আনোয়ার হোসেন মঞ্জুকে ছেড়ে দিল পুলিশ

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: সাবেক মন্ত্রী ও জাতীয় পার্টির (জেপি) চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জুকে গ্রেপ্তারের পর ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। আজ সোমবার রাত ৮টার দিকে তাকে ছেড়ে দেয় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।

ডিবির একটি সূত্র  জানায়, অসুস্থ ও বয়স্ক হওয়ায় সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) বিচারিক ক্ষমতায় আনোয়ার হোসেন মঞ্জুকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

এর আগে আজ বিকেলে রাজধানীর ধানমন্ডি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ডিবির একটি দল। গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে ডিবির যুগ্ম কমিশনার (উত্তর) মো. রবিউল হোসেন ভুঁইয়া বলেছিলেন, ডিবি পুলিশের একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করেছে। তাকে ডিবি কার্যালয় নেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে পাঁচটি মামলা রয়েছে।

আনোয়ার হোসেন মঞ্জু রাজনীতিবিদ ছাড়াও একজন ব্যবসায়ী ও সাংবাদিক। পিরোজপুর-২ আসন থেকে ছয় বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তিন মেয়াদে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করা আনোয়ার হোসেন মঞ্জু গত নির্বাচনে হেরে যান।

আনোয়ার হোসেন মঞ্জু হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টির (জাপা) গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছিলেন। পরে তিনি জাতীয় পার্টি (জেপি) গঠন করে এর চেয়ারম্যান হন।

আনোরয়ার হোসেন মঞ্জুর বাবা তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া একজন নামকরা রাজনীতিবিদ ও সাংবাদিক ছিলেন। বাবার মৃত্যুর পর ১৯৭২-১৯৭৫ সাল পর্যন্ত দৈনিক ইত্তেফাকের সম্পাদক ছিলেন তিনি। এ ছাড়া পত্রিকাটির প্রকাশক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন মঞ্জু।




সালাহউদ্দিন ও খোকনকে শোকজ করল বিএনপি

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ ও যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে বিএনপি। আজ সোমবার বিএনপির দপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বিএনপির সূত্র বলছে, এস আলমের গাড়িতে চড়ে সংবর্ধনা নেওয়ার কারণে সালাউদ্দিন আহমেদকে এবং ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের মালিকের সঙ্গে বৈঠক করায় খোকনের কাছে ব্যাখ্যা চেয়ে এই চিঠি পাঠিয়েছে বিএনপি।

বিতর্কিত ব্যবসায়ী গ্রুপ এস আলমের গাড়িতে চড়ে সংবর্ধনা নেওয়ায় বিতর্কের মুখে দুঃখপ্রকাশ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দুঃখপ্রকাশ করেন তিনি।

সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, তাতে করে জনমনে বিভ্রান্ত সৃষ্টি হওয়া স্বাভাবিক। আমি যদি জানতাম তাহলে সাবধানতা অবলম্বন করতাম। তারপরও আমার এ অসাবধানতা ও ইচ্ছাকৃত ভুলের জন্য যদি দেশবাসীর মনে আমি কোনো কষ্ট দিয়ে থাকি, অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে থাকি সেজন্য আমি দুঃখ প্রকাশ করছি।’



মসজিদে যদি পাহারা না লাগে, মন্দিরে কেন প্রয়োজন: জামায়াত আমির

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমার বাড়িতে যদি পাহারা না লাগে, আমার মসজিদে যদি পাহারা না লাগে তাহলে হিন্দু বন্ধুদের মন্দিরে কেন পাহারার প্রয়োজন হবে? আমরা এ ধরনের কোনো বৈষম্য চাই না। আমরা চাই আমাদের সন্তানেরা যে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে করে গিয়েছে, এর মাধ্যমে সকল প্রকার বৈষম্যের কবর রচনা হোক। বাংলাদেশ একটা বৈষম্যবিহীন দেশে পরিণত হোক।’

সোমবার সকালে দিনাজপুর ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে এক সমাবেশ ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন শফিকুর রহমান। বৈষম্যবিরোধী গণঅভ্যুত্থানে নিহত রুদ্র সেন, অন্য শহীদ ও আহতদের জন্য এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জামায়াতের দিনাজপুর উত্তর সাংগঠনিক জেলা।

