রোড মার্চের মধ্য দিয়ে শুরু হলো ‘রেজিস্ট্যান্স উইক’

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: প্রতিবিপ্লব’ ঠেকাতে চার দফা দাবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সপ্তাহব্যাপী ‘রেজিস্ট্যান্স উইক’ রোডমার্চ দিয়ে শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে একত্র হন শিক্ষার্থীরা। এরপর যেসব জায়গায় ছাত্র-জনতা শহীদ হয়েছেন সেসব পয়েন্ট অভিমুখে ‘রোডমার্চ’ কর্মসূচি পালন করেন তারা। রোডমার্চ নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলপাড়া, ফুলার রোড হয়ে শহীদ মিনারে গিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন এবং শহীদদের স্মরণে দোয়া প্রার্থনা করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

চার দফার প্রথম দুই দফা ঘোষণা করে আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক সারজিস আলম বলেন, আমাদের আন্দোলনের এই রেজিস্ট্যান্স উইক কর্মসূচির দাবি চারটি। তার প্রথম দুই দাবি হলো- ফ্যাসিবাদী কাঠামো ব্যবহার করে ফ্যাসিস্ট হাসিনা এবং তার দল ও সরকার যে হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে, সেগুলোর দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে হবে। দ্বিতীয় দাবিটি হলো- সংখ্যালঘুদের ওপর আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী মহাজোটের শরিক দলগুলোর পরিকল্পিত হত্যা, ডাকাতি ও লুণ্ঠনের মাধ্যমে গণঅভ্যুত্থানকে বিতর্কিত করার প্রচেষ্টায় অংশগ্রহণকারীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে হবে এবং সংখ্যালঘুদের ন্যায্য দাবি মেনে নিতে হবে।

আরেক সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আমাদের তৃতীয় দাবি হলো- প্রশাসন ও বিচার বিভাগে যারা ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে হামলা, মামলা এবং হত্যাযজ্ঞকে বৈধতা দিয়েছে এবং ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা বারবার কায়েমের চেষ্টা করছে, তাদের দ্রুততম সময়ে অপসারণ ও নতুন সরকারে তাদের নিয়োগ বাতিল করে বিচারের আওতায় আনতে হবে। প্রশাসন ও বিচার বিভাগে যারা এতদিন বৈষম্যের শিকার হয়েছে, তাদের জন্য দ্রুততম সময়ে সুযোগের সমতা নিশ্চিত করতে হবে।

শহীদ মিনারে ডাকসুর সাবেক সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক আখতার হোসেন বলেন, আমাদের বিপ্লবকে নস্যাৎ করার জন্য প্রতিবিপ্লবের চেষ্টা করা হচ্ছে। আমরা এটিকে রুখে দিতে রেজিস্ট্যান্স উইক কর্মসূচি ঘোষণা করেছি। আমরা ছাত্র-জনতা যে কোনো ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে প্রস্তুত। আমাদের শহীদ ভাইদের রক্তের বিনিময়ে যে গণঅভ্যুত্থান হয়েছে সেই অভ্যুত্থান আমরা যে কোনো মূল্যে রক্ষা করবো। দেশের বিভিন্ন জায়গায় ফ্যাসিবাদের দোসররা যতক্ষণ পর্যন্ত থাকবে, দেশের ছাত্র-জনতা ততক্ষণ পর্যন্ত রাজপথে অবস্থান করবে। আমাদের আগামীকালের কর্মসূচি সন্ধ্যার মধ্যে ঘোষণা করা হবে।

এসময় আরেক সমন্বয়ক আবু বাকের মজুমদার বলেন, আমরা দেখেছি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে বিভিন্ন জায়গায় কমিটি দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু এর সাথে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই, আমরা এখনো এই ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত নিইনি। আমাদের আন্দোলন এখনো শেষ হয়নি। তাই আমাদের আন্দোলন সামনে এগিয়ে নিতে আপনারা চাইলে ভলান্টিয়ার কমিটি গঠন করতে পারেন। তবে সেখানে কোনো সমন্বয়ক বা সহ-সমন্বয়ক থাকবে না। সবাই ভলান্টিয়ার সেখানে। কমিটি ঘোষণা করবো কি না সেটা আমরা পরে জানাবো।

আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের ‘আগামীকাল সরাদিন- খুনিদের মামলা দিন’, ‘ফাঁসি ফাঁসি ফাঁসি চাই- খুনি হাসিনার ফাঁসি চাই’, ‘বিচার বিচার বিচার চাই-গণহত্যার বিচার চাই’, ‘আমার ভাই কবরে-খুনি কেন বাহিরে’, ‘দিয়েছি তো রক্ত-আরও দেবো রক্ত’, ‘রক্তের বন্যায়-ভেসে যাবে অন্যায়’, ‘শহীদের রক্ত-বৃথা যেতে দেবো না’ স্লোগান দিতে শোনা যায়।

 




শেখ হাসিনাসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: রাজধানীর মোহাম্মদপুরে আবু সায়েদ নামের এক মুদি দোকানিকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সাতজনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ এজাহার হিসেবে রেকর্ড করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরী গতকাল মঙ্গলবার বেলা পৌনে তিনটার দিকে এ আদেশ দেন। হত্যা মামলাটি রেকর্ড করতে মোহাম্মদপুর থানা-পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন এই আদালতের সাঁট মুদ্রাক্ষরিক নূরে আলম।আসামি হিসেবে অন্য যে ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে তাঁরা হলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, অতিরিক্ত কমিশনার মো. হারুন অর রশীদ ও যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার। এর আগে একই আদালতে মামলাটি নেওয়ার জন্য আবেদন করা হয়। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল দুপুর ১২টার দিকে আদালত মামলার বাদী এস এম আমীর হামজার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে আদেশ দেন আদালত।মামলার এজাহারের তথ্য বলছে, কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে পুলিশ নির্বিচারে গুলি চালায়।

 

গুলিতে গত ১৯ জুলাই মোহাম্মদপুরের বছিলায় মুদিদোকানি আবু সায়েদ নিহত হন।কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ-সংঘাতে এখন পর্যন্ত ৫৮০ জনের নিহত হওয়ার খবর জানা গেছে।ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়। পদত্যাগ করে তিনি দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান। তিনি এখন সেখানেই অবস্থান করছেন।




মানহানির এক মামলায় খালাস পেলেন তারেক রহমান

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ::পটুয়াখালীতে হওয়া ২০ কোটি টাকার মানহানি মামলায় খালাস পেলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। গতকাল সোমবার বিকেলে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আশীষ রায়ের আদালত ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৭ ধারায় তাকে খালাসের আদেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. কাইউম এ আদেশের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে ২০১৫ সালের ১৫ জানুয়ারি কলাপাড়া মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার মো. হাবিবুল্লাহ রানা বাদী হয়ে কলাপাড়া সিনিয়র জুডিসশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ২০ কোটি টাকার এ মানহানির মামলা করেন। তৎকালীন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সরাসরি মামলাটি আমলে নিয়ে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। তখন বাদী পক্ষে মামলার নিযুক্তীয় কৌসুলি ছিলেন মরহুম অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিন তালুকদার।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০১৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর ইস্ট লন্ডনের অস্ট্রিয়ামে যুক্তরাজ্য বিএনপি আয়োজিত বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ইতিহাস বিকৃত করে সাবেক রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে রাজাকার, লালসালু, পাকবন্ধু ও পাকিস্তানের পাসপোর্ট নিয়ে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বাংলাদেশে আসেন বলে ধৃষ্টতাপূর্ণ মন্তব্য করেন এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের কোনো অবদান নেই, শেখ মুজিবুর রহমান আওয়ামী লীগের জন্য লালসালু, এ লালসালুকে ঘিরে থাকে ভক্তরা। দখলদার ও রং হেডেড শেখ হাসিনা যখনই বিপদে পড়েন, তখনই জনগণকে ধোঁকা দিতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার দোহাই দেন। তার পরিবারই রাজাকারের বংশ বিস্তার করছে, রাজাকারেরা তার মন্ত্রিসভায় আছে তারেক রহমান তার বক্তব্যে বলেন বলে বাদী তার মামলায় উল্লেখ করেন।

সাবেক রাষ্ট্রপতি ও তার পরিবারবর্গকে নিয়ে তারেক রহমানের বক্তব্যে দেশ, জাতি তথা বাংলাদেশের সুনাম, সুখ্যাতিসহ বহির্বিশ্বে সাবেক রাষ্ট্রপতিসহ বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান ক্ষুণ্ণ হয়েছে, এতে ২০ কোটি টাকার মানহানি হয়েছে বলে এজাহারে দাবি করেন বাদী।




