ইউপি ভবন নির্মাণের দাবিতে দুুমকিতে মানববন্ধন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার ১ নম্বর পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় ভবন নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ কর্মসূচি পালন করেছেন ইউনিয়নবাসী।

বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলার পাঙ্গাশিয়া নেছারিয়া কামিল মাদ্রাসা সংলগ্ন ষাটের দশকে নির্মিত পরিত্যক্ত পাঙ্গাশিয়া ইউপি ভবনের সামনের সড়কে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী যুব সংগঠন ’একতা সংঘ’র উদ্যোগে এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

আরো পড়ুন : বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে কুয়াকাটায় পর্যটকের ভিড়

একতা সংঘের সভাপতি আবিদ আল-আসাদের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো. নাঈম বিশ্বাস, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো. ওমর ফারুক প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, পরিত্যক্ত ইউনিয়ন পরিষদ ভবন কার্যালয়ে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা বসতে পারেন না, বৃষ্টিতে পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্রার, বিশেষ করে নাগরিকদের জন্ম-মৃত্যুর বহি. ট্যাক্স ফাইলসহ কাগজপত্র নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ অবর্ণনীয় দুর্ভোগের শিকার হয়েছে। ভবন না থাকায় মেম্বার, চেয়ারম্যান ও সচিবদের একত্রে পাওয়া দুষ্কর, আর এ কারণেই সাধারণ মানুষ নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ইউনিয়নবাসীর ভোগান্তি লাঘবে জরুরি ভিত্তিতে নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা।




কলাপাড়া উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: দীর্ঘদিন পরে কলাপাড়া উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

নবগঠিত কমিটির সভাপতি মোঃ মিজানুর রহমান মুসা ও সাধারণ সম্পাদক হাসানুজ্জামান অমি গাজী।

শুক্রবার রাতে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ সাইফুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক তানভির হাসান আরিফ স্বাক্ষরিত এক প্রেস নোটে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আগামী এক বছরের জন্য ছাত্রলীগের এ নতুন কমিটির তথ্য জেলা থেকে পোস্ট করার পর পর নবাগত নেতৃবৃন্দকে অভিনন্দন জানিয়ে শনিবার সকালে কলাপাড়া পৌর শহরে আনন্দ মিছিল করে ছাত্রলীগ।

আরো পড়ুন : নিখোঁজের তিন দিন পর পায়রা নদী থেকে বৃদ্ধার লাশ উদ্ধার

মিছিল শেষে ছাত্রলীগ সভাপতি মোঃ মিজানুর রহমান মুসা ও সাধারণ সম্পাদক হাসানুজ্জামান অমি গাজী ফুলেল শুভেচ্ছা জানাতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অধ্যক্ষ মোঃ মহিববুর রহমান এমপি’র বাসভবনে উপস্থিত হন।




কী ঘটবে লালমোহন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে?

বরিশাল অফিস :: ঘূর্ণিঝড় রিমালের কারণে স্থগিত হওয়া তৃতীয় ধাপের ভোলার লালমোহন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল (৯জুন)। নির্বাচনকে ঘিরে পৌরশহর থেকে শুরু করে গ্রামের ভোটারদের মধ্যে জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই। নতুন করে ‘কারা বসবেন লালমোহন উপজেলা পরিষদে, নির্বাচনে ঘটবে কী’ এমন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে উপজেলার সাধারণ মানুষের মধ্যে। অনেক প্রার্থী আবার কাজে লাগাতে চান নিজ নিজ এলাকার ভোট ব্যাংক।

বর্তমানে লালমোহন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৭জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এদের মধ্যে চেয়ারম্যান পদে মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা গিয়াসউদ্দিন আহমেদ। তিনি এরআগেও দুই বার টানা লালমোহন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান হিসেবে জয়ী হন।

অন্যদিকে শালিক প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন ভোলার দুই এমপির খুবই কাছের আত্মীয় মো. আকতার হোসেন। তিনি লালমোহন উপজেলার কালমা ইউপির একাধিকবারের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি। তার পক্ষে প্রকাশ্যে কাজ করছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। যার ফলে ফুরফুরে মেজাজে রয়েছেন তিনি ও তার সমর্থকরা। আকতার হোসেন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে ইউপি চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন।