এ সময় জামায়াত আমির বলেন, ‘ছাত্র-জনতার এই আন্দোলন বিশেষ কোনো গোষ্ঠী, দলের বা সম্প্রদায়ের নয়। এখানে আপামর জনতা রাস্তায় নেমে এসে আন্দোলনকে সফল করেছে। এখানে কোনো নির্দিষ্ট ধর্মের লোকেরা শুধু লড়াই করে নাই, জাতি-দল-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আপামর জনতার এই আন্দোলনকে কেউ যদি নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করতে চায়, তাহলে বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ তাদের রুখে দেবে।’

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘জনগণের সকল আন্দোলনে জামায়াত ইসলামী সঙ্গে থাকবে। স্বৈরাচার তার শেষ দিনগুলোতে দিশেহারা হয়ে আমাদের সন্তানদের হত্যা করেছে। এই বাংলাদেশ ছোপ ছোপ তাজা রক্তে ভরে উঠেছে। তবে আগে যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কাড়াকাড়ি-মারামারি হতো, মানুষ যেদিকে চলাফেরা করতে গেলে আতঙ্কে থাকত। এখন সেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ছাত্র-ছাত্রীরা বন্যার্তদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাদের সঙ্গে সাধারণ জনগণও দাঁড়িয়েছেন।’

তিনি বলেন, ‘বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে কোনো মা তার সন্তান হারিয়েছেন, বাবা তার সন্তান হারিয়েছেন, স্ত্রী তার স্বামী হারিয়েছেন, ছোট সন্তানরা তার বাবাকে হারিয়েছেন, ভাই হারিয়েছে বোনকে, বোন হারিয়েছে ভাইকে। ৬৫ হাজার বর্গমাইলের এই বাংলাদেশ ছোপ ছোপ তাজা রক্তে ভরে উঠেছে। আমাদের আগামী প্রজন্ম যেন বলতে পারে আমাদেরও আবু সাঈদ আছে, আমাদেরও রুদ্র আছে, আমাদেরও মুগ্ধ আছে। আমাদের এরকম হাজারো বীর আছে। আমরা সেই বীরদের অনুসারী। তারা যেন অনুপ্রাণিত হয়।’

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দিনাজপুর উত্তর জেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ আনিসুর রহমান। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহসভাপতি রাশেদ প্রধান, জেলা জামায়াতের সাবেক আমির আফতাব উদ্দিন মোল্লা, জেলা উত্তর জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাড মাহবুবুর রহমান ভুট্টুসহ কেন্দ্রীয় ও জেলার নেতারা।




জেপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু গ্রেপ্তার

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: জাতীয় পার্টির (জেপি) চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জুকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। আজ সোমবার বিকেলে রাজধানীর ধানমন্ডি থেকে তাকে ডিবির একটি দল গ্রেপ্তার করে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ডিএমপি ডিবির যুগ্ম কমিশনার (উত্তর) মো. রবিউল হোসেন ভুঁইয়া বলেন, ডিবি পুলিশের একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করেছে। তাকে ডিবি কার্যালয় নেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে পাঁচটি মামলা রয়েছে।

আনোয়ার হোসেন মঞ্জু রাজনীতিবিদ ছাড়াও একজন ব্যবসায়ী ও সাংবাদিক। পিরোজপুর-২ আসন থেকে ছয় বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তিন মেয়াদে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করা আনোয়ার হোসেন মঞ্জু গত নির্বাচনে হেরে যান।

আনোয়ার হোসেন মঞ্জু হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টির (জাপা) গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছিলেন। পরে তিনি জাতীয় পার্টি (জেপি) গঠন করে এর চেয়ারম্যান হন।

আনোরয়ার হোসেন মঞ্জুর বাবা তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া একজন নামকরা রাজনীতিবিদ ও সাংবাদিক ছিলেন। বাবার মৃত্যুর পর ১৯৭২-১৯৭৫ সাল পর্যন্ত দৈনিক ইত্তেফাকের সম্পাদক ছিলেন তিনি। এ ছাড়া পত্রিকাটির প্রকাশক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন মঞ্জু।