স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেনের পদত্যাগের দাবিতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনালের (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেনের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।আজ সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর নয়াপল্টন, কাকরাইল এলাকায় এ মিছিল করেন তারা।

আজ রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) আহত পুলিশ ও আনসার সদস্যদের দেখতে গিয়ে আওয়ামী লীগকে দল গঠনের আহ্বান জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। তার এ বক্তব্য দেওয়ার পরেই তাৎক্ষণিক বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় নয়াপল্টনে জড়ো হন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। ছাত্রদলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর স্লোগানে উত্তাল হয়ে ওঠে নয়াপল্টন।

পরে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে প্রায় হাজার খানেক নেতাকর্মী নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। মিছিলটি কাকরাইল মোড় হয়ে পলওয়েল মার্কেট ঘুরে আবারও নয়াপল্টন দলীয় কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হ

মিছিলটি ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব, সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন নাসির, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্যামল মালুম ও সাংগঠনিক সম্পাদক আমানুল্লাহ আমানের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের নেতাকর্মী ছাড়াও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউনিটের বিপুল সংখ্যক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, একই কারণে দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় ও জেলা শহরে বিক্ষোভ করেছে ছাত্রদল।




শেখ হাসিনা ভারতে বসে দেশের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছেন: মির্জা ফখরুল

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: ভারতে পালিয়ে গিয়ে শেখ হাসিনা দেশের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ সোমবার বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে এ কথা বলেন মির্জা ফখরুল। ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে বিএনপির শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, দেশে বর্তমানে যে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তার জন্য আওয়ামী লীগ দায়ী। দেশের মানুষের বিজয় নস্যাৎ করার চক্রান্ত শুরু করেছে। যারা বাংলাদেশের মানুষের অধিকার হরণ করেছিল, তারা আবার এ দেশ থেকে পালিয়ে গিয়ে ভারতে অবস্থান করে দেশের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছে।

আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে সরকারের পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়ে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘এতগুলো মানুষ-ছাত্রকে হত্যা করার পরও সেই দলটি (আওয়ামী লীগ) আবারও বিভিন্নভাবে বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থের বিরুদ্ধে কথা বলছে। আমরা মনে করি এ বিষয়ে সরকারের পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আজকের বৈঠকে নির্বাচন নিয়ে আমরা কোনো কথা বলিনি। আমরা আপনাদেরকে আগেও বলেছি যে, নির্বাচনের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে একটা নির্দিষ্ট সময় লাগবেই। আমরা তাদেরকে তো সেই সময় দিয়েছি। এ ছাড়া আমরা তাদের সব বিষয়গুলোতেই সমর্থন দিচ্ছি।’

বিএনপির শীর্ষ এই নেতা বলেন, ‘আমরা একটা কথা পরিষ্কার করে বলেছি, বর্তমানে যে পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং সাম্প্রদায়িকতার যে ধোঁয়া তোলা হচ্ছে—এগুলোতে যেন জনগণ বিভ্রান্ত না হয়। জনগণ যেন পূর্বের মতই সাম্প্রদায়িক শক্তিকে অক্ষুণ্ন রেখে সরকারতে সহায়তা করে, আমরাও তাদেরকে পুরোপুরিভাবে সহায়তা করছি।




পদত্যাগ করলেন সাদেকা হালিম, রেজিস্ট্রার, প্রক্টরিয়াল বডি

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: পদত্যাগ করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম। একই সঙ্গে পদত্যাগ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মো. জাহাঙ্গীর হোসেনসহ পুরো প্রক্টরিয়াল বডি, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক আইনুল ইসলাম, জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তরের পরিচালক তানভীর আহসান এবং বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. দীপিকা রানী সরকার।

রোববার (১১ আগস্ট) সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক আইনুল ইসলাম।

তিনি বলেন, উপাচার্যসহ আমি, প্রক্টর ও প্রক্টরিয়াল বডি, জনসংযোগ ও প্রকাশনায় দপ্তরের পরিচালক, হল প্রভোস্ট সবাই পদত্যাগ করেছি।

এর আগে গত ৩০ নভেম্বর ২০২৩ সালে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ষষ্ঠ উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম।

