গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাশ, ভেটো দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : দীর্ঘদিনের দরকষাকষির পর অবশেষে গাজা উপত্যকায় জরুরিভিত্তিতে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাশ হলো জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে। সোমবার পাশ হওয়া এ প্রস্তাবটিতে গাজায় যুদ্ধবিরতির পাশাপাশি উপত্যকার নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠী হামাসের কব্জায় থাকা জিম্মিদের দ্রুত ও নিঃশর্ত মুক্তির ব্যাপারটিরও উল্লেখ রয়েছে। খবর আল-জাজিরার

সোমবার প্রস্তাবটি পরিষদের বৈঠকে ভোটের জন্য তোলার পর মোট ১৫ সদস্যের মধ্যে ১৪ দেশ প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিলেও যুক্তরাষ্ট্র ভোটদানে বিরত ছিল। তবে প্রস্তাবটির বিপক্ষে কোনো যুক্তি উপস্থাপন করেনি দেশটি।

এর আগে গাজায় যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত যত প্রস্তাব উত্থাপিত হয়েছে—প্রায় প্রত্যেকটিতেই ভেটো দিয়েছে ইসরাইলের সবচেয়ে পুরনো ও পরীক্ষিত মিত্র যুক্তরাষ্ট্র।

গত বছরের ৭ অক্টোবরের হামলার ৯ দিন পর, ১৬ অক্টোবর প্রথম নিরাপত্তা পরিষদে গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবটি তুলেছিল রাশিয়া, কিন্তু তাতে ভেটো দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য। পরে চীন, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং অন্যান্য দেশের উদ্যোগে আরও বেশ কয়েকবার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব তোলা হয় পরিষদের বৈঠকে কিন্তু প্রতিবারই ভেটো দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

এ প্রস্তাব পাশের পর জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে গাজায় জরুরিভিত্তিতে যুদ্ধবিরতি এবং সব জিম্মির নিঃশর্ত মুক্তির প্রস্তাব পাস হলো। প্রস্তাবটি যত শিগগির সম্ভব বাস্তবায়ন করতে হবে। এক্ষেত্রে কোনো প্রকার ব্যত্যয় হলে তা হবে ক্ষমার অযোগ্য।

গত নভেম্বরের শেষ দিকে অবশ্য তিন মধ্যস্থতাকারী দেশ যুক্তরাষ্ট্র, কাতার ও মিসরের তৎপরতায় ৭ দিনের অস্থায়ী বিরতিতে সম্মত হয়েছিল হামাস এবং ইসরাইলের যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভা। সেই বিরতির সময় মোট ১০৮ জন জিম্মিকে ছেড়ে দিয়েছিল হামাস, বিপরীতে দেশের বিভিন্ন কারাগারে বন্দি ফিলিস্তিনিদের মধ্যে ১৫০ জনকে ছেড়ে দিয়েছিল ইসরাইলও।

হামাসের হাতে এখনও জিম্মি অবস্থায় রয়েছে ১৩২ জন। অন্যদিকে ত্রাণ ও খাদ্যের অভাবে মৃত্যুর মিছিল শুরু হয়েছে গাজায়। চলমান এই পরিস্থিতির মধ্যেই কিছুদিন আগে গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর রাফায় বড় আকারের অভিযান চালানোর ঘোষণা দেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। নেতানিয়াহু এ ঘোষণা দেওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই নিরাপত্তা পরিষদে পাস হলো গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব।

গত বছর ৭ অক্টোবর গাজায় শুরু হয় ইসরাইলের আগ্রাসন। দেশটির বর্বরতায় এ পর্যন্ত ৩২ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনির প্রাণ গেছে। আহত হয়েছে ৭৪ হাজারের বেশি মানুষ।




