পটুয়াখালীতে বিএনপির বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালী জেলা বিএনপির উদ্যোগে বৃহষ্পতিবার সকাল ৬:৩০ টায় ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করা হয়েছে। পটুয়াখালী সদর রোডে জেলা বিএনপির কার্যালয়ে জাতীয় সংগীত এবং দলীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবদুর রশিদ চুন্নু মিয়া এবং সদস্য সচিব স্নেহাংশু সরকার কুট্টি জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করেন।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা বেলুন এবং ফেস্টুন উড়িয়ে দিবসটির শুভ সূচনা করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন থানা বিএনপির সভাপতি কাজি মাহাবুব হোসেন, পৌর বিএনপির সভাপতি কামাল হোসেন, সদস্য সচিব এড. হুমায়ুন কবির, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মশিউর রহমান মিলন, সাধারণ সম্পাদক এনায়েত হোসেন মোহন, ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান শামীম চৌধুরী, সদস্য সচিব জাকারিয়া আহম্মেদ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আল আমিন, যুবদল নেতা গাজী আশফাকুর রহমান বিপ্লব, শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মনির মাহমুদ, মৎস্যজীবী দলের সভাপতি শফিকুল ইসলাম শাহিন এবং সাধারণ সম্পাদক শাহআলম হাওলাদার।

এছাড়া তাঁতী দলের সাধারণ সম্পাদক শাহিন হাওলাদার, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান সুজন, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আবু তাহের, সদস্য সচিব আরিফুর রহমান রানা, সদর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কাইউম সিকদার এবং পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক আমিনুল ইসলাম সহ বিএনপি ও তার অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া কৃষকদলসহ অন্যান্য সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দও এই আয়োজনে অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, এই দিবসটি দেশের জনগণের অধিকার রক্ষার জন্যে সংগ্রামের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। অনুষ্ঠানের শেষে দেশের সমৃদ্ধি ও শান্তির জন্য বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।




আ.লীগের শাসনামলে ভয়াবহ নির্যাতন , অভিযোগে ছাত্রদল নেত্রীর সংবাদ সম্মেলন

বরিশাল অফিস::রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে আ.লীগ শাসনামলে ভয়াবহ নির্যাতনের বর্ণনা তুলে ধরে এবং সম্প্রতি ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেত্রীকে ছাত্রলীগ নেত্রীর তকমা দিয়ে অপপ্রচার করার অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১২ টায় বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটি (বিআরইউ) কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) গনিত বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক জান্নাতুল নওরীন উর্মী এ সংবাদ সম্মেলন করেন। তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র পূর্বক ববি উপাচার্য বরাবর অভিযোগ দেয়ার তথ্য উন্মোচন করেন। অভিযোগে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে প্রকাশ্যে ৩ জন সহ আরো ৮ শিক্ষার্থী মুঠোফোনে বলেছেন- তাদেরকে ভুল ব্যাখা দিয়ে প্রতারণা পূর্বক স্বাক্ষর নিয়েছে। আবার কারো স্বাক্ষর বিশ্বস্ততার সুযোগে নিয়েছে।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা ২০২০ সালের ১ মার্চ রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে ধরে আমার ওপর ছাত্রলীগ হামলা করেছিল। হামলাকারীরা হলেন- ববি’র সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আলীম সালেহীন, অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন বিভাগের সপ্তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম, আবদুল্লাহ ফিরোজ এবং পঞ্চম ব্যাচের হাফিজ ও আসাদুজ্জামান আসাদ।

তারা জ্যামিতি বক্সের কাটা কম্পাস দিয়ে আমার বুকে ও গলায় সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ফুটো করে ভেঙ্গে দেয়। যে চিহ্ন এখনও শরীরে রয়েছে। আ.লীগ শাসনামলে বিচার চেয়ে পাইনি। এমনকি নিয়মিত পড়াশুনা সহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, বিভাগ থেকে পরীক্ষা দেয়ার অনুমতি দেয়নি। তখন ববি’র ছাত্রদলের পক্ষ থেকে আমার প্রতি কোন ভূমিকা নেয়নি। সেই সময় ববি ছাত্রদলের কমিটিতে সভাপতি রেজা ও সাধারণ সম্পাদক হাসিব দায়িত্বে ছিলেন।