একই সঙ্গে তথ্য কমিশনের প্রথম নারী তথ্য কমিশনার ছিলেন তিনি। এর পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য, শিক্ষক সমিতির কার্যকরী সদস্য ও সিনেট সদস্য ছিলেন সাদেকা হালিম। তিনি জাতীয় শিক্ষানীতি কমিটি-২০০৯ এর কমিটিতে সদস্য ছিলেন। তিনি সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের প্রথম নারী ডিন।

 




দেশের মাটিতে বিএনপি নেতা সালাহ উদ্দিন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: দীর্ঘ ৯ বছর পর আজ দেশে ফিরেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমেদ। ৯ বছর আগে ‘নিখোঁজ’ হওয়ার পর নিজেকে আবিষ্কার করেছিলেন ভারতের শিলংয়ে। এরপর থেকে তিনি ভারতেই অবস্থান করছিলেন।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, আজ (রোববার) দুপুর সোয়া ২টার দিকে দিল্লি থেকে ঢাকায় এসেছেন সালাহ উদ্দিন আহমেদ।

সালাহ উদ্দিন আহমেদ বিমানবন্দরের ভিআইপি গেট দিয়ে বের হবেন। ভিআইপি লাউঞ্জে বিএনপি ভাইস-চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন ও মিসেস সালাহ উদ্দিন আহমেদসহ কেন্দ্রীয় নেতারা তাকে অভ্যর্থনা জানান।

এর আগে, রোববার (১১ আগস্ট) বেলা ১১টায় তাকে বহনকারী বিমানটি ভারতের দিল্লি এয়ারপোর্ট থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওয়ানা হয়।




পরাজয় মেনে নিলেন শেখ হাসিনা

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর এই প্রথম নীরবতা ভাঙলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। সেই সঙ্গে নিজের পরাজয় মেনে নিয়েছেন তিনি।

ভারতে আশ্রয় নেওয়া শেখ হাসিনা অভিযোগ করেছেন, তাকে ক্ষমতাচ্যুত করার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের মতো বিদেশি শক্তিগুলোর হাত রয়েছে।

গতকাল শনিবার আওয়ামী লীগ সভাপতি তার দলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে একটি বার্তা দিয়েছেন। এই বার্তায় তিনি এমন অভিযোগ করেন। বার্তাটি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য প্রিন্ট দেখতে পেয়েছে।

বাংলাদেশে রাজনৈতিক সংকটের পেছনে ‘বিদেশি শক্তির হাত’ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে ঘোষণা দেওয়ার কয়েক দিনের মাথায় এমন কথা বলেছেন শেখ হাসিনা।

বার্তায় শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি যদি যুক্তরাষ্ট্রের হাতে সেন্টমার্টিন ও বঙ্গোপসাগর ছেড়ে দিতাম, তাহলে আমি ক্ষমতায় থাকতে পারতাম।’

অনেক দিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শেখ হাসিনা সরকারের টানাপোড়েন চলছিল। চলতি বছরের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে শেখ হাসিনা বলেছিলেন, তিনি এক ‘শ্বেতাঙ্গ’ ব্যক্তির কাছ থেকে তিনি একটি প্রস্তাব পেয়েছেন। তাঁকে বলা হয়, বিমানঘাঁটি করতে দেওয়ার বিনিময়ে তিনি সহজে ক্ষমতায় আসতে পারবেন।

শেখ হাসিনা এ ধরনের বিদেশি শক্তির দ্বারা ‘ব্যবহৃত’ না হওয়ার জন্য নতুন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সতর্ক করেছেন।

শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘লাশের মিছিল যাতে দেখতে না হয়, সে জন্য আমি পদত্যাগ করেছি। তারা আপনার (শিক্ষার্থী) লাশের ওপর দিয়ে ক্ষমতায় আসতে চেয়েছিল। আমি তা হতে দিইনি।’

শেখ হাসিনা আরও বলেন, তিনি দেশে থাকলে হয়তো আরও প্রাণহানি হতো। আরও অনেক সম্পদহানি হতো।

দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে দেওয়া বার্তায় শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আসার অঙ্গীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমি শিগগির ফিরব, ইনশা আল্লাহ। পরাজয় আমার, কিন্তু জয়ী হয়েছে বাংলাদেশের জনগণ। আমি নিজেকে সরিয়ে নিয়েছি। আপনাদের সমর্থন নিয়ে আমি এসেছিলাম, আপনারা ছিলেন আমার শক্তি। আপনারা যখন আমাকে চাননি, তখন আমি নিজে থেকে সরে গেছি, পদত্যাগ করেছি। আমার যেসব কর্মী সেখানে আছেন, তারা কেউ মনোবল হারাবেন না। আওয়ামী লীগ বারবারই উঠে দাঁড়িয়েছে।