এছাড়া দোয়াত-কলম প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন লালমোহন উপজেলা বিএনপির (একাংশের) সাবেক সদস্য সচিব মো. আকতারুজ্জামান টিটব। যদিও এ নির্বাচনে তিনি স্বতন্ত্র হিসেবে অংশগ্রহণ করেছেন। আকতারুজ্জামান টিটবও উপজেলার চরভূতা ইউপির একাধিকবারের চেয়ারম্যান ছিলেন। উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিতে তিনি ওই ইউপির চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। তবে অন্যান্য প্রার্থীদের কাছে এই আকতারুজ্জামান টিটব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছেন। কারণ লালমোহন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি একাই বিএনপিপন্থি চেয়ারম্যান প্রার্থী।

অপরদিকে হেলিকপ্টার প্রতীকে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন হোসেন হাওলাদার। তিনিও ছিলেন উপজেলার চরভূতা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান।

এই নির্বাচনে একেবারেই নতুন চেয়ারম্যান প্রার্থী লায়ন আবুল হাসানাত হাসনাইন। তিনি লড়ছেন কাপ-পিরিচ প্রতীক নিয়ে। তারুণ্যকে কাজে লাগিয়ে জয়ী হতে চান তিনি। আবুল হাসানাত হাসনাইন অনলাইন লিগ্যাল সার্ভিস বিডির প্রধান নির্বাহীর দায়িত্বে রয়েছেন। চিংড়ি মাছ প্রতীক নিয়ে মাঠে লড়ছেন একেএম বাহারুল ইসলাম। তিনি লালমোহন উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান একেএম নজরুল ইসলামের ভাই। এছাড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আনারস প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন নজরুল ইসলাম লাভু। তিনি পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির দুইবারের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তবে চমক আছে ভাইস চেয়ারম্যান পদে। এই পদে লড়ছেন মোট চারজন প্রার্থী। যাদের মধ্যে রয়েছেন, বর্তমান উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক আবুল হাসান রিমন। তিনি এবারের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চশমা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়া নতুন করে এবার তালা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি মো. জাকির হোসেন। বই প্রতীক নিয়ে ভাইস চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন আ.ন.ম. শাহ্ জামাল দুলাল এবং টিউবওয়েল প্রতীক নিয়ে ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে ভোটের মাঠে রয়েছেন মো. জাকির হোসেন। তবে ভাইস চেয়ারম্যান পদে চার প্রার্থী থাকলেও সাধারণ মানুষজন মনে করছেন, তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে চশমা প্রতীকের প্রার্থী আবুল হাসান রিমন ও তালা প্রতীকের প্রার্থী মো. জাকির হোসেনের মধ্যে।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন দুইজন। এদের মধ্যে হাঁস প্রতীক নিয়ে লড়ছেন বর্তমান উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোসা. মাসুমা বেগম। এছাড়াও এই পদে কলস প্রতীক নিয়ে মাঠে আছেন বাংলাদেশ আওয়ামী মহিলা লীগের উপজেলার নেত্রী রোকেয়া বেগম।

এদিকে উপজেলার ভোটাররা বলছেন, এলাকার উন্নয়নে যারা কাজ করবে এবং সাধারণ মানুষের কল্যাণে নিয়োজিত থাকবেন তাদেরকেই নির্বাচনে ভোট দিয়ে জয়ী করবেন।

লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, অবাধ সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন করতে ইতোমধ্যে আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছি। আমরা লালমোহনবাসীকে একটি নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দেবো।
প্রসঙ্গত, একটি পৌরসভা ও ৯টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত লালমোহন উপজেলা। এ উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৬১ হাজার ৮৪৭জন। এরমধ্যে নারী ভোটার ১ লাখ ২৬ হাজার ৪৭৩জন এবং পুরুষ ভোটার ১লাখ ৩৫ হাজার ৩৭১জন। এছাড়া এই উপজেলায় তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৩জন। এসব ভোটাররা উপজেলার ৮৩টি কেন্দ্রে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।




লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিলেন দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: চতুর্থ ধাপে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিলেন ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী মহিববুর রহমান।

বুধবার (৫ জুন) সকাল ১০টায় উপজেলার ৫৭ নং ধুলাশার প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে তিনি সাধারণ ভোটারদের মতো লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দেন। এর আগে হেলিকপ্টারে চড়ে নিজ এলাকায় ভোট দিতে আসেন ওই প্রতিমন্ত্রী।