আয়না ঘর, গুম-খুনসহ সমস্ত অপরাধের বিচার এই বাংলায় হবে – এবিএম মোশাররফ হোসেন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন বলেছেন, অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচনের জন্য বর্তমান সরকারকে আমরা সহযোগিতা করতে চাই। তবে দুর্নীতিবাজ সহ পুলিশ, র‍্যাব ও অন্যান্য বাহিনীর যেসব সদস্যরা সুনির্দিষ্ট অভিযোগে অভিযুক্ত হবে তাদেরকে আইনের আওতায় আনতে হবে। স্বৈরাচার হাসিনা সরকারের মন্ত্রী এমপি যারা টাকা পাচার করেছে তাদেরকে আইনের আওতায় এনে ওই টাকা ফেরত আনতে হবে।

রবিবার সন্ধ্যায় কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির আয়োজনে প্রেসক্লাবের সামনে উপজেলা প্রশাসনের মাঠে তাকে গন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

মোশাররফ হোসেন আরো বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর মুক্ত সাধীনভাবে আপনাদের সামনে কথা বলার সুযোগ পেয়েছি। দীর্ঘ সময় দেশটাকে অবরুদ্ধ করে রেখেছিল ছাত্র-জনতার ভয়ে পালিয়ে যাওয়া খুনি হাসিনা। আর তাকে অবৈধ ভাবে টিকিয়ে রেখেছিল সম্প্রতি আমাদের পানিতে ডুবিয়ে দেয়া দেশ ভারত। আয়না ঘর, গুম খুন সহ সমস্ত অপরাধের বিচার এই বাংলায় হবে।

পরে তিনি বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহতদের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন।

কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাজী হুমায়ূন শিকদারের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব শ্নেহাশু সরকার কুট্টি ও পটুয়াখালী পৌরসভার সাবেক মেয়র মো.মোশতাক আহম্মেদ পিনু সহ অংগ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এর আগে এই বিএনপি নেতাকে নিয়ে নেতাকর্মীরা আনন্দ মিছিল নিয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে। এসময় পুরো শহর জনসমুদ্রে পরিনত হয়।




৬ ছাত্রনেতার ওপর ভারতের ভিসা নিষেধাজ্ঞা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : বাংলাদেশের ছয় ছাত্রনেতার বিরুদ্ধে ভারতবিরোধী জনতাকে উসকে দেয়া ও ভারতের জাতীয় স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার অভিযোগ এনেছে নয়াদিল্লি। তাদের ঘনিষ্ঠজনদের ভিসা না দেয়ার জন্য কালো তালিকাভুক্ত করেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত মৌখিক নির্দেশনা ঢাকাস্থ ইন্ডিয়ান হাইকমিশনে পাঠানো হয়েছে। দিল্লিতে কর্মরত কয়েকজন ভারতীয় গণমাধ্যমের সাংবাদিক দ্য মিরর এশিয়াকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এই তালিকায় আছেন গণঅধিকার পরিষদের একাংশের সভাপতি নুরুল হক নুর, গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক আখতার হোসেন, সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলম, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ, সারজিস আলম ও নুসরাত তাবাসসুম।

হাসনাত আবদুল্লাহর চিকেন নেক নিয়ে বক্তব্য ও নুসরাত তাবাসসুমের সেভেন সিস্টার নিয়ে ফেসবুকের স্টাটাসকে আমলে নেয়া হয়েছে ভিসা নিষেধাজ্ঞায়।

মূলত, সরকারের উপদেষ্টা হওয়ায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদের নাম সেখানে উল্লেখ করা হয়নি। মাহফুজ আলম সরকারের অংশ হওয়ার আগেই এই নোটটি পাঠানো হয়। ফলে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিশেষ সহকারী হওয়ার পর মাহফুজ আলমের জন্য ভিসা নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে কিনা তা জানতে পারেনি দ্য মিরর এশিয়া।