 




আওয়ামী লীগকে ক্ষমতাচ্যুত করেছে যুক্তরাষ্ট্র: শেখ হাসিনা

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: নিজের ক্ষমতাচ্যুতের পেছনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাত রয়েছে বলে দাবি করেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার দাবি, সেন্ট মার্টিন দ্বীপ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে না দেওয়ায় তাকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইকোনমিক টাইমস এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতে যাওয়ার পর একাধিকবার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে দেখা হয়েছে শেখ হাসিনার। ভারতীয় নিরাপত্তা এবং কূটনৈতিক কর্তাদের সঙ্গেও কথা হয়েছে তার।

আজ রবিবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয় , আওয়ামী লীগ সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করা এবং বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির জন্য তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে সরাসরি দায়ী করেছেন।

দেশত্যাগ করার আগে যে বক্তব্য তিনি দেশবাসীর উদ্দেশে দিতে চেয়েছিলেন, তাতেও এর উল্লেখ ছিল বলে জানিয়েছে ইকোনমিক টাইমস। শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কথামতো বঙ্গোপসাগরে একক আধিপত্যর জন্য সেন্ট মার্টিন দ্বীপ তাদের ছেড়ে না দেওয়ার মাসুল এই ক্ষমতাচ্যুত করা। তিনি বাংলাদেশিদের সতর্ক করেছেন, তাদের ওপর যেন মৌলবাদীরা ভর না করে।

 




আল-জাজিরার প্রতিবেদন : বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে বিভ্রান্তিকর খবর প্রচার, ‘আতংক ছড়াচ্ছে’ ভারতের গণমাধ্যম

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। তার দেশত্যাগের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভারতের কয়েকটি গণমাধ্যম বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার খবর প্রচার শুরু করে।

সেসব খবরে বলা হয়, ‘ইসলামপন্থি নানা বাহিনী’ সংখ্যালঘু, বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের ওপর হামলা চালাচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ ভারতের বেশকিছু গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর ও ‘আতঙ্ক ছড়ানো’ বিভিন্ন ভিডিও, ছবি ও সংবাদ প্রকাশ পেতে শুরু করে।

সম্প্রতি টাইমস গ্রুপের মালিকানাধীন মিরর নাও–এর ইউটিউব চ্যানেলে একটি ভিডিও প্রকাশ কর হয়। যেটির শিরোনাম ছিল, ‘বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর হামলা? উত্তেজিত জনতার গণহত্যা, হত্যা’। ওই ভিডিওতে সহিংসতা এবং চারটি বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার চিত্র দেখানো হয়। তবে আগুন দেওয়া চারটি বাড়ির মধ্যে দুটির মালিক আবার মুসলিম।

এ বিষয়ে আল–জাজিরার খবরে দাবি করে বলা হয়েছে, ভিডিওটির শিরোনাম পুরোপুরি বিভ্রান্তিকর। ওই সব ঘটনায় কোনো ধরনের গণহত্যা হয়নি। কোনো রকম প্রমাণ না দিয়েই চ্যানেলটির ওই ভিডিওতে আরও কিছু দাবি করা হয়। যেমন- ‘উত্তেজিত জনতা ২৪ জনকে জীবন্ত পুড়িয়ে দিয়েছে’, ‘হামলার লক্ষ্যবস্তু হচ্ছেন সংখ্যালঘুরা’। আসলে ভিডিওতে যে চারটি বাড়িতে আগুন দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, তার একটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের।

স্বাধীনভাবে যাচাই করে দেখা হয়েছে দাবি করে আল–জাজিরা বলেছে, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশত্যাগের দিন দুজন হিন্দু নিহত হয়েছেন। তাদের একজন পুলিশ সদস্য এবং অপরজন হাসিনার দল আওয়ামী লীগের এক কর্মী।

এদিকে ভারতের বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে এ ধরনের দাবিও করা হয়, ‘শিগগিরই বাংলাদেশ থেকে এক কোটির বেশি শরণার্থী ভারতের পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করবে।’

ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির জ্যেষ্ঠ নেতা শুভেন্দু অধিকারীর বরাত দিয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়া এ ধরনের একটি খবর প্রকাশ করে।

