বরিশালের সাবেক এমপি শাহে আলম আটক

বরিশাল অফিস :: বরিশাল-২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. শাহে আলম তালুকদারকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে জনতা।

শনিবার রাতে মারধরের পর তাকে গুলশান থানায় সোপর্দ করা হয়।

গুলশান থানার ওসি তৌহিদ আলম জানান, সাবেক সংসদ সদস্য মো. শাহে আলম তালুকদার গুলশান থানায় আটক আছেন। তাকে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা আছে কি না খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

গত ১১ সেপ্টেম্বর চাঁদার দাবিতে হামলা মারধর ও হত্যা চেষ্টার অভিযোগে সাবেক এমপি শাহে আলমের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বরিশালের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বাদী হয়ে মামলাটি করেন সৈয়দ আতিকুর রহমান। তিনি বানারীপাড়া উপজেলার চাখার গ্রামের বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত সৈয়দ জিল্লুর রহমানের ছেলে।

মামলায় শাহে আলমের সঙ্গে তার তিন ভাই ও এক ভাগ্নেসহ ১৪ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে।

জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম শারমিন সুলতানা সুমি অভিযোগ তদন্ত করে সিআইডিকে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

শা‌হে আলম তালুকদার বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রাক্তন কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন। তিনি ২০১৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন লাভ করেন এবং সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।




গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের ৪২২ জন বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত ছিল




মারধরের পর সাবেক এমপি শাহে আলমকে থানায় দিল জনতা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : বরিশাল–২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি শাহে আলম তালুকদারকে মারধরের পর রাজধানীর গুলশান থানায় সোপর্দ করেছে সাধারণ মানুষ।

শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাকে গুলশান থানায় সোপর্দ করা হয় জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গুলশান বিভাগের উপ–পুলিশ কমিশনার (ডিসি) রিয়াজুল হক।

পুলিশ কর্মকর্তা জানান, শাহে আলম তালুকদার বর্তমানে গুলশান থানায় আটক অবস্থায় আছেন। তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা থাকলে, আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে সূত্র জানিয়েছে, চাঁদার দাবিতে হামলা মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে গত ১১ সেপ্টেম্বর শাহে আলম তালুকদারের বিরুদ্ধে বরিশালের একটি আদালতে মামলা করেছেন সৈয়দ আতিকুর রহমান নামে এক বীর মুক্তিযোদ্ধার ছেলে। মামলায় শাহে আলমের সঙ্গে তার তিন ভাইসহ ১৪ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে। তাকে সেই মামলায় গ্রেফতার দেখানো হতে পারে।

শা‌হে আলম তালুকদার আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সহ-সম্পাদক। তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রাক্তন কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন। একাদশ জাতীয় নির্বাচনে বরিশাল-২ আসন থেকে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।




সাবেক জনপ্রশাসন মন্ত্রী ফরহাদ হোসেন গ্রেফতার

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : গণঅভ্যুত্থানে সদ্য বিদায়ী আওয়ামী লীগ সরকারের জনপ্রশাসন মন্ত্রী ফরহাদ হোসেনকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব।

শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে রাজধানী ইস্কাটন এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

সাবেক এই মন্ত্রীকে রাজধানীর আদাবর থানার একটি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। তাকে র‌্যাব আদাবর থানায় হস্তান্তর করেছে বলে জানিয়েছেন আদাবর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহফুজ ইমতিয়াজ।

র‍্যাবের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো বার্তায় বলা হয়, গত ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন ছাত্র জনতার ওপর গুলিবর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় সাবেক জনপ্রশাসন মন্ত্রী ফরহাদ হোসেনকে রাজধানীর ইস্কাটন এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-২।

ফরহাদ হোসেন ২০১৪ সালে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মেহেরপুর–১ আসন থেকে প্রথমবার এমপি নির্বাচিত হন। ২০১৮ সালে দ্বিতীয়বার বিজয়ী হওয়ার পর তিনি জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। ২০২৪ সালের নির্বাচনে তৃতীয়বারের মতো বিজয়ী হওয়ার পর তাকে একই মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ মন্ত্রী করা হয়।

