রাষ্ট্রপতিকে অপসারণের দাবি হেফাজতে ইসলামের

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী এবং মহাসচিব সাজেদুর রহমান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে অপসারণের দাবি জানিয়েছেন। তারা অভিযোগ করেছেন যে, রাষ্ট্রপতি সম্প্রতি তার পূর্ববর্তী বক্তব্যে স্ববিরোধিতা করেছেন এবং তা শপথ ভঙ্গের শামিল।

মঙ্গলবার একটি বিবৃতিতে হেফাজতের নেতারা বলেন, “আমরা ফ্যাসিস্ট হাসিনার বিশ্বস্ত এই রাষ্ট্রপতিকে জুলাই বিপ্লবের শত্রু মনে করি এবং তাঁর দ্রুত অপসারণ দাবি করছি।” তারা বলেন, যারা জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে অস্বীকার করবে, তারা গণশত্রু হিসেবে প্রত্যাখ্যাত হবে।

বিবৃতিতে ৭ মার্চ ও ১৫ আগস্ট জাতীয় দিবস বাতিল করায় অন্তর্বর্তী সরকারকে সাধুবাদ জানানো হয়েছে। নেতারা উল্লেখ করেছেন যে, স্বাধীনতার পর ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার পিতা একদলীয় শাসন কায়েম করে হাজার হাজার আলেম-ওলামা এবং বিরোধী নেতা-কর্মী হত্যা করেন।

হেফাজত নেতারা বর্তমান সরকারকে নিন্দা করে বলেন, “শেখ হাসিনা পিলখানা ও শাপলা চত্বর থেকে শুরু করে জুলাই-অগাস্টেও একের পর এক গণহত্যা চালান।”

তারা দাবি করেছেন, আওয়ামী লীগসহ এর অঙ্গসংগঠনগুলোকে নিষিদ্ধ করার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, কারণ তাদের না নিষিদ্ধ করলে আওয়ামী ফ্যাসিবাদ আরও প্রবল হতে পারে।




পটুয়াখালী‌তে গণঅ‌ধিকা‌রের মশাল মি‌ছিল

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: সা‌বেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হা‌সিনার ফাঁসির দাবিতে পটুয়াখালী‌তে মশাল মি‌ছিল ও সমা‌বেশ ক‌রে‌ছে গণঅ‌ধিকার পরিষদের জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ।

মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) রাত পৌনে ৭টার দিকে পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের সাম‌নে থে‌কে মশাল মিছিলটি শুরু হয়। এরপর বি‌ভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ ক‌রে লঞ্চঘাট চত্বরে গি‌য়ে সংক্ষিপ্ত সমা‌বে‌শের মধ্যে শেষ হয়।

সমা‌বে‌শে বক্ত‌ব‌্য রা‌খেন- গণঅ‌ধিকার পরিষদের পটুয়াখালী জেলা শাখার আহ্বায়ক সৈয়দ নজরুল ইসলাম লিটু, সদস‌্য স‌চিব মো. শাহজালাল প্রমুখ।

মশাল মি‌ছিল ও সমা‌বে‌শে নেতারা অন‌তি‌বিল‌ম্বে স্বৈরশাসক ‌শেখ হা‌সিনাকে গ্রেফতার ক‌রে ফাঁসির দাবি জানান।




জামায়াতের নিবন্ধন পুনরুজ্জীবিত: আপিল বিভাগের আদেশ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে দলটির আপিল পুনরুজ্জীবিত (রেস্টর) করার আবেদন মঞ্জুর করেছেন আপিল বিভাগ।

আজ মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন। এর ফলে, রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণার বিরুদ্ধে দলটির খারিজ হওয়া আপিল পুনরায় আপিল বিভাগে শুনানির জন্য উঠছে।

গত ১ আগস্ট ২০১৩ হাইকোর্ট জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করেছিলেন। এরপর দলটির পক্ষ থেকে আবেদন খারিজ হয়ে গেলে, আজ সেই আপিল পুনরুজ্জীবিত করার আদেশ দেওয়া হয়।

জামায়াতের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, আদালতের এ সিদ্ধান্তের ফলে দলটির রাজনৈতিক কার্যক্রম আবার চালু হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।