চট্টগ্রামে এস আলমের গাড়ি সরানোর ঘটনায় কঠিন সিদ্ধান্ত নিলো বিএনপি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : চট্টগ্রামে বিএনপির শীর্ষ নেতাদের তদারকিতে এস আলম গ্রুপের মালিকানাধীন ১৪টি বিলাসবহুল গাড়ি সরিয়ে নেওয়ার ঘটনায় চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটিই বিলুপ্ত করে দেওয়া হয়েছে।

রোববার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘দলের গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। পরবর্তী কমিটি ঘোষিত না হওয়া পর্যন্ত চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির নামে কোন সাংগঠনিক কার্যক্রম চালানো যাবে না।

এর আগে, গত শুক্রবার রাতে চট্টগ্রামে এস আলমের একটি কারখানা থেকে বিলাসবহুল অন্তত ১৪টি গাড়ি বিএনপি নেতাদের তত্ত্বাবধানে সরিয়ে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, গাড়ি সরানোর সময় চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্মসম্পাদক এনামুল হক এনাম, কর্ণফুলী থানা বিএনপির আহ্বায়ক এসএম মামুন মিয়া ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সুফিয়ানের গাড়িচালকসহ বিএনপির বেশকিছু নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার এস আলমের গাড়ি সরানোর ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির শীর্ষ তিন নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় দলটি। এর একদিন পর পুরো কমিটিই বিলুপ্ত করার সিদ্ধান্ত নিলো দলটির শীর্ষ নেতৃত্ব




একাত্তরের প্রশ্নের সমাধান করতে চায় পাকিস্তান

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : ‘একাত্তরের প্রশ্নটির’ সমাধান চায় পাকিস্তান। এ নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার এবং ডাক, টেলিযোগোযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলামকে আলোচনার প্রস্তাবও দিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার সৈয়দ আহমদ মারুফ।

রবিবার সচিবালয়ে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনায় এ প্রস্তাব দেন পাকিস্তানের হাইকমিশনার।

উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামকে পাকিস্তানের হাইকমিশনার আহমদ মারুফ বলেন, ‘আমরা ১৯৭১-এর প্রশ্নটির সমাধান করতে চাই। কিন্তু গত সরকার (আওয়ামী লীগ) আমাদের আলোচনার কোনো সুযোগ দেয়নি এবং ইচ্ছা করেই ৭১ ইস্যুটাকে জিইয়ে রাখতো। চাইলে বহু আগেই এটির সমাধান করা যেতো। আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করতে আগ্রহী।’

জবাবে উপদেষ্টা ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ‌‌‘বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ১৯৭১ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আওয়ামী লীগের আদর্শে ১৯৭১ ছিল ইতিহাসের শেষ অধ্যায়। কিন্তু আমরা মনে করি, এটি ইতিহাসের ধারাবাহিকতা। ১৯৪৭ বা পাকিস্তান আন্দোলন ছাড়া বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা হতো না। আমরা পাকিস্তানের সঙ্গে ৭১-এর প্রশ্নটির সমাধান করতে চাই।’

এ উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘একটি গণতান্ত্রিক দক্ষিণ এশিয়ার জন্য আমাদের পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত করা প্রয়োজন। আমরা বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থকে সমুন্নত রেখে যে কোনো দেশের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে আগ্রহী।’

বাংলাদেশে পাকিস্তানি চ্যানেল চালুর অনুরোধ
বাংলাদেশে পাকিস্তানি টেলিভিশন চ্যানেল দেখা যায় না জানিয়ে বিষয়টি ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামকে অবগত করেন পাকিস্তানের হাইকমিশনার। এ বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেওয়ার অনুরোধ করেন তিনি।

এছাড়া পাকিস্তানের হাইকমিশনার বাংলাদেশের বন্যাদুর্গতদের জন্য সহযোগিতার প্রস্তাব দেন। জবাবে উপদেষ্টা নাহিদ বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। প্রয়োজন হলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হবে।’

পাকিস্তানের হাইকমিশনার আরও বলেন, ‘সম্পূর্ণ রাজনৈতিক কারণে ১৫ বছর পাকিস্তানিদের নানানভাবে হয়রানি করা হয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশে আসার জন্য ভিসা দেওয়ার ক্ষেত্রে এবং বিমানবন্দরে পাকিস্তানিরা হয়রানির শিকার হয়েছেন।’ এ সমস্যা সমাধানে তিনি উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