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত হয় শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার। এই আন্দোলনে গুলি করে শত শত মানুষ হত্যার দায়ে অভিযুক্ত করা হয় দলটির নেতা, সরকারের মন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের। ইতোমধ্যে দলটির নেতাদের বিরুদ্ধে কয়েকশ মামলা হয়েছে, যার বেশির ভাগই হত্যা মামলা।




৫৮৯ জনের পাসপোর্ট বাতিল

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: শেখ হাসিনার পাসপোর্টের মেয়াদ ২০৩০ সাল পর্যন্ত। কিন্তু বাতিল হওয়ায় অন্য কোনো দেশে যাওয়া কঠিন * বাতিল পাসপোর্ট ব্যবহার করে দেশ ত্যাগ বা তৃতীয় কোনো দেশে যাতায়াতের ওপর কঠোর নজরদারির নির্দেশ হয়েছে l

হাসিনা সরকারের সাবেক মন্ত্রী, এমপি ও তাদের পরিবারের সদস্যদের নামে ইস্যুকৃত বিশেষ প্রাধিকারভুক্ত লাল পাসপোর্ট বাতিল এবং সংরক্ষিত ব্যক্তিগত তথ্য (ডাটা) জব্দ করা হয়েছে।

এছাড়া বাতিল পাসপোর্ট ব্যবহার করে তারা যাতে বাংলাদেশ ত্যাগ বা তৃতীয় কোনো দেশ ভ্রমণ করতে না পারেন সে বিষয়ে কঠোর নজরদারির নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সাবেক মন্ত্রী-এমপি ও তাদের পরিবারের সদস্য মিলিয়ে এ পর্যন্ত ৫৮৯ জনের পাসপোর্ট বাতিল করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ পদক্ষেপের ফলে শেখ হাসিনাসহ ইতোমধ্যে যারা সীমান্ত অতিক্রম করতে সক্ষম হয়েছেন তাদের পক্ষে বিদেশের মাটিতে নির্বিঘ্নে চলাচল করা কঠিন হয়ে পড়বে। এছাড়া হাতে বৈধ পাসপোর্ট বা স্বীকৃত ভ্রমণ দলিল না থাকায় বন্ধ হবে রাজনৈতিক আশ্রয়ের পথ।

সূত্র জানায়, সরকার পতনের পরপরই হাসিনার মন্ত্রী-এমপি ছাড়াও ১৪ দলীয় জোট নেতাদের পাসপোর্টও বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া আওয়ামী লীগের আশীর্বাদপুষ্ট সাবেক সচিব, উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত বিভিন্ন সংস্থা প্রধান ও পদত্যাগকারী ভিসিদের পাসপোর্ট নবায়নে এখন ব্যাপকভাবে কড়াকড়ি আরোপ করা হচ্ছে।

এদের মধ্যে যারা লাল পাসপোর্ট জমা দিয়ে সাধারণ পাসপোর্টের আবেদন করেছেন তাদের ক্ষেত্রে অন্তত দুটি গোয়েন্দা সংস্থার ছাড়পত্র প্রয়োজন হবে।

সাবেক মন্ত্রী-এমপিদের পাসপোর্ট বাতিল ও অন্য কোনো দেশ ভ্রমণে কড়াকড়ি আরোপের বিষয়ে ৩ সেপ্টেম্বর চিঠি দেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এতে বলা হয়, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত হওয়ায় উদ্ভূত পরিস্থিতিতে উক্ত সংসদের কূটনৈতিক পাসপোর্টের প্রাধিকারভুক্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রীবর্গ, প্রতিমন্ত্রীবর্গ, উপমন্ত্রী, চিফ হুইপ, সংসদ-সদস্য, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, বিরোধীদলীয় নেতা, উপনেতা, উপদেষ্টা পদমর্যাদার ব্যক্তিবর্গের অনুকূলে ইস্যুকৃত কূটনৈতিক পাসপোর্ট বাতিল করা হয়েছে। উক্ত বাতিল পাসপোর্ট ব্যবহার করে যাতে কেউ বাংলাদেশ হতে বিদেশে বা বিদেশ হতে তৃতীয় কোনো দেশে ভ্রমণ করতে না পারেন সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