ভোট শেষে দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ঘূর্ণিঝড় রেমালে কলাপাড়া এবং রাঙ্গাবালী উপজেলায় বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তারপরও সাধারণ মানুষ উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটকেন্দ্রে এসে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন।

তিনি আরো বলেন, আশা করছি আমার এই দুটি উপজেলায় সুন্দর এবং সুষ্ঠু পরিবেশে ভোটগ্রহণ হবে। সময় স্বল্পতার কারণে আমার হেলিকপ্টারে চড়ে এলাকায় ভোট দিতে আসা।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার

কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালী এ দুই উপজেলায় ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৯২ হাজার ৩৩৮ জন। দুই উপজেলার ১১১টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ভোটগ্রহণ। সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণের লক্ষ্যে প্রতিটি কেন্দ্রে ৫ পুলিশ সদস্য ও ১৭ আনসার সদস্য সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন। মাঠে ২৮ জন ম্যাজিস্ট্রেট, ৪টি র‌্যাবের, ৭টি বিজিবির ও ৮টি কোস্টগার্ডর টিম মোতায়ান করা হয়েছে। এ ছাড়া পুলিশের মোবাইল টিম, স্টাইকিং ফোর্স মাঠে কাজ করছে।

ভোটে কলাপাড়া উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৩ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আর রাঙ্গাবালী উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৩ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।




বিশ্বকাপজয়ী ২ ক্রিকেটার জিতলেন ভারতের নির্বাচনে




রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাচনে তিনজনের প্রার্থিতা বহাল

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: অবশেষে ভাগ্য খুলেছে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থিতা বাতিল হওয়া তিনজনের।

সোমবার তাদের তিনজনেরই প্রার্থিতা ফিরিয়ে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

প্রার্থিতা ফিরে পাওয়া ওই তিনজন হলেন উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মু. সাইদুজ্জামান মামুন, ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি রওশন মৃধা ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ফেরদৌসী পারভীন।

বুধবার এ উপজেলার ভোট। জানা গেছে, আচরণবিধি ভঙ্গের দায়ে রোববার ওই তিন প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করেছিল নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসির দেওয়া সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। ফলে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার পাশাপাশি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন তারা। তিনজনের করা রিটের শুনানি নিয়ে সোমবার হাইকোর্টের বিচারপতি ফারাহ মাহবুব এবং বিচারপতি মুহম্মদ মাহবুব-উল ইসলামের সমন্বয় গঠিত বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন ব্যারিষ্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।

আরো পড়ুন : দুমকিতে ২ চেয়ারম্যান প্রার্থীর ৮ সমর্থকের কারাদণ্ড

এর আগে গত ৩১ মে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী স্থানীয় সংসদ সদস্য মহিববুর রহমানকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলেছিল নির্বাচন কমিশন। একইসঙ্গে ওই তিন প্রার্থীকেও হাজির হতে বলেছিল ইসি।

ইসির সেই চিঠিতে বলা হয়েছিল, রাঙ্গাবালী উপজেলার চালিতাবুনিয়া ইউনিয়নের চালিতাবুনিয়া বাজারে এবং ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের কোড়ালিয়া ঘাটে ত্রাণ বিতরণের সময় প্রতিমন্ত্রী প্রকাশ্যে তিন প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার জন্য আহবান জানিয়েছেন। যা বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

ইসি সূত্রমতে, সে অনুযায়ী রোববার নির্বাচন কমিশনে তাদের শুনানি হয়। প্রতিমন্ত্রী এবং তিন প্রার্থী ইসিতে হাজির হন। শুনানিতে প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যে সন্তুষ্ট হয়ে নির্বাচন কমিশন বিধি ভঙ্গের দায় থেকে তাকে অব্যাহতি প্রদান করেন। কিন্তু ওই তিন প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করেছিলেন। পরে তিনজনই হাইকোর্টে রিট করেন। এই রিটের শুনানিতে তাদের পক্ষে রায় হয়।




ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যাবেন প্রধানমন্ত্রী 




কালো টাকার প্রলোভনে পড়বেন না, আপনারা নিজে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে নিজের ভোট দিবেন : আনারস মার্কা প্রার্থী মেহেদী হাসান মিজান

