সাকিব আমাকেও কয়েকবার ফোন করেছে: আসিফ নজরুল

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান আসন্ন বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যকার দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্ট খেলতে সম্প্রতি দেশে আসতে চেয়েছিলেন, কিন্তু নিরাপত্তাঝুঁকির কারণে শেষ মুহূর্তে তিনি সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছেন।

তাঁকে কেন্দ্র করে চলমান বিতর্ক নিয়ে আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেছেন, ‘সাকিব কিন্তু আমাকেও কয়েকবার ফোন করেছে। আমি তার সঙ্গে কথাও বলেছি। আমি বলেছি, ও যেন উপদেষ্টা আসিফের সঙ্গে কথা বলে, এটা তো আমার ব্যাপার না।’

গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে চ্যানেল আইয়ের ‘আজকের সংবাদপত্র’ অনুষ্ঠানে দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরীর এক প্রশ্নের জবাবে আইন উপদেষ্টা এ কথাগুলো বলেন।

আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘সাকিবের মতো খেলোয়াড় বাংলাদেশের ইতিহাসে আসে নাই। সাকিব বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে জনপ্রিয় মানুষ হয়ে থাকতে পারত। কিন্তু বর্তমানে রাজনীতির কারণে তার জনপ্রিয়তা কমে গেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ রকম একটা ফ্যাসিস্ট সরকারের সঙ্গে সম্পৃক্তি… যখন মানুষ মরছে, ঘরে ঘরে কান্না, ঘরে ঘরে ক্ষোভ, তখন সাকিব একটা পোস্ট দিয়েছে “এনজয়িং মাই লাইফ ইন…”। এটা কি সম্ভব?’

এ প্রসঙ্গে অধ্যাপক আসিফ নজরুল আরও বলেন, ‘সাকিবের যেসব আচরণ, যেমন জুয়া, বেটিং ও উচ্ছৃঙ্খল আচরণ, সেগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। মনে হয়, এটার জন্যও শেখ হাসিনা সরকার দায়ী। সরকার একটি রাষ্ট্রযন্ত্র তৈরি করেছে, যে যন্ত্রে শেখ হাসিনার প্রতি অনুগত থাকলে আপনি যা ইচ্ছা করতে পারেন।’

দুই দিন পর মিরপুরে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকা টেস্ট। দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টের জন্য ঘোষিত বাংলাদেশ দলে সাকিব আল হাসানের নাম ছিল। কিন্তু তাঁর জায়গায় আজ বাঁহাতি স্পিনার হাসান মুরাদের নাম ঘোষণা করেছে বিসিবি।




শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কল্পনাপ্রসূত: আ.লীগ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারিকে কল্পনাপ্রসূত বলে দাবি করেছে দলটি। একই সঙ্গে মামলাটিকে অসাংবিধানিক ও বেআইনি উল্লেখ করে এর প্রতিবাদ জানিয়েছে আওয়ামী লীগ।

আজ শুক্রবার রাতে আওয়ামী লীগের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে এ প্রতিবাদ জানানো হয়।

পোস্টে বলা হয়, মুক্তিযুদ্ধের সময় গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচারের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ আইন করেছিলেন। শেখ হাসিনার সরকার মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিচারের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। জাতির অঙ্গীকার পূরণে এই আইনের আওতায় যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়েছিল, যা সারা বিশ্বে প্রশংসিত হয়েছে।

আওয়ামী লীগ আরও বলে, সেই বিচারপ্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য এবং শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে এক ঘৃণ্য প্রতিশোধ নেওয়ার লক্ষ্যে স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি এবং অসাংবিধানিক ও অবৈধ তথাকথিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও কাল্পনিক তথ্যের ভিত্তিতে গণহত্যার মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দায়ের করেছে। আইনের শাসনের সকল নীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তারা শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে।

আওয়ামী লীগের পোস্টে বলা হয়, তারা অসাংবিধানিক ও অবৈধ সরকারের এই কার্যক্রমের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, নিন্দা ও ঘৃণা জানাচ্ছে।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, গণহত্যার ব্যাপারে জাতিসংঘের কনভেনশনের সংজ্ঞা তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়, গণহত্যা হলো হত্যাকাণ্ডসহ এমন ক্ষতিকারক কাজ করা, যার মূল লক্ষ্য হচ্ছে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কোনো জাতি, গোষ্ঠী, সম্প্রদায় কিংবা ধর্মীয় গোষ্ঠীকে ধ্বংস করা।

