শেখ হাসিনা একদলীয় শাসন কায়েম করতে চেয়েছিলো: জিএম কাদের

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেছেন, শেখ হাসিনা দেশে এক দলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েম করতে চেয়েছিলো। যে কারনে, আওয়ামী লীগ ২০২৪ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ দিয়েই “বি” টিম সৃষ্টি করেছিলো।

শনিবার (৫ অক্টোবর) বনানী কার্যালয়ে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টামন্ডলী ও পার্টির ভাইস চেয়ারম্যানদের যৌথ সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি আরও বলেন, আমি সেই অভিযোগ সংসদে ও সংসদের বাইরে করেছি। নির্বাচনের আগে, নির্বাচনের দিন এবং নির্বাচনের পর সংসদে বলেছি। একদলীয় শাসন কায়েম করতে আওয়ামী লীগ সরকার সব দলকে ধ্বংস করতে চেয়েছে। বিএনপি’কে হামলা-মামলা দিয়ে ধ্বংস করতে চেয়েছে। তাদের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে শত শত মামলা দিয়েছিলো। আবার, জামায়াতে ইসলামীকে মাঠে দাঁড়াতে দেয়নি। হামলা ও মামলা দিয়ে জামায়াতকেও শেষ করতে চেয়েছে। আর, জাতীয় পার্টিকে ধ্বংস করতে চেয়েছে দুই ভাগ করে।

তিনি বলেন, ২০১৪ সালের পর থেকে জাতীয় পার্টির মধ্যে কৃত্রিম বিভাজন সৃষ্টি করে রেখেছিলো আওয়ামী লীগ। জাতীয় পার্টির সুবিধাবাদী, সুযোগ সন্ধানী ও বহিষ্কৃত নেতাদের সাহায্যে সম্পূর্ণ বে-আইনিভাবে আরো একটি জাতীয় পার্টি সৃষ্টি করা হয়েছিল। এ পার্টির উদ্দেশ্য ছিল জাতীয় পার্টির ব্যানারে এবং লোগো ব্যবহার করে আওয়ামী লীগ সরকারের সমর্থনে মূল জাতীয় পার্টির বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া।

জিএম কাদের বলেন, সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় আওয়ামী লীগ সমর্থক দালাল চক্রটির সকল কর্মকাণ্ডে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ বিভিন্ন সংস্থা ও সরকার সমর্থক সকল গণমাধ্যমকে সহায়তা করতো। তাদের কাজ ছিলো মূল জাতীয় পার্টির বিরুদ্ধে অপপ্রচার করা।

তিনি বলেন, ২০২৪ সালে আমাদের তরুণরা ভালোভাবেই বুঝিয়ে দিয়েছি, তারা রাজনীতি ভালোই বোঝে। তরুণদের চিন্তা ও প্রত্যাশা মাথায় রেখে আগামী দিনে রাজনীতি করতে হবে। এই তরুণ ভোটারদের সংখ্যা প্রায় ৪ কোটি। আগামী দিনের রাজনীতিতে তারা অসামান্য অবদান রাখেবে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টি মহাসচিব মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু, প্রেসিডিয়াম সদস্য মীর আব্দুস সবুর আসুদ, মোঃ রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, শেরীফা কাদের, মনিরুল ইসলাম মিলন।




নির্বাচনের দিনকাল নিয়ে কিছু আলোচনা হয়নি: মির্জা ফখরুল

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ::নির্বাচন কমিশন সংস্কারসহ নির্বাচন প্রস্তুতির বিষয়ে রোডম্যাপ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বিএনপি। এছাড়া বিতর্কিত কেউ যাতে সংস্কার কমিশনে আসতে না পারে সেই কথাও বলেছে তারা।

শনিবার (০৫ অক্টোবর) বিকেলে সরকারি বাসভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনুসের সাথে দেড় ঘণ্টার সংলাপ শেষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই তথ্য জানান।

এসময় তিনি বলেন, সংলাপে নির্বাচনের দিনকাল নিয়ে কোন আলোচনা হয়নি। আমরা শুধু রোডম্যাপ চেয়েছি। অন্তবর্তীকালীন সরকার বলছে নির্বাচনটা তাদের প্রথম অগ্রাধিকার।