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ডেস্ক :: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশ করার ‘আমার গ্রাম আমার শহর’ যে প্রকল্প সেটি বাস্তবায়নের লক্ষে দুমকী উপজেলাকে নির্বাচন করেছেন। এমন বাস্তবতায় সৎ, শিক্ষিত ও তরুণ নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে উন্নয়ন করার সুযোগ চেয়েছেন আনারস মার্কার উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এডভোকেট মেহেদী হাসান মিজান।

আজ রবিবার (২৬ মে) বিকালে দুমকী মুরাদিয়া ইউনিয়নের বোর্ড অফিস বাজারে নির্বাচনীয় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

মেহেদী হাসান মিজান জানান,বাংলাদেশের ১২ টি উপজেলাকে ৪ টি প্যাকেজ এ তিনটি করে নির্ধারণ করেছেন। প্রথম ধাপের প্যাকেজে এই দুমকী উপজেলা রয়েছে। এই মেগা প্রকল্পগুলো বিশেষ করে আয়তনে ছোট উপজেলা থেকে শুরু হয়। বিগত দিনেও আপনারা উদাহরণ হিসেবে দেখেছেন শতভাগ বিদ্যুতায়িত উপজেলা হিসাবে দুমকী বাংলাদেশে প্রথম শতভাগ বিদ্যুতায়ন হয়েছিল।

তিনি জানান,আমার গ্রাম আমার শহর এই প্রকল্পে দুমকী উপজেলাকে অন্তর্ভুক্ত করেছেন আমাদের লেবুখালী ইউনিয়নের কৃতি সন্তান পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে কর্মরত মো: হারুন আর রশীদ। তার কাছে আমরা দুমকীর জনগণ কৃতজ্ঞতা জানাই । তার মতো একজন দক্ষ ও মেধাবী চৌকস অফিসার আমাদের দুমকীর জনপদে ছিল বলেই এই দুমকী উপজেলাটির উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার জন্য স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য এই প্রকল্পটি দুমকী উপজেলায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

তিনি আরও জানান, এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য একজন সৎ, শিক্ষিত ও তরুণ নেতৃত্ব নির্বাচিত করে উপজেলা উন্নয়ন করার সুযোগ দিন। ইতিমধ্যেই সৎ, শিক্ষিত ও তরুণ উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত করুন এই নির্বাচনীয় স্লোগান হিসাবে আনারস মার্কায় ভোট প্রার্থনা করেছি। এই তিনটি গুনেরও সমন্বয়ে যে ব্যাক্তি নির্বাচিত হবে তিনি এই দুমকীকে একটি আধুনিক দুমকীতে ও স্মার্ট উপজেলা হিসাবে রুপান্তরিত করবেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে প্রকল্প আপনাদের দিয়েছেন সেটি বাস্তবায়নের জন্য একজন দক্ষ, সৎ, শিক্ষিত,তরুন জনসেবক দরকার। যদি আমার ভিতরে এই গুনগুলো থাকে তাহলে আগামী ২৯ তারিখ আনারস মার্কায় ভোট দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করে সকলের সেবা করার সুযোগ দিন।

এডভোকেট মেহেদী হাসান মিজান জানান, খেটে খাওয়া মানুষদের জন্য কর্মসংস্থান এবং বেকার সমস্যা নিরসনে কাজ করতে চাই । তরুণ উদ্যোক্তা হিসাবে তরুণ প্রজন্মের জন্য কাজ করতে চাই বিশেষ করে বেকারদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে চাই। ইতোমধ্যেই আমি দুমকীতে ২টি শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছি। নির্বাচিত হলে আরো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান তৈরি করে বেকার সমস্যা নিরসনে কাজ করবো ।

তিনি বলেন, ২০১৯ সালে যে নির্বাচন হয়েছিল সে সময়ও আমি উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী ছিলাম। তার পরবর্তী সময়েও আপনাদের সাথে আমি কাঁধে কাধঁ রেখে দুমকি উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় মাঠে ঘাটে ঘুরে বেড়িয়েছি তাই আপনাদের অনেকের সম্মতি নিয়ে এই উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আংশগ্রহণ করেছি।

বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স মাস্টার্স পাশ করে এডভোকেট হয়ে আমি আপনাদের মাঝে এসেছি সেবা করার জন্য।