সৈয়দ আহমদ মারুফ বলেন, ‘পাকিস্তান সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং অন্তর্বর্তী সরকারকে সমর্থন করে। তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলাদেশ এবং পাকিস্তান দুই দেশ‌ই খুব ভালো করছে। তাই এক্ষেত্রে উভয় দেশ যৌথভাবে কাজ করতে পারে।’

এ সময় নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘উপনিবেশবিরোধী লড়াই থেকে শুরু করে পাকিস্তান আন্দোলন পর্যন্ত বাংলাদেশের সঙ্গে পাকিস্তানের জনগণের দীর্ঘ ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। ইন্দো-মুসলিম সভ্যতার অংশ হিসেবে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ-পাকিস্তানের সাংস্কৃতিক ও সভ্যতাগত সম্পর্ক রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘একটি গণতান্ত্রিক ও ভারসাম্যপূর্ণ দক্ষিণ এশিয়া গড়তে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার প্রয়োজন। মুসলিমপ্রধান দেশ হিসেবেও পাকিস্তানের জনগণের সঙ্গে বাংলাদেশের জনগণের গভীর বন্ধন রয়েছে। যদিও বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি বাংলাদেশকে বিশেষত্ব দিয়েছে।




পটুয়াখালীতে বিএনপির দুই গ্রুপের একই দিনে সংবাদ সম্মেলন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস-চেয়ারম্যান ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী বলেছেন, ‘সুষ্ঠ নির্বাচন অনুষ্ঠান ও গনতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে আমাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে হবে। যাতে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানকে নসাৎ করতে না পারে। এ গণঅভ্যুত্থানকে নসাৎ করতে স্বৈরচারের দোসররা এবং বিএনপির মধ্যে থাকা বর্ণচোরারা নানা ষড়যন্ত্র করছেন। এদেরকে প্রতিহত করতে দলের সকল স্তরের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

জেলা বিএনপির একাংশের উদ্যোগে রোববার (১ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১২টায় তাঁর নিজ বাস ভবন সুরাইয়া ভিলায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় জেলা বিএনপির নেতা মাকসুদ আহমেদ বায়েজীদ পান্না মিয়া, সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ওয়াহিদ সরোয়ার কালাম, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. মহসিন উদ্দিন, জেলা বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক মো. গোলাম রহমান, জেলা মহিলা দলের সাবেক সভানেত্রী অধ্যাপিকা লায়লা ইয়াসমিন ও সাবেক সাধারণ সম্পাদিকা জেসমিন জাফরসহ বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে এর আগে বেলা ১১টায় পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের ডক্টর আতহার উদ্দিন মিলনায়তনে বিএনপি নেতা আলতাফ হোসেন চৌধুরীর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। তাঁর বিরুদ্ধে দলীয় শৃক্সখলা ভঙ্গে অভিযোগ আনা হয়। জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দকে অবগত না করে বিএনপির নামে প্রকাশ্যে সমাবেশ করা সম্পূর্ণ অসাংগঠনিক কাজ এবং তাঁর (আলতাফ চৌধুরী) ছত্রছায়ায় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সন্ত্রাসীরা বিএনপির মধ্যে অনুপ্রবেশ করে দলের মধ্যে বিশৃক্সখলা করার পাঁয়তারা করছে বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়। এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন চুন্নু-কুট্টি গ্রুপের পৌর বিএনপির সভাপতি মো. কামাল হোসেন। এ সময় জেলা যুবদলের সভাপতি মো. মনিরুল ইসলাম লিটন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মশিউর রহমান মিলন, জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মো. জাকারিয়া আহম্মেদ, মৎস্য দলের সভাপতি মো. শাহীন আলমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তবে জেলা বিএনপির আহবায়ক আলহাজ্ব আব্দুর রশীদ চুন্নু মিয়া ও সদস্য সচিব স্নেহাংশু সরকার কুট্টিসহ জেলার শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দকে দুটি প্রোগ্রামের একটিতেও দেখা যায়নি।




দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার খড়গে ২৭ মন্ত্রী-এমপিসহ ৬০ ব্যক্তি