ছাত্র-জনতার আন্দোলনের নামে সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য চালানোর অভিযোগ তুলে আওয়ামী লীগ বলে, দেশে পুলিশ এবং আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের লক্ষ্য করে হত্যাযজ্ঞ চালানো হচ্ছে। একই সঙ্গে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীসহ অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর মানুষকে হত্যাসহ অকথ্য নির্যাতন চালানো হচ্ছে, যা গণহত্যার পর্যায়ে পড়ে।

পোস্টে আরও বলা হয়, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও কাল্পনিক তথ্যের ভিত্তিতে যে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দায়ের ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে, জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে এটি নিন্দিত হবে।




যুবলীগ ও ছাত্রলীগকে বাংলাদেশে পুশ করতে পারে শেখ হাসিনা: জয়নুল আবদীন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদীন ফারুক বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার অঙ্গসংগঠন যুবলীগ ও ছাত্রলীগকে বাংলাদেশে পুশ করতে পারে, যা বাংলাদেশকে অঙ্গরাজ্য বানানোর উদ্দেশ্যে।

শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক প্রতীকী অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। ফারুক বলেন, ‘শেখ হাসিনা অহংকার করে বলেছিল পালাবেন না। কিন্তু শেখ মুজিব স্যুটকেস নিয়ে পালিয়ে গেছেন। ওয়ান এলিভেনে হাসিনার হাত না থাকলে তারেক রহমান বিদেশে থাকতেন না।’

তিনি ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিলম্ব না করে শেখ হাসিনাকে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে হস্তান্তর করতে। ফারুক বলেন, ‘বিশ্বজিৎকে খুঁচিয়ে মারা আওয়ামী লীগকে দেশের মানুষ আর চায় না।’

তিনি আরও বলেন, ‘অতীতের সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে দ্রব্যমূল্য বাড়তো না। ছাত্র-জনতার আন্দোলন সফল হওয়ার পেছনে একমাত্র ভূমিকা রেখেছেন তারেক রহমান।’

জনপ্রতিনিধি ছাড়া দেশের সংকট সমাধান সম্ভব নয় দাবি করে ফারুক বলেন, ‘দিল্লিতে বসে শেখ হাসিনা ষড়যন্ত্র করতে চাইলে তার বিষদাঁত ভেঙে দেয়া হবে। শেখ হাসিনাকে আদালতে আসতে হবে।’

 




Beneficiaries of Authoritarianism Want to Undermine the Government: Tariq Rahman

Tariq Rahman, the acting chairman of the Bangladesh Nationalist Party (BNP), stated that beneficiaries of authoritarianism are emerging both inside and outside the administration. He made these comments during a virtual discussion held on Friday (October 18) at the Engineers Institute auditorium to celebrate the silver jubilee of the Ziaur Rahman Foundation.

Rahman said, “The beneficiaries of the authoritarian government want to undermine the current government. If we do not uproot the poisonous tree of conspiracy, the achievements of the student and people’s revolution will be in jeopardy. The state must fulfill the expectations of the people.”

He added that no benefit would come from keeping the allies of authoritarianism in power. “The mafia has committed genocide in Bangladesh, but people have regained their freedom of speech. The blood of the martyrs has not yet dried. The interim government must prioritize its activities, as some inconsistencies in the current government have begun to surface.”

According to Rahman, during the authoritarian era, various leaders and activists seized land, shops, and businesses, and the interim government should take steps to recover those. “Just as the state has responsibilities toward its citizens, citizens also have responsibilities toward the state. Therefore, everyone should work with a spirit of volunteerism.”

Regarding the control of commodity prices, he stated, “Farmers, laborers, daily wage earners, and low-income people are facing a dire situation. While the prices of essential goods have risen, people’s incomes have not increased accordingly. I urge the government to take steps to reduce the prices of goods and break the syndicate to control the situation.”