এসময় তিনি আরও বলেন, সচিবালয়ে চুক্তিভিত্তিক সচিবদের নিয়োগ বাতিল করার পাশাপাশি স্বৈরাচারী সরকারের দোসদের সরিয়ে নিরপেক্ষ প্রশাসন নিয়োগের কথা বলেছি।
এছাড়া, ২০০৭ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগের সাজানো সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছি। সাবেক এমপি মন্ত্রীসহ বিভিন্ন ব্যক্তিরা দেশ ছেড়ে কীভাবে পালাচ্ছে সে বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছি।

কথিত ফ্যাসিবাদ শেখ হাসিনা ভারতে বসে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে ক্যাম্পেইন চালাচ্ছে সেগুলো নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রধান উপদেষ্টাকে ভারতের সাথে আলোচনার করার আবদেন জানিয়েছি। এর পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রামে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তার কারণ উদঘাটন করে এই বিষয়ে সুরাহা করার কথাও আমরা উত্থাপন করেছি।




সরকারকে কতদিন সময় দিবেন, জানালেন মির্জা ফখরুল

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘আমরা ততদিন এ সরকারকে সময় দেবো যতদিন যৌক্তিকভাবে সুষ্ঠু নির্বাচন করা যায়।’

শনিবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে আয়োজিত শিক্ষক সমাবেশে এ হুঁশিয়ারি দেন বিএনপি মহাসচিব।

তিনি বলেন, ‘আবারও ওয়ান ইলেভেনের মতো মাইনাস টু ফর্মুলা দেখতে চায় না বিএনপি। আমরা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বিনির্মাণ করতে চাই।’

মৌলবাদ বা বিরাজনীতিকরণের রাজনীতি বিএনপি বিশ্বাস করে না দাবি করেন দলটির শীর্ষ এই নেতা।

তবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি সমর্থন রয়েছে জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে সাময়িক বিজয় এসেছে। এ বিজয় ধরে রাখতে না পারলে সবই ব্যর্থ হবে। প্রয়োজনে রাজপথে আবারও আন্দোলন করা হবে।’

বিগত সরকারের সমালোচনা করতে গিয়ে ফখরুল বলেন, ‘নানা চক্রান্তের বেড়াজালে শিক্ষা ব্যবস্থাকে আওয়ামী লীগ ধ্বংস করেছে।’

ফখরুল বলেন, ‘যারা দুর্নীতি করে চাঁদাবাজি করে তারা বিএনপির লোক নয়। দরকার হলে আবার রাজপথে নামতে হবে, আবার বুকের রক্ত দিয়ে দেশে জিয়াউর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হবে।’

বিএনপির শীর্ষ এ নেতা বলেন, ‘এই যে দেশটা, সাঈদ থেকে শুরু করে বাচ্চারা জীবন দিল, আজকে সুযোগ এসেছে; সেই সুযোগটা কাজে লাগান। যতক্ষণ পর্যন্ত না মানুষের শক্তিকে কাজে লাগাচ্ছেন ততক্ষণ পর্যন্ত ক্ষমতায় গিয়ে লাভ হবে না। আপনাদের প্রতি মুহূর্তে ভাবতে হবে জাতিকে কী দিলাম।’

শিক্ষকদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বলতে দ্বিধা নেই, শিক্ষা ব্যবস্থাকে পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করা হয়েছে। শিক্ষা ব্যবস্থা এমন জায়গায় চলে গেছে, যা দিয়ে জাতির উন্নয়ন সম্ভব নয়। এই জায়গাটা ঠিক করার সময় এখন। পরিবর্তন করতে না পারলে জাতি চরমভাবে হতাশ হবে। জাতীয়করণ করার পর সিলেকশনের প্রশ্ন আসবে। শিক্ষকদের গুণগতমান অর্জন করতে হবে। শিক্ষকদের দলকানা হলে চলবে না।’




ফ্যাসিস্ট সরকারের মন্ত্রী এমপিরা পর্যটন উন্নয়নে কোন কাজ করেনি – সেলিমা রহমান

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বড় বোন সেলিমা রহমান বরিশাল সহ দক্ষিণাঞ্চলে সাংগঠনিক সফর শেষে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ভূমি সাগর-কন্যা কুয়াকাটায় ভ্রমণে এসেছেন। শুক্রবার শেষ বিকেলে তার সফর সঙ্গীদের নিয়ে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে এই প্রথম আসেন।