পাকিস্তানি বাহিনীর নির্যাতন সেলে ৩৩ ধরনের নিপীড়নের বিবরণ

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : পাকিস্তানি ও তাদের সহযোগী রাজাকার-আলবদর বাহিনী বাঙালিদের ওপর যে অত্যাচার-নির্যাতন চালিয়েছে তার বর্ণনা এ প্রজন্মের জানা জরুরি বলে মনে করেন গবেষকরা। দেশের বেশ কয়েকটি জেলায় আটটি নির্যাতন কেন্দ্র শনাক্ত করে সেখানে নির্যাতনের যে ধরনগুলো উঠে আসে, তার ভয়াবহতায় শিউরে উঠতে হয়।

তারা বলছেন, এর বাইরেও নির্যাতনের নানা ধরনের খবর পাওয়া যায় বেঁচে ফেরা মানুষদের মুখে। এর প্রচুর বিবরণ থাকা উচিত ছিল, যাতে ভবিষ্যতে নাগরিকরা বুঝতে পারে বাংলাদেশবিরোধীরা কী রকম প্রতিহিংসাপরায়ণ ছিল।

মুনতাসির মামুন ২০১৯ সালে ড. এ আর মল্লিক মেমোরিয়াল ট্রাস্ট ফান্ড উদ্বোধনী বক্তৃতায় গণহত্যার রাজনীতি নিয়ে কথা বলেন। পরবর্তী সময়ে সেই বক্তব্যটি বুকলেট হিসেবে প্রকাশ করে বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি। সেখানে তিনি বলেন, বিভিন্ন জেলার জরিপ ও বিবরণীতে কিছু নির্যাতনের ধরন উঠে এসেছে। জরিপের বিবরণী থেকে মোটাদাগে ৩৩ রকমের নির্যাতনকে আলাদা করা যায়।

একাত্তরে নির্যাতন সেলের নিপীড়নের ধরন

বেশিরভাগ সেলেই হাত-পা বেঁধে, পা ওপরের দিকে তুলে ঝুলিয়ে রাখা ছিল একটি ‘সাধারণ’ নির্যাতন। খুলনা সার্কিট হাউজ, বিভিন্ন বধ্যভূমিতে গাছের সঙ্গে এভাবে ঝুলিয়ে রাখা হতো, যাতে পথচারীরা তা দেখতে পায়। এসব নির্যাতন সেলে বৈদ্যুতিক শক দেওয়া হতো, চাকু বা ব্লেড দিয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশ কাটা হতো। এমনকি হাত-পা বেঁধে রান্নার বড় পাতিলের মধ্যে করে পানির হাউজে নিক্ষেপ করা হতো। নাটোরের নির্যাতন সেলে এমন ভয়াবহতার চিত্র পাওয়া যায়।

কিছু কিছু নির্যাতন সেলে বিকৃত চিত্রও পাওয়া গেছে। নাটোরের নির্যাতন সেলেই অন্য কারও যৌনাঙ্গে মুখ ঘষে নির্যাতন চালানো হতো। নারীদের বিবস্ত্র করে ফ্যানের সঙ্গে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা হতো। সেলগুলোতে পুরুষ ও নারীদের বন্দুকের বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে নির্যাতন করতো। সাতক্ষীরার নির্যাতন সেলে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।

জুটমিলের বয়লারে আগে মাথা ঢুকিয়ে, পরে পুরো শরীর ঢুকিয়ে পুড়িয়ে ফেলার ঘটনা পাওয়া গেছে। খুলনা ও সৈয়দপুরে এমন ভয়াবহ নির্যাতনের খোঁজ মিলেছে। এছাড়া খুলনায় হাত-পা বেঁধে জীবিত মানুষকে বস্তায় ভরে নদীতে ফেলা কিংবা কুড়াল দিয়ে বুক চিরে কলিজা বের করার মতো নৃশংস ঘটনার খোঁজ পাওয়া গেছে।