তালিকায় যারা : ইতোমধ্যে সাবেক মন্ত্রী-এমপি ও তাদের পরিবারের সদস্য মিলিয়ে ৫৮৯ জনের পাসপোর্ট বাতিল করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ২২ আগস্ট পাসপোর্ট অধিদপ্তরকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেওয়া হয়। এর পরপরই দ্রুততম সময়ে লাল পাসপোর্টধারী মন্ত্রী-এমপি ও তাদের পরিবারের সদস্যদের তালিকা করা হয়।

পরে তালিকার কপি আগারগাঁও বিভাগীয় কার্যালয়সহ দেশের সব পাসপোর্ট অফিসে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এছাড়া পুলিশের বিশেষ শাখা ও অন্য গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর দায়িত্বপ্রাপ্ত শাখা প্রধানদের কাছেও অনুলিপি দেওয়া হয়।

সূত্র জানায়, তালিকাভুক্ত ব্যক্তিদের পাসপোর্ট বাতিলের পর কম্পিউটার সিস্টেমে সংরক্ষিত তাদের ব্যক্তিগত তথ্যও (ডাটা) জব্দ করা হয়েছে। ফলে এদের মধ্যে কেউ পাসপোর্ট প্রতিস্থাপন বা নবায়নের চেষ্টা করলে আবেদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রত্যাখ্যান হচ্ছে। এতে দালাল চক্রের মাধ্যমে বা অন্য কোনোভাবে পেছন দরজা দিয়ে কেউ পাসপোর্ট নেওয়ার চেষ্টা করলে লাভ হবে না।

বাতিল পাসপোর্টের তালিকা ঘেঁটে দেখা যায়, ভারতে পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ১০ বছর মেয়াদি ই-পাসপোর্ট রয়েছে। তার পাসপোর্ট নম্বর ডি০০০১০০১০। দেশে ই-পাসপোর্ট সেবা চালুর পরপরই তিনি তার পুরোনো এমআরপি (মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট) বদল করেন। ২০২০ সালের ১৯ জানুয়ারি ৬৪ পাতার একটি ই-পাসপোর্ট নেন তিনি। তবে কূটনৈতিক পাসপোর্ট ৫ বছর মেয়াদি হলেও নিয়ম ভেঙে হাসিনাকে ১০ বছর মেয়াদি পাসপোর্ট দেওয়া হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পাসপোর্ট কর্মকর্তা  বলেন, শেখ হাসিনার হাতে বৈধ পাসপোর্ট না থাকায় ভারতের বাইরে অন্য কোনো দেশে যাওয়া তার পক্ষে কঠিন। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশ থেকে আগে তার অনুকূলে বৈধ ট্রাভেল পাশ ইস্যু করতে হবে। অন্যথায় তিনি ভ্রমণের অযোগ্য হিসাবে বিবেচিত হবেন। এছাড়া পাসপোর্ট বাতিল হওয়ায় হাসিনার পক্ষে তৃতীয় কোনো দেশে রাজনৈতিক আশ্রয় চাওয়া কঠিন।

সরেজমিন আগারগাঁও বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে জানা যায়, আত্মগোপনে থাকা সাবেক মন্ত্রী-এমপিরা নিজে না এলেও পরিবারের নামে ইস্যুকৃত লাল পাসপোর্ট বদলে সাধারণ পাসপোর্ট পাওয়ার তদবির করছেন তাদের প্রতিনিধিরা।