কুয়াকাটা সফরে এসে বেগম সেলিমা রহমান স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দের সাথে সৌজন্যে সাক্ষাতকালে আক্ষেপ করে বলেন, কুয়াকাটার প্রবেশ মুখে ১১ কিলোমিটার রাস্তা খুবই খারাপ। অসংখ্য খানাখন্দে ভরা। আসতে খুবই কষ্ট হয়েছে।

তিনি বলেন, কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের মত এত সুন্দর একটি সমুদ্র সৈকত রয়েছে আমাদের। আর সেই সৈকতের অব্যবস্থাপনা দেখে আমি হতাশ হয়েছি। সবকিছু অগোছালো। মনে হয় এখানে কোন অভিভাবক ছিল না। আওয়ামী লীগ সরকার শুধু উন্নয়ন উন্নয়ন বলে দেশবাসীর কান ঝালাফালা করে ফেলেছে। এই সেই উন্নয়নের চিত্র।

তিনি আরো বলেন, সূর্যোদয় সূর্যাস্তের মত বিরল দৃশ্য একমাত্র কুয়াকাটা থেকেই দেখা যায়। এমন একটি সমুদ্র সৈকতে পর্যটকদের আসতে নানা ভোগান্তিতে পড়তে হয়। সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা অত্যন্ত নাজুক। আওয়ামী ফ্যসিস্ট সরকারের পর্যটন মন্ত্রী সহ এমপি মন্ত্রীরা পর্যটন উন্নয়নে কোন কাজই করেনি। শুধু লুটপাটে ব্যস্ত ছিল।

তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে কুয়াকাটাকে একটি আধুনিক পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। পর্যটকরা যেন স্বাচ্ছন্দ্যে কুয়াকাটা আসতে পারে সেই ব্যবস্থা করা হবে।

এসময় তার সাথে ছিলেন, বিএনপির উপদেষ্টা লুশনেয়ারা লুনা, বিএনপি মহিলা দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক সুলতানা আকতার শিরিন, বরিশাল জেলা যুবদল নেতা ওয়ালি উল্লা খান পারভেজ, বরিশাল বাবুগজ্ঞ উপজেলা যুব দলের যুগ্ম আহবায়ক মো: রিয়াজ হোসেন সহ অসংখ্য নেতাকর্মী তার সফর সঙ্গী হিসেবে এসেছে।




আজ প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে বসবে বিএনপি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে তৃতীয় দফার মতো সংলাপে বসবেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। রাষ্ট্র সংস্কার ও নির্বাচন নিয়ে আজ (শনিবার) থেকে শুরু হবে সংলাপ। সংলাপের জন্য প্রথমেই ডাকা হয়েছে বিএনপিকে। প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে নির্বাচন পূর্ববর্তী কী ধরনের সংস্কার প্রয়োজন সেগুলো তুলে ধরা হবে। পাশাপাশি আগামী নির্বাচন নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের মনোভাব কী তা বোঝার চেষ্টা করবে বিএনপি বলে জানা গেছে।

শনিবার (৫ অক্টোবর) বেলা আড়াইটায় যমুনায় বিএনপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার এই বৈঠক শুরু হবে। দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে দলের স্থায়ী কমিটির নেতারা এতে অংশ নেবেন। এই সংলাপে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে অন্যান্য উপদেষ্টারাও উপস্থিত থাকবেন।

বিএনপির শীর্ষনেতাদের সূত্রে জানা যায়, বৈঠকে রাষ্ট্র সংস্কারে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দেওয়া হবে। সেইসঙ্গে দ্রুত সময়ের মধ্যে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হবে। প্রশাসনের বিভিন্ন জায়গায় এখনও পতিত শেখ হাসিনা সরকারের সহযোগীরা রয়েছেন। তাদের সরানোর বিষয়টি আলোচনায় তুলে ধরা হবে। একইসঙ্গে পোশাক শ্রমিক অসন্তোষ, দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তার বিষয়টিও আলোচনা আসবে।




নলছিটি উপজেলা শ্রমিক লীগের সম্পাদকসহ গ্রেফতার তিন

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: ঝালকাঠির নলছিটিতে উপজেলা  শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদকসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে  অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার  করা হয়।

বিষয়টি নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুরাদ আলী  নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন- নলছিটি উপজেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান রিপন, সদস্য  এনামুল হক নান্টু ও  কুশংগল ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ইমরান সরদার।