কোথাও ব্লেড বা ছুরি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশ কেটে লবণ ও মরিচের গুঁড়ো মাখিয়ে দেওয়া, পানি চাইলে মুখে প্রস্রাব ঢেলে দেওয়া, শরীরের বিভিন্ন অংশ কেটে রক্ত না বেরোনো পর্যন্ত অশ্রাব্য গালিগালাজ করা, সিগারেটের আগুন দিয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশে ছ্যাঁকা দেওয়ার তথ্যও পাওয়া যায়। বিশেষ করে কুমিল্লার লাকসামে বন্দি নারীদের ওপর এমন নির্যাতন চালানো হতো। হাত পায়ের নখে সুচ ঢুকিয়ে দেওয়া এবং হাত পায়ের নখ উপড়ে ফেলার মতো বর্বরতাও চালানো হতো।

দড়িতে পা বেঁধে ঝুলিয়ে গরম পানিতে বারবার ডোবানো, সূর্যের দিকে মুখ করে শুইয়ে রাখাও হতো। আবার মলদ্বারে বৈদ্যুতিক শক দেওয়া, নারীদের স্তন বা যোনি কেটে ফেলা কিংবা পুরুষদের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কেটে ফেলেও নির্যাতন চালিয়েছে পাকবাহিনী। কোথাও গাড়ির পেছনে বেঁধে গাড়ি চালানোর তথ্যও পাওয়া গেছে। নীলফামারীতে পাট বেলিং প্রেসারের নিচে রেখে দিয়েও নির্যাতন চালানো হতো। আবার কখনও কখনও কাঁচা বাঁশের মধ্যে রেখে শরীর থেঁতলে দেওয়া হতো। এছাড়া খেজুর বা বরইয়ের কাঁটা রেখে তার ওপর গড়াগড়ি দিতে বাধ্য করা, পিচঢালা রাস্তায় সূর্যের দিকে মুখ করে দাঁড় করিয়ে রাখাও হতো।

চট্টগ্রামের পাহাড়তলি অঞ্চলে নির্যাতনের চিত্রে উঠে এসেছে। সেখানে বন্দিদের গলা কেটে ফেলা হতো। এছাড়া মাটির মধ্যে গলা পর্যন্ত পুঁতে রাখা, বিষ পিঁপড়া শরীরে লেলিয়ে দেওয়ার (বেলতলি গণহত্যা) ঘটনাও ঘটেছে।

আবার দড়ি দিয়ে বেঁধে নৌকা বা লঞ্চের সঙ্গে বেঁধে টেনে নেওয়া, নগ্ন করে বরফের স্লাবে শুইয়ে রাখা, অন্ধকার ঘরে ২৪ ঘণ্টা আলো জ্বেলে রাখা এবং চোখে এসিড ঢেলে দেওয়ার (নাটোর) তথ্য পাওয়া গেছে।

মুনতাসির মামুন তার বক্তৃতায় বলেছেন, এগুলো কিছু উদাহরণ মাত্র। আরও কত রকমের অত্যাচার করা হতো তা বর্ণনা করা যাবে মুক্তিযুদ্ধের ওপর বিভিন্ন বই পড়লে।

আগামী প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস আরও ব্যাপকভাবে তুলে ধরা জরুরি কেন এবং করণীয় কী জানতে চাইলে শহীদ সাংবাদিক সিরাজুদ্দীন হোসেনের সন্তান তৌহীদ রেজা নূর বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধকালে নির্যাতনের ইতিহাস পরবর্তী প্রজন্মের কাছে বারবার তুলে ধরতে হবে। বিশ্বে যত জেনোসাইড হয়েছে, প্রতিটির ক্ষেত্রে প্রজন্ম পর প্রজন্ম ইতিহাসটাকে ধরে রাখার চেষ্টা দেখা গেছে। পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণা কাজের সঙ্গে আগ্রহী তরুণদের ব্যাপক হারে যুক্ত করা দরকার। বিশেষত যার যার এলাকার মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিভিন্ন সাইট শনাক্ত করা এবং সংরক্ষণ করার কাজে ছেলেমেয়ে নির্বিশেষে তরুণদের যুক্ত করতে হবে। সঠিক তথ্য ও ইতিহাসের উপাদান নিশ্চিত করতে ওয়াকিবহাল ও যোগ্য একটি টিমের ছায়াতলে সার্বিক কাজ বাস্তবায়ন করা জরুরি।’