এছাড়া সাধারণ পাসপোর্ট পেতে বর্তমানে ঢাকার পাসপোর্টের প্রধান কার্যালয়ে নিয়মিত যাতায়াত করছেন সরকার ঘনিষ্ঠ সাবেক ও বর্তমান উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। এদের মধ্যে সাবেক প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও দুদকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মাঈনউদ্দিন আব্দুল্লাহ সস্ত্রীক নিজে থেকেই লাল পাসপোর্ট সমর্পণ করেছেন। বর্তমানে তারা সাধারণ পাসপোর্ট নেওয়ার চেষ্টা করছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পাসপোর্ট কর্মকর্তা  বলেন, নিজে আত্মগোপনে থাকালেও সাবেক একজন মন্ত্রী স্ত্রীসহ পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য পাসপোর্ট নবায়নের চেষ্টা করছেন। এছাড়া জাতীয় পার্টির বেশ কয়েকজন সিনিয়র নেতা পাসপোর্ট নিয়ে জটিলতায় পড়েছেন। বিশেষ করে তারা লাল পাসপোর্ট সমর্পণ করে সাধারণ পাসপোর্ট নেওয়ার চেষ্টা করছেন। কিন্তু সফল হননি।

বিদেশি পাসপোর্ট : বেশিরভাগ আটকা পড়লেও পতিত হাসিনা সরকারের বেশ কয়েকজন মন্ত্রী-এমপি ইতোমধ্যে দেশ ত্যাগ করেছেন এমন খবর পাওয়া যাচ্ছে। এর মধ্যে কুমিল্লার সাবেক প্রতাপশালী এমপি আ ক ম বাহার উদ্দিন ও মেয়ে সাবেক কুসিক মেয়র সূচনা বাহার ৫ আগস্টের পরপরই পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।

বর্তমানে তারা ভারতে অবস্থান করছেন বলে জানা যায়। এছাড়া সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ ভারত হয়ে বর্তমানে বেলজিয়ামে অবস্থান করছেন। এমনকি প্রতাপশালী পুলিশ কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার সরকার ভারতীয় পাসপোর্টে দেশ ছেড়েছেন বলে খবর ছড়িয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ।

সূত্র বলছে, কোটাবিরোধী আন্দোলনের সময় বিপদ টের পেয়ে আগেভাগেই দেশ ছাড়েন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, শেখ হাসিনার কথিত আত্মীয় এবং এক্সিম ব্যাংকের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার, ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসসহ আরও অনেকে। এদের মধ্যে কেউ কেউ ইতোমধ্যে বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক আশ্রয়ের খোঁজ করছেন বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দ্বৈত নাগরিকত্ব বা অন্য কোনোভাবে কেউ বিদেশি পাসপোর্ট নিয়ে থাকলে তার পক্ষে দেশ ত্যাগ এবং বিদেশ ভ্রমণ সহজ। কারণ ইমিগ্রেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থার কাছে দেশীয় পাসপোর্টের তথ্য থাকলেও বিদেশি পাসপোর্টের তথ্য থাকে না। ফলে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্য ছাড়া বিদেশি পাসপোর্টধারীদের আটকানো কঠিন। এছাড়া সিঙ্গাপুর, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, হংকং ও ফ্রান্সসহ বেশ কয়েকটি দেশের পাসপোর্টধারীরা বিশ্বের যে কোনো দেশে অবাধ যাতায়াতের সুযোগ পেয়ে থাকেন। আগে থেকে তাদের ভিসা নেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না।

প্রাধিকার তালিকা অনুযায়ী সরকারের মন্ত্রী-এমপি ও কূটনৈতিক ছাড়াও অন্তত ১৯টি ক্যাটাগরিতে লাল পাসপোর্ট দেওয়া হয়। এর মধ্যে মন্ত্রী পদমর্যাদায় নিযুক্ত ব্যক্তি, সিটি করপোরেশনের মেয়র, সচিব, সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল, আইজিপি ও তাদের স্বামী বা স্ত্রী বিশেষ সুবিধার লাল পাসপোর্ট পেয়ে থাকেন। অবশ্য সংশ্লিষ্টদের কেউ ইচ্ছে করলে লাল পাসপোর্টের বদলে সাধারণ পাসপোর্টও নিতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে তাকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের লিখিতভাবে পূর্ব-অনুমোদন নিতে হয়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশে কূটনৈতিক মর্যাদার লাল পাসপোর্ট কতজনকে দেওয়া হয়েছে তার সঠিক হিসাব পাসপোর্ট অধিদপ্তর বা অন্য কোনো একক সংস্থার কাছে নেই। কারণ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও পররাষ্ট্রসহ একাধিক মন্ত্রণালয় থেকে কূটনৈতিক পাসপোর্ট ইস্যুর নির্দেশনা দেওয়া হয়। এর প্রেক্ষিতে বুকলেট প্রিন্টিংয়ের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয় পাসপোর্ট অধিদপ্তর। তবে দেশে লাল পাসপোর্টধারীর সংখ্যা দেড় হাজারের কাছাকাছি হতে পারে।