স্বৈরাচারী সরকারের পতনের পর পুনরায় পরীক্ষার বিষয়ে আলোচনা করতে প্রক্টর মহোদয়ের সাথে দেখা করি। তখন সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলি ‘মাথা নয় মেধা চাই’, ছাত্রদলে চাঁদাবাজ ও মাদকাসক্তদের কোন স্থান নেই।” এতে ক্ষিপ্ত হয় কয়েকজন। কেননা গত ৮ অক্টেবর বাংলা বিভাগের ২০১৮-১৯ সেশনের শিক্ষার্থী ‘মিনহাজ সাগর’ চাঁদাবাজির অভিযোগে ববি’র ছাত্রদল থেকে বহিষ্কার হয়েছে। পরীক্ষায় নকল করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ার পর তার রেজাল্ট উইটহেল্ড রয়েছে। ‘মিনহাজ সাগর’ তার ফেসবুক আইডিতে আমাকে নিয়ে অশ্লীল ভাষায় লেখালেখি করেছেন। যে কারণে সাইবার নিরাপত্তা আইনে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার প্রস্তুতি চলছে।

ববি’র ক্যাম্পাসে এই মিনহাজ সাগর এখনও কয়েকজন শিক্ষার্থীদের নিয়ে চাঁদাবাজি সহ নানা অপরাধমূলক কার্যক্রমে যুক্ত রয়েছেন। তার প্রধান সহযোগি হলেন- বাংলা বিভাগের ৮ম ব্যাচের গোলাম রসুল, লোক প্রশাসন বিভাগের ১০ম ব্যাচের আব্দুর রহিম, সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের ৮ম ব্যাচের মুজাহিদ সহ একটি মদদদাতা চাঁদাবাজ চক্র।

এই চক্রটি পরিকল্পিতভাবে আমার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যমূলকভাবে ৪টি প্রিন্ট ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে সংবাদ প্রকাশ করিয়েছেন। এরমধ্যে ৩টি পোর্টাল থেকে সংবাদ রিমুভ করেছেন। পরে স্থানীয় ও জাতীয় ২টি প্রিন্ট পত্রিকায় প্রকাশিত ওই সংবাদের প্রতিবাদ লিপি প্রদান করলে তা প্রকাশিত করেছে।

এমন পরিস্থিতির মধ্যে বুধবার (৬ নভেম্বর) আমার বিরুদ্ধে ববি’র উপাচার্য বরাবর “নিষিদ্ধ সংগঠন (ছাত্রলীগ) এর সন্ত্রাসী কর্মীদের নিয়ে ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীল করার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ প্রসঙ্গে” শতাধিক শিক্ষার্থীর গণস্বাক্ষরিত লিখিত আবেদনে উল্লেখ করা হয়- ছাত্রলীগ কর্মীদের নিয়ে আমি ক্যাম্পাসে বিশৃঙ্খলা করি। অথচ আমি ছাত্রলীগ কর্তৃক নির্যাতিত এবং জীবন থেকে লেখাপড়া বঞ্চিত হবার উপক্রম অবস্থায় রয়েছি।

খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, আবেদন পত্রটি ছিল “ছাত্রলীগের পুর্নবাসন ও ছাত্র রাজনীতি চাই না”। এ আবেদনে স্বাক্ষর নিয়ে উপরের পৃষ্ঠা পরিবর্তন করা হয়েছে। স্বাক্ষরকারী শিক্ষার্থী ইমরান হোসেন, আরিফুল ইসলাম আমাকে উপরের পৃষ্ঠা পরিবর্তনের বিষয়টি আমাকে নিশ্চিত করেছেন। পরে মুঠোফোনে একাধিক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে জানতে পারি- আবেদন পত্রটি পরিবর্তন করা হয়েছে। যার তথ্য প্রমাণ আমার কাছে রয়েছে।




বরিশালে বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির র‌্যালি

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ::বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বরিশালে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দিনটি পালন করেছে বিএনপি। বরিশাল জেলা বিএনপি, মহানগর যুবদল এবং জেলা দক্ষিণ বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনগুলো পৃথক সমাবেশ ও র‌্যালির আয়োজন করেছে।

বরিশাল জেলা বিএনপির উদ্যোগে সকাল সাড়ে ১১টায় নগরীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে একটি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে তারা একটি র‌্যালি বের করে, যা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবুল হোসেন খান ও সদস্য সচিব এ্যাডভোকেট আবুল কালাম শহীনসহ নেতৃবৃন্দ র‌্যালিতে উপস্থিত ছিলেন।