এডভোকেট মেহেদী হাসান মিজান বলেন, আমাকে আপনারা নির্বাচিত করলে আমি আগামী ৫ বছর নয় আমার আমৃত্যু পর্যন্ত আপনাদের দুমকি উপজেলা জনগণের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করবো। অনেক প্রার্থী আছেন যারা নির্বাচনে নির্বাচিত জোক বা না হোক ভোটের পরে আর দুমকি উপজেলায় থাকবে না। এই গুলো আপনারা বিবেচনা করেই আপনাদের মূল্যবান ভোট প্রদান করবেন।

আনারস মার্কা প্রার্থী বলেন, এবারের নির্বাচনে কোনো দলীয় প্রতীক না থাকায় আপনাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট প্রদান করবেন। আপনারা কারোর কথায় বা কালো টাকার প্রলোভনে পড়বেন না। আপনারা নিজে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে নিজের ভোট দিবেন। বিগত দিনের ভোট এবং এবারের ভোট পুরোটাই ভীন্ন। এবারের নির্বাচনে কোনো প্রার্থী পেশী শক্তি প্রয়োগ করতে পারবেনা। সুষ্ঠ, অবাধ ও নিরপেক্ষ ভোট নিশ্চিত করতে সরকারের পক্ষ থেকেও ব্যাপক জোরালো ভূমিকা রয়েছে। আগামী ২৯ মে আপনারা আপনাদের মূল্যবান ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে আগামী পাঁচ বছরের জন্য আপনাদের ভাগ্য নির্ধারণ করবেন বলে আমি আশা করি।

দুমকী উপজেলার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও তরুণ উদ্যোক্তা নিউ ভিশন গ্রুপের এমডি মো. তরিকুল ইসলাম মনির বলেন, মেহেদী হাসান মিজান আমার বন্ধু । সে একজন সৎ এবং যোগ্য নেতৃত্ব। জনগণের উন্নয়ন ও সেবা দেওয়ার জন্যই সে নির্বাচনে এসেছে। সে নির্বাচিত হলে কর্মসংস্থানের মাধ্যমে তরুনদের বেকারত্ব দূরীকরণে কাজ করবে। এ লক্ষে ইতিমধ্যে আমরা এখানে একটি ইন্ডাস্ট্রি করেছি এ ছাড়াও প্রতিটা ইউনিয়নে ফ্রি স্বাস্থ্য সেবা সহ আরো কিছু প্রকল্প হাতে নিয়েছি। সে নির্বাচিত হলে দুমকির আমুল পরিবর্তন হবে। পদ্মা সেতু হওয়ার পরপরই এখানে পায়রাপোর্ট ও বিদ্যুৎ কেন্দ্র সহ কুয়াকাটা ট্যুরিজম কেন্দ্রিক আমাদের যে জনশক্তি দরকার হবে তা তৈরিতে এবং শিক্ষিত ছেলেমেয়েদের এই বিষয়ে দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে প্রশিক্ষণসহ প্রয়োজনীয় উদ্যোগ আমরা নেবো।

যয়বুন নেসা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মো: ইউসুফ আলী মৃধা সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, মুরাদীয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণত সম্পাদক মো: হারুন চাকলাদার সাবেক,নিউ ভিশন গ্রুপের এমডি মো. তরিকুল ইসলাম মনির, স্থানীয় সমাজ সেবক ইমু গাজী,সালামপুর আমিনিয়া ফাজিল মাদ্রাসা,শিক্ষক রুহুল আমীন মাউলানা,বিশিষ্ট সমাজ সেবক মো: গফুর হাওলাদার। দুমকি উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক রাকিব মৃধা সহ আরও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও কয়েক শত মহিলা পুরুষ ও যুবকরা। এর আগে ঘূর্ণিঝড় রিমাল মহাবিপদ সংকেত অপেক্ষা করে দলে দলে সমর্থকরা মিছিল নিয়ে বৈঠকে অংশ গ্রহণ করেন।




আশ্রয়ণ প্রকল্পের মানুষও পাবে স্মার্ট সুবিধা : আনারস মার্কা প্রার্থী মেহেদী হাসান মিজান