নেতাকর্মীদের জরুরি নির্দেশনা দিলো আওয়ামী লীগ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: নেতাকর্মী ও সমর্থকদের জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে আওয়ামী লীগের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে কয়েকটি নির্দেশনা দেওয়া হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়, দলীয় নেতাকর্মীদের প্রথম কাজ তৃণমূলের পাশে দাঁড়ানো। তথ্যের জন্য আওয়ামী লীগের অফিসিয়াল ইমেইলে [ info@albd.org ] যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো প্রকার উস্কানি বা প্ররোচনার ফাঁদে পা দেবেন না। সারাদেশে জুলাই মাসের শেষ থেকে আগস্টের শুরু থেকেই আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের উপর যত হামলা হয়েছে, ভাঙচুর, লুটপাট ও হত্যাকাণ্ড হয়েছে সেইগুলোর ছবি এবং ভিডিও টুইটার [এক্স], ফেসবুক, ইউটিউবে প্রচার করুন। দেশবাসীকে জানাতে হবে কী নির্যাতন হয়েছে গত দেড় মাসে আওয়ামী লীগের উপর।

জনগণের আস্থা অর্জন কররার লক্ষ্যে কোনো ধরনের উস্কানিমূলক পোস্ট বা ভুয়া বার্তায় বিভ্রান্ত না হতে বলা হয়েছে।

নির্দেশনায় আরও হয়, প্রতি মহানগর, জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন, ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের কার্যালয় ও নেতারকর্মীদের বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটে যে ক্ষতি হয়েছে তা দেশের মানুষকে জানান এবং বর্তমানে যারা দেশ চালাচ্ছে তাদের কাছেও আমরা দাবি জানাবো- সকল হামলা, নির্যাতন, ভাঙচুর, লুটপাটের বিচার করতে হবে, ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দিতে  l




রাঙ্গাবালীতে জামায়াত ও শিবিরের মতবিনিময় ও দোয়া অনুষ্ঠান

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত ও আহতদের সুস্থ্যতা কামনায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্র শিবির রাঙ্গাবালী শাখার যৌথ উদ্যোগে মতবিনিময় ও দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) উপজেলা সদরের প্রাণকেন্দ্র রাঙ্গাবালী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে এ সভার আয়োজন করা হয়।

বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করেও উপজেলা শাখার জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের সকল নেতাকর্মীদের মিলনমেলা পরিণত হয়েছে এক জনসমুদ্রে।

দোয়া অনুষ্ঠানে রাঙ্গাবালী উপজেলা আমীরে জামায়াত ও পটুয়াখালী জেলা শুরা সদস্য মুহাম্মদ কবির হুসাইনের সভাপতিত্ত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য, মুহতারাম ও পটুয়াখালী জেলা আমীরে জামায়াত বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মুহাম্মদ শাহ আলম।

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির বরিশাল মহানগরীর সভাপতি ও সাবেক কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল নাহিয়ান।

বিশেষ বক্তা হিসেবে ছিলেন, বাংলাদেশ ওয়েল ফেয়ার ফাউন্ডেশন রাঙ্গাবালী শাখার সভাপতি ও ইসলামী ছাত্র শিবিরের রাঙ্গাবালী উপজেলা শাখার সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যান ফেডারেশন পটুয়াখালী জেলার সভাপতি সাইদুর রহমান খান পাবেল, গলাচিপা উপজেলা আমীরে জামায়াত ও জেলা শুরা সদস্য মাওলানা মুহাম্মদ জাকির হোসেন,বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির পটুয়াখালী জেলা শাখার সাবেক সভাপতি মাওলানা ইয়াহ ইয়া খান।