মুনতাসির মামুন তার বক্তৃতায় করণীয় উল্লেখ করেছিলেন। তিনি বলেন, ‘পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও তাদের সহযোগী রাজাকার-আলবদর বাহিনী বাঙালিদের ওপর যে নির্যাতন চালিয়েছে, তার প্রচুর বিবরণ লিপিবদ্ধ করা উচিত, যাতে তরুণ প্রজন্ম বুঝতে পারে কীভাবে পাকিস্তানবিরোধীরা অত্যাচার করেছিল। এবং তারা যেন প্রশ্ন তুলতে পারে, যারা এসব ঘটিয়েছে এবং যারা এদের সমর্থন করে বাংলাদেশে তাদের রাজনীতির অধিকার থাকতে পারে কিনা?




বরিশালে কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতার গণসংযোগ

বরিশাল অফিস::  কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ জহির উদ্দীন খসরু নিজ জন্মভূমি জেলার মুলাদী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার জন্য গত কয়েকদিন থেকে ব্যাপক গণসংযোগ করে আসছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের অনুরোধ চতুর্থ ধাপের মুলাদী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সম্ভ্রাব্য উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে নিজেকে ঘোষণা দিয়ে নির্বাচনী মাঠে গণসংযোগে নেমে ক্লিন ইমেজের প্রার্থী হিসেবে জহির উদ্দীন খসরু ব্যাপক সারাজুগিয়েছেন। প্রতিদিনের ন্যায় তিনি শনিবার দিনভর উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের জালালপুর, নাতিরহাট, হুলারহাট এবং মুলাদী সদর ইউনিয়নের কুতুবপুর বাজারে গণসংযোগ করেছেন।

এসময় তার সাথে ছিলেন, বাটামারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ সালাহ উদ্দীন অশ্রু, আওয়ামী লীগ নেতা আলহাজ হেমায়েত উদ্দীন বয়াতী, মীর মহসিন নান্নু, মনিরুজ্জামান মজুমদার, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক কাজী শাখাওয়াত হোসেন বাদল,

বাটামারা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ ফকর উদ্দীন, বাটামারা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শাহাদাত হোসেন, ঢাকা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুল আজিজ, বাটামারা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম হাওলাদারসহ অন্যান্যরা।




আজ আসছেন ভুটানের রাজা-রানি

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে আজ ঢাকায় আসছেন ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুক। সকাল ১০টায় একটি বিশেষ ফ্লাইটে তার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছার কথা রয়েছে। এই সফরে তার সঙ্গে রানি জেতসুন পেমাসহ একটি প্রতিনিধি দল থাকছে। সফরকালে রাজা ও রানি বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। এছাড়া দুই দেশের মধ্যে তিনটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর এবং একটি নবায়ন হবে। আওয়ামী লীগ সরকার গত জানুয়ারিতে ক্ষমতায় আসার পর এটি বাংলাদেশে কোনো দেশের শীর্ষ নেতার প্রথম সফর।

রোববার দুপুরে ভুটানের রাজার বাংলাদেশ সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি জানান, বিমানবন্দরে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ভুটানের রাজাকে স্বাগত জানাবেন। ভুটানের রাজার সফরে নতুন করে তিনটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হবে। সেগুলো হলো- ভুটানের থিম্পুতে একটি বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিট প্রতিষ্ঠা, বাংলাদেশের কুড়িগ্রামে ভুটানের জন্য বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা এবং ভোক্তা সুরক্ষায় প্রযুক্তিগত সহযোগিতা। এছাড়া সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সহযোগিতাসংক্রান্ত একটি চুক্তি আছে- সেটির নবায়ন করা হবে।