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: দুমকী উপজেলার আনারস মার্কা চেয়ারম্যান পদ-প্রার্থী অ্যাডভোকেট মেহেদী হাসান মিজান বলেছেন, স্মার্ট ও উন্নত মানবিক দুমকী বিনির্মাণে গড়ার লক্ষে আনারস মার্কা বিজয় হলে আশ্রয়ণ প্রকল্পের মানুষও পাবে স্মার্ট সুবিধা। আমার কাছে ধনী-গরীব কোন ভেদাভেদ নেই প্রতিটি মানুষই সমান, এই উপজেলার জনগণের সাথে আমার আত্মার সম্পর্ক রয়েছে। এখানের মাটি ও মানুষের ভাষা আমি বুঝি। তাই এখানের মাটি ও মানুষের মাঝে আমি বড় হয়েছি। তাই আগামী দিনগুলোতে সুখে দুঃখে সকলের মাঝে পাশাপাশি থাকতে চাই। সকলকে সাথে নিয়ে উন্নয়নে মাধ্যমে দুমকী উপজেলাকে ঢেলে সাজাতে চাই।

শুক্রবার ( ২৫ মে) বিকালে দুমকী লেবুখালী ১ নং ওয়ার্ডের আশ্রয় কেন্দ্রে উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এ কথা বলেন।

আনারস মার্কা প্রার্থী বলেন, এবারের নির্বাচনে কোনো দলীয় প্রতীক না থাকায় আপনাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট প্রদান করবেন। আপনারা কারোর কথায় বা কালো টাকার প্রলোভনে পড়বেন না। আপনারা নিজে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে নিজের ভোট দিবেন। বিগত দিনের ভোট এবং এবারের ভোট পুরোটাই ভীন্ন। এবারের নির্বাচনে কোনো প্রার্থী পেশী শক্তি প্রয়োগ করতে পারবেনা। সুষ্ঠ, অবাধ ও নিরপেক্ষ ভোট নিশ্চিত করতে সরকারের পক্ষ থেকেও ব্যাপক জোরালো ভূমিকা রয়েছে। আগামী ২৯ মে আপনারা আপনাদের মূল্যবান ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে আগামী পাঁচ বছরের জন্য আপনাদের ভাগ্য নির্ধারণ করবেন বলে আমি আশা করি।

এডভোকেট মেহেদী হাসান মিজান বলেন, আমাকে আপনারা নির্বাচিত করলে আমি আগামী ৫ বছর নয় আমার আমৃত্যু পর্যন্ত আপনাদের দুমকি উপজেলা জনগণের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করবো। বেকার সমস্যা নিরসনে কাজ করতে চাই। তরুণ উদ্যোক্তা হিসাবে তরুণ প্রজন্মের জন্য কাজ করতে চাই বিশেষ করে বেকারদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে চাই। ইতোমধ্যেই আমি দুমকীতে ২টি শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছি। নির্বাচিত হলে আরো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান তৈরি করে বেকার সমস্যা নিরসনে কাজ করবো। অনেক প্রার্থী আছেন যারা নির্বাচনে নির্বাচিত হোক বা না হোক ভোটের পরে আর দুমকি উপজেলায় থাকবে না। এই গুলো আপনারা বিবেচনা করেই আপনাদের মূল্যবান ভোট প্রদান করবেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন,লেবুখালী ইউনিয়ন ১ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো: জহিরুল ইসলাম,
দুমকি উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক রাকিব মৃধা,স্থানীয় সমাজ সেবক নুরুজ্জামান জাকির মোল্লা সহ আরও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও কয়েক শত মহিলা পুরুষ ও যুবকরা । এর আগে আশ্রয় প্রকল্পের দলে দলে সমর্থকরা মিছিল নিয়ে বৈঠকে অংশ গ্রহণ করেন।




জনগণের সেবক হতে চান তরুণ প্রজন্মের আইডল “মেহেদী হাসান মিজান”

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: গণমানুষের নেতা অ্যাডভোকেট মেহেদী হাসান মিজান পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলার তুখোড় রাজনীতিবীদ। তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সাবেক সহ-সভাপতি (সোহাগ-নাজমুল কমিটি)।