নলছিটি থানার ওসি মো. মুরাদ আলী বলেন, সদর থানার একটি মামলায় তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

 




দুমকীতে শ্রমিকলীগ নেতার পদত্যাগ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলা শ্রমিক লীগের সহ-সভাপতি মো: খলিলুর রহমান শরীফ আ’লীগের এই অঙ্গ সহযোগী সংগঠন থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন।

খলিল শরীফ ২নং লেবুখালী ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য এবং লেবুখালী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি উপজেলা পূর্ব কার্তিকপাশা গ্রামের বাসিন্দা।

বুধবার (২ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ওই পত্র সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তা স্বীকার করেন খলিল শরীফ বলেন, বর্তমানে আমার নানান সমস্যা, তাই আমি পদত্যাগ করেছি।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, আসলে আমি কমিটিতে থাকতে চাইনি। যারা কমিটি করেছে তারাই আমার নাম দিয়া রাখছিল।

এ বিষয়ে জানতে পটুয়াখালী জেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি মো: তোফাজ্জল হোসেনের মুঠোফোনে বার বার কল করা হলে তা তিনি রিসীভ করেন নি।

প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ২০ অক্টোবর দুমকী উপজেলা শ্রমিক লীগের ৩১সদস্য বিশিষ্ট কমিটি দেয় পটুয়াখালী জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি মো: তোফাজ্জল হোসেন ও মো: মিজানুর রহমান। গত ২৮ সেপ্টেম্বরে তার লিখিত এক পদত্যাগ পত্রে ব্যক্তিগত, পারিবারিক সমস্যা ও শারীরিক অসুস্থতার কথা উল্লেখ করে এ পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি। ৩১ সদস্য বিশিষ্ট ওই কমিটিতে ৯ জন সহ-সভাপতির মধ্যে ২নং সহ-সভাপতি ছিলেন মো: খলিল শরীফ।




উন্নয়নের মিথ্যা গল্প শুনিয়েছে আওয়ামী লীগ: চরমোনাই পীর

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই) বলেছেন, আওয়ামী লীগ নিজেদেরকে দেশের মালিক আর জনগণকে তাদের দাস মনে করেছে। তাদের অপশাসনের বিরুদ্ধে কথা বললেই খুন, গুম করেছে। দেশ উন্নয়নের মহাসড়কে আছে জানিয়ে জনগণকে মিথ্যে গল্প শুনিয়েছে। অথচ দেশের কোনো ব্যাংকে টাকা নেই। সব টাকা তারা বিদেশে পাচার করে নিয়েছে। বৈদেশিক ঋণের চাপে দেশের অগ্রযাত্রা থমকে যাচ্ছে! তাদের সকল অপকর্মের বিচার থেকে বাঁচতেই তারা পালিয়ে গেছে।

তিনি বলেন, ৭১ সালে দেশ স্বাধীন হলেও বিগত সরকারের আমলে আমরা স্বাধীন দেশে ছিলাম পরাধীন। ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার বিপ্লবের পরে মানুষ স্বাধীনভাবে কথা বলার সুযোগ পেয়েছে। তাই এ অর্জন আমাদের ধরে রাখতে হবে। আগামীতে পরীক্ষিত দুর্নীতিবাজ, খুনি ও জুলুমবাজদের ক্ষমতায় নেওয়া যাবে না।

বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) বিকেলে নোয়াখালী জেলা জামে মসজিদ চত্ত্বরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নোয়াখালী জেলা শাখার উদ্যোগে অনুষ্ঠিত গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ক্ষমতা মানুষকে দুর্নীতির দিকে নিয়ে যেতে পারে। অসীম ক্ষমতা মানুষকে নিশ্চিতভাবে চরম দুর্নীতিগ্রস্ত করে। আমাদের সংবিধান সরকারকে অসীম ক্ষমতা দেয়। এ কারণেই বাংলাদেশের যেকোনো সরকারই দানবে পরিণত হয়।