পাশাপাশি বরিশাল মহানগর যুবদল, জেলা দক্ষিণ বিএনপি ও অন্যান্য অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দও পৃথকভাবে র‌্যালি আয়োজন করেন। তারা সদর রোডের অশ্বিনী কুমার হল সংলগ্ন বিএনপির কার্যালয়ের সামনে থেকে র‌্যালিটি শুরু করে।

এ উপলক্ষে বক্তারা ৭ নভেম্বরের তাৎপর্য নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং দিনটিকে সরকারি ছুটি হিসেবে ঘোষণার দাবি জানান। সকাল থেকেই বিভিন্ন উপজেলা থেকে নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে শহরে এসে সমবেত হন। তাদের হাতে ছিল বিভিন্ন ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড।

এ সময় বরিশাল সদর মৎস্যজীবী দল বিশাল মিছিল নিয়ে অংশগ্রহণ করেন,বরিশাল সদর উপজেলা মৎস্য বিএনপির সভাপতি খোকন হাওলাদার ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম লিটন সহ মৎস্যজীবী অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিল।




আমির হোসেন আমু ৬ দিনের রিমান্ডে

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ::বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ হত্যা মামলায় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমুর ৬ দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) সকালে তাকে আদালতে আনা হয়। এদিন মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের রমনা জোনাল টিমের পুলিশ পরিদর্শক জাহাঙ্গীর আরিপ তাকে দশ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। আসামিপক্ষে আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ইমরান আহম্মেদ তার এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে গত ৬ নভেম্বর রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে আমির হোসেন আমুকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

আমুর বিরুদ্ধে হত্যাসহ ১৫টি মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে। তিনি ১৪ দলের সমন্বয়ক ছিলেন।

মামলা থেকে জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় গত ১৯ জুলাই বিকেলে নিউমার্কেট থানাধীন নীলক্ষেত এলাকায় পুলিশের গুলিতে ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ মারা যান। এ ঘটনায় তার শ্যালক আব্দুর রহমান সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ ১৩০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এর আগে গত ১৮ আগস্ট ঝালকাঠি-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্যের ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়। একইসঙ্গে তার সন্তান এবং তাদের মালিকানাধীন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবের লেনদেন স্থগিত করা হয়।

গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার দেশত্যাগের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ঝালকাঠির আমুর বাসবভনে আগুন ধরিয়ে দেয় আন্দোলনকারীরা। পরে তার ওই বাসভবন থেকে প্রায় ৫ কোটি টাকার দেশি-বিদেশি মুদ্রা উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

ষাটের দশকের ছাত্রলীগ নেতা আমির হোসেন আমু ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বরিশাল থেকে প্রাদশিক পরিষদের সদস্য হয়েছিলেন। স্বাধীনতার পর পাঁচবার এমপি নির্বাচিত হন।




ইসলামী আইন ছাড়া দেশে শান্তি আনা সম্ভব নয়: চরমোনাই পির

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমির ও চরমোনাই পির সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম বলেছেন, ইসলামি আইন বাস্তবায়ন ছাড়া দেশে কেউ শান্তি দিতে পারবে না। তিনি বুধবার বাউফল পাবলিক মাঠে আয়োজিত এক বিশাল গণসমাবেশে এসব কথা বলেন।

সমাবেশে উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে অর্জিত বিজয় রক্ষা, দেশবিরোধী সব ষড়যন্ত্র, দুর্নীতি, সন্ত্রাস, সব বৈষম্যের মোকাবেলা ও ভোটাধিকার রক্ষার জন্য ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সর্বদা সংগ্রাম করছে।” তিনি জাতীয় নির্বাচনে পিআর পদ্ধতির বদলে সঠিক ভোটাধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানান।

এ সময়, সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম সরকারকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “বিগত সরকারে দেশের ভোটারধিকার ছিল না। জনগণ যাতে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে।” তিনি আরও বলেন, “দেশকে মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত রাখতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশে যোগ দেওয়া প্রয়োজন।”

তিনি ছাত্র-জনতাকে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশ রক্ষায় তাদের ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, “৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে স্বৈরশাসকের হাত থেকে দেশ রক্ষা পেয়েছে।” আগামী জাতীয় নির্বাচনে হাত পাখা মার্কায় ভোট দেওয়ার আহবান জানান তিনি।