সঞ্চালনায় ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির পটুয়াখালী জেলা শাখার সভাপতি মুহাম্মদ মেহেদী হাসান নাহীদ ও জামায়াতের রাঙ্গাবালী উপজেলা শাখার সেক্রেটারি মাওলানা মুহাম্মদ মাসুদুর রহমান।




পটুয়াখালী জেলা জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কাউন্সিল অধিবেশন ও সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, পটুয়াখালী জেলা শাখার কাউন্সিল অধিবেশন ও সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত কাউন্সিল অধিবেশন ও সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি শাইখুল হাদীস আল্লামা উবায়দুল্লাহ ফারুক।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ’র সহ-সভাপতি শাইখুল হাদীস আল্লামা শেখ মুজিবুর রহমান, জেলা বিএনপির আহবায়ক আলহাজ্ব আব্দুর রশিদ চুন্নু মিয়া। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব শাইখুল হাদীস আল্লামা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী। বিশেষ বক্তা হিসেবে থাকবেন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হযরত মাওলানা বাহাউদ্দীন জাকারিয়া, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা তাফাজ্জুল হক আজীজ, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাকছুদ আহমদ বায়জীদ পান্না।

সভাপতিত্ব করবেন-জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ পটুয়াখালী জেলা কমিটির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব শাইখুল হাদীস মাওলানা মোঃ আব্দুল হক কাউছারী। কাউন্সিল অধিবেশন ও সুধী সমাবেশ পরিচালনা করন কাউন্সিল বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক মাওলানা মোঃ মোতাহার উদ্দীন ও সদস্য সচিব মাওলানা মো. উবায়দুল্লাহ ফারুক।

এ কাউন্সিলের মাধ্যমে নবগঠিত কমিটি প্রদান করা হয়।




সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুলের বিছানাজুড়ে টাকা আর টাকা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, সাবেক রেলপথ মন্ত্রী মুজিবুল হকের বিছানায় ছড়িয়ে থাকা টাকার বান্ডিলের একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকাল থেকে ফেসবুক, টুইটার ও টিকটকসহ বিভিন্ন সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে ছবিটি ছড়িয়ে পড়তে থাকে। তবে ভাইরাল ওই ছবিটি কবেকার সেটি জানা সম্ভব হয়নি।

ছবিতে দেখা যায়, বিছানায় বসে আছে মুজিবুল হকের তিন শিশু সন্তান। সন্তানদের সামনে ৫০০ এবং ১০০০ টাকা নোটের কয়েকটি বান্ডিল পড়ে আছে। মুজিবুল হক তার এক সন্তানকে কোলে নিচ্ছিলেন। এক শিশু একটি শপিং ব্যাগে থাকা টাকার বান্ডিল নিয়ে খেলা করছে। মুজিবুল হকের স্ত্রী হনুফা আক্তার দাঁড়িয়ে সে দৃশ্য দেখছেন।

ধারণা করা হচ্ছে, সাবেক সংসদ সদস্য মুজিবুল হকের কোনো এক সন্তানের জন্মদিনের ছবি এটি। সন্তানের জন্মদিন উৎসবকে আরও আনন্দময় করতে কয়েক বান্ডিল টাকা ছড়িয়ে দেন বিছানায়। এ সময় মুজিবুল হকের খুব কাছের কেউ সেই ছবিটি তুলেছেন।

গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার তীব্র আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর গা ঢাকা দেন চৌদ্দগ্রাম আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মুজিবুল হক। তার সেলফোনটি বন্ধ থাকায় এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

সাবেক রেলপথ মন্ত্রী মুজিবুল হক চৌদ্দগ্রাম থেকে টানা তিনবারসহ মোট চারবারের সংসদ সদস্য ছিলেন। ১৯৯৮ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত তিনি জাতীয় সংসদের হুইপ ছিলেন। ২০১৪ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত সরকারের রেলপথ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