চরমোনাই পীর বলেন, বিগত ১৬ বছরে যারা দেশকে অর্থনৈতিকভাবে ভঙ্গুর করে দিয়ে, দেশের টাকা বিদেশে পাচার করে দেশকে দেউলিয়া করে ফেলেছে এবং সর্বত্র জুলুম নির্যাতনের রাজত্ব কায়েম করে রেখেছিলো সেই ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে ছাত্র-জনতার বিপ্লবে প্রমাণিত হয় জুলুম করে, অত্যাচার করে, জনগণের কন্ঠরোধ করে ক্ষমতায় টিকে থাকা যায় না। একটি সরকার পরিবর্তনের জন্য কেবল জুলাই বিপ্লব সংগঠিত হয়নি। এই বিপ্লব রাষ্ট্রের সকল বৈষম্য দূর করার বিপ্লব, ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিপ্লব। শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী থাকার জন্য বাংলাদেশের সব রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনাকে ধ্বংস করে দিয়েছেন অভিযোগ করে পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, ‘পুলিশ বাহিনীকে ব্যবহার করে জেলে নিয়ে গিয়ে মানুষকে নির্যাতন করেছেন। বাংলাদেশের মানুষকে একটা ভীতির রাজত্বে নিয়ে গিয়েছিলেন। তাই তিনি যখন ছাত্র, শ্রমিক, জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে পালিয়ে গেছেন, তখন এ দেশের মানুষ হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছেন।’

মাওলানা ইমতিয়াজ আলম বলেন, হাজারো শহীদের রক্তের বিনিময়ে এদেশের মানুষ নতুন বাংলাদেশ পেয়েছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সৎ ও যোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমে একটি সুখি সমৃদ্ধ দেশ গড়ে তুলতে চায়। একটি কল্যাণ রাষ্ট্র গড়ে তুলতে চায়, যাতে ১৮ কোটি মানুষ মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে। ন্যায়বিচার, আইনের শাসন ও মৌলিক মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় যে সংগ্রাম চালিয়ে আসছে তা চূড়ান্তরূপ নেওয়া পর্যন্ত সকলকে কার্যকর ভূমিকা অব্যাহত রাখতে হবে।

মুফতী শামসুদ্দোহা আশরাফী বলেন, শেখ হাসিনার মতো একটি পুতুল ফ্যাসিবাদী সরকারকে আমাদের ওপর চাপিয়ে বন্ধুরাষ্ট্রের নামে ভারত এদেশে যেসব অনাচার করেছিল, আমরা তার কিছুই ভুলিনি। ভারত সেসবের দায় এড়াতে পারে না। দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে ভয়ংকর ফ্যাসিস্ট দানবকে এদেশের তরুণ শক্তি উৎখাত করতে পেরেছে। তারুণ্যের এই শক্তির মর্ম ভারত যত তাড়াতাড়ি বুঝবে ততই তাদের মঙ্গল।

ছাত্র-জনতার গণ অভ্যূত্থানে সংগঠিত গণহত্যার বিচার, দুর্নীতিবাজদের গ্রেফতার, অবৈধ সম্পদ বাজেয়াপ্ত ও নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা, সংখ্যানুপাতিক (চজ) পদ্ধতিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজন, নোয়াখালীতে জলাবদ্বতা নিরসনে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের দাবীতে ও সাম্য, মানবিক মর্যাদা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ইসলামী সমাজভিত্তিক কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিশাল গণসমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন দলের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, সহকারি মহাসচিব মাওলানা মুহাম্মদ ইমতিয়াজ আলম, মুফতী শামসুদ্দোহা আশরাফী।




রাজনীতিতে মাদরাসা শিক্ষার্থীদেরও অংশগ্রহণ থাকবে: ছাত্রদল সম্পাদক

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ::একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ছাত্র রাজনীতির গুণগত পরিবর্তনের লক্ষে ‘মডেল ছাত্র রাজনীতি’র কথা ভাবছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। মডেল ছাত্র রাজনীতিতে মাদরাসার শিক্ষার্থীদের অংশীদারিত্ব রাখতে চায় সংগঠনটি। ছাত্রদলের এমন পরিকল্পনার কথা ব্যক্ত করেছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির।

বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) বরিশালের সাগরদী ইসলামিয়া কামিল মাদরাসা ও সাহেবেরহাট ফাজিল ডিগ্রী মাদরাসার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিগত ১৬ বছর ধরে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ তথাকথিত ছাত্র রাজনীতির নামে ছাত্র রাজনীতির শিষ্টাচার নষ্ট করেছে। শুধু তাই নয়, ভিন্নমত দমনের মাধ্যমে নিজেদের ফ্যাসিস্ট কর্তৃত্ব স্টাবলিস করেছে।