ভারতের সরকার ঘনিষ্ঠ সংবাদ সংস্থা এএনআই ভারতের একজন ছাত্রনেতার বরাত দিয়ে বলেছে, প্রতিবেশি দেশের এই গণ–আন্দোলন ‘বাংলাদেশের শত্রুদের সাজানো চক্রান্ত’।

টাইমস অব ইন্ডিয়ায় এ বিষয়টি আরও স্পস্টভাবে তুলে ধরে বলা হয়, ‘জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটাতে’ এ আন্দোলন করেছে।

ভারতীয় গণমাধ্যমে এ ধরনের খবর পরিবেশন নিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষক জাহেদ-উর-রহমান আল–জাজিরাকে বলেন, ওই সংবাদগুলো মূলত ‘ইসলামভীতির দৃষ্টিকোণ’ থেকে পরিবেশন করা হয়েছে।

এ রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের আন্দোলন একসময় গণ–আন্দোলনে পরিণত হয়। বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ওই আন্দোলনে যোগ দেন। কিন্তু ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো কোথাও না কোথাও পুরো বিষয়টিকে তাদের ‘ইসলামভীতির চোখ’ দিয়ে ব্যাখ্যা করছে।’

এদিকে গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর ভারতের কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে সেই খবর প্রকাশ করে বলা হয়, পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টার-সার্ভিস ইন্টেলিজেন্স (আইএসআই) বাংলাদেশের এ বিক্ষোভে উসকানি দিয়েছে। কারণ তারা চায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং তাদের রাজনৈতিক মিত্র জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় আসুক এবং দেশটি একটি ইসলামিক রাষ্ট্রে পরিণত হোক।

এমনকি কয়েকটি গণমাধ্যমে ভারত সরকারকে সম্ভাব্য শরণার্থী সংকট মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত থাকতেও পরামর্শ দেওয়া হয়। দাবি করে বলা হয়, বাংলাদেশ থেকে হিন্দুদের তাড়িয়ে দেওয়া হবে।

দ্য ইকোনমিক টাইমস–এর কূটনীতিবিষয়ক সম্পাদক দীপাঞ্জন আর চৌধুরী তার এক্স হ্যান্ডলে এক পোস্টে লেখেন, ‘বাংলাদেশের রাজনীতিতে জামায়াতে ইসলামীর সক্রিয় হওয়াটা না সে দেশের জন্য ভালো হবে, না ভারতের জন্য। সাম্প্রতিক সময়ে জামায়াত সীমান্তে সন্ত্রাসকে উৎসাহ দিয়ে যাচ্ছে…।’

গুজরাটের টেলিভিশন স্টেশন চ্যানেল টিভি-নাইন বাংলাদেশের গণবিক্ষোভকে ‘অভ্যুত্থান’ বলেছে। সামাজিক মাধ্যম এক্স–এ তাদের ১০ লাখের বেশি অনুসারী রয়েছে। তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেছে, ‘বাংলাদেশে এ অভ্যুত্থানের পেছনে কি আইএসআই? সহিংস হামলার পেছনে কি জামায়াতে ইসলামী?’

তবে বাংলাদেশের আন্দোলন নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো যেভাবে খবর প্রকাশ করেছে, তা স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে জানিয়েছে আল–জাজিরা।

বাংলাদেশের গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, শেখ হাসিনার দেশত্যাগের দিন (৫ আগস্ট) রাতে দেশটির ৬৪ জেলার মধ্যে প্রায় ২০টি জেলায় হিন্দুদের বাড়িতে হামলা ও লুটপাট হয়েছে।

যেসব জেলায় এ হামলা ও লুটের ঘটনা ঘটেছে, আল–জাজিরার প্রতিনিধিরা সেসব জেলার কয়েকজন বাসিন্দার সঙ্গে যোগাযোগ করে জানতে পারে যে, ‘ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে নয়, বরং রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণেই ওই সব বাড়িতে হামলা ও লুটের ঘটনা ঘটেছে।’

অন্যদিকে শেখ হাসিনার পতনের পর তার ছেলে যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দা সজীব ওয়াজেদ জয় ভারতীয় বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন এবং গুজব ছড়িয়ে চলেছেন বলে মনে করেন মোস্তাফিজুর। তিনি বলেন, তিনি কোনো প্রমাণ ছাড়াই হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা হওয়ার দাবি করছেন। বলছেন আইএসআই এর পেছনে রয়েছে।