মুজিবুল হক ৬৭ বছর বয়সে দীর্ঘ কুমার জীবনের ইতি টেনে ২০১৪ সালের ৩১ অক্টোবর হনুফা আক্তার রিক্তাকে বিয়ে করেন। তিনি ২০১৬ সালের মে মাসে ৬৯ বছর বয়সে প্রথম কন্যা সন্তানের বাবা হন। ২০১৮ সালের ১৫ মে তার জমজ সন্তানের জন্ম হয়। বর্তমানে তিনি তিন সন্তানের জনক।




‌পরিস্থিতির কারণে নাহিদের বোন পরিচয় দিয়েছিলাম – বললেন সেই ফাতিমা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: ‘অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের বোন ফাতিমা তাসনিম কানাডায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে চাকরি পেয়েছেন’— সম্প্রতি এমন একটি খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।

সেখানে বলা হয়, নাহিদের জন্যই এ চাকরি পান তিনি। এর আগে গত জুলাইয়ে ফাতিমা একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে নিজেকে নাহিদের বোন পরিচয় দেন।

এ বিষয়ে ফাতিমা জানান, নাহিদ ইসলাম তার ভাই নন, পরিস্থিতির কারণে তখন নিজেকে তার বোন হিসেবে গণমাধ্যমে পরিচয় দিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, আমি যখন গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদের সদস্য ছিলাম তখন নাহিদ ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিশ্ববিদ্যালয় শাখার ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতা ছিলেন। তখন আমাদের মধ্যে ভাই-বোনের একটা সম্পর্ক হয়। সে আমাকে বোন হিসেবে শ্রদ্ধা করে, আমি তাকে ভাই হিসেবে শ্রদ্ধা করি।

ফাতিমা আরও বলেন, ২১ জুলাই গুম থেকে নাহিদ ফিরে আসার পর তার সঠিক সময় চিকিৎসা শুরু না হলে তার প্রাণের শঙ্কা ছিল। তখন আমি গণস্বাস্থ্য হাসপাতালে ছিলাম (যেখান থেকে নাহিদকে তুলে নেয় ডিবি পুলিশ)। দেশের ওই সময়কার পরিস্থিতিতে হাসপাতাল রোগীর ব্যাকগ্রাউন্ড ছাড়া ভর্তি নিচ্ছিল না।
‘কিন্তু আমি যেহেতু প্রয়াত ডা. জাফরুল্লাহ স্যারের (গণস্বাস্থ্য হাসপাতালে ট্রাস্টি ছিলেন) সাথে দীর্ঘদিন কাজ করেছি, সেই হিসেবে হাসপাতালে চিকিৎসক থেকে নার্সরা আমাকে চিনতেন। তাই আমি নাহিদের লিগ্যাল গার্ডিয়ান বোন পরিচয় দিয়ে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করি। তখন সঙ্গে তার স্ত্রী থাকলেও তিনি কিছুটা অসুস্থ ও আতঙ্কে ছিলেন। তাছাড়া আমি তার বোন পরিচয় না দিলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে ভর্তি নিতে চাচ্ছিল না।

হাইকমিশনে চাকরি পাওয়ার খবর সত্য নয় দাবি করে ফাতিমা তাসনিম বলেন, ‘আমি পটুয়াখালী-৪ আসন থেকে সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি। তাই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে আমাকে হেনস্তা করার জন্য এটা করে থাকবে বলে আমি মনে করি।’

অন্যদিকে ডাক ও টেলিযোগাযোগ এবং তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম জানিয়েছেন, ফাতিমা তাসনিমের সঙ্গে তার তেমন যোগাযোগ নেই, তবে ‌‘বিশ্ববিদ্যালয়ের বোন হিসেবে তিনি আমাদের অনেক হেল্প করেছিলেন।

উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের একান্ত সহকারী মুনতাসির মাহমুদও বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘ফাতিমা তাসনিম নামে স্যারের (নাহিদ ইসলামের) কোনো বোন নেই। শুধু তাই নয়, স্যারের কোনো বোন নেই। তবে তার একটি ভাই আছে।