Tariq Rahman further emphasized that reforms are necessary and important, but they must be a continuous and ongoing process. “There is no alternative to establishing an elected representative government to uphold the rights of the people. Working with the people on reform issues will make the process easier.”

Dr. Jubeda Rahman, the chief advisor of the Ziaur Rahman Foundation’s overseas committee, also participated virtually in the event.




আ. লীগের গড়া সিন্ডিকেট এ সরকার ভাঙতে পারেনি: জামায়াত আমির

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকার জাতির ওপর জুলুম করেছে। এখনো সেই জুলুমের ভার এই জাতিকে বহন করতে হচ্ছে। তাদের আমলে গড়া সিন্ডিকেট এখনো এই সরকার ভাঙতে পারেনি। জাতি যে প্রত্যাশা করেছে সেটা তারা পূরণ করতে পারেনি। প্রতিটি খাত থেকে অন্যায় অনিয়ম নিশ্চিহ্ন না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হবে।

শুক্রবার চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জামায়াতের ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের উদ্যোগে আয়োজিত রুকন সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

শফিকুর রহমান বলেন, কীভাবে একটি দেশের শাসক নিজের গদি টিকিয়ে রাখতে গুলি চালানোর নির্দেশ দেয়! গুলি চালালেই গদি রক্ষা হয় না। তারা মনে করেছে আমরাই সব। যেভাবে ফেরাউন বলেছিল ‘আমিই তোমাদের রব’। তারা ধরাকে সরা জ্ঞান করেছিল। তারা শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে লেলিয়ে দেয়নি বরং হেলমেট বাহিনীকেও ব্যবহার করেছিল। আমরা আর একটি সন্তানও হারাতে চাই না। ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশের সূর্য সন্তানদের হত্যা করা হয়েছে। ফাঁসিতে ঝুলানো হয়েছে। আমরা এমন হত্যাকাণ্ড আর চাই না। আমাদের আর পেছনে তাকানোর সময় নেই।

যে চেতনার ভিত্তিতে বিপ্লব এসেছে তার বেশিরভাগ অপূর্ণ রয়ে গেছে উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, যারা দেশের দায়িত্বে আছেন তাদের দেশের জনগণ ঐক্যমত্যের ভিত্তিতে এই দায়িত্ব দিয়েছে। আমরা তাদেরকে বলব ১৮ কোটি মানুষকে আপনাদের সম্মান করতে হবে। এই বিপ্লবের চেতনাকে ধারণ করে সমস্ত জঞ্জালকে পরিষ্কার করার জন্য জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সাহসিকতার সঙ্গে আপনাদের এগিয়ে যেতে হবে। এর কোনো বেশকম জনগণ দেখতে চায় না।

দেশের নিরাপত্তা নিয়ে তিনি বলেন, ‘এমন একটা দেশ গঠন করতে হবে যেন, টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া, জাফলং থেকে সুন্দরবন কোcbf জালিম যেন নারীদের অসম্মান করতে না পারে।




সরকারের কেউ কেউ আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করছেন: নুর

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কেউ কেউ আওয়ামী লীগ পুনর্বাসনের চেষ্টা করছেন বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের একাংশের সভাপতি নুরুল হক নুর। আজ শুক্রবার বিকেলে যাত্রবাড়ীর দনিয়া কলেজে গণঅধিকার পরিষদ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আয়োজিত সভায় তিনি এমন মন্তব্য করেন। ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আহত ও নিহতদের জন্য দোয়ার আয়োজন ও স্মৃতিচারণে সভাটি আয়োজন করা হয়।

নুরুল হক নুর বলেন, ‘ছাত্র-জনতার এই আন্দোলনে যাত্রাবাড়ীর মানুষ অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। এখানে কোনো নেতা ছিল না, সাধারণ মানুষই এখানে নেতৃত্ব দিয়েছে। যাত্রাবাড়ীর মানুষ বুলেটের সামনে যেভাবে প্রতিবাদ করেছে তা এই আন্দোলনে অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে। এই শহীদদের পরিবারকে মূল্যায়ন করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা শুনেছি নতুন করে উপদেষ্টা নিয়োগ করা হবে। আমাদের দাবি শহীদের পরিবার থেকে দুজনকে উপদেষ্টা নিয়োগ দিতে হবে। যাদের জীবনের বিনিময়ে আমরা নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি তাদেরকেই মূল্যায়ন করা হচ্ছে। শহীদ পরিবারের খোঁজ না নিয়ে কেউ কেউ সচিবালয়ে নিয়োগ নিয়ে ব্যস্ত, নতুন দল গঠন নিয়ে ব্যস্ত। এই শহীদদের ত্যাগ নিয়ে কাউকে রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না।’