রাজার সফরের তাৎপর্য তুলে ধরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, নতুন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর বাংলাদেশে প্রথম কোনো উচ্চ পর্যায়ের রাষ্ট্রীয় সফর এটি। এ সফরে বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশে (বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলে) ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। থিম্পুতে বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিট প্রতিষ্ঠা উদ্যোগের মাধ্যমে দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের বৃহত্তর কল্যাণ সাধন হবে। ট্রানজিট এবং অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তির (পিটিএ) মাধ্যমে ভুটানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বৃদ্ধির সুযোগ হবে। বিদ্যুৎ খাতে ত্রিপক্ষীয় সহযোগিতার চুক্তির মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ ও বিনিময়ের সুযোগ তৈরি হবে।

তিনি বলেন, আগামী বছর থেকে বাংলাদেশের সরকারি মেডিকেল কলেজগুলোতে এমবিবিএস কোর্সে ভুটানের শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ আসন সংখ্যা ২২ থেকে বাড়িয়ে ৩০ করা হবে। প্রতি বছর ভুটানের ফরেন সার্ভিস অফিসারদের জন্য বাংলাদেশ ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে প্রশিক্ষণের জন্য দুটি আসন বরাদ্দ করা হবে।

বাংলাদেশ ফরেন সার্ভিস একাডেমি ভুটানে একটি কূটনৈতিক প্রশিক্ষণকেন্দ্র প্রতিষ্ঠায় প্রয়োজনীয় কারিগরি সহযোগিতা দেবে। বাংলাদেশ এগ্রিকালচারাল রিসার্চ কাউন্সিলে ভুটানের কৃষিবিষয়ক কর্মকর্তাদের বিভিন্ন মেয়াদে তিন বছরব্যাপী প্রশিক্ষণ প্রদানের ব্যবস্থা করা হবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই সফর বাংলাদেশ-ভুটানের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হিসাবে বিবেচিত হবে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সুপ্রতিবেশীসুলভ পররাষ্ট্রনীতির সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ায় আমাদের অবস্থান সুদৃঢ হবে।

বাংলাদেশে মহান স্বাধীনতার প্রথম স্বীকৃতিদানকারী দেশ ভুটান। মহান স্বাধীনতা মাসে দেশটির রাজার এ সফর এবং স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। এছাড়া ভুটানের রাজার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে বলে জানা যায়। সফরে ঢাকায় রাজাকে ব্যাপক উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হবে। রাজার আগমন উপলক্ষ্যে ইতোমধ্যে ঢাকার প্রধান প্রধান সড়কে ভুটানের রাজা এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি টানানো হয়েছে।




পোলিশ আকাশসীমা লঙ্ঘন করে ইউক্রেনে হামলা মস্কোর

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : কিয়েভে রবিবার একাধিক বিস্ফোরণ ঘটেছে এবং রাশিয়ার বিমান হামলা শুরু হওয়ায় পুরো ইউক্রেনকে সতর্ক করা হয়েছে। দেশটির সশস্ত্র বাহিনী জানিয়েছে, পোল্যান্ডের সীমান্তবর্তী লভিভ অঞ্চলটিকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে এবং একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র পোলিশের আকাশসীমায় প্রবেশ করেছে। এদিন স্থানীয় সময় ভোর ৫টায় ইউক্রেনের রাজধানীতে হামলা শুরু হয়। ১৮টি রুশ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২৫টি ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করার কথা জানিয়েছে কিয়েভ।

ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হামলা প্রতিহত করতে নিয়োজিত ছিল। কিয়েভের সামরিক প্রশাসনের প্রধান সের্হি পপকো বলেছেন, রাজধানী ও এর আশপাশে প্রায় এক ডজন রুশ ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করা হয়েছে। হামলার ফলে কোন হতাহতের বা বড় ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি বলে তিনি টেলিগ্রামে এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন।