নাছির উদ্দীন নাছির বলেন, ছাত্র রাজনীতির গুণগত পরিবর্তনের লক্ষে ছাত্রদল কাজ করছে। ভিন্নমত দমন নয়, ভিন্নমতকে গ্রহণ করার মানসিকতা থাকতে হবে। এটি ছাত্র রাজনীতির জন্য আবশ্যক।

ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জানান, মূলধারার বাইরে থাকা মাদরাসা শিক্ষাকে কিভাবে মূলধারায় নিয়ে আসা যায় তা নিয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে আমরা আলোচনা করেছি এবং ছাত্র রাজনীতির ভবিষ্যৎ নিয়ে ছাত্রদলের পরিকল্পনা তুলে ধরেছি।

ছাত্রদলের এই নেতা বলেন, স্বাধীনতার ৫ দশকে মাদরাসা শিক্ষার উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন সাধিত হয়নি। মাদরাসা শিক্ষার্থীদের পিছিয়ে দেওয়ার জন্য ফ্যাসিস্টরা ব্লেইমিং রাজনীতিতে তৎপর ছিল। মাদরাসা শিক্ষার্থীদের শিক্ষাব্যবস্থার মূল স্রোতে নিয়ে আসার জন্য বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কাজ করে যাচ্ছেন। মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করার জন্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল তৎপর রয়েছে।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণ ছিল জানিয়ে তিনি বলেন, অনেকেই তাদের এ অবদানকে সেভাবে স্বীকার না করলেও ছাত্রদল তাদের অবদানকে শ্রদ্ধার সাথে স্বীকার করছে এবং তাদের অবদানকে দেশের সামনে তুলে ধরার ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

আগামীর ছাত্র রাজনীতি নিয়ে শিক্ষার্থীদের ভাবনা জানতে সাংগঠনিক সফরে যান ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির। গত কয়েকদিন ধরে বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন স্কুল কলেজ, মাদরাসা এবং বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মত বিনিময় করেন তিনি। এসময় ক্যাম্পাসে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে বৃক্ষরোপণ করেন তিনি।




নির্বাচিত সরকার না আসা পর্যন্ত জুলাই বিপ্লবের স্বপ্ন পূর্ণ হবে না: মাসুদ সাঈদী

বরিশাল অফিস :: পিরোজপুরের জিয়ানগরের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও জামায়াতে ইসলামী নেতা মাসুদ সাঈদী বলেছেন, পতিত স্বৈরশাসক দেশে ভিন্নমত সহ্য করতে পারতো না। তাই বিরোধী নেতাকর্মীদের ওপর প্রতিদিনই চলতো জেল-জুলুম, নিপীড়ন-নির্যাতন। দেশের গণতন্ত্র মজবুত করার জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন রাজনৈতিক সহাবস্থান। যেটি খুনি হাসিনা বা ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকার কখনও তা করেনি।

বুধবার (২ অক্টোবর) পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলার কালাইয়া রাজিয়া রশীদ মহিলা দাখিল মাদরাসা প্রাঙ্গনে সীরাতুন্নবী সা. উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মাসুদ সাঈদী বলেন, হাজারো জীবনের বিনিময়ে পাওয়া এই স্বাধীনতা, বাকস্বাধীনতা এবং কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হলে এখন দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক দলগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশ গড়ার কাজে মনোনিবেশ করতে হবে। এর জন্য প্রয়োজন গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত একটি জনগণের সরকার। যে গণতন্ত্রের জন্য বিপ্লব সংগঠিত হয়েছে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার না আসা পর্যন্ত তা পরিপূর্ণতা পাবে না। জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার না আসা পর্যন্ত জুলাই বিপ্লবের স্বপ্ন পূর্ণ হবে না।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাসুদ সাঈদী আরও বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সব রাজনৈতিক দল সমর্থন দিয়েছে। গণ মানুষের স্বপ্ন পূরণে হওয়া গণবিপ্লবোত্তর সরকারকে সবাই সহযোগিতা করতে চায়। কিন্তু প্রশাসনের মধ্যে যদি এমন লোক থাকে যারা শেখ হাসিনার ১৫-১৬ বছর ক্ষমতা থাকাকালীন ফ্যাসিবাদ লুণ্ঠনে সহায়তা করেছে, তারা এই বিপ্লবের সরকারকে কখনোই সমর্থন দিতে পারে না। তারা যদি ক্যাবিনেট সেক্রেটারি হয়, সচিব হয়, গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে বসে তাহলে নির্বাচন কমিশন, বিচার বিভাগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যে সংস্কারের কথা বলা হচ্ছে এই সংস্কার বাস্তবায়ন হবে না। এরা সংস্কার ব্যর্থ করে দেবে।