গণঅধিকার পরিষদের একাংশের সভাপতি বলেন, ‘ইতোমধ্যে দেখেছি এই সরকারের কেউ কেউ আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করছে। তারই ধারাবাহিকতায় আওয়ামী লীগের নেতাদের জামিন দেওয়া হচ্ছে। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের নির্দেশদাতা শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে এনে ফাঁসি দিতে হবে। আওয়ামী ফ্যাসিবাদকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া যাবে না।’

গণঅধিকার পরিষদ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি নাজিম উদ্দীনের সভাপতিত্বে, সাধারণ সম্পাদক নুরুল করিম শাকিলের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাশেদ খাঁন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন, যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মনজুর মোর্শেদ মামুন, সাধারণ সম্পাদক নাদিম হাসান, ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান প্রমুখ।




জামায়াতের লক্ষ্য: মানবিক সমাজ গড়ার প্রত্যয়

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, তাদের লক্ষ্য হলো বৈষম্য বিলোপ করে ইসলামী আদর্শে একটি সত্যিকারের মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা। তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, এই সমাজে নারীদের ওপর কোনো অত্যাচার হবে না, ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে এবং যুবসমাজ বেকার থাকবে না।

ডা. শফিকুর রহমান এই মন্তব্য করেন মাগুরার ভায়নার মোড়ের একটি পথসভায়, যেখানে হাজার হাজার নেতাকর্মী তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে, বিগত ১৬ বছর জামায়াতের নেতাকর্মীদের ওপর অত্যাচার নির্যাতনের ঘটনা অব্যাহত ছিল।

তিনি বলেন, “আগামী নির্বাচনে দেশের মানুষের সমর্থন নিয়ে জামায়াত ইসলামীর পক্ষ থেকে একটি শোষণহীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে চাই।”

এছাড়া, জামায়াতের আমির জানিয়েছেন, বর্তমান সরকারের আমলে যারা বাজারে দাম বাড়াচ্ছে, তারা এখনও সক্রিয়। তিনি দাবি করেছেন, “জালিমদের হাত থেকে আল্লাহ বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষকে মুক্তি দিয়েছে। আমাদের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে এবং সাজানো আদালতে তাদেরকে হত্যা করা হয়েছে।”

জামায়াতের আমির বলেন, “আমরা আমাদের দলের নিবন্ধন বাতিল ও প্রতীক কেড়ে নেওয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করে যাব। এবং সরকারকে জানাতে চাই যে, আমাদের নেতাকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।”

সভায় জামায়াতের নেতারা আরও জানান যে, দেশের যুবকদের কর্মসংস্থান ও নারীদের সম্মানের সাথে সমাজের উন্নয়নে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।




BNP Leaders Injured as Stage Collapses in Sirajganj

Chandradi Desk :: A stage collapse occurred during a BNP unity rally in Sirajganj due to an excessive number of party activists climbing onto it, resulting in injuries to 25-30 party members.

The incident took place at around 5 PM on Thursday (October 17) at the Shahid Shamsuddin Gate area, where the district BNP organized the unity rally. It was reported that there was hardly any space for the activists, leading to a crowded situation.

BNP Standing Committee member and former minister Iqbal Hasan Mahmud Tuku arrived at the rally at around 4 PM, just before the incident, while district and upazila BNP leaders were addressing the crowd.

Tarash Upazila BNP President S M Afsar Ali stated, “After a two-year absence, many activists gathered to catch a glimpse of Tuku Bhai. The stage couldn’t bear the weight of so many people, leading to its collapse, resulting in injuries to about 20-25 of us.”

The stage collapsed during the speech of Amirul Islam Alim, the co-organizational secretary of the Rajshahi Division BNP. At that moment, several leaders were present on the stage, including district BNP Vice President Nazmul Hasan Talukdar Rana, Joint Secretary Rashedul Hasan Ranjan, Tarash Upazila BNP President S M Afsar Ali, and General Secretary Aminur Rahman Tutu.