লভিভের মেয়র অ্যান্ড্রি সাদোভিই টেলিগ্রামে বলেছেন, শহরটি আঘাতপ্রাপ্ত হয়নি।

গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো’ লক্ষ করে বিস্তৃত লভিভ অঞ্চলের বিরুদ্ধে প্রায় ২০টি ক্ষেপণাস্ত্র এবং সাতটি ড্রোন ছোড়া হয়েছিল।ইউক্রেন এর আগে দেশব্যাপী রাশিয়ার কৌশলগত বোমারু বিমান থেকে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের বিষয়ে সতর্কতা জারি করেছিল।

এদিকে পোল্যান্ড বলেছে, রাশিয়ার একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র তাদের আকাশসীমা লঙ্ঘন করেছে। দেশটির সশস্ত্র বাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘বস্তুটি ওসারডো শহরের কাছে পোলিশ মহাকাশে প্রবেশ করে সেখানে ৩৯ সেকেন্ডের জন্য অবস্থান করে।

উড্ডয়নের পুরো সময় এটি সামরিক রাডার সিস্টেম দিয়ে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।’ইউক্রেনের রাজধানীতে বাসিন্দাদের মেট্রো স্টেশনে আশ্রয় নেওয়ার ছবি দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার রাশিয়া কয়েক ডজন ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করার পর একটি বাঁধ আঘাতপ্রাপ্ত হয়। এতে ১০ লাখ ইউক্রেনীয় বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। রবিবারের হামলার বিষয়ে মস্কো এখনো কোনো মন্তব্য করেনি।

অন্যদিকে সংযুক্ত ক্রিমিয়ার সেভাস্তোপল বন্দরের মস্কো নিযুক্ত গভর্নর বলেছেন, রাশিয়ার বাহিনী শনিবার গভীর রাতে শহরের ওপর দিয়ে যাওয়া ১০টি ইউক্রেনীয় ক্ষেপণাস্ত্র গুলি করেছে। মিখাইল রাজভোজায়েভ টেলিগ্রামে বলেছেন, একটি অফিস ভবন ও একটি গ্যাসলাইন ধ্বংস হয়ে গেছে এবং এক নারী আহত হয়েছেন।

সূত্র : বিবিসি




গণহত্যা দিবসে সমাবেশ করবে আওয়ামী লীগ

চন্দ্রদীপ নিউজ : গণহত্যা দিবসে রাজধানীতে সমাবেশ করবে আওয়ামী লীগ। আগামীকাল ২৫ মার্চ (সোমবার) বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে হবে এই সমাবেশ।

আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়ার সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে,

সোমবার বিকাল ২টায় ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ আওয়ামী লীগের যৌথ উদ্যোগে গণহত্যা দিবস উপলক্ষে এই সমাবেশের আয়োজন করেছে। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

একাত্তরের ২৫ মার্চ কালরাতে নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর গণহত্যা চালিয়েছিল পাকিস্তানি বাহিনী। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০১৭ সালে প্রথমবারের মতো রাষ্ট্রীয়ভাবে ২৫ মার্চ ‘গণহত্যা দিবস’ পালিত হয়। আন্তর্জাতিকভাবে এ দিবসের স্বীকৃতি আদায়ে কাজ করছে সরকার।




দুমকিতে ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :

পটুয়াখালীর দুমকিতে বহু দিনের জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। শহিদুল আলম হাওলাদারকে সভাপতি ও মো. রাকিব হোসেন মৃধাকে সাধারণ সম্পাদক করে উপজেলা শাখার আংশিক এই কমিটির অনুমোদন দিয়েছে জেলা ছাত্রলীগ কমিটি।

আজ শনিবার পটুয়াখালী জেলা শাখার ছাত্রলীগের সভাপতি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মো. তানভীর হাসান আরিফ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ১৭ সদস্যের এই কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। 