পিআর নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা, তিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে জামায়াতের ‘মিটিং’

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: বাংলাদেশে নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হকোন অ্যারাল্ড গুলব্র্যান্ডসেন, ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রেক্স মোলার ও সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাক্স উইক্সের সঙ্গে বৈঠক করেছে জামায়াতে ইসলামী। সোমবার (২১ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর গুলশানে নরওয়ের রাষ্ট্রদূতের বাসায় এই ব্রেকফাস্ট মিটিং অনুষ্ঠিত হয়।

জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের পক্ষ থেকে মুজিবুল আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অত্যন্ত হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত মিটিংটি চমৎকার ও সন্তোষজনক হয়েছে। বৈঠকে নরওয়ে, ডেনমার্ক ও সুইডেনের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

আলোচনায় বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও নির্বাচন পদ্ধতি স্থান পায়। বর্তমানে নরওয়ে, ডেনমার্ক ও সুইডেনে সংখ্যানুপাতিক নির্বাচন পদ্ধতি বিদ্যমান, এবং তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে বাংলাদেশে এই পদ্ধতি চালুর বিষয়ে পরামর্শ তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশে উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ব্যাপারেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে নরওয়ের ডেপুটি হেড অব মিশন মিস মারিয়ান রাবে ন্যাভেলসরুড উপস্থিত ছিলেন। জামায়াতের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান, নায়েবে আমির ও সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মো. সেলিম উদ্দিন।

**ট্যাগ:** জামায়াতে ইসলামী, রাষ্ট্রদূত, নির্বাচন পদ্ধতি, নরওয়ে, ডেনমার্ক, সুইডেন, গণতন্ত্র, ব্রেকফাস্ট মিটিং, রাজনীতি




শেখ হাসিনার পদত্যাগপত্র ইস্যুতে রাষ্ট্রপতির বক্তব্য জানালেন মতিউর রহমান চৌধুরী

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক  :: শেখ হাসিনার পদত্যাগপত্র নিয়ে চলছে তীব্র আলোচনা। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে এ বিষয়ে কোনো পদত্যাগপত্র নেই বলে জানা যাওয়ার পর থেকেই এই আলোচনা শুরু হয়।

সাপ্তাহিক ‘জনতার চোখ’ প্রকাশনায় সাংবাদিক মতিউর রহমান চৌধুরী জানান, তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন। রাষ্ট্রপতির বক্তব্য অনুযায়ী, তার কাছে কোনো হার্ডকপি নেই।

মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে গিয়েছিলেন একটি বই লেখার কাজের জন্য। তিনি জানান, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগপত্রের কপি অনেক জায়গায় খোঁজা হয়েছে, কিন্তু সেগুলি পাওয়া যায়নি। তাই তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে বিষয়টি জানতে গিয়েছিলেন এবং ঘণ্টাখানেক কথা বলেছেন।

এদিকে, সাংবাদিক মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, রাষ্ট্রপতি শপথ ভঙ্গ করেছেন কি না, এ বিষয়ে আইনজীবীরা ভালো বলতে পারবেন। তবে, তিনি এ বিষয়ে বিতর্কে জড়াতে চান না, বলেই তিনি মনে করেন হার্ডকপি দেখালে বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে।

তিনি আরও জানান, যদি রাষ্ট্রপতি কিংবা স্পিকার না থাকেন, তবে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নিতে পারেন ড. মুহাম্মদ ইউনুস অথবা জাতীয় সরকারের মতো একটি সরকার গঠন করা হতে পারে। মতিউর রহমান চৌধুরী বলেছেন, জাতীয় সরকারের গঠন করলে সংকট মোকাবেলার সম্ভাবনা থাকবে, অন্যথায় সংকট আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।




বসুন্ধরা গ্রুপের এমডিসহ পরিবারের ৮ সদস্যের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমদ আকবর সোবহান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীরসহ তাদের পরিবারের আট সদস্যের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২১ অক্টোবর) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগরের জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন এ আদেশ দেন।

বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যানসহ তাঁর পরিবারের আটজনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমদ আকবর সোবহান, তাঁর স্ত্রী আফরোজা বেগম, ছেলে সায়েম সোবহান আনভীর ও তাঁর স্ত্রী সাবরিনা সোবহান, আরেক ছেলে সাদাত সোবহান ও তাঁর স্ত্রী সোনিয়া ফেরদৌস সোবহান এবং আরও দুই ছেলে সাফিয়াত সোবহান সানভীর ও সাফওয়ান সোবহানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।

দুদকের পক্ষ থেকে লিখিতভাবে আদালতকে জানানো হয়েছে, বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং, সরকারের রাজস্ব ফাঁকি, ভূমি জবরদখল, ঋণ জালিয়াতি, অর্থ আত্মসাৎ, অবৈধ সম্পদ অর্জনসহ অর্থ স্থানান্তর, রূপান্তরসহ মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের সম্পৃক্ত ধারার অপরাধের অভিযোগ অনুসন্ধান করা হচ্ছে।

এ জন্য দুদক অনুসন্ধান টিম গঠন করেছে। তাঁরা দেশত্যাগের পরিকল্পনা করেছেন। এ জন্য তাঁদের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা প্রয়োজন বলে আদালতকে জানিয়েছেন দুদকের উপপরিচালক মো. নাজমুল হুসাইন।




জামায়াত-বিএনপি একে অপরের ‘বন্ধু’ ভুল বোঝাবুঝিতে মারামারি

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর বাউফলে জামায়াতে ইসলামীর তিন সমর্থকের ওপর হামলার ঘটনায় পালটাপালটি বিক্ষোভ মিছিল ও সংবাদ সম্মেলনের পর বিএনপি ও জামায়াতের উপজেলা পর্যায়ের শীর্ষ নেতারা আপস-মীমাংসার মাধ্যমে সমঝোতা করেছেন।

রোববার রাতে উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আপেল মাহমুদ (ফিরোজ) ও উপজেলা জামায়াতের আমির মো. রফিকুল ইসলাম দুই পক্ষকে নিয়ে সমঝোতা বৈঠক করেন। পরে তারা বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেনের কাছে গিয়ে তাদের মধ্যে সমঝোতার বিষয়টি অবহিত করেন।

গত শনিবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নের আমিরাবাদ বাজারে মো. মনিরুজ্জামান ওয়াজিবুল্লাহ (৩০), নাইম আবদুল্লাহ (২৮) ও মো. আলামিন (২৫) নামে তিন ব্যক্তিকে আওয়ামী লীগের কর্মী দাবি করে পিটিয়ে আহত করে স্থানীয় কনকদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের অনুসারীরা।

এ ঘটনার প্রতিবাদে উপজেলা জামায়াত ইসলামীর নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি জানান। জামায়াতের ওই বিক্ষোভের প্রতিবাদে কনকদিয়া ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা সংবাদ সম্মেলন করেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা যুবদলের সদস্য মো. তোফাজ্জেল হোসেন (তপু) বলেন, “যারা আহত হয়েছেন তারা আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিএনপি নেতাকর্মীদের হয়রানি করেছেন। এখন তারা জামায়াত সেজে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছিল। এ কারণে ভুক্তভোগী লোকজন তাদের মেরেছে।”

এ ঘটনাকে সাধারণ নেতাকর্মীরা নিজেদের মধ্যে কাদা ছোড়াছুড়ি আখ্যা দিয়ে দুই পক্ষেরই সমালোচনা করেন। পরে রোববার রাতে জামায়াত ও বিএনপির নেতারা দুই পক্ষকে নিয়ে বসে আপস-মীমাংসার মাধ্যমে সমঝোতা করে দেন। এই সমঝোতায় কোনো বিনিময় ছিল না।

উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আপেল মাহমুদ (ফিরোজ) ও উপজেলা জামায়াতের আমির মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, “জামায়াত ও বিএনপি এক অপরের বন্ধু। একটু ভুল বোঝাবুঝির কারণে তুচ্ছ একটা ঘটনা ঘটেছে, যা কোনো বিনিময় ছাড়াই সমঝোতা করে দেওয়া হয়েছে।”