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বাউফল উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা মো. নজরুল ইসলাম, বরিশাল বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক উপাধ্যক্ষ মাও. মুহা. সিরাজুল ইসলাম, মুফতি মো. হাবিবুর রহমান, কাজী গোলাম সরোয়ারসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।




সাবেক সংসদ সদস্য হাসানাত আব্দুল্লাহসহ ৩৯ নেতাকর্মীর নামে মামলা

বরিশাল অফিস ::  বরিশালের গৌরনদীতে ২০২৩ সালে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, বিস্ফোরণ ও চাঁদাবাজির অভিযোগে আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহসহ দলের ৩৯ নেতাকর্মীর নামে মামলা করা হয়েছে।

উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা আক্কেল সরদার বাদী হয়ে মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) গৌরনদী মডেল থানায় তাদের নামে এই মামলা করেন।

মামলায় বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহকে ১ নম্বর আসামি করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিরা হলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র হারিছুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ হোসেন মুন্সী, খাঞ্জাপুর ইউপি চেয়ারম্যান নুর আলম সেরনিয়াবাত।

এ ছাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মতলেব মাতুব্বর, সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা সেরনিয়াবাত, সরকারি গৌরনদী কলেজছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি সুমন মোল্লা, পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলর আল আমিন হাওলাদার, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সান্টু ভুইয়া, সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান দ্বীপসহ নামোল্লিখিত ৩৯ জন এবং ৪০ থেকে ৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

এ তথ্য নিশ্চিত করে গৌরনদী মডেল থানার ওসি মো. ইউনুস মিয়া বুধবার (৬ নভেম্বর) বিকেলে কালবেলাকে বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।




“আওয়ামী লীগকে সমর্থন করে ৫০ শতাংশ মানুষ“

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ::যুক্তরাজ্যভিত্তিক বাংলা স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল ‘চ্যানেল এস’-এর মতামত বিষয়ক অনুষ্ঠান ‘অভিমত’-এ গত ৫ আগস্ট সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী, তথ্যমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ সাক্ষাৎকার দেন। তিনি বলেন ‘আওয়ামী লীগকে কখনো নিষিদ্ধ করা যাবে না। কারণ বাংলাদেশে কমপক্ষে ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ মানুষ আওয়ামী লীগকে সমর্থন করে।’

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশে ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে বিএনপির কিছু দায়িত্বশীল নেতার বক্তব্য আমি দেখেছি, যারা এর বিরোধিতা করেছেন। তাদের কথার সঙ্গে আমি একমত। কোনো রাজনৈতিক দল বা সংগঠনকে কাগজে-কলমে নিষিদ্ধ করার চেষ্টা করলেও, বাস্তবে তা নিষিদ্ধ হয়ে যায় না। ছাত্রলীগের ক্ষেত্রেও সেটি প্রযোজ্য।

ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করার দাবির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে  তিনি বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে অনেক সময় রাজনৈতিক দলগুলোর জনপ্রিয়তা ওঠানামা করেছে। ১৯৭৫ সালের পর যখন প্রথম নির্বাচন হয় এবং ১৯৭৯ সালের পার্লামেন্ট নির্বাচনের সময় অনেকেই বলেছিলেন, আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা কমে গেছে। তবে সে সময়ও আওয়ামী লীগ ৩৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়েছিল। আজকে বাংলাদেশে কমপক্ষে ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ মানুষ আওয়ামী লীগকে সমর্থন করে।

আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার বিষয়টিকে একেবারেই ‘অলীক কল্পনা’ হিসেবে অভিহিত করে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, অলীক কল্পনা ছাড়া আর কিছুই নয় যে কেউ আওয়ামী লীগ বা ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করার কথা ভাববেন।
আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল এবং এটি বাংলাদেশের জনগণের সমর্থন পেয়ে এসেছে।
এ সময় তিনি ছাত্রলীগের কার্যক্রম এবং সংগঠনের উদ্দেশ্য নিয়ে আরো বিস্তারিত আলোচনা করেন এবং ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করার কোনো যুক্তি না থাকার কথাও তুলে ধরেন।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশে রাজনৈতিক মতামত এবং দলের কর্মকাণ্ড স্বাধীনভাবে চলতে থাকবে। ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগ জনগণের সমর্থন নিয়ে সামনে এগিয়ে যাবে, আর যে কেউ এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার কথা ভাবছেন, তারা বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন।