উপজেলা উন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। পরিবেশবান্ধব অটোব্রিক কারখানা ‘পায়রা সিরামিক্স ইন্ডাস্ট্রিস লিমিটেড’-এর তিনি চেয়ারম্যান। পাশাপাশি লেবুখালী ব্রিজের সন্নিকটে ‘পায়রা পয়েন্ট শপিং কমপ্লেক্স’-এর যৌথ উদ্যোক্তা। এছাড়া ঢাকার কেরানিগঞ্জে আবাসন প্রকল্পের অন্যতম রূপকার ‘নিউভিশন গ্রুপ’-এর সম্মানিত ডিরেক্টর। এভাবে বহুমুখী ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার ফলে উপজেলার মানুষের কর্মসংস্থানে দারুণ ভূমিকা রেখেছেন।

দুমকির গরীব ও মেহনতী মানুষের পাশে নিজেকে সবসময় নিয়োজিত রেখেছেন মেহেদী হাসান মিজান। তাছাড়া উপজেলার শিক্ষা উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। যেসব পরিবারের সন্তানরা অর্থাভাবে লেখাপড়া চালাতে পারেন না, তাদের পাশে অবলীলায় দাঁড়ান তিনি। এছারা তিনি সামাজিক, ধর্মীয়, ও নাগরিক সংগঠনের সাথে নিজেকে সর্বদা জড়িয়ে রেখে গরীব, অসহায়, দুস্থ মানুষের পাশে থেকে সবধরনের মানবিক কাজে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন।

ব্যবসায়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়া অ্যাডভোকেট মেহেদী হাসান মিজান নিজের মেধা, যোগ্যতা, সততা, আন্তরিকতা ও মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে দুমকি উপজেলা বাসীর সকল স্তরের সাধারণ মানুষের ভালোবাসার আস্থা অর্জন করেছেন।

বর্তমানে তরুণ সমাজ পরিবর্তন চায় রাজনীতিতে, চায় শিক্ষিত ও নীতিবান সৎ যোগ্য ব্যক্তিদের, যাদের হাত ধরে এগিয়ে যাবে সমাজ এবং প্রতিষ্ঠিত হবে মানবিক বাংলাদেশ। তারুণ্যের প্রতীক অ্যাডভোকেট মেহেদী হাসান মিজান। সাধারণ মানুষের কাঙ্খিত ব্যক্তিত্বদের একজন।  তিনি জনগনের প্রতিনিধি হলে এগিয়ে যাবে সমাজ, কাঙ্খিত উন্নয়ন হবে উপজেলার।

অ্যাডভোকেট মেহেদী হাসান মিজান আসন্ন দুমকি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আনারস মার্কার চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী। ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক হিসেবে দুমকি উপজেলাবাসীর বেশ সমর্থন পাচ্ছেন। শিক্ষানুরাগী, ভদ্র, নীতিবান ব্যক্তি হিসেবে সাধারণ নাগরিকদের পছন্দের নাম অ্যাডভোকেট মেহেদী হাসান মিজান ।

ক্লিন ইমেজের এই তরুণ স্বপ্ন দেখছেন সাধারণ মানুষের সেবা করার। সুযোগ পেলে শাসক নয়, জনগণের সেবক হয়ে সবার পাশে দাঁড়াতে চান সাধ্যমতো। তিনি নির্বাচিত হলে সমাজের অসচ্ছল, বিধবা, অসহায়, গরীব, বয়স্ক এবং প্রতিবন্ধী মানুষের জন্য কাজ করবেন। মাদক নির্মূল এবং শিক্ষা বান্ধব সমাজ উপহার দিবেন। সর্বোপরি মানুষের কাছে থেকে নাগরিক সেবা নিশ্চিতের সব চেষ্টা করবেন তিনি।

আসন্ন দুমকি উপজেলা নির্বাচন বিষয়ে অ্যাডভোকেট মেহেদী হাসান মিজান বলেন, “আমি যদি মহান আল্লাহর রহমতে নির্বাচিত হই, তাহলে আমার দেওয়া সকল প্রতিশ্রুতি অবশ্যই পালন করব ইনশাআল্লাহ। সেই সাথে অন্যান্য উপজেলা থেকে পিছিয়ে পড়া দুমকি উপজেলাকে এগিয়ে নিয়ে যাব এবং একটি স্মার্ট উপজেলা হিসাবে গড়তে সবাইকে নিয়ে কাজ করে যাব।”

পরিশেষে, দুমকি উপজেলার সর্বস্তরের জনসাধারণের কাছে আনারস মার্কায় ভোট এবং দোয়া চেয়েছেন তিনি।