ওসি মো. কামাল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “আহত ব্যক্তিদের অভিযোগ তারা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। ভবিষ্যতে এ জাতীয় ঘটনার যেন পুনরাবৃত্তি না হয়, সে বিষয়ে দুই পক্ষকেই বলে দেওয়া হয়েছে।”

 




হাসিনার পদত্যাগ ইস্যুতে রাষ্ট্রপতি মিথ্যাচার করেছেন : আসিফ নজরুল

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ ইস্যুতে বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন মিথ্যাচার করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।

সোমবার (২১ অক্টোবর) সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ে উপদেষ্টার অফিস কক্ষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

উপদেষ্টা বলেন, তার এই পদে থাকার যোগ্যতা আছে কি না এ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। উনি যদি তার বক্তব্যে অটল থাকেন তাহলে বিষয়টি উপদেষ্টা পরিষদে যাবে এবং পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।




জামায়াতের আমির নারীরা নির্ভয়ে সব কাজে অংশ নেবে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: জামায়াতে ইসলামী কখনো রাষ্ট্রক্ষমতায় এলে জাতিকে বিভক্ত করতে দেবে না বলে মন্তব্য করেছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি শনিবার চাঁপাইনবাবগঞ্জে দলের সদস্য সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, “আমরা মানবিক বাংলাদেশ চাই। কোনো বৈষম্য থাকবে না। নারীরা নির্ভয়ে সব কাজে অংশ নেবে।”

চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা জামায়াতের উদ্যোগে পৌর এলাকার নতুনহাটের হেফজুল উলুম কামিল মাদ্রাসা ময়দানে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, “মানুষের যে কোনো দল ও ধর্ম করার অধিকার আছে। আমরা মেজরিটি-মাইনোরিটি মানি না। ধর্ম, দল বেছে নেওয়ার অধিকার প্রত্যেক মানুষের।” তিনি বলেন, “জামায়াত জনগণের অধিকার নিশ্চিত করে সবার কথা বলার সুযোগ রেখে সার্বভৌম বাংলাদেশ গড়তে চায়।”

তিনি জামায়াতের রুকনদের সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার কাজে অগ্রণী ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “নতুন বাংলাদেশে কেউ ঘুষ দেবে না। ঘুষ নেওয়ার দুঃসাহস দেখাবে না।” জামায়াতের আমির বলেন, “আমরা খুন, গুম, হত্যার ন্যায়বিচার চাই।”

সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুল, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য অধ্যাপক লতিফুর রহমান, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যাপক মুখলেসুর রহমান প্রমুখ।

নওগাঁয় রুকন সম্মেলনে শফিকুর রহমান বলেন, “যারা একটি জাতিকে বিভক্ত করে, তারা জাতির মঙ্গল চায় না। এই বিভক্তি আর চলতে দেওয়া যায় না।” তিনি দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।




হাসিনা শুধু বাংলাদেশই নয়, আ.লীগও ধ্বংস করতে চেয়েছে: মামুনুল হক

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা মুহাম্মদ মামুনুল হক বলেছেন, শেখ হাসিনা শুধু বাংলাদেশ নয়, আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করতে চেয়েছিলেন। তিনি রবিবার বিকালে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে খেলাফত মজলিসের গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা তার পিতার হত্যার প্রতিশোধ নিতে বাংলাদেশে এসেছিলেন এবং আওয়ামী লীগকে সারা দেশের মানুষের সামনে কলঙ্কিত করেছেন।

মামুনুল হক অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনা দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে মানুষকে নির্যাতন, গুম ও খুন করেছেন। তিনি বলেন, এ দেশের মানুষ আওয়ামী লীগকে আর দেখতে চায় না এবং গুম-খুনের সঙ্গে জরিতদের বিচার করা হবে। তিনি উল্লেখ করেন, শেখ হাসিনা ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের জন্য আওয়ামী লীগকে দায়ী করেছেন এবং তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ একটি তলাবিহীন ঝুড়িতে পরিণত হয়েছে।

গণসমাবেশে উপস্থিত ছিলেন খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।