বরিশাল বিএনপির গঠনতন্ত্রে ‘এক নেতার এক পদ’ নীতি বাস্তবায়ন হয়নি

বরিশাল অফিস:: বিএনপির গঠনতন্ত্রের ১৫ ধারার বিশেষ বিধান ‘এক নেতার এক পদ’ ২০১৬ সালের ১৯ মার্চের কাউন্সিলে যুক্ত করা হয়েছিল। এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কোন ব্যক্তি দলের কোনো পর্যায়ের কমিটির দুই পদে থাকতে পারবেন না। কিন্তু গত আট বছরে বরিশাল বিএনপির কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে এই বিধান কার্যকর হয়নি। এমনকি সম্প্রতি ঘোষণা হওয়া মহানগর বিএনপির পূর্ণাঙ্গ আহবায়ক কমিটি গঠনতন্ত্রের এই বিধান লঙ্ঘন করেছে।

দ্বৈত পদ গ্রহণের অভিযোগ ::
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির ওয়ার্ড এবং অঙ্গ সংগঠনের পদে থাকা নেতারা মহানগর বিএনপির কমিটিতে স্থান পেয়েছেন। এর পাশাপাশি, জেলা বিএনপির নেতাদেরও মহানগর কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো, দলের প্রবীণ নেতা, মুক্তিযোদ্ধা নূরুল আলম ফরিদের অবমূল্যায়ন। তাঁকে আহ্বায়ক কমিটির দুই নম্বর সদস্য করা হয়েছে, অথচ তার ভাগ্নে ওয়ায়ের ইবনে গোলাম কাদিরকে কমিটির এক নম্বর সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।

এছাড়া, কমিটিতে ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়কদেরও দ্বৈত পদ দেওয়া হয়েছে, যা গঠনতন্ত্রের বিরোধী। বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য সোহেল সিকদার, বিভিন্ন ওয়ার্ডের আহবায়ক মাহফুজুর রহমান মাহফুজ, সাজ্জাদ হোসেন এবং অন্যান্য নেতারা মহানগর বিএনপির সদস্য পদ পেয়েছেন।

বিক্ষুব্ধ নেতাদের প্রতিবাদ:
নবগঠিত কমিটির বিরুদ্ধে বিক্ষুব্ধ নেতারা প্রতিবাদ জানিয়েছেন এবং কমিটির প্রথম পরিচিতি সভা বর্জন করেছেন। ১৩ জন নেতার মধ্যে যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ, অ্যাডভোকেট কাজী বশির, হুমায়ুন কবির মাসুদ এবং অন্যান্য নেতারা অংশগ্রহণ করেননি। প্রতিবাদকারী নেতাদের দাবি, নবগঠিত কমিটি ‘মাই ম্যান’ কমিটি, যেখানে অনেকেরই যোগ্যতা নেই। তাঁরা অভিযোগ করেছেন যে, সিনিয়র নেতাদের উপেক্ষা করে দলের কিছু নেতার ঘনিষ্ঠদের পদ দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে আরিফুর রহমান বাবু, একজন প্রতিবাদকারী নেতা, বলেছেন, “এটা কোনো কমিটি নয়, এটা শুধুমাত্র কিছু নির্দিষ্ট মানুষের কমিটি।” তিনি আরও দাবি করেছেন যে, এই কমিটি গঠন করার আগে দলের নেতৃবৃন্দকে ভুল বুঝিয়ে এক ধরনের ভুয়া কমিটি তৈরি করা হয়েছে। তারা এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে অভিযোগ জানাবেন।

:নতুন কমিটির পক্ষে অবস্থান : তবে, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক এবং সদস্য সচিব জিয়াউদ্দিন সিকদার কমিটির পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তাঁরা দাবি করেছেন যে, নতুন কমিটি অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য এবং দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশনা অনুযায়ী অঙ্গ সংগঠন ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের পদ দেওয়া হয়েছে। সিনিয়র নেতা নূরুল আলম ফরিদের বিষয়টি তিনি দুঃখজনক হলেও কেন্দ্রের নির্দেশনার ফলস্বরূপ বলে মন্তব্য করেছেন।

সংশোধন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা: জিয়াউদ্দিন সিকদার বলেছেন, “ওয়ার্ড নেতাদের কমিটিতে অন্তর্ভুক্তি গঠনতন্ত্রের বিরুদ্ধে নয়, আগামী ১৬ নভেম্বরের মহাসমাবেশের পর আমরা ওই কমিটিগুলো বিলুপ্ত করতে উদ্যোগ নেব।” তিনি জানান, যাঁরা মহানগর কমিটিতে রয়েছেন, তাদের আর ওয়ার্ড কমিটিতে রাখা হবে না।