Among those present on stage were the chief guest Iqbal Hasan Mahmud Tuku, former MP for Sirajganj-2 and district BNP President Romana Mahmud, Vice President Mojibur Rahman Lebu, and General Secretary Saidur Rahman Bacchu, among others.




সময় বেঁধে দিয়ে নির্বাচন নয়, তবে অংশ নেবে আ. লীগ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের পর থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে নানা রকম আলোচনা শুরু হয়েছে। কত দিনের ভেতরে নির্বাচন হবে, সেটিও জানতে চাচ্ছেন অনেকে। বিএনপি নির্বাচনের রোডম্যাপ চাইলেও নির্বাচনের চেয়ে সংস্কারকে গুরুত্ব দিচ্ছে জামায়াতে ইসলামী। তবে, অন্য রাজনৈতিক দলগুলোর কেউ কেউ বলছেন, আগে নির্বাচন পরে সংস্কার। কেউ বলছেন, সংস্কার আগে পরে নির্বাচন।

কেউ কেউ আবার বলছেন, এ সরকারের দায়িত্ব সংস্কার করা নয়, নির্বাচন দিয়ে জনগণের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করা। নির্বাচিত সরকারই সব সংস্কার করবে। এদিকে, নির্বাচন নিয়ে বিএনপি, জামায়াত ও অন্যান্য রাজনৈতিক দল মুখ খুললেও এখনও নিশ্চুপ সদ্য ক্ষমতাচ্যুত দল আওয়ামী লীগ। অন্যান্য দলের মতো বর্তমান সরকারকে নির্বাচনের সময় বেঁধে দিতে না চাইলেও ভেতরে ভেতরে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে দলটি। ছন্নছাড়া দলটিকে আবারও ঐক্যবদ্ধ করতে এবং মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয় হতে নির্বাচনকে ‘আশীর্বাদ’ হিসেবে দেখছেন তারা। আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা এমন তথ্য দিয়েছেন।




ড. ইউনূসের নেতৃত্বে দ্রুত সুষ্ঠু নির্বাচন হবে: এম এ মালেক

আপনার নিউজগুলো কেমনভাবে চাইছেন, সেটা ভালোভাবে বোঝার চেষ্টা করবো। আগে যেমন নিউজ তৈরি করেছি, সেগুলোর ধরন অনুযায়ী এবং আপনার পছন্দ অনুযায়ী আবার করে লিখছি:

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: যুক্তরাজ্য বিএনপি সভাপতি এম এ মালেক বলেছেন, ড. ইউনূসের নেতৃত্বে দ্রুতই অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে। বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে ওসমানী বিমানবন্দরে পৌঁছার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

আরো পড়ুন : দেশে অট্টালিকা যেমন বেড়েছে, তেমনি ফুটপাতেও মানুষ বেড়েছে: সাকি

তিনি বলেন, “ড. ইউনূসকে নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের যাত্রা শুরু হয়েছে, আর আমরা বিশ্বাস করি উনার নেতৃত্বে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। আমাদের নেতা তারেক রহমানও ড. ইউনূসের পাশে থেকে সহযোগিতা করার কথা বলেছেন।”

এম এ মালেক আরও বলেন, “বিএনপি দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে যাচ্ছে। ‘টেক ব্যাক বাংলাদেশ’ এর মাধ্যমে আমরা গণতন্ত্র ফেরাতে সক্ষম হয়েছি।” তিনি দাবি করেন, “তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি দেশের গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার ফেরাতে সফল হয়েছে।”

অবৈধভাবে ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, “ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ঘটেছে। ড. ইউনূসের নেতৃত্বে রাষ্ট্র সংস্কারের কাজ চলছে।”

এ সময় তিনি আরও বলেন, “ড. ইউনূস আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একজন ভালো মানুষ। উনি কোনো ধরনের অনিয়ম করবেন না। তারেক রহমানও আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে শিগগিরই দেশে ফিরে আসবেন এবং বিএনপি নেতৃত্বে পুনরায় সরকার গঠন করবে।”