তিনি বলেন, সরকার ঘোষণা দিয়ে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের অস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল করলেও তা উদ্ধার করতে পারেনি প্রশাসন। এখনো কেন অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার হলো না সেটি দেশবাসী জানতে চায়। অস্ত্র উদ্ধার না হলে দেশ অস্থিতিশীল ও সংঘাতময় হবে। দেশে এখনো নির্বাচন হয়নি, আমরা এখনো জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারি নাই। নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে জনগণের অধিকারগুলো প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তাই আজ আমি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে সবাইকে আহ্বান করছি আসুন, দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে একটি সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের জন্য স্ব-স্ব ক্ষেত্রে অবদান রাখি’, বলেন পিরোজপুর-১ আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনিত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী।

কালাইয়া রাজিয়া রশীদ মহিলা দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা মো. রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জিয়ানগর উপজেলার সদর ইউনিয়ন সেক্রেটারি মাওলানা খায়রুল বাশারের সঞ্চালনায় সমাবেশে প্রধান বক্তা ছিলেন জামায়াতে ইসলামী জিয়ানগর উপজেলা আমীর মাওলানা আলী হোসেন, বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতে ইসলামী জিয়ানগর উপজেলা সেক্রেটারী তাওহিদুর রহমান রাতুল।

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামী জিয়ানগর উপজেলার সদর ইউনিয়ন আমীর মাওলানা আবু হানিফ, বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. আব্দুল মান্নান শিকদারসহ স্থানীয় ছাত্র ও যুব নেতৃবৃন্দ।

এদিকে, পত্তাশী ইউনিয়নের খেজুরতলা বাজারের ব্যবসায়ীদের আয়োজনে মতবিনিময় সমাবেশে মাসুদ সাঈদী বলেছেন, শেখ হাসিনা পালিয়ে গেছে কিন্ত তার অনুসারীরা আত্মগোপন করে আছেন। তারা যে কোনো অপকর্ম ঘটিয়ে অতীতের মতো ইসলামপন্থীদের ওপর দোষ চাপাতে পারে। এখনো আওয়ামী লীগ আর তাদের দোসরের বিভিন্ন রকমের ষড়যন্ত্র করছে। সামনে দুর্গাপূজা আসছে। এই দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে হাসিনার সন্ত্রাসীরা দেশে নৈরাজ্য ও অশান্তি তৈরি করতে পারে। সেদিকে সবাইকে সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে।
আওয়ামী লীগের ১৫ বছরের হাজারো জুলুম-নির্যাতনের পরও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এদেশের মানুষের প্রিয় সংগঠনে পরিণত হয়েছে শুধু আল্লাহর ওপর দৃঢ় বিশ্বাস আর আস্থার কারণে। ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ জামায়াতকে নিষিদ্ধ করেছিল কিন্তু জামায়াত ঠিকই বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে, বাংলাদেশের রাজনীতিতে টিকে আছে আর দিনশেষে ওরাই বাংলাদেশ থেকে নিষিদ্ধ হয়ে গেছে।

হাফেজ মাওলানা মো. হাফিজুল ইসলামের কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে এবং সেতারা স্মৃতি মাধ্যমিক সরকারি মহিলা বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আব্দুর রশীদের সভাপতিত্বে ও খেজুরতলা বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো. সরোয়ার হাওলাদারের সঞ্চালনায় মতবিনিময় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জিয়ানগর উপজেলা আমীর মাওলানা আলী হোসেন, পত্তাশী ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাওলানা সোলায়মান খান, পত্তাশী ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক খান মো. কবির হোসেন, পত্তাশী ইউনিয়ন জামায়াত সেক্রেটারি খান মো. সবির হোসেন, পত্তাশী ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম, ইউপি সদস্য কবির হোসেন, সাবেক ইউপি সদস্য রুস্তম আলী তালুকদার, পত্তাশী প্রি-প্রাইমারী স্কুলের প্রধান শিক্ষক (অব) নুরুল আলম পান্নু প্রমুখ।