বরিশাল মহানগর বিএনপির ৪২ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ আহবায়ক কমিটি ঘোষণার পর দলের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি হয়েছে। প্রবীণ নেতাদের অবমূল্যায়ন এবং ‘এক নেতার এক পদ’ নীতি লঙ্ঘনের কারণে দলীয় অস্থিরতা বাড়ছে। বিএনপির নেতারা বিষয়টি কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে তুলে ধরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।




আমির হোসেন আমু গ্রেপ্তার, একাধিক হত্যা মামলার আসামি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য, ১৪ দলের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমুকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। বুধবার (৬ নভেম্বর) রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) রেজাউল করিম মল্লিক বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, “আমির হোসেন আমু জুলাই-আগস্ট মাসে সংঘটিত গণহত্যার ঘটনায় একাধিক থানায় দায়ের হওয়া মামলার আসামি। তাকে আজই আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে।”

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার আরও জানান, আমির হোসেন আমু বিরুদ্ধে একাধিক হত্যা মামলার অভিযোগ রয়েছে। তাকে একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হবে এবং রিমান্ডের আবেদন জানানো হবে।

নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, আমির হোসেন আমুর বিরুদ্ধে অভিযোগ গুরুতর এবং তদন্তের স্বার্থে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আওয়ামী লীগে গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আমু, দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। তার গ্রেপ্তার দেশজুড়ে আলোচনার সৃষ্টি করেছে, বিশেষ করে রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনা নিয়ে নানা গুঞ্জন চলছে।

এদিকে, আমির হোসেন আমু গ্রেপ্তারের খবরের পর তার রাজনৈতিক সহযোগীরা দাবি করেছেন, এটি একটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গ্রেপ্তার। তবে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে এবং তদন্ত চলমান রয়েছে।




১৬ বছর ভোট দিতে পারেনি জনগণ, অভিযোগ এবিএম মোশাররফের

পটুয়াখালী প্রতিনিধি:: পটুয়াখালীতে অনুষ্ঠিত এক জনসভায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রশিক্ষণ সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন বলেছেন, দেশের মানুষ দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে ভোট দেওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত রয়েছে। মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ধানখালী ডিগ্রি কলেজ মাঠে ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে অনুষ্ঠিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সরকার ২০১৪ সালের নির্বাচনে ১৫১টি আসনে অটো পাস এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনে রাতের ভোট প্রদান করে জনগণের সাথে প্রতারণা করেছে। বর্তমানে ২০২৪ সালে যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, সেটিও এক ধরনের তামাশা হবে বলে তার দাবি।

মোশাররফ বলেন, “শেখ হাসিনার পরিবার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিশাল পরিমাণ অর্থ চুরি করছে। ব্যাংকগুলো বর্তমানে সংকটের মধ্যে রয়েছে এবং এর পিছনে রয়েছে সরকারের অসৎ উদ্দেশ্য।” তিনি উল্লেখ করেন, সাবেক ভূমি মন্ত্রীর লন্ডনে ২৫৫টি বাড়ি থাকার তথ্য প্রকাশ পেয়েছে, যা দেশের অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর। এছাড়া এস আলম গ্রুপের মাধ্যমে ১ লাখ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগও করেন তিনি।

সভায় মোশাররফ বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে জাতীয়তাবাদী দলের পতাকা তলে সমবেত হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “আমাদের নেত্রীকে অন্যায়ভাবে দীর্ঘদিন কারাগারে রাখা হয়েছে, কিন্তু তিনি দেশ থেকে পালিয়ে যাননি। আমরা সবাই মিলে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে।”

এ সময় জনসভায় উপস্থিত নেতাদের মধ্যে ধানখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আসাদুজ্জামান আলমগীর হাওলাদার, কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাজী হুমায়ুন শিকদার, সিনিয়র সহসভাপতি জাফরুজ্জামান খোকন, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান চুন্নু ও অন্যান্য নেতারা বক্তব্য রাখেন। সভায় ধানখালী ও চম্পাপুরের হাজার হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত হয়ে কলেজ মাঠকে জনসমুদ্রে পরিণত করেন।