নতুন নতুন কৌশলে প্রচারণায় ব্যস্ত মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা। কাউন্সিলর প্রার্থী বেশি হওয়ায় মাইকের শব্দে অতিষ্ঠ স্থানীয়রা।

গতানুগতিক প্রচারণার বাইরে ডিজিটাল প্লাটফর্মেও পাল্লা দিয়ে নিজেদের গুণকীর্তনের পাশাপাশি স্থানীয় উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন প্রার্থীরা। মিছিল ও উঠান বৈঠকের পাশাপাশি কর্মী-সমর্থকরা দলে দলে বাড়ি বাড়ি গিয়ে নিজ নিজ প্রার্থীর পক্ষে ভোট চাইছেন।

এদিকে আচরণবিধি যথাযথভাবে প্রতিপালনে সার্বক্ষণিক ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করছে স্থানীয় প্রশাসন। গত দু’দিনে আচরণবিধি ভাঙার অভিযোগে আট প্রার্থীকে ৪২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় ও সতর্ক করা হয়েছে।

এ নির্বাচনে মেয়র পদে ৫ জন, তিনটি সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নারী কাউন্সিলর পদে ১৫ জন ও ৯টি সাধারণ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে ৪১ জনসহ মোট ৬১জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।




জামিনে কারামুক্ত হলেন বিএনপি নেতা আলতাফ হোসেন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  তিন মাস ২৩ দিন পর বিএনপির কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী এয়ারভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী জামিনে কারামুক্ত হয়েছেন। এসময় কেন্দ্রীয় ও পটুয়াখালী থেকে আগত বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী তাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।



ঝালকাঠিতে শ্রমিক লীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

চন্দ্রদীপ নিউজ: ঝালকাঠির নলছিটিতে ভাড়ায়চালিত মোটরসাইকেল সমিতির সভাপতি ও শ্রমিক লীগের কর্মী ইমরান হোসেনকে (৩৫) কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে পৌরসভার নান্দিকাঠি এলাকায় তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে যায়। গুরুতর অবস্থায় তাকে প্রথমে নলছিটি পরে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ ও নিহতের স্বজনরা জানায়, নলছিটি শহর থেকে বাজার নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে খাজুরিয়া গ্রামের বাড়ি ফিরছিলেন শ্রমিক লীগের কর্মী ইমরান হোসেন।

নান্দিকাঠি এলাকায় আসলে রাস্তার মধ্যে রশি দিয়ে আটকে মোটরসাইলেসহ তাকে ফেলে দেয় দুর্বৃত্তরা। এ সময় তাকে কুপিয়ে রাস্তার পাশে ফেলে চলে যায় হামলাকারীরা। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র, লাঠি ও রশি উদ্ধার করেছে।

নিহত ইমরান হোসেন খাজুরিয়া গ্রামের আব্দুর রশীদ হাওলাদারের ছেলে। তিনি উপজেলা শ্রমিক লীগের সদস্য এবং ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল সমিতির সভাপতি ছিলেন। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ।

নিহতের বড় ভাই রাসেল হাওলাদার বলেন, ইমরানের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী এলাকার ইদ্রিস হাওলাদার ও তার ছেলে আল আমিনের বিরোধ ছিল। এর আগেও ইমরানকে তারা কুপিয়ে আহত করেছিল। এবার তাকে মেরেই ফেলল।

নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুরাদ আলী বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুইজনকে আটক করা হয়েছে।




জাপাকে গৃহপালিত রাজনৈতিক দল বলা হয় : জি এম কাদের