আরো পড়ুন :আন্ধারমানিক নদী রক্ষায় প্রতিবন্ধকতা শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

কমিটির অন্যরা হলেন- সহসভাপতি মাইনুল এইচ সাচ্চু মৃধা, এস.এম প্রিন্স, রাসেল শরীফ, সবুজ উদ্দিন মৃধা, মামুন মোল্লা, আরিফ মুন্সী, রাহাত তালুকদার। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. বায়জিদ খান, সৈয়দ রাব্বি, মোহাম্মদ ইমন হাওলাদার, শফিউল আলম জিসান। সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মোস্তফা, মশিউর রহমান, মোহাম্মদ শাহিন, শেখ সোহাগ।

 




যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনকার্ড ফিরিয়ে দেওয়ার ঘোষণা দিলেন ব্যারিস্টার সুমন

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য পাওয়া গ্রিনকার্ড ফিরিয়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন হবিগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের কুইন্স প্যালেসে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটি আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে তিনি এ ঘোষণা দেন।

অনুষ্ঠানে সুমন বলেন, ‘এবারই ইমিগ্রান্ট হিসেবে আমেরিকায় আমার শেষ আসা। যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনকার্ড ফেরত দিচ্ছি।

যেহেতু বাংলাদেশের মানুষ আমাকে ভোট দিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেছেন, তাঁদের কপালের সঙ্গে আমার কপাল মিলে গেছে। তাই সেকেন্ড কোনো হোম রাখা ঠিক হবে না।’

ইফতারের আগে প্রবাসীদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে সুমন বলেন, ‘আমি যদি মরি আমার এলাকার মানুষের সঙ্গেই মরব। বাঁচলে দেশকে সুন্দর করে গড়ে তুলব।

আমি কিংবা আমার পরিবারের কেউ আমেরিকায় কোনো সম্পদের মালিক হব না। হলে আপনারা সঙ্গে সঙ্গে ফেসবুকের মাধ্যমে দেশবাসীকে জানিয়ে দেবেন।’অন্যায়, অবিচার, অসংগতির বিরুদ্ধে তাঁর লড়াই আগের মতোই অব্যাহত থাকবে মন্তব্য করে সুমন বলেন, ‘সব সমস্যার মূলেই দুর্নীতি। টাকা-পয়সার লোভই নেতাদের নষ্ট করে ফেলে।

টাকা-পয়সা আর সম্পদের জন্যই সব দুর্নীতি হয়।’



মার্কিন প্রস্তাবে রাশিয়া ও চীনের ভেটো, খুশি হামাস, নাখোশ যুক্তরাষ্ট্র

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : গাজা উপত্যকায় অস্ত্রবিরতি নিয়ে জাতিসঙ্ঘ নিরাপত্তা পরিষদে আনা মার্কিন প্রস্তাবটিতে রাশিয়া ও চীন ভেটো দেয়ার ফলে তা বাতিল হয়ে গেছে। রাশিয়া ও চীনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে গাজাভিত্তিক ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস।

তবে ভেটো দেয়ায় রাশিয়া ও চীনের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। হামাসের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ না করার জন্য প্রকাশে চীন ও রাশিয়ার তীব্র সমালোচনা করেছেন জাতিসঙ্ঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত লিন্ডা টমাস-গ্রিনফিল্ড।

তিনি বলেন, ‘রাশিয়া ও চীন লোকজনকে পুড়িয়ে মারা জন্য, কনসার্টে নিরীহ লোকজনকে গুলি করে হত্যার জন্য, নারী ও বালিকাদের ধর্ষণের জন্য, কয়েক শ’ লোককে পণবন্দী করার জন্য হামাসকে নিন্দা করতে অস্বীকার করেছে।’

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাবটি এনেছে বলেই রাশিয়া ও চীন এর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে।

শুক্রবার জাতিসঙ্ঘ নিরাপত্তা পরিষদে মার্কিন প্রস্তাবটির পক্ষে ১১টি দেশ ভোট দেয়। বিপক্ষে ভোট দেয় রাশিয়া, চীন ও আলজেরিয়া। ভোটদানে বিরত ছিল গায়েনা।

তবে রাশিয়া ও চীন উভয়েই নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী দেশ। আর স্থায়ী সদস্যের যেকোনো একটি দেশ ভেটো দিলেই প্রস্তাবটি পাস হয় না।

প্রস্তাবটিতে ছয় সপ্তাহের অস্ত্রবিরতি এবং অবশিষ্ট ১৩৪ পণবন্দীর মুক্তির কথা বলা হয়েছিল।

ভেটো প্রসঙ্গে জাতিসঙ্ঘে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া বলেন, প্রস্তাবটি মাত্রাতিরিক্ত রাজনীতি ছিল। এতে ইসরাইলকে রাফায় সামরিক অভিযান পরিচালনা করার সবুজ সঙ্কেত ছিল।

তিনি বলেন, এতে ইসরাইলের প্রতি প্রবল আনুকূল্য প্রদর্শন করা হয়েছিল। ইসরাইলকে গাজার পুরো এলাকায় এবং এর সকল মানুষের ওপর অবাধে ধ্বংস, বিপর্যয় ও বহিষ্কারের প্রস্তাব করা হয়েছিল।

তিনি বলেন, নিরাপত্তা পরিষদের এক অস্থায়ী সদস্য বিকল্প একটি প্রস্তাব এনেছে। সেটি সমর্থন না করার কোনো কারণ নেই।

জাতিসঙ্ঘে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত জাঙ জুন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবটি ভারসাম্যহীন। এতে রাফায় সম্ভাব্য ইসরাইলের হামলা বন্ধের ব্যাপারে কিছু নেই। তিনি বলেন, বেইজিং বিকল্প প্রস্তাব সমর্থন করবে। এতে গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানানো হয়েছে।

প্রস্তাবটির ব্যাপারে হামাস জানায়, ‘আমরা রাশিয়া, চীন ও আলজেরিয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তারা আমাদের জনগণের ওপর আগ্রাসন চালানোর আমেরিকার পক্ষপাতপুষ্ট প্রকল্পটি প্রত্যাখ্যান করেছে।’

হামাস অবিলম্বে পাঁচ মাসের বেশি সময় ধরে চলা ফিলিস্তিনিদের নিশ্চিহ্ন করার জায়নবাদী যুদ্ধ বন্ধ করার দাবি জানায়।

সূত্র : জেরুসালেম পোস্ট




উপজেলা নির্বাচনে প্রথমধাপের তফসিল আজ

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : স্থানীয় সরকারের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপের তফসিল নির্ধারণ করতে আজ বৃহস্পতিবার সভায় বসতে যাচ্ছে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন কমিশন।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে বেলা ১১টায় এ সভা হওয়ার কথা রয়েছে। সভার পর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে।

এদিকে সংশোধিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা-২০১৩ এবং উপজেলা পরিষদ (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা-২০১৬ আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং শেষে প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাতে বিজি প্রেসের ওয়েবসাইটে তা প্রকাশ করা হয়।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ গতকাল বুধবার বলেন, বৃহস্পতিবার (আজ) কমিশন সভা আছে। তিনি আরও বলেন, উপজেলা পরিষদ (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা ও উপজেলা পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা গেজেট হয়ে গেছে।

বিধিমালায় ২৫০ জন ভোটারের স্বাক্ষরের বিষয়টি উঠিয়ে দেওয়া হয়েছে জানিয়ে অশোক কুমার দেবনাথ বলেন, এতে প্রার্থীদের জন্য উপজেলা ভোট করতে সহজ হবে। সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনের বিষয়টি বাদ দিতে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে (আরপিও) কোনো পরিবর্তন